Author Archives: editor

ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরলেন দীপিকা-রণবীর

বিনোদন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কিছুদিন একসঙ্গে  দারুণ সময় পার করেছেন দীপিকা ও রণবীর। এনডিটিভির খবরে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁরা মুম্বাই ফিরেছেন।

মুম্বাই এয়ারপোর্টে পাপারাজ্জিদের তোলা ছবিতে দীপিকা ও রণবীরকে দেখা যায় বেশ খোশ মেজাজে। তাঁদের মুখে ছিল মিষ্টি হাসি। পাশাপাশি হাত ধরে হেঁটেছিলেন তাঁরা। দুজনই পরেছিলেন আরামদায়ক পোশাক।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দীপিকা ও রণবীরের কাটানো সময়গুলোর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেট দুনিয়ায় এখন ভাইরাল ও আলোচিত। ঘুরে বেড়ানোর ছবির পাশাপাশি  ফ্লোরিডা থেকে ইনস্টাগ্রামে দীপিকা তাঁর ছোটবেলার একটা ছবি শেয়ার করেছিলেন গত বৃহস্পতিবার। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘টমবয় তখন, এখন এবং সবসময়।’  গোলাপি পোশাকে ছোট্ট দীপিকার ছবি তাঁর ভক্তদের মন কেড়ে নিয়েছে আরো একবার। হাজার হাজার ভ্ক্ততের মাঝে ছবিটিতে কমেন্ট করেছিলেন রণবীরও।

বোঝায় যাচ্ছে, দীপিকা ও রণবীরের মনে এখন সুবাতাস বইছে। আসছে নভেম্বরে তাঁদের দুজনের বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা। বলিউডের এই আলোচিত ঝুটির বিয়ে কোথায় হবে, এই নিয়েও চলছে নানা গুঞ্জন। অনেকে বলছে তাঁদের বিয়ে হতে পারে ইতালিতে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জবি ১ম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু ৫ আগস্ট

জবি প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ ১ম বর্ষের ভার্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রোববার (৪ আগস্ট)।

এ বছরই প্রথম ভিন্ন আঙ্গিকে নেয়া হবে জবিতে ভর্তি পরীক্ষা। এমসিকিউর পরিবর্তে পরীক্ষা হবে লিখিত পদ্ধতিতে।

মোট আসন : এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২ হাজার ৭৬৫টি আসনে শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে ইউনিট-১ (বিজ্ঞান শাখা)-৮২৫জন, ইউনিট-২ (মানবিক শাখা)- ১ হাজার ২৭০জন, ইউনিট-৩ (বাণিজ্য শাখা)- ৫২০ জন এবং বিশেষায়িত চারটি বিভাগে (সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন) মোট ১৫০ জন ভর্তি হতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা : যেসব শিক্ষার্থী ২০১৫ বা ২০১৬ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০১৮ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কেবলমাত্র তারাই ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

এরমধ্যে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ইউনিট-১ (বিজ্ঞান শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৮.০, ইউনিট-২ (মানবিক শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৭.৫ এবং ইউনিট-৩ (বাণিজ্য শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৮.০ থাকতে হবে। তবে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০ এর নীচে পেলে তারা কোনো বিভাগে আবেদনের যোগ্য হবেন না।

অপরদিকে বিশেষায়িত বিভাগে ভর্তির আবেদনের জন্য এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মোট জিপিএ ৭.০ (কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ২.৫ এর নীচে নয়) থাকতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া : ইউনিট-১, ২ ও ৩ এর জন্য admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info ওয়েবসাইটে login করে bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০১/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০৪/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০১/- টাকা জমা দেয়া সাপেক্ষে ৫ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ২৭ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত প্রাথমিক আবেদন করা যাবে। প্রাথমিক আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে (৪র্থ বিষয়সহ) ভিত্তি করে লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রথম ৩০ হাজার যোগ্য শিক্ষার্থীর তালিকা (পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বরসহ) প্রস্তুত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে এবং পরীক্ষার্থীদের দেয়া মোবাইল নম্বরে SMS-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। এই শর্ত পোষ্য কোটাসহ সব কোটার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা Application ID Number ব্যবহার করে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট (admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info) login করে ছবি, স্বাক্ষর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার তথ্য Upload করে Final Submit করতে পারবেন। Final Submit করার পর কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষার জন্য bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা ৩১ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত জমা প্রদান করতে পারবেন। Final Submit-এর পর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে এবং পরীক্ষার দিন অবশ্যই তা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

বিশেষায়িত বিভাগসমূহের (সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভশন) জন্য কোনো লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে না। শুধু বিষয়ভিত্তিক ব্যবহারিক এবং মৌখিক ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info ওয়েবসাইটে login করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ড, পাসের সন এবং নিজের মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য Input দিয়ে Submit করতে হবে। যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের একটি Applicaiton ID দেয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী বিশেষায়িত এই চার বিভাগের প্রতিটিতে আলাদাভাবে আবেদন করতে পারবেন। Applicaiton ID প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতিটি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় (ব্যবহারিক এবং মৌখিক) অংশগ্রহণের জন্য bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা ৩১ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। Final Submit-এর পর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন এবং পরীক্ষার দিন অবশ্যই তা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

এছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি), ইংলিশ মিডিয়াম অথবা বিদেশ থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত (অফিস চলাকালীন সময়ে) কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য-সচিবের (রেজিস্ট্রার) অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি পরীক্ষার তারিখ : ইউনিট-১-এর ভর্তি পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার), ইউনিট-২-এর ভর্তি পরীক্ষা ৬ অক্টোবর (শনিবার), ইউনিট-৩-এর ভর্তি পরীক্ষা ১৩ অক্টোবর (শনিবার) সকাল (১০.০০টা হতে ১১.৩০টা) এবং বিকেল (৩টা হতে ৪টা৩০মিনিটি) দুটি শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও বিশেষায়িত বিভাগের ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info) পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে নির্মাতা ফারুকীর খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খোলা চিঠি লিখেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

আজ শনিবার সকালে লেখা চিঠিতে ফারুকী বলেন, ‘প্রিয় মোস্তাফা জব্বার ভাই,কিশোর বিদ্রোহের এই অনন্যসাধারণ ব্যাপারটাকে ভিলিফাই করার চেষ্টা করবেন না, প্লিজ। মনে রাখবেন, এরা আপনাদের শত্রু না। এরাই আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান সৈনিক হবে। মিরপুরে লাঠি হাতে যারা দাপিয়ে বেড়িয়েছে তাদের দিয়া জয় ভাইয়েরও কাজ হবে না, ববি ভাইয়েরও না। লাগবে এসব সোনার ছেলেমেয়েদেরই। আরো মনে রাখবেন, দুই হাজার আটে সাধারণভাবে তরুণরা আপনাদের পক্ষে ছিল বলেই আপনাদের পক্ষে জোয়ার আসছিল। ভাবেন এই ছেলেমেয়েরা পাঁচ-দশ বছর কোথায় যাবে। তখন এরা কত জরুরি হবে আপনাদের কাছে।’

চলচ্চিত্র নির্মাতা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আমরা মেনে নিচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রেদওয়ান মুজিব তাদের সম্মানে হেঁটে অফিসে গেলেন। ডিএমপির মনির ভাই বললেন শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।

‘এখন হঠাৎ করে বিচ্ছিন্ন দুয়েকটা ঘটনা, স্লোগান আর ভাষা নিয়া অহেতুক আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ছোট করার ব্যর্থচেষ্টা করবেন না। এতে আপনি, আমি, আমরা, আমাদের ভবিষ্যৎ সবাই ছোট হচ্ছি। গালি বা স্ট্রিট ল্যাংগুয়েজের নন্দন তত্ত্ব, সামাজিক ব্যাখ্যা এসবে না গিয়ে আপনাকে খেয়াল করিয়ে দিতে চাই এসব দুয়েকটা ঘটনা এই আন্দোলনের আসল চিত্র ছিল না। এত হাজার হাজার ছেলেমেয়ে রাস্তায় এসেছে তাদের মধ্যে কত রকমের মানুষ থাকতে পারে। নব্বইয়ে ছিল না এই রকম অতি সামান্য বিচ্ছিন্ন উপাদান?’

চিঠিতে লেখা হয়, ‘আমি বরং সেসব নিয়ে কথা না বলে খেয়াল করাতে চাই এই আন্দোলন কত রাজনৈতিকভাবে সচেতন স্লোগান ব্যবহার করেছে । খেয়াল করিয়ে দিতে চাই, পুলিশ-ছাত্র গলাগলি করে কীভাবে দাঁড়িয়েছিল ফার্মগেটে, কি সুমধুর সুরে এরা জাতীয় সংগীত গেয়েছে, কি সুন্দরভাবে লাইসেন্স চেক করে থ্যাংক ইউ বলেছে, কোথাও কোথাও চকলেট দিয়েছে। খেয়াল করাতে চাই এদের বক্তব্যে এবং কণ্ঠে কতবার বঙ্গবন্ধুর কথা উঠে এসেছে রেফারেন্স হিসেবে। নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুকে এভাবে দেখেও কি আপনি আশাবাদী হন নাই? আমি তো ভীষণ হয়েছি।’

ফারুকী আরো বলেন, ‘এখন ওদের হাসিমুখে ঘরে ফিরতে দেন আর যে কাজ করার ওয়াদা করেছেন সেগুলোতে হাত দেন। তারপর আমরা সবাই মিলে একসাথে এগিয়ে যাই সামনের দিকে।

এবার নিচে এই আন্দোলনের কিছু জনপ্রিয় স্লোগানের লিস্ট দিয়ে দিলাম যদি আপনি মিস করে থাকেন এই ভয়ে।’

‘১. হয়নি বলেই আর হবে না, আমরা বলি বাদ দে। লক্ষ তরুণ চেঁচিয়ে বলে পাপ সরাবো হাত দে।
২. যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ , যদি তুমি রুখে দাড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ।
৩. জনপ্রতিনিধিদের সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হবে।
৪. পারলে মাথায় গুলি কর, তাহলে মেধা মারা যাবে, কিন্তু বুকে গুলি করিস না, এখানে বঙ্গবন্ধু ঘুমায়, বন্ধু জেগে গেলে সব ধ্বংস হয়ে যাবে।
৫. আমরা নয় টাকায় এক জিবি চাই না ‘নিরাপদ সড়ক চাই’।
৬. চার কোটি শুক্রাণুর সাথে লড়াই করে জন্মেছি, চাকার তলায় পিষার জন্য নয়।
৭. পথ খুলবে বলেই রাস্তা আটকাই।
৮. শিক্ষকের বেতের বাড়ি নিষেধ যেই দেশে, পুলিশের হাতে লাঠি কেন সেই দেশে।
৯. আর নবারুন ভট্টাচার্যর কবিতাটা যেটার লাইন আমার হুবহু মনে পড়ছে না।
১০. টনক তুমি নড়বে কবে?
১১. ন্যায্য দাবির মিছিলে যে চোখ
সে চোখ জেগেছে জয়ে
মিছিল কখনো থামে না বুলেটে
স্লোগান থামে না ভয়ে।’

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘আমার তো মনে হয় না ওদের বয়সে আমি এই রকম গুছিয়ে বলতে পারতাম। মনে পড়ে মহল্লার সরু রাস্তা ছেড়ে বড় রাস্তায় উঠলে জড়তায় সংকুচিত হয়ে থাকতাম। সেখানে মহাসড়কে নেমে এত গুছিয়ে একটা আন্দোলন তো অনেক দূরে কথা। আপনি কি পারতেন, প্রিয় জব্বার ভাই? আপনাকে ধন্যবাদ।’

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাস প্রতিযোগিতা করে মিরপুর থেকে ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে আসছিল। এ সময় ফ্লাইওভারের শেষ দিকে, রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল শিক্ষার্থী। এর মধ্যে একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহতরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

ওই ঘটনার পর থেকেই বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে টানা কয়েক দিন। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ অনেক শিল্পী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্ররা ঘরে ফিরলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ আগষ্ট: অাওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অান্দোলনকারীদের সব দাবি মেনে নিয়েছি। অনেকগুলো বাস্তবায়নের পথে। তাই অাবার তাদের বলবো অনেকে ঘরে ফিরেছে, তোমরাও ঘরে ফিরে যাও। ছাত্ররা ঘরে ফিরলেই পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে।

তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে অাইন পাস হচ্ছে। অাগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় এবং পরবর্তী সংসদ বসলে এ অাইন পাস করা হবে।

শনিবার ধানমন্ডিস্থ অাওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে অায়োজিত সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল অালম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, বি এম মোজাম্মেল হক, দফতর সম্পাদক ড. অাবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের বাড়িতে গেছেন এবং অার্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। এরপর অার কী বলার থাকে?

তিনি বলেন, কোমলমতি ছাত্রদের অান্দোলনে যখন অনুপ্রবেশকারী ঢোকে এবং সহিংস ঘটনা ঘটায় তখন ছাত্রদের সেটা দেখতে হবে এবং একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কাদের কলেন, বিএনপি নামক একটি নালিশ পার্টি অাছে। এরা জনগণ থেকে ক্রমান্বয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। ফখরুলসহ প্রথম সারির নেতারা পদত্যাগ করলে দেশের মানুষ মুক্তি পায়, বিএনপির নেতারাও মুক্তি পায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি বাসের ব্রেক ফেল, আহত ৩

ঢাবি প্রতিনিধি:  বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের বহন করা একটি বাস ব্রেক ফেল করে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বাসটি ওই সময় বাম পাশে হেলে গিয়ে ফ্লাইওভারের পাশে লাগানো লোহার জালে ধাক্কা খায়। দরজা-জানালায় ঝুলে থাকা ছাত্রদের তিনজন এ সময় বাস থেকে ছিটকে পড়েন। এতে একজনের মাথা ফেটে গেছে, দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত তিন শিক্ষার্থী হলেন ফলিত রসায়ন বিভাগের মো. জাওয়াদ, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের আমিনুল ইসলাম ও ফলিত গণিত বিভাগের আজিজুর রহমান। তাঁদের মধ্যে জাওয়াদের মাথা ফেটে গেছে। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

‘ইন্দ্রাকপুর’ নামের বাসটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুন্সিগঞ্জে যাতায়াত করে। ওই বাসে থাকা এক ছাত্রী প্রথম আলোকে বলেন, অন্যদিনের তুলনায় আজ বাসে অনেক বেশি শিক্ষার্থী ছিলেন। অনেকেই বাসের দরজায় ঝুলে ছিলেন, জানালার পাশে বসে ছিলেন। হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় একজন নামতে চাইলেও বাস দাঁড়াচ্ছিল না। বাসের চালক ‘ব্রেক ফেল’ হয়েছে বলতে থাকেন। এতে ঝুলে থাকা শিক্ষার্থীরা হুড়োহুড়ি করে ভেতরে ঢুকতে চান। এ সময় বাসটি বাম পাশে কাত হয়ে ফ্লাইওভারের দেয়ালে বসানো লোহার খাঁচার সঙ্গে ধাক্কা খায়। ফলে দরজা-জানালায় ঝুলতে থাকা তিন-চারজন নিচে পড়ে যান। এর পরপরই চালক বাসটি থামাতে সক্ষম হন।

বাসের চালক রেজাউলের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থাপক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মুন্সিগঞ্জ থেকে আসার পথে শনির আখড়া এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহন করা বিআরটিসির কয়েকটি বাস চলমান আন্দোলনে আটকে যায়। ফলে সামনে থাকা এই বাসটিতে প্রায় তিন গাড়ির যাত্রী ছিল। বাসের দরজা-জানালায় অনেকেই ঝুলে ছিল। একপর্যায়ে ব্রেক ফেল করায় বাসটি একদিকে হেলে যায় বলে চালক ও সহকারীর ভাষ্য। তারপরও প্রকৃত ঘটনা জানতে প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা আবদুল হালিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ  বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা। আমরা আহতদের খোঁজ নিয়েছি। তাঁরা শঙ্কামুক্ত। তারপরও এখানে কারও ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এর বাইরে বাসের সংখ্যা কম হওয়াটা আমাদের মূল সমস্যা। শিক্ষার্থীরা বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করে। সেগুলোর সমাধান কীভাবে করা যায় আমরা দেখছি।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১্আগষ্ট:  দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কিছুক্ষণের মধ্যে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী শোকার্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শোক সংবরণ করে শান্ত থাকতে এবং ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর নিহত ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় সহপাঠীর মৃত্যুতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ আমরা শিক্ষা পরিবারের সবাই শোকার্ত।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সড়ক পরিবহনকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করেছে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ অব্যাহত আছে।
সভায় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক, অভিভাবক ও অন্যদের শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য ভূমিকা রাখতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ডেস্ক,৩১ জুলাই:সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ব্যতীত এ দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাশ থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাশ হতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন কার্যক্রম আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আবেদন করার পর প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা যে কোনো টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে হবে।

jagonews24

ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাশ এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাশ রাখা হয়েছে।

ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদার প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক আয়ুবের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে না আসার অভিযোগ

কার্পাসডাঙ্গা অফিস:
দামুড়হুদার প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ঠিক মতো আসেনা বলে অভিযোগ উঠেছে । গতকাল সোমবার বিকাল ৩ টার সময় স্কুলের ছেলেরা রাস্তার উপর ঘোরাঘুরি সময় একটি ছাত্র সামান্যর জন্য বড় ধরণের র্দর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায়। এ সময় কিছু অভিভাবক দ্রুত স্কুলে ছুটে গিয়ে দেখতে পায় প্রধান শিক্ষক নায় সাধারণ সহকারী শিক্ষকরা বলেন তিনি বারটার সময় স্কুল থেকে চলে গিয়েছেন। ফলে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিঘিœত হচ্ছে শিক্ষা কার্যাক্রম।
অভিভাব ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানাগেছে , প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী নিজের ইচ্ছে মতে বিদ্যালয়ের কার্যাক্রম পরিচালনা করে থাকেন । তিনি নামমাত্র বিদ্যালয় আসলেও হাজিরা খাতায় সই করে আবার নিজের ব্যাক্তিগত কাজে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ফলে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বিঘিœত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার মান একেবারে নীচে নেমে যাবে বলে অভিভাবকরা মনে করেন। দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন এ ব্যবারে আমার কিছু জানা নেই তবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব । বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস বলেন, আমি প্রধান শিক্ষককে বার বার বলেছি আমি আগামী বৃহস্পতিবার জরুরী মিটিং করার জন্য বলেছি প্রধান শিক্ষককে বার বার বলার পরও প্রধান শিক্ষক ঠিকমতো স্কুলে আসে না। আমার কাছেও অনেক অভিভাবক বিষয়টি বলেছে।
এ দিকে আয়ুব আলী বলেন, আমার বিদ্যালয়ের স্লিপের কাজ চলছে এবং অফিসিয়াল কাজের জন্য প্রায় বাইরে থাকতে হয়। গ্রামবাসীর দাবী প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বদলীসহ বিদ্যালয়ের প্রতি নজর দিবার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন অভিভাবকমহল।

কাল পড়ুন ৩টা থার্ডক্লাস নিয়ে কিভাবে প্রধান শিক্ষক হলেন আয়ুব আলী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শনিবার থেকে এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদন শুরু

ডেস্ক,৩১ জুলাই: আগামী শনিবার (৪ আগস্ট) থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত কমিটির প্রধান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ।

এ বিষয়ে জাবেদ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকল প্রক্রিয়া শেষ। আগামী ৪ আগস্ট থেকে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও তাদের দেয়া তথ্য-উপাত্ত প্রতিবেদন আকারে শিক্ষা সচিব বরাবর দেয়া হবে। এ সংক্রান্ত কাল বুধবার একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্তি আবেদন গ্রহণ সফটওয়্যারটি একটি অটোমেশন সিলেকশন সফটওয়্যার হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। শর্ত পূরণ ও এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্যদের অটোমেটিকভাবে একটি তালিকা আকারে সেট করবে। আমরা সেই প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেব।’ এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে শুধুমাত্র জেনারেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলেও জানান জাবেদ আহমেদ।

এমপিওভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী দেখা গেছে, এক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাত্র একটি স্তরে এমপিও দেয়া হবে। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠান ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত হলে, সেখানে নিম্ন মাধ্যমিক (অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) অথবা মাধ্যমিক (নবম-দশম) যে কোনো একটি স্তরে এমপিওভুক্ত করা হবে। সফটওয়্যার সেভাবে তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রলালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও প্রথম পর্যায়ে মাত্র ১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হবে। তার মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে ৪০০টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১০, কলেজ ৭৫, ভোকেশনাল স্কুল ও কলেজ ৩০০টি, মাদরাসা ১০০টি এবং ১১৫টি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ রয়েছে।

এমপিও নীতিমালায় বলা আছে, শিক্ষকদের নিয়োগে ৩৫ বছর নির্ধারণ করে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১০০ নম্বরের গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হবে। তার মধ্যে একাডেমিক স্বীকৃতিতে ২৫ নম্বর (প্রতি দুই বছরের জন্য পাঁচ নম্বর। ১০ বা তার চেয়ে বেশি বয়স এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৫ নম্বর)। শিক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর ২৫ নম্বর (কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫ নম্বর, এরপর ১০ শতাংশ বৃদ্ধিতে পাঁচ নম্বর)। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার জন্য ২৫ নম্বর (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫ ও পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য পাঁচ নম্বর)। পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের জন্য ২৫ নম্বরের (কাম্য হার অর্জনে ১৫ নম্বর ও পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশ পাসে পাঁচ নম্বর) গ্রেডিং করা হবে।

প্রভাষকদের এমপিওভুক্তিতে বিষয়ভিত্তিক ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১৫ জন করা হচ্ছে। তবে নতুন জনবল কাঠামোতে সৃষ্ট পদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা দেয়া হবে না, কিন্তু নতুন পদে এমপিওভুক্ত করা হবে। নতুন জনবল কাঠামোর বাইরে কর্মরত পদ শূন্য হলে নতুন করে নিয়োগ দেয়া যাবে না। যারা এমপিওভুক্ত নন কিন্তু বৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের নতুন পদে পদায়ন করতে হবে।

এদিকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রায় এক মাস ধরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলন করেন। এর মধ্যে গত ১৫ দিন ধরে আমরণ অনশন পালন করেন তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্তির ভুয়া চিঠি :মন্ত্রণালয়ের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,২৭ জুলাই: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্টের স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির একটি ভুয়া চিঠি পাঠিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এমপিওর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সংগ্রহ সংক্রান্ত এ চিঠিটির সাথে মন্ত্রণালয়ের কোন সম্পৃক্ততা নেই জানিয়ে একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্টের ভুয়া স্বাক্ষরে পাঠানো চিঠিতে  ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট (Md.monuar Hossain A/C No: 7017019622076) দুই হাজার টাকা জমা দিয়ে এমপিও ইউসার আইডি ও পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সতর্কিকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘এ ধরনের চিঠির সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের কোন  সংশ্লিষ্টতা নেই।’

এ ধরণের প্রতারক চক্র থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সাবধান থাকতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শারীরিক অনুশীলন শিশুদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, শারীরিক অনুশীলন শিশুদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আগে ধারণা ছিল, শুধু চিন্তা করলেই বুঝি ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়ে। কিন্তু স্পেনের গ্রান্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল জানাচ্ছে, এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। শুধু পড়াশোনা করলেই ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়ে না। তার জন্য দরকার শারীরিক কসরত। গবেষণায় জানা গেছে, যেসব শিশু নিয়মিত খেলাধুলা করে তাদের মস্তিষ্কে গ্রে মেটারের পরিমাণ বাড়ে। গ্রে মেটার মস্তিষ্কের এমন একটি উপাদান, যা স্মৃতিশক্তি ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়। শারীরিক অনুশীলনকারী শিশুদের মানসিক ক্ষমতাও বেশি হয়। তারা আত্মবিশ্বাসী হয়। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। গবেষক দল আরো জানিয়েছে, শারীরিকভাবে দক্ষ শিশুরা অন্যদের তুলনায় যারা খেলাধুলা না করে সারাক্ষণ বই নিয়ে পড়ে থাকে তাদের চেয়ে বেশি সামাজিকভাবে দক্ষ হয়। প্রথমদিকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় একটু খারাপ হলেও পরবর্তীতে তারা খুব দ্রুতই সেই শূন্যতা কাটিয়ে উঠে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। বরং খেলাধুলা না করে যেসব শিশু সারাক্ষণ শুধু পড়াশোনা নিয়ে মেতে থাকে, প্রথম জীবনে তারা ভালো ফলাফল করলেও পরবর্তী জীবনে অনেক কিছুই ব্যর্থ হয়। গ্রান্ডা বিশ্ববিদ্যালয় এবং হেলথ ইনস্টিটিউটের গবেষক দলের প্রধান ফ্রান্সিস কো বি ওর্তেগা জানিয়েছেন, শারীরিক দক্ষতা শিশুদের ব্রেনের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে সরাসরি দ্রুত সংযুক্তি তৈরি করে, যা তাদের সারাজীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর পজিটিভ প্রভাব ফেলে। প্রাতিষ্ঠানিক ও কর্মজীবনে তারা দ্রুত সফল হয়।

সংবাদটি আমাদের বাংলাদেশের শহুরে শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ববহ। কারণ আমাদের দেশের শিশুরা এখন নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ পায় না। ছোট ছোট ফ্ল্যাটে বন্দি তারা। স্কুলে ও এলাকায় খেলার মাঠ নেই। খেলা বলতে তাদের এখন কম্পিউটারে মোবাইলে ভিডিও গেমস। ফলে শারীরিকভাবে তারা খুব দুর্বল হয়ে পড়ছে। অন্যান্য রোগের সঙ্গে তাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতেই হয়তো তার মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তার জন্য এখনই সচেতনতা দরকার। শিশুদের অবশ্যই প্রতিদিন কিছু শারীরিক অনুশীলনের সুযোগ করে দিতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কেউ যেন বলতে না পারে বাংলাদেশ ভিক্ষুকের দেশ ॥ প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আজ বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষার্থীদের ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার খরচটাকে আমি খরচ হিসেবে দেখি না, এটাকে বিনিয়োগ হিসেবে দেখি। আজ আমরা যাদের পেছনে বিনিয়োগ করছি তারাই একদিন এ দেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবে। বিভিন্ন উদ্ভাবনী ও আবিষ্কারে তারা এগিয়ে থাকবে। তখনই এ দেশ হবে সোনার বাংলা।

অনুষ্ঠানে দেশের ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬৩ জন স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদক পরিয়ে দেন।

তিনি বলেন, আজ যারা স্বর্ণপদক পেল তাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আজকের ছেলে-মেয়েরা এ দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলবে। আমরা ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত করছি। ভবিষ্যতে ছেলে-মেয়েরা এ দেশকে সত্যিকারের সোনার বাংলা হিসেবে গড়বে -যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন।

স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দিয়েছি। এ গতি যেন থেমে না যায়। এ দায়িত্ব তোমাদের। কেউ যেন বলতে না পারে বাংলাদেশ ভিক্ষুকের দেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমি খুব শান্তি পাচ্ছি। কারণ, এক সময় এ দেশে মেয়েদের শিক্ষায় বিরাট বাধা ছিল। আজ যে ১৬৩ জনকে স্বর্ণপদক দিলাম তার মধ্যে ১০১ জনই মেয়ে, আর ৬২ জন ছেলে। খুব ভালো লাগার পাশাপাশি একটু খারাপও লাগছে যে, ছেলেরা পিছিয়ে থাকবে কেন? আমি চাই ছেলে-মেয়ে সমান গতিতে এগুবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এটা ধরে রেখে অামাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমরা এবার ৭ দশমিক ৭৮ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এটাও ধরে রাখতে হবে। কারণ, প্রবৃদ্ধি বেশি থাকলে জনগণ তার সুফল পায়। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেকে গড়তে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানের শুরুতে মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজ বেগম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে পদক পাওয়ার পর পদকপ্রাপ্ত দু’জন শিক্ষার্থী তাদের অনুভুতি ব্যক্ত করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘুমিয়ে থেকেই বাড়বে স্মৃতিশক্তি

কাজের চাপে কি প্রায়ই এটা-সেটা ভুলে যাচ্ছেন বা স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে? এর পরিণাম কিন্তু হতে পারে ভয়ঙ্কর। আর সেজন্যই স্মৃতিশক্তিকে মজবুত করার নানা উপায় খুঁজতে মরিয়া বিজ্ঞানীরা। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে দিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন পরামর্শ। সেসব পরামর্শের বেশিরভাগই খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে প্রতিদিনের জীবন আচরণের।

তবে গবেষকরা সম্প্রতি এমন একটা উপায় খুঁজে পেয়েছেন যা ঘুমের মধ্যেই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাইয়ের নেতৃত্বে হয় এই গবেষণা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে করা এই সংক্রান্ত গবেষণার নিবন্ধটি জেনিউরোসায়েন্স নামের গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে সায়েন্স ডেইলি পত্রিকার এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকরা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ঘুমের মধ্যেই মস্তিষ্ককে বাহ্যিক উদ্দীপনা দেন। তারা দেখেন কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এই কৌশলে মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়ছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো এই পদ্ধতিতে সুস্থ মানুষ থেকে শুরু করে রোগীদেরও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

সায়েন্স ডেইলি বলছে, এই পদ্ধতিতে আসলে মস্তিষ্কের এক অংশ থেকে আরেক অংশে স্মৃতি স্থানান্তর করা হয়। গবেষকরা মানুষের ঘুমের মধ্যে সিঙ্ক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এলাকার স্মৃতিকে নিওকর্টেক্সে স্থানান্তর করেন।

অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাই দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক উপায়ে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য কাজ করছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তারা ক্লোস-লুপ একমুখী বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা চালনা করেন। তবে এর কারণে যেন ঘুমের কোনো ব্যাঘাত না ঘটে সে বিষয়েও সচেতন ছিলেন গবেষকরা।

গবেষণার অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের কিছু বিষয় আগে দেখানো হয় ও কিছু বিষয় শনাক্ত করতে দেওয়া হয়। পরের দিন সে বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন দেখা যায় সারা রাত যাদের মস্তিষ্কে উদ্দীপনা দেওয়া হয়েছিল তারা অন্যদের তুলনায় আগের দিন দেখানো বিষয়গুলো নির্ভুলভাবে বলতে পারছেন বা ছবিতে দেখানো বিষয়গুলো শনাক্ত করতে পারছেন।

গবেষকদের আশা নতুন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে স্নায়ুর রোগের চিকিৎসায়ও সহায়তা করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু ১৮ নভেম্বর

ডেস্ক,২৫ জুলাই: চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা আগামী ১৮ নভেম্বর শুরু হবে। চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত।

আজ বুধবার সচিবালয়ে বুধবার পিইসি পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, অন্যবার সকাল ১১টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হলেও এবার শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার সময় আগের মত আড়াই ঘণ্টাই থাকছে।

তিনি জানান, পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের আগে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হলেও এবার থেকে তাদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবশেষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ডেস্ক  : মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি প্রকল্পের ২০ লাখ টাকা বাতিলের পেছনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ‘পরিমল চন্দ্র বালা’কে ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় বদলি করা হয়। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুস্পজিৎ মণ্ডল বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন,‘প্রাথমিক শিক্ষ অধিদফতরের মহা পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৭ জুলাই (মঙ্গলবার) তাকে বদলি করা হয়। পরিমল চন্দ্র বালা গত মার্চ মাসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে মোংলা উপজেলায় যোগদান করেন।’

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোংলা উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান,‘তিনি (পরিমাল চন্দ্র বালা) যে কাজ করেছেন তাতে এ শাস্তি (বদলি) হয় না, উচিত ছিল তাকে বরখাস্ত করা।’

উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মহিদুল ইসলাম জানান, পিইডিপি (প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) প্রকল্প-৩ এর আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা করে পায়। ওই টাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার জন্য দেওয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরেও এ খাতে ২০ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়।গত ২৭ জুন মোংলা উপজেলা হিসাব শাখা থেকে এ টাকার অনুমোদনসহ ছাড় করণের প্রয়োজনীয় কাগজ সোনালী ব্যাংক, মোংলা শাখায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্ত পরিমল চন্দ্র বালা ৩০ জুনের মধ্যে না তোলায় ওই ২০ লাখ টাকা বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে ভুক্তভোগি এক প্রধান শিক্ষক বিধান বৈরাগী জানান, বরাদ্দের টাকা আগে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা আগে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরন কিনতে শিক্ষদের নির্দেশ দেন। শিক্ষকরা তা কিনে রসিদসহ বরাদ্দের টাকা আনতে গিয়ে জানতে পারেন তাদের সে বরাদ্দের টাকা বাতিল হয়ে গেছে। এতে শিক্ষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে জানান তারা। আর এ ঘটনার জন্য তরা ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়ী করেন। পরে এঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি এর সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।

তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা  বলেন, ‘আমাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়নি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সব জানেন।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail