Home » Author Archives: editor (page 4)

Author Archives: editor

অনলাইন বদলিতে অগ্রাধিকার পাবেন প্রাথমিকের যেসব নারী শিক্ষক

ডেস্ক,১১ সেপ্টেম্বর:
অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি শিগগিরিই চালু হতে যাচ্ছে। চলতি মাসে সফটওয়ার ট্রায়াল শেষ হলেই চূড়ান্ত বদলি কার্যক্রম শুরু হবে। অনলাইন এই বদলিতে সুবিধা পাবেন প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ ও তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারী শিক্ষকরা। বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বিগত সময় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০২০ সাল থেকে অনলাইন শিক্ষক বদলির ঘোষণা দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সফটওয়্যার নির্মাণে কাজ শুরুর ব্যবস্থা নেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। ওই সময় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রাথমিকের বদলি বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে সফটওয়্যার প্রস্তুত করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বদলি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
সফটওয়্যার প্রস্তুত হলে বিদ্যমান বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সুবিধা বা অগ্রাধিকার পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ শিক্ষক ও তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারী শিক্ষকরা। এর আগে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ীও এসব শিক্ষকরা বিশেষ বিবেচনায় বদলির সুযোগ পেতেন।
এই বিষয়টি মাথায় রেখে সফটওয়্যারে এসব শিক্ষকদের সুযোগ উন্মুক্ত রাখতে নতুন করে এই বিষয়টি ইনস্টল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালাতেও সংশোধন আনা হবে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ্ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সফটওয়্যারের কাজ জুনেই শেষ করার কথা ছিল। করোনার কারণে হয়নি। আমরা এ মাসেই ট্রায়াল শুরু করবো। যেসব শিক্ষক ডিজেবল, গুরুতর অসুস্থ এবং ডিভোর্স বা বিধবা হয়েছে এমন নারী শিক্ষকদের জন্য কাজ করছি। তারা যাতে সুবিধা পেতে পারেন সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নীতিমালায় এই বিষয়টি আনতে হবে। আমরা আগামী রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করবো। সফটওয়ার প্রস্তুত হয়ে গেলে সিনিয়র সচিব দেখবেন। তারপর ট্রায়াল করা হবে।’
মহাপরিচালক আরও জানান, সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি চালু হলে তদবির থাকবে না। বদলি নীতিমালা অনুযায়ী যারা বদলির যোগ্য হবেন তারাই আবেদন করতে পারবেন। বদলির নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ বদলি চাইলে অনলাইনে তারা আবেদন গৃহীত হবে না। দুর্নীতি করার কোনও সুযোগ থাকবে না। বদলি আবেদন অযথা দীর্ঘদিন আটকে রাখতে পারবেন না কোনও কর্মকর্তা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে অনলাইন বদলির ট্রায়াল শুরু চলতি মাসেই

ডেস্ক,১০ সেপ্টেম্বর:

আগামী অক্টোবরে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষক বদলি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেজন্য চলতি মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। যদিও এই ট্রায়াল গত জুন মাসে শুরুর কথা ছিল। তবে করোনার কারণে সেটি সম্ভব হয়ে ও ওঠেনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসেই আমরা অনলাইন শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করব। গত জুন মাসেই আমরা অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এটি নিয়ে আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হবে। এটি যুক্ত হওয়ার পর চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলিতে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদপ্তরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষকদের এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ইউএনওকে উন্নত চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কথা জানান। তিনি আরো জানান, হামলকারীরা ইউএনও’র পরিচিত নন।

তিনি বলেন, বাসার সামনের সিসিটিভি ফুটেজে হালকা গড়নের কম বয়সী দুজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের চেহারা অস্পষ্ট, চেনা যাচ্ছে না। তারা ইউএনওকে হাতুড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করেছে বলে মনে হচ্ছে।

জড়িতদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পুলিশ সুপার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আশা করছি, দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার সম্ভব হবে। ক্লু পেতে কাজ করছেন তারা।

তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের সেন্স আছে এবং স্পষ্ট কথা বলতে পারছেন। তিনি হামলাকারী কাউকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে যান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালে সাক্ষাৎ ও খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাঁর বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি জাতীয় কিছু একটা দিয়ে ইউএনও এবং তাঁর বাবার ওপর হামলা চালায়। ইউএনওর মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তাঁর বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে ঢাকায় আনা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বার্ষিক পরীক্ষা না হলে অটোপাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চলতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করা হবে না। তবে করোনার উন্নতি হলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণি পাসের সার্টিফিকেট দেয়া যেতে পারে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে অটোপাস ছাড়া আর কোনো গতি দেখছেন না প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বলেন, ‘এটা সবাই জানেন, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হবে না, তবে যদি করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করতে তাদের যতটুকু পড়ানো হয়েছে তার ওপর মূল্যায়ন করতে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা না হলে কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, “খোলা সম্ভব না হলে অটো পাস ছাড়া উপায় কী।’ তবে, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

গত ২৫ আগস্ট পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজন না করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। তাই এ বছর সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দেয়ায় এবার এ স্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে না।

জাকির হোসেন আরও বলেন, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা নেয়া না হলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। তবে স্কুল খোলা সম্ভব হলে পঞ্চম শ্রেণি ছাড়া অন্যান্য ক্লাসের পরীক্ষাগুলো নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘পরীক্ষা বাতিল করা হলেও এ বছর কোন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিষয়টি অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফায় আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্বয়ংক্রিয় উচ্চতর স্কেল, বেতন বিলে কমিটির হস্তক্ষেপ থাকবে না : অতিরিক্ত সচিব

দৈনিকি শিক্ষা ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকরা বেতন পাবেন। যদি শিক্ষক কোন অন্যায় করে থাকে (সাময়িক বরখাস্ত হলে) তা অন্যভাবে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানর সময়মতো উচ্চ মহলে জানাবেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশের শিক্ষা বিষয়ক একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষা ডটকমের লাইভে যুক্ত এসব কথা বলেন তিনি।

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা। সরকারি কর্মচারীদের মত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন তুলতে ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পাঠাতে শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইনডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি টেকনিক্যাল কমিটিও করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাধ্যমে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ আগষ্ট:
এমপিওভুক্ত প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বেতন পাওয়ার বিষয়টি সার্বিকভাবে দ্রুত, সহজ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ঝামেলা এড়াতেই এমন পরিকল্পনা। এতে সরকারের ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। আর সুবিধাটি পেতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্টের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সরাসরি ওই মোবাইল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে অর্থ মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনের টাকা পাওয়ার বিষয়টি আরো দ্রুত ও সহজ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।’

সূত্র মতে, গত অক্টোবরে নতুন করে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৯৬ হাজার। তাঁরা সরকার থেকে মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় মিলিয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা পান।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পলিটেকনিক ভর্তির ফল প্রকাশ

ডেস্ক,৩০ আগষ্ট:

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রথম দফায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচিত আবেদনকারীদেরকে আগামীকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে ৩৮৫ টাকা প্রদান করে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে তারা আবেদন করতে পারবে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে ৩৮৫ টাকা ফি জমা দিয়ে মনোনয়ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি : মনোনীত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন ৮টার মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ আগস্ট , ২০২০
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরুর প্রথম ধাপে সারাদেশের ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৭২১ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছে। ১৩ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছিলেন। সে হিসেবে প্রথম দফায় আবেদন করেও ৬৪ হাজার ৯৭২ জন ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনয়ন পায়নি। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে আজ রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার মধ্যে। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে ২০০ টাকা ফি জমা দিয়ে সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে। এছাড়া সোনালী সেবা ও সোনালী ওয়েব পেমেন্টের মাধ্যমে ২০০ টাকা ভর্তি নিশ্চায়ন ফি দেয়া যাবে।

গত ৯ আগস্ট সকাল সাতটা থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে।

একাদশ শ্রেণিতে এইচএসসি ও আলিম শিক্ষার্থীদের ভর্তির ১ম দফায় অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২০ আগস্ট শেষ হয়।
দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৩১ আগস্ট থেকে চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পছন্দক্রম অনুসারে ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবদনের ফল প্রকাশ হবে একই দিন (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টাতেই।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থেীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল এবং ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে আর কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল ৯৫ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আলাদাভাবে এইচএসসি ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করছে।
সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আমি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছি

ডেস্ক,২৯ আগষ্ট:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে দেশে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি টেস্টের উদ্ভাবক দলের প্রধান অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বর্তমানে আর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত নন। নাগরিকত্ব জটিলতায় পড়েছেন তিনি। জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।

এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ড. বিজন কুমার শীল যুক্ত না থাকলে গণস্বাস্থ্যের ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে।

অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ‘আমার আদি বাড়ি ও জন্ম বাংলাদেশে। তবে আমি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছি। তিন বছরের চুক্তিতে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলাম। গত ১ জুলাই ওই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভিসার মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করেছি। তবে বাংলাদেশ সরকার এখনো সেটি বাড়ায়নি। পরে ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ট্যুরিস্ট হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থান করছি। এ অবস্থায় গণবিশ্ববিদ্যালয় বা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারি না। আর গণবিশ্ববিদ্যালয়ও আমার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখন ট্যুরিস্ট হিসেবে এখানে আছি। এ অবস্থায় এ দেশে গবেষণা, শিক্ষকতা বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত থাকতে পারি না। বিষয়টি ফয়সালা হলে তখন দেখা যাবে।’ এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বিজন কুমার শীলের মতো একজন বিজ্ঞানীকে আমার প্রতিষ্ঠানে রাখার মতো আর্থিক সামর্থ্য ছিল না বলে আগে আমি তাঁকে রাখতে পারিনি। এবার অ্যান্টিবডি কিট উদ্ভাবনে তিনি সব কিছু করেছেন। তাঁকে গণস্বাস্থ্য থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তিনি এখনো গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন। আমার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের বিরোধ বা দূরত্বও তৈরি হয়নি। কোনো মহল হয়তো বিষয়টি অন্যভাবে দেখছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নাগরিকত্ব জটিলতায় গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেনের কাজ অনেক পিছিয়ে গেছে। এটি করা না গেলে গণস্বাস্থ্যের ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। আর সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে আরো অনেক বেশি। সরকার বিদেশি কিট আমদানির অনুমতি দিলেও আমাদের কিটের অনুমতি দিচ্ছে না।’সূত্র: কালের কণ্

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

টাইমস্কেল বঞ্চিতপ্রধান শিক্ষকবৃন্দের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ

লিপি খাতুন:
০৯/০৩/১৪থেকে ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত সময়ে টাইস্কেল বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি টাইমস্কেল বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের না পাওয়ার বেদনা আর কষ্টটাকে আপনি হৃদয়ে ধারণ করেছেন।

#২২ আগস্ট ২০২০ তারিখে প্রধান শিক্ষক সমিতির ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে জানতে পারি আপনি টাইমস্কেল বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের উদ্ভূত সমস্যা অতি দ্রুত সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক।

#অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিন জন যুগ্ম সচিবের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করেছেন উক্ত কমিটি নিরলস পরিশ্রম করছেন আমরা আশাবাদী অচিরেই টাইমস্কেল বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে ইনশাল্লাহ।

#অত্যন্ত যৌক্তিক কারণেই আমরা বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ আপনার অত্যন্ত আন্তরিক এবং দৃঢ় পদক্ষেপ আশা করছি।

৷৷৷৷৷৷ যৌক্তিক কারণসমূহ৷৷৷৷

১) ০৯/০৩/১৪-এর আদেশে গ্যাজেটেড উল্লেখ করা হয়নি এবং প্রশিদেরকে ১১ তম গ্রেড দেয়া হয়েছে।

২)প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ১২/০৮/২০১৫-এর পত্রে প্রধান শিক্ষকদেরকে আপাততঃ নন-গ্যাজেটেড ঘোষণা করা হয়েছে।

৩)প্রাগম-এর ০৭/০২/১৬-এর পত্রে প্রধান শিক্ষকদেরকে নন-গ্যাজেটেড হিসাবে বেতন-ভাতা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৪)নন-গ্যাজেটেড হিসাবে ২০০৯-এর বেতন স্কেলের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রাপ্য।

৫)অর্থ মন্ত্রনালয়ের ১৫/১১/১৭-এর পত্রের আলোকে ০৯/০৩/১৪ তারিখের পূর্বে প্রাপ্ত টাইমস্কেলের করেস্পোন্ডিং হয়েছে,যা গ্যাজেটেড কর্মকর্তাদের হয়না।

৬)আজ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকদের নাম প্রকাশ করে কোন গ্যাজেট প্রকাশ হয়নি।

৭)এখনও প্রশিদের সার্ভিস বই বন্ধ করা হয়নি।

৮) BSR-এর 48 বিধি অনুসারে চাকুরীকাল গণনা করে টাইমস্কেল দেয়া হয়। ০৯/০৩/১৪ থেকে ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত টাইমস্কেল প্রদান না করলে উক্ত সময়ের চাকুরীর ধারাবাহিকতা রক্ষা হবে না।

৯)১৯৯৯ বা ২০০০ সনে একই সাথে ও একই দিনে সহকারি শিক্ষক হিসাবে যোগদান করে একজন ২০০৭-এ প্রধান শিক্ষক পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে নিয়োগ পান। ২০২০ সালে প্রধান শিক্ষক ১১ নং গ্রেডে এবং সহকারি শিক্ষক ১০ম নং গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন।

১০) ০৯/০৩/১৪ থেকে ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর না হলে এ অসঙ্গতি দূর হবে না। একই সাথে নিয়োগ পেয়ে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদানের কারণে এক গ্রেড নিচে বেতন পাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।

১১)একজন আট বছর পূর্তির পূর্বেই প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন এবং প্রধান শিক্ষক হিসাবে আট বছর পূর্ণ হয় ০৯/০৩/১৪ এর পরে। ফলে অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে২০ বা ২১ বছর চাকুরি করেও প্রধান শিক্ষক কোন টাইমস্কেল পাননি।

আমাদের প্রাণ প্রিয় অভিভাবক মান্যবর সদাশয় সিনিয়র সচিব স্যার, আপনার সততা,দক্ষতা, আন্তরিকতা, যোগ্যতা, সাহসিকতা দূরদৃষ্টি উদ্ভাবনী এবং এবং বিশ্লেষণী শক্তি আর আপনার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আপনার গভীর মমত্ববোধ আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আপনি বর্ণিত সমস্যাটি সমাধানের অত্যন্ত আন্তরিক। আপনার সাহসী এবং দৃঢ় পদক্ষেপে অচিরেই টাইমস্কেল বঞ্চিত। প্রধান শিক্ষকদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে। ইনশাআল্লাহ।
লিপি খাতুন,প্রধান শিক্ষক,প্রতিভাময়ী সপ্রাবি

সিনিয়ার সহসভাপতি,প্রধান শিক্ষক সমিতি,দীঘলিয়া,খুলনা


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অক্টোবরে নিয়োগ বিধি চুড়ান্ত। বেতন গ্রেডের পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ আগষ্ট:
সমন্বিত নতুন নিয়োগ বিধি তৈরি করার পরিকল্পনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই বিধি তৈরি পর প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে পরিবর্তন আনা হবে। নতুন বিধি চূড়ান্ত হবে অক্টোবরের আগেই। বিধি চূড়ান্ত হলেই বিধির আলোকে গ্রেড পরিবর্তন করবে প্রাথমিক ও মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনায় জানা গেছে, প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড হবে ১২তম। জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২৯ অক্টোবরের মধ্যেই সমন্বিত বিধিমালাটি শেষ করতে পারবো। তখন শিক্ষকদের গ্রেড ও পদোন্নতি নিয়ে কোনও সমস্যা থাককে না।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীর নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৫’ সংশোধনের পর কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালার সমন্বয়ে একটি নতুন বিধিমালা করা হবে। এক বিধিমালার আওতায় শিক্ষক ও সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হবে। পিয়ন থেকে শুরু হবে প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালক পর্যন্ত একটি বিধিমালার আওতায় নিয়োগ দেওয়া হবে।

আকরাম-আল-হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের জন্য দুটি নিয়োগ বিধিমালা রয়েছে। একটি শিক্ষকদের জন্য, আরেকটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। এ দুটিকে এক করার জন্য আমরা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছি। ১৯৮৫ সালের নিয়োগ বিধিমালাটির (সংশোধন) অনুমোদন হলে ওই দুটি এক করে একটি নিয়োগ বিধিমালা করবো। শিক্ষকদের জন্য আলাদা আর কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা নয়, একটিই হবে। আশা করছি ২৯ অক্টোবরের মধ্যেই সমন্বিত বিধিমালাটি শেষ করতে পারবো। শিক্ষকদের গ্রেড ও পদোন্নতি নিয়ে কোনও সমস্যা থাকবে না।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রস্তাবনা তৈরি করেছি। এমএলএস থেকে মহাপরিচালক পর্যন্ত একটা নিয়োগ বিধির আওতায় সবার জন্য ক্যারিয়ার প্ল্যান করা হচ্ছে। এটি মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা চলছে। শিগগিরই এটি জনপ্রশাসনে পাঠানো সম্ভব হবে। দশম গ্রেডে শিক্ষকদের নেওয়ার জন্য প্রস্তাবনা রয়েছে। ’

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবির পর দুই বিধিমালা এক করে প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন ১০০ ভাগ পদোন্নতি দিতে হবে প্রধান শিক্ষকদের। যেভাবে সহকারি শিক্ষক থেকে ১০০ ভাগ পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে প্রধান শিক্ষকদেরও সেভাবে পদোন্নতি দেবার জোর দাবী করেন।

বর্তমান কাঠামোতে প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকরা ১২তম গ্রেডে বেতন পান। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকরা ১৫তম গ্রেডে ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা বেতন পান। এই বেতন পরিবর্তনে দীর্ঘ দিন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আন্দোলন করে আসছিলেন।

অবশেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষকদের ১৪ থেকে একধাপ বাড়িয়ে ১৩তম গ্রেড নির্ধারণ করে আদেশ জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আদেশের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সব শিক্ষকই ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবেন। নতুন এই বেতন গ্রেডে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ক্রম হবে ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

কিন্তু বেতন গ্রেড বাড়ালেও নিম্নধাপে নির্ধারিত সহকারী শিক্ষকদের বেতন ফিক্সেশনে কমে যায়। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবি থাকলেও তাদের দেওয়া হয় ১৩তম গ্রেড। এতে নিম্নধাপে মূল বেতন ফিক্সেশন করলে উল্টো বেতন কমে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির শিকার হবেন লাখ লাখ শিক্ষক। কারণ বেশিরভাগ শিক্ষকই ইনক্রিমেন্ট পেয়ে আগে থেকে ১৩ গ্রেডের কাছাকাছি বা বেশি বেতন পাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে গত ২৮ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৩ তম গ্রেডের নিম্নধাপের সহকারী শিক্ষকদের একধাপ ওপরে বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব করে অর্থ বিভাগে।

সর্বশেষ গত ২৫ আগস্ট এ উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণের ফাইল অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ আগস্ট , ২০২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা ছিল। সেই ছুটি বৃদ্ধি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোহ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এই সময়ে কওমি মাদরাসা ছাড়া দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কমবে চুল পড়া, বাড়বে চুলের বৃদ্ধি

চুল ঝরে পড়ছে? ঘরোয়া যত্নে কমাতে পারেন চুল পড়া। নিয়মিত তেল ম্যাসাজের পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি প্যাক ব্যবহার করুন সপ্তাহে অন্তত একদিন।

হেয়ার প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে বাড়বে চুলের বৃদ্ধিও।

সপ্তাহে দুইবার অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন চুলে।

অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস সংগ্রহ করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে অপেক্ষা করুন।

বিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে।আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে তেল ম্যাসাজ করুন চুলে। এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাবা হচ্ছেন কোহলি

ডেস্ক,২৭ আগষ্ট:
ক্রিকেট সুপারস্টার বিরাট কোহলি ও বলিউড তারকা আনুশকা শর্মার কোলজুড়ে আসছে নতুন মেহমান। আগামী বছরের প্রথম মাসেই জীবনের অন্যতম সেরা উপহার পেতে যাচ্ছে কোহলি-আনুশকা জুটি।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টার খানিক পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোহলি ও আনুশকা উভয়েই নিজেদের ভক্তদের উদ্দেশ্যে এ সুখবরটি দিয়েছেন।
একইসময়ে একই ছবি আপলোড করে কোহলি ও আনুশকা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এবং আমরা তিন হচ্ছি, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আসছে।’ ছবিতেও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, সন্তানসম্ভবা কোহলিপত্নী আনুশকা।

গত ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ইতালিতে জাকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কোহলি ও আনুশকা। এরও আগে একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন করতে গিয়ে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয় তাদের।

সেখান থেকে প্রেম এবং অবশেষে বিয়ে। আর এখন জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়ে পা রাখতে যাচ্ছে এ তারকা দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনুশকার গর্ভবতী হওয়ার খবর জানানোর পর মুহুর্তেই মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো নেট দুনিয়ায়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল যখন মুরগির খামার

ডেস্ক,২৭ আগষ্ট:
করোনাভাইরাসের কারণে কেনিয়ায় আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বেসরকারি অনেক স্কুল টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে। পরিবর্তিত বাস্তবতায় স্কুলকে মুরগির খামার বানানোর ঘটনাও ঘটেছে। তেমনই এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুয়ে ব্রেথেন স্কুল। সেখানকার ক্লাসরুমগুলো একসময় শিক্ষার্থীদের পড়ার শব্দে গমগম করলেও এখন সেখানে শুধু মুরগির ডাক ছাড়া আর কিছু শোনা যায় না। ব্ল্যাকবোর্ডে অঙ্ক করার পরিবর্তে লিখে রাখা হয়েছে টিকা দেওয়ার সময়সূচি।

মধ্য কেনিয়ায় অবস্থিত স্কুলটির মালিক জোসেফ মাইনা জানিয়েছেন, তাঁর স্কুলের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এটিকে মুরগির খামারে পরিণত করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। মার্চে যখন সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ আসে, ঠিক তখন থেকে তাঁকে কঠিন সময়ের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি তখন একটি ঋণ শোধ করছিলেন এবং এর কারণে ব্যাংকের সঙ্গে তাঁকে আবার সমঝোতা করতে হয়।

মাইনা বলেন, ‘প্রথমে মনে হয়েছিল যে সব কিছু হারিয়ে গেছে, কিন্তু পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে টিকে থাকার জন্য আমাদের কিছু করতে হবে।’

কেনিয়ার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ শিশুকে শিক্ষা দিয়ে থাকে বেসরকারি স্কুল। এসব প্রতিষ্ঠানের আয়ের মূল উৎস শিক্ষার্থীদের বেতন। এসব স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার মানে হচ্ছে তারা কর্মকর্তাদের বেতন দিতে পারবে না এবং মারাত্মক ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।

কেনিয়ার প্রাইভেট স্কুল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, অনলাইন শিক্ষণের মাধ্যমে হাতে গোনা কয়েকটি স্কুল তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এতে তারা যে আয় করছে তা শিক্ষকদের মৌলিক চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত নয়। তিন লাখের মতো স্কুলের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ স্কুলের শিক্ষকদের বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এর সঙ্গে ১৩৩টি স্কুল স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

খারাপ অবস্থা থেকে বাঁচতে রোকা প্রিপারেটরি নামে মধ্য কেনিয়ার একটি বেসরকারি স্কুল নিজেদের খেলার মাঠকে খামারে পরিণত করেছে। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা জেমস কুংগু বলেন, এর আগে কখনো এত খারাপ অবস্থা তৈরি হয়নি। আগে যেখানে খেলার মাঠ ছিল, সেখানে এখন সবজি বড় হচ্ছে।

কুংগু আরো বলেন, ‘আমার অবস্থা অন্য স্কুলগুলোর মতোই। আমার গাড়িতে জ্বালানি ভরার মতো সামর্থ্য নেই। এখানে এখন শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কেউ-ই নেই। মানসিকভাবে আমরা অনেক ভেঙে পড়েছি।’ সূত্র : বিবিসি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter