Author Archives: editor

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ইবি

ইবি প্রতিনিধি,২৬ জুন: সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬ তম অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।


এর আগে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা শুরু হয়। সভায় পূর্ব নির্ধারিত এজেন্ডা হিসেবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ একটি সভা করেন। সেখানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সকল উপাচার্যদের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আহ্বান জানান। আমরা রাষ্ট্রপতির আহ্বানে সাড়া দিয়ে সবার সিদ্ধান্তক্রমে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে সম্মত হই। এছাড়াও শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেন্ট্রাল, বিভাগীয় অথবা আঞ্চলিকভাবে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে উপাচার্যদের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির ফল প্রকাশ জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০, ২১ বা ২২ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে এই তিন দিনের যেকোনো এক দিন ফল প্রকাশের অনুমোদন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সম্ভাব্য এই তারিখগুলোর মধ্যে যেদিন প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেবেন, সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।


মঙ্গলবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সমন্বয় বদলির নির্দেশনা জারি

অনলাইন ডেস্ক,২৬ জুন:

প্রাথমিক সমন্বয় বদলির নির্দেশনা জারি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে ২০১৩ সনের পূর্বে জাতীকরণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০১৩ সনে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের পারস্পরিক/সমন্থয় বদলি সংক্রান্ত গাইডলাইনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের সমন্বয় বদলির জন্য নিম্নের গাইডলাইন অনুসরন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

১. সমন্বয় বদলি হবে উপজেলার অভ্যন্তরে এবং ০১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধো।

২. সমন্বয় বদলি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

৩. নতুন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ২ জন আত্মস্বীকৃত শিক্ষককে ইতোপূর্বে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমন্বয় বদলি করতে হবে। সাধারণ বদলি ৰা সমন্বয় বদলির কারণে পূর্বে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণের ৫০% এর বেশি নব জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকতে পারবে না।

8. সমন্বয় করার জনা নতুন জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পূর্বে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের নিকট হতে আবেদনপত্র চাওয়া যেতে পারে। আবেদন পাওয়া না পেলে কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে আবেদন ছাড়াই প্রয়োজনীয় সমন্বয় বদলি করতে পারবেন।

৫. সমন্বয়ের ক্ষেত্রে আগ্রহী বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং পরবর্তীতে বয়োজেষ্ঠ্য পুরুষ শিক্ষকদের বিবেচনা করতে হবে।

৬. সমন্বয়ের সময় পাশ্ববতী/নিকটস্থ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৭. আবেদন ছাড়া সমন্বয়ের ক্ষেত্রে পুরুষ শিক্ষকদের বিবেচনা করতে হবে। তবে ৫৫ বছরেরর বেশি বয়সী শিক্ষকদের ৰিবেচনা না করাই শ্রেয়।

৮. সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষণ অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সমন্বয় বদলির আদেশ জারি করবেন।

৯. সিটি কর্পোরেশনকে একটি ইউনিট হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। সিটি করপোরেশনের ভেতরে আন্ত:থানায় সময়ের প্রয়োজন হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্রিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসারের সাথে জালোচনা করে সমন্বয় বদলির আদেশ করবেন।

১০, সমন্বয় বদলি করার সময় সাধারণ বদলির শর্তসমূহ (সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা, ২০১৮ (সংশোধিত) প্রযোজা হবে না।

১১. সমন্বয়জনিত বদলির কারণে যোগদানের পর পুনরায় বদলির ক্ষেত্রে সাধারণ বদলির শর্তসমূহ প্রযোজা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্রগ্রামে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিয়ে রমরমা ব্যবসা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুন : সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক হাজিরা সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই বায়োমেট্রিক মেশিন কেনা এবং এর ব্যবহারের জন্য প্রতিটি স্কুলে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, স্কুলের স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটি মেশিন কিনবে।


মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চতুর্থ শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতের জন্য ডিভাইস ক্রয়ের বিধান রাখা হয়েছে। আর্থিক বিধান অনুসরণ পূর্বক স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতকরণসহ ওই খাতের অর্থে যথাযথভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।
এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চট্রগ্রামের উপজেলা শিক্ষা অফিস রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে। চট্রগ্রামের বেশির ভাগ প্রধান শিক্ষককে জোর করে ১০০০০-১২০০০ টাকা মূল্যের মেশিন ও সফওয়ার ৩৭০০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক নেতা শিক্ষা বার্তাকে জানান ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার সর্বমোট খরচের মেশিন কেন ৩৭ হাজার নিচ্ছে তা বোধগম্য নয়।
আরেক শিক্ষক নেতা বলেন আমরা উপজলো শিক্ষা অফিসের কাছে জিম্মি। আমাদের কিছু করার নেই। কার কাছে অভিযোগ দেব তাও জানিনা। তিনি দুদককে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শরীরচর্চার জন্য শিক্ষক নিয়োগ হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫জুন:

প্রাথমিক স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সংগীতের ওপর পারদর্শী করতে সাংস্কৃতিক ও শরীরচর্চা বিষয়ে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (ডিপিই) আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৯ ও আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৮ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন। জাকির হোসেন বলেন, ‘আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আজকের শিশুদের যোগ্য করে তুলতে হবে। এজন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন জরুরি।’


এর আগে বেসরকারি বালিকা বিদ্যালয় এবং মহিলা কলেজে শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে শুধু মহিলা শিক্ষকদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। নারী শিক্ষা প্রসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কন্যাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সে সময় জানানো হয়।

জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়ার ১৪টি ইভেন্টে, আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় সাংস্কৃতিক ছয়টি ইভেন্টে এবং আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ১০টি ইভেন্টে ছাত্র ও ছাত্রী দুটি গ্রুপে বিভাগীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১৫ জন এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৮ জনকে প্রতিমন্ত্রী পুরস্কার তুলে দেন। ডিপিইর মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদিরের সভাপত্বিতে আরও বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি মো. আকরাম-আল-হোসেন। ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমদ, মো. আবদুল মান্নান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘এমপিওভুক্তির জন্য চারটি ক্রাইটেরিয়া ধরে বিবেচনা করা হয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুন:
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যে চারটি ক্রাইটেরিয়া ধরে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল, সেটির ভিত্তিতে এমপিওর জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে। যোগ্য সব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কাউকে বঞ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য নয়। গতকাল সোমবার সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একজন শিক্ষকের পরিচয় তার প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স দিয়ে বিবেচিত হয়। আমরা অভিযোগ শুনি, পত্রপত্রিকায় আসে কোনো কোনো শিক্ষক টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের নোট পড়তে, গাইড বই পড়তে, কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করে। যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে আমরা তাদের পুরস্কৃত করতে চাই না। ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও দিলে যোগ্যতার কদর থাকে না।’


দীপু মনি বলেন, ‘যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হয়নি সেগুলোর দিকে আমরা সবাই মিলে নজর দিই, চেষ্টা করি যাতে আগামীতে এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষা খাতে ৬১ হাজার ১১৮ কোটি টাকার বাজেট বিএনপির শেষ বাজেটের দশ গুণ। বিএনপি যদি অবকাঠামোর উন্নয়ন করত, তাহলে অবকাঠামোর উন্নয়নের দিক থেকে আমরা এগিয়ে থাকতাম। বিএনপির একজন সংসদ সদস্য বলেছেন—দেশ মৃত্যুর উপত্যকা। তারা যখন আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, শেখ হাসিনা সরকার তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে, তাই তাদের এত আপত্তি।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনীতেও জিপিএ-৫ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪জুন:

এবার প্রাথমিক সমাপনীতে পিইসিতেও জিপিএ-৫ তুলে দেওয়ার চিন্তা চলছে। আসছে জিপিএ-৪। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তারা বলছেন, উচ্চ শিক্ষাস্তরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার সময়ও কমিয়ে আনা হবে।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পিইসিতে বর্তমানে যে গ্রেডবিন্যাস রয়েছে, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রেডবিন্যাসের সঙ্গে মিল রেখেই করা হয়েছে। আমরা শুনেছি, তাঁরা গ্রেডবিন্যাস নিয়ে কাজ করছেন। তাঁরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আমরা কমিটি গঠন করে আমাদের গ্রেডবিন্যাসও পরিবর্তন করব। কারণ, একই শিক্ষার্থী পিইসিতে এক ধরনের গ্রেড আবার জেএসসিতে আরেক ধরনের গ্রেড পেতে পারে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রেডবিন্যাসের সঙ্গে মিল রেখেই পিইসির গ্রেডবিন্যাস হবে।’

এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ নির্ধারণ এবং পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছি। বিভিন্ন স্টকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক ও পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা জমা দেব। পরে এসবের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়। তবে সব বিষয়েই ৮০-র ওপরে নম্বর পাওয়া ফলকে অভিভাবকরা গোল্ডেন জিপিএ ৫ বলে থাকেন। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফল নির্ধারণ পদ্ধতিতে গোল্ডেন জিপিএ নামে কোনো গ্রেড নেই।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় ‘এ প্লাস’। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘এ’; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘এ মাইনাস’; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস’; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড ‘বি’; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি মাইনাস’; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘সি’; ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ‘ডি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড ‘এফ’, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।

তথ্যমতে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি রয়েছে। সর্বোচ্চ গ্রেড সিজিপিএ ৪ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশ করা হয়। আর প্রাথমিক সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান, এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড-৫ ধরে ফল নির্ধারণ করা হয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও গ্রেড সিজিপিএ-৪ নির্ধারিত রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নুসরাতের কপালে সিঁদুর

বিনোদন ডেস্ক,২৪ জুন:
তুরস্কে ১৯ জুন আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে সেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। হলদি, মেহেন্দি, সঙ্গীত, ফেরা আর হোয়াইট ওয়েডিং- সব অনুষ্ঠানই একেবারে ঝমকালোভাবে করা হয়েছে। সঙ্গে সমুদ্রের ধারে বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি। বিয়ের অনুষ্ঠান আপাতত শেষ।


ছোটখাটো হানিমুন সেরে নিচ্ছেন নুসরাত। সেই ছবি পোস্ট করলেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হেলিকপ্টারের ককপিটে বসে আছেন নিখিল। এছাড়া সঙ্গে রয়েছেন নুসরাত। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। সদ্য বিয়ের পরই সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে নুসরাতের কপালে সিঁদুর। মেকআপহীন এই সেলফিতেও সমান মোহময়ী নুসরাত।

গত কয়েকদিনে নুসরাতের বিয়ের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। বিয়েতে লাল লেহেঙ্গা পরেছিলেন তিনি। `হোয়াইট ওয়েডিং`-য়ে তো তিনি যেন রূপকথার পরী। ১৮ জুন ছিল নুসরতের মেহেন্দি ও পুল পার্টি। পাঁচতারা হোটেলের বিশাল পুলে ছিল পার্টি। সন্ধ্যায় বসে নাচ-গানের আসর। অর্থাৎ সঙ্গীত। সন্ধে থেকে শুরু হয়ে সারা রাত চলে সঙ্গীত। পরের দিন হলদি অর্থাৎ গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। দু’জনেই হলুদ রঙের ভারতীয় পোশাক পরেন।

হলদির দিন সন্ধ্যায় হয় ‘ফেরা’ বা বিয়ে। ভারতীয় রীতি মেনে হওয়া ওই অনুষ্ঠানে ভারতীয় পোশাক পরেন নুসরাত। ‘ফেরা’র পর রাতে হয় রিসেপশন, সঙ্গে আফটার পার্টি। পরের দিন অর্থাৎ ২০ তারিখে হয় হোয়াইট ওয়েডিং। ঠিক যেভাবে খিস্ট্রান মতে বিয়ে হয়, তেমনটাই হয় নুসরাত-নিখিলের বিয়ে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জুন:
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ২০২১ সাল থেকে দেশের সব স্কুলে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষার একটা বিষয় বাধ্যতামূলক করা হবে। প্রতিটি স্কুলে কমপক্ষে দু’টি ট্রেড থাকবে। দু’টির যে কোনো একটি ট্রেডে পারদর্শী হবে।’


রোববার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, ‘যদি কোনো শিক্ষার্থী উচ্চতর শিক্ষা না নিতে পারে তাহলে সে যেন বেকার না থাকে এ জন্য কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের সবগুলোর সঙ্গই শিক্ষা জড়িত। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করছে। আমাদের সৃজনশীল পদ্ধতির মধ্যেও এক ধরনের কড়াকড়ি আছে, সরকার এ কড়াকড়ি দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা বাজেট আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করবে। আমাদের মনে রাখতে হবে-উন্নয়ন মানে পকেটভর্তি টাকা নয়; উন্নয়ন হলো জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং আইন মানার সংস্কৃতি তৈরি করা।’

পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলক অনেক এগিয়ে আছে। এসডিজি খুবই জটিল ও বহুমুখী। অনেক কিছু আমাদের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকও না। আমাদের মতো করে এগিয়ে যেতে হবে। এমডিজি অর্জনে সাফল্যের দিক দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম ১৬টি দেশের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে ১০টি পুরস্কার পেয়েছে।’

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারীর সভাপতিত্বে কর্মাশালায় আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনা আজমপুর স্কুলে মিড ডে মিল

দর্শনা অফিস ঃ দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার দর্শনা ব্যুরো প্রধান হারুন রাজুর একমাত্র ছেলে সামিউর রশিদ-তনতু ৮ম জন্মদিন ছিলো গতকাল ২৩ জুন।



জন্মদিন উপলক্ষে দর্শনা আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে শিক্ষার্থীদের খাবারের আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালে শিক্ষার্থীদের মিষ্টি মুখ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যকালে দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু বলেন, জন্মদিন পালনে শির্ক্ষাথীদের খাওয়ানোর আয়োজন খুবই প্রসংশার যোগ্য। সমাজের সকলে যদি সাধ্যমতো এ ধরণের আয়োজন করা হয় তাহলে বিদ্যালয়মুখি হবে শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দর্শনা পৌর প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমন, আ. জব্বার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস, সহকারি শিক্ষক হাজি আ. হামিদ, আতিকুর রহমান টিপু, সরদার পিয়ারি খানম, যুবলীগনেতা ফয়সাল, আসাদুল, ছাত্রলীগনেতা অপু সরকার, মোহাম্মদ প্রমুখ। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তনতুর জন্মদিনের কেক কাটা হয়।।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্যথায় ঠাণ্ডা না গরম সেঁক দেবেন?

ব্যথা হলে সেঁক দেয়ার প্রথা সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। সেঁক রোগীর ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যথার স্থানে সেঁক দিলে অনেক ভালো লাগে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথাও কমে যায়।


কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ব্যথা হলে কোন ধরনের সেঁক দিতে হয় বা কোন সেঁক দেয়া উচিত এবং কোনটা কোথায় কিভাবে কাজ করে। অনেকে আবার ব্যথা হলেই গরম সেঁক দিয়ে থাকেন।

কিন্তু গবেষকরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা পেলে যেমন হঠাৎ আঘাত পেয়ে ফুলে গেলে, লাল হয়ে গেলে, মচকে গেলে ইত্যাদি স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হবে। অনেক দিনের ব্যথা অর্থাৎ ক্রোনিক ব্যথার স্থানে গরম সেঁক দিতে হবে।

ঠাণ্ডা সেঁক কিভাবে দেবেন:
ব্যথার স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিনে ১০ – ১৫ মিনিট প্রয়োজন অনুযায়ী সকালে ১ বার ও রাতে ১ বার দেবেন। কখনও কখনও ৩-৪ বার ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হতে পারে। সেঁক দেয়ার আগে নারিকেল তেল ও রসুন একসঙ্গে গরম করে (কিছুক্ষণ গরম করার পর লালচে রঙ হলে তা ঠাণ্ডা করুন) ওই স্থানে হালকা লাগিয়ে ঠাণ্ডা ভেজা সুতি কাপড়ের ওপর দিয়ে বরফ লাগিয়ে সেঁক দেবেন। অসুস্থ জয়েন্ট এবং টেনডনে রক্তের প্রবাহ, নার্ভ অ্যাক্টিভিটি, ব্যথা এবং ফোলা কমায় ঠাণ্ডা সেঁক।

ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:
যাদের বোধ কম আছে তারা ঠাণ্ডা সেঁক বাড়িতে ব্যবহার করবেন না। কারণ, লেস সেনসরির কারণে নার্ভ বা টিস্যু ডেমেজ হয়ে গেলে বুঝতে পারবে না। যাদের ডায়াবেটিক আছে তাদের ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার না করাই ভালো। কেননা, ঠাণ্ডা সেঁক সেনসেশন কমিয়ে দেয়। মাসেল এবং জয়েন্ট স্টিফ থাকলে ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও যাদের পুওর সারকুলেশন তাদের ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়া উচিত নয় ।

গরম সেঁক কিভাবে দেবেন:
বেশি দিনের ব্যথা হলে গরম সেঁক দিতে হবে। প্রথমে গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে নিংড়িয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। এরপর ভেজা টাওয়েল শুকনা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন তাড়াতাড়ি গরম ভাপ বের না হয়ে যায়। এভাবে ১০-১৫ মিনিট সেঁক দিন। এছাড়াও হট ওয়াটার ব্যাগে গরম সেঁক নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, গরম পানিতে টাওয়াল ব্যবহার করে সেঁক দেয়া বেশি কার্যকরী।গরম সেঁক ব্যথাযুক্ত স্থানে সারকুলেশন বাড়িয়ে মাসেল এর ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়, ডেমেজ টিস্যু সুস্থ করতে সাহায্য করে ।

গরম সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:

গরম সেঁক ফোলা এবং ক্ষত স্থানে ব্যবহার করা যাবে না। যদি আপনার হার্টের সমস্যা বা হাইপারটেনশন থাকে তাহলে গরম সেঁক ব্যবহারের আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইনস্টাগ্রামে যেভাবে ‘টিকটক’ করবেন

আমজনতা থেকে তারকা সবাই ব্যস্ত টিকটকে ভিডিও বানাতে। সেই টিকটককে টেক্কা দিতে পথ খুঁজে বার করেছে ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম।



জনপ্রিয় এই সোশ্যাল অ্যাপ নিয়ে এসেছে ‘অনস্ক্রিন লিরিক্স ফিচার’। অর্থাৎ ইনস্টাগ্রামে যে স্টোরি আপলোড করবেন, তার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন পছন্দের গানের কথা ও মিউজিক।
যেভাবে ব্যবহার করবেন এই অ্যাপ –

১. আপডেট করে ফেলুন ইনস্টাগ্রাম অ্যাপটি।
২. ‘মিউজিক লেন্স’ সিলেক্ট করে, মনের মতো গান ও লিরিকের সঙ্গে শুট করুন। ঠিক যেমনটা টিকটকের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই একই পন্থায় শুটিং হয়ে গেলে, ‘মিউজিক স্টিকার’ ব্যবহার করুন।
৩. মিউজিক লেন্স টাইপে আপনি কোনও গান পছন্দ করলে সেই গানের লিরিক যদি ইনস্টা মিউজিকে উপস্থিত থাকে, তা হলে তা আপনা আপনিই ফোনের স্ক্রিনে চলে আসবে।
৪. আপনি নিজের পছন্দমতো গান অথবা গানের স্থায়ী-অন্তরা বেছে নিতে পারবেন।

এখানেই শেষ নয়, ব্যবহারকারী ছাড়াও যারা আপনার স্টোরি দেখবেন, তাদের জন্যও রয়েছে বেশ কিছু ফিচার।

স্টোরিতে যদি কোনও গান সম্পর্কে আরও জানতে চান, তাহলে স্ক্রিনে ক্লিক করলেই সেই গানের শিল্পী ও তাঁর আরও অ্যালবামের খোঁজ পেয়ে যাবেন সেই মুহূর্তে।

আপাতত বাংলাদেশে এই ফিচারের দেখা না মিললেও খুব শিগগিরই এর আগমন ঘটবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নেটওয়ার্কের গতি কমে গেলে থমকে যায় ইনস্টাগ্রাম। সেই সমস্যাও সমাধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। যার জন্য তারা নিয়ে এসেছে ‘ডেটা সেভার’ ফিচার। যা ‘লো নেটওয়ার্ক এরিয়া’তেও অ্যাপটিকে কাজ করতে সাহায্য করবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডেটা।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ জুন্:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী জুলাই মাস থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।



জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও প্রাথমিক স্তরে একজন শিক্ষককে সব বিষয় পড়াতে হচ্ছে। এ কারণে বিষয় অনুযায়ী দক্ষ শিক্ষক গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো মতে চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম।

বিষয়টিকে আমলে নিয়ে বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের শিক্ষক তৈরি করা হবে। বর্তমানে যেসব শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন, তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ একটি বিষয়ে পারদর্শী করা হবে। এরপর তারা সম্পূরক বিষয়ে ক্লাস নেবেন। তবে বিজ্ঞানের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ কারণে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় আলাদাভাবে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

সচিব বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে পড়ছে। একজন শিক্ষক সব বিষয়ের ক্লাস নেয়ায় শিক্ষার্থীরা কে, কোন বিষয়ে দুর্বল তা শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। এর ফলে দুর্বল শিক্ষার্থীরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষক তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ে একজন, বিজ্ঞান বিষয়ে একজন ও ইংরেজি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যাতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। আর এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ৫৫টি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অভিজ্ঞ করে তোলা হয়ে থাকে।

কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে একটি, প্রথম থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ২টি এবং ৩য় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট পাঁচটি বিষয় পড়ানো হয়। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের তিন ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বাংলা শিক্ষক বাংলা, সমাজ ও ধর্ম, ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক বিজ্ঞান বিষয় পড়াবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে ৫৫টি পিটিআইয়ের মাধ্যমে শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যিনি যে বিষয় পড়াতে আগ্রহী হবেন তাকে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে শিক্ষকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষক দেয়া হবে। যেসব জেলায় এখনও পিটিআই গড়ে তোলা হয়নি পার্শ্ববর্তী জেলায় (যেখানে পিটিআই রয়েছে) তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি অর্ধশত পিটিআই প্রশিক্ষককে (ইন্সট্রাকটর) ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ইংরেজি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। যারা ইংরেজি পড়াতে আগ্রহী তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ বিষয়ে পড়ানোর ওপর অভিজ্ঞ করে তুলবেন। এভাবে তিন ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি হলে বাংলা, ইংরেজি ও অংকে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কমে যাবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একজন শিক্ষক একই বিষয়ে পাঠদান করবেন। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল- শিক্ষক তা সহজেই শনাক্ত করে বাড়তি ক্লাসের মাধ্যমে তা কাটিয়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসজিডি)-৪ বাস্তবায়নে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক কার্যক্রমও রয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তা কার্যকর করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিপিএ ৫ আর থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ জুন:
আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকে জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) ৪ এর মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিজিপিএ পুনর্বিন্যাস করে একটি খসড়া উপস্থাপনের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।


আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বৈঠকে জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশে সবাই একমত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে কীভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব। যদি সম্ভব হয় আগামী জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করতে চাই।

বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারা সমস্যায় পড়েন। আর বিদেশে পড়ালেখা ও চাকরির ক্ষেত্রে পড়তে হয় আরও বড় সমস্যায়। কারণ প্রতিনিয়তই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেটের সমতা করে তারপর বিদেশে যেতে হয়। এতে অনেক বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।

বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় ‘এ প্লাস’। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘এ; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘এ মাইনাস; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড ‘বি; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি মাইনাস’; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘সি’; ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ‘ডি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড ‘এফ’, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নের সমাধান

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হয় এই পরীক্ষা। আগামী ৩১ মে, ১৪ জুন ও ২১ জুন বাকি ধাপের পরীক্ষা হবে।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter