Author Archives: editor

দেশের সব ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের তথ্য নেবে সরকার

রঞ্জিত ভট্রা:  বাংলাদেশে বর্তমানে শতাধিক ইংলিশ মিডিয়াম তথা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। এর তালিকা শিক্ষা অধিদফতরে থাকলেও অন্য কোনও তথ্য নেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া একটি প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লেকহেড গ্রামার স্কুল বন্ধ ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে মন্ত্রণালয়। তারা এখন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কারা কিভাবে চালাচ্ছে সেই তথ্য সংগ্রহ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এ প্রসঙ্গে মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমাদের কাছে শতাধিক স্কুলের তালিকা রয়েছে। প্রয়োজনে অন্য তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অনুমোদন দিয়ে থাকে শিক্ষা বোর্ড। এরপর অনুমোদিত স্কুলের তথ্য পাঠানো হয় মাউশির কাছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১০০টির বেশি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। তবে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর নতুন স্কুল অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের নিবন্ধন নিতে চলতি বছরের জুলাই মাসে বিধিমালা জারি করা হয়। এসব কারণে নতুন ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলার জন্য অনেক ব্যক্তি বা সংস্থা অনুমোদন পেতে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, লেকহেড স্কুল বন্ধের পর ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর তথ্য থাকা জরুরি বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। বিচ্ছিন্নভাবে তথ্য থাকায় জটিলতাও দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন এর কর্মকর্তারা।

এতদিন শিক্ষা বোর্ড, মাউশি ও মন্ত্রণালয়ের কাছে গুরুত্ব পায়নি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। তবে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের কারণে বদলে গেছে চিত্রটা। এখন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয় ও মাউশি।

লেকহেড স্কুল বন্ধের পর গত ১৪ নভেম্বর শিক্ষা অধিদফতরে ৩৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন মাউশি মহাপরিচালক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম। বৈঠকে তিনি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ওপর নজরদারির নির্দেশ দেন মহাপরিচালককে। শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়া ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ছাড়া ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে স্কুলে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মাউশি সূত্র জানিয়েছে, হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া বেশিরভাগ স্কুলের নিজস্ব কোনও বাস নেই। অথচ রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের অনেকদূর থেকেও স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। এক্ষেত্রে দুর্ভোগ পড়ে তারা। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব স্কুল বাস চালুর নির্দেশ দিতে ওই বৈঠকে বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

এ বছর ইংরেজি মাধ্যমের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন বিধিমালা-২০১৭ জারি করে সরকার। বিধিমালা অনুযায়ী, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল পরিচালনা করতে হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। দুই ধাপে স্কুলের অনুমোদন দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে প্রথমে দুই বছরের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন নিতে হবে। সন্তোষ জনক ভাবে স্কুল পরিচালিত হলে পরবর্তী সময়ে ভিন্ন ফরমে নবায়নের আবেদন করতে হবে। নবায়নে তিন বছরের অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রতি তিন বছর পর পর অনুমোদন নবায়ন করতে হবে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দেশের উচ্চ শিক্ষায় মহাদুর্যোগ

‘ধর তক্তা, মার পেরেক’ টাইপের চিকিৎসা হরদমে চলছে আমাদের দেশে। এনেসথেসিয়া দেওয়ার পর জ্ঞান নাও ফিরতে পারে, এটা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, ব্যবসায়ীরা ভালোভাবেই বুঝেন! এজন্য তারা বাইরের দেশে চিকিৎসা নিতে যান? কারণ, তারা নিজেরাও জানেন দেশের ভর্তিবাণিজ্য ও শিক্ষাব্যবস্থার কথা। জীবন মরণ সমস্যাটা তো তাদের না। তাদের তো ঠা-া, সর্দি, গা ব্যাথা হলেই চিকিৎসার নামে ভ্রমণে চলে যান ভারত, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র…। ইতোপূর্বে সরকারি নার্স নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁসসহ মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। যারা চান্স পেল তাদের বেশির ভাগই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র দেখে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে এরা কেমন ডাক্তার হবে, কি চিকিৎসা দেবে এবং এদের হাতে রোগীরা কতটা নিরাপদ থাকবে এমনতরো হাজারো প্রশ্নতো আছেই।

এরাই নার্স কি ডাক্তার হয়ে অপারেশনের সময় ছুরি, কাঁচি, গজ, ব্যান্ডেজ এমনকি জলজ্যান্ত ২য় বাচ্চা পেটে রেখেই সেলাই করবেন, লিথাল ডোজ দিয়ে রোগীদের মারবেন, উৎকোচের বিনিময়ে নিদৃষ্ট কোম্পানির ঔষধ সাজেস্ট করবেন, রোগীকে চেম্বারে কনসাল্ট করতে বলবেন, উপজেলায় মাসে কয়েকদিন হাজিরা দিয়ে পুরো মাসের বেতন নিবেন এবং এটাই স্বাভাবিক, কারণ নার্স কি ডাক্তারি পেশায় এদের জন্মইতো অবৈধ উপায়ে। এই খবরগুলো পড়া যেমন সহজ, মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। যে বা যারা এই কঠিন অবস্থায় পড়েন, শুধু তারাই বুঝতে সক্ষম হন, জীবন-যন্ত্রণা ও চিকিৎসা পাওয়া কত কঠিন। এসব চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মানুষ ভাবতে বাধ্য হচ্ছে, চিকিৎসকরা কি সত্যিই জীবনরক্ষাকারী নাকি জীবননাশকারী। আমারা পরেছিলাম, ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল’। আর এখন আমাদের জানতে হবে, বুঝতে হবে- ‘ডাক্তার রোগী দেখার পরই রোগী মারা গেল’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগের রাতেই ২ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ফাঁস হওয়ার ঘটনায় হাতেনাতে প্রশ্নপত্র জালিয়াতের সঙ্গে জড়িত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি, পরীক্ষার্থী ধরা পড়ার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতি রহস্যজনক!

পড়াশোনা এখন মেধাবী ও গরীবদের জন্য নয়। মেধাবীরা এখন পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে বিজি প্রেস, ফেসবুক বা ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় বাইরে থেকে উত্তর বলে দেওয়ার ব্যবসা শুরু করতে পারে। প্রশ্ন ফাঁসের এমন বহুমুখী চমৎকার ব্যবসাও যারা বুঝবে না, তারা বাড়ি গিয়ে ডমেস্টিক পশুর সু-পরিচর্যায় লেগে থাকুক।

পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি, বিভিন্ন ডিপ্লোমা, নার্স, মেডিকেল, ভার্সিটি, চাকুরিসহ যে কোনো ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। কিন্তু পরক্ষণেই শিক্ষা বোর্ড, মন্ত্রীসহ চাকরিদাতা কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে।

দেশে সরকারি ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিসহ সীমাহীন অনিয়ম এখন আর গোপন করার কিছু নেই, সেখানে মেধাভিত্তিক নিয়োগ হবে এটা ভাবাটাই যেন বোকামি। ইতোপূর্বে অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকের অফিসার পদেও নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও পরীক্ষা গ্রহণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগ। প্রকৃত বাস্তবতায় স্পষ্ট দৃশ্যমান যে, নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর দায়িত্ব শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে না দিয়ে বিকল্প চিন্তা করা উচিত। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশ্ন ফাঁসে বরাবরই ভূমিকা রেখে আসছে, এটা নতুন কিছু নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্ররা অধ্যায়ন, গবেষণা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখানোর কথা। কিন্তু দেশের সবচেয়ে দামি, ঐতিহ্যবাহী, শীর্ষতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অবস্থা হলে কিভাবে চলবে? প্রশ্নফাঁস রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে ইমেইল মারফত প্রতি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিতরণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা পূর্বে পরীক্ষার্থীদের হলে আসা বাধ্যতামূলক করতে হবে। যদিও প্রশ্নপত্র তৈরির পূর্বের কাজগুলো আগেই সম্পাদন হবে। সে ক্ষেত্রে প্রশ্নগুলো তো আর লুকানো থাকছে না। পদ্ধতি যতটাই বদলানো হোক কিংবা গ্রহণযোগ্য নির্ধারণ হোক, ভেতরেই তো ফাঁসকারী লোকদের বসবাস। এজন্য নির্ভার হয়ে থাকলে হবে না। দুর্বৃত্তরা এখান থেকেও সুযোগের অপেক্ষায় থাকবে।

প্র্রশ্নফাঁস আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার ওপর চরম কুঠারাঘাত। শত চেষ্টা করেও একে রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না নানা কারণে। বরাবরই প্রশ্নফাঁসের বাণিজ্যের হোতা থাকে যখন যারা ক্ষমতায় থাকে সে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের ছত্রচ্ছায়ায় প্রতিষ্ঠিত নামিদামি কোচিং সেন্টারগুলো। অন্যদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ একচোখা প্রশাসনিক দাপট টিকিয়ে রাখতে প্রশ্নফাঁসের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও স্বীকার করছে না। ফলে প্রশ্ন ফাঁসকারীরা অধরাই থেকে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী বহু অভাবনীয়, অকল্পনীয়, ভয়ানক ও নৃসংশ ঘটনার রেকর্ড থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে তার যথাযথ প্রতিকার, প্রতিরোধ ও বিচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো- আমাদের দেশে প্রশ্নফাঁসের জন্য গ্রেফতার হয়, ফাঁসের অভিযোগে স্বীকারোক্তি হয়, কিন্তু সেই প্রশ্ন দিয়েই আবার পরীক্ষা নেওয়া, এটা আবার কোন ধরনের রীতি ও সভ্যতা?

লেখক : প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাদ্রাসার সমস্যা নিরসনে ৩ হাজার ভবন নির্মাণ হয়েছে : নাহিদ

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো সমস্যা নিরসনে সরকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভবন নির্মাণ করেছে।
তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার আরো উন্নয়নে দুই সহ¯্রাধিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।
নুরুল ইসলাম নাহিদ রোববার রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব্ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ’সিজেডএম জিনিয়াস স্কলারশিপ এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন,দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে হবে।
যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এ ক্ষেত্রে একটি চমৎকার উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করে তুলতে হবে। এজন্য বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অধিকতর জোর দেয়া হচ্ছে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে আধুনিক উন্নত বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলা। তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে। দক্ষতা অর্জনের পাশাপশি তাদেরকে নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ভাল মানুষ হতে হবে। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের তরুনেরা মেধার দিক থেকে কোন অংশে কম নয়। এজন্য তাদেরকে এমনভাবে প্রস্তত করতে হবে যাতে তারা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বে জায়গা করে নিতে পারে।
সাবেক মন্ত্রী লে. জে. (অব.) এম নুরুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিজেডএম’র চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিম,কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিজেডএম’র উপদেষ্টা আরাস্তু খান এবং সিজেডএম-এর প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ৪২১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। সিজেডএম এ বছর সারাদেশের স্নাতক পর্যায়ের মোট দুই হাজার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় মাসিক বৃত্তি প্রদান করবে। বাসস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওজন কমাতে সাহায্য করে বাঁধাকপি

ডেস্ক , নভেম্বর ২৫, ২০১৭: শীতের তরতাজা সবজিতে বাজার এখন ভরপুর। প্রায় প্রতিটি সবজিই বিভিন্ন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। বাঁধাকপিও এর ব্যতিক্রম নয়। বাজারে এখন সবুজ , বেগুনি-দুই রঙের বাঁধাকপি পাওয়া যাচ্ছে। রঙ যেটাই হোক না কেন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই সবজি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়বেটিস রোগের জন্য বাঁধাকপি খুবই উপকারী। এটি রেডিয়েশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। একারণে ক্যানসার প্রতিরোধ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এটি দারুণ কার্যকরী। গবেষকরা বলছেন, বাঁধাকপি ভিটামিন-সি এর বড় উৎস। এতে কমলার চেয়েও বেশি পরিমাণে ভিটামিন-সি আছে। এর এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি আলসার, বিষন্নতা , অ্যালার্জিজনিত ঠান্ডা-কাশি রোধ করতেও সহায়তা করে।

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে। একারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সাড়াতে সাহায্য করে, হজমশক্তি বাড়ায়। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর সালফার; যা শরীরে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ সারাতে সাহায্য করে। বাঁধাকপি বিটা ক্যারোটিনের বিরাট উৎস। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। তাছাড়া বিটা ক্যারোটিন প্রষ্টেট ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়। বাঁধাকপিতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং কম ক্যালরি থাকায় এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে। যারা ওজন কমাতে আগ্রহী তাদেরকে নিয়মিত বাঁধাকপির স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বাঁধাকপি স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কিংবা ত্বকের যত্নে ও এটি দারুণ কার্যকরী।
সূত্র: অর্গানিক ফ্যাক্টস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ ও ২৭ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ২৬ এবং ২৭ নভেম্বরের সব পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।

স্থগিত এই পরীক্ষার তারিখ অতিসত্বর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইমরান ও নাদিয়া’র কেমেস্ট্রি

গানের নাম ‘লাগে বুকে লাগে’। গানটিতে রয়েছে একাধিক চমক। গানটিতে তার সহশিল্পী হিসেবে আছেন ভারতের অন্বেষা দত্ত। প্রথমবারের মতো একসঙ্গে গাইলেন তারা দু’জন ।

‘লাগে বুকে লাগে কেন জানিস/ আগলে রাখি তোকে নিজের আগে’ এমন কথার গানটি লিখেছেন জুলফিকার রাসেল। আর সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান নিজেই। গানটি প্রকাশ করছে ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ (ডি এম এস)। এই গানের ভিডিওতে ইমরানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন নাদিয়া নদী। ইমরান ও নাদিয়া নদী জুটির এটিই প্রথম মিউজিক ভিডিও। তাদের কেমেস্ট্রি দর্শক-শ্রোতাদের নিয়ে যাবে ভাবনার রাজ্যে। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছে প্রডাকশন হাউজ ‘প্রেক্ষাগৃহ’। ঢাকার বেশ কয়েকটি মনোরম লোকেশনে চিত্রায়িত গানটির ভিডিও পরিচালনা করছেন-শাহরিয়ার পলক।

এ বিষয়ে ইমরান বলেন, ‘লাগে বুকে লাগে’ একটি আবেদনের গান। গানের কথায় জুলফিকার রাসেল ভাই যেমন মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি ভিডিওতে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন পলক ভাই। গানটিতে যে আবেদন, আবেগ, অনুভুতি আশা করছি তা দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে । গানের কথার সঙ্গে মিল রেখে বেশ বড় আয়োজনের মিউজিক ভিডিওটিও দর্শকদের ভালো লাগবে।

অন্বেষা দত্ত বলেন, কিছু কিছু গানের কথা, সুর আর কম্পোজিশন এমন থাকে যে, গানটার ভেতরেই ‘লাভ এট ফার্স্ট লিসেনিং’ বিষয়টা থাকে। ‘লাগে বুকে লাগে’ ঠিক এমনই একটি গান। ইমরান আমার খুব পছন্দের একজন শিল্পী। তার বেশ কিছু গান আমি শুনেছি। খুবই ভালো লাগে তার গান। এবার একসঙ্গে গাইলাম। আশাকরি গানটির অডিও এবং ভিডিও দর্শক- শ্রোতার ভালো লাগবে।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ (ডিএমএস) সুত্রে জানা যায়, খুব শীঘ্রই তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে ‘লাগে বুকে লাগে। পাশাপাশি গানটি পাওয়া যাবে জিপি মিউজিক এবং ইয়োন্ডার মিউজিকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পিইসির প্রশ্নে ভুলের অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তার খোঁজ মিলেছে

নিউজ ডেস্ক,ঢাকা: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি ভার্সনের একটি বিষয়ের প্রশ্নে ভুলের ঘটনায় যে কর্মকর্তাকে দায়ী করে বরখাস্ত করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, তার সন্ধান মিলেছে ভিন্ন জেলায়।

বরখাস্তের আগের আদেশ সংশোধন করে শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, প্রশ্নে ভুলের জন্য দায়ী মো. আব্দুল মান্নান মিয়া গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের সাবেক ইন্সট্রাক্টর। বর্তমানে তিনি প্রেষণে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টরের দায়িত্বে আছেন।

চলমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর সিলেট অঞ্চলের ইংরেজি ভার্সনের বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অন্তত অর্ধশত ভুল ধরা পড়ে। ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার মুখে তড়িঘড়ি আব্দুল মান্নানকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বৃহস্পতিবার দিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই আদেশে মান্নানকে গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুরের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

কিন্তু তখন খোঁজ নিয়ে গাইবান্ধায় মান্নান নামে কোনো শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়।

ওই কর্মকর্তা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য জানতে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কেউ এনিয়ে কথা বলেননি।

এরপর বৃহস্পতিবার বিকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার হঠাৎ করেই নেপে যান। তার দুদিন বাদেই বরখাস্তের আদেশ সংশোধন হল।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছিলেন, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রাথমিক সমাপনীর প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বিষয়ের ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নটি বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের দায়িত্বে ছিলেন বলে নেপ থেকে মন্ত্রণালয়কে জানানো হলে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

প্রাথমিক সমাপনীর এক প্রশ্নপত্রে অর্ধ শতাধিক ভুল!
চলমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর (পিইসি) ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি’ পরীক্ষার এক প্রশ্নপত্রে অর্ধ শতাধিক ভুল ধরা পড়েছে।মঙ্গলবার সিলেট বোর্ডের ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্রের এই ভুলগুলো এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক ফেইসবুকে দিলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

প্রশ্নপত্রটির ৫০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের মধ্যে ৪০টিতেই ভাষা ও ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে। এগুলোসহ পুরো প্রশ্নপত্রে ভুলের সংখ্যা অর্ধ শতাধিক। পিইসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ব্যাপক ভুল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। সমালোচনা চলছে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্রিটিশ স্কুলগুলোতে মেয়েদের হিজাব নিয়ে ব্যঙ্গ, মুসলিমদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,লন্ডন: ব্রিটিশ প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মুসলিম মেয়েদের হিজাব পরা নিয়ে দেশটির সেকুলার গোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টির বিরুদ্ধে তারা ক্যাম্পেইন চালাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার আয়েশা আলভি বলেন, ‘আমরা কখন ব্রিটিশ হিসাবে স্বীকৃত হব এবং এই সমাজের অংশ হিসাবে আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের স্বাধীনতা পাব?’

মুসলিম এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিজাব নিষিদ্ধের জন্য আন্দোলনকারী সেকুলারদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘অফস্টেট’ এর প্রধান পরিদর্শক আমানদা স্পিলম্যান।

স্পিলম্যান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা হিজাব পরিধানকে যৌন হয়রানি হিসেবে ব্যাখা করার জন্য প্রত্যাশা করছে।’

তিনি বলেন, ‘মেয়েরা কেন এটি পরছে তা নিশ্চিত হতে পরিদর্শকেরা হিজাব পরিহিত শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন।’

সমতার আইন লঙ্ঘনকারী ও স্কুল নীতির ওপর প্রভাব বিস্তারকারী মৌলবাদী গ্রুপের উদ্বেগের বিষয়ে স্কুলে অভিযোগ করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

স্পিলম্যান বলেন, এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নিলে ‘অফস্টেট’ এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে।’

অভিভাবকেরা যদি মনে করেন যে ছেলে ও মেয়েদের সমতার বিষয়টি স্কুল মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে সেক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানানোর জন্য বাবা-মা ও জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানান স্পিলম্যান।

শিশুদের পোশাক সরকারের ব্যবসা নয় মন্তব্য করে ব্যারিস্টার ও মানবাধিকার কর্মী আলভি রশিদ বলেন, ‘এটি বাবা-মা ও শিশুদের মধ্যে একটি মুক্ত পছন্দ হওয়া উচিত এবং তা একই সঙ্গে ব্যক্তিগত হওয়া উচিৎ। এই ধরনের একটি বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা উচিৎ নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘হিজাব পরার জন্য তাদেরকে বাধ্য করা হয় না। বেশিরভাগ মেয়েই নিজেই এটি পরতে পছন্দ করে। আমার পরিবারের আট- নয় বছর বয়সী মেয়েরা মাথায় হিজাব পরতে পছন্দ করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিক ইসলামভীতির আরেকটি কারণ হিসেবে দেখছি।’

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কখন ব্রিটিশ হিসাবে স্বীকৃত হব, এই সমাজের অংশ হিসাবে আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের স্বাধীনতা পাব?’

গত সেপ্টেম্বর মাসে ‘টাইমস’ ম্যাগাজিনের পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের ১১টি অঞ্চলের ৮০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যে অন্তত ১৮ শতাংশ স্কুল হিজাবকে ইউনিফর্মের অংশ হিসেবে অনুমোদন করে।

ন্যাশনাল সেকুলার সোসাইটি (এনএসএস) -এর এক গবেষণায় জানা যায় যে যুক্তরাজ্যের প্রতি পাঁচটি ইসলামি স্কুলের দুটি স্কুলে ইউনিফর্ম হিসেবে হিজাব পরিধানকে অনুমোদন দেয়। এর মানে হল যে, ২৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৪২ শতাংশ ইসলামি স্কুলগুলোতে একটি ইউনিফর্ম নীতি রয়েছে; যেখানে হিজাবকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ববি’র ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ছয় সদস্য আটক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ভর্তি পরীক্ষায়র দ্বিতীয় দিন ‘গ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস করার চেষ্টার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রসহ ছয়জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার দুপুরে নগরীর ডিবি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মহানগর পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্রমতে, এরপূর্বে শনিবার সকাল সাতটায় পরীক্ষা শুরুর আগেই নগরীর বাংলাবাজার এলাকার আরশেদ আলী গলির নাহার ম্যানশন থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। আটককৃরা হলো, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত সিআইডি’র তালিকাভূক্ত ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোঃ মারুফ হোসাইন মারুফ, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মোঃ আলমগীর শাহীন, গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোঃ মাহামুদুল হাসান আবিদ। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আটককৃত তিনজনই অমর একুশে হলের ছাত্র।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক মানসম্মত শিক্ষায় বাধা শিক্ষকদের শিক্ষাবহির্ভূত কর্মে সম্পৃক্ত করা

স্বরুপ দাস: দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের কারণে সমাজে ও পরিবারে নানাবিধ সমস্যা ও অস্থিতিশীলতা বিরাজ করে। ফলে বেশিরভাগ পরিবারে দ্বন্দ্ব ও কলহ বিরাজ করে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সন্তানের ওপর। শিক্ষা সম্পৃক্ত বিষয় তার কাছে উপযোগিতা পায় না। শিক্ষকের পাঠদান তার ভেতরে সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। অতি মেধাবী, চঞ্চল ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা যদি মেধা অনুযায়ী শিখন পরিবেশ না পায় সেক্ষেত্রেও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সহযোগিতার জন্য যে ম্যানেজিং কমিটি থাকে তাও অনেক সময় ক্ষুদ্র কোনো বিষয়ে ইস্যু তৈরি করে বিশাল সমস্যায় পরিণত করে। ফলে শিক্ষকরা অনেক সময় অবাঞ্ছিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।


মা-বাবা, বড় ভাই-বোন অনেক সময় খোঁজখবরও রাখেন না। বাবা-মা মনে করেন, জন্ম দেয়ার কাজ ছিল জন্ম দিলাম। মানুষ করার দায়িত্ব শিক্ষকের। শিক্ষক দিকনির্দেশনা দিতে পারেন, পাঠ্য বিষয় বোধগম্য করে দিতে পারেন, প্রকৃত মানুষ হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করতে পারেন; কিন্তু শিক্ষা অর্জনের প্রাথমিক স্তর হলো পরিবার। পরিবার থেকে যদি শিক্ষার্থী আচরণ না শেখে, মানব চরিত্রের মহত্ গুণগুলো না শেখে, পরিবারেই যদি থাকে অনিয়ম, মিথ্যা, কলহ ও জরাজীর্ণ পরিবেশ—তবে সেই পরিবেশ শিক্ষার্থীর মনে কী প্রভাব ফেলবে তা তো সহজেই অনুমেয়।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাতে যা করলে মা হওয়ার ক্ষমতা হারাবেন মেয়েরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক,২৫ নভেম্বর, ২০১৭: আপনি কি মা হতে চান? তবে, রাত জেগে সিনেমা দেখা বা বই পড়ার অভ্যাস আজই ত্যাগ করুন৷ এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রাতে বারবার আলো জ্বালানো হলে মেয়েদের ফার্টিলিটি হরমোন বা সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যায়৷

স্যান অ্যান্টোনিওর স্বাস্থ্য বিজ্ঞান কেন্দ্রের ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের সেলুলার বায়োলজির অধ্যাপক রাসেল জে রেইটার জানিয়েছেন, ‘মেয়েদের শরীরের প্রজনন ক্ষমতার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে, বিশেষ করে ভ্রুণের বৃদ্ধির জন্য অন্ধকার খুবই জরুরি।’ মস্কিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি মেলাটনিন নামের এক ধরণের হরমোন নিঃসরণ করে৷ আর অন্ধকারেই এই গ্রন্থিটি বেশি কার্যকরী থাকে৷

রেইটার জানান, ‘অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মেলাটনিন অনেক শক্তিশালী একটি হরমোন। যখন মহিলাদের ডিম্বানু উৎপাদনের সময় হয় তখন এই হরমোন ডিম্বানু নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে’৷

গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, যারা সন্তান ধারণে ইচ্ছুক তাদের কমপক্ষে আটঘণ্টা অন্ধকারে কাটানো প্রয়োজন৷

গবেষকেরা জানিয়েছেন, হরমোন নিঃসরণের জন্য অন্ধকারে থাকা জরুরি৷ তবে এক সঙ্গে ঘুমের কোন সম্পর্ক নেই৷ রেইটার জানিয়েছেন মেলাটানিন তৈরিতে অন্ধকার সবচেয়ে প্রয়োজনীয়৷

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকুরেদের শোভাযাত্রা কাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোভাযাত্রা আগামীকাল শনিবার। এ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করবেন তাঁরা। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোও এটি উদ্‌যাপনের ব্যবস্থা নিয়েছে।

আজ শুক্রবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সংবাদ ব্রিফিং করে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানদের ১০ম ও সহকারীদের ১১তম গ্রেডের দাবীতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ নভেম্বর। সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন স্কেল প্রদান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান, দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা প্রদানে প্রধান শিক্ষকদের বাই নেইমে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও সেল্ফ ড্রয়িং ক্ষমতা প্রদানসহ ৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি আজ সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে।

দু’ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে সারাদেশ থেকে সহশ্রাধিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি সুব্রত রায়, জাহিদ রব্বানী, মীর মহিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, ফজলুর রহমান, মনির হোসেন, জিন্নাতুল ফেরদৌসী, সিরাজুল ইসলাম, মো. শাহজাহান, কমল বকসি, জাফর উল্লাহ, আখিনুর আক্তার জাহান, সেলিনা আক্তার, গোলাম রব্বানী, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর আলম সেলিম, হাবিবুল্লাহ ফকির প্রমুখ। মানববন্ধনে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ প্রাথমিক শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অনতিবিলম্বে দাবি মেনে নেয়া না হলে পরবর্তীতে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। শিক্ষকদের ৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-

১. সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতনস্কেল প্রদান, দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা প্রদানে প্রধান শিক্ষকদের বাই নেমে গেজেট বিজ্ঞপ্তির প্রকাশসহ সেল্ফ ড্রয়িং ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।
২. সকল ধরনের জটিলতা নিরসন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব প্রদান এবং প্রধান শিক্ষকদেরকে চাকুরির সিনিয়রিটি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে শতভাগ পদোন্নতি দিতে হবে।
৩. জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে প্রাথমিক শিক্ষাকে ৮ম শ্রেণিতে উন্নীতকরণের ব্যবস্থা দ্রততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং চলমান ৮ম শ্রেণি চালুকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে।
৪. শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ৮ম শ্রেণি চালুকৃত বিদ্যালয়সহ সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে সহকারি শিক্ষকদের নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধিসহ প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকুরি নন ভ্যাকেশনাল হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. শিশু শিক্ষার্থীদের উপর থেকে মানসিক চাপ কমানোর লক্ষে বিদ্যালয়ের সময়সুচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত পুন:নির্ধারণ করতে হবে এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রাথমিক শিক্ষক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বাস্থ্যবান পুরুষ হতে পরিবর্তন নিয়ে আসুন প্রতিদিনের খাবারে!

ঢাকা : সাধারণভাবে মনে করা হয় মেদহীন হালকা-পাতলা গড়নের নারী-পুরুষদের সবাই পছন্দ করেন। এরা যা ইচ্ছে তা-ই খেতে পারেন, যা ইচ্ছা তা-ই পরতে পারেন! কিন্তু এরা কি নিজেদের শরীর নিয়ে সন্তুষ্ট? এরা কি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী? বাস্তব হল এমন মানুষদের অনেকেই নিজেদের হালকা-পাতলা শরীরটা নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকেন।

আবার কেউ কেউ তো দিনমান ‘রোগা-পটকা’, ‘তালপাতার সেপাই’ ইত্যাদি শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ। যে যা-ই বলুক, শরীরটা ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা বোঝার একটা ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাতের হিসাব। সে অনুযায়ী ওজন কম হলে বিষয়টা ভাবা প্রয়োজন।

কেননা অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক তেমনি অতিরিক্ত ওজনহীনতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে। হালকা-পাতলা শরীরটায় বাসা বেঁধে থাকতে পারে রক্তশূন্যতা, ঝামেলা থাকতে পারে পরিপাকের। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি ও হাড়ের দুর্বলতাও চিন্তার বিষয়। ফলে ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে এই ছয় পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

পুষ্টিকর খাবার
ওজন বাড়াতে হলে খেতে হবে। যা খুশি তা-ই খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের যথাযথ সমন্বয় থাকতে হবে খাবারে। মাংসপেশি গঠন আর ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ। নানা ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।

পানির পরিমাণ
ওজন বাড়াতে হলে আগে খিদে বাড়াতে হবে। খিদে বাড়ানোর জন্য হজমে সহায়ক পানি পান করুন। সারা দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করুন। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি পান করবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি পান করবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

হাবিজাবি কম খান
সকাল-দুপর-রাতের ভারী খাবারের মাঝে বারবার এটা-সেটা খাবেন না। কেউ কেউ বলেন দিনে তিন থেকে পাঁচ বেলা ভারী খাবার খাওয়াটাই ভালো। বেছে বেছে পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরাতে হবে। হালকা-পাতলা শরীরে বারবার হাবিজাবি ভাজাপোড়া বা ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

শর্করায় সতর্কতা
আপনার হালকা-পাতলা শরীর দেখে কাছের মানুষেরা হয়তো কেক-পেস্ট্রিসহ নানা অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের বিষয়ে সাবধান। ভিসেরাল ফ্যাট বা স্কিনি ফ্যাটের খপ্পরে পড়ে যেতে পারেন আপনি। এটা এমন চর্বিযুক্ত উপাদান যা হঠাৎ মেদ বাড়িয়ে না দিলেও দেহের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শর্করা খেতে হবে বেছে বেছে।

শরীরচর্চা শুরু করুন
সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যত হালকা-পাতলাই হন না কেন ব্যায়ামে আপনিও দারুণ উপকৃত হবেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমিয়ে পড়া আর সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার মতো অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শরীরচর্চাটাও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে সাধারণ ক্ষুধা মন্দা কাটিয়ে উঠে আপনি খেতে পারবেন। নিয়মিত শরীরচর্চায় আপনার পেশি সুগঠিত হবে এবং শারীরিক শক্তি বাড়বে। যোগব্যায়ামের অনেক আসন চর্চা করেও আপনি উপকৃত হতে পারেন।

ধূমপান ছেড়ে দিন
যত বেশি ধূমপান করবেন আপনার খিদে না লাগার সমস্যা তত বাড়তেই থাকবে। অবশ্য জগতে অতিরিক্ত ওজনের মোটাসোটা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন এবং হাড় জিরজিরে রোগা-পটকা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন। কিন্তু কথাটা হলো ধূমপান কারও স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না। আর ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর সবারই প্রথম যে উপকার হয় তা হলো খিদে বাড়তে থাকা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’দেশের সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি পালনের হুমকি

ঢাকা: দেশের বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের বিএসএস শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা হলে আগামী রবি ও সোমবার সারাদেশের সব সরকারি কলেজে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত ‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’ শীর্ষক মহাসমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এ সময় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, সামনে ডিসেম্বর মাস, তাই ওই মাসে কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছি না। তবে যদি দাবি মানা না হয় তা হলে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে।

এই সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, যেসব বেসরকারি কলেজকে সরকার আত্তীকরণ করেছে, তাদের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বিধিমালা করতে হবে। তাদের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজের ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকরা বক্তব্য দেন।

‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’ শীর্ষক মহাসমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানায়। তবে বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন আমলে নিয়ে তাদের জন্য দ্রুত স্বতন্ত্র বিধিমালা করারও দাবি জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter