Home » Author Archives: editor (page 10)

Author Archives: editor

খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন।।

লিপিকা পাত্র,খুলনা প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস সক্রমনকালে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গতকাল ২৪/০৬/২০২০ তারিখ বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করা হয়।

জুম এ‍্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে খুলনা জেলার সুযোগ‍্য জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই অনলাইন স্কুলটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি স্কুলটি পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সরকারের এটু আইতে (একসেস টু ইনফরমেশ ) শিক্ষা নিয়ে কাজ করা খুলনা জেলার চব্বিশ জন এ‍্যাম্বাসেডর শিক্ষকদের উদ‍্যোগে এ স্কুলটি চালু হচ্ছে। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আপাতত সপ্তাহে চারদিন দুটি করে ক্লাস নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই সময়সীমা আরো বর্ধিত করা হবে।

অন‍্যান‍্যদের মধ্যে যুক্ত ছিলেন এটুআইএর প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মোঃ কবির হোসেন,খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ‍্য অফিসার ম. জাভেদ এ‍্যাম্বাসেডরা। অনুষ্ঠানে এ‍্যাম্বসেডরদের পক্ষে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন মোঃ সারাফুল ইসলাম এবং লিপিকা পাত্র।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সময়মতো তথ্য না পাওয়ায় সমাপনী পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জুন, ২০২০
ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানকে আরও কার্যকর করতে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীর তথ্য চেয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সাথে শিক্ষক ও অভিভাবকদের তথ্যও চাওয়া হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে। গত ২০ জুনের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হলেও এখনো তা পায়নি গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে তাগিদ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে তথ্য না পাওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং অন্যান্য শ্রেণির সিলেবাস এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির পরবর্তী কার্যক্রম নেয়া যাচ্ছে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিশেষ অনুদানের টাকা পেলেন ৬ সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১ জুন, ২০২০

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের বিশেষ অনুদানখাতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ৪ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী, ৪০০জন শিক্ষক এবং ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ টাকা পাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

জানা গেছে, ৫ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থীকে এ অনুদানের টাকা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকে ৫ হাজার করে এবং আলিম, কামিল, ফাযিল ও দিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের ৩ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ২৪০টি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে ২৫ হাজার করে ৬০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে এ খাত থেকে। আর ৪০০ জন শিক্ষককে ৪০ লাখ টাকা দেয় হয়েছে বিশেষ অনুদান বাবদ। তারা প্রত্যেকে ১০ হাজার করে টাকা পাবেন।

জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এ টাকা দেয়া হবে। এ টাকা বিতরণের আগে অবশ্যই শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করে দেখতে বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দের জন্য বিশেষ অনুদান’ খাতে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে এ টাকা দেয়া হবে।

কোন প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার থাকলে জেলা প্রশাসকরা ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করে মঞ্জুরির টাকা দিতে পারবেন।

তালিকা-১
তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অলস পড়ে আছে প্রাথমিক উপবৃত্তির ১০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ জুন, ২০২০

প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় সরকারের ১০০ কোটিরও বেশি পরিমাণ টাকা অলসভাবে পড়ে আছে কয়েকবছর ধরে। শুধু শিওর ক্যাশই না মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারাও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। কোনো প্রতিযোগীতা ছাড়া শুধু তদবির করে ১ কোটি ৩০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা বিতরণের দায়িত্ব পেয়ে আসছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শিওরক্যাশ। রুপালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি সই করে তারা রুপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশ হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

জানা যায়, প্রকৃত অভিভাবকের নামে টাকা বরাদ্দ করা হয়নি। বেশ কয়েক বছর ধরে জমে জমে ১০০ কোটি টাকার বেশি পরিমাণ অর্থ ভুতুরে অভিভাবকদের ওইসব অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। এই অভিভাবকরা প্রকৃত সুবিধাভোগী না এটা সবাই জানলেও চুপচাপ রয়েছেন। উপবৃত্তির সুবিধাভোগী অভিভাবকদের তালিকা মাঠ পর্যায়ে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা তৈরি করে থাকেন। সহায়তা করে শিওর ক্যাশ। পড়ে থাকা এই বিপুল অর্থ আগামী ২৫ জুনের মধ্যে অভিভাবকরা না তুলে নিলে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পে’র (তৃতীয় পর্যায়) আওতায় সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ূয়া এক কোটি ৩০ লাখ শিশুকে নিয়মিত উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এক কোটি ২১ লাখ পরিবার এই সুবিধা পাচ্ছে। প্রতি তিন মাসে এক কিস্তি হিসেবে বছরে মোট চার কিস্তিতে উপবৃত্তির অর্থ সংশ্নিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মুঠোফোনে শিওর ক্যাশের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

এ অবস্থায় ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পে’র পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. ইউসুফ আলী ১৬ জুন সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে কড়া ভাষায় একটি চিঠি লিখেছেন। এতে তিনি বলেন, ‘স্বল্প সংখ্যক অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কিস্তিতে উপবৃত্তির অর্থ পাঠানো হলেও তা অলসভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এসব অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো অর্থ তোলা হচ্ছে না। উল্লিখিত অ্যাকাউন্টগুলো প্রকৃত সুবিধাভোগী অভিভাবকদের নয় বলে প্রতীয়মান। আগামী ২৫ জুনের মধ্যে উত্তোলনের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। উল্লিখিত তারিখের পর অনুত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে। এরপর অভিভাবক কর্তৃক অনুত্তোলিত অর্থের আর কোনো দাবিনামা গ্রহণ করা হবে না।’

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, শুধু গত বছরের জুন পর্যন্ত অনুত্তোলিত অর্থ ৫৭ কোটি টাকা। এ বছরের জুন পর্যন্ত মিলিয়ে তা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত কেউ কেউ উপবৃত্তির টাকা তোলেননি। তাই তারা আসলেই প্রাথমিকের অভিভাবক কিনা, তা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, প্রকৃত অভিভাবকরাই শুধু উপবৃত্তির টাকা পাবেন। যদি তালিকায় সুবিধাভোগীর বাইরে কেউ থেকে থাকে, তার দায় সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের নিতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘নির্দেশনার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অমান্য করার শামিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ জুন:
দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোচিং বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে। গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু সে নির্দেশনা মানেনি অনেক কলেজ। তাই সব কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর বলছে, নির্দেশনা দেয়ার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। তাই সব কলেজকে আবারও অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আর ক্লাসগুলো নির্ধারিত জিমেইল আইডিতে আপলোড করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ক্লাসগুলো শিক্ষা অধিদপ্তরের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এসব তথ্য জানিয়ে সব সরকারি কলেজে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অনলাইনে ক্লাস গ্রহণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক কলেজ আজও তা অনুসরণ করেনি। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ফলে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য প্রচলিত কারিকুলাম ও সিলেবাস অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনলাইনে ক্লাস গ্রহণের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো হলো।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে নেয়া ক্লাসগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানরা যচাই বাছাই করে (ddgovcollege1@gmail.com) আইডিতে আপলোড করবেন। আপলোড করা ক্লাসগুলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করবে। এতে করে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনে ক্লাস গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় প্রধান ও বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতা করবেন।

অনলাইনে ক্লাস নেয়ার জন্য কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে কলেজগুলোকে। সেগুলো হলো, কোনো প্রকার ধর্মীয় উস্কানিমূলক, সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন সংলাপ, ছবি বা কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড প্রচারণা, উপস্থাপন করা যাবে না। সরকার ও দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিরোধী কোনো বক্তব্য, সংলাপ, সংলাপ, ছবি, কনটেন্টে ব্যবহার করা যাবে না।

এসব নির্দেশনা অনুসরণ না করা হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং অনলাইনে ক্লাস নেয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও বলা হয়েছে চিঠিতে। একই সাথে আমি বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪টি ক্লাস তৈরি করে আপলোড দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন স্কুল-কলেজের ৫ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ জুন:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরো প্রায় ৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।এর মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজ শাখার এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৮৬ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২১৮ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ১৪০ জন, ঢাকা অঞ্চলের ৫৫৩ জন, খুলনা ৬৬৮ অঞ্চলের জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৬১০ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩৭৯ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩১৩ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৯২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

কলেজ শাখার নতুন এমপিও পাওয়া এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৭৫ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ২৯ জন, ঢাকা অঞ্চলের ১৯১ জন, খুলনা অঞ্চলের ৪১৫ জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১০৫ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩২০ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩৭০ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৭২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লালমনিরহাটে নবম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ

মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট,১৮ জুন:

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মিঠু মিয়া (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে আদিতমারী থানায় ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী (১৬) বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযুক্ত ধর্ষক মিঠু মিয়া লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কর্নপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ’র ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গন্ধমরুয়া সিংগিমারী গ্রামের এক স্কুল ছাত্রীর (১৬) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন মিঠু মিয়া। স্থানীয় মোগলহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির এ ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে মিঠু। এতে ব্যর্থ হয়ে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিনগত রাতে কৌশলে স্কুল ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে মুখ খুলে গেলে মেয়েটির আত্নচিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে অভিযুক্ত মিঠুকে আটকের চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটির ভাই ভাবিকে মারপিট করে লম্পট মিঠু পালিয়ে যায়।

ঘটনায় বিচার চেয়ে মেয়েটি বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি নথিভূক্ত করে থানা পুলিশ।আদিতমারী থানার প‌রিদর্শক (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করে বলেন, নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মিঠুর বিরুদ্ধে মামলা নথিভূক্ত করা হয়েছে। ধর্ষিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ(১৮ জুন) লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।অভিযুক্ত মিঠুকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ও‌সি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫ ডায়েরি উদ্ধার, সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়

ডেস্ক,১৭ জুন্ : তিনদিন পরেও জট কাটল না বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের অপমৃত্যুর। ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট অনুযায়ী, গলায় ফাঁস দেওয়ায় শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পাশাপাশি, পোশাগত শত্রুতাও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না মহারাষ্ট্র প্রশাসন। যেহেতু ছয় মাসে সাতটি ছবি তাঁর হাত থেকে চলে গেছে।

অবসাদ না কাজের অভাব, দুইয়ের সাঁড়াশি চাপেই কি মাত্র ৩৪-এ ফুরিয়ে গেলেন প্রতিভাবান অভিনেতা? উত্তর খুঁজতে সুশান্তের ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ডায়েরি হেফাজতে নিয়েছে মুম্বই পুলিশ। যা পড়ে জানার চেষ্টা চলছে, শেষ দিকে কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন ‘কাই পো চে’ অভিনেতা।

সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাঁর কল লিস্ট। শেষ ১০ দিন অভিনেতা যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তাঁদের তালিকা বানাচ্ছে প্রশাসন। খুব শিগগিরিই জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডাকা হবে তাঁদের বলে জানা গেছে। যদিও ইতিমধ্যই পুলিশ রেকর্ড করেছে অভিনেতার শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’র পরিচালক মুকেশ ছাবরা, ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিকাশ গুপ্তা এবং বাঙালি প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর বয়ান।

আরো পড়ুন: নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিনেতার ভাই এবং পটনার বিজেপি বিধায়ক নীরজ কুমার সিং ইতিমধ্যেই সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যায় না পেশাগত চাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। সমস্ত সংবাদমাধ্যম এবং নীরজের বক্তব্য পুর্নবিবেচনার নির্দেশ টুইটে দিয়ে বিষয়টিতে মান্যতা দেওয়ার পরেই এই পুলিশি পদক্ষেপ বলে ধারণা সুশান্তের ঘনিষ্ঠ মহলের।

বুধবার অভিনেতার অবসাদের জন্য স্বজনপোষণকে দোষী করে বিহারের মজফফরপুর জেলা আদালতে বলিউডের চার তারকা সালমান খান, করন জোহর, একতা কাপূর, সঞ্জয় লীলা বানশালীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী সুধীর কুমার ওঝা।

সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই আইনজীবীর দাবি, সুশান্তের কাছ থেকে শুধু সাতটি ছবি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তাই-ই নয়, তাঁর একাধিক ছবি আজও মুক্তি পায়নি। এই সমস্ত ঘটনার চাপ দিনের দিনের পর দিন নিতে পারেননি মাত্র ৩৪ বছরের অভিনেতা। এই ঘটনাগুলিই তাঁকে আত্মহননের মতো চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।

একই বিষয় নিতে সম্প্রতি টুইট করেছেন কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম। তিনিও একই প্রশ্ন তুলেছেন, সুশান্তের মতো প্রতিভার হাত থেকে কী করে সাতটি ছবি চলে যায়! বলিউডের আসল চেহারা কি এতটাই ভয়াবহ? খবর: আনন্দবাজার।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ জুন:

সদ্য প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাজী জাহিদুর রহমান নামের ওই সহকারী অধ্যাপককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসা খেকে গ্রেপ্তার করা হয় কাজী জাহিদুর রহমানকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক।

আরো পড়ুন : স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

এর আগে রাজশাহীর সাগরপাড়ার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট তাপস কুমার সাহা ওইদিন রাতেইমতিহার থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। রাবি শিক্ষককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানা পুলিশের এএসআই আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকেআপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী জাহিদুর রহমান নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। মোহাম্মদ নাসিম অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ফেসবুকে নাসিমকে ইঙ্গিত করে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। এতে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ নাসিম মারা যাওয়ার পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষককেও একই ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জাহিদুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো সামনে আসে। এরপর তার শাস্তির দাবি জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। এর আগে স্ট্যাটাসের জেরে গত ১৬ জুন তাকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ জুন, ২০২০
২০১৯-২০ অর্থবছরে থেকে সব ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। তাই, কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পাস ও স্নাতক সম্মান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২১ জুনের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের তথ্য পূরণ করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।
আরো পড়ুন
মোবাইল অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা তুলতে হবে ২৫ জুনের মধ্যে
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব সরকারি বেসরকারি কলেজে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে 2019-20 অর্থবছরের স্নাতক পাস ও স্নাতক সম্মান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকায় তথ্য পূরণ করতে হবে। এসব প্রিন্ট করা সংশোধিত তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল নিয়ে তার সফটকপি ইমেইলে (dshe.stipend.fl@gmail.com) পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিষ্ঠান প্রধানের পাঠানো তালিকা অনুসারে বৃত্তির টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাই, ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের জন্য কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তির টাকা পেতে দেরি হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন। এছাড়া পাঠ বিরতিতে থাকা শিক্ষার্থীদের তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো যাবে না। স্বাক্ষর ও সিল ছাড়া তালিকা পাঠানো হলে তা বাতিল বলে গণ্য করা হবে।

এছাড়া কারিগরি সহায়তার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল টিম এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এসপিএফএমএসপি প্রকল্পের টেকনিক্যাল টিমের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মোবাইল অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা তুলতে হবে ২৫ জুনের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ জুন, ২০২০
২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যেসব প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হলেও কিছু অ্যাকাউন্টের টাকা তোলা করা হয়নি। এসব অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা আগামী ২৫ জুনের মধ্যে তুলে নিতে বলা হয়েছে। তা না হলেএসব টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত নেয়া হবে। টাকা দাবি করতে পারবেন না অভিভাবক বা শিক্ষার্থীরা।

আরো পড়ুন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগষ্ট পর্যন্ত

‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান -৩য় পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের পক্ষ থেকে এ টাকা তুলে নিতে অভিভাবকদের জানাতে বলা হয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এসব তথ্য জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মো. ইউসুফ আলী।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন কিছু অভিভাবকের মােবাইল অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কিস্তিতে উপবৃত্তির টাকা অলসভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এসব অ্যাকাউন্টে থেকে কোন টাকা তোলা হচ্ছেনা। এ অ্যাকাউন্টগুলাে প্রকৃত সুবিধাভােগী অভিভাবকের নয় বলে বোঝা যচ্ছে।
তাই, যে সব প্রকৃত অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা দীর্ঘদিন পড়ে আছে তা আগামী ২৫ জুনের মধ্যে তুলতে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২৫ জুনের পরে এ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে এবং অভিভাবকরা অনুত্তোলিত টাকার কোন প্রকার দাবি করতে পারবেন না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার চিকিৎসায় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাওয়া গেছে : বিবিসি

ডেস্ক |

ডেক্সামেথাসোন ওষুধটিই করোনার চিকিৎসায় গুরুতর অসুস্থদের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম। দাবি বিজ্ঞানীদের। মূলত করোনায় আক্রান্ত যেসব রোগীর ভেন্টিলেশন ও অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, সেই সব রোগীদের জীবন বাঁচাতে ডেক্সামেথাসোন অত্যন্ত কার্যকর বলে দেখা গেছে। এটা এক ধরনের স্টেরয়েড। তবে মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য এই ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে,অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এই গবেষণাটি চালিয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রায় ২ হাজার করোনা রোগীর দেহে ডেক্সামেথাসোন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। তা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি ৪০ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে কমে আসে। আর যেসব রোগীদের অক্সিজেন গ্রহণের প্রয়োজন হয়,সেসব রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি ২৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে কমে আসে।

গবেষকেরা বলছেন,পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ক্ষেত্রে ডেক্সামেথাসোন নেয়া রোগীদের ফলের সঙ্গে ওই ওষুধ না নেয়া ৪ হাজার রোগীর অবস্থা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের দেহে এই ওষুধটি এরই মধ্যে প্রয়োগ করা হচ্ছে। দেখা গেছে, রোগীর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে, তখন যেসব ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তা থামাতে ডেক্সামেথাসোন কার্যকর ভূমিকা রাখে। মানুষের দেহে যখন এই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে, তখন তাকে বলে সাইটোকাইন স্টর্ম। এটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ডেক্সামেথাসোন এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি ২০ জন করোনারোগীর মধ্যে ১৯ জনেরই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হয় না। আবার যারা হাসপাতালে ভর্তি হন, তাদের মধ্যেও অধিকাংশই সুস্থ হয়ে যান। তবে কারও কারও অক্সিজেন ও ভেন্টিলেশন সুবিধার প্রয়োজন হয়। এই উচ্চ ঝুঁকির রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেই উপকারী হিসেবে পাওয়া গেছে ডেক্সামেথাসোনের নাম।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষণা দলের প্রধান অনুসন্ধানকারী ও অধ্যাপক পিটার হরবি বলেন, ‘এটাই একমাত্র ওষুধ, যার প্রয়োগে মৃত্যুহার কমতে দেখা গেছে এবং সত্যিকার অর্থেই বেশ ভালো পরিমাণে কমে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।’

প্রধান গবেষক ও অধ্যাপক মার্টিন ল্যানড্রে বলছেন,গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, প্রতি ৮ জন রোগী যাদের ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হয় তাদের মধ্যে একজনের জীবন বাঁচাতে পারে ডেক্সামেথাসোন। আর অক্সিজেন প্রয়োজন হয় এমন প্রতি ২০ থেকে ২৫ জন রোগীদের ক্ষেত্রে একজন রোগীর জীবন বাঁচানো যায়।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৃদু উপসর্গ থাকা করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ডেক্সামেথাসোন খুব একটা কার্যকর নয়। অর্থাৎ যেসব করোনারোগীদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয় না, তাদের ক্ষেত্রে ডেক্সামেথাসোন প্রয়োজন নেই।

ডেক্সামেথাসোন বেশ পরিচিত একটি ওষুধ এবং দামেও অত্যন্ত সস্তা। সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা বলছেন, যুক্তরাজ্যে প্রতিদিনের চিকিৎসায় ডেক্সামেথাসোন ব্যবহারের খরচ প্রায় সাড়ে পাঁচ পাউন্ড। দশ দিন পর্যন্ত ডেক্সামেথাসোন প্রয়োগ করার কথা বলা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, করোনা মহামারির শুরুতে এই ওষুধের কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে অন্তত ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু ঠেকানো যেত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দর্শনা পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড মঙ্গলবার থেকে লকডাউন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভার ৫নং ও ৭নং ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে মঙ্গলবার (১৬ জুন) থেকে লকডাউন কার্যকর হচ্ছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ করনীয় বিষয়ক জেলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক , সিভিল সার্জন ডা: এএসএম মারুফ হাসান, পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন শাহ মো: মারজান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারাা রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, দর্শনা পৌরসভার ৫ নং ও ৭নং ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে ঘোষনা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ নির্দেশ আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে। যারা দরিদ্র তাদেরকে ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগষ্ট পর্যন্ত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ জুন:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে ১৫ জুন অর্থাৎ সোমবার পর্যন্ত করা হয়।

মাঝে ১ জুন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, রক্ষণাবেক্ষণ জাতীয় কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দেয়া হয়। আর ছুটি আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় তা বাড়ানো হলো ৬ আগস্ট পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা মহামারি আকারে ধারণ করায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীদের হুমকির মধ্যে ফেলা হবে না। প্রতিদিন সংসদ টিভিতে ক্লাস সম্প্রচার করা হচ্ছে, বাসায় বসে তারা পাঠগ্রহণ চালিয়ে যাবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উচ্চ মাধ্যমিকে ক্লাসের সময় বাড়ছে ১৫ মিনিট, ভর্তি শুরু জুলাইয়ে

ডেস্ক,১৫ জুন ২০২০:

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশ হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এখনও উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়নি। কবে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে তাও অনিশ্চিত। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ক্লাসের সময়সূচি বৃদ্ধি ও বাড়তি ক্লাস করার মতো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, একাদশের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে গত ১৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। সেখানে গত ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার জন্য এক মাস ২০ দিনে তিন ধাপের কথা তাতে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি মন্ত্রণালয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। আর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্লাস শুরুর আশা করছেন তারা। তবে তা বিলম্ব হলে একাদশের ক্লাসের সময় এবং বন্ধের দিনগুলোয় বাড়তি ক্লাস করে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি। গত ৭ জুন থেকে ভর্তি আবেদন শুরুর প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

কলেজ পরিদর্শক বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও ক্লাস শুরু হতে বিলম্ব হলেও এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে আগে ক্লাসের সময় ৪৫ মিনিট থাকলেও এক ঘণ্টা করা হবে। আর সপ্তাহিক বন্ধ ও ছুটির দিনগুলোয় অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে একাদশ ও দ্বাদশের সিলেবাস শেষ করা হবে। ফলে সেশনজট হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল প্রকাশ করা হয়, পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়ায় ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে।

জানা গেছে, দেশে সরকারি-বেসরকারি প্রায় সাড়ে আট হাজার কলেজে আসন রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে ভালো হিসেবে বিবেচিত ২০০ কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter