Author Archives: editor

ব্যাংক ঋণ পেতে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে!

অনলাইন ডেস্ক

বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়েছিলেন এক নারী। কিন্তু ঋণ পেতে হলে ওই নারীকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান ব্যাংক ব্যবস্থাপক। এমন অভিযোগে ওই নারী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ওই কর্মকর্তাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারধরের ছবি ও ভিডিও।

ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল সোমবার ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দাওয়ানগর শহরে এই ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই নারী জানিয়েছেন, তিনি সেখানকার একটি ব্যাংকে ১৫ লাখ রুপি ঋণের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ঋণ পাইয়ে দিতে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাবের জন্য তিনি রাস্তায় ওই ব্যাংক ব্যবস্থাপককে জুতাপেটা করেন।

সাম্প্রতি যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে #মিটু আন্দোলনে তোলপাড় ভারতজুড়ে। অভিনেতা, খেলোয়াড়, লেখকসহ অনেকেই অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে। শুধু পুরুষরাই নয় #মিটু-তে বিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রেমিক অধ্যয়ন সুমন। কিন্তু সাধারণ মহিলাদেরও তো দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে যৌন হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমন পড়তে হয়েছে কর্নাটকে ওই নারীকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালোয়ার-কামিজ পরা মধ্যবয়সী এক নারী শার্ট-প্যান্ট পরা এক লোকের কলার ধরে টানছেন আর লাঠি দিয়ে মারছেন। এ সময় ওই নারী লোকটাকে পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার জন্য বলছেন। ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে মারার পাশাপাশি ওই নারী লোকটাকে পা দিয়ে আঘাত করছেন। একপর্যায়ে চটি দিয়েও পেটান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন এবং অনেকেই তাতে মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীদের বেশির ভাগই ওই নারীকে প্রকৃত নায়ক বলে অবহিত করেন। আবার কয়েকজনকে লিখতে দেখা যায়, ‘এটা হলো আসল #মি টু’।

এদিকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে অনশনে ঢাবি ছাত্র

ডেস্ক: ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তিপ্রক্রিয়া বাতিলসহ চারটি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আখতার হোসেন অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তার এই অনশন শুরু হয়।

আমরণ অনশনে বসার কারণ হিসেবে আখতার জানান, ভর্তি-ইচ্ছুক ১৩ জন ছাত্রকে তিনি পড়াতেন। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ছাত্রদের একজনের প্রশ্ন ছিল, ‘স্যার, আমরা এত পড়াশোনা করলাম, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় আমরা কি চান্স পাব? তাহলে কি আমরা দুর্নীতির কাছে হেরে গেলাম?’

ছাত্রের এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারাই ২০১৫-১৬ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪তম হওয়া আখতার হোসেন আমরণ অনশনে বসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সময় পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আগামী ২৮ অক্টোবর, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগগিতা ৩১ অক্টোবর, জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২ নভেম্বর ও বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

তবে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়ের কোন পরিবর্তন করা হয়নি। ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের  চিঠিতে সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি জানানো হয়।

আগের সূচি অনুয়ায়ী ১৭ অক্টোবর স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ অক্টোবর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ও ২৭ অক্টোবর বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত দিন ১৭ অক্টোবর দুর্গা পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও বিজয়া দশমীর পরদিন ২০ অক্টোবর ছুটির মধ্যে অনুষ্ঠানের কথা ছিলো।

এদিকে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সিদ্ধান্তকে  সাধুবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা।

এর আগে সোমবার (১৫ অক্টোবর) পূজার ছুটির পরে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা। দৈনিকশিক্ষা ডটকমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব সুব্রত রায় বলেন, পূজার ছুটি সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রতিযোগিতাটির সময় নির্ধরিত হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হবে।

কারণ বিদ্যালয় পর্যায়ে নির্ধারিত ১৭ অক্টোবর বড় পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা। ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও ছুটির মধ্যে বিজয়া দশমীর পরদিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাও পূজার ছুটি সানন্দে উপভোগ করতে পারবেন না। ফলে এ নিয়ে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই নয় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে চাপা অসন্তুষ্টি বিরাজ করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুর

রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের একটি পূজা মণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ইউনিয়নের বিশয় সাওরাইল গ্রামে সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে।
পূজা কমিটির সভাপতি তুষার কুমার দাস বলেন, ‘রোববার রাত ১টা পর্যন্ত আমরা মণ্ডপে পাহারায় ছিলাম।এরপর সবাই বাড়ি ফিরে যাই। সোমবার সকালে মণ্ডপে এসে দেখি দুর্গাসহ অনান্য মূর্তির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এমন করেছে তা বুঝতে পারছি না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আবু ফরহাদ বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও দোষিদের গ্রেফতারে পুলিশি কার্যক্রম চলছে।’
পাংশা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘দুর্গা পূজার প্রথম দিনে এমন ঘটনাটি দুঃখজনক। দ্রুত দোষিদের গ্রেফতারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁস: ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ অক্টোবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশ স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপাচার্য দপ্তরের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসারের পাঠানো ভুল তথ্যের জন্য ‘মঙ্গলবার ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে’ মর্মে সোমবার প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। কিন্তু উপাচার্যের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। ফল প্রকাশের বিষয়ে যথাসময়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

এদিকে ‘ঘ’ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফাঁস হয়েছে বলে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করা এক এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত সেটি বিক্রি হয়েছে বলেও তথ্য মিলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এস এম কামরুল হাসান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২২(২), ৩৩(২) ধারা সহ পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১৩/৪ ধারায় এ মামলা করেন।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, জাহিদুল ইসলাম (৪৫), ইনসান আলী ওরফে রকি (১৯), মো. মোস্তাকিম হোসেন (২০), মো: সাদমান সালিদ (২১), মো. তানভীর আহমেদ (২১), মো. আবু তালেব (১৯)। সবাই বগুড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা রিমান্ডে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মধ্যেরাত থেকে পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত বগুড়ার রাহেমা কোচিং সেন্টারের সাব্বির ও গুগল এডমিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের লিমন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে এবং পরে তিন লাখ টাকায় তা বিক্রি করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় শিক্ষার্থী-সহ অর্ধশত গৃহিনীকে হাত ধোয়ার প্রশিক্ষণ ।।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।কলাপাড়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষার্থী-সহ অর্ধশতাধিক গৃহিনীকে হাত ধোয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে দিবসটি উদযাপন করেন বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থ্যা এফ এইচ এ্যাসোসিয়েশন। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে আমীরাবাদ গ্রামের সকল শিশু-কিশোর এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে “হাত ধোব নিয়মিত থাকবো সবাই স্বাস্থ্য সম্মত” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র্যালী শেষে আলোচনা সভায় এফএইচ এনজিও’র রিজোওনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার গৌতম চন্দ্র দাশ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শ্রী জগদিস চন্দ্র হালদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্যা মমতা রানী, আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ সুজা উদ্দিন প্রমূখ। এসময় ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এবং বিভিন্ন পেশার নারী পুরুষ উপস্তিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে শিশুদের অংশগ্রহনে হাত ধোয়ার তাৎপর্য বিষয়ে উপস্থিত বক্তৃতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়। পরে সেখানে উপস্থিত অর্ধশত গৃহিনীকে স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতিতে হাত ধোয়ার কৌশল হাতেকলমে শিখিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচটি স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতিতে হাত ধোয়া এবং সাংসারিক কাজে স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অবলম্বনের জন্য শপথ পড়ানো হয়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওসির সহযোগিতায় শিক্ষক ফিরে পেলো হারিয়ে যাওয়া সম্পদ

মো. মহিউদ্দিন আল আজাদ: হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন রনির আন্তরিক প্রচেষ্টায় ২০ দিন পর শিক্ষক ফিরে পেয়েছে সিএনজিতে ফেলে যাওয়া ৬ ভরি স্বর্ণ, ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা ও একটি অপ্পো এফ-৯ মোবাইল সেট। শনিবার সন্ধ্যায় স্বর্ণ, টাকা ও মোবাইল সেট শাহাদাত হোসেনকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগির হোসেন রনিসহ থানার সকল কর্মকর্তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন সুধীজন।

থানা সূত্রে জানাযায়, জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষক কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের খীলপাড়া পাটওয়ারী বাড়ীর মৃত মুসলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন তার স্ত্রীসহ ঢাকা থেকে লঞ্চ যোগে চাঁদপুর এসে চাঁদপুর থেকে সিএনজিতে হাজীগঞ্জ আসার পথে বলাখাল বাজারে নেমে যায়। এ সময় ভুলক্রমে সিএনজিতে শিক্ষকের স্ত্রীর ভ্যানেটি ব্যাগটি রয়ে যায়। ব্যাগে নগদ ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণ ও ১টি অপ্পো এফ-৯ মোবাইল সেট ছিল।

পরবর্তীতে তারা বাড়ীতে গিয়ে বুঝতে পারে সিএনজিতে তাদের ভ্যানিটি ব্যাগটি রয়েগেছে। কিন্তু সে সময়ে সিএনজি চালককে আর কোথায় পাওয়া যায়। এদিকে শাহাদাত হোসেন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সিএনজি চালককে না পেয়ে হাজীগঞ্জ থানায় ওই দিন সন্ধ্যায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুদকের কাঠগড়ায় এনসিটিবির কর্তারা, ১৯ লাখ বই মূদ্রণে জালিয়াতি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ বই ছাপানোর দরপত্রের প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনেকদিন ধরেই তদন্ত করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বই মূদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানির এমন অভিযোগে দুদকের কাঠগড়ায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুসন্ধানে দরপত্রে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের বেশকিছু আলামত পেলেও এখনো দুদকের কাছে অনিয়মের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল নেই। ফলে অনুসন্ধান কাজ চলছে ঢিমেতালে।

এরই মধ্যে অভিযোগ অনুসন্ধানে এনসিটিবি ও তারা টিপিএসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম। টিপিএস দাবি করছে, এনসিটিবির সংশ্লিষ্টদের কারণে দরপত্র বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে এনসিটিবি বলছে, চাহিদাকৃত নমুণা কাগজ সংযুক্ত না করার জন্য এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে শিগগিরই দুদক এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে নিতে সক্ষম হবে বলে দুদকের উর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার অর্থায়নে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ের ১০ কোটি ৮৮ লাখ ৪৪ হাজার ৬৩১টি বই ছাপানোর জন্য মোট ২০টি প্যাকেজে ৯৮টি লটে দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে দরপত্রের মধ্যে ১৭টি লটের দরপত্র প্রক্রিয়ায়।

দুদকের অনুসন্ধান পর্যায়ের তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড মোট ২৬টি লটে দরপত্র জমা দেয়। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ মে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এনসিটিবির প্রধান কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অডিটোরিয়ামে সব উপস্থিত দরদাতা ও তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের সামনে দরপত্র উন্মোচন  করে দেখা যায় তারা টিপিএস মোট ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে মনোনীত হয়েছে। লটনম্বর গুলো হলো- ৭০৪, ৭১০, ৭১৩, ৭১৪, ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৮৩,  ৭৮৪, ৭৮৫, ৭৮৬, ৭৮৭, ৭৮৮, ৭৯৩, ৭৯৪ এবং ৭৯৮। ওই বছরের ১ জুন সাত সদস্য বিশিষ্ট দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করেন এবং ৪ জুনের মধ্যে প্রাথমিক মূল্যায়ন কাজ সম্পন্ন করে।

কিন্তু মূল্যায়ন প্রতিবেদনের কপি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড ১৭টি লটে প্রাথমিকভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হলেও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রাথমিক মূল্যায়নের সময় তাদের দরপত্র নেয়া হয়নি। কারণ হিসেবে দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি দরপত্রের সাথে প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের স্যাম্পল জমা দেয়নি। শুধু প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের একটি শিট দরপত্রের সাথে জমা দিয়ে, যাতে লট নম্বর উল্লেখ ছিল না। অথচ বিড ডকুমেন্টের সেকশন-৩ ‘এক্সপেরিয়েন্স ও টেকনিক্যাল ক্যাপাপাসিটি’ অংশে বলা আছে, প্রত্যেক বিডারকে প্রতিটি বিডের জন্য প্রচ্ছদের নমুনা কপি ও প্রিন্টিং পেপারের নমুনা কপির পৃথক তিন সেট দাখিল করতে হবে, যা বিড ইভালুয়েশন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ না হয় তাহলে বিড বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযোগে তারা টিপিএস বারবার দাবি করেছে তারা প্রয়োজনীয় সকল নমুনা কাগজ সংযুক্ত করেছেন। এনসিটিবির সংশ্লিষ্টরা ওই কাগজ সরিয়ে তাদের দরপত্র বাতিল করেছেন। বর্তমানে দুদক এ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে সংস্থাটির উর্ধ্বতন সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে  টিপিএস কোম্পানির বাংলাদেশের প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ সই করা অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা টিপিএস কোম্পানি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের জন্য ৯৮টি লটের মধ্যে ২৬টি লটের ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে। উক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে বিধি ও দরপত্রের শর্তাবলি অনুযায়ী ২৬টি লটের প্রয়োজনীয় পে অর্ডার, ব্যাংক গ্যারান্টি, বাৎসরিক টার্ন ওভার, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কভারেজ ও প্রিন্টিং কপির নমুনা ও অভিজ্ঞতা সনদপত্রসহ এনসিটিবির টেন্ডার বাক্সে দাখিল করে। এরপর ২৬টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা মনোনীত হয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু একটি চক্র তারা টিপিএস কোম্পানিকে টেন্ডারে অযোগ্য প্রমাণ করা জন্য কোম্পানির মূদ্রিতব্য কাগজের নমুনা ও স্যাম্পল কপি দরপত্রে সাথে জমা দেয়নি। অথচ তারা টিপিএস আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে তাদের দাখিলকৃত টেবিল অব কনটেন্টস-এ নমুনা জমা দেওয়ার বিষয় লিপিবদ্ধ করে, যা পরবর্তীকালে যাচাইকালেও সংযুক্তির বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই মধ্যে এ বিষয়টি প্রকিউরমেন্ট এনসিটিবির সচিব ও ন্যাশনাল কারিকুলাম অব টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়া সত্বেও কেন তারা টিপিএসকে কেন কার্যাদেশ দেওয়া হলো না সে বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দুদকের সাহায্য প্রয়োজন। অভিযোগটি ২০১৬ খ্রিসটাব্দের ৪ আগস্ট দুদকের দাখিল করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্য্ন্ত কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র সাহা বলেন, এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। দরপত্রের শিডিউল ও পিপিআর অনুযায়ী যে সকল ঠিকাদাররা বিট করেছে, তারাই কাজ পেয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ডিসেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে নেয়া শুরু হবে। জানুয়ারির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ এবং ফেব্রুয়ারি মধ্যে ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একসঙ্গে সবজেলায় পরীক্ষা না হয়ে ৩/৪টি করে জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন ও পরীক্ষার হল সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার শিক্ষাবার্তাকে  বলেন, মামলার কারণে দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতের শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায়নি। অনেক পদ শূন্য। এ মাসের মধ্যেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু ওএমআর ফরমসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি কেনাকাটায় সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের গতি একটু কমে যাচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে সারা দেশে পরীক্ষা নেয়া যাচ্ছে না। নভেম্বর মাসজুড়ে দুটি বড় পরীক্ষা আছে। তাই পরীক্ষা হল পাওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে পরীক্ষা ডিসেম্বরে চলে যাচ্ছে। হল পাওয়া সাপেক্ষে ৩/৪টি করে জেলার পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১-৩০ আগস্ট অনলাইনে আবেদন নেয়া হয়। মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে সর্বশেষ নিয়োগে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিল। সে হিসাবে এবার প্রার্থী দ্বিগুণ।

কর্মকর্তারা আরও জানান, সর্বশেষ নিয়োগে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হয়। এবার দ্বিগুণ প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এত কেন্দ্র পাওয়া কঠিন। এ কারণে উপজেলা সদরের কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের দেয়া হয়েছে। এখন জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র ঠিক করে দিলে দুই তা ততোধিক জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ২০ সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরিসহ পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দিত ডিপিই। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কড়াকড়ি আনা এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে এবার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণয়ন করা হবে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন  শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পরীক্ষার ব্যাপারে বুয়েটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওএমআর ফরম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

আকরাম আল-হোসেন আরও বলেন, এবার তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আগের মতোই দুই স্তরের পরীক্ষায় নিয়োগ করা হবে। সে অনুযায়ী ৮০ নম্বরে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষার পর ২০ নম্বরে ভাইভা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোমবার ঢাবি চ-ইউনিটের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ বিএফএ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার দুপুর ১:০০টায় প্রকাশ করা হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে (কক্ষ নং-২১৪) আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার সুযোগ দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে এক হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিয়ে নিজ ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আজ রোববার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসাশিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ এ তথ্য জানান।
পুনঃনিরীক্ষার ফলাফল যথাসময়ে জানানো হবে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩ হাজার ২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাকা দিয়ে কেনা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত।প্রধান শিক্ষককে তলব

টাকা দিয়ে কেনা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত হওয়ায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরীয়ানকে তলব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার (৭ অক্টোবর) অধিদপ্তর থেকে তাদের কাছে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পান এবং পরে টাকার বিনিময়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ সংগ্রহ করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ এসেছে।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পান। পরে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ সংগ্রহ করে ম্যানেজিং কমিটিকে টাকা দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম।

প্রধান শিক্ষককে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলমের সকল সনদ, নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র সিএসকপিসহ স্বশরীরে উপস্থিত থেকে মাধ্যমিক শাখার পরিচালকের কক্ষে প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের যারা বিত্তশালী, সম্পদশালী তাঁরা তো একটু হাঁচি-কাশি হলেও বিদেশে চলে যেতে পারে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু সাধারণ মানুষ তো আর সেই সুযোগ পায় না। বড়লোক বিত্তবানরা যাক, তাতে আমাদের সিট খালি থাকবে। সাধারণ মানুষ চান্স পাবে। আমার আপত্তি নাই।’

রবিবার বিকেলে গণভবনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন- বিএমএর আয়োজনে চিকিৎসক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন ডাক্তার রোগীর সাথে কথা বলেও কিন্তু রোগীর অর্ধেক রোগ ভালো করে দিতে পারেন। ডাক্তারদের কাছ থেকে মানুষ সেই সেবাটাই চায়। আমি আশা করি সেই সেবাটাই দেবেন। আমার দেশের সাধারণ মানুষ যারা মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত যাদের বিদেশে যাওয়ার মতো সঙ্গতি নাই- তাদের চিকিৎসা সেবাটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

আবারও ক্ষমতায় আসতে পারলে প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় মেয়েরা এগিয়ে

অনলাইন রিপোর্টার ॥ সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। গত শুক্রবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষার ফল রবিবার প্রকাশিত হয়। ফলাফলে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট ৬৩ সহস্রাধিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য জাতীয় মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন চার হাজার ৬৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ জানান, সরকারি মেডিকেল কলেজে সুযোগপ্রাপ্ত চার হাজার ৬৮ জনের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা এক হাজার ৬৫৪ জন ও মেয়েদের সংখ্যা দুই হাজার ৪১৪ জন। শতকরা হিসাবে ছেলে ৪০ ভাগ ও মেয়ে ৬০ ভাগ।

সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মধ্যে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজকেই সেরা কলেজ বলে সবার কাছে পরিচিত। আজ প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এ কলেজে সুযোগপ্রাপ্ত শীর্ষ ১২ জন শিক্ষার্থীর ৬ জনই মেয়ে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারা দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ২৭টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৬৫ হাজার ৯১৯ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২৬ জন।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইংরেজিতে যা পড়লে প্রাথমিক শ‌িক্ষক হত‌ে পারব‌েন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় মোট নম্বর ৮০। এরমধ্যে ইংরেজি বিষয় থেকে করা হয় ২০ নম্বরের প্রশ্ন। আপনি যদি ইংরেজি বিষয়ে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেন তাহলে ভালো ফলাফল নিশ্চিত।
আজ  পাঠকদের জন্য থাকছে ইংরেজি বিষয়ের উপর ২০ নম্বরের সাজেশন।
Right forms of verb, Parts of speech, Tense, Preposition, Article, Narration, Voice change, noun and pronoun, degree, Number,verb এই ১১ অধ্যায় থেকে কম করে হলেও ১২টার বেশি প্রশ্ন পাবেন।
Idioms and Phrases,Antonym, Synonym, Spelling = ৩টা-৪টা
Translation= এখানে আপনি ১-২টা প্রশ্ন পাবেন।
ইংরেজি সাহিত্য থেকে- ১-২টা প্রশ্ন আসতে পারে ।
সবচেয়ে বেশি আপনাকে দেখতে হবে গ্রামার অংশ। ২০১৪ সালের পরীক্ষাতে আমরা দেখেছি বেশিরভাগ পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্য থেকে প্রশ্ন তেমন আসেনি, ১টা-২টা প্রশ্ন এসেছে শুধু। সকল প্রশ্ন গ্রামার অংশ থেকে এসেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail