Author Archives: editor

প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি ২০১৮ এর ফলাফল

প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি ২০১৮ এর ফলাফল


একক ফলাফল

সকল জেলা

মিন্নির সাথে নয়নের পরকীয়া খুনের কারন!

ডেস্ক,১৪ জুলাই:

বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা মিন্নি। খুনি নয়ন বন্ডের সাথে মিন্নির বিবাহ হয়েছিল, তবে সেই বিবাহের কথা গোপন করেই রিফাতের সাথে মিন্নির বিবাহ দেয় তার পরিবার। তাই মিন্নিকেও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে নিহত রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ।


শনিবার রাত পোনে আটটার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবী করেন তিনি।

Read More »

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে বজ্রপাতে নিহত ১২

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

সারাদেশে বজ্রপাতে ১২জন নিহত হয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে পাবনার বেড়া উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন। সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলায় বাবা ও ছেলেসহ দু’জন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় তিনজন। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় একজন। নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলা একজন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একজন।



দুপুরের দিকে পাবনার বেড়া উপজেলায় বজ্রপাতে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- বেড়া উপজেলার চাকলা ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামের কৃষক মোতালিব সরদার (৫০), তার দুই ছেলে শরিফ সরদার (১৭) ও ফরিদ সরদার (২০) এবং প্রতিবেশী রহম প্রামানিক (৬০)। Read More »

জাতীয়করনের দাবিতে একজন শিক্ষকের মৃত্যু

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

জাতীয়করণের দাবিতে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশনরত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক মারা গেছেন। ওই শিক্ষকের নাম জাকির হোসেন (৪০)। তিনি মধুখালি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। শনিবার বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


এদিকে গত ১৬ জুন থেকে বাদপড়া ৪ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণের দাবিতে ‘বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির’ ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করেছেন শিক্ষকরা। টানা আন্দোলনে মোট দু’শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অনশনরত শিক্ষকরা।

দূর্গা পুজার ছুটি বাড়ানোর দাবী শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩জুলাই ২০১৯: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ। এদেশে প্রচীনকাল থেকেই নানা ধর্ম -বর্নের মানুষ এক সাথে বসবাস করে আসছে। এ জন্যই বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। এদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রে তাদের ধর্মানুষ্ঠান পালন করেন। স্বাধীনতার পর এদেশের মুলমত্র ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, সকলের সম অধিকার।


দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দূর্গা পুজার ছুটি ৭ থেকে ১০ দিন করা হয়। কিন্তু এ বছর ব্যতিক্রম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠী থেকে দশমি দূর্গা পুজার আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু এ বছর অষ্টমী থেকে ছুটি দেয়া হয় দশমী পর্যন্ত মোট ৩দিন ছুটি দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য মনি বলেন, তার চাকুরিকালের এটি প্রথম এমন ঘটনা। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দূর্গাপুজার ছুটি ৩ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন করার পূর্ননির্ধারনের দাবী জানান।
এদিকে ফেসবুকে এনড্রু রয়েল নামের একজন লিখেছেন,অন্যান্য বছর যেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন ছুটি পাওয়া যেত সেখানে ২০১৯ সালে মাত্র ৩ দিন। সরকারের কাছে ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানাই।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন বলেন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ৩দিনের পরিবর্তে কমপক্ষে ৭দিন ছুটি ছুটি ঘোষনার দাবী জানান।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আসন্ন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। দূর্গাপূজাই এক মাত্র সার্বজনীন অনুষ্ঠান যেখানে সকল ধর্ম-বর্নের মানুষ ৫ দিন ব্যপি অনুষ্ঠান পালন করেন। হিন্দুরা ধর্মিয় দিক থেকে এদেশের দ্বিতীয় সংখ্যগরিষ্ঠ জাতি। সুতরাং এই বৃহৎ অনুষ্ঠানটিতে কমপক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হোক।

প্রাথমিক শিক্ষকদের করুন কাহিনী

তৌহিদুজ্জামান সোহেল

আমি ৩৬ তম বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে সুপারিশ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আমিও মানুষ তাই আমিও ভুল করতে পারি। আজ আমার লেখার বিষয়বস্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও বাস্তবতা। লেখার শুরুতে বলে রাখি আমার কথাতে কেউ কষ্ট পেলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।



প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক। একটি সংসার চালানো যে কী কঠিন তা যে চালায় সেই বোঝে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫-৬ জন শিক্ষক কোন কোন বিদ্যালয়ের ৭-৮ জনও থাকে, যারা ভিন্ন ভিন্ন পরিবার থেকে আসেন। এদের মন মানসিকতাও ভিন্ন। সবাইকে সামাল দিতে প্রধান শিক্ষক কম কষ্ট করেন না। অথচ সেই প্রধান শিক্ষক এখনো দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পাননি।

জানামতে, প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার ঘোষণা প্রদান করে কিন্তু এখনও তা বাস্তবে প্রমাণিত হয় নি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ দিয়েও তাদেরকে ১২ তম গ্রেড এ রাখা হয়েছে কিন্তু একই সাথে একই পরীক্ষা দিয়ে কেউ ৯ম কিংবা ১০ম গ্রেডে সেখানে শিক্ষার মূল ভিত্তিতে ১২ তম গ্রেডে সুপারিশ করা হয়েছে । যতদিন না বেতন বৈষম্য ঠিক হবে এবং মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি কার্যকর হবে ততদিন প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। তাই সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই সমস্যা দূর না করলে প্রাথমিক এর মান বাড়ানো যাবে না।

কর্তাব্যক্তিরা নিয়মিত আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের সে আশা এখনও আশার আলো দেখেনি আর কবে আশা পূরণ হবে তাও কেউ জানে না। সহকারী শিক্ষকরা তো সবচেয়ে বড় বলির পাঁঠা। সকাল নয়টায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া, বিদ্যালয় পরিষ্কার করা, ঘণ্টা বাজানো থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ তাদের করতে হয়। আর যে স্কুলে শিক্ষক কম তাদেরতো আরো কষ্ট যা বলে শেষ করা যাবে না। সাথে আরো নতুন নতুন নিয়মের পরিপত্র তো আছেই।

নয়টা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত মাঝখানে বিরতি মাত্র ত্রিশ মিনিট এমন রুটিন দেখে মনে হয় প্রাথমিকের শিক্ষকেরা রোবট। দুপুরের খাবার খেলে নামাজ পড়া হয় না, নামাজ পড়তে গেলে খাবারের সময় নেই। অথচ সেই সহকারী শিক্ষক হচ্ছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী যা সকল শিক্ষক সমাজের জন্য অপমানজনক বলে আমার মনে হয়। কী লজ্জা! ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষকরা সংগ্রাম করে যাচ্ছেন কিন্তু তাদেরকে শুধুই আশার বাণী শোনানো হচ্ছে। আদৌ কি তাদের আশা পূরণ হবে? নাকি শুভঙ্করের ফাঁকি?

প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণকৃত, অথচ দপ্তরিদের চাকরি জাতীয়করণ হয় না। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে আগে শিক্ষকদের মান বাড়াতে হবে সাথে সাথে তাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরো শিক্ষা বান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে যাতে করে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত হয়ে গড়ে উঠে। তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ এই যে, প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড অবিলম্বে কার্যকর করা হউক যাতে প্রাথমিকের শিক্ষকেরা সমাজে গর্ব করে বলতে পারুক যে আমি একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। যেদিন শিক্ষকেরা মাথা উচু করে তারা তাদের পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করবে না সেদিন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়বে।

লেখক: প্রধান শিক্ষক (৩৬ তম বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত)

নীতিমালা অনুযায়ী শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হবে

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

এমপিওভুক্তির নীতিমালার শর্তের বৈতরণী পার হতে পারছে না অন্তত ৫০টি সংসদীয় আসনের নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিজ নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানতে সংসদ সদস্যরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন।



তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নীতিমালা অনুযায়ী শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হবে। এ ক্ষেত্রে এমপিদের ডিও লেটার কোনো কাজে আসবে না। এমপিওভুক্তির জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৪ ধাপে ১০০ নম্বরের গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ হতে হবে।

এ শর্তে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগই অনগ্রসর এলাকার। ফলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য নীতিমালার ২২ অনুচ্ছেদ বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজছে বাছাই কমিটি। একই সঙ্গে তারা কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেওয়া বা না দেওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যাও তৈরি করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংসদ সদস্যদের দাবি অনুযায়ী তাদের নির্বাচনী এলাকার পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই।

শুধু যেসব প্রতিষ্ঠান নীতিমালার ১৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জন করবে, সেগুলো এমপিওভুক্তির আওতায় আসবে। তবে বিদ্যমান যাচাই-বাছাইয়ে কোনো কোনো সংসদীয় এলাকার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। আবার কোনো কোনো সংসদীয় আসনে একটিও যোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়নি। একটিও যোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়নি এমন অন্তত অর্ধশতাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে। এগুলো বেশির ভাগই অনগ্রসর জনপদের।

সম্প্রতি এক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটিকে এমপিও দেওয়া না দেওয়া প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যৌক্তিক ব্যাখ্যা তৈরির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওড়, চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে একাধিক প্রতিষ্ঠান হলে সর্বোচ্চ মানেরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বলেছেন। এমপিওভুক্তির গেজেট প্রকাশ হলে এমপিও না পেলে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান আদালতে মামলা করলে যাতে যৌক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যায়, সেজন্য দায়িত্বশীলদের সতর্কভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এমপিওভুক্তির নীতিমালার ১৪নং অনুচ্ছেদে এমপিওভুক্ত হতে ৪ ধাপে স্কোরিং নম্বরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মোট নম্বর থাকবে ১০০।

এর বিভাজন হচ্ছে-প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি ২৫ নম্বর। প্রতি দুই বছরের জন্য ৫ নম্বর এবং ১০ বা এর চেয়ে বেশি বছর হলে পাবে ২৫ নম্বর। শিক্ষার্থী সংখ্যায় থাকবে ২৫ নম্বর। কাম্য সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলে ওই প্রতিষ্ঠান পাবে ১৫ নম্বর এবং এর পরবর্তী ১০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য পাবে ৫ নম্বর। পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ২৫ নম্বর। কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫ নম্বর, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য ৫ নম্বর। উত্তীর্ণের পরিসংখ্যানেও ২৫ নম্বর। কাম্য হার অর্জনের ক্ষেত্রে ১৫ নম্বর, পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৫ নম্বর। এ মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হওয়া অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্যই কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকা হিসেবে এমপিওভুক্তির প্রতিষ্ঠান বিভাজন হবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, এমপিওভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী শতভাগ স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে। কোথাও যদি নীতিমালার ২২ অনুচ্ছেদ প্রয়োজন হয়, সেটাও দেখা হবে। ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল।

এ ক্ষেত্রে অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাগে অসুবিধাজনক পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওড়, চরাঞ্চল, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ বিবেচনায় শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।

সংসদ সদস্যদের ডিও লেটার প্রথা থাকবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নীতিমালার গ্রেডিং নম্বরে উত্তীর্ণ না হলে ডিও লেটার কোনো কাজে আসবে বলে মনে হয় না। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দুটি কমিটি করেছে। এগুলো হলো-আবেদন বাছাই কমিটি এবং অনলাইন ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে এ দুটি কমিটি কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা হলেন রুহিয়ার কৃতিসন্তান ডাঃ হান্নান

গৌতম চন্দ্র বর্মন,ঠাকুরগাঁও ঃ
দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি শাখার ফার্ম ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেছেন রুহিয়ার কৃতি সন্তান ডাঃ হান্নান আলী (জুয়েল) ।



তিনি ১১ জুলাই ২০১৯ খ্রিঃ তারিখে উক্ত পদে যোগদান করেন। ডাঃ মোঃ হান্নান আলী কৃতিত্বের সাথে ২০০৭ ইং সালে রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি, ২০১০ ইং সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচ.এস.সি পাশের পর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি শাখায় স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন। এর পর ঐ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫ ইং সালে ডি.ভি.এম এ স্নাতক সম্মান ও একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৮ ইং সালে ফামার্কোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
ডাঃ মোঃ হান্নান আলী রুহিয়া থানার ১ নং রুহিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কুজিশহর গ্রামের মরহুম মোশারফ হোসেন মাষ্টারের কনিষ্ঠ পুত্র । তার যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার বড় ভাই রুহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক বদরুদ্দোজা। তিনি তার ছোট ভাইয়ের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষন মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেক যশোর থেকে গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি(১৩.০৭.১৯):
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে ৬বছরের এক শিশুকে চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষনের মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেককে (৫০) যশোরের ঝিকরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মালেক ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার জানান, ধর্ষনের পর থেকেই পলাতক ছিলো প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালেক। শুক্রবার দিনগত রাতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় সে যশোরের এক আত্মীয় বাড়িতে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নোয়ালি গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে তাকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত বুধবার দুপুরে গোপিনাথপুরের এক ভ্যান চালকের ৬বছরের শিশুকন্যাকে চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার জনশূন্য বাড়িতে নিয়ে ধর্ষন করে প্রতিবেশী আব্দুল মালেক। এরপর শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিনই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে আব্দুল মালেকের নাম উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

পাবনায় ট্রেনে কাটা পড়ে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি,পাবনা: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে ট্রেনে কাটা পড়ে সিরাজুল ইসলাম বাবু (৪২) নামের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঈশ্বরদী-খুলনা রেলরুটের পাকশী রেলওয়ে স্টেশনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ রেললাইনের ওপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।


নিহত সিরাজুল ইসলাম বাবু উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়াড় বাঘইল গ্রামের মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পাকশীর বাঘইল চাইল্ড কেয়ার কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও ঈশ্বরদী কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

শিক্ষক বাবুর স্ত্রী মালা খাতুন গণমাধ্যমকে জানান, সকালে ফজরের নামাজের পর প্রাত:ভ্রমণে বের হন বাবু। সকাল নয়টায় স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে পার্শ্বর্তী লালপুর পার্কে বনভোজনে যাবার কথা ছিল তার। বাবুর ফিরতে দেরি হওয়ায় বারবার মোবাইল ফোনে কল দিয়েও পাওয়া যায়নি। পরে, স্থানীয়দের খবরে বাবুর মৃত্যুর কথা জানতে পারেন তিনি।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুবির দত্ত জানান, নিহত বাবু সকালে রেলপথের উপর দিয়ে হাঁটছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে অন্যমনস্ক থাকায় তিনি ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পাননি। এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছ

ডেঙ্গু: ২৪ ঘন্টায় ৭৩ জন আক্রান্ত, ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকার বাইরেও

ডেস্ক,১২ জুলাই: ঢাকার অধিবাসী মমতাজ শাহিন খান। তার পরিবারের একজন সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি বলছেন, তার বাসার সাথে বাগানে কাজ করেছিলেন তার পরিবারের একজন সদস্য।

পরে হাসপাতালে নিয়ে নিশ্চিত হন যে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।


“অনেক জ্বর এবং পরে মুখ দিয়ে রক্তও গেলো। আমরা কোনো ঝুঁকি নেইনি। হাসপাতালে ভর্তি করেছি।”

এই রোগীর মতো ঢাকায় আরও ৭৩ জন গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩,৭২০ জনেরও বেশি।

এর মধ্যে ঢাকার বাইরে ১৯ জনের আক্রান্ত হবার খবর মিলেছে। যদিও আক্রান্তদের মধ্যে ২,৯০০ জনই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

এটি নিয়ে এখনো খুব বেশি উদ্বিগ্ন হতে রাজী নন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সাব্রিনা।

“কেস বেশি হচ্ছে, কিন্তু প্যানিক হওয়ার কিছু নেই। ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা সবাই এখন জানে। হাসপাতালগুলোতে নজরদারি আরও শক্তিশালী হয়েছে। সেজন্যই ঢাকার বাইরের কেসগুলো জানা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে মশা এখন ততটা উদ্বেগের বিষয় না।”

তবে পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয় সেজন্য এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের জন্য বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে সবার আরও সচেতনতার ওপর জোর দেন তিনি।

মশা নিয়ে গবেষণা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।

তার মতে, এবার সচেতন হওয়া বেশি জরুরি কারণ কয়েকটি কারণে এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

“এবার ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টি হয়েছে। এডিস মশার ডিম ছয়মাস পর্যন্ত শুকনো স্থানে থাকলে বেঁচে থাকতে পারে। এবার আগে বৃষ্টির কারণে ও এখন থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশার ঘনত্ব বাড়ছে। আবার ঢাকাসহ সারাদেশে পানির স্বল্পতার কারণে মানুষ বালতি কিংবা ড্রামে পানি জমিয়ে রাখে। আর বিভিন্ন ধরণের নির্মাণ কাজের সাইটগুলোতে চৌবাচ্চা, ড্রাম এডিস মশার বিস্তারে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।”

সে কারণেই দেশজুড়ে জেলা উপজেলা পর্যন্ত নির্মাণকাজ বেড়ে যাওয়ায় মি. বাশার মনে করছেন নির্মাণ সাইটগুলোতে পানি জমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
কিন্তু ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ে প্রচার প্রচারণা কিছু চোখে পড়লেও ঢাকার বাইরে বিশেষ করে মফস্বল এলাকাগুলোতে এ নিয়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে।

কুষ্টিয়ার শিরিন সুলতানা বলছেন, তাদের এলাকায় প্রচুর মশা। কিন্তু মশা নিধনের কোনো ব্যবস্থা তিনি কখনো দেখেননি।

“স্প্রে বা কয়েল জ্বালানো ছাড়া টেকা যায়না কিন্তু আমি কখনো দেখিনি ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে কোনো কিছু করা হচ্ছে।”

তবে ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশন থেকে সতর্কতামূলক প্রচারের পাশাপাশি মশা মারতে ঔষধ দিতে দেখা যায় মাঝে মধ্যে।

দুটি কর্পোরেশন থেকেই বলা হচ্ছে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলছেন, মশা প্রতিরোধে সবার সচেতনতাই একমাত্র উপায়।

তবে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করেছেন তারা।

“যে পরিস্থিতি এখন বিদ্যমান তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সারা দেশে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, ঢাকা বা ঢাকার বাইরে যেখানেই কারও জ্বর হলেই বিলম্ব না করে হাসপাতালে যেতে হবে আর এটি করা হলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির ভয় বা আতংকের কিছু নেই।

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে ২৯ জুলাই। চলবে ২ আগস্ট পর্যন্ত।
রাজধানীর কমলাপুরসহ পাঁচটি স্থানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করা হবে। একজন যাত্রী ৪টির বেশি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন না বলে রেলওয়ে সূত্র জানায়।


জানা গেছে, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিক্রি হবে যমুনা সেতু হয়ে সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট, বিমানবন্দর স্টেশন থেকে দেওয়া হবে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট, তেজগাঁও স্টেশন থেকে বিক্রি করা হবে ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী ট্রেনের টিকিট, বনানী স্টেশন থেকে বিক্রি হবে নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওর এক্সপ্রেসের টিকিট ও রাজধানীর ফুলবাড়িয়া (পুরোনো রেলভবন) থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলওয়ে ঈদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বুধবার রেলভবনে বৈঠক করা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৯ জুলাই থেকে রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ২ আগস্ট পর্যন্ত এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো হলো-দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (১ জোড়া): ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ জোড়া) : চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম, মৈত্রীর রেক দিয়ে খুলনা ঈদ স্পেশাল : খুলনা-ঢাকা-খুলনা, ঈশ্বরদী ঈদ স্পেশাল : ঢাকা-ঈশ্বরদী-ঢাকা, লালমণি ঈদ স্পেশাল : লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট, শোলাকিয়া স্পেশাল-১: ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার, শোলাকিয়া স্পেশাল-২: ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ- ময়মনসিংহ, পবিত্র ঈদের দিন।

প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণির ডিজিটাল কন্টেন্ট পেতে যা করবেন

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আপনাদের জন্য ১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পযর্ন্ত সকল বিষয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট পৌছে দিতে আমি চেষ্টা করছি । এই ডিজিটাল কন্টেন্ট গুলো মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে প্রদশর্ন করালে শিক্ষার্থীরা খুব আনন্দের সাথে তাদের শিখন সম্পন্ন করতে পারবে। ডিজিটাল কনটেন্ট গুলো পেতে যোগাযোগ করুন ।



স্বরুপ দাস
প্রশি
আজমপুর সপ্রাবি,চুয়াডাঙ্গা

জেলা আইসিটি অ্যাম্বাসেডর,
এটুআই -প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
০১৮১১৮৯৮০৬১

গ্রেডিং পদ্ধতি হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ জুলাই:

পাবলিক পরীক্ষার ফল তৈরিতে বিদ্যমান গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার চলতি বছর হচ্ছে না। কবে হবে তা চূড়ান্ত হয়নি। তবে, সংস্কার প্রস্তাব উত্থাপনের পর বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব আলোচনা করতে গিয়ে জিপিএর (গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ) পরিবর্তে শুধু ‘জিপি’-তে (গ্রেড পয়েন্ট) ফল তৈরির প্রস্তাবও এসেছে। আবার, বিদ্যমান ব্যবস্থা বহালের প্রস্তাবও আছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কী হবে সেটা নীতিনির্ধারক ঠিক করবেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


বিদেশি কারিকুলামে (ইংরেজি মাধ্যম) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ফল জিপি পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। এ ছাড়া দেশে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বুয়েটসহ বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বিষয়ভিত্তিক জিপি মূল্যায়িত হয়।

বিদেশেও ভর্তির ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত জিপি মূল্যায়ন করা হয়। এসব কারণে সংস্কার আনার ক্ষেত্রে এখন জিপিএর পাশাপাশি ‘জিপি’ও আলোচনায় এসেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, সনাতনী পদ্ধতি বাতিল করে ২০০১ সালে জিপিএ চালু করা হয়। ইতিমধ্যে ১৮ বছর চলে যাওয়ায় এ পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়টি সময়ের দাবি। কিন্তু আমরা হুট করে বা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন কিছু চাপিয়ে দেব না। এ জন্য শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক এবং সাংবাদিকসহ অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। সেটি শেষ করে পদ্ধতিটি চালু করা হবে। আমরা এখন সেই সময়টা নিচ্ছি। পাশাপাশি এর প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে।

১০ জুন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভায় গ্রেডিং পদ্ধতির সংস্কার প্রস্তাব তোলা হয়। এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এতে পাবলিক পরীক্ষায় বিদ্যমান শিক্ষার্থীর ফলের সর্বোচ্চ ধাপ (স্কেল) জিপিএ-৫-এর জিপিএ-৪ করার প্রস্তাব করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব জানান, এ সভা থেকে প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি পরিবর্তনের আগে অধিক পর্যালোচনার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো এড়িয়ে প্রমাণ ও উপাত্তের ওপর নির্ভর করারও পরামর্শ দেন তিনি। এরপর এ পদ্ধতি সংস্কারের উদ্যোক্তারা গতি কমিয়ে দেন।

অন্যদিকে কতিপয় গণমাধ্যমে বিকৃতভাবে বিষয়টি উপস্থাপিত হওয়ায় এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও ভুল বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া জামাতপন্থী কতিপয় অভিভাবক এ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারও করছে। উদ্বিগ্ন অনেকে এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এমন পরিস্থিতিতে এ পদ্ধতি সংস্কারের আগে আরও বেশি পর্যালোচনার ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে পরামর্শ দেয়া হয়। এ কারণে আসন্ন জেএসসিতে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সেই চিন্তা থেকে সরে আসা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সরকারের পরীক্ষা সংস্কার ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার প্রস্তাব আসার পর বিভিন্ন মডেল তৈরির কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চর্চা, বিভিন্ন দৃষ্টান্ত এবং শিক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা, পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই চলছে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। কেননা প্রমাণ ও উপাত্তের জন্য ট্রাইআউট (পদ্ধতির পরীক্ষা) ও পাইলটিং (পরীক্ষামূলক প্রবর্তন) দরকার।

একাদশে ‘দেড় লাখ ভর্তি বঞ্চিতদের’ ফের আবেদন শুরু

ডেস্ক,১০ জুলাই:

চলতি মাসের এক তারিখ থেকে সারাদেশের কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ শুরু হয়েছে। তবে এখনও ভর্তি হতে পারেনি দেড় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী। এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৬ জন। অন্যদিকে, এবার কলেজ ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ১৪ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষা থেকে ঝরে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



তবে একাদশ শ্রেণিতে যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে ভর্তি হতে পারেনি কিংবা ভর্তির আবেদন করতে পারেনি তাদের ফের আবেদনের সুযোগ দিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। আজ বুধবার থেকে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ভর্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ আবেদন। কলেজে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের ভর্তি করা হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩ শিক্ষার্থী। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় এই বোর্ডে শিক্ষার্থী ভর্তির হার সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে এখনও আসন খালি রয়েছে প্রায় দুই লাখ। তাই শেষ পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীই ভর্তি প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, ভর্তি না হওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকে ভর্তির জন্য আবেদন করে কলেজ পেয়েও ভর্তি হয়নি। অন্যদিকে, অনেকে আবার ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। কিন্তু এখন এদের ভর্তির প্রক্রিয়া কি হবে; তারা কি ভর্তি হতে পারবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থীই ভর্তির সুযোগ পাবে। কারণ অসংখ্য আসন খালি আছে। এক্ষেত্রে ভর্তিচ্ছুরা কলেজে গিয়ে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।

এর আগে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন ও মোবাইলে এসএমএস করে আবেদনের সুযোগ পায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। একেকজন শিক্ষার্থী অনলাইনে পাঁচ থেকে ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করার সুযোগ পায়। এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করেছেন ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষার্থী। তবে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির জন্য প্রথম ধাপে আবেদন করেননি। গত বছরও প্রথম ধাপে আবেদনের বাইরে ছিল প্রায় আড়াই লাখ।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছরই এভাবে বেশকিছু শিক্ষার্থী কলেজ পর্যায়ে এসে শিক্ষার সাধারণ ধারায় থাকে না। তারা হয় কারিগরি ডিপ্লোমা বা বিদেশে চলে যায়। এভাবে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পরে। মেয়েদের অনেকের এই সময়ে বিয়ে হয়ে যায়। ফলে তারা সাধারণ কলেজ ভর্তির বাইরে থেকে যায়।

এবার কলেজে ভর্তি হতে ১০ লাখ ৫২ হাজার ১৮৪ জন অনলাইনে এবং ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২২২ জন এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করেছে। ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৯৫টি এবং এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫১টি আবেদন।

এবার ঢাকা বোর্ডে তিন লাখ ৯৯ হাজার ১৯৫ জন, রাজশাহীতে এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৮২ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৫ জন, যশোরের এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৪ জন, বরিশালে ৭৭ হাজার ৪২০ জন, সিলেটে ৮০ হাজার ১৬২ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৮ জন, ময়মনসিংহে ৯৬ হাজার ৫৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডে এক লাখ ২৮ হাজার ৮১৮ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছে।

এদিকে, সম্প্রতি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১৬ জুলাই ভর্তি বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা নূন্যতম জিপিএ থাকা সাপেক্ষে কলেজে ম্যানুয়াল ভর্তির আবেদন জমা দিবে। আবেদনগুলো বিবেচনা করে আগামী ১৮ জুলাই শূন্য আসনের ভিত্তিতে কলেজ ভর্তিযোগ্যদের মেধাভিত্তিক তলিকা প্রকাশ করবে। আগামী ২০ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই কলেজগুলো শূন্য আসনে ভর্তি গ্রহণ করবে। আর ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কলেজগুলোকে বোর্ডে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী তালিকা বোর্ডে জমা দিতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ম্যানুয়াল ভর্তির ফি ৪৪৫ টাকা। এর মধ্যে আবেদন ফি ১৫০ টাকা, রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ১৯৫ টাকা এবং ডাটা এন্ট্রি ফি ১০০ টাকা। ভর্তির সাথে সাথে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে। কলেজগুলোর শূন্য আসনের তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে তুলে ধরা হয়েছে।

hit counter