Author Archives: editor

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ নভেম্বর:  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমপ্রতি শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমেই সাধারণত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে মেধা তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ নিয়োগের নামে যা শুরু করেছে তা নিবন্ধনধারীদের মনে রীতিমতো হতাশা ও  নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এনটিআরসিএ ২০০৫ সাল থেকে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু করেছে। তখন থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জাল সনদ বিক্রিসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যেতে থাকে। এনটিআরসিএ এ পর্যন্ত ১৩টি পরীক্ষা সমপন্ন করলেও মামলাজনিত কারণে প্রায় দুই বছর ধরে কোনো নিয়োগই দিতে পারছে না। ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি নিয়োগের কথা থাকলেও এনটিআরসিএ মামলার অজুহাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সমপন্ন করতে পারেননি।

এদিকে ১৪তম নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে শুধু পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ সমপন্ন না করাটা মোটেই কাম্য নয়। ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর মহামান্য হাইকের্টের নির্দেশে ১-১৩ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে এনটিআরসিএ ১০-৭-২০১৮ তারিখে একটি সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করলেও এখনো শূন্য পদসমূহে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারেনি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রায় ৬০ হাজার পদ শূন্য থাকায় একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তেমনি লাখ লাখ বেকার নিবন্ধনধারী এসব পদে নিয়োগ লাভের মাধ্যমে তাদের বেকারত্ব অবসানের স্বপ্ন দেখছে। তাই অতি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১৩ শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা পাবেন ১০ম গ্রেড আর সহকারীরা ১২তম

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ নভেম্বর: সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা  বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

সুত্র: কালের কন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইউসিসি ফেরত চাইলো ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দেওয়া ‘উপহার’

শিশির দাস: ইউসিসি কোচিং সেন্টার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের ‘উপহার’ দেয়। তবে, প্রশ্নফাঁসে অভিযোগের সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উত্তীর্ণদের পুনরায় পরীক্ষা দিতে হবে এমন ঘোষণা দিলে উপহারগুলো ফেরত চায় প্রতিষ্ঠানটি।

এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়। তবে, কিছুক্ষণের মধ্যে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে গেলে তা সরিয়ে নেয় ইউসিসি।

জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা মঙ্গলবার বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাস করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

এই ঘোষণার পরই ইউসিসি গ্রুপের পক্ষ থেকে দেয়া এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, প্রশ্নফাঁসের কারণে ‘ঘ’ ইউনিটের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে। সুতরাং যে সকল স্টুডেন্ট ইউসিসি থেকে গিফট পেয়েছো, তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করা হইলো গিফটগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। ইউসিসি থেকে ‘’ঘ’’ ইউনিটে গিফটপ্রাপ্ত সবাই যথাসময়ে হেড অফিসে গিয়ে গিফটগুলো ফিরিয়ে দিবে। যোগাযোগ: ০১৮৪৭০৬৬৩৪৬২।

আর ওই পোস্ট থেকে ইউসিসি পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদও জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ অক্টোবর। সকাল ১০টায় ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ৯টা ১৭ মিনিটে ওই পরীক্ষার উত্তরসহ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। পরে প্রশ্নপত্র যাচাই করে দেখা হয় পরীক্ষার আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ৭২টি প্রশ্ন ও উত্তর হুবহু মিলেছে। সূত্র : সময় টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার: মোস্তাফা জব্বার

ঢাবি : নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
শনিবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা আর পিছিয়ে নেই, অনেক দূর এগিয়েছি। ফেসবুক একসময় আমাদের কথায় কোনো কর্ণপাত না করলেও, এখন শুনছে। আমাদের দেশীয় আইনকানুন অনুযায়ীই তারা চলবে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই মাসেই সব ধরনের ডিভাইস আসবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার, গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ করতে সক্ষম হব।’
মন্ত্রী মোস্তফা জাব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। কয়েক লাখ ব্যবহারকারী যখন ছিল, তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কথা না শুনলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া হবে- এমন হুমকির প্রেক্ষিতে তারা অফিসে এসে বসে থাকে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ীই চলবে বলেও আশ্বস্ত করেছে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগলে মানহানিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।’
এ সময় তিনি গুজব ও অপপ্রচার রুখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। ডিজিটাল আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আরও কঠিন কিন্তু আমাদের দেশে যারা এ আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আইনটি দুর্বল হয়ে গেছে। আগামী ২-৩ বছর পর আবার হয়তো দাবি উঠবে আইনটি আরও কঠিন করতে হবে। যে কোনো আইনেই ভুল প্রয়োগের সম্ভাবনা থাকে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুল প্রয়োগও হয় কিন্তু সে আইনটা কি বাদ দিয়ে দেয়া হবে? আইন হলেও অপপ্রয়োগরোধে কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও থাকবে। সেটা নিয়েও কাজ চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেই জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া পেল নতুন দোকান-ঘর

অনলাইন সংস্করণ:

ভোলার লালমোহনের জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া অন্ধ মায়ের সঙ্গে ভিক্ষা করার সংবাদ শুক্রবার যুগান্তরের অনলাইনে প্রকাশ হওয়ার পর ভাগ্য খুলে যায় তানিয়া ও তার মায়ের।

সংবাদটি ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক ও লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল হাসান রুমির দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে শনিবার তানিয়ার বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় যুগান্তর প্রতিনিধি মো. জসিম জনিও সঙ্গে ছিলেন।

লালমোহন পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের সিকদার হাটবাজারসংলগ্ন তানিয়াদের বাড়ি। বাড়ি বলতে ছোট একটি ভাঙাচোরা খুপড়িঘর। ঘরের দরজা-জানালা জরাজীর্ণ।

ভিক্ষার টাকায় ঘরটি তৈরি করলেও জায়গাটি তাদের নয়। একজন তাদেরকে সেখানে থাকতে দিয়েছে। ভাঙা ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন তানিয়ার মা অন্ধ রাশেদা বেগম।

তানিয়াকে পাওয়া গেল উঠানের মাঝে। মা ও মেয়ের সঙ্গে কথা বললেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি।

ইউএনওকে রাশেদা জানান, মেয়ের পড়ালেখার খরচ জোগাতে আর তিন বেলা খাওয়ার জন্য তাদের ভিক্ষা করতে হয়।

তানিয়া গর্ভে থাকা অবস্থায় তানিয়ার বাবা ছেড়ে চলে যায়। আর ফিরে আসেনি। সেই তানিয়া এবার জেডিসি পরীক্ষা দেবে। পড়ালেখার প্রতি টান দেখে অন্ধ মা রাশেদা শত কষ্ট হলেও মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে আসছেন। অন্ধ হওয়ার কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার তানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়ান লালমোহন বাজারের দোকানে দোকানে।

এসব শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের জন্য একটি বসতঘর বরাদ্দ করে দেন। আগামী ৩ দিনের মধ্যে ঘর তৈরি সম্পন্ন করতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করেন।

একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে তাদের জন্য একটি দোকানের ব্যবস্থা করেন। ২০ হাজার টাকায় দোকান ও দোকানের জন্য ক্ষুদ্র মালামাল কিনে দেন ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি। মঙ্গলবার একসঙ্গে ঘর ও দোকান উদ্বোধন করবেন তিনি।

অন্যদিকে যুগান্তরে সংবাদটি প্রকাশ হলে বিভিন্ন স্থান থেকে এ প্রতিনিধির কাছে ফোন করে অন্ধ মা রাশেদা ও মেয়ে জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়ার জন্য সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন অনেকেই।

লালমোহনের বেসরকারি সংস্থা দ্বীপ উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মো. ইউনুছ মিয়া একটি ছাগল কিনে দেবেন লালনপালন করার জন্য।

এছাড়া লালমোহন মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মো. নুরনবী ২ বছরের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চালের একটি ভিজিডি কার্ড করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি’র ঘ ইউনিটের পরীক্ষা পুনরায় নেয়ার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ-সমাবেশ

ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শনিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী। মিছিলটি শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে কাঁটাবন মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতি মেহেদী তালুকদার বলেন, ‘১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতারণা। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ছাত্রসমাজের সঙ্গে প্রতারণা। ঢাবি ছাত্রদল ১২ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে।’
সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জাতির সামনে বিচার করতে হবে। আমরা ঢাবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসাবে ঘ ইউনিটের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এসময় বিক্ষোভ মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্যাংক ঋণ পেতে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে!

অনলাইন ডেস্ক

বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়েছিলেন এক নারী। কিন্তু ঋণ পেতে হলে ওই নারীকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান ব্যাংক ব্যবস্থাপক। এমন অভিযোগে ওই নারী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ওই কর্মকর্তাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারধরের ছবি ও ভিডিও।

ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল সোমবার ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দাওয়ানগর শহরে এই ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই নারী জানিয়েছেন, তিনি সেখানকার একটি ব্যাংকে ১৫ লাখ রুপি ঋণের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ঋণ পাইয়ে দিতে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাবের জন্য তিনি রাস্তায় ওই ব্যাংক ব্যবস্থাপককে জুতাপেটা করেন।

সাম্প্রতি যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে #মিটু আন্দোলনে তোলপাড় ভারতজুড়ে। অভিনেতা, খেলোয়াড়, লেখকসহ অনেকেই অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে। শুধু পুরুষরাই নয় #মিটু-তে বিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রেমিক অধ্যয়ন সুমন। কিন্তু সাধারণ মহিলাদেরও তো দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে যৌন হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমন পড়তে হয়েছে কর্নাটকে ওই নারীকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালোয়ার-কামিজ পরা মধ্যবয়সী এক নারী শার্ট-প্যান্ট পরা এক লোকের কলার ধরে টানছেন আর লাঠি দিয়ে মারছেন। এ সময় ওই নারী লোকটাকে পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার জন্য বলছেন। ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে মারার পাশাপাশি ওই নারী লোকটাকে পা দিয়ে আঘাত করছেন। একপর্যায়ে চটি দিয়েও পেটান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন এবং অনেকেই তাতে মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীদের বেশির ভাগই ওই নারীকে প্রকৃত নায়ক বলে অবহিত করেন। আবার কয়েকজনকে লিখতে দেখা যায়, ‘এটা হলো আসল #মি টু’।

এদিকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে অনশনে ঢাবি ছাত্র

ডেস্ক: ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তিপ্রক্রিয়া বাতিলসহ চারটি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আখতার হোসেন অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তার এই অনশন শুরু হয়।

আমরণ অনশনে বসার কারণ হিসেবে আখতার জানান, ভর্তি-ইচ্ছুক ১৩ জন ছাত্রকে তিনি পড়াতেন। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ছাত্রদের একজনের প্রশ্ন ছিল, ‘স্যার, আমরা এত পড়াশোনা করলাম, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় আমরা কি চান্স পাব? তাহলে কি আমরা দুর্নীতির কাছে হেরে গেলাম?’

ছাত্রের এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারাই ২০১৫-১৬ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪তম হওয়া আখতার হোসেন আমরণ অনশনে বসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সময় পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আগামী ২৮ অক্টোবর, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগগিতা ৩১ অক্টোবর, জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২ নভেম্বর ও বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

তবে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়ের কোন পরিবর্তন করা হয়নি। ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের  চিঠিতে সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি জানানো হয়।

আগের সূচি অনুয়ায়ী ১৭ অক্টোবর স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ অক্টোবর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ও ২৭ অক্টোবর বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত দিন ১৭ অক্টোবর দুর্গা পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও বিজয়া দশমীর পরদিন ২০ অক্টোবর ছুটির মধ্যে অনুষ্ঠানের কথা ছিলো।

এদিকে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সিদ্ধান্তকে  সাধুবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা।

এর আগে সোমবার (১৫ অক্টোবর) পূজার ছুটির পরে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা। দৈনিকশিক্ষা ডটকমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব সুব্রত রায় বলেন, পূজার ছুটি সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রতিযোগিতাটির সময় নির্ধরিত হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হবে।

কারণ বিদ্যালয় পর্যায়ে নির্ধারিত ১৭ অক্টোবর বড় পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা। ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও ছুটির মধ্যে বিজয়া দশমীর পরদিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাও পূজার ছুটি সানন্দে উপভোগ করতে পারবেন না। ফলে এ নিয়ে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই নয় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে চাপা অসন্তুষ্টি বিরাজ করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুর

রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের একটি পূজা মণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ইউনিয়নের বিশয় সাওরাইল গ্রামে সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে।
পূজা কমিটির সভাপতি তুষার কুমার দাস বলেন, ‘রোববার রাত ১টা পর্যন্ত আমরা মণ্ডপে পাহারায় ছিলাম।এরপর সবাই বাড়ি ফিরে যাই। সোমবার সকালে মণ্ডপে এসে দেখি দুর্গাসহ অনান্য মূর্তির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এমন করেছে তা বুঝতে পারছি না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আবু ফরহাদ বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও দোষিদের গ্রেফতারে পুলিশি কার্যক্রম চলছে।’
পাংশা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘দুর্গা পূজার প্রথম দিনে এমন ঘটনাটি দুঃখজনক। দ্রুত দোষিদের গ্রেফতারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁস: ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ অক্টোবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশ স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপাচার্য দপ্তরের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসারের পাঠানো ভুল তথ্যের জন্য ‘মঙ্গলবার ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে’ মর্মে সোমবার প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। কিন্তু উপাচার্যের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। ফল প্রকাশের বিষয়ে যথাসময়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

এদিকে ‘ঘ’ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফাঁস হয়েছে বলে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করা এক এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত সেটি বিক্রি হয়েছে বলেও তথ্য মিলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এস এম কামরুল হাসান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২২(২), ৩৩(২) ধারা সহ পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১৩/৪ ধারায় এ মামলা করেন।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, জাহিদুল ইসলাম (৪৫), ইনসান আলী ওরফে রকি (১৯), মো. মোস্তাকিম হোসেন (২০), মো: সাদমান সালিদ (২১), মো. তানভীর আহমেদ (২১), মো. আবু তালেব (১৯)। সবাই বগুড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা রিমান্ডে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মধ্যেরাত থেকে পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত বগুড়ার রাহেমা কোচিং সেন্টারের সাব্বির ও গুগল এডমিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের লিমন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে এবং পরে তিন লাখ টাকায় তা বিক্রি করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় শিক্ষার্থী-সহ অর্ধশত গৃহিনীকে হাত ধোয়ার প্রশিক্ষণ ।।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।কলাপাড়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষার্থী-সহ অর্ধশতাধিক গৃহিনীকে হাত ধোয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে দিবসটি উদযাপন করেন বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থ্যা এফ এইচ এ্যাসোসিয়েশন। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে আমীরাবাদ গ্রামের সকল শিশু-কিশোর এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে “হাত ধোব নিয়মিত থাকবো সবাই স্বাস্থ্য সম্মত” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র্যালী শেষে আলোচনা সভায় এফএইচ এনজিও’র রিজোওনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার গৌতম চন্দ্র দাশ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শ্রী জগদিস চন্দ্র হালদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্যা মমতা রানী, আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ সুজা উদ্দিন প্রমূখ। এসময় ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এবং বিভিন্ন পেশার নারী পুরুষ উপস্তিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে শিশুদের অংশগ্রহনে হাত ধোয়ার তাৎপর্য বিষয়ে উপস্থিত বক্তৃতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়। পরে সেখানে উপস্থিত অর্ধশত গৃহিনীকে স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতিতে হাত ধোয়ার কৌশল হাতেকলমে শিখিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচটি স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতিতে হাত ধোয়া এবং সাংসারিক কাজে স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অবলম্বনের জন্য শপথ পড়ানো হয়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওসির সহযোগিতায় শিক্ষক ফিরে পেলো হারিয়ে যাওয়া সম্পদ

মো. মহিউদ্দিন আল আজাদ: হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন রনির আন্তরিক প্রচেষ্টায় ২০ দিন পর শিক্ষক ফিরে পেয়েছে সিএনজিতে ফেলে যাওয়া ৬ ভরি স্বর্ণ, ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা ও একটি অপ্পো এফ-৯ মোবাইল সেট। শনিবার সন্ধ্যায় স্বর্ণ, টাকা ও মোবাইল সেট শাহাদাত হোসেনকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগির হোসেন রনিসহ থানার সকল কর্মকর্তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন সুধীজন।

থানা সূত্রে জানাযায়, জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষক কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের খীলপাড়া পাটওয়ারী বাড়ীর মৃত মুসলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন তার স্ত্রীসহ ঢাকা থেকে লঞ্চ যোগে চাঁদপুর এসে চাঁদপুর থেকে সিএনজিতে হাজীগঞ্জ আসার পথে বলাখাল বাজারে নেমে যায়। এ সময় ভুলক্রমে সিএনজিতে শিক্ষকের স্ত্রীর ভ্যানেটি ব্যাগটি রয়ে যায়। ব্যাগে নগদ ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণ ও ১টি অপ্পো এফ-৯ মোবাইল সেট ছিল।

পরবর্তীতে তারা বাড়ীতে গিয়ে বুঝতে পারে সিএনজিতে তাদের ভ্যানিটি ব্যাগটি রয়েগেছে। কিন্তু সে সময়ে সিএনজি চালককে আর কোথায় পাওয়া যায়। এদিকে শাহাদাত হোসেন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সিএনজি চালককে না পেয়ে হাজীগঞ্জ থানায় ওই দিন সন্ধ্যায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুদকের কাঠগড়ায় এনসিটিবির কর্তারা, ১৯ লাখ বই মূদ্রণে জালিয়াতি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ বই ছাপানোর দরপত্রের প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনেকদিন ধরেই তদন্ত করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বই মূদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানির এমন অভিযোগে দুদকের কাঠগড়ায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুসন্ধানে দরপত্রে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের বেশকিছু আলামত পেলেও এখনো দুদকের কাছে অনিয়মের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল নেই। ফলে অনুসন্ধান কাজ চলছে ঢিমেতালে।

এরই মধ্যে অভিযোগ অনুসন্ধানে এনসিটিবি ও তারা টিপিএসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম। টিপিএস দাবি করছে, এনসিটিবির সংশ্লিষ্টদের কারণে দরপত্র বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে এনসিটিবি বলছে, চাহিদাকৃত নমুণা কাগজ সংযুক্ত না করার জন্য এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে শিগগিরই দুদক এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে নিতে সক্ষম হবে বলে দুদকের উর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার অর্থায়নে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ের ১০ কোটি ৮৮ লাখ ৪৪ হাজার ৬৩১টি বই ছাপানোর জন্য মোট ২০টি প্যাকেজে ৯৮টি লটে দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে দরপত্রের মধ্যে ১৭টি লটের দরপত্র প্রক্রিয়ায়।

দুদকের অনুসন্ধান পর্যায়ের তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড মোট ২৬টি লটে দরপত্র জমা দেয়। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ মে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এনসিটিবির প্রধান কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অডিটোরিয়ামে সব উপস্থিত দরদাতা ও তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের সামনে দরপত্র উন্মোচন  করে দেখা যায় তারা টিপিএস মোট ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে মনোনীত হয়েছে। লটনম্বর গুলো হলো- ৭০৪, ৭১০, ৭১৩, ৭১৪, ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৮৩,  ৭৮৪, ৭৮৫, ৭৮৬, ৭৮৭, ৭৮৮, ৭৯৩, ৭৯৪ এবং ৭৯৮। ওই বছরের ১ জুন সাত সদস্য বিশিষ্ট দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করেন এবং ৪ জুনের মধ্যে প্রাথমিক মূল্যায়ন কাজ সম্পন্ন করে।

কিন্তু মূল্যায়ন প্রতিবেদনের কপি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড ১৭টি লটে প্রাথমিকভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হলেও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রাথমিক মূল্যায়নের সময় তাদের দরপত্র নেয়া হয়নি। কারণ হিসেবে দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি দরপত্রের সাথে প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের স্যাম্পল জমা দেয়নি। শুধু প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের একটি শিট দরপত্রের সাথে জমা দিয়ে, যাতে লট নম্বর উল্লেখ ছিল না। অথচ বিড ডকুমেন্টের সেকশন-৩ ‘এক্সপেরিয়েন্স ও টেকনিক্যাল ক্যাপাপাসিটি’ অংশে বলা আছে, প্রত্যেক বিডারকে প্রতিটি বিডের জন্য প্রচ্ছদের নমুনা কপি ও প্রিন্টিং পেপারের নমুনা কপির পৃথক তিন সেট দাখিল করতে হবে, যা বিড ইভালুয়েশন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ না হয় তাহলে বিড বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযোগে তারা টিপিএস বারবার দাবি করেছে তারা প্রয়োজনীয় সকল নমুনা কাগজ সংযুক্ত করেছেন। এনসিটিবির সংশ্লিষ্টরা ওই কাগজ সরিয়ে তাদের দরপত্র বাতিল করেছেন। বর্তমানে দুদক এ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে সংস্থাটির উর্ধ্বতন সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে  টিপিএস কোম্পানির বাংলাদেশের প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ সই করা অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা টিপিএস কোম্পানি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের জন্য ৯৮টি লটের মধ্যে ২৬টি লটের ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে। উক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে বিধি ও দরপত্রের শর্তাবলি অনুযায়ী ২৬টি লটের প্রয়োজনীয় পে অর্ডার, ব্যাংক গ্যারান্টি, বাৎসরিক টার্ন ওভার, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কভারেজ ও প্রিন্টিং কপির নমুনা ও অভিজ্ঞতা সনদপত্রসহ এনসিটিবির টেন্ডার বাক্সে দাখিল করে। এরপর ২৬টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা মনোনীত হয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু একটি চক্র তারা টিপিএস কোম্পানিকে টেন্ডারে অযোগ্য প্রমাণ করা জন্য কোম্পানির মূদ্রিতব্য কাগজের নমুনা ও স্যাম্পল কপি দরপত্রে সাথে জমা দেয়নি। অথচ তারা টিপিএস আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে তাদের দাখিলকৃত টেবিল অব কনটেন্টস-এ নমুনা জমা দেওয়ার বিষয় লিপিবদ্ধ করে, যা পরবর্তীকালে যাচাইকালেও সংযুক্তির বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই মধ্যে এ বিষয়টি প্রকিউরমেন্ট এনসিটিবির সচিব ও ন্যাশনাল কারিকুলাম অব টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়া সত্বেও কেন তারা টিপিএসকে কেন কার্যাদেশ দেওয়া হলো না সে বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দুদকের সাহায্য প্রয়োজন। অভিযোগটি ২০১৬ খ্রিসটাব্দের ৪ আগস্ট দুদকের দাখিল করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্য্ন্ত কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র সাহা বলেন, এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। দরপত্রের শিডিউল ও পিপিআর অনুযায়ী যে সকল ঠিকাদাররা বিট করেছে, তারাই কাজ পেয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter