Author Archives: editor

২৩০ জনকে নিয়োগ দেবে মৎস্য অধিদপ্তর

23 april,2017

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তর। ১৯ ধরনের পদে ২৩০ জন প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিককে অস্থায়ীভাবে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদসমূহ:
সেকেন্ড ড্রাইভার ২জন, হিসাবরক্ষক ২০ জন, উচ্চমান সহকারী ২জন, ক্যাশিয়ার ৩ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর ৫ জন, লঞ্চ ড্রাইভার ১জন, সারেং ১জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১০৮ জন, ইলেকট্রিশিয়ান ২ জন, হ্যাচারি টেকনিশিয়ান ২৩ জন, গাড়িচালক ৯ জন, বাবুর্চি ৪ জন, অফিস সহায়ক ২৬ জন, গার্ড বা ফার্ম গার্ড ৯ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ৫ জন, ফার্ম গার্ড বা এমএলএসএস পদে ৪ জন, ডেকহ্যান্ড ৪ জন, কুক কাম বেয়ারার ১ জন এবং ফিশারম্যান ১ জনসহ সর্বমোট ২৩০ জনকে এ নিয়োগ দেবে মৎস্য অধিদপ্তর।

যোগ্যতা:
পদমর্যাদা অনুযায়ী অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণি থেকে স্নাতক পাস
আগামী ২২ মে, ২০১৭ পর্যন্ত ১৮ থেকে ৩০ বছর
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য

বেতন সীমা: আলোচনা সাপেক্ষ

আবেদনের শেষ তারিখ : ২২ মে, ২০১৭ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

আবেদন প্রক্রিয়া:
নির্ধারিত অনলাইন ফরমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত ফরমটি পাওয়া যাবে শুধু মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.fisheries.gov.bd)। অনলাইনে ফরম পূরণের নির্দেশনাও পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটটিতে। অনলাইনে পূরণ করা আবেদন ফরমের প্রিন্টেড কপি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত আবেদনের অন্যান্য নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনপত্র ডাকযোগে পাঠানোর ঠিকানা ‘উপপরিচালক (প্রশাসন), মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা-১০০০’।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ এপ্রিল : শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের দেয়া শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রবিবার নিজ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ডের উপদেষ্টা পরিষদের ৪র্থ সভায় সভাপত্বিকালে এই আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান এ তথ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। তিনি এ প্রসঙ্গে দেশ স্বাধীন হবার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের সময় বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা খাতের প্রসারে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

বৈঠকে বলা হয়, সরকার ২০১৫-২০১৬ শিক্ষা বছরে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মোট ২৪৬৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বিতরন করেছে। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে দুইজন বীরশ্রেষ্ঠ এবং ১০ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করন হচ্ছে ২৮৫ কলেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২ি৩ এপ্রিল: সারা দেশের মোট ২৮৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার। এজন্য ওই সব কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশে জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সচিবের বরাবর রেজিস্ট্রি করা দানপত্র দলিল (ডিড অব গিফট) পাঠাতে নির্দেশ দেয়। সব কলেজের অধ্যক্ষ, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসব কলেজকে সরকারি করতে সম্মতি দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেগুলোতে একটি করে কলেজ সরকারি করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কলেজের আত্তীকৃত হওয়া শিক্ষকেরা আপাতত অন্য কলেজে বদলি হতে পারবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, বর্তমানে সরকারি কলেজ ৩২৭টি। আরো ২৮৫টি কলেজ সরকারি হওয়ার পর মোট সংখ্যা হবে ছয় শতাধিক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৪৬ লাখ নারী-পুরুষ বেকার হয়েও রয়েছে বেকারের তালিকার বাইরে: বিবিএস

ডেস্ক,২৩ এপ্রিল : দেশের ৪৬ লাখ নারী-পুরুষ সত্যিকারের বেকার হয়েও রয়েছে বেকারের তালিকার বাইরে। তবে তাদের বেকার ধরা হয় না বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে। কিন্তু এই ৪৬ লাখ শ্রমশক্তিকে কর্মক্ষম হিসেবে ধরছে বিবিএস।

১৫ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি যদি এক ঘণ্টার জন্য কাজ না করে থাকে এবং এক মাসে কাজ খুঁজে থাকে কিন্তু কাজ না পেয়ে থাকে, তাকে বেকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিদ্যমান সংজ্ঞায় এমন কথাই উল্লেখ রয়েছে। সংস্থাটি থেকে আরও জানা যায়, ১৫ বছরের তদূর্ধ্ব কোনো ব্যক্তি এক সপ্তাহে এক ঘণ্টার জন্য হলেও মজুরির বিনিময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিলে তাকে কর্মক্ষম ধরা হয়।

বিবিএসের সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ বলছে, এই হিসাবে দেশে এখন বেকারের সংখ্যা মাত্র ২৬ লাখ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। আইএলওর সংজ্ঞা ব্যবহার করে জরিপ করে থাকে বিবিএস। আগামী ৩০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করবে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি।

বিবিএসের শিল্প ও শ্রম উইংয়ের যুগ্ম পরিচালক কবির উদ্দিন আহমেদ জানান, এ জরিপে এক সপ্তাহে এক ঘণ্টা কেউ কাজ করলে তাকে বেকার হিসেবে ধরা হয়নি। বলা হয়েছে, ১৫ বছরে ওপরে যারা গত এক সপ্তাহে এক ঘণ্টাও কাজ করেনি এমন বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ।

কিন্তু যারা কাজ করতে চায় বা এক মাসের মধ্যে কাজের খোঁজ করেছিল; কিন্তু পায়নি এ রকম মানুষের সংখ্যা ২৮ লাখ। সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার চেয়ে কম কাজ করে এ রকম খণ্ডকালীন কাজে আছে ১৮ লাখ। আর বেকার আছে ২৬ লাখ। সব মিলিয়ে ধরা হলে বেকার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭২ লাখে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ : আতঙ্কে ১০ লাখ পেশাজীবী

ডেস্ক,২৩ এপ্রিল : আদালতের রায়ে বন্ধ থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ নিয়ে আতঙ্কে আছেন ১০ লাখ পেশাজীবী। এ ছাড়া আতঙ্কে রয়েছেন বন্ধের তালিকায় থাকা তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক লাখ সনদধারী। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে এ ধরনের জাল সনদ দিয়ে অনেকেই চাকরি করছেন বলে অভিযোগ আছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিতে মাঠে নেমেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। চাকরি রক্ষা করতে তারা জোর তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

টিআইবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ৫০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকায় সনদপত্র বিক্রি করছে। গত বছর ঢাকার মালিবাগের আমেরিকা-বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ জাল সনদপত্র উদ্ধার করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের রায়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান আর ঢাকার ফার্মগেট ও বনানীতে বাড়িভাড়া নিয়ে সনদ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া আমেরিকা-বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ লাখ ভুয়া সনদধারী আছেন বিভিন্ন পেশায়। তাদের মধ্যে দারুল ইহসান থেকে অন্তত ১০ লাখ সনদ নেওয়া বলে সরকারি বিভিন্ন প্রতিবেদন ঘেঁটে জানা গেছে।

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া এবং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (সিসিএন) কয়েক লাখ সনদধারী কর্মরত আছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। জানা গেছে, আমেরিকা-বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিগগিরই বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কড়া নজরদারিতে রাখছে সাউথ এশিয়া ও সিসিএনকে। যেকোনো সময় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র  নিশ্চিত করেছে। তিনটি প্রতিষ্ঠানের ‘সনদ’ ক্রেতারা তাই আতঙ্কে ভুগছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেওয়া জাল সনদ নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিদ্যালয়, আদালত ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদে অনেকে চাকরি করছেন। তাদের বেশির ভাগই বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। দারুল ইহসান ও আমেরিকা- বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার এলএলবি সনদধারী সারা দেশে ওকালতি করছেন। তবে বার কাউন্সিলের দাবি-২০১৩ সাল থেকে এ দুটি প্রতিষ্ঠানের এলএলবি সনদধারীদের বার কাউন্সিলের পরীক্ষা দিতে দেওয়া হচ্ছে না।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের একটি প্রকল্পের পাঁচজন কর্মকর্তা জাল সনদধারী বলে অভিযোগ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) দুই কর্মকর্তার তদন্তে ধরা পড়লে তারা ‘বৈধ’ করার জন্য ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ইউজিসির তদন্তে ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাছিমা রহমান ও জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক আতোয়ার রহমান গত বছরের শেষ দিকে চাকরিচ্যুত হন।

গত বছরের ১৩ এপ্রিল দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ করে দেওয়ার চূড়ান্ত রায় দেন উচ্চ আদালত। এ রায়ের আদেশ পুলিশ সদর দফতর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই বছরের ২৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) এক হিসাবমতে, দারুল ইহসানের সনদ নিয়ে শিক্ষকতা করছেন বা বিএড সনদ দিয়ে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে-এমন শিক্ষকদের সংখ্যা পাঁচ লাখের বেশি। তবে ২০১১ সালের পর দারুল ইহসানের কোনো সনদ নেওয়া হচ্ছে না।

ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের অন্তত ৫০ জন শিক্ষকের সনদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টাকার বিনিময়ে কেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবদুুল সালামের বিএড সনদ সম্প্রতি ভুয়া প্রমাণিত হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) তদন্তে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির জাল সনদধারীদের বিষয়ে তদন্তে মাউশিকে নির্দেশ দেয়। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) এলিয়াস হোসেন জানান, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। কী ব্যবস্থা নেবে তা মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার।’

যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল সালাম দাবি করেন, তিনি দারুল ইহসানের সাভারের গণকবাড়ি মূল ক্যাম্পাস থেকে সনদ নিয়েছেন। কিন্তু তদন্ত করা হয়েছে ধানমন্ডি ক্যাম্পাসের ঠিকানায়। বিষয়টির পুনঃতদন্তের আবেদন করেছেন তিনি। কার্যক্রম বন্ধ থাকা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের গণকবাড়ি শাখার সাবেক কয়েক কর্মকর্তা জানান, ‘তাদের দেওয়া সনদের ব্যাপারে প্রায়ই তদন্তে আসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান’।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেনা জাল সনদে চাকরি করছেন এমন ৫৫৬ জন শিক্ষককে গত বছর চিহ্নিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ওই ৫৫৬ জন শিক্ষক বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারি কোষাগার থেকে নেন প্রায় ১৬ কোটি টাকা। এ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান ডিআইএ। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিহ্নিতরা কর্মরত। এ ছাড়া ডিআইএর আরেক প্রতিবেদন মতে, ৬০ হাজার শিক্ষকের সনদ জাল।

বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় মোট কত লাখ সনদ বিক্রি করেছে, এর সঠিক হিসাব নেই। প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৩০ লাখের বেশি সনদ নিয়ে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানে অনেকে চাকরি করছেন। দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কত সালের মধ্যে নেওয়া সনদ বৈধ, তা এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির দুই রকমের বক্তব্য আছে। ইউজিসির চেয়ারম্যান সংবাদমাধ্যমকে গত বছরের শেষের দিকে বলেন, ‘দারুল ইহসান থেকে ২০০৬ সালের পরে নেওয়া সব সনদ অবৈধ’। তবে ২০১১ সাল পর্যন্ত নেওয়া সনদ সঠিক বলে পরে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিষয়টির মীমাংসা না হওয়ায় জটিলতায় আছেন সনদধারীরা। প্রকৃত ভুক্তভোগীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জালিয়াতির দায় শিক্ষার্থীরা বহন করতে পারেন না। চাকরি হারানোর আতঙ্কের পাশাপাশি তারা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুুল মান্নান এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন শিক্ষার্থীরা।’ মাউশি মনে করে-তড়িঘড়ি করে নয়, সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্ত সনদধারীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক চন্দ্র শেখর হালদার জানান, ‘সম্প্রতি বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানের সনদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পালন করবেন তারা।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, আমেরিকা-বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ পূর্ণকালীন কোনো শিক্ষক নেই। সাউথ এশিয়া ও সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ। নিবন্ধন দলিলে বিশ্ববিদ্যালগুলো ঠিক ঠিকানা পর্যন্ত উল্লেখ করেনি। সাউথ এশিয়ার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এইচএসসি পাস। সিসিএনে পূর্ণকালীন শিক্ষক কতজন এ তথ্য ইউজিসির কাছেও নেই। সিসিএনের সংরক্ষিত তহবিলে তিন কোটি টাকা ব্যাংকে এফডিআর রাখার কথা থাকলেও বিভিন্ন সময় তা তুলে নেন উদ্যোক্তারা।

গত বছরের নভেম্বরে ইউজিসি গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকায় সেগুলোর সনদ অবৈধ। বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নামের তালিকা দেয় ইউজিসি। প্রভাবশালী চক্রের চাপে ঘোষণা থেকে সরে এসে আরেক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বলে, ‘ওই ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত সনদ বৈধ হবে এবং শিক্ষার্থীরা সাময়িক সনদ দিয়ে কাজ চালাতে পারবেন।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একটি ওষুধে ওজন কমবে ১০ কেজি!

ডেস্ক,২২ এপ্রিল: স্বাস্থ্য বিষয়ে সবাই এখন সচেতন। ওজন বৃদ্ধি মোটেও ভালো লক্ষণ নয় তাও জানি।

ওজন বাড়তে থাকলে শরীর ভেতর থেকে ভাঙতে শুরু করে। আর চর্বি ডেকে আনে নানা রোগ। তাই নিজের ওজনের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন।

শুধু তাই নয়, এটা শরীরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর টক্সিনকে বের করে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই আয়ুর্বেদিক ওষুধে লেবুর প্রয়োজন পড়ে, যা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এ উপাদানটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়।

অন্যদিকে ওষুধটিতে উপস্থিত মরিচ শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপ কমে। সেই সঙ্গে লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

নিম্নে ওষুধ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী দেয়া হল;

উপকরণ: লেবু ১টা, মধু ১ চা চামুচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চিমটি, মরিচ গুঁড়া এক চিমটি ও পানি ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালী: একটা লেবুকে দুই টুকরো করে রসটা বের করে নিন। এবার লেবুর রসে নির্দেশনা অনুযায়ী উপরের উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এ মিশ্রণে এক কাপ গরম পানি মেশালেই তৈরি হয়ে যাবে ওষুধটি। এরপর ওষুধটি সাধারণ তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ রেখে খেতে পারেন।

তবে ওষুধটি নিয়ম মেনে খেতে হবে। সকালে এ ওষুধটি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন শরীরচর্চার পাশপাশি নিয়ম মেনে এই ওষুধটি খেলে তবেই চাহিদা অনুযার্য়ী আপনার ওজন কমবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অনার্স কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত

গাজিপুর প্রতিনিধি,২২ এপ্রিল : কলেজগুলোতে ৪ বছর মেয়াদি এলএলবি (অনার্স) কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরস্থ মূল ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৮৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ হতে অধিভুক্ত কলেজে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অন ক্যাম্পাস এমবিএ ইনট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কোর্স চালুর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় একাডেমিক কাউন্সিলের এ সভায় অধ্যাপক মাহফুজা খানম, প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন, সমাজতত্ত বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান, সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আসলাম ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. নোমান উর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অষ্টমে যেতে পারছে না প্রাথমিক শিক্ষা!

জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। ছয় বছর আগে শিক্ষানীতিতে তা বলা হলেও বাস্তবায়নে তেমন অগ্রগতি নেই। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন কার্যক্রমে নেই সমন্বয়। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা ও শিক্ষক সংকট দূর করার উদ্যোগ এগুচ্ছে খুব ধীরগতিতে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে বিভিন্ন এলাকায় অনিয়মের অভিযোগও উঠছে। এ নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে রশি টানাটানি চলছে। এতে শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার বোঝা খুদে শিক্ষার্থীদের কাঁধ থেকে কবে সরবে, এর উত্তর নেই প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে।

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার স্তর হলে পাঠ্যসূচি কেমন হবে, তা এখনো জানে না গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই ছাপানোর দায়িত্ব এখনো পায়নি। ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে পাঠ্যক্রম সাজানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও পাঠ্যবই বিতরণের দায়িত্ব হবে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। এ ছাড়া শিক্ষানীতির ঘোষণা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে সারাদেশের ১১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভয়াবহ অবকাঠামো সংকট। গত চার বছরের মধ্যে মন্ত্রণালয় মাত্র সাড়ে সাতশত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছে। দেশে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি। বাকিগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন কত সালের মধ্যে সম্ভব, এ প্রশ্নের উত্তর জানেন না মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

২০১৮ সালের মধ্যে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ অবস্থায় শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত সময়ের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না বলে মনে করেন অভিজ্ঞরা। গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পেলেও প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত করা যাচ্ছে না। মন্ত্রিসভার অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্বে থাকছে।’

তথ্যমতে, প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করতে হবে। যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন কিলোমিটারের মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই, শুধু সেসব বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অনুমোদন দেবে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ কার্যক্রমেও গতি আনতে পারছে না মন্ত্রণালয়। ঢিমেতালে চলছে কার্যক্রমটি। গত চার বছরের মধ্যে মন্ত্রণালয় মাত্র ৭৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করেছে। এর মধ্যে ২০১৩ সালে ৪৯১টি, ২০১৪ সালে ১৯২টি, ২০১৫ সালে ৭৭টি ও ২০১৬ সালে ৪টি।

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, চলতি শিক্ষা বছরে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৩ (পিইডিপি-৩) এর আওতায় সারাদেশে ২০০ বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অবকাঠামোগত কাজ চলছে। গত বছর তিন হাজার ২৪৬টি বিদ্যালয়ে বড় ধরনের মেরামত হয়েছে। ২০১৬-’১৭ অর্থবছরে এক হাজার ৩১৮টি বিদ্যালয়ে বড় ধরনের মেরামত করা হবে। গত বছর দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রতিষ্ঠানে ২৫ হাজার ৪০৪টি কক্ষ নির্মিত হয়েছে। নির্মাণাধীন ছয় হাজার ৪০৭টি আর কার্যাদেশ দেওয়ার অপেক্ষায় আছে পাঁচ হাজার ৩৫৯টি। এমন ধীরগতিতে কার্যক্রম চলতে থাকলে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীতকরণ কখন শেষ হবে, এ প্রশ্নের ঠিক উত্তর প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও দিতে পারছেন না।

অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত হওয়া বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাত্র ৫০০টিতে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান হচ্ছে। এসব বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই পড়ানোর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ পর্যন্ত কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। কোনো বিদ্যালয়েই নেই বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক। নতুন শিক্ষক নিয়োগও দেওয়া হয়নি। সারাদেশের বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক সংকট। ফলে অনেক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে, ঢাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে মান সম্পন্ন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বিভিন্ন ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দশটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চলতি সময় থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে বিদ্যালয়গুলো ৬৭৪ কোটি টাকা খরচে স্থাপন করা হবে বলে জানায় মন্ত্রণালয় সূত্র। এ অবস্থায় ২০১৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার কার্যক্রম শুরু করা যাবে কি না, এ প্রশ্নও উঠছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সরকারি মাধ্যমিক-১) সমীর কুমার বিশ্বাস জানান, ‘দশটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে প্রান্তিক শিক্ষার্থীর সুযোগ-সুবিধা থাকবে। নবীনগর, ইপিজেড, ধামরাই, পূর্বাচল, হেমায়েতপুর, জোয়ারসাহারা, সাইনবোর্ড, চিটাগাংরোড, শাহজাদপুর ও ঝিলমিল এলাকাগুলোতে দশটি বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’

শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে গত বছরের ১৮ মে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় শিক্ষামন্ত্রী ও গণশিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে তা গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন। এরপর ২১ জুন গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে আর সমাপনী পরীক্ষা হবে না।’ মন্ত্রী এমন প্রতিশ্রুতি দিলেও এর বাস্তবায়ন হয়নি। গতবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারও এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথািমক শিক্ষার স্তর ঘোষিত হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণি শেষে সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। এ পরীক্ষা কবে বন্ধ হবে, তা এখনো বলতে পারছে না গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লালমনিরহাটে জাতীয়করনকৃত দুই শিক্ষক বরখাস্ত

লালমনিরহাটপ্রতিনিধি,২২এপ্রিল:   লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের গবাই মধ্যপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও তহমিনা খানম এর জাল সনদ প্রমানিত হওয়ায় সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বরখস্ত করেন।

সরকারি গেজেটে নতুন বিদ্যালয়টিকে দ্বিতীয় ধাপে সরকারী করন করা হয়। চাকুরী নেওয়ার সময় জাহাঙ্গীর আলম আলিম পাস ও উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ পাস এর জাল সনদ জমা দেয়। তহমিনা খানম ১৯৯৩ সালে ফকিরের তকেয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন কিন্তু তা গোপন করে ১৯৯৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার জাল সনদ দিয়ে সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকুরীতে যোগদান করে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর অভিযোগ করেন। তার প্রেক্ষিতে জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আল ইমরানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

উক্ত কমিটির তদন্ত পুর্বক গত ১০ এপ্রিল জেলা শিক্ষা অফিসে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তে আনিত অভিযোগ প্রাথমিক ভাবে প্রমানিত হওয়ায় ঐ ২ জন শিক্ষককে সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল ) বিধি- ১৯৮৫ এর বিধি-১১ (১) অনুযায়ী চাকুরী হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্তের লিখিত আদেশ দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীর অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি টাকা সঞ্চয়

নওগা প্রতিনিধি,২২ এপ্রিল : নওগাঁ জেলায় ৩৩ ব্যাংকের স্কুল ব্যাংকিং কর্মসূচির আওতায় মোট ২৫ হাজার ৫৮৭ শিক্ষার্থীর হিসাবে ৫ কোটি ৪৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা সঞ্চিত হয়েছে।

২২ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১টায় নওগাঁ জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত স্কুলব্যাংকিং মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

এই কর্মসূচির লিড ব্যাংক হিসেবে দায়িত্বরত মার্কেন্টাইল ব্যাংক নওগাঁ শাখার আয়োজনে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক নওগাঁ শাখা ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নওগাঁর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আদিল রায়হান উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় নওগাঁ জেলায় দায়িত্বরত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক, এনআরবিসি, ব্যাংক এশিয়া, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ইউসিবি ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক , ব্র্যাক ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, পুবালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সাউথ ইষ্ট ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের পক্ষ থেকে স্ব স্ব ষ্টলে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রদর্শন করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুষ্টিয়ার সহপাঠীর ব্যাটের আঘাতে মাদ্রাসাছাত্র নিহত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি,২২ এপ্রিল: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সহপাঠীর ব্যাটের আঘাতে হাসিবুল ইসলাম (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত হাসিবুল ইসলাম উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের গোলাবাড়ি দাখিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্র ও একই গ্রামের এজাজুল হকের পুত্র।

স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকালে স্থানীয় মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে গোলাবাড়ি গ্রামের রানা হোসেনের ছেলে রাজন সহপাঠী হাসিবুল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজন ক্ষুব্ধ হয়ে হাতে থাকা ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে বন্ধু হাসিবুল ইসলামের মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দৌলতপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসিবুল ইসলামকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানেও তার অবস্থার অবনতি হলে হাসিবুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর থানার ওসি আহমেদ কবীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে প্রধান অভিযুক্ত রাজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মায়ের আপত্তির পরও উঠানো হবে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীর লাশ

ইবি প্রতিনিধি,২২ এপ্রিল: ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী রাউধা আথিফের লাশ উঠানো হবে আগামী সোমবার। পুনঃময়না তদন্তের জন্য রাউধার লাশ উঠানোর পর রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে তার ময়নাতদন্ত করা হবে।

এজন্য তিন সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে লাশ উঠানের ব্যাপারে সিআইডিতে ফোন করে মালদ্বীপ থেকে আপত্তি জানিয়েছেন রাউধার মা। বৃহস্পতিবার সকালে রাউধার মা সিআইডির পরিদর্শক আসমাউল হককে ফোন করে জানান, তার মেয়ের লাশ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্ত করা হোক, এমনটি তিনি চান না।

শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসমাউল হক বলেন, কোনও মা-বাবাই চান না সন্তানের লাশ দ্বিতীয়বার উঠানো হোক। তবে তদন্তের স্বার্থে লাশ উঠানো হবে। এছাড়া এই মামলার বাদী রাউধার বাবা ডা. মোহাম্মদ আথিফের কোনও আপত্তি নেই। তাই তার বিষয়টি আমলে নেওয়া হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ দুপুরে রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ছাত্রী হোস্টেল থেকে রাউধার লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ৩০ মার্চ রাউধার লাশ দেখতে রাজশাহীতে আসেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত আয়েশাথ শান শাকির এবং তার মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। ৩১ মার্চ মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। রাউধা আত্মহত্যা করেছে উল্লেখ করে বোর্ড ময়না তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

মালদ্বীপের নাগরিক রাউধা আথিফ পড়ালেখার পাশাপাশি মডেলিং করতেন। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে বিশ্বখ্যাত ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনের ভারতীয় সংস্করণে আরও পাঁচ মডেলের সঙ্গে রাউধাও ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার

ডেস্ক,২২ এপ্রিল : পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েরর ভর্তি পরীক্ষার সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার ও উক্ত চক্রের হাতে অপহৃত হওয়া এক ছাত্রকে উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইলের র‌্যার। গ্রেফতারকৃতরা হলো নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার এওজবলীয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন ওরফে রোকন (২৬), পশ্চিম নরতমপুর গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে রুবেল (২৭), কাটালিয়া আটা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আক্তারুজ্জামা ওরয়ে খোকন (২১) এবং টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার শ্যামলী মাষ্টার পাড়া গ্রামের আজমান আলী সরকারের ছেলে জাকারিয়া সরকার (২২)। এরা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী। উদ্ধার হওয়া অপহৃত হচ্ছে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানার খিরগাতি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সিকার মো: সালেহ ওরফে সৌরভ। গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার ণীলক্ষেত এলাকায় র‌্যাব এ অভিযান পরিচালনা করে।

আজ শনিবার টাঙ্গাইল র‌্যাব অফিসে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব ১২ এর তিন নং কোম্পানী কমান্ডার বীনা রানী দাস জানান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্রের হাতে অপহৃত হওয়া ছাত্র সৌরভের পিতার দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার নীলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচচ্ছুক শিক্ষর্থীদের কাছ থেকে তাদের মূল মার্কশিট, সার্টিফিকেট ও প্রবেশ পত্রের মূল কপি সংগ্রহ করে। এরপর শিক্ষর্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে ফরম পুরনের আইডেন্টিফেশন নম্বর সংগ্রহ করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে ফটোশপের মাধ্যমে ছবি পরিবর্তন করে মুল পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্য এক মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে চক্রটি। যদি কোন ভর্তি পরীক্ষার্থী টাকা দিতে অক্ষম হয় তাহলে তাকে অপহরন করে টাকা আদায় করা হয়।

এই চক্রের হাতেই অপহৃত হয়েছিল হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুিক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থী টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানার খিরগাতি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সিকার মো: সালেহ ওরফে সৌরভ ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Pig organs using to treat newborn babies with birth defects

Newborn babies suffering from birth defects will be treated with altered pig organs as doctors in Britain become the first in the world to use the procedure.

The procedure will be conducted next year on about ten babies suffering from oesophagus astresia, a rare condition where the upper section of the gullet does not connect to the stomach, making it difficult to swallow and can quickly lead to more serious problems, including choking and pneumonia.

The babies, will receive transplants from pig organs which will be modified using the child’s own stem cells.

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চিতলমারীতে ৮৬ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট,২২ এপ্রিল ॥ বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। শনিবার বাহির দশমহল সংস্কারমূখী হিন্দু সমাজের উদ্যোগে চরবানিয়ারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বর্ষ বরণ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এলাকার ১৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৫শ টাকা করে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। কমল কৃষ্ণ মজুমাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সুখময় ঘরামী, পীযূষ কান্তি রায়, পঞ্চাণন বাড়ৈ, রনজীৎ বাড়ৈ, অমল মজুমদার, সুনীল মজুমদার, ক্ষিতিশ চন্দ্র রানা প্রমূখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail