Author Archives: editor

চাকরি হারানোর আতঙ্কে আইডিয়ালের শতাধিক শিক্ষক

অনলাইন প্রতিবেদক: রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষক তাদের চাকরি নিয়ে পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। সনদ বিক্রিসহ নানা অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী হওয়ায় তারা এই অনিশ্চতায় পড়েছেন।

শুধু চাকরি হারানোর আতঙ্ক নয়, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। আইডিয়ালের সব শিক্ষকের তালিকাভুক্তির কথা ভাবছে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। সনদ যাচাই-বাছাই করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী, মুগদা ও মতিঝিল শাখায় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী শতাধিক শিক্ষক রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে এসব শিক্ষকরা দারুল ইহসান থেকে ব্যাচেলর বি-এড এবং এমএড সনদ অর্জন করেছেন। এসব সনদ দিয়ে নিয়োগ ও পদোন্নতিও পেয়েছেন তারা। সম্প্রতি একই অভিযোগে আইডিয়াল স্কুলের মতিঝিল শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল সালামের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে মাউশি।

কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল সালামের বিএড ও এমএড সার্টিফিকেট ভুয়া অভিযোগের বিষয়ে তারা তদন্ত করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের সব একাডেমিক সার্টিফিকেট খতিয়ে দেখে মাউশির মহাপরিচালক বরাবর প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

দারুল ইহসানের সনদধারী সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়ায় এই স্কুলের অন্যা শিক্ষকদের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। চাকরি হারানোর ভয়ে দিন পার করছেন তারা। তাই নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে তারা বিভিন্ন মহলে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে একমত মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াহেদুজ্জান। তিনি বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, তার সনদও বাতিল হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আমরা একটি গণনির্দেশনা দেয়ার কথা ভাবছি। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের সার্টিফিকেট খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে দারুল ইহসানের সার্টিফিকেটকে অবৈধ বলা যাবে কি না এবং সেটি কার্যকর হবে কি না তা কর্মরত প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইন বিভাগের সহকারী পরিচালক মৌলি আজাদ।

তিনি বলেন, আদালত দারুল ইহসানকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করেন না। তাই এ প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠার শুরুতে দারুল ইহসান একটি ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু ২০০৫ সাল থেকে মালিকানার দ্বন্দ্বসহ বিভিন্ন কারণে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে শাখা-প্রশাখা খোলায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। এরপর ২০০৬ সাল থেকে সনদ বিক্রি শুরু হয়।

কোন সাল পর্যন্ত সনদ গ্রহণযোগ্য হবে না এমন প্রশ্নের জবাবে মৌলি আজাদ বলেন, আদালতের রায়ে এটা উল্লেখ করা হয়নি। কর্মরত প্রতিষ্ঠানের উপর এটি নির্ভর করছে।

তবে এসব বির্তক মানতে রাজি নন স্কুল কর্তৃপক্ষ। আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহান আরা বেগম বলেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমাদের শিক্ষকরা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন কোর্স করেছেন। এখন যদি সে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এতে শিক্ষকদের কী করণীয় প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষকরা তাদের নিজেদের যোগ্যতায় শিক্ষকতা করছেন। তাই এটি নিয়ে বির্তক তুলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই নয়।

প্রসঙ্গত, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ করতে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল গত ৮ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ রায়ের ফলে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়টি। সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের ফলে দারুল ইহসান থেকে ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) ও লাইব্রেরি সায়েন্সের ডিপ্লোমা এবং এলএলবি সনদধারীরা সবচেয়ে বেশি ঝামেলায় পড়ছেন। বিএড সনদ দিয়ে যারা চাকরিতে উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন, তারাও ঝামেলায় আছেন। চাকরি হারানোর শঙ্কায় আছেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার লাইব্রেরিয়ান ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান, যারা দারুল ইহসান থেকে লাইব্রেরি সায়েন্সে ডিপ্লোমা নিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

এছাড়া সারা দেশে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ সনদধারী রয়েছেন। গত প্রায় দশ বছরে দারুল ইহসানের মূল ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা থেকে প্রশাসন ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্যাডার কর্মকর্তা ও সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকরা আছেন সনদধারীর তালিকায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণের দাবিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস বর্জন ২৩ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে আগামী ২৩ মার্চ সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এমএম আউয়াল সিদ্দিকী বলেন, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম পিরিয়ডের ক্লাস বর্জন, ১ ও ৯ মার্চ এমপিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ, ১৬ মার্চ সারাদেশের জেলা সদরে মানববন্ধন পালনের পাশাপাশি প্রধান সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল পালন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ভর্তি বন্ধ-আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: যে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নূন্যতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ ও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বধুবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানের ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ৯৫টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তাদের মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। যারা মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে চায় কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারা বেশিদিন এভাবে চালাতে পারবে না।  সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। সব শিক্ষার্থীদের জন্যই মানসম্মত শিক্ষা ও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণের দাবীতে ২৩মার্চ ক্লাস বর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ননএমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবীতে আগামী ২৩ মার্চ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম পিরিয়ড ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এম এম আউয়াল সিদ্দিকী। লিখিত বক্তব্যে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থা একযোগে জাতীয়করণ ও ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বার্ষিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, পেনশন, উৎসব ভাতা, মেডিকেল ভাতা বৈশাখী উৎসব ভাতা পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল প্রাপ্তির পর  বিএড ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের উচ্চতর বেতন স্কেল প্রদান এবং অবসর কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্ধ করে শিক্ষকদের অবসরের তিন মাসের মধ্যে শিক্ষকরা যেন তাদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পান তার দাবী জানান।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ এম এ আউয়াল শিক্ষকদের এ ন্যায্য দাবীসমূহ আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম পিরিয়ডের ক্লাস বর্জনসহ, ১লা ও ৯ই মার্চ জাতীয় সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ, ১৬ই মার্চ সারাদেশের জেলা সদরে সকাল এগারোটায় ১ঘন্টা মানববন্ধন পালনের পাশাপাশি প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল পলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিলকিস জামান, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সমরেন্দ্র নাথ রায় সমর, মো. আব্দুল খালেক, সামছুল হুদা প্রামাণিক, মো. আব্দুল মজিদ. হাসিনা পারভিন, বাবু সুনীল চন্দ্র পাল, আলহাজ্ব মো. ছফি উল্যা খান, মো. শাহাদুল হক, শাহনেয়াজ চন্দন, মো. শাহে আলম, মো. জহির উদ্দিন বাবর অধ্যক্ষ ফজলুল হক খান, অধ্যক্ষ বিপ্লব কুমার সেন, মো. শফিকুল আলম, মো. আব্দুল হামিদ, বেগম তাজকিরা, এস এম শহিদুল ইসলাম তালুকদার, একে এম বজলুর রশিদ, মামুন অর রশিদ, মো. সাহিদুল ইসলাম, মো. মোস্তাফা কামাল খোসনবিশ, শাহীন আরা ইয়াসমীন, মো. শহিদুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অবিসংবাদিত শিক্ষক নেতা প্রয়াত অধ্যক্ষ মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ফের নিয়োগ পেলেন হারুন-অর-রশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৭

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদকে পুনরায় দ্বিতীয় বারের মত উপাচার্য পদে নিয়োগ দেয়া। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে আরো ৪ বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ দিয়েছেন বলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

নতুন মেয়াদে প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের মার্চ থেকে ২০২১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় বিশ্বাবিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবীতে কর্মসূচির প্রতি চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষক নেতাদের সংহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ ফেব্রুয়ারী : সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ের ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ছুটির বর্ষপঞ্জি সংশোধনের দাবীতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার সুরক্ষা ফোরামের ডাকা ২৩ মার্চ আধা ঘন্টা কর্মবিরতি কর্মবিরতির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান  শিক্ষক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা।

সংরক্ষিত ছুটি ৩দিন থেকে কমিয়ে ১দিন করার সিদ্ধান্ত বাতিলেরও দাবী করেন তারা। পাশাপাশি তারা ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় সংরক্ষিত ছুটির সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ২২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ প্রাথমিক  প্রধান শিক্ষক সমিতি এক বিবৃতির মাধ্যমে এ ক্ষোভ প্রকাশ করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কর্মকর্তা ছাড়াই চলছে ৮ থানার শিক্ষা কার্যক্রম

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৭

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউইও) ছাড়াই চলছে চট্টগ্রামের ৮ শিক্ষা থানার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। ২-৩ বছর ধরে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এ পদের কার্যক্রম চলমান রাখা হলেও সংকট নিরসনে নেই কোন কার্যকর উদ্যোগ।

প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষা ও নির্বাচনের দায়িত্ব এবং মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কাজও করতে হয় তাদের। তবে খোদ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (এইউইও) ৯৬টি পদের মধ্যে ৪১টি পদই বর্তমানে শূন্য।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানার মধ্যে ৮টি থানায়-কোতোয়ালী, পাহাড়তলী, সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ ও লোহাগাড়ায় বেশ কয়েকবছর ধরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ইউইও) পদ খালি রয়েছে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারাই (এইউইও) এ পদগুলোতে ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউইও) হিসেবে ৫৫ জন কর্মরত থাকলেও ৪১টি পদ শূন্য রয়েছে।

চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আশরাফুল আলম সিরাজী বলেন, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষা ও নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করতে হয়। এমনকি ইদানিং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলার বিভিন্ন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দায়িত্বও আমাদের দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার ৯১টি স্কুল ও শিক্ষকদের নানা কাজ সম্পন্ন করতে ডিউটি টাইমের পরও রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। করার তো কিছু নেই, সরকারি দায়িত্ব তো পালন করতেই হবে।

বোয়ালখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা বিলকিস বলেন, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম অবসর গ্রহণের পর ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি। উপজেলার ১০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুচারূপে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

পাহাড়তলী থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, গত ৩ বছর আগে শিখা বিশ্বাস অন্যত্র বদলি হওয়ার পর থেকে পাহাড়তলীতে শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করছি। এ উপজেলায় ২৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বলেন, চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানার মধ্যে ৮ থানায় ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা (এইউইও) দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিয়োগের বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে। এখানে আমাদের জেলা অফিসের কোন হাত নেই। কোন থানায় কত জন অনুমোদিত ও কর্মরত কর্মকতা-কর্মচারী রয়েছে এ সংক্রান্ত তথ্য আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে প্রতি মাসেই পাঠিয়ে থাকি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড!সহকারীদের ১৩ তম।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ ফেব্রুয়ারী ১৭: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকসহ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বেতন পুনঃনির্ধারন করার সিদ্ধানের অপেক্ষায় রয়েছে।  শিগগিরই  এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইতোমধ্যে একটি সারসংক্ষেপও পাঠিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সূত্রমতে, মন্ত্রণালয় বেশ কিছুদিন আগে থেকেই এটি করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কয়েকটি প্রশ্ন তুলে তা ফেরত /পর্যবেক্ষণ দেয়ায় কিছুটা দেরি হয়েছে। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জবাব দিয়েছে। ফলে বিষয়টি আরেক ধাপ এগিয়েছে। এখন বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় উঠবে। তারপর এ বিষয়ে আদেশ জারি হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল হবে দশম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকেরা পাবেন ১১তম গ্রেডের বেতন। বর্তমানে তারা বেতন পান যথাক্রমে ১১ ও ১২তম গ্রেডে।

অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ১৩তম  ও প্রশিক্ষণবিহীনদের ১৪তম গ্রেডের  বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা পান যথাক্রমে ১৫ ও ১৬তম গ্রেডের বেতন।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী ১০ম গ্রেড। এ দাবী আদায় না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

এ পরিবর্তনের ফলে সরকারকে বছরে অতিরিক্ত ২৯২ কোটি টাকা খরচ করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বইমেলার একাল-সেকাল: ‘মানসম্পন্ন বই অল্পই ভালো’

অমর একুশে গ্রন্থমেলার শুরু ১৯৭২ সালে, মুক্তধারার প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহার হাত ধরে। ওই বছর বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের সামনে চট বিছিয়ে কয়েকটি বই নিয়ে বসেছিলেন তিনি। পরের বছরগুলোতে তার সঙ্গে যোগ দেন আরও কয়েকজন প্রকাশক। ১৯৮৪ সালে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় এই মেলা। তখন থেকেই বাংলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয়ৈ আসছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। ওই সময় ৫০-৬০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিত এই আয়োজনে। সময়ের পরিক্রমায় সেই মেলা এখন পরিণত হয়েছে জাতীয় উৎসবে। বাংলা একাডেমি চত্বরে স্থান জায়গা সংকুলান না হওয়ায় গত চার বছর ধরে মেলার পরিধি বাড়ানো হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অমর একুশে গ্রন্থমেলা সবার কাছে বইমেলা নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।
লেখক-প্রকাশকরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মেলার পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ও পাঠক। দেশের বর্তমান জনসংখ্যা ওই সময়ের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। এই সময়ে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীও বেড়েছে। কিন্তু ৩৫-৪০ বছর আগে যে প্রত্যাশা নিয়ে বইমেলার শুরু, তা শতভাগ পূরণ হয়নি বলে মনে করেন তারা। তাদের মতে, আগে বইমেলার যে গাম্ভীর্য ছিল তা এখন কমে এসেছে।
লেখক-সাংবাদিক-গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ  বলেন, ‘এখন প্রকাশকরা চায় সংখ্যা বাড়াতে, মান নয়। এখনকার বইমেলায় হুজুগের মতো করে বই বের হয়। আগে অল্প বই বের হলেও তা ছিল মানসম্পন্ন। এখন বইমেলায় অংশ নিতে নির্দিষ্টসংখ্যক বইও লাগে। কিন্তু অনেক যাচ্ছেতাই বইয়ের চেয়ে ভালো বই অল্পও ভালো।’

গত কয়েক বছরে বইমেলা ঘুরে দেখা গেছে, অমর একুশে গ্রন্থমেলা পরিণত হয়েছে উৎসবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বইমেলায় থাকে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারির মতো দিনগুলোতে এই ভিড় পরিণত হয় জনসমুদ্রে।
গতকাল মঙ্গলবারও (২১ ফেব্রুয়ারি) বইমেলা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিল মেলায়। অনেকেই এসেছিলেন সপরিবারে। অন্য দিনগুলোর তুলনায় এদিন মেলায় বিক্রিও ছিল বেশি। তবে লোকসমাগমের তুলনায় মানুষের হাতে হাতে বইয়ের সংখ্যা ছিল কমই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের দিনগুলোতে মেলায় প্রকৃত পাঠকদের উপস্থিতিই ছিল বেশি এবং তাদের সবার হাতেই থাকত বই।
মাওলা ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী আহমেদ মাহমুদুল হক  বলেন, ‘পাঠক বেড়েছে। অনেকগুণ বেড়েছে। জনসংখ্যাও তো বেড়েছে। বইয়ের বাজারও বেড়েছে। তবে সেটা সৃজনশীল বা মননশীল বইয়ের চেয়ে টেক্সটবুকই সেই বাজার বেশি দখলে রেখেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগে প্রকাশকও কম ছিল, বই প্রকাশ হতো কম। এখন প্রকাশকের সঙ্গে বইয়ের সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু বইয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।’
দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশনা ব্যবসায় সম্পৃক্ত মাহমুদুল হক বলেন, ‘অনেক অনেক চকচকে বই প্রকাশিত হচ্ছে। এসব বই পাঠকদের প্রলোভিত করছে। কিন্তু এর গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এতে পাঠক ঠকছে, বইয়ের প্রতি আগ্রহও হারিয়ে ফেলছে। আর প্রকাশকরা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ পাঠকরা ওই প্রকাশকদের বই কিনতে দ্বিতীয়বার ভাবছেন। এটা সার্বিকবাবে প্রকাশনা শিল্পের জন্য ক্ষতিকর।’

প্রায় একই কথা বলেন লেখক জাকির তালুকদারও। তিনি বলছিলেন, ‘বইমেলাতেই বই প্রকাশ করতে হবে— এমন একটি মানসিকতা গড়ে উঠেছে। প্রকাশকরাও বিনামূল্যে প্রচারের সুযোগে এই মানসিকতাতে সায় দিয়ে থাকেন। এতে প্রকাশক, প্রকাশিত বই ও পাঠকের সংখ্যা বেড়েছে। তবে প্রকৃত পাঠকের সংখ্যা ততটা বাড়েনি।’
জাকির তালুকদার আরও বলেন, ‘বর্তমানের বইমেলায় প্রকাশকদের এক ধরনের অসাধু ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে। এতে মানহীন বইয়ের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু এই মান ঠিক করবে কে? এটা ঠিক করার কথা প্রকাশকদের, কিন্তু তারা তা করছেন না। ফলে মেলার পরিসর বাড়লেও এতে আদৌ লাভ হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।’
গত কয়েক ব্ছরের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, বইমেলায় প্রতিবছর তিন থেকে চার হাজার নতুন বই ছাপা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘এত বইয়ের মধ্যে তিন থেকে চারশ বই মানসম্মত। বাকিগুলো শুধু সংখ্যা বাড়াতে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কারও লাভ হচ্ছে না। এই প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’
প্রকাশক আহমেদ মাহমুদুল হক অবশ্য ততটা হতাশ নন। তিনি বলছিলেন, ‘ক্রমান্বয়ে বইয়ের কাটতি বেড়েছে। আমি মনে করি, সৃজনশীল বা মননশীল বইয়ের বাজার আরও বাড়বে। এটা সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’ এছাড়া, এখনকার মেলায় আন্তর্জাতিক ছাপ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করতে এক শিক্ষকের নানান ফাঁদ!

চাঁদপুর,২২ ফেব্রূয়ারী :: চাঁদপুর সরকারি কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান ফাঁদ পেতে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ওই শিক্ষক।
ভুক্তভোগী ছাত্রীদের অভিযোগে জানা গেছে, ওই শিক্ষক ছাত্রীদের ফোনে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব পাঠানো, ছাত্রীদের সঙ্গে অন্যের ছবি সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করা, প্রতারণার মাধ্যমে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে কফি খাওয়ানোর নাম করে বিয়ার খাইয়ে মাতাল করা এবং নানাভাবে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মুসলিম সরদার মিশু। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তিনি। একই বিভাগের বেশ কয়েকজন ছাত্রী গত ১১ ফেব্রুয়ারি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

কলেজ অধ্যক্ষ অভিযোগের প্রেক্ষিতে অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আয়শা আক্তারকে প্রধান করে এবং সহযোগী অধ্যাপক সুশীল কুমার সাহা ও শেখ মো. খলিলুর রহমানকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

এদিকে অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে ছাত্রীদের প্ররোচিত করেছেন একই কলেজের শিক্ষক মেহেদী হাসান- এমন ধারণা থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে মুসলিম সরদার মিশুর বিরুদ্ধে।

শিক্ষক মেহেদী হাসান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রোববার চাঁদপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন (নং ৯৯৮)।

কলেজ অধ্যক্ষ ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন ছাত্রীদের লিখিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন এবং তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ওয়ালি উল্লাহ অলি শিক্ষক কর্তৃক আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করছেন বলে জানান।

যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক মুসলিম সরদার মিশু বলেন, ‘বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন আছে তাই আমি কিছু বলতে চাই না। তবে সোমবার জেলা ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ অধ্যক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে বসেছেন, তারাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাহার বলেন, ‘ছাত্রীরা সচরাচর কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে চায় না। তারপরও যদি এ ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে ওই শিক্ষকের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

খুলনায় ছাত্র সুদর্শন রায় হত্যার বিচা‌রের দা‌বি‌তে মানববন্ধন

খুলনা প্রতিনিধি,২২ ফেব্রুয়ারী ঃ খুলনায় ক‌লেজ ছাত্র সুদর্শন রায় হত্যার বিচা‌রের দা‌বি‌তে মানববন্ধন পা‌লিত হ‌য়ে‌ছে।

আজ বুধবার (২২ ফেব্রুয়া‌রি) বেলা ১১টায় খুলনা সরকা‌রি সুন্দরবন ক‌লেজের সাম‌নে সুন্দরবন ক‌লেজ শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্র প‌রিষ‌দের উদ্যো‌গে এই মানববন্ধন পা‌লিত হয়।

সুন্দরবন ক‌লে‌জের অধ্যাপক বিজন কুমার বৈরাগীর সভাপ‌তি‌ত্বে ঘন্টা ব্যাপী অনু‌ষ্ঠিত মানববন্ধ‌নে বক্তৃতা ক‌রেন অধ্যাপক ড. সমীর রঞ্জন সরকার, অধ্যাপক ড. সুলতানা ফা‌তিমা ক‌বির, শিক্ষক প‌রিষ‌দের সহ-সম্পাদক মোঃ নাজমুল ক‌বিরসহ সাধারণ ছাত্র প‌রিষ‌দের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধ‌নে বক্তারা ক‌লেজ ছাত্র সুদর্শন রা‌য়ের হত্যাকারী‌দের দ্রুত গ্রেফতার ক‌রে দৃষ্টান্ত মূলক শা‌স্তি প্রদা‌নের জন্য সরকার ও প্রশাস‌নের প্র‌তি জোর দা‌বি জানান।

উ‌ল্লেখ্য, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গুনারাবাদ গ্রামের সুকুমার রায়ের ছেলে ও সরকা‌রি সুন্দরবন ক‌লে‌জে‌র অর্থনী‌তি বিভা‌গের তৃতীয় ব‌র্ষের ছাত্র সুদর্শন রায় (২২) ডুমুরিয়া উপজেলার বড় ডাঙ্গায় মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতেন।

সোমবার (২০- ফেব্রুয়া‌রি) বাড়ি থেকে বের হয়ে রাতে আর ফেরেননি। প‌রে (২১ ফেব্রুয়া‌রি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর এলাকার একটি খালের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যে পাতার রসে কিডনির পাথর গলে যাবে

 ডেস্ক: তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারী গুণ রয়েছে।

তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়।আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো: 

তুলসী পানি : 

উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।

প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন।এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন।ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন।এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।

তুলসী-চা:  

উপকরণ : ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন।এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান।মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন।এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

ভেষজ তুলসী-চা:

উপকরণ : এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন।

এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।
হার্বাল জুস:

উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করলে হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দর্শনায় শিশুদের বর্ণলিখন ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় শিশুদের বর্ণলিখন, বাক্যলিখন ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় দর্শনা পৌরমাঠে আয়োজিত অনির্বাণ একুশে নাট্যমেলায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিন শতাধিক শিশু চারটি বিভাগে অংশগ্রহণ করে।

শিশুরা প্রতিযোগিতার দুটি বিভাগে বাংলা বর্ণলিখন, বাক্যলিখন এবং দুটি বিভাগে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। আজ সন্ধ্যায় অনির্বাণ একুশে নাট্যমেলার উদ্বোধনী পর্বে বিজয়ীদের পুরষ্কার প্রদান করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যৌন হয়রানির অভিযোগে জবি শিক্ষক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ ফেব্রুয়ারী ঃ যৌন হয়রানির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তপূর্বক চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ওই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুল হালিম প্রামাণিক। গতকাল রোববার ভুক্তভোগী একই বিভাগের ছাত্রী উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তথ্য-প্রামাণের ভিত্তিতে আজ (সোমবার) এ ব্যবস্থা নেয়া হলো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৫তম বিসিএসের কোটা পূরণ ৩৬ থেকে

সচিবালয় প্রতিবেদক,২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ :

৩৫তম বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটায় পূরণ না হওয়া ৩৩৮টি পদ ৩৬তম বিসিএসের মেধাতালিকা থেকে পূরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ৩৬তম বিসিএসে প্রাধিকার কোটার ৭৩৭টি পদে পদ সংরক্ষণের বিধান শিথিল এবং ৩৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে (যারা ক্যাডার পাননি) ৮০২টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এসংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি  বলেন, ‘ ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডারে মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় পূরণ না হওয়া সংরক্ষিত পদগুলো ৩৬তম বিসিএসের সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের শূন্য পদের সঙ্গে যোগ করে তা পূরণ হবে।’

এছাড়া প্রাধিকার কোটায় পূরণ না হওয়া পদ সংরক্ষণের বিধান ৩৬তম বিসিএসে শিথিল করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে বলে জানান শফিউল আলম।

পিএসসি বলেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ১৮০টি শূন্য পদের মধ্যে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের জন্য ১ হাজার ৬৩৮টি পদ আছে। এসব পদের মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৪৯১টি, ১০ শতাংশ মহিলা কোটায় ১৬৪টি, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটায় ৮২টি পদ নিয়ে মোট ৭৩৭টি পদের বেশিরভাগই খালি থাকবে এবং তা সংরক্ষণ করতে হবে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ৩৬তম বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা কোটার পদ সংরক্ষণ সংক্রান্ত শর্ত শিথিল করলে ওইসব পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে উল্লেখ করে পিএসসিএ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন চায়।

শফিউল আলম জানান, ৩৬তম বিসিএসের জন্য প্রাধিকার কোটার পদ সংরক্ষণের বিধান শিথিল করায় ওই বিসিএসের মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে ওইসব পদ পূরণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা যা ছিল তাই আছে, শুধু কোটা শিথিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে মন্ত্রিসভা, সংবিধানেও কোটার বিধান আছে।’

অন্যদিকে ৩৫তম বিসিএসে কৃতকার্য হয়েও যারা ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্কেল অ্যাডজুটেন্ট পদে ৩০২ জন এবং ধাত্রী পদে ৬০০ জনকে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

৩৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলে ৫ হাজার ৫১৭ জন উত্তীর্ণ হলেও এদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পেয়েছেন ২ হাজার ১৫৮ জন। অন্যরা প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করলে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, ‘সভায় বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন-২০১৭, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আইন-২০১৬, প্রাণি কল্যাণ আইন-২০১৬, শিশু (সংশোধন) আইন-২০১৭-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail