Author Archives: editor

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট প্রায় দূর হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক: সেশনজট ছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর সমস্যা। তা নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ একাডেমিক কর্মসূচি নেওয়ায় সেশনজট প্রায় দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নানা অনিয়মের আবর্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ধ্বংসের প্রান্তসীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। বর্তমান প্রশাসন এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সে অবস্থা থেকে অনেকটা তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ‘রজতজয়ন্তী’ উৎসবের শেষ দিনের আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন শিক্ষামন্ত্রী। গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সকালে এ অনুষ্ঠান হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা এবং সময় উপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্বমানের জ্ঞান, যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে সেটিই হওয়া উচিত আমাদের সবার অগ্রাধিকার।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকারের পাশাপাশি উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। নয়তো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা বহুলাংশে অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের সর্ব বৃহত্তম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। দেশজুড়ে বিস্তৃত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ২৪৯ কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে কেক কেটে এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। সভাশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সকালে শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভায়ও অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দুর্গাদাস ভট্টাচার্য, কাজী শহীদুল্লাহ ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ।

ভর্তি পরীক্ষায় ‘সাম্প্রদায়িক’ প্রশ্ন নিয়ে সমালোচনায় রাবি

‘ম্যাস’ নিয়ে বিভ্রান্তি, পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নামে

 

ঢাকা: ইংরেজি ‘ম্যাস’ শব্দটি দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বোঝানো এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় শব্দটি মন্ত্রণালয়ের নাম থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নাম পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুন্দর ও সাবলীল নাম আহ্বান করবে মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম ‘Ministry of Primary and Mass Education’। ইংরেজি নামের ‘ম্যাস’ শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এএফএম মনজুর কাদির।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘ম্যাস’ শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার হয়। ইংরেজি ‘ম্যাস’ শব্দটি বস্তু, পিণ্ড, ভর, পরিমাণ, দল, স্তূপ, দলা, বস্তুসমূহ, বহু পরিমাণ ছাড়াও বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। মানুষের ক্ষেত্রে জনসাধারণ বা গরিব দেশের জনগণ, খ্রিস্টের নৈশভোজের পর্ব উদযাপনসহ আরও নানা অর্থে ব্যবহার হয়ে আসছে শব্দটি। কোথাও কোথাও উপসর্গের মতো ব্যবহারও লক্ষ্য করা যায়।

সহজ-সরল অর্থে বিদেশি এবং দেশের মানুষের মধ্যে এসব বিভ্রান্তি দূর করতে নাম প্রস্তাব করা হচ্ছে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব ড. মনজুর কাদির।

তিনি বলেন, ‘ম্যাস’ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেকেই সহজ-সরলভাবে বিষয়টি নিতে চান না। সভায় আলোচনা করে নাম পরিবর্তনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভিশন ও মিশন হলো মানসম্মত প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও জীবনব্যাপী শিক্ষা। আর অভিলক্ষ্য প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও গুণগতমান উন্নয়নের মাধ্যমে সবার জন্য প্রাথমিক ও জীবনব্যাপী শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।

বাংলাদেশের শিক্ষার জন্য বর্তমানে দুটি মন্ত্রণালয় এবং দু’জন মন্ত্রী রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে রয়েছেন দু’জন সচিব। মাধ্যমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষা দেখভাল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং বিনামূল্যে পরিচালনা করা হয়। সরকারের অর্থের পাশাপাশি বিদেশি বিভিন্ন দাতা গোষ্ঠীর

 

স্নাতক পাসেই ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ

ডেস্ক,অক্টোবর ০৬, ২০১৭:  নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, কনজিউমার ব্যাংকিং এবং রিলেশনশিপ ম্যানেজার, প্রায়োরিটি ব্যাংকিং/কনজিউমার ব্যাংকিং ব্রাঞ্চেস পদে নিয়োগ দেবে।

যোগ্যতা:

ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, কনজিউমার ব্যাংকিং:

-ব্যবসা, অর্থনীতি, ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী

-ন্যূনতম সাত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা

আবেদনের শেষ তারিখ: ১২ অক্টোবর, ২০১৭ পর্যন্ত।

কর্মস্হল: চট্টগ্রাম বিভাগ, কুমিল্লা ও রাজশাহী

রিলেশনশিপ ম্যানেজার, প্রায়োরিটি ব্যাংকিং/কনজিউমার ব্যাংকিং ব্রাঞ্চেস:

-ব্যবসা, অর্থনীতি, ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী

-ন্যূনতম পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ অক্টোবর, ২০১৭

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

শান্তিতে নোবেল পেল আইসিএএন।

নরওয়ের নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান পঞ্চম কাচি কুলমান শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের পুরস্কার ঘোষণা করেন।

বিস্তারিত পরে

শিশুর কৃমি?

ডা. সজল আশফাক: সারা পৃথিবীতেই শিশুদের বিভিন্ন ধরনের কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশেও অধিকাংশ শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে কেঁচো বা লম্বাকৃতি (এসকারিস লুমব্রিকয়েডস), বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্ম, সুতাকৃমি, ট্রাইচুরিস ট্রাইচুরা (টিটি), স্ট্রংগিলয়েড স্টারকোরালিস ও ডিম কোনোভাবে পেটে ঢুকলে তা থেকে পেটের মধ্যে কৃমি সৃষ্টি হয়।

বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্মের লার্ভা (ডিম থেকে বৃদ্ধি পাওয়া শিশু কৃমি) পায়ের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশ করে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে তার হুক আঁকশি দিয়ে রক্ত চোষে। এতে কিছুকাল পর রোগীর রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। সুতাকৃমি পায়খানার রাস্তায় এসে কিলবিল করে এবং ডিম ছাড়ে। চুলকানোর সময় এসব ডিম হাতের আঙুল ও নখে লেগে থাকে। এটি খাবার ও পানির সঙ্গে পেটে ঢুকে কৃমিতে রূপান্তরিত হয়। ফিতাকৃমি অল্প সেদ্ধ বা অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস বা শূকরের মাংস খেলে হতে পারে। এগুলোর দৈর্ঘ্য ৫ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এ জাতীয় কৃমি গরু, শূকর ইত্যাদি পশুর মাংসে বাসা বাঁধে।

ওপরে বর্ণিত কৃমিগুলোর মধ্যে লম্বাকৃতি বা এসকারির লুমব্রিকয়েডসের প্রাদুর্ভাব আমাদের দেশে বেশি। বাংলাদেশে একটি সমীক্ষায় গ্রামাঞ্চল ও শহরের শিশুদের মধ্যে যথাক্রমে ৯২ ভাগ ও ২৮ ভাগ ক্ষেত্রে এই কৃমি দেখা গেছে। পেটে কৃমি থাকলে :

  • রোগীর পেটব্যথা হয়
  • ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়
  • পেট ফাঁপা থাকে
  • শরীর অজীর্ণ হয়
  • বমি হতে পারে
  • এমনকি কৃমি ক্ষুদ্রান্ত্রকে বন্ধ করে দিয়ে প্রচণ্ড পেটব্যথার সৃষ্টি করতে পারে
  •  এ ছাড়া অন্ত্রনালিকে ছিদ্র করে দিতে পারে
  • কৃমি পিত্তনালিতে ঢুকে পিত্তনালির পথ বন্ধ করে দিয়ে জন্ডিসের সৃষ্টি করার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে।

চিকিৎসা

  • কৃমির চিকিৎসা দেওয়ার আগে কৃমি হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য পায়খানা পরীক্ষা করার দরকার রয়েছে। পায়খানা বা স্টুলের রুটিন পরীক্ষায় এটি ধরা পড়ে।
  • যেকোনো কৃমির ক্ষেত্রে যে ওষুধ সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেটি হচ্ছে মেবেনডাজল। এ ওষুধের উল্লেখযোগ্য বাজারজাত নাম হচ্ছে আরমক্স/মেবেন। বয়স্কদের বেলায় মেবেন/আরমক্স ট্যাবলেট ১০০ মিলিগ্রাম একটা করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে হবে। শিশুদের বেলায় আরমক্স/মেবেন সিরাপ চা চামচের এক চামচ করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে দেওয়া যেতে পারে।
  • এ ছাড়া কৃমির জন্য অন্য একটি ওষুধ এলবেনডাজল। বাজারে এটি আলবেনসহ অনেক নামে পাওয়া যায়। বয়স্ক ও শিশু উভয়ের বেলায় দুটি আলবেন রাতে শোয়ার সময় খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের বেলায় ২০০ মিলিগ্রামের একটি আলবেন ট্যাবলেট খাওয়ালেই চলবে। তবে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ জানেন?

হার্ট অ্যাটাক একটি গুরুতর সমস্যা। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। পাশাপাশি আরো কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় সে সময়। হার্ট অ্যাটাক কী এবং এর লক্ষণ কী, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৮৬৮তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. উম্মে সালমা খান। বর্তমানে তিনি এমএইচ শমরিতা হসপিটাল অ্যান্ড মেডিকেল কলেজে কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাক বলতে কী বুঝি?

উত্তর : পুরো শরীরেই যেমন রক্তনালি রয়েছে, হার্টেরও নিজস্ব একটি রক্তনালি রয়েছে। হার্টের বেঁচে থাকার জন্য তার কিছু পরিবহন দরকার। সেই জন্য হার্টের ওপরে কিছু রক্তনালি দেওয়া থাকে। সেই রক্তনালিতে প্রথমেই কোনো ব্লক বা পার্শিয়াল ব্লক হয়, সে ক্ষেত্রে রক্তনালি দিয়ে হার্টের পেশিতে সম্পূর্ণ রক্ত পরিবহন হয় না। এটা যখন ব্যাহত হয়,তখনই রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাকের সময় তাৎক্ষণিকভাবে কী কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়?

উত্তর : হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক কিছুই হতে পারে। অনেকভাবে হতে পারে, যেমন—রোগী বলতে পারে আমার বুকটা ভারী ভারী লাগে। অনেক সময় রোগী বলতে পারে, আমি একটু হাঁটলেই আমার খারাপ লাগে। অথবা সিঁড়ি দিয়ে আমি আগে তিনতলা পর্যন্ত উঠতে পারতাম, এখন হয়তো উঠতে পারছি না। একতলা উঠলেই আমার খারাপ লাগছে, বুকে খারাপ লাগছে অথবা প্যালপিটিশন অনেক বেশি হচ্ছে বা আমি অনেক দুর্বল বোধ করি। যেকোনো কাজ করলে আমি কাজটা শেষ করতে পারি না। এই যে পরিবর্তনগুলো, তার যে কর্মক্ষমতা আস্তে আস্তে একটু সংকুচিত হয়ে আসছে, সেগুলো দেখলেই অনেক সময় বোঝা যায়। হার্ট অ্যাটাকের এগুলো সবই পূর্ব লক্ষণ।

আর হার্ট অ্যাটাক যদি হয়ে যায়, ঠিক বুকের মাঝখানে, খুব চেপে ধরা তীব্র ব্যথা হবে। সেই ব্যথা অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন—চোয়ালে যেতে পারে বা হাতে যেতে পারে, পেছনের দুই কাঁধের মাঝখানে হতে পারে অথবা পেটেও হতে পারে। এর সঙ্গে রোগী ঘেমে যাবে, রোগীর বমি বমি লাগবে, রোগী বলবে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস গুজব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষে (২০১৭-১৮) ভর্তি পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন ফাঁস হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করতে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে রাজধানীসহ সারা দেশের ২০টি কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয়বার ভর্তি-ইচ্ছুকদের ক্ষেত্রে ৫ নম্বর কাটা হবে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৮২ হাজার ৭৮৮ শিক্ষার্থী। দেশে সরকারি ৩১টি মেডিকেল কলেজের মোট আসনসংখ্যা তিন হাজার ৩১৮টি।

আজ সকালে পরীক্ষা শুরু পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাবিতে কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে সাংবাদিকরা বিষয়টি তাঁর দৃষ্টিতে আনেন।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের প্রশ্ন ফাঁস হয়নি। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা গুজব। এতে আপনারা কান দেবেন না।’

‘যারা প্রশ্ন ফাঁস করে, তারা মেধাবীদের শত্রু। এ পরীক্ষায় যাঁরা মেধাবী, তাঁরাই উত্তীর্ণ হয়ে মেডিকেলে ভর্তি হবেন।’

দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যারা দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদের জন্য ৫ মার্ক কাটা হবে এবং নতুন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আগামীতেও এভাবে চলতে থাকবে।’

‘ডিভাইস নিয়ে হলে’

পরীক্ষা চলাকালীন ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে হলে ঢুকেছে এক শিক্ষার্থী। ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই পরীক্ষার্থীর নাম মাজহারুল ইসলাম। তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলায়।

সূত্র জানায়, মাজহারুল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর করছিল। প্রথমে বিষয়টি শিক্ষকরা বুঝতে পারেননি। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে ধরা পড়েন। তাঁকে নিউমার্কেট থানায় দেওয়া হবে বলে জানায় হল কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। ওই শিক্ষার্থীকে থানায় দেওয়ার কথা রয়েছে। এখনো থানায় আনা হয়নি। এ ব্যাপারে পরীক্ষা কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

প্রাথমিকের তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণের গেজেট অক্টোবরে

ডেস্ক রিপোর্ট,২৯ সেপ্টেম্বর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়করণে তৃতীয় ধাপে তালিকাভুক্তির গেজেটের জন্য কাজ শেষ হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে তা তা প্রকাশ করা হবে। বৃহস্পতিবার  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, জাতীয়করণের তৃতীয় ধাপে বিভিন্ন জেলার ৫৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকরা রয়েছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউএনডিপির আওতাভূক্ত তিন পার্বত্য জেলার ৩১০ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। গত ২৯ এপ্রিল তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের খসড়া গেজেট আকারে প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর উপর ভিত্তি করেই গেজেট চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, তৃতীয় ধাপে বিভিন্ন পর্যায়ে ৮৮০টি স্কুল রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ সম্ভব হয়নি। তবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেলেই তা প্রকাশ করা হবে। গেজেটভুক্ত শিক্ষকদের ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে বেতন-ভাতা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

জানা যায়, ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৩৮৪৫ শিক্ষকের চাকরি তিন ধাপে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর মধ্যে প্রথম ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে, দ্বিতীয় ধাপের ২০১৩ সালের জুলাই থেকে এবং তৃতীয় ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রথম ধাপের শিক্ষকদের চাকরি যথাসময়ে জাতীয়করণ হলেও দ্বিতীয় ধাপের শিক্ষকদের জাতীয়করণের গেজেট প্রকাশ হয় গত বছর।

প্রথম ধাপে সরকারি হওয়া স্কুলগুলো ছিল বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ হওয়া স্কুলগুলো আগে মূলত কমিউনিটি স্কুল, এনজিও, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের অধীনে ছিল।

প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় নেতা সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির এর  কাছে দাবী জানিয়ে বলেন নতুন করে জাতীয়করন বিদ্যালয়গুলোতে একজন করে প্রধান শিক্ষক বহাল রেখে গেজেট প্রকাশ করতে হবে। যেমন করে ২০১৩ সালে করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি রাজধানীর প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত শিক্ষক মহাসমাবেশে ২৬ হাজার ১৯৩ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাচ্ছে কিন্তু শিখছে না

ডেস্ক রিপোর্ট,২৯ সেপ্টেম্বর: কেনিয়া, তানজানিয়া এবং উগান্ডায় ক্লাস থ্রি পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছিল একটি সাধারণ বাক্য ‘দ্যা নেম অব দ্যা ডগ ইজ পাপ্পি’ এটি পড়ার জন্য। তিন-চতুর্থাংশ শিক্ষার্থী এই বাক্যের মানেই বোঝেনি। ৪৬ থেকে ১৭ বিয়োগ করলে কত হবে ভারতের গ্রামীণ স্কুলে পড়ুয়া পঞ্চম শ্রেণির অর্ধেক শিক্ষার্থী এটি সমাধান করতে পারেনি। বিশ্বে এমন লাখ লাখ শিশু রয়েছে যারা শুধু স্কুলে ভর্তি হচ্ছে, কিন্তু কিছুই শিখছে না। তারা সাধারণ জ্ঞানটুকুও অর্জন করছে না। শিক্ষার মান নিয়ে মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এবারের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০১৮-লার্নিং টু রিয়ালাইজ এডুকেশনস প্রমিজ’। এবারের প্রতিবেদনে শিক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে প্রতি একশ জনের ৯০ জন প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করছে। তাদের মধ্যে ৬১ জন নিম্ন মাধ্যমিক পার হতে পারছে। মাত্র ৩৫ জন উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পার হতে পারছে। এর মধ্যে অনেকেই ভবিষ্যত্ উচ্চ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা পাচ্ছে না। কিন্তু বিষয়টি সংখ্যার নয়, বিষয়টি হচ্ছে মানের। প্রাথমিক পর্যায়ের ৬০ ভাগ শিক্ষার্থীর গণিত ও পড়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জ্ঞানটুকুও নেই। তবে শিক্ষার সঙ্গে শিশুদের সঠিকভাবে বেড়ে উঠাও গুরুত্বের। বিশ্বে পাঁচ বছরের নিচে প্রতি তিনটি শিশুর একটি অপুষ্টির শিকার। এ ধরনের সমস্যা তাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্তরায়।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিষয়ে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এদেশে ১১ ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্ডারগার্টেন, মাদ্রাসা, এবতেদায়ীসহ বিভিন্ন এনজিওগুলো তাদের পৃথক কারিকুলাম অনুযায়ী বিভিন্ন স্কুল পরিচালনা করছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত অনেক দেশেই স্কুলে ভর্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা স্কুলে কী শিখছে তার মূল্যায়ন করা হয় না। এসব দেশের স্বাক্ষরতার হার উন্নত দেশগুলোর মতো। তবে শিক্ষার্থীদের বড় অংশই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ে। ২০১০ সালের তথ্য দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয়ের ২৭ শতাংশ পায় দরিদ্রতম পরিবারের সন্তানরা। ধনীদের ক্ষেত্রে এ হার ১৩ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দেখা যায়, মাত্র ২ শতাংশ দরিদ্রতম পরিবারের সন্তানরা সরকারি ব্যয়ের উপকারভোগী হচ্ছে, যেখানে ধনী পরিবারের সন্তান সংখ্যা ৫৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বে প্রচুর শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে, কিন্তু তারা কিছু শিখতে পারছে না। শিখতে না পারায় স্কুলে যাওয়াটা তাদের ভবিষ্যতের জন্য সুফল বয়ে আনছে না। বেকার থাকছে অথবা কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক শিক্ষা খাতের এ সংকট নিয়ে দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সবার জন্য শেখাকে জাতীয় অগ্রাধিকার ঘোষণা করতে হবে। ইত্তেফাক

প্রথমবারের মতো সরকারের উচ্চ পদে নারীকে নিয়োগ দিলো সৌদি আরব

তানিয়া আলম তন্বী : এবার প্রথমবারের মতো সরকারের উচ্চ পদে নারীকে নিয়োগ দিলো ইসলামপন্থী দেশ সৌদি আরব। এর আগে দেশটির ৮৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে কিং ফাহাদ স্টেডিয়ামে পুরুষের সঙ্গে প্রবেশাধিকার, অপেরাতে অংশগ্রহণ ও গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছে সৌদির নারীরা। এবার সরকারের উচ্চপদস্থ পদে নিয়োগ পেল এক নারী।

স্থানীয় সময় বুধবার সরকার কর্তৃপক্ষ নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দিলে দেশটিকে আরো উন্নতির পথে নেওয়ার জন্যই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যেখানে নারীদের গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ ছিল। যে কারণে প্রচুর সমালোচনার মুখে ছিল দেশটি। তবে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়ার পর অনেক প্রশংসাও পাচ্ছে।

বাদশাহ সালমানের নারীদের গাড়ি চালানোর ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সৌদি নারী ইমান আল-ঘামিদিকে আল-খুবারের গভর্নরের সহকারী মেয়র হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন সেন্টারের একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ২০৩০ সালের উন্নত পরিকল্পনার জন্য দেশের উন্নতিতে নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে। ভয়েস অব আমেরিকা

অক্টোবরে নিয়োগ পাচ্ছেন বিসিএস থেকে সুপারিশকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ সেপ্টেম্বর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৮৯৮ জন নন-ক্যাডারের মধ্যে অক্টোবরের শুরুতেই নিয়োগ হচ্ছে ৪৬৯ জন। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও নিয়োগ দেওয়া হবে।

এর আগে ৩৪তম বিসিএস থেকে দুই হাজার ৮৯৯ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এরই ধারাবাহিকতায় ৮৯৮ জনকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মঞ্জুর কাদির  বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে ৮৯৮ জনকে নিয়োগ করা হবে শিগগিরই। তাদের মধ্যে ৫০০ জনের পুলিশ ভেরিফিকেশন চূড়ান্ত হয়ে এসেছে। এর মধ্যে ৪৬৯ জনকে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের এসব পদ দ্রুত পূরণ করতে সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ২১ হাজার পদ খালি আছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। পদোন্নতির প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ বলে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৬৩ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দ্রুত এসব পদ পূরণ করার প্রক্রিয়া চলছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় এই নিয়োগের দায়িত্ব এখন পিএসসির হাতে। গত মার্চে পাঁচ হাজার ৭৯৭ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের চাহিদাপত্র পিএসসিকে দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কিন্তু সে অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দেরি হয়। কারণ, নন-ক্যাডার নিয়োগে বিধিমালায় প্রার্থীদের বয়সের শর্ত রয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। আর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় রয়েছে ২৫ থেকে ৩৫ বছর।

বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী করে দেয়ার নামে প্রতারনা

ডেস্ক,২৮ সেপ্টেম্বর: বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী করে দেয়ার নামে একটি চক্র দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। এমন একাধিক অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে ‘পদ্মা সেতু’ উন্নয়নে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ টাকা হারে চাঁদা আদায়ের নির্দেশ সংবলিত একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সারাদেশে সক্রিয় অসাধুচক্রের এসব কর্মকা-ে রীতিমতো বিব্রত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এসব বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর অপরাধী চক্রের বিষয়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, কিছুদিন ধরেই দেশের বিভিন্নস্থানে গড়ে তোলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী করে দেয়ার নামে একটি চক্র দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কিছু অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই এই চক্রকে ঠেকাতে দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বিদ্যালয়-১) পুলক রঞ্জন সাহা বলেছেন, একশ্রেণীর প্রতারক আমার স্বাক্ষর জাল করে সরকারীকরণের ভুয়া আদেশ সরবরাহ করে গরিব শিক্ষকের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা আদায় করেছে। ভুয়া ওই আদেশ পেয়ে সংশ্লিষ্ট একাধিক বিদ্যালয়ের কমিটি সরকারীকরণ সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই কমিটিতে চিঠি পাঠায়। বিষয়টি জানার পর আমরা বিদ্যালয়গুলোকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারীকরণ সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই কমিটিতে কয়েকটি বিদ্যালয়ের সরকারীকরণের ভুয়া আদেশের চিঠি উপস্থাপিত হলে মন্ত্রণালয় বিষয়টি জানতে পারে। এরপর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশ পাঠানো হয় উপজেলা কর্মকর্তাদের কাছেও। তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে অপরাধীদের বিরুদ্ধে সকলকে সক্রিয় করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনায় বলা হয়, প্রায়ই প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণের নামে জেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সভায় উপস্থাপনের জন্য কিছু অসাধু ব্যক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সই জাল অথবা স্ক্যান করে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চিঠি দিচ্ছেন। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বেশকিছু জেলা থেকে এসব ভুয়া চিঠির সন্ধান পাওয়া গেছে।

নির্দেশনায় মন্ত্রণালয় বলেছে, এ অবস্থায় প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের জারি করা চিঠির মূল কপি ইমেলে অথবা ডাকযোগে না পেলে এই চিঠির কোন ফটোকপি কোন ধরনের কার্যক্রমে গ্রহণযোগ্য হবে না। বিদ্যালয় সরকারীকরণের কোন চিঠি নিয়ে সন্দেহ হলে টেলিফোনে বা ইমেলে বিষয়টি নিশ্চিত হতেও অনুরোধ জানানো হয় ওই নির্দেশনায়। দেশের সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময় নতুন করে সরকারী হয়েছে ২৫ হাজার ২৪০ প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত একজন সচিব জনকণ্ঠকে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তারা কিছুৃদিন ধরেই জটিলতার মধ্যে আছেন। প্রায়ই এমন অভিযোগ আসছে মন্ত্রণালয়ে। বিভিন্ন এলাকায় একটি চক্র সক্রিয় হয়েছে যারা অলিতে-গলিতে গড়ে ওঠা নামসর্বস্ব বেসরকারী স্কুলের লোকজনকে বলছে যে তারা তাদের প্রতিষ্ঠান সরকারী করে দেবে। অনেক এলাকায় গিয়ে এরা মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে টাকা প্রয়োজন বলেও বলছেন। বেশ কিছু অভিযোগের তদন্ত করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে বলে বলছেন মন্ত্রণালয়ের এ কর্মকর্তা।

এদিকে এ ঘটনা নিয়ে যখন মন্ত্রণালয় বিব্রত ঠিক তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ের নামে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছেন কর্মকর্তারা। জানা গেছে, ‘পদ্মা সেতু’ উন্নয়নে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ টাকা হারে চাঁদা আদায়ের নির্দেশ দিয়ে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে সামাজিক যোগাযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, যা রীতিমত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট শাখার সহকারী সচিব স্বাক্ষরিত গত ১৯শে সেপ্টেম্বর একটি ভুয়া পত্র অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। যার স্মারক নম্বর ৩৮.০০.০০০০.০০০৬.২০.০১৩০.১৬-২৭১.২(ক)।

এ ধরনের কোন নির্দেশনা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রদান করা হয়নি বলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (বাজেট ও অডিট) রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের নাম করে ‘পদ্মা সেতুর’ উন্নয়নের জন্য প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ টাকা হারে চাঁদা আদায় করার একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে ঝঐঅঐ অখঅগ : ৭০১৭০১৫০৩৯৫৩০ নম্বরের ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব নম্বর দিয়ে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা অনুকূলে প্রেরণের জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়।

ভুয়া বিজ্ঞপ্তি অনুসারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

সরকারি চাকরিজীবীদের বিজয় দিবসের ভাতার প্রস্তাব নাকচ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭:  সরকারি চাকরিজীবীদের বিজয় দিবসের ভাতার প্রস্তাব নাকচ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ থেকে এ প্রস্তাবের পক্ষে সম্মতি দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টরা এ ব্যাপারে বৈঠক করে বিপক্ষে মতামত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রীর কাছে।

এর আগে মহান বিজয় দিবসকে সর্বজনীন উৎসবে পরিণত করতে বিজয় দিবস ভাতা চালুর বিষয়ে মতামত চেয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মঈনউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাক্রমে বিজয় দিবস ভাতা প্রচলনের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।

সূত্র মতে, বিজয় দিবস ভাতা দেয়ার প্রস্তাব করে একটি মতামত দিয়েছে অর্থ বিভাগ। সেখানে বলা হয়, এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলে সরকারের বড় ধরনের অর্থের প্রয়োজন হবে। এরই মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের অষ্টম বেতন-ভাতা কার্যকর করা হয়েছে।

সেখানে আরও বলা হয়, বিজয় দিবসের মতো আরও অনেক দিবস রয়েছে। একটি দিবসে দেয়া হলে অন্যান্য দিবসের ভাতার বিষয়টি সামনে চলে আসবে। তাই এ মুহূর্তে বিজয় দিবসের ভাতা চালুর যৌক্তিকতা নেই।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত এ ধরনের বিশেষ ভাতা চালুর মতো চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয় থেকে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময়সাপেক্ষও বটে। তবে অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

কীভাবে বুঝবেন আপনার রক্তচাপ বেড়েছে

ডা: এস কে দাস:
বহু মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বুঝতে না পারার জন্য রক্তচাপের পরিমান অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিত্‌সকের কাছে না গেলে তা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো জেনে রাখা খুব দরকার। যদিও উচ্চ রক্তচাপের তেমন কোনও লক্ষণ বোঝা যায় না। একে তাই সাইলেন্ট কিলার ও বলা হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মাপা হচ্ছে, ততক্ষণ বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না যে, তাঁর রক্তচাপবেড়েছে। তাও যে যে লক্ষণগুলি শরীরে অনুভব করলেই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া দরকার সেগুলো জেনে নিন-

১) মাথার যন্ত্রণা।

২) চোখে ঝাপসা দেখা।

৩) বমি এবং মাথা ঘোরা।

৪) বুকে ব্যথা এবং শ্বাস নিতে সমস্যা।

যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা ফ্রি হোমিও চিকিৎসা নিন এবং উচ্চ রক্তচাপ কমান। নিশ্চিত আপনি উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত হবেন।
ডাঃ এস কে দাস
এমএসসি,ডিএইচএম এস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

hit counter