Author Archives: editor

উত্তরার হোটেল থেকে ভিকারুননিসার সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নোয়াখালীতে কলেজছাত্রীকে হত্যা করল ‘মা’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ফেব্রুয়ারি, সূচি প্রকাশ

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে  শুরু হবে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা।  ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। আর ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে বলে  জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

সাধারণত ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার। এ জন্য একদিন পর পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।

সময়সূচিতে বলা হয়েছে, প্রথমে প্রশ্নপত্রের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যেকারণে রোববারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত

১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সারাদেশে একযোগে শুরু হয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। এদিকে আগামীকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারাদেশের কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমাবেশের দিন জেএসসি ও জেডিসির নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ডেস্ক,৩ নভেম্বর:   জুনিয়ার স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেটের (জেডিসির) ৪ নভেম্বর রোববারের পরীক্ষাটি আগামী ৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টায় নেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন।

রোববার জেএসসিতে ইংরেজি ও ইংরেজি প্রথম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য) এবং জেডিসিতে আরবি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ছিল। এসব পরীক্ষা পিছিয়ে গেল।

তবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “রোববার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ‘শোকরানা মাহফিল’ থাকায় পরীক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদ দাওয়ায়ে হাদিসকে (তাকমীল) সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিতে সম্প্রতি আইন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। সেই জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে সারাদেশের ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসার ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে এই সমাবেশ ডাকা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন শাহ আহমদ শফী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সাজেশন-২০১৮

গণিত

১। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর। পিতার বয়স, পুত্রের বয়সের ৩ গুণ।
ক) পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
খ) পিতা ও পুত্রের বয়সের ব্যবধান কত?
গ) ১৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়স কত হবে?
ঘ) ১৫ বছর পর পিতার বয়স, পুত্রের বয়সের কতগুণ হবে?

২। মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি ৫৫ বছর। পিতার বয়স কন্যার বয়সের ৪ গুণ।
ক) মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টির কন্যার বয়সের কত গুণ?
খ) কন্যার বয়স কত?
গ) মাতার বয়স কত?

৩। ২টি গরু ও ৩টি খাসির মূল্য একত্রে ৪৫০৮০ টাকা, একটি খাসির মূল্য ৪৫৬০ টাকা।
ক) ২টি গরুর মূল্য কত?
খ) ৩টি খাসির মূল্য কত?
গ) ১টি গরুর মূল্য কত?
ঘ) ৪৭১০০ টাকা দিয়ে কয়টি গরু কেনা যাবে.

৪। জালাল সাহেবের মাসিক বেতন ২৮৭৬৫ টাকা। প্রতি মাসে তিনি ৯২২৫ টাকা বাড়ি ভাড়া, ১৫২৭৫ টাকা অন্যান্য জিনিস ক্রয়ে খরচ করেন। বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখলো।
ক) তিনি বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য জিনিস ক্রয়ে কত টাকা খরচ করলেন?
খ) প্রতি মাসে ব্যাংকে কত টাকা জমা রাখেন?
গ) এক বছর পর কত টাকা জমা করেন?
ঘ) এক বছর পর জমানো টাকা থেকে ৪৫০০০ টাকা দিয়ে একটি ল্যাপটপ কিনলে তার কাছে কত রইল।

প্রতিদিন দেখুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছবিতে কী দেখছেন? উত্তরেই বোঝা যাবে মনের অবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদন: মহিলা না পুরুষ: পুরুষের মুখ দেখতে পেলে আপনি ভীষণ রোম্যান্টিক, এবং নিজের পার্টনারকে ভীষণই ভালবাসেন। আর মহিলার মুখের অর্থ জীবনের প্রতি ভীষণই পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি আপনার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনলাইনে এসএসসির ফরম পূরণ শুরু ৭ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগামী ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণের কার্যক্রম। ঢাকা বোর্ড প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফল ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলো ঢাকা বোর্ড।

আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবেন ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। বিলম্ব ফিসহ ১৬ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এসএসসির ফরম পূরণ করা যাবে। বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার সময় ১৫ নভেম্বর শেষ হবে। ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ ফি ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে।

এর আগে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের পরীক্ষায় অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর সাদা কাগজে আবেদন করতে বলা হয়েছিলো।

এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পত্র প্রতি ৯০ টাকা, ব্যবহারিকের ফি বাবদ পত্র প্রতি ৩০ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৩৫ টাকা মূল সনদ বাবদ শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অনিয়মতি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ নভেম্বর:  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমপ্রতি শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমেই সাধারণত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে মেধা তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ নিয়োগের নামে যা শুরু করেছে তা নিবন্ধনধারীদের মনে রীতিমতো হতাশা ও  নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এনটিআরসিএ ২০০৫ সাল থেকে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু করেছে। তখন থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জাল সনদ বিক্রিসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যেতে থাকে। এনটিআরসিএ এ পর্যন্ত ১৩টি পরীক্ষা সমপন্ন করলেও মামলাজনিত কারণে প্রায় দুই বছর ধরে কোনো নিয়োগই দিতে পারছে না। ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি নিয়োগের কথা থাকলেও এনটিআরসিএ মামলার অজুহাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সমপন্ন করতে পারেননি।

এদিকে ১৪তম নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে শুধু পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ সমপন্ন না করাটা মোটেই কাম্য নয়। ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর মহামান্য হাইকের্টের নির্দেশে ১-১৩ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে এনটিআরসিএ ১০-৭-২০১৮ তারিখে একটি সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করলেও এখনো শূন্য পদসমূহে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারেনি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রায় ৬০ হাজার পদ শূন্য থাকায় একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তেমনি লাখ লাখ বেকার নিবন্ধনধারী এসব পদে নিয়োগ লাভের মাধ্যমে তাদের বেকারত্ব অবসানের স্বপ্ন দেখছে। তাই অতি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১৩ শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা পাবেন ১০ম গ্রেড আর সহকারীরা ১২তম

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ নভেম্বর: সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা  বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

সুত্র: কালের কন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইউসিসি ফেরত চাইলো ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দেওয়া ‘উপহার’

শিশির দাস: ইউসিসি কোচিং সেন্টার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের ‘উপহার’ দেয়। তবে, প্রশ্নফাঁসে অভিযোগের সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উত্তীর্ণদের পুনরায় পরীক্ষা দিতে হবে এমন ঘোষণা দিলে উপহারগুলো ফেরত চায় প্রতিষ্ঠানটি।

এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়। তবে, কিছুক্ষণের মধ্যে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে গেলে তা সরিয়ে নেয় ইউসিসি।

জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা মঙ্গলবার বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাস করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

এই ঘোষণার পরই ইউসিসি গ্রুপের পক্ষ থেকে দেয়া এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, প্রশ্নফাঁসের কারণে ‘ঘ’ ইউনিটের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে। সুতরাং যে সকল স্টুডেন্ট ইউসিসি থেকে গিফট পেয়েছো, তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করা হইলো গিফটগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। ইউসিসি থেকে ‘’ঘ’’ ইউনিটে গিফটপ্রাপ্ত সবাই যথাসময়ে হেড অফিসে গিয়ে গিফটগুলো ফিরিয়ে দিবে। যোগাযোগ: ০১৮৪৭০৬৬৩৪৬২।

আর ওই পোস্ট থেকে ইউসিসি পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদও জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ অক্টোবর। সকাল ১০টায় ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ৯টা ১৭ মিনিটে ওই পরীক্ষার উত্তরসহ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। পরে প্রশ্নপত্র যাচাই করে দেখা হয় পরীক্ষার আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ৭২টি প্রশ্ন ও উত্তর হুবহু মিলেছে। সূত্র : সময় টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার: মোস্তাফা জব্বার

ঢাবি : নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
শনিবার বিকালে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা আর পিছিয়ে নেই, অনেক দূর এগিয়েছি। ফেসবুক একসময় আমাদের কথায় কোনো কর্ণপাত না করলেও, এখন শুনছে। আমাদের দেশীয় আইনকানুন অনুযায়ীই তারা চলবে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই মাসেই সব ধরনের ডিভাইস আসবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার, গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ করতে সক্ষম হব।’
মন্ত্রী মোস্তফা জাব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। কয়েক লাখ ব্যবহারকারী যখন ছিল, তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কথা না শুনলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া হবে- এমন হুমকির প্রেক্ষিতে তারা অফিসে এসে বসে থাকে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ীই চলবে বলেও আশ্বস্ত করেছে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগলে মানহানিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।’
এ সময় তিনি গুজব ও অপপ্রচার রুখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। ডিজিটাল আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আরও কঠিন কিন্তু আমাদের দেশে যারা এ আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আইনটি দুর্বল হয়ে গেছে। আগামী ২-৩ বছর পর আবার হয়তো দাবি উঠবে আইনটি আরও কঠিন করতে হবে। যে কোনো আইনেই ভুল প্রয়োগের সম্ভাবনা থাকে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুল প্রয়োগও হয় কিন্তু সে আইনটা কি বাদ দিয়ে দেয়া হবে? আইন হলেও অপপ্রয়োগরোধে কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও থাকবে। সেটা নিয়েও কাজ চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেই জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া পেল নতুন দোকান-ঘর

অনলাইন সংস্করণ:

ভোলার লালমোহনের জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া অন্ধ মায়ের সঙ্গে ভিক্ষা করার সংবাদ শুক্রবার যুগান্তরের অনলাইনে প্রকাশ হওয়ার পর ভাগ্য খুলে যায় তানিয়া ও তার মায়ের।

সংবাদটি ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক ও লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল হাসান রুমির দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে শনিবার তানিয়ার বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় যুগান্তর প্রতিনিধি মো. জসিম জনিও সঙ্গে ছিলেন।

লালমোহন পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের সিকদার হাটবাজারসংলগ্ন তানিয়াদের বাড়ি। বাড়ি বলতে ছোট একটি ভাঙাচোরা খুপড়িঘর। ঘরের দরজা-জানালা জরাজীর্ণ।

ভিক্ষার টাকায় ঘরটি তৈরি করলেও জায়গাটি তাদের নয়। একজন তাদেরকে সেখানে থাকতে দিয়েছে। ভাঙা ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন তানিয়ার মা অন্ধ রাশেদা বেগম।

তানিয়াকে পাওয়া গেল উঠানের মাঝে। মা ও মেয়ের সঙ্গে কথা বললেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি।

ইউএনওকে রাশেদা জানান, মেয়ের পড়ালেখার খরচ জোগাতে আর তিন বেলা খাওয়ার জন্য তাদের ভিক্ষা করতে হয়।

তানিয়া গর্ভে থাকা অবস্থায় তানিয়ার বাবা ছেড়ে চলে যায়। আর ফিরে আসেনি। সেই তানিয়া এবার জেডিসি পরীক্ষা দেবে। পড়ালেখার প্রতি টান দেখে অন্ধ মা রাশেদা শত কষ্ট হলেও মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে আসছেন। অন্ধ হওয়ার কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার তানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়ান লালমোহন বাজারের দোকানে দোকানে।

এসব শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের জন্য একটি বসতঘর বরাদ্দ করে দেন। আগামী ৩ দিনের মধ্যে ঘর তৈরি সম্পন্ন করতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করেন।

একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে তাদের জন্য একটি দোকানের ব্যবস্থা করেন। ২০ হাজার টাকায় দোকান ও দোকানের জন্য ক্ষুদ্র মালামাল কিনে দেন ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি। মঙ্গলবার একসঙ্গে ঘর ও দোকান উদ্বোধন করবেন তিনি।

অন্যদিকে যুগান্তরে সংবাদটি প্রকাশ হলে বিভিন্ন স্থান থেকে এ প্রতিনিধির কাছে ফোন করে অন্ধ মা রাশেদা ও মেয়ে জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়ার জন্য সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন অনেকেই।

লালমোহনের বেসরকারি সংস্থা দ্বীপ উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মো. ইউনুছ মিয়া একটি ছাগল কিনে দেবেন লালনপালন করার জন্য।

এছাড়া লালমোহন মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মো. নুরনবী ২ বছরের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চালের একটি ভিজিডি কার্ড করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি’র ঘ ইউনিটের পরীক্ষা পুনরায় নেয়ার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ-সমাবেশ

ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শনিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী। মিছিলটি শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে কাঁটাবন মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতি মেহেদী তালুকদার বলেন, ‘১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতারণা। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ছাত্রসমাজের সঙ্গে প্রতারণা। ঢাবি ছাত্রদল ১২ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে।’
সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জাতির সামনে বিচার করতে হবে। আমরা ঢাবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসাবে ঘ ইউনিটের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এসময় বিক্ষোভ মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্যাংক ঋণ পেতে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে!

অনলাইন ডেস্ক

বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়েছিলেন এক নারী। কিন্তু ঋণ পেতে হলে ওই নারীকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান ব্যাংক ব্যবস্থাপক। এমন অভিযোগে ওই নারী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ওই কর্মকর্তাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারধরের ছবি ও ভিডিও।

ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল সোমবার ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দাওয়ানগর শহরে এই ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই নারী জানিয়েছেন, তিনি সেখানকার একটি ব্যাংকে ১৫ লাখ রুপি ঋণের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ঋণ পাইয়ে দিতে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাবের জন্য তিনি রাস্তায় ওই ব্যাংক ব্যবস্থাপককে জুতাপেটা করেন।

সাম্প্রতি যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে #মিটু আন্দোলনে তোলপাড় ভারতজুড়ে। অভিনেতা, খেলোয়াড়, লেখকসহ অনেকেই অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে। শুধু পুরুষরাই নয় #মিটু-তে বিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রেমিক অধ্যয়ন সুমন। কিন্তু সাধারণ মহিলাদেরও তো দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে যৌন হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমন পড়তে হয়েছে কর্নাটকে ওই নারীকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালোয়ার-কামিজ পরা মধ্যবয়সী এক নারী শার্ট-প্যান্ট পরা এক লোকের কলার ধরে টানছেন আর লাঠি দিয়ে মারছেন। এ সময় ওই নারী লোকটাকে পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার জন্য বলছেন। ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে মারার পাশাপাশি ওই নারী লোকটাকে পা দিয়ে আঘাত করছেন। একপর্যায়ে চটি দিয়েও পেটান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন এবং অনেকেই তাতে মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীদের বেশির ভাগই ওই নারীকে প্রকৃত নায়ক বলে অবহিত করেন। আবার কয়েকজনকে লিখতে দেখা যায়, ‘এটা হলো আসল #মি টু’।

এদিকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail