Home » Author Archives: editor (page 3)

Author Archives: editor

শিক্ষা ক্যাডারের ৫৭ কর্মকর্তাকে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ৫৭ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জন অধ্যপক, ২৭ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ১৭ জন সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাদের বদলি করে পৃথক আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের তালিকা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

এখান ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল হচ্ছে

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না, তাদের জটিলতা কাটতে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল- তা শিথিল করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনটিআরসিএ এর শিক্ষাতন্ত্র ও শিক্ষামানের সদস্য (যুগ্ম সচিব) ড. কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, এনটিআরসিএ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃতদের সুপারিশপত্রে বলা ছিল, নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃত প্রার্থীরা কখনো এমপিও সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। তবে এ শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও প্রাপ্তিতে কোনো শর্ত লাগবে না।

জানা গেছে, সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। কারণ, তাদের সুপারিশ পত্রে শর্ত ছিল নন-এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা এমপিও দাবি করতে পারবেন না। যে কারণে শিক্ষকদের এমপিও আবেদন মাঠ পর্যায় থেকে গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এ জটিলতার সমাধান দিয়েছে এনটিআরসিএ।

গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত বলে ঘোষণা করেন। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পদ নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রচলিত এমপিও নীতিমালার আলোকে তাদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তর এ শর্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কেবল মাত্র নন-এমপিও চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে এবং এমপিও নীতিমালার আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত হবে) এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য মর্মে বিবেচিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালায় সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নীতিমালায় সংশোধন আনা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় পরিচালনায় বার্ষিক উন্নয়ন বাবদ অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি ও ব্যয়ে নতুন নিদের্শনা আসছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উন্নয়নের পাশাপাশি মেডিকেল সরঞ্জাম ক্রয়ের নির্দেশনা যুক্ত করা হবে। নীতিমালা সংশোধনে বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে।

করোনা মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পরিচালনায় ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যবিধি প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্যবিধিতে এসমএসির জন্য নানা ধরনের কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে থার্মোমিটার ক্রয়, পানির ব্যবস্থা, ছেলেমেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার স্থাপন বা সম্প্রসারণ করা, মেয়েদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, খোলার আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেটসমূহ স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত করা। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জীবাণুনাশক, সাবানসহ অন্যান্য পরিচ্ছন্নতা উপকরণ সংগ্রহ ক্রয় করতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালীন প্রতি শিফটে অন্তত একবার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চত্বরের আবর্জনা পরিষ্কার এবং আবর্জনা সংরক্ষণকারী পাত্র জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পরে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতন করে তোলা, কেউ অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি থেকে বিরত রাখা, অসুস্থ সন্তানকে বিদ্যালয়ে না পাঠানাের জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ করা, অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতির কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন শ্রেণি মূল্যায়নে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্রতিনিয়ত সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কারসহ অন্যসব স্বাস্থ্যবিধি আবশ্যিকভাবে মানতে বলা হয়েছে। হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখ ও নাক ঢাকতে টিস্যু বা কনুই ব্যবহার করতে হবে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের মাঝে লিফলেট, পোস্টার ও সামাজিক যোগাযােগ মাধ্যম ব্যবহার করে সচেতন করতে বলা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রম পদ্ধতি বদলে যাবে। সকল সরকারি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে থার্মোমিটার, মাস্ক, সাবান, জীবাণুনাশক উপাদান ক্রয়সহ পোস্টার, লিফলেট তৈরি করতে হবে। বিষয়গুলোত এসএমসি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতে করোনায় আক্রান্ত ৫০ লাখ ছাড়াল

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
ভারতে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়েছে। আর দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮২ হাজারের বেশি মানুষের।

করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ১২৩ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ২০ হাজার ৩৬০ জন। খবর এনডিটিভির

২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৯০ জনের। এখন পর্যন্ত একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৬৬ জনে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে করোনা থেকে সুস্থতার হারও বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৯ লাখ ৪২ হাজার ৩৬০ জন।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে বিশ্বে সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ইতোমধ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৫ হাজার ৭৩৩ জন।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১১৯ জনের।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৩ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৬ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মিড ডে মিল প্রশিক্ষণে কতজন বিদেশ যাবেন, জানা নেই প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম আরও উন্নত করতে কিছু কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানো হবে। তবে কতজনকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য জানা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার হিসেবে স্বাস্থ্যসম্মত খিচুড়ি খাওয়ানো হবে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলা পাইলটিং হিসেবে প্রায় এক হাজার বিদ্যালয়ে তিনদিন দুপুরে রান্না করা খিচুড়ি শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হচ্ছে। এটি সারাদেশে চালু করতে ১৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”

প্রস্তাবনায় বিদেশ সফরে ৫০০ কর্মকর্তাকে খিচুড়ি রান্না ও পরিবেশন শিখতে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প পরিকল্পনায় কতজন কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তবে যেসব দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু রয়েছে সেখানে কিছু কর্মকর্তাকে দেখে আসার জন্য পাঠানো হবে। আমরা শুধু প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেটি বিচার-বিবেচনা করে অনুমোদনের দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও একনেক সভার সদস্যদের হাতে। তারা যেটি পাস করবেন, সেটি বাস্তবায়ন হবে।’

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) প্রাথমিকভাবে ৫০ কর্মকর্তার বিদেশ যাত্রার জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে। এছাড়া দেশেই প্রশিক্ষণের জন্য আরও ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় এক কোটি ৪৮ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বিস্কুট ও রান্না করা খিচুড়ি দেয়া হবে। ৫০৯টি উপজেলার শিক্ষার্থীরা এ খাবার পাবে।

তবে পরিকল্পনা কমিশন এই প্রকল্পের নানাবিধ ব্যয় কমাতে বলেছে। বিদেশ সফরের জন্য দুটি দলে অল্প সংখ্যক কর্মকর্তাকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে যৌক্তিকতা কী জানতে চেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের খাবার বিতরণ নতুন নয়। ডিপিই দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের ৫০০ কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়াসহ বেশকিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ চিহ্নিত করেছে। সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে সামাজিক সংহতির জন্য সাড়ে সাত কোটি এবং পরামর্শকের জন্য ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া আট লাখ টাকা দিয়ে একটি এসি ও দুই কোটি টাকা দিয়ে ফার্নিচার ক্রয়ের বিষয়েও আপত্তি তুলেছে। মিটিং, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে ডিপিই।

ওই প্রকল্পের আওতায় ১৭ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা খাবার ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া খাবার সরবরাহের জন্য ১৭ কোটি এবং প্লেট কেনার জন্য ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যয় মূল্যায়ন ছাড়াই কমানো সম্ভব বলে মনে করছে পরিকল্পনা কমিশন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের দফতরিরা রাজস্ব খাতে যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। এজন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে এ প্রস্তাব দিয়ে চিঠি দিয়ে গেছেন সদ্য সাবেক মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শেষ কর্ম দিবসে এ চিঠি দেন তিনি।

জানা গেছে, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া দফতরি কাম প্রহরীরা আন্দোলন করলে রাজস্ব খাতে পদ সৃষ্টির জন্য প্রস্তাবটি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারি ভবন, মেশিনারিজ, ল্যাপটপ, স্থাপনা, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ৬৮৪টি ছাড়া অবশিষ্ট ৩৬ হাজার ৯৮৮টি বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী পদ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়।

ইতোমধ্যে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ ও বিদ্যালয়হীন এলাকায় এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয় স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পে নির্মিত বিদ্যালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করায় এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫ হাজার ৫৫৩টিতে উন্নীত হয়েছে।

এসব বিদ্যালয়ে ‘দফতরি কাম প্রহরী’ পদগুলোকে রাজস্ব খাতে মোট ৬৪ হাজার ৮৪৩টি পদ সৃষ্টির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী গত ২২ আগস্ট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে সদ্য বিদায় নেয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য চিঠি দিয়েছি।’

এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এ পদটি ‘সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০১৮’ এর তফশিলভুক্ত হওয়ায় রাজস্ব খাতে সৃষ্টির সুযোগ নেই বলে দেয়। পরে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ১৯ মার্চ পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তা জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, দফতরি কাম প্রহরী পদে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত আউটসোর্সিং নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বরের অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়।

এ অবস্থায় অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী দফতরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এজন্য রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ৬৪ হাজার ৮৬৯টি দফতরি কাম প্রহরী পদ রাজস্ব খাতে সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন মো. ফসিউল্লাহ !

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ মেপ্টেম্বর:
নিয়মিত চাকরির শেষ কর্মদিবস আজ। সে কারণে আজই নিয়মিত মহাপরিচালকের পদ থেকে বিদায় নেবেন অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। তবে তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন এমন খবরও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ একজন কর্মকর্তা তার পক্ষে কাজ করছেন।

এছাড়া শিক্ষকদের সাথে নম্র আচরণের কারণে তিনি প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এ অবস্থায় তাকে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেখা যাক কি হয়।

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকের অনেক কাজই শুরু করেছিলাম। তবে শেষ করতে পারিনি। করোনার কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারছি না।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্কুলে বঙ্গবন্ধু কর্নারের জন্য বই ক্রয়ের জন্য বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন কিছুটা সমালোচিত হয়েছে। যদিও সকলের মত, এর জন্য অধিদপ্তর তেমন দায়ি নন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কাজ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা যায়, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। ডিপিইর অধীনে জেলা-উপজেলা পর্যায়েও রয়েছে অফিস ও কর্মকর্তা। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নানা ধরনের সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায়ও নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে হয়। কিন্তু বেশির ভাগ মহাপরিচালক স্বল্প সময়ের জন্য আসায় তিনি যেসব উদ্যোগ নেন, তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেন না। আবার নতুন ডিজি এলে আগের ডিজির অনেক কাজই বন্ধ হয়ে যায়। এতে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন।

সূত্র জানায়, ডিপিইর ডিজি হিসেবে গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান এ এফ এম মনজুর কাদির। এরপর জানুয়ারিতে ডিজি হিসেবে যোগদান করেন মো. ফসিউল্লাহ।

মো. ফসিউল্লাহ যদি মহাপরিচালক না হন, তাহলে কে হবেন এমন হিসাবও কষছেন কেউ কেউ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডিপিইর ডিজি হিসেবে পাঁচ-ছয়জন অতিরিক্ত সচিবের নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমান ডিজি মো. ফসিউল্লাহর মেয়াদ বাড়তে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। তবে তিনি ইতিমধ্যে গ্রেড-১ পেয়েছেন। ডিজি পদের জন্য আলোচনায় আছেন প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্পের (ফেজ-৩) পরিচালক মো. ইউসুফ আলী। তিনি ২০২৩ সালে অবসরে যাবেন বলে দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে। কিন্তু তাঁর চাকরি খুব বেশি দিন নেই। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পণ্ডিতের নামও রয়েছে আলোচনায়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে হবেন তা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাঁকেই মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তবে অতীতে দেখা গেছে, যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা সহজেই কাজগুলো বুঝতে পারেন।’

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ একটি জাতীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন ‘অধিদপ্তরে যাঁরা ডিজি হিসেবে আসছেন, তাঁরা যখন কিছু বুঝে উঠছেন, তখনই তাঁদের চাকরি শেষ হয়ে যাচ্ছে বা বদলি হয়ে যাচ্ছেন। যিনি ডিজি হচ্ছেন তিনি শুরুতে আমাদের সমস্যার ব্যাপারে নানা প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু বাস্তবায়ন শুরুর আগেই তাঁর চাকরি শেষ হয়ে যায়। যেমন—প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির পরও ২০১৪ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার বিষয়টি ঝুলে আছে। তাই আমরা প্রাথমিক শিক্ষা ক্যাডার চাই, যাতে এখান থেকেই ডিজি নিয়োগ দেওয়া যায়। আর যত দিন এটা হচ্ছে না তত দিন দীর্ঘসময় কাজ করতে পারেন—এমন কাউকে যেন ডিজি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি নিয়ে অভিভাবকদের ৬ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ সেপ্টেম্বর:

করোনার কারণে কয়েকদফা বাড়ানোর পর আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি রয়েছে। এই ছুটি আরও বাড়ানোরও সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে তা নিশ্চিত নয়। এতে চুশ্চিন্তায় দিন কাটছে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর। এ অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ছয়টি প্রস্তাব দিয়েছেন অভিভাবকরা। এছাড়া বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবীর দুলু সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষ করেই যেন সরকার পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করে। নইলে শেখা ও জ্ঞান অর্জনের ঘাটতি পরবর্তী জীবনে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিতে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। রাজধানীর নজরুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক গত ৮ সেপ্টেম্বর ৬ দফা প্রস্তাব সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে দেন।

তিনি ৫০ করে ১০০ নম্বরে বাংলা দুই পত্র, একইভাবে ইংরেজির দুই পত্র পরীক্ষা গ্রহণের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানের বিষয়ে তত্ত্বীয় ৭৫ নম্বরের পরীক্ষা ও ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া আইসিটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করে বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ ও মানবিকের একটি করে বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়ার পর বাকিগুলো ঐচ্ছিক ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, বিশেষ ব্যবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও চিন্তাভাবনা করছে। সেজন্য সিটপ্ল্যানও সংগ্রহ করেছে বোর্ডগুলো। সে মোতাবেক, তিন ফুট দূরত্ব রেখে ‘জেড’ সিস্টেমে বসানো হবে শিক্ষার্থীদের। নভেম্বরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো হয়েছে।

অবশ্য করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অতীতের জেএসসি-এসএসসির ফলের ভিত্তিতে গ্রেড দেয়া কিংবা স্বল্পপরিসরে পরীক্ষা নেয়া। এ দুটি না হলে আগামী মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যৌক্তিক কারণেই এসএসসি ও এইচএসসির সিলেবাস কমানোর সুযোগ নেই। গোটা পাঠ্যবই শেষ করেই পরীক্ষা হবে। সিলেবাস শেষ করতে কতদিন প্রয়োজন হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা অনিশ্চিত। পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজন হতে পারে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন ও বাকি অংশের মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, করোনার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়েই শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার চিন্তাভাবনাও চলছে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা গত এপ্রিলে নেওয়ার জন্য নির্ধারিত থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে ঝরে গেছে ৫ মাসের অধিক সময়। যথাসময়ে পরীক্ষা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও শেষ পর্যায়ে থাকত। এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সরকারি সিদ্ধান্ত পেলেই রুটিন প্রকাশ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ‘কোটা’ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদত,১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:

আগামী অক্টোবরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৬ হজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো কোটা পদ্ধতি থাকছে না। শুধু এই নিয়োগের ক্ষেত্রেই নয়; এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনো কোটা থাকছে না। প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের পদ ১৩তম গ্রেড ঘোষণা হওয়ায় কোটা পদ্ধতি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পূর্বে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) এ এম মনসুর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা বহাল থাকবে। সে অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে ইতোমধ্যেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে নিয়োগ বিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষে অথবা অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরি থেকে কোটা বাতিলের দাবিতে ২০১৮ ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এর ঠিক পরদিন নবম গ্রেড ও দশম থেকে ১৩তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপর সরকারি চাকরির নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোনো কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জমা দেয় কমিটি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলার পর তা পাস হয়। সরকারি চাকরিতে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না বলে গত ২০ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রিসভা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস

প্রেস বিজ্ঞপ্ত,১৪ সেপ্টেম্বর:

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন এইচএসসি পাস। তার অনার্স-মাস্টার্স পাসের সনদ ভুয়া বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সব সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে তিনি গবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে ২০০২ সালের ৩ আগস্ট গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ড তার আচার-আচরণ দেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় ট্রাস্টি বোর্ড গোপনে রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তদন্ত করতে থাকে। খোঁজখবরের এক পর্যায়ে জানতে পারেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন ইন্টার পাস। তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী ও মাস্টার্স পাসের সনদ দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়েছেন।

এর আগে, রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক ছাত্রী। মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রার তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগে বলা হয়।এছাড়াও রেজিস্ট্রার একাধিক নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানির করছেন বলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ৬ নভেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চায় ইউজিসি। গত ৭ ডিসেম্বর ইউজিসির চিঠির উত্তর পাঠায় রেজিস্ট্রার। তেব সেই চিঠিতে অভিযোগের কোনো সদুত্তর পায়নি ইউজিসি। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন। যৌন হয়রানির ওই রেকর্ড ভুক্তভোগী ছাত্রী ইউজিসিতে হস্তান্তর করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি শুরু, অনলাইনে ক্লাস চলবে অক্টোবর থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে আজ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কলেজে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য ক্যাম্পাসে হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অনেকে দু’একদিনের মধ্যেই ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

রাজধানীর একটি কলেজে ভর্তিচ্ছু মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমি যে কলেজে চান্স পেয়েছি, সেখানে আজ থেকে ভর্তি শুরু হয়েছে। তবে আমি ভর্তি হওয়ার জন্য আগামীকাল কলেজে যাবো। অবশ্য আজই অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন বলে জানতে পেরেছি।’

এদিকে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইনের ক্লাস শুরু হচ্ছে। আগামী অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে ক্লাস চলবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে স্বাভাবিক ক্লাস শুরু হবে।’

জানা গেছে, অনলাইনে ক্লাস শুরুর লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাজারে একাদশের পাঠ্যবই পাওয়া যাবে। আর আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা চান্স পাওয়া কলেজে ভর্তি হবেন। এজন্য ইতোমধ্যে সরকার নীতিমালা প্রকাশ করেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

পৌর এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা ও ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

জানা গেছে, একাদশের বইগুলোর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও বাংলা সহপাঠ সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়। এবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে বেসরকারি প্রকাশকদের পাশাপাশি এনসিটিবির বইও বাজারে থাকছে। ফলে বেসরকারি প্রকাশকদের বাকি ৩৫টি বই বাজারে থাকছে।

একাদশের বই প্রকাশক পুথিনিলয়ের সত্ত্বাধিকারী শ্যামল পাল বলেন, ‘১ অক্টোবর বাজারে বই বিক্রির ব্যবস্থা রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তির জন্য এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঁচ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না না। আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা আদায় করতে পারবে।

এছাড়া উন্নয়ন খাতে দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। গত বছর ৩ হাজার টাকা আদায় করা হয় এ খাত থেকে। করোনার কারণে এই ফি কমিয়েছে বোর্ড। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে বা বিলম্বে ভর্তি হলে যথাক্রমে ১৫০ টাকা ও ১০০ টাকা আদায় করা যাবে।

এবার তিন ধাপে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করলেও এসএসসি ও সমমানে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। আর উচ্চ মাধ্যমিকে পাঠ্য বইয়ের সংখ্যা ৩৯টি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ-চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। কিন্তু বছর পূর্ণ না হতেই অবসরে চলে যাচ্ছেন তিনি। আগামীকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার শেষ কর্মদিবস। এ অবস্থায় তাকে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

প্রাথমিক শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অল্প সময় এ দায়িত্বে আসলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধানেরও ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন মো. ফসিউল্লাহ। সেগুলো দ্রুতই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকের অনেক কাজই শুরু করেছিলাম। তবে শেষ করতে পারিনি। করোনার কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারছি না।’

এ সময় বর্তমান প্রথমিক শিক্ষার হাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কথা বলা ঠিক হবে না। শেষ কার্যদিবসের পরে প্রাথমিকের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলব।’ এছাড়া প্রাথমিকের নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, মো. ফসিউল্লাহ চলে গেলে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) ও চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত হতে পারে। শিক্ষকদের অনেক সমস্যার সমাধানও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক চান সংশ্লিষ্টরা। চুক্তিতে হলেও মহাপরিচালক হিসেবে একজনকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘ফসিউল্লাহ স্যার খুবই শিক্ষকবান্ধব ছিলেন। নিয়োগ বিধিমালা, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতাসহ নানা সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি চলে গেলে অনেকগুলো কাজ বাধাগ্রস্ত হবে।’

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে অনেক কিছুই করেছেন। তিনি আরও কিছুদিন থাকলে অসমাপ্ত কাজগুলোও শেষ করে যেতে পারতেন।’

জানা গেছে, ডিপিইতে এক বছরে দু’জন মহাপরিচালক পরিবর্তন হয়েছে। অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় গত বছরের ২০ জানুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে।

পরে ৩০ জানুয়ারি ওই পদে নিয়োগ পান এ এফ এম মনজুর কাদির। গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরেরও কম সময় অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর বছর পার না হতেই ফের বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ। এ অবস্থার অবসানে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

অবশ্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সূত্র জানিয়েছে, মো. ফসিউল্লাহ্ ফের মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন। প্রাথমিক শিক্ষার স্বার্থেই এই নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অন্যথায় তিনি যে উদ্যোগগুলো নিয়েছেন তা পিছিয়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘বর্তমান মহাপরিচালককে চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিকের লাভ হতো।’ কিন্তু বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার বেলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অক্টোবরে অনলাইনে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি শুরু

ডেস্ক,১২ সেপ্টেম্বর:

অক্টোবরে অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি শুরু করার কথা রয়েছে। তার তার আগেই সফটওয়্যার ট্রায়াল শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। তবে চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ ।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ করছে চলছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বৈঠক করবেন অধিদফতরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে। নতুন কিছু বিষয় ইনস্টল করা হবে সফটওয়্যারে। তারপর চূড়ান্ত করেই এ মাসে ট্রায়াল শুরু হবে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘অধিদফতর কাজ করছে। অনলাইনে শিক্ষক বদলির বিষয়টি নিয়ে অধিদফতরের সঙ্গে শনিবার বৈঠক করবো। ’

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘এ মাসেই ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে। আমরা জুন মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলি শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। করোনার মধ্যেও কাজ করে এগিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু আমি নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই কাজে আরও একমাস সময় নষ্ট হয়ে গেছে। ‘

২০২০ সাল থেকে অনলাইনে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করার জন্য এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জরুরি বদলি ছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু কম সময়ে অনলাইন বদলি শুরু করতে না পারায় গত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে হার্ড কপির আবেদনে বদলি কার্যক্রম শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে তাও সম্ভব হয়নি। জরুরি বদলিও আটকে যায়।

এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক জানিয়েছিলেন, ‘ছুটির পর আমরা শিক্ষক বদলি কার্যক্রম (হার্ড কপিতে আবেদনের বিপরীতে) শুরু করবো। আর করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে ছুটি দীর্ঘায়িত না হলে অনলাইনে বদলির ব্যবস্থা চূড়ান্ত হবে শিগগিরিই। তবে সরকারি ছুটি শেষ হলেও অধিদফতরের মহাপরিচালক করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ফলে পিছিয়ে যায় অনলাইন বদলি চূড়ান্ত করার কাজ। অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সুস্থ হয়েই মহাপরিচালক অনলাইনে শিক্ষক বদলির সফটওয়্যার সংক্রান্ত কাজে হাত দেন।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম জানুয়ারিতে শুরু হয়ে চলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিবছর এই বদলি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদফতরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা।

এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আগে থেকেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন ওই সময় জানিয়েছিলেন, দুর্নীতি বন্ধ করতে ২০২০ সাল থেকেই অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা: আরও সময় নিতে চায় শিক্ষাবোর্ড

ডেস্ক,১২ সেপ্টেম্বর:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের সব ধরণের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে এবছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। কবে নাগাদ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে সেসম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও সরকার বলছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে পরীক্ষা নেয়ার মত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। নতুন সূচি প্রকাশের অন্তত ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ পরীক্ষা নিতে আরও সময় নিতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। কমিটি বলছে, সবার আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা। তাই করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।

তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কিছুই খোলা রয়েছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত ঘরের বাইরে বের হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি ভাবতে পারে সরকার।

সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। আর কত দিন অপেক্ষা করা যায়? তবে এ জন্য কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানতে যা যা করা দরকার, তা মেনে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। এছাড়া আর কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই। কারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে।

জানা যায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বছর এই সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণই সম্ভব হয়নি। ফলে এমনতিইে শিক্ষার্থীদের প্রায় পাঁচ মাসের সেশনজটে পড়তে হবে। এরপর যদি এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে আরো দেরি হয়, তাহলে উচ্চশিক্ষায় সেশনজট দীর্ঘ হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করার মতো ডিজি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) গত এক বছরে দুজন মহাপরিচালক (ডিজি) পরিবর্তন হয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে। এরপর মহাপরিচালক পদে ওই বছরের ৩০ জানুয়ারি নিয়োগ পান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম মনজুর কাদির। দায়িত্ব পালন শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরের কম সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর গত ১২ জানুয়ারি মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। পরদিন কাজে যোগ দেন। বছর পূর্ণ না হতেই তিনিও অবসরে যাচ্ছেন। তার শেষ কর্মদিবস আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মহাপরিচালকরা কাজ বুঝে নিতে না নিতেই তাদের বিদায় নিতে হয়। ফলে সমস্যা ও সংকট চলে বছরের পর বছর। এই পরিস্থিতির উত্তরণ চান শিক্ষক-কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, চুক্তিতে হলেও একজন ব্যক্তিকে মহাপরিচালক হিসেবে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের বর্তমান মহাপরিচালক আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের পরে থাকবেন না, অবসরে যাবেন। এটা সত্যিই হতাশার। কারণ কাজ বুঝে না নিতে নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেন। আবু হেনা মোস্তফা কামাল পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে চলে গেলেন। তিনি ভালো কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন, শেষ করতে পারেনি। এরপর এ এফ এম মঞ্জুর কাদির এসেছিলেন, কিন্তু কিছু উদ্যোগ নিতে না নিতেই তিনিও অবসরে গেছেন।’

মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ আরও বলেন, ‘এরপর ফসিউল্লাহ্ স্যারকে পেয়েছিলাম। আমার দেখা মতে তিনি সবচেয়ে কর্ম-উদ্যোমী মানুষ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারেন। দায়িত্ব নেওয়ার একবছর না হতেই তাকেও চলে যেতে হচ্ছে। এভাবে কাজ বুঝে নিতে না নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা ভোগান্তিতে পড়েন। একজন মহাপরিচালকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা প্রয়োজন। যদি তাকে মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে আবারও নিয়োগ করা হয় তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজনেই মো. ফসিউল্লাহ্ মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে নিয়োগ পেতে পারেন। কারণ যেসব উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন নতুন মহাপরিচালক আসলে তা পিছিয়ে যেতে পারে। তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) এবং চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন পিছিয়ে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লাহ বলেন, ‘অধিদফতরে যারা ডিজি হিসেবে আসছেন, তারা যখন সবকিছু বুঝে উঠছেন, তখনই তাদের অবসরের সময় চলে আসছে। ডিজিরা এসে প্রতিশ্রুতি দেন, আর কাজ শুরু করতে না করতেই চলে যান। আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে কমপক্ষে তিন বছরের জন্য মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কাউকে চাই। কারও চাকরি শেষ হলেও চুক্তি করে হলেও তিন বছর রাখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘তাকে (মো. ফসিউল্লাহ্) চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিক শিক্ষার লাভ হতো। কিন্তু বিষয়টি সরকারের।’

শিক্ষকরা বলছেন, বেশির ভাগ মহাপরিচালক কম সময়ের জন্য থাকায় তাদের নেওয়া উদ্যোগ কাজে আসে না। নতুন মহাপরিচালক নতুন করে উদ্যোগ নেন। এতে ব্যাহত হয় প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কাজ।

প্রসঙ্গত, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। এছাড়া অধিদফতরের অধীনে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অফিস রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter