Home » Author Archives: editor (page 30)

Author Archives: editor

নতুন বছরে তারিখ লিখতে সাবধান!

ডেস্ক:

২০১৯ সাল শেষ হতে আর একদিন বাকি। শুরু হতে যাচ্ছে ২০২০। নতুন বছরে তারিখ লিখতে গিয়ে পড়তে পারেন মহাবিপদে। যদি সম্পূর্ণ তারিখটি না লেখেন তবেই এই বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

তারিখ লেখার সময় আমরা সাধারণত বছেরের শেষ সংখ্যা লিখতেই অভ্যস্ত। কিন্তু নতুন বছরে এটা করবেন না। বিশেষ করে ব্যাংক, ভর্তির ফর্ম বা গুরুত্বপূর্ণ নথিতে। কারণ, আপনি তারিখের শেষে ২০ লিখে ছেড়ে দিলেন। কিন্তু প্রতারকরা সেখানে অন্য কোনো সংখ্যা লিখে জালিয়াতি করতেই পারে। তাই বছরের শুরুতে সাবধান হয়ে যান।

এ বিষয়ে সতর্ক করতে একটি বার্তা ভাইরাল হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকে।

বার্তায় বলা হয়েছে, ‘সাবধান! আসন্ন ২০২০ সালের তারিখ লেখার সময় আমাদের সম্পূর্ণ ফর্ম্যাটে লেখা উচিত। যেমন ৩১/০১/২০২০ এভাবে লিখুন। কখনোই ৩১/০১/২০ লিখবেন না। কারণ, যে কেউ এটিকে ৩১/০১/২০০০ বা ৩১/০১/২০১৯ বা যে কোনও বছরের মধ্যে তার সুবিধার্থে পরিবর্তন করতে পারে। এতে করে আইনি জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। এ সমস্যাটি কেবল এই ২০২০ বছরই বহাল থাকবে। তাই এ সম্পর্কে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। কোনও ডকুমেন্ট পাওয়ার সময় সাল শুধু ২০ লিখবেন না এবং সাল শুধু ২০ লেখা গ্রহণও করবেন না। জনস্বার্থে প্রচার করা হলো।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১ জানুয়ারী সুখবর পাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ ডিসেম্বর: ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্বল্প সুদে গৃহ ঋণ দিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালে যে নীতিমালা করেছিল সুদের হারের দিক থেকে এখন তা আরো শিথিল করেছে। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে তা কার্যকর হবে।

সোমবার নীতিমালা সংশোধন করে গৃহ ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এই হার আগে ছিল সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। সুদের ওপর কোনো সুদ আরোপ করা হবে না।

বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনসহ সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক প্রায় এক বছর ধরে স্বল্প সুদে এ ধরনের ঋণ দিয়ে আসছে।

মূল নীতিমালায় বলা হয়েছে, ১০ শতাংশের মধ্যে ব্যাংক হার অর্থাৎ ৫ শতাংশ সুদ দেবেন ঋণ গ্রহণকারী, বাকি ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে। নীতিমালার ৭.১ (ঘ) (৩) অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুদের হার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, নতুন সুদের হার শুধু নতুন ঋণ গ্রহীতাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী চাকরির গ্রেড মেনে ২০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহ ঋণ পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। শুরুতে বেসামরিক ও সামরিক কর্মচারীদের জন্য এ সুবিধা চালু করা হলেও পরে বিচারক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরাও এ তালিকায় যুক্ত হন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেভাবে দেখবেন পিইসি-জেএসসির ফল

ডেস্ক,৩০ ডিসেম্বর:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার প্রকাশ করা হবে। কাল সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করবেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করা হবে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, বেলা ১২টায় নিজ নিজ কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে জেএসসি ও জেডিসির ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) রেজাল্ট কর্নারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া বেলা আড়াইটা থেকে সব জেলা, উপজেলা বা থানায় নিজ নিজ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) ও (http://dperesult.teletalk.com.bd) এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। বেলা ১২টায় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে।

মোবাইল অ্যাপস থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল পাওয়া যাবে এই (www.educationboardresults.gov.bd) ঠিকানায়। বেলা আড়াইটায় জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।

মোবইলে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির ফল পাওয়া যাবে যেভাবে-

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফল

DPESTUDENT IDYEAR & SEND TO 16222
Example: DPE 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল

EBTSTUDENT IDYear & SEND TO 16222
Example: EBT 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

JSC পরীক্ষার ফল JSCBOARDROLLYEAR & SEND TO 16222 Example: JSC DHA 123456 2019 & SEND TO 16222

JDC পরীক্ষার ফল

JDCMADROLLYEAR & SEND TO 16222
Example: JDC MAD 123456 2019 & SEND TO 16222

এর আগে গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশে ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশব্যাপী সাত হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় বহিষ্কৃত দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দেন উচ্চ আদালত।

অন্যদিকে, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১১ নভেম্বর তাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে ১২ নভেম্বর নেওয়া হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে ছুটি ৮৫ দিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ ডিসেম্বর: অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচি কমানোর পাশাপাশি ছুটি ৮৫ দিন করার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬/১২/২০১৯ ইং তারিখে অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পত্র হতে জানা যায়।
সুত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সাথে একাধিক শিক্ষক সংগঠন সময় কমানো ও ছুটি বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটির সাথে সমন্বয় করে প্রাথমিকের ছুটি ৮৫ দিন করা হল।

আরও পড়ুন

প্রাথমিকে সময়সুচি কমলো

ছুটি বাড়ানোয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন মহোদয়, সচিব জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন মহোদয় ও মহাপরিচালক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির নীতি নির্ধারন কমিটির চেয়ারম্যন আলাউদ্দিন মোল্লা, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ কুমার দাস, এস এম সাইদুল্লাহ , সিনিয়ার সহসভাপতি সনিবয় দেওয়ান,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলাম প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে সময়সুচি কমলো

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ ডিসেম্বর: অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচি কমানোর সিদ্ধান্ত দিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬/১২/২০১৯ ইং তারিখে অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পত্রে এ ঘোষনা আছে। ফেসবুকজুড়ে শিক্ষকদের মধ্যে এক ধরনের আনন্দ লক্ষ করা যায়।
সুত্র হতে জানা যায়, এক শিফট বিদ্যালয়গুলো প্রাক প্রাথমিক ৯ঃ৩০ হতে ১২ঃ০০, ১ম থেকে ২য় শ্রেণি ৯ঃ০০ হতে ১ঃ০০ টা,৩য়-৫ম শ্রেণি ৯ঃ০০-৩ঃ১৫ মিনিট । দুই শিফট বিদ্যালয়গুলো প্রাক প্রাথমিক ৯ঃ০০ হতে ১১ঃ৩০, ১ম ও ২য় শ্রেণি সকাল ৯ঃ০০ হতে ১১ঃ৫০, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি ১১ঃ৩০ হতে ৪ঃ০০ মিনিট।
বার্ষিক কর্মঘন্টা ১ম ও ২য় শ্রেণি ৬২৭ ঘন্টা, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি ৮৬১ ঘন্টা ২০ মিনিট।

আরো পড়ুন

প্রাথমিকে ছুটি ৮৫ দিন।

সময়সুচি কমানোয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন মহোদয়, সচিব জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন মহোদয় ও মহাপরিচালক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ, সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ কুমার দাস, রঞ্জিত ভট্রাচার্য,সিনিয়ার সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের ডিসেম্বরের এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক,২৯ ডিসেম্বর:

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষক-কর্মচারীরা ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন

ডেস্ক,২৯ ডিসেম্বর:

রাজস্ব খাতভুক্ত ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরা। রোববার সকাল থেকে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন।
জানা গেছে, সকাল থেকে মিরপুরে প্রাথমিক অধিদফতরের প্রবেশ পথে অবস্থান নিয়েছেন দফতরি কাম প্রহরীরা। প্রায় দুশতাধিক আন্দোলনকারী প্রবেশ পথের সামনে অবস্থান নিয়ে নানা স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অধিদফতরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী সহায়ক সোসাইটির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কে এম আজাহার মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসলেও আমাদের চাকরি রাজস্বখাতে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হচ্ছে কিন্তু বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। কর্মঘণ্টা নির্ধারণ না থাকায় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যালয়ের জন্য কাজ করতে হচ্ছে। বছরে যৌক্তিক ছুটিও দেয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার দফতরি কাম প্রহরী রয়েছেন। অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দফতরি কাম প্রহরীদের দিয়ে বাড়ির ব্যক্তিগত কাজ করাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের ভেতর-বাইরে কিছু হারিয়ে গেলে বেতন থেকে সে পরিমাণে অর্থ কেটে নেয়া হয়। আমরা এসব বৈষম্য আর মেনে নেব না। এ কারণে সবাই আন্দোলনে নেমেছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এওয়ার্ড পেলেন দর্শনার লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,২৯ ডিসেম্বর: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুুল কে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ অর্জন করেছেন। বিদ্যালয়ের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ কুমার দ্ত্ত। প্রধান শিক্ষক বিকাশ কুমার দত্ত বলেন লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল প্রতিষ্ঠা হবার পর থেকে দর্শনার শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছে। ২০১৮ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠানটি দামুড়হুদা উপজেলায় সর্বোচ্চ ২৮ টি এ+ সহ ১৪ জন বৃত্তি পেয়েছে। ২০১৯ সালেও এ ধারাবাহিকাতা অক্ষুন্ন রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বলেন, ২০২০ সালকে আমরা হ্যান্ড রাইটিং দিবস ঘোষনা করেছি। সকল শিক্ষার্থী যেন হাতের লেখা সুন্দর করতে পারে সে লক্ষে কাজ করছি।
ঢাকা সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাাঁচার মেলা মিলনায়তনে গত শনিবার রাতে “আদর্শ জাতি গঠনে শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীষক আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো: আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি শিকদার মকবুল হক। প্রধান আলোচক ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও চেয়ারম্যান বিএলডিপি এম. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, উদ্বোধক ছিলেন আজকের সূর্যদয়’র সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মোজাম্মেল হক (গেদু চাচা), বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ গণ আজাদীলীগের মহাসচিব মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ আলম চুন্নু প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব এমএইচ আরমান চৌধুরী।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নুতন করে এমপিওভুক্ত হলেন যেসব শিক্ষক

ডেস্ক,১৮ ডিসেম্বর:
এমপিওভুক্ত হলেন বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরও ১২৫ জন শিক্ষক। চলতি ডিসেম্বর মাস থেকে তাদের এমপিও কার্যকর হবে। এদের মধ্যে এইচএসসি বিএম শিক্ষাক্রমের ৩০ জন এবং এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৯৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, এমপিও অনুমোদন কমিটির ৮ম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ১৭ ডিসেম্বর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

গত বছর জারি করা এমপিও নীতিমালার আলোকে এ ১২৫ শিক্ষকের পদের প্রাপ্যতা থাকায়, নিয়োগের শর্ত পূরণ করায় এবং সনদ সঠিক থাকায় এমপিও অনুমোদন কমিটির সভায় তাদের এমপিওভিুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নানা আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় বিজয় দিবস পালন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,১৭ ডিসেম্বর:
সোমবার ভোরে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা করা হয়। পরে শহরের হাসান চত্বরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পতাকা উত্তোলনের পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক সংগঠনসহ সরকারি-বেসরকরি সংগঠনগুলো শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন।

এরপর সকাল ৮টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন ষ্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার জাতীয় পতাকা উত্তলোন করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কুচকাওয়াজ প্রদর্শন। কুচকাওয়াজে অংশ নেয় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, গার্লস গাইড, বিএনসিসি, স্কাউট, শিশু পরিবারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র -ছাত্রীরা। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার জাহিদুল হাসান।

পরে সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দিনব্যাপি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন যে নিয়মে শিক্ষক নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ

ডেস্ক.১৭ ডিসেম্বর:
আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে এনটিআরসিএ। ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে শিগগিরই। গত নিয়োগে হওয়া জাটিলতা এড়াতে ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনছে এনটিআরসিএ।

পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বলেন, নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়াটা গত বছরের মত আর থাকছে না।

এস এম আশফাক হুসেন বলেন, আগামী আবেদনের সময় যারা দরখাস্ত করবেন তারা দরখাস্ত করার সময় সব ক্লিন পাবেন। ওনাদের আর সন্দেহের মধ্যে থাকা লাগবে না। আগে যেটা ছিল সেটা হলো সিলেকশন করা লাগত। আসলে বেশি যে সমস্যা হয়ে গিয়েছিল কম্ববক্স থেকে ড্রপডাউন মেনু দিয়ে সিলেক্ট করতে হতো পদের নাম।

‘সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ ও ফিজিক্যাল সাইন্স এই দুইটা পাশাপাশি থাকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ই-রিকুইজিশনের জন্য যখন সিলেক্ট করতে গেছেন তখন ভুলে ফিজিক্যাল সাইন্সে না করে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজে ক্লিক করে ফেলছেন। এখন যে শূন্য পদ পেয়েছে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজে অথচ নিয়োগ দিয়েছে ফিজিক্যাল সাইন্স কিন্তু গিয়ে দেখা যায় সেখানে এই পদই নেই।’

এ সমস্যার পর এখন প্রধান শিক্ষক বলছেন আমিতো এটা দেই নাই। অসলে ওনি মনে করেছেন আমি সিলেক্ট করেছি ফিজিক্যাল সাইন্স কিন্তু এটা যে সিলেকশনের সময় ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ সিলেক্ট হয়ে গেছে যেটা ওনি বুঝতেই পারেন নাই। আর তাই আমরা সফটওয়্যারকে অনেকগুলো কন্ডিশনাল মাসকিং করব, যাতে করে কেউ ভুল তথ্য না দিতে পারে।

উদাহরন হিসেবে এস এম আশফাক হুসেন বলেন- ধরুন সব পদ আমি দেখাব না, এই স্কুল যে কয়টা পদ আছে ক্লিক করলে শুধু ওই কয়টাই দেখাবে। আবার ধরুন- ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ নাই যেই স্কুলে এখানে এটা দেখাবেই না। কিন্তু এখন কম্ববক্সটাতে দেশের যত পদ আছে সব আছে।

তিনি বলেন, আমরা এগুলোকে আরো ফিল্টারিং করব। ফিল্টারিং করলে ওই স্কুলে যে কয়টা আছে শুধু ওই কয়টাই যদি আমি দেখাই তাহলে ভুল করার সম্ভাবনা কম থাকবে।

এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান বলেন, এবারের দরখাস্ত ও ই-রিকুইজিশন করার প্রক্তিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে। দরখাস্ত করার ক্ষেত্রেও আমরা সব দিক-নির্দেশন দিয়ে দিব কিভাবে ফিলাপ করতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা ই-অ্যাপ্লিকেশন ও ই-রিকুইজিশন দুটাই পর্যালোচনা করে ফেলেছি, এবং ফাইনাল পর্যালোচনা ই-রিকুইজিশন এই মাসের আগামী সপ্তাহে হবে। সেখানে যেসব জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বুঝতে সমস্যা হতে পারে সেগুলোকে আরো পরিক্ষার করে দিব। ইতোমধ্যে আমাদের টিম করে ফেলছে, ফাইনালটা আমি দেখব।

এস এম আশফাক হুসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হাতেহাতে দেখিয়ে দেওয়ার পরেও যদি কেউ ভুল করেন তারপর আর কালেকশন করা হবে না। এবং প্রত্যেকেই যে যার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন তা সঠিকভাবে করতে হবে।

‘এখন আমি যদি হেড অব ইনস্টিটিউট হই, আমার দায়িত্ব সঠিক ই-রিকুইজিশন দেওয়া। যদি সঠিক ই-রিকুইজিশন না দিতে পারি তাহলে নিজের আয় থেকে বেতন দিব। ওনাকে এটা দিতে বাধ্য না করতে ওনি ঠিক হবে না। একইভাবে জেলা শিক্ষা অফিসার ক্ষেত্রেও। ওনি যদি ভুল করে শূন্য পদ নয় অথচ দেখিয়ে দিলেন শূন্য তারপর আমি লোক নিয়োগ দিলাম, এবার যদি এমপিও না হয় ওনাকে সেই সমস্যা একা সমাধান করতে হবে আমি আর দায়িত্ব নিব না।’


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিয়োগে যাদের ক্ষেত্রে ৩৫ বয়সসীমা প্রযোজ্য নয়

ডেস্ক,৯ ডিসেম্বর:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০১৮ সালে করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় উল্লিখিত শিক্ষক নিয়োগে ৩৫ বছর বয়সসংক্রান্ত বিধান বৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

অর্থাৎ বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে ২০১৮ সালে এমপিও নীতিমালা জারির আগে যারা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে সার্টিফিকেট পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে না।

প্রায় ৭ মাস আগে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ থেকে দেওয়া রায়ের অনুলিপি রোববার প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বয়সসীমা নীতিমালা হওয়ার আগেই এনটিআরসিএর সার্টিফিকেট প্রাপ্তদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা আরোপ ছাড়াই আবেদন গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের মধ্যে যারা সমন্বিত জাতীয় মেধা তালিকা অনুযায়ী যোগ্য তাদের আইন অনুযায়ী নিয়োগের।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৪ জুন সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের পৃথক এমপিও নীতিমালা জারি করে।

এগুলো ছিল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামা ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮, বেসরকারি কারিগরি কারিগর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮। সব নীতিমালাতেই এমপিও দেওয়া, শিক্ষক নিয়োগ, প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের মৌলিক শর্তগুলো প্রায় অভিন্ন। জারি করা এসব নীতিমালায় বলা হয়, ৩৫ বছরের বেশি বয়সী কেউ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন না। পাশাপাশি শিক্ষকদের অবসরের বয়স হবে ৬০ বছর। এরপর একই বছরের ১০ জুলাই হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রথম থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সম্মিলিত একটি জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এনটিআরসিএ। এর পর মেধাতালিকা থেকে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

কিন্তু নীতিমালায় শর্তের কারণে অনেকের বয়স ৩৫ বছর পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অনেকেই নিয়োগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন। এর পর বঞ্চিতরা হাইকোর্টে পৃথক তিনটি রিট করেন। এসব রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে পৃথক রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে এসব রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি করে গত ১৬ মে হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নিয়ে হাইকোর্টের রুল

ডেস্ক,৯ ডিসেম্বর:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) পদমর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে ১১ ও ১২তম গ্রেড দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

সোমবার ৭৭ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবদনের শুনানি করে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন শাম্মী আক্তার। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. জে আর খান (রবিন)।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জনপ্রশাসন সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, অর্থসচিব ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জে আর খান রবিন জানান, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকের পদমর্যদা তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে বেতন স্কেল যথাক্রমে ১১ নম্বর ও ১২ নম্বর গ্রেডে উন্নীত করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- সে মর্মে জনপ্রশাসন সচিবসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে কেন প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষদের দমম গ্রেডে উন্নীত করাসহ, দশম গ্রেড অনুয়ায়ী বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে না- সে মর্মেও রুল জারি করেন।

ওই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে টাঙ্গাইলের আতাবারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনসহ ৭৭ জন এ রিট দায়ের করেন।

শাম্মী আক্তার বলেন, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ অনুয়ায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির গ্রেড (১১-২০ পর্যন্ত) পদে নিয়োগ/পদোন্নতি/টাইম স্কেল/সিলেকশান গ্রেড প্রদানের জন্য প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়।

কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করলেও তাদের গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১১ ও ১২; যা অসাংবিধানিক।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ অনুয়ায়ী ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির গ্রেড (১১-২০ পর্যন্ত) পদে নিয়োগ/পদোন্নতি/টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করলেও তাদের গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১১ ও ১২ যা অসাংবিধানিক।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতিতে হচ্ছে নতুন নীতিমালা

ডেস্ক,২ ডিসেম্বর: এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতিতে হচ্ছে নতুন নীতিমালা। এছাড়াও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদ অচিরেই স্থায়ী করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদের শিক্ষাবার্তাকে এ তথ্য দেন।
তিনি আরও জানান, এবার ১২ মাস শিক্ষকগণ বদলি হতে পারবেন। এছাড়াও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতিতে হচ্ছে নতুন নীতিমালা। এবং চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদ অচিরেই স্থায়ী করা হচ্ছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভুয়া ডিগ্রি, চাকরি গেল ২১৪ স্কুল শিক্ষকের

ডেস্ক,২ ডিসেম্বর:

ভুয়া বিএড ডিগ্রি দেখানোয় ২১৪ জন স্কুল শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের বহিষ্কার করে। এর মধ্যে ভাতের উত্তর প্রদেশের এটাহ জেলায় ১১৬ জন ও মৈনপুরীতে ৭৪ জনসহ মোট ২১৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

বিশেষ তদন্তকারী দল এই শিক্ষকদের পেশ করা নথিতে গরমিল পাওয়ার পরই এ পদক্ষেপ নেই সে রাজ্যের সরকার।

ভুয়া ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের সনাক্ত করতে ২০১৭ সালে তদন্তের নির্দেশ দেন পুলিশের ডিজিপি। বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে উঠে আসে, আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি প্রতিষ্ঠান মোট ৪,৭০৪ জনকে ভুয়া ডিগ্রি বিলি করেছে। তার মধ্যে ১,৪২৪ জন ওই শংসাপত্র দেখিয়ে স্কুল শিক্ষকের চাকরিও পেয়ে যান। শিক্ষা বিভাগে এখনো বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন তারা।

উত্তর প্রদেশের শিক্ষা সচিব রুবি সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত ২১৪ জনকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ৬১৮ জনের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ায় আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। উত্তর প্রদেশের আরও ১১টি জেলায় তদন্ত চলছে। আরও শিক্ষকের চাকরি যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter