Author Archives: editor

প্রাথমিক সমাপনীতে ৩২ সেট প্রশ্ন তৈরি

নিজস্ব প্রতিবেদক,আগস্ট, ২৮, ২০১৯:
আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ পরীক্ষা ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে ৩২ সেট প্রশ্ন তৈরি ও গোপনীয়তা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।



সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সম্প্রতি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা প্রশ্নপত্রের পাণ্ডুলিপি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রণয়ন করে থাকে। গত তিন বছর একাধিক সেট প্রশ্ন প্রণয়ন করা হলেও, এবার ৩২টি সেট প্রণয়ন করা হবে। সেখান থেকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে ৮টি সেট। সেটগুলোর প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সারাদেশে এ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ পরীক্ষার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে অধিকতর যত্নবান ও সাবধানতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা ও ফলাফল নিয়ে বেশকিছু দুর্নীতির অভিযোগের দায় সরকারকে নিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সবাই সতর্কতার সঙ্গে ও আন্তরিকভাবে কাজ করলে এ ধরনের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

আগামী বছর থেকে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনলাইনে

ডেস্ক,২৮ আগষ্ট:
অনলাইনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলির নীতিমালা প্রণয়নে সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আগামী বছর থেকে শিক্ষক বদলি অনলাইনে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।


সোমবার (২৬ আগস্ট) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে বদলির নীতিমালা প্রণয়নে সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। জানুয়ারি-মার্চ সহকারী শিক্ষক বদলির নীতিমালা সংশোধন হচ্ছে। এ সংক্রান্ত কমিটি এক মাসের মধ্যে নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দিনে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা জাতির জন্য ব্যয় করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

১৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো শোক দিবস পালন করার জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুই হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে দুই শিফটের পরিবর্তে এক শিফট চালুর কাজ চলমান। এছাড়া, প্রতিটি বিদ্যালয়ে কমপক্ষে ৯টি কক্ষ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-শিক্ষকদের জন্য বিদেশে প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা

শিক্ষা ক্যাডারের বদলির নতুন নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ আগষ্ট:
শিক্ষা ক্যাডারে বদলি-পদায়নের আবেদনের হার্ডকপি গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন নির্ধারিত সময়ে ই-মেইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। বিষয়টি জানিয়ে রোববার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন ফরম ও প্রকাশ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলি-পদায়ন নীতিমালার আলোকে গত ২৮ এপ্রিল শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ই-মেইলে বদলির আবেদন পাঠাতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদনের সময় নির্ধারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রভাষক এবং সহকারী অধ্যাপকদের বদলির আবেদন ১ম দফায় জানুয়ারি, ২য় দফায় এপ্রিল, ৩য় দফায় জুলাই এবং ৪র্থ দফায় অক্টোবর মাসে এবং সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকদের ১ম দফায় ফেব্রুয়ারি, ২য় দফায় মে, ৩য় দফায় আগস্ট এবং ৪র্থ দফায় নভেম্বর মাসে ই-মেইলে (ds_college@moedu.gov.bd) বদলির আবেদন করতে বলা হয়েছিল।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনেক শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ই-মেইল ঠিকানায় আবেদন না করে নীতিমালা ভঙ্গ করে হার্ডকপি জমা দিচ্ছেন। সে প্রেক্ষিতে আজ রোববার বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের নীতিমালা অনুসরণ করে অনলাইনে বদলির আবেদন পাঠাতে পুনরায় বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, আজ রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে কোনো বদলির আবেদনের হার্ড কপি গ্রহণ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তিন জেলায় নতুন ডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ আগষ্ট:
জামালপুরের পর এবার চুয়াডাঙ্গা ও খাগড়াছড়িতে নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।


পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ এনামুল হককে জামালপুরের নতুন ডিসি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই জেলার ডিসি ছিলেন আহমেদ কবীর। নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় তাকে ওএসডি করে আজ আদেশ জারি করে সরকার। এরপর অপর এক আদেশে এনামুল হককে নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার উপায়

মোঃ সালাহউদ্দিন:
দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে ঈদ-উল-আযহা কে কেন্দ্র করে ঈদের আগে এবং পরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২২৪ জন নিহত হয়েছে এবং মারাত্মক আহত হয়েছে ৯০৮ জন লোক। এভাবে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় কোন না কোন তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই সব দুর্ঘটনার ফলে থমকে যাচ্ছে বহু পরিবার। সড়ক দুর্ঘটনায় যারা মারা যাচ্ছে এবং যারা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব জীবন যাপন করছে একমাত্র তারাই এর কঠিন যন্ত্রণা এবং বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারে।



এই কঠিন বাস্তবতা আপনার আমার জীবনে যে কোন সময় ঘটতে পারে। অতীতে আমরা বহু ইন্টেলেকচ্যুয়াল ব্যক্তিত্বদের হারিয়েছি। এখন প্রশ্ন হলো কেন এত দুর্ঘটনা ? এর থেকে পরিত্রাণের কোনো পথ নেই ? কোন একটা দুর্ঘটনা ঘটলেই বলা হয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অথবা ফিটনেস না থাকার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আমার পর্যবেক্ষণের আলোকে বলতে পারি শুধুমাত্র চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং রোড সাইন না বুঝে যেখানে সেখানে ওভারটেক করার কারণে ঘটছে এসব মারাত্মক দুর্ঘটনা।

সড়ক দুর্ঘটনার অনেক কারণ রয়েছে। এসব কারণ সম্পর্কে আমরা প্রায় সকলেই অবগত আছি। তবে দুর্ঘটনার জন্য মূল ভূমিকা পালন করে চালক নিজে। ত্রুটিপূর্ণ গাড়ির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে সেটাও আমি চালককে দায়ী করব। কারণ গাড়ি বের করার পূর্বে গাড়ির চাকা থেকে শুরু করে সবকিছু চেক করার দায়িত্ব চালকের। বর্তমান বেশি দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে বাস চালকেরা। একজন চালককে বুঝতে হবে তার ওপর নির্ভর করছে উক্ত গাড়ির সমস্ত যাত্রীর জীবন এবং তাদের পরিবারের জীবন। তার একটা ভুলের কারণে যেকোনো পরিবারে আসতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য গাড়ির মালিক অনেকাংশে দায়ী কারণ অনেক মালিক গাড়ি মেরামত না করে ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চালাতে চালককে বাধ্য করে।

একজন চালক একটানা ৬ ঘণ্টা গাড়ি চলনার কথা অথচ মালিকরা তাদের দিয়ে দিয়ে প্রায় ১৩/ ১৪ ঘণ্টা গাড়ি চালাচ্ছে। বিশেষ করে সকালের দিকে যেসব দুর্ঘটনাগুলো ঘটে সেটা ঘুমের কারণে ঘটে। গাড়ি চালানো অত্যধিক পরিশ্রমের কাজ যেকোনো সময় ঘুম চলে আসতে পারে। তাই মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যদি বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করত তাহলে এইসব দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হতো। অনেক যাত্রী চালকদের দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে উৎসাহিত করে। এটা পরিহার করতে হবে।

যেহেতু বাংলাদেশ অধিক জনসংখ্যার দেশ। তাই মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ গাড়িগুলো সম্পুর্নরূপে বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না যদিও পুলিশের তৎপরতার কারণে অনেক এলাকার মহাসড়কে নিষিদ্ধ গাড়ি গুলো বন্ধ আছে। যেহেতু মহাসড়কের সমস্যাগুলো স্বল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয় তাই আমাদের গাড়ির গতি কমাতে হবে। বাস এবং ট্রাক এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গতি ৭০ কিলোমিটার উপরে হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। বেশির ভাগ দূর্ঘটনা ঘটে মহাসড়কের বাঁকে। বাক এলাকায় রাস্তার মাঝখান দিয়ে সাদা লম্বা দাগ দেওয়া থাকে। এই সমস্ত জায়গায় ওভারটেক করা নিষেধ।

আমাদের দেশের বেশিরভাগ চালকদের রোড সাইন না বুঝে ওভারটেক করার চেষ্টা করে ফলে ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা। ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার পূর্বে চালকদের রোড সাইন, গাড়ির হেডলাইট এর সঠিক ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন এর বেসিক বিষয়গুলোর উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। বর্তমান অধিক সি সি যুক্ত বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে বহু প্রাণ অকালে ঝরে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল কেনার ক্ষেত্রে মা-বাবা সতর্ক থাকলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। মহাসড়কের এই দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সারা দেশে স্পিড গানের ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রতি জেলায় যদি গাড়িসহ দুটি টিম নিয়োগ করা যায় এবং প্রতিটি টিমকে কমপক্ষে ৩০ কিলোমিটার এলাকা নির্ধারণ করে দিয়ে স্থান পরিবর্তন করে স্পিড গানের মাধ্যমে গাড়ির গতি শনাক্ত করে যদি দ্রুতগতির গাড়ির বিরুদ্ধে মামলার জরিমানা করা অব্যাহত থাকে তাহলে মহাসড়কে চালকরা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে সাহস পাবে না। গাড়ির গতি সনাক্ত করার জন্য একজন পুলিশ সদস্য স্পিডগান এবং walkie-talkie সহ কোন গাছের আড়ালে দাঁড়িয়েছে দ্রুতগতির গাড়িগুলো শনাক্ত করে নির্ধারিত ৫০০ মিটার দূরে অবস্থানরত টিমকে কত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছে তা ওয়াকি টকির মাধ্যমে উক্ত টিমকে অবহিত করে যদি ওইসব গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং এই ক্ষেত্রে জরিমানা মালিকের পরিবর্তে চালককে বহন করতে হয় তাহলে পরবর্তীতে চালক দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকবে ।

এই পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য পুলিশ সুপার কর্তৃক বাছাইকৃত সৎ এবং পজিটিভ মনের অধিকারী পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ করা গেলে এবং এর সঙ্গে যদি প্রতিটি টিমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা যায় এবং দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার মহোদয় নির্দেশনা মূলক পরামর্শ দেয় তাহলে উক্ত টিম কাজ করতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া এ টিম মহাসড়কে নসিমন করিমন এবং ইজিবাইক সহ মহাসড়কে নিষিদ্ধ গাড়ির বিরুদ্ধে জরিমানা করে মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে। স্পিড গানের ব্যবহার যদি সারাদেশে মহাসড়কে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থান পরিবর্তন করে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নগদ জরিমানা করা অব্যাহত থাকে তাহলে আমার বিশ্বাস সারাদেশের মহাসড়ক ৭ দিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ আসতে বাধ্য এবং জাতি এই অভিশপ্ত দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে। আমার অভিমত সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দ্রুতগতির গাড়ির বিরুদ্ধে যে নগদ জরিমানা করা হবে তার শতকরা ৫০ ভাগ টাকা ম্যাজিস্ট্রেটসহ উক্ত টিমকে ইন্সেন্টিভ হিসেবে দেওয়া হলে এবং অবশিষ্ট ৫০ ভাগ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করলে উক্ত কাজ করতে তারা উৎসাহিত হবে।

মোঃ সালাহউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক, শহর ও যানবাহন, ঝিনাইদহ ০১৭৩৩৫৩৪৩৮৪
email ksalahuddin84@gmail.com

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচিতে পরিবর্তন চান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ আগষ্ট ২০১৯:
৫+ বয়স থেকে ১১+ বয়স পর্যন্ত শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা স্তর। এ স্তরে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। এ স্তরে শিশুরা অবাধ বিচরণের মাধ্যমে, খেলাধুলার মাধ্যমে, মুক্ত পরিবেশে ও প্রকৃতিকে চেনার মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করে। আমাদের দেশের প্রাথমিক স্তরের শিশুরা নানা কারণে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পায়না। এর মধ্যে একটি কারণ হচ্ছে শিশুর দৈহিক ও মানসিকতার পরিপন্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচি।



প্রাথমিক স্তরের শিশুরা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ পর্যন্ত অবস্থান করতে হয়। এতো দীর্ঘ সময় খাঁচার মধ্যে বন্দি থাকার মতো অবস্থায় ধরা বাঁধা নিয়মের মধ্যে থেকে কিভাবে শিশুদের দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার বা না আসার প্রবণতা তৈরি হয়। তারা স্কুলকে ভয় পায়। যেটি ড্রপ আউট হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অনেকে।

এরই মধ্যে ২০২৩ সালের মধ্যে সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে’ মিল চালু খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। প্রতিদিন ব্যাপক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর জন্য খাবার প্রস্তুত করা বিশাল কর্মযজ্ঞের ব্যাপার। এতে দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

সোশাল মিডিয়ায় এ নিয়ে নানান রকম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন শিক্ষকরা। আবু জাফর মানিক নামে একজন লিখেছেন, ‘মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে ও পিছিয়ে এক শিফট সকাল ৯-২ টা বেশি ফলপ্রসূ হবে। মিড ডে মিল ছাত্র,ছাত্রী, শিক্ষক, কমিটি সবাই রান্না ও বিতরণ নিয়ে সময় পার করবে। লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটবে।’

ওমর ফারুক লিখেছেন, মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে দিলে, শিক্ষা উপকরন দিলে বেশি ফলপ্রসূ হবে আশা করি।

স্বপন কুমার দাশ লিখেছেন, যদি মিড ডে মিল প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রান্না করে শিশুদের খাওয়ানো হয়, তাহলে রান্না করা আর খাওয়া দাওয়ায় সারাদিন শেষ হয়ে যাবে,যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের প্রধান অন্তরায় হবে।

মিজান রহমান লিখেছেন, ‘শুরু ৯.০০! বিরতি মাত্র ৩০ মিনিট! শিশুদের খেলাধুলা এবং মিড ডে মিল! ৪.১৫ ক্লাস শেষ! শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ কতটুকু সম্ভব ?
প্রধান শিক্ষক সমিতির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যয় শিশুদের কর্মঘন্টা কমাতে হবে। কারন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায় কর্মঘন্টা। তাছারা বিকাল সাড়ে ৪ টায় বিদ্যালয় শেষ হলে শিশুদের খেলার জন্য থাকে না সময়। ফলে শারিরিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়।

প্রাথমিকে দফতরি নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ আগষ্ট:
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান দফতরি কাম প্রহরী নিয়োগ স্থগিত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২১ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এই আদেশ দেন।


উল্লেখ্য, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে দফতরি কাম প্রহরী নিয়োগ চলছিলো আউটসোর্সিং ভিত্তিতে।

তবে এই নিয়োগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

এই অভিযোগের পর বুধবার নিয়োগ স্থগিতের আদেশ দেন সচিব। পাশাপাশি যেসব বিদ্যালয়ে নিয়োগ চলমান রয়েছে সেগুলোও বাতিল করা হয় আদেশে।

আদেশে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী পদে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে জনবল নিয়োগের কার্যযক্রম পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যযন্ত স্থগিত করা হলো। ইতোমধ্যে যদি কোনও উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য দফতরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকে তাহলে তা বাতিল করা হলো।

দূর্গাপুজায় ৭ দিনের ছুটি চান প্রাথমিকের শিক্ষকরা

ডেস্ক,২১ আগষ্ট:
দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতিবছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দুর্গাপূজার ছুটি ৭ থেকে ১০ দিন করা হয়। কিন্তু এ বছর ব্যতিক্রম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠী থেকে দশমি দুর্গাপুজার আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু এ বছর অষ্টমী থেকে ছুটি দেয়া হয় দশমী পর্যন্ত মোট ৩দিন ছুটি দেয়া হয়।



বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য মনি বলেন, তার চাকুরিকালের এটি প্রথম এমন ঘটনা। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দুর্গাপূজার ছুটি ৩ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন করার পুনর্নির্ধারণের দাবি জানান।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ৩ দিনের পরিবর্তে কমপক্ষে ৭ দিন ছুটি ঘোষণার দাবি জানান।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আসন্ন দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। দুর্গাপূজাই একমাত্র সার্বজনীন অনুষ্ঠান যেখানে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান পালন করেন। হিন্দুরা ধর্মীয় দিক থেকে এদেশের দ্বিতীয় সংখ্যগরিষ্ঠ জাতি। সুতরাং এই বৃহৎ অনুষ্ঠানটিতে কমপক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হোক।

ডাক বিভাগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন ডেস্ক

১৫টি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। নারী ও পুরুষ উভয়কেই নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই আবেদন করতে পারবেন।


পদের নাম: উচ্চমান সহকারী, সাট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, টেকনিশিয়ান, মেকানিক, কম্পাউন্ডার, পোস্টাল অপারেটর, মেইল অপারেটর, গ্যাস মিস্ত্রি ও মিডওয়াইফসহ মোট ১৫টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদসংখ্যা: ১৫টি পদে মোট ২৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাসসহ উচ্চমাধ্যমিক/মাধ্যমিক/সমমান/ফার্মাসিস্ট পাস প্রার্থীরা বিভিন্ন পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিছু কিছু পদের জন্য কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা ও উক্ত পদের জন্য কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

আবেদনকারীর বয়সসীমা: ন্যূনতম ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

বেতন স্কেল: বিভিন্ন পদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের (http://pmgmc.teletalk.com.bd) মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ও ফি প্রাদান শুরু হবে ২০ আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০টায় এবং শেষ হবে ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে।
বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

পাবনা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ লেনদেন, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ আগষ্ট ২০১৯:
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হেড কেরানীর (উচ্চমান সহকারী) ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ বরাদ্দ, মেরামত বাবদ অনুদান, ওয়াশ ব্লক ও রুটিন মেইনটেনেন্স বাবদ বরাদ্দকৃত টাকার ৬ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনের বিরুদ্ধে।



আলাউল হোসেন ও আরিফুল ইসলামসহ কয়েকটি ফেসবুক আইডিতে সোমবার রাত থেকে ঘুষ গ্রহণের এই ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনকে কাজীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মনি ঘুষের টাকা প্রদান করছেন। তিনি টাকা টেবিলের নিচে নিয়ে গুণে তা প্যান্টের পকেটে রাখছেন। ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর থেকে ভিডিওটি অনেকে শেয়ার করছে ও লাইক, কমন্টে বিভিন্ন মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনের নির্দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ বরাদ্দ, মেরামত বাবদ অনুদান, ওয়াশ ব্লক ও রুটিন মেইন টেনেন্স বাবদ বরাদ্দকৃত টাকার ৬ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ জানান, ১৭৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭৫টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে জোরপূর্বক বিল তৈরি বাবদ উচচমান সহকারীর মাধ্যমে শিক্ষা অফিসার বরাদ্দের ৮ থেকে ১০ ভাগ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছে।

সোনাতলা স. প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, হাটবাড়িয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেনসহ অনেকে বলেন, সরকার প্রদত্ত স্কুলের উন্নয়ন কাজের বিল গ্রহণে অগ্রিম ঘুষ প্রদানে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে। ঘুষের টাকা পরিশোধ না করলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানীর স্বীকার হতে হয়।

গত ১৮ আগস্ট উপজেলা আমোষ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পরিচয়ে স্লিপ বরাদ্দের টাকার চেক গ্রহণে উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা খোকন। পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বিল করতে রাজি হন বলে এ প্রতিনিধিকে জানান খোকন।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে ব্যবস্থা গ্রহণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম। এছাড়াও তিনি শিক্ষা অফিসারসহ অফিসের সকল কর্মকর্তাদের ডেকে অপরাধীদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন।

উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেন বলেন, ‘ঘুষের টাকা আমি গ্রহণ করিনি। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গোলজার হোসেনের ঘুষ গ্রহণের তথ্য আমি পেয়েছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তবে ঘুষ গ্রহণে তার নিজের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম জানান, ফেসবুকে পাওয়া ভিডিও ক্লিপ দেখে আমি ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেছি। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯ আগস্ট , ২০১৯:
সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে ভর্তিচ্ছুরা। আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার টাকা। এরমধ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ক ভর্তি কমিটি সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিটি দৈনিক শিক্ষাবার্তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
এমবিবিএস কোর্সে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর। সোমবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।



এতে আরও বলা হয়েছে, ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
অনলাইনে আবেদনের লক্ষ্যে www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে নির্দেশাবলি ভালোভাবে পড়ে সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের পরামর্শ দিয়ে এতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা ফি এক হাজার টাকা শুধু প্রিপেইড টেলিটকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের জন্য ভর্তির আবেদনের এ আহ্বান প্রযোজ্য হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৬ বা ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ইংরেজি ২০১৮ বা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন বাংলাদেশের নাগরিকরা ভর্তির আবেদন করার যোগ্য হবেন। এ ছাড়া ইংরেজি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব দেশি ও বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে।

জাতীয় স্কুল মিড ডে মিল নীতিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের একবেলা খাবার খাওয়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে একবেলা খাবার দেয়া হবে। আজ সোমবার (১৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নীতিমালার খসড়া অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া হ্রাস করতে সারা বছর পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার দিতে এ নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে পাঁচদিন গরম খাবার ও একদিন পুষ্টিকর বিস্কুট দেয়া হবে।

তিনি জানান, মিড ডে মিল অনেক জায়গায় পাইলট প্রকল্প হিসাবে চালু হয়েছে। এগুলোকে কীভাবে সমন্বিতভাবে সারাদেশে ছড়ানো যায় সেজন্য এই নীতিমালা। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যক্রমের ধরন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে গাইডলাইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ক্যালরির ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে নিশ্চিত করা হবে। যা প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩-১২ বছরের ছেলে ও মেয়ে শিশুদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অর্ধদিবস স্কুলের ক্ষেত্রে দৈনিক প্রয়োজন অনুপুষ্টিকণার চাহিদা ন্যূনতম ৫০ শতাংশ, জাতীয় খাদ্য গ্রহণ নির্দেশিকা অনুযায়ী দৈনিক প্রয়োজনীয় শক্তির ১০-১৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে এবং ১৫-৩০ শতাংশ চর্বি থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। ন্যূনতম খাদ্য তালিকার বৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ১০টি খাদ্যগোষ্ঠীর মধ্যে ন্যূনতম চারটি খাদ্যগোষ্ঠী নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
নীতিমালার আলোকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়ে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সারাদেশে কাভার করা হবে। সরকারের সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা ছাড়া এটা সফল করা যাবে না। কারণ স্কুলগুলোতে রান্নাঘর করতে হবে।

রাজশাহী বোর্ডে ৬৬ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট:
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ৬৬ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। আর ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকালে শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।



গত ১৭ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৭২৯ জন।

এরপর গত ১৮ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করে বোর্ডগুলো। ফল পুনঃনিরীক্ষণে পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা আবেদন ফি গ্রহণ করা হয়।

১৭ জুলাই প্রকাশিত ফল অনুযায়ী এবছর উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ শিক্ষার্থী। ৮টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ ভাগ। ৮ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর ৪১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়।

এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৬২ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫৬ ভাগ। আলিম পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী।

এমপিওভুক্তির তালিকা :১৪ আগস্ট পাঠানো হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট :

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সব শর্ত পূরণ করেছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে নতুন এমপিও দিতে তালিকা প্রস্তুত করা হয়।


নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্বশেষ এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল ২০১০ সালে। এরপর থেকে নতুন কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও পায়নি।

এমপিও তালিকায় চূড়ান্ত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫শ’ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এক হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬০টির বেশি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৯০টির বেশি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ৫০টির বেশি ডিগ্রি (অনার্স-মাস্টার্স) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদে বলেছিলেন, প্রায় ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।

অনলাইনে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিল। সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে প্রায় ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শর্ত পূরণ করায় তাদের বিবেচনা করা হয়েছে। দ্রুতই ওই ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ধাপে ধাপে এমপিওভুক্ত করা হবে।

hit counter