Home » Author Archives: editor (page 2)

Author Archives: editor

টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পাচ্ছেন না জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকরা

‌নিজস্ব প্রতি‌বেদক,২৯ সে‌প্টেম্বরঃ
সরকারি হওয়ার দিন থেকেই চাকরিকাল গণনা ধরেই টাইম স্কেল দেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ফলে চাকরির শুরু থেকে পঞ্চাশ শতাংশ চাকরিকাল হিসেবে কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না নব্য জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আর যারা ৫০ শতাংশ চাকরিকাল ধরে টাইম স্কেল নিয়েছেন তাদের অতিরিক্ত টাকাও ফেরত দিতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পত্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠি হিসাব মহাপরিদর্শকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের সময় তিন দফায় ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। প্রথম দফায় ২০১৩ সালে এবং আরও দুই ধাপে ২০১৪ সালের মধ্যে জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকৃত প্রাথমিক শিক্ষকরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির শুরুর সময় থেকে চাকরিকাল অর্ধেক গণনা করে টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেড দাবি করে আসছিলেন।

২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী চাকরির ১০ বছরে এবং পরবর্তী ৮ বছরের উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণ করে সরকার। সেই হিসেবে জাতীয়করণের পর থেকে কোনও শিক্ষকের ১০ বছর পূর্ণ হয়নি। ফলে চাকরির শুরু থেকে চাকরিকাল গণনা না করলে সিলেকশন গ্রেড পাবেন না কোনও শিক্ষক। এই কারণে জাতীয়করণের আগে চাকরির শুরু সময় থেকে চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড দাবি করেন শিক্ষকরা। এই দাবিতে উচ্চ আদালতে অনেকগুলো মামলাও করেছেন তারা। মামলাগুলো চলমান রয়েছে।

অর্থ বিভাগের উপ-সচিব রওনক আফরোজা সুমা স্বাক্ষরিত গত ২৪ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে জানানো হয়, জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়করণের আগের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড প্রদানের কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। অর্থ বিভাগের ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ১৫৫ নম্বর স্মারকের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ আলোচ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়। ফলে এ সংক্রান্ত পত্রালাপে আরও সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা ছিল। অর্থ বিভাগের জারি করা গত ১২ আগস্টের সিদ্ধান্ত সঠিক আছে। বিধায় সেই অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

অর্থ বিভাগের গত ১২ আগস্টের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয়করণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ -এর বিধি ২(গ) উল্লেখিত ‘কার্যকর চাকরিকাল’ একই বিধিমালার বিধি ১০-এ উল্লিখিত শুধু পেনশন গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ না করে উল্লিখিত বিধিমালার ২(গ), ৯ এবং ১০ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ৫ জুন জারি করা পরিপত্রের টাইম স্কেল গণনা সংক্রান্ত ৩.০১ অনুচ্ছেদ বিধিসম্মত নয়। বিধায় এ সংক্রান্ত মঞ্জুর আদেশ সংশোধনপূর্বক অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ কর্মচারীদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত বিষয়ে আর্থিক সংশ্লেষ ছিল বিধায় অর্থ বিভাগের সম্মতি ছাড়া হিসাবরক্ষণ অফিসগুলো টাইম স্কেল প্রদান সংক্রান্ত বিল পাস করা জিএফআর বিধি ৫০ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিধায় মহা হিসাব নিয়ন্ত্রককে দায়ী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অতিরিক্ত পরিশোধিত বিধি মোতাবেক আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমসি কলেজে ধর্ষণ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

‌বি‌ডি নিউজ:
স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজে বেড়াতে যাওয়া এক নববধূকে ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তিন সদস্যেরর ওই কমিটি গঠন করে সোমবার আদেশ জারি করেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

মাউশির সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালককে (কলেজ) সদস্য এবং মাউশির সহকারী পরিচালককে (কলেজ-১) সদস্য সচিব করা হয়েছে ওই কমিটিতে।

আদেশে বলা হয়েছে, “এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সংঘটিত ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না তা সরেজমিন তদন্ত করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দায় দায়িত্ব নিরুপণ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।”

কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

‌ডেস্ক,২৭ সে‌প্টেম্বরঃ

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মারা গেছেন। রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মুত্যু হয়।

বাবার মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে অ্যাটর্নি জেনারেলের ছেলে সুমন মাহবুব ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এর আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় গত ৪ সেপ্টেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। পরে অবশ্য তিনি করোনামুক্ত হন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল জ্বর অনুভব করেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে করোনা পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। একইদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করণকৃত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল বাতিল

‌নিজস্ব প্র‌তি‌বেদক,২৭ সে‌প্টেম্বরঃ জাতীয়করণকৃত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল বাতিল ও এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত টাকা ফেরতের বিষয়টি পূনর্বিবেচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিলো অর্থ মন্ত্রণালয়।

 

মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব রওনক আফরোজা সুমা স্বাক্ষরিত ২৪ সেপ্টেম্বরের পত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি পূণর্বিবেচনার প্রস্তাব নাকচ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও হিসাব মহানিয়ন্ত্রক কে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিগত ১২ আগষ্ট তারিখের পত্রে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেল বিধিসম্মত নয় বলে এ বাবদ গৃহিত অর্থ আদায়ের নির্দেশনা দেয়া হয়।

নির্দেশনা পূনর্বিবেচনা করে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ( চাকরীর শর্তাদি নির্ধারণ ) বিধিমালা ২০১৩ এর ২ (গ ) ৯ এর ( ১,২,৩ ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৮৮৯ নং পত্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৫৫ নং পত্রের আলোকে সহকারী শিক্ষকদের টাইমস্কেল এবং প্রধান শিক্ষকদের উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে দেয় টাইমস্কেল বৈধ মর্মে মতামত প্রদান করে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরন করা হয়। অতিরিক্ত মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক ফাতেমা ইয়াসমিন এর ৬ সেপ্টেম্বর তারিখের পত্রে এ মত প্রদান করা হয়।

অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বর তারিখের পত্রে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে মন্ত্রণালয় হতে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের টাইমস্কেল বা সিলেকশনগ্রেড প্রদানের জন্য কোন পত্র প্রদান করা হয়নি৷ এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ১৫৫ নং পত্রটি বিষয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

পত্রে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পত্রালাপে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন ছিল।

এ পত্রের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের ১২ আগস্ট তারিখের ৯২ নং পত্রের আলোকে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেল বাতিল ও এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ব্যাবস্থা গ্রহনের আদেশটি বহাল রইল।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘সম্মানিত সহজ সরল নবজাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে,আইনের অপব্যাখ্যা দিয়ে সরকারি প্রচলিত আইন ও বিধির বাইরে টাইমস্কেল নেয়ানো এবং পদোন্নতি ও জৈষ্ঠতা নিয়ে ৫০% সিনিয়রিটি কাউন্ট করার বিষয়ে কিছু নবজাতীয়করণকৃত নেতৃবৃন্দ শতশত মামলা করে নিরীহ শিক্ষকদের অনেক ক্ষতি করেছেন,বিভিন্ন অফিসে দেয়ার নামে বিধিবর্হিভূতভাবে শিক্ষকদের অর্থ নিয়ে কিছু কর্মকর্তাদের লাভবান করেছেন এবং তারা নিজেরা লাভবান হয়েছেন,সাধারণ শিক্ষকদের বিপদের মধ্যে ফেলেছেন।যা অত্যন্ত দুঃখজনক।আমরা অবশ্যই প্রচলিত আইন এবং বিধি মোতাবেক তাদের দাবী ও অধিকারের সাথে একমত।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি হচ্ছে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত!

ডেস্ক,২৭ সেপ্টেম্বর:
করোনা সংক্রমণরোধে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত ১৭ মার্চ থেকে কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি চলমান রয়েছে। তবে নতুন করে জানা গেছে, আবারও বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

আরো খবর

প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন করে আরো কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের টেকনিক্যাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘোষণা দেয়া হবে বলে।

তবে সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরো ১৫ দিনের মতো ছুটি বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে, সেই হিসেবে ছুটি ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত হবে। তবে এটি একমাসও বৃদ্ধি করা হতে পারে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ছুটি বাড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আগামী ৩ অক্টোবরের আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণা দেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কতদিন বাড়ানো হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, টেকনিক্যাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি বাড়ানো হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে শতভাগ করোনামুক্ত হওয়া সম্ভব নয়, শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কতটা সফলতা আসছে সে বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। বর্তমানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের সকল প্রতিষ্ঠান সচল হয়েছে। তাই শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের সেশনজটের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে কি না সেটিও আমাদের ভাবতে হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, করোনার বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে কয়েক ধাপে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধ রয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি ৩ দিন দাবি, না মানলে কঠোর আন্দোলন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপুজায় তিন দিনের সরকারি ছুটির দাবিতে মানববন্ধন করেছে চট্টগ্রামের সচেতন হিন্দু সমাজ। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এ কর্মসূচিতে ১৫টির বেশি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে ৩ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানানো হয়। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন হিন্দু সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া আগামী ৮ অক্টোবর বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবন অভিমুখে সত্যাগ্রহ পদযাত্রা (লংমার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আরো খবর

প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

বক্তারা বলেন, সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ সুবিধার বিধান থাকা সত্ত্বেও এদেশের হিন্দু সম্প্রদায় সে সুযোগ সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপুজা। সারাবছর তারা এ উৎসবের দিকে চেয়ে থাকে। পরিবারের সবাই এই ধর্মীয় উৎসবেই একত্রিত হওয়ার জন্য উন্মুখ থাকে; অথচ শুধু পূজার শেষের দিন অর্থাৎ বিজয়া দশমীর ১ দিন সরকারি ছুটি থাকায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ধর্মীয় উৎসব পালন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন। তাই এদেশের হিন্দু স¤প্রদায় সবসময় সরকারের কাছে দুর্গাপূজায় ৩ দিনের সরকারি ছুটি দাবির জানিয়ে আসছে। বক্তারা আসন্ন দুর্গাপূজায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতেরও দাবি জানান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সচেতন হিন্দু সমাজের আহ্বায়ক রিপম দাশ শেখর। টিটু শীল অর্পের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন চমিকের কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন, পুলক খাস্তগীর, রুমকি সেনগুপ্ত, রমনা কালী মন্দিরের উপদেষ্টা মিলন শর্মা, অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী, সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ, ডা. কথক দাশ, সুজিত সরকার, প্রিতম দেবনাথ, রুবেল কান্তি দে, বিশ্বজিৎ সরকার, বাপ্পীদেব বর্মণ, লিংকন তালুকদার, অশোক চক্রবর্তী, অমিত ধর, রুবেল কান্তি দেবনাথ, বিকাশ কান্তি দাশ, উত্তম কুমার দে, মিন্টু দেবনাথ, নেপাল শীল, কমলেন্দু শীল, গোপাল দাশ টিপু, লিপ্টন দেবনাথ, রিপন দাশ, ছোটন চৌধুরী রয়েল, রিপন ঘোষ, রাজু দাশ, রবিন পাল, অভিজিৎ দেবনাথ প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শুরু হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ সেপ্টেম্বর:
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজ করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও। তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে গত তিন সপ্তাহ ধরে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নেমে এসেছে, অর্ধেকে নেমে এসেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। পরীক্ষার সংখ্যা অনেক কম হলেও পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হারও নেমে এসেছে দৈনিক ১০% এর কাছাকাছিতে।

আরো পড়ুন
প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

খোঁজে জানা গেছে, করোনা মহামারীর মধ্যে এখন পর্যন্ত যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর অন্যতম হলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। মহামারীর কারণে ইতোমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা। আটকে আছে এইচএসসি পরীক্ষাও। সার্বিক বিবেচনায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলেই মনে করছেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের অনেকে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে আবারও বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে এমনটাই আভাস পাওয়া গেছে।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ থেকেও । গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের জন্য প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সে সেময় গণমাধ্যমকে জানান, ‘‘অক্টোবর ও নভেম্বরকে দুটো টার্গেট করে দুটি লেসন প্ল্যান তৈরি করেছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নভেম্বর থেকে সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। অক্টোবরে খোলার বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশনা নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি নভেম্বরে স্কুল খোলা না যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেটি বলেছেন, আমাদের অটো পাস ছাড়া উপায় নেই।’’

অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে না বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ যারা আছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলতে পারবেন। তবে আমরা যেটা মনে করি যে, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি যতদিন উচ্চমাত্রায় থাকবে ততদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে করি না। কারণ, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সম্পদ। তাদেরকে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব প্রতিষ্ঠান আছে যেমন:- জাদুঘর, পাবলিক লাইব্রেরি, এগুলো খোলার আগে আরেকটু সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সেক্ষেত্রে শুধু নিজেদের দেশের নয় বরং আশেপাশের দেশগুলো বিশেষ করে যেসব দেশে সংক্রমণের মাত্র অনেত বেশি তারা কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটাও দেখার দরকার আছে। অর্থাৎ, করোনা পরিস্থিতি আমাদেরকে যে অবস্থায় নিয়ে এসছে সেটি নিয়ে আমাদেরকে নিজেদের অভিজ্ঞতাকে বিশ্ব অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়াটা বাঞ্ছনীয়।

তিনি আরো বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে সেটাও তাৎপর্যপূর্ণ। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ শীত আসন্ন। শীতের সময় সর্দি, কাশি এগুলো আরো বেড়ে যায়। যদি সেগুলো বেড়ে যায় আর করোনার সংক্রমণও থাকে তাহলে পরিস্থিতিতে যে জটিলতার দিকে যাবে সেটি সহজেই বোঝা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদেরকেও জীবনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে বিভিন্ন অবস্থান থেকে হল বা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার মতো বিভিন্ন দাবি তারা তোলে। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা। তাদের সাথে সাথে তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যও সংশ্লিষ্ট। এখনও আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পুরো মাত্রায় অর্জনের পথে আছি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, শেষমেষ দুর্ভোগ-ভোগান্তি শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের উপরেই বড় আকারে বর্তায়। এ বিষয়সহ আরো অনেক কিছু ভেবেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

শীতে করোনার সম্ভাব্য প্রকপের বিষয়ে গুরাত্বারোপ করে ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ইউরোপ আমেরিকার শীতের সাথে আমাদের শীতের বিশেষ পার্থক্য থাকলেও শীতের বিষয়ে জীববিজ্ঞানী, ভাইরাসবিশেষজ্ঞরা যেটি বলেছেন সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।

শীতকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আরো কঠিন হয়ে পড়ে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তনের জায়গাটি, সেটিকে আমাদের উপেক্ষা করার কোনো কারণ নেই।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময় পাঠদানের ধারাবাহিকতা রাখতে সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদান অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও চলছে অনলাইন পাঠদান প্রক্রিয়া।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমি‌কের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

৮০% জোষ্ঠতা ও ২০% সরাসরি নিয়োগেরে মাধ্যেমে
নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারো প্রধান শিক্ষকদের সরাসরি পদোন্নতি দেয়ার কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে করে প্রধান শিক্ষকদের পরবর্তী পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। অর্থাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থেকে উপজেলা/থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির পাওয়ার বদ্ধ দ্বার খোলার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এর আগে ১৯৯৪ সালে পদোন্নতির এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ৮০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক পদ থেকে পদোন্নতি দেয়া হলেও বাকি ২০ শতাংশ বাইরে থেকে উন্মুক্ত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেয়ার খসড়া করা হয়েছে। এ জন্য দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও প্রধান শিক্ষকদের সরাসরি পদোন্নতি দেয়ার উদ্যোগ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক থেকে পরবর্তী পদে পদোন্নতির সুযোগ থাকলেও ১৯৯৪ সালে পদোন্নতির এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। কেন বন্ধ করা হয়, তার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সেটি আবার চালু হচ্ছে। তিনি বলেন, একটি সমন্বিত চাকরিবিধিমালা তৈরির মাধ্যমে আবারও সেটি চালু করা হবে। এক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদের ৮০ শতাংশ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি এবং ২০ শতাংশ সরাসরি প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দিতে একটি খসড়া বিধিমালা তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক উন্নয়ন সচিব কমিটিতে এটি যাবে। সেখানে খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা হবে। পরবর্তীতে এটি চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

খসড়া নীতিমালায় সহকারী শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ‘উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার’ পদে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। এ প্রসঙ্গে আকরাম আল হোসেন বলেন, কেউ কোনো ব্লক পোস্টে আটকে থাকুক, সেটি চাই না। এতে কোনো প্রণোদনা থাকে না। শিক্ষকরাও ধাপে ধাপে উপরের পদে পদোন্নতি পাবেন। এজন্য পদোন্নতির সোপান তৈরি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা বর্তমানে দুটি শর্ত পূরণ করে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ‘উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার’ পদে পরীক্ষা দিতে পারেন। শর্ত দুটি হলো- শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ও বয়স ৪৫ বছরের মধ্যে। এভাবে অতীতে অনেক শিক্ষকই সুযোগ পেয়েছেন কর্মকর্তা হওয়ার। ১৯৮৫ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক, পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ ছিল। ১৯৯৪ সালে নিয়োগবিধি সংশোধনের পর শিক্ষকদের এভাবে কর্মকর্তা হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে ‘সমন্বিত নিয়োগবিধিমালা-২০২০’। বাংলাদেশ সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন
এতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে শুধু প্রধান শিক্ষকদের জন্য এ সুযোগ রাখা হয়েছে। এতদিন প্রধান শিক্ষকরা ব্লক পোষ্টে চাকুরি করত।

তিনি আরো বলেন, ‘ শুধু সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি চালু ছিল। এবার প্রধান শিক্ষক থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদোন্নতি চালু হলে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন সাধিত হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন বয়সের বাধা সেখানে না থাকে। প্রধান শিক্ষক হিসাবে যেন ৫৮ বছর বয়সেও পদোন্নতি দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি সহকারী শিক্ষক থেকে শতভাগ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সব পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করলে আমাদের মধ্যে তৈরি হওয়া হতাশা কেটে যাবে। সকলে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা করবেন।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘আগে প্রধান শিক্ষকদের সব পদে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়োগবিধি সংশোধন করায় সেই পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। ফলে একই পদে থেকে চাকরিজীবন শেষ করতে হবে। প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির জন্য ৪৫ বছর জুড়ে দেয়ায় থানা শিক্ষা কর্মকর্তা হওয়ার পর তাদের অবসরে চলে যেতে হবে। এটা খুবই দুঃখজনক।’

এদিকে খসড়া নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দুই হাজার ৫৮৯টি পদে নিয়োগে ৮০ শতাংশ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ২০ শতাংশ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণযোগ্য। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বোঝাবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগে বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চুল পড়ার জন্য দায়ী যেসব খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ সেপ্টেম্বর:
যেসব সমস্যা আমাদের জন্য ভীষণ কমন, তার একটি হলো চুল পড়া। এই সমস্যায় ভুগছেন না বা কখনো ভোগেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। চুল আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশ করে। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। এই চুল পড়া নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আবার নানারকম পদ্ধতির প্রয়োগ করেও মেলে না সমাধান।

ধুলোবালি কিংবা আবহাওয়ার প্রভাব কিংবা জীবনযাপনের ধরন তো আছেই, সেইসঙ্গে চুল পড়া সমস্যার জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসও অনেকটা দায়ী। চুল যদি ভেতর থেকে পুষ্টি না পায় তবে বাইরে থেকে যতই যত্ন নেয়া হোক না কেন, সমাধান মিলবে না। সেজন্য নজর রাখতে হবে খাবারের তালিকায়ও। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, চুল পড়া বন্ধ করতে হলে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে।

মিষ্টি খাবার লোভনীয়, তাতে সন্দেহ নেই। তাই অতিরিক্ত চিনি বা রিফাইন্ড ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। ব্লাড সুগার বাড়লে অ্যান্ড্রোজিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে হেয়ার ফলিকল নষ্ট করে দেয়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও হাইডারোজেনেটেড অয়েল রয়েছে, চেষ্টা করুন সেসব এড়িয়ে চলার। এই তেল স্ক্যাল্পে জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে, যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। এর বদলে ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে এমন খাবার রাখুন তালিকায়। বেকড খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।

খাবার তালিকা থেকে অতিরিক্ত পারদযুক্ত মাছ বাদ দিন। ভেটকি বা টুনা জাতীয় মাছ বেশি খাবেন না। তার বদলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুল বাড়তে সাহায্য করে।

জিঙ্ক আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতিরিক্ত বিয়ার বা ওয়াইন পান করলে জিঙ্ক হজম করতে অসুবিধে হয়। বেশি পরিমাণ মদ্যপান সাধারণভাবেই চুলের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

কী খাবেন?
আমাদের চুলের জন্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ খুবই প্রয়োজনীয়। ডিম, মাংস, বিনস, মাশরুম, ড্রাই ফ্রুটস, সবুজ শাক সবজি যেমন পালং শাক ইত্যাদি আয়রন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য আয়রন এবং জিঙ্ক প্রয়োজনীয় দুটি খনিজ পদার্থ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির মধ্যে জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভা করে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সারাদেশের মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিয়ম করেছি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে প্রথম ধাপে জেলা পর্যায়ের ২৫ শতাংশ বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন। আরও অনেক জেলার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা সে সব পরামর্শ দেবেন, তার আলোকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ে সভা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিবেচনার মাধ্যমে কবে থেকে বিদ্যালয় খোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে-মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন ঘোষণার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন। প্রথম ধাপে রাজধানী ঢাকার স্কুলগুলো না খুলে মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খোলার পরামর্শ এসেছে। শহরের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকালেও এসব শিক্ষার্থী টিভি, রেডিওসহ নানা মাধ্যমে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মফস্বলের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা টিভি-রেডিও ক্লাসের সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের গাইডলাইন তৈরি আগামীকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরি করা হচ্ছে। এ জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সব শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান সভায় বসবেন। সেখানে পরীক্ষা শুরুর একাধিক প্রস্তাব তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা ছয় মাস পিছিয়ে গেলেও করোনার কারণে এখনো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সবকিছু ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক হওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষাবোর্ড। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান সভায় বসছেন। সেখানে কখন কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া যায় সে বিষয়ে প্রস্তাবনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেটি অনুমোদন হলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।

জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর স্বল্প পরিসরে পরীক্ষা নেয়া। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে জেএসসি-এসএসসি এবং কলেজের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের মূল্যায়নের ওপর ফল (গ্রেড) ঘোষণা দেয়া যেতে পারে। অথবা আগামী মার্চ পর্যন্ত এ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষার প্রস্তাবও তৈরি করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সচিব তপন কুমার শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে এইচএসসি পরীক্ষা কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে। পরীক্ষা কবে ও কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ, করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে। এছাড়া স্কুলে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়েও সভায় আলোচনা হবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা কবে শুরু করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আসছে হোয়াটসঅ্যাপের আপডেট, যা থাকছে

ফেসবুকের মালিকানাধীন ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ প্রায়ই তার ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন আপডেট নিয়ে আসে। বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন, দ্রুতই আসছে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার, যেখানে ডেস্কটপ বা ওয়েব সংস্করণে যুক্ত হচ্ছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সুবিধা।

হোয়াটসঅ্যাপের নতুন আপডেটে কী থাকছে, তা অফিশিয়ালি এখনো জানা না গেলেও ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ওয়েবে ফিঙ্গার প্রিন্ট সুবিধা ছাড়াও আরো যা থাকতে পারে সে তথ্য :

* আসন্ন আপডেটে হোয়াটসঅ্যাপে থাকতে পারে বিভিন্ন রিংটোন সেট করার সুবিধা। যার ফলে ব্যবহারকারীরা স্বতন্ত্র কল ও গ্রুপ কলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে।

* ডেস্কটপ বা ওয়েব সংস্করণের পর আপডেটে অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণেও ব্যাকগ্রাউন্ড ডুডল পরিবর্তনের সুযোগ পেতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

* অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে কল ধরা ও কল করার সিস্টেম আপডেট করা হবে।

* স্টিকার ও অ্যানিমেটেড স্টিকারগুলোতে আসছে পরিবর্তন। থাকবে একাধিক লুপ।

* ব্যবসায়ী অ্যাকাউন্টের জন্য শিগগিরই হোয়াটসঅ্যাপ শর্টকাট অ্যাক্সেস যুক্ত করতে পারে। ফলে তাৎক্ষণিক দেখা যাবে পোর্টফোলিও। এ ছাড়া অ্যাপে একটি নতুন কল বোতাম যুক্ত হতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্টেশনারি ব্যবসায় ধস

ডেস্ক,২২সেপ্টেম্বর:স্টেশনারি ব্যবসা, দেশে নীরব একটি চলমান ব্যবসা। যাতে কোনও শোরগোল নেই, কিন্তু চাহিদা প্রায় সারা বছরই সমান থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে ছয় মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই ব্যবসাটি প্রায় ধ্বংসের পথে। শুধু তাই নয়, স্টেশনারি পণ্যগুলোর উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত অনেকেই এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে নীলক্ষেত ও পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানাগুলো ঘুরে দেখা গিয়েছে, খুব একটা হইচই নেই পাইকারি দোকানগুলোতে। মাঝে মধ্যে দু-এক জন ক্রেতা আসছেন আবার কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। কারখানাগুলোও কমিয়েছে লোকবল।

দোকান মালিকদের তথ্য মতে, এই স্টেশনারি ব্যবসায়ে পাইকারি দোকানগুলোতে দিনে এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো। আর খুচরো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্রি হতো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। কিন্তু করোনার কারণে এখন বিক্রি নেই। বর্তমানে অনেকেই চলছেন ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। আবার অনেকে দোকান ভাড়াই দিতে পারছেন না। যার ফলে অনেকটাই হতাশা ব্যবসায়ীরা।

নীলক্ষেতের স্টেশনারি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা খুব করুণ অবস্থায় আছি। বর্তমানে প্রতিদিন ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি হয়। নরমাল সময়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হতো প্রতিদিন। এই ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি করে আমাদের তেমন কিছুই হয় না। দোকান ভাড়া আছে, আমাদের থাকা-খাওয়ার খরচ আছে, বাসা ভাড়া আছে—এমন একটা অবস্থা খাওয়ার পয়সাই উঠে না, ঘর ভাড়া কোথা থেকে দেবো। বর্তমানে আমরা ঋণগ্রস্ত।’

নীলক্ষেতে আরেক ব্যবসায়ী মমিনুর মিয়া বলেন, ‘৬ মাস ধরে ব্যবসা একেবারেই শেষ। এখন যে দোকানের মালামাল দেখছেন, এগুলো নতুন করে ঋণ নিয়ে কেনা। পুরো মার্কেটের বাকি ব্যবসায়ীদেরও একই অবস্থা এখন। স্কুল-কলেজ না খুললে আমাদের ব্যবসা হয় না, স্কুল কলেজের সঙ্গেই আমাদের ব্যবসা। এখন সেই অপেক্ষাতেই আছি।’

স্টেশনারি ব্যবসার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বসে আছেন গোমরা মুখে। করোনার সাধারণ ছুটিতে ২ মাস একেবারেই বন্ধ ছিল পাইকারি ব্যবসায়ের মার্কেট। পরবর্তীতে সরকার সব অফিস আদালত খুলে দেয় সীমিত পরিসরে। তখন থেকে শুরু হয় আবারও স্টেশনারি ব্যবসা। তবে স্টেশনারি ব্যবসা জড়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। যার ফলে ব্যবসা শুরু হলেও শুধুমাত্র ব্যবসা ধরে রাখার জন্য মাসের পর মাস পরিচালনা খরচ বহন করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি আব্দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়টায় আমাদের খুব খারাপ অবস্থা হয়েছে। ব্যবসা ছিল এককেন্দ্রিক। শুধু অফিস-আদালতে মালামাল সাপ্লাই করি এখনও। অন্যদিকে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে ব্যাপক মালামাল লাগতো সারা বছর, সেই অংশটা এখনও বন্ধ আছে। করোনার আগে আমাদের প্রতিদিন ৮০ থেকে এক লাখ টাকা বিক্রি ছিল। এখন আমাদের বিক্রি হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এদিকে বিদেশি মালামালের জন্য ঋণের চাপ আছে। আমাদের এখন একটাই চাওয়া, সরকারের কাছে স্কুল-কলেজ খুলে দিলে হয়তো আমাদের ব্যবসা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।’

আরেক ব্যবসায়ীইকরাম হোসেন বলেন, ‘আগে যখন সবকিছু খোলা ছিল তখন অনেক ভালো ব্যবসা হতো। এখন স্কুল বন্ধ, তবে অফিস-আদালত খোলা থাকার কারণে টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দোকান ভাড়াটা অন্তত দিতে পারছি। আগেই স্কুলের জন্য খাতা, ডায়েরি, ফাইলসহ অনেক কিছু অর্ডার হতো। এখন এগুলো বিক্রি বন্ধ, সেইসঙ্গে কাজও বন্ধ আছে। আগে ডেইলি এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো, এখন হয় ২০-৩০ হাজার টাকা । বর্তমান অবস্থায় ব্যবসায় কোনও লাভ হচ্ছে না।’

উৎপাদনকারী ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘এই এলাকায় সব মিলিয়ে প্রায় লাখ খানেক কর্মী স্টেশনারি পণ্য উৎপাদনে কাজ করে। কিন্তু সেই কর্মী সংখ্যা এখন প্রায় ৬০ হাজার। বাকিদের বাধ্য হয়ে কাজ থেকে অব্যাহতি দিতে হয়েছে। কারণ নিয়মিত ইনকাম ছাড়া তাদের বেতন দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না।’

তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা মিলেছে স্টেশনারি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো ঘুরে। স্টেশনারি পণ্যের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত থাকা কর্মীর সংখ্যা কমেছে। মাসের পর মাস বেতন দিতে না পারায় মালিকরা আর কর্মীদের ধরে রাখতে পারেনি। বাধ্য হয়ে অনেক কর্মীকেই অব্যাহতি দিতে হয়েছে কাজ থাকে। প্রতিটি ১০ জন কর্মীর কারখানায় লোকবল কমেছে বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ।

ফাইলবক্স তৈরি কারখানার মালিক উজ্জ্বল সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাবা কী করবো, এখন তো সবাইকে বেতন দিতে পারি না। অর্ডার কম। দীর্ঘ দিন ধরে আমার এই কারখানাটিতে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতো। করোনায় দুই মাস বন্ধ ছিল। এখন অর্ডার নাই বললেই চলে। মাত্র ৩ জন নিয়ে কারখানা চালাই। তারপরও অপেক্ষা করতে হয় আরেক অর্ডারের জন্য। আর আগে ১০ জনেও কাজ শেষ করতে পারতাম না।’

স্টেশনারি ব্যবসায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার অপেক্ষায়। তাদের আশা স্কুল-কলেজ খুললেই ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। মেশিনের শব্দে কারখানা হবে মুখর, আর পাইকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আবার জমজমাট হয়ে উঠবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫৭ ও ৩৯ দিনের দুইটি সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে এবং ১ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর দুইটি আলাদা টার্গেট নিয়েছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ দুই সময় থেকে স্কুল কার্যক্রম চালানোর দুইটি আলাদা আলাদা পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোর একটিতে ৫৭ দিনের ও একটিতে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। পাঠ পরিকল্পনা দুটি প্রকাশ করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

একটিতে, ৩ অক্টোবর থেকে স্কুল খোলা সম্ভব হল ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। অপরটিতে ১ নভেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষিপ্ত এই পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে শ্রেণি মূল্যায়নেরও সুযোগ থাকবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়স পাঁচ মাস ছাড়, প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বয়স ৩০ বছর পেরিয়ে যাওয়া প্রার্থীদের চাকরির আবেদনে পাঁচ মাসের বেশি সময় ছাড় দিয়েছে সরকার। ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হবে তারা আগস্ট পরবর্তী সময়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত বা জাতীয়কৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরি সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ব্যতীত) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৫ মার্চের আগে নিয়ােগের ছাড়পত্র গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সে সকল দপ্তরের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫ মার্চ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সার্বিক চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। পর্যায়ক্রমে অফিস-আদালত-গণপরিবহন চালু হয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে চলছে জনজীবন। এ অবস্থায় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর দিলো সরকার।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ মার্চের পর মার্চ-এপ্রিল-মে-জুন-জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত যে সমস্ত মন্ত্রণালয় চাকরির জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারেনি তারা আগস্টের পর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী যারা থাকবে তাদের জন্য আবেদন চাইবে যে ২৫ মার্চ তাদের বয়স ৩০ বছর হতে হবে। এটুকু দিলে তারা (চাকরি প্রত্যাশী) কনসেশনটা পেয়ে গেল। আবেদনকারীদের জন্য এ সুবিধা গত আগস্ট মাস পর্যন্ত থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগস্টের পর তো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে যে বিজ্ঞপ্তিগুলো যাচ্ছে ২৫ মার্চ তার ৩০ বছর হয়ে যাবে। তাহলে আর কোনো সমস্যা হবে না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter