Home » Author Archives: editor

Author Archives: editor

প্রাথমিকে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

ডেস্ক,১৮ নভেম্বর:

সহকারি শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের শূন্যপদের তথ্য আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পাঠানোর জন্যে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সকল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানানো যাচ্ছে যে, মাঠপর্যারে শুন্যপদসমূহ পূরণের নিমিত্ত তার উপজেলার সহকারি শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদিত পদ ও শুন্যপদ আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ই-প্রাইমারি স্কুল সিস্টেমের শূন্য পদের তথ্য মেনুতে তার ইউজার হতে লগ অন করে এন্টি করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,১৮ নভেম্বর:

প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে বিজয় ফুল তৈরি, কবিতা আবৃতি, দেশাত্মবোধক ও জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতার অর্থ ব্যয়ের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে বিজয় ফুল তৈরি, গল্প ও কবিতা রচনা, কবিতা আবৃতি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, চলচিত্র নির্মাণ এবং দলগত দেশাত্মবোধক ও জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতা ২০১৯ আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রতিযোগীতার অর্থ ব্যয়ের জন্য উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা মনোনয়ন এবং অর্থ ব্যয়ে মহানগরীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)-কে সভাপতি ও থানা শিক্ষা অফিসারকে সদস্য সচিব এবং উপজেলার ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সদস্য সচিব হিসেবে কাজটি সম্পন্ন করার নিমিত্ত কমিটি গঠনে নির্দেশক্রমে সম্তিজ্ঞাপন করা হলো।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

ডেস্ক,১৭ নভেম্বর:
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২০ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারও লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সব প্রতিষ্ঠান থেকে কোন শ্রেণিতে কতটি আসন শূন্য রয়েছে তার তালিকা সংগ্রহ করবে। ভর্তির পর কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের আগে পাঠানো আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে কি না তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ভর্তির কার্যক্রম শুরুর আগে পাঠানো শূন্য আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীতিমালার বাইরে কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিজনিত কারণে তাদের সন্তানদের ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান মহানগরী বা জেলা বা উপজেলা ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলের পাশাপাশি এবারই প্রথম বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির কারণে তাদের সন্তানদের ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। বদলিজনিত কারণে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা হবে ছয় মাস। তবে শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না। অতিরিক্ত ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে।

নীতিমালায় সব মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে কেবল উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ভর্তি করা যাবে।

ভর্তি ফরম : ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত থেকে বেশি হবে না।

ভর্তিপরীক্ষার সময় ও মান বণ্টন : দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০, এরমধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। ভর্তিপরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমাণ-১০০। এরমধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ এবং ভর্তিপরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা।

প্রথম-নবম শ্রেণি ভর্তি : নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। যমজ সন্তানের একজন আগে থেকে অধ্যায়নরত থাকলে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। দ্বিতীয়-অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রস্তুত করা মেধাক্রম অনুসারে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পর অবশিষ্ট শূন্য আসনে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্ধারিত ভর্তি কমিটি বাছাই করতে হবে। গ্রুপ গঠন করবে প্রতিষ্ঠান।

কোটা সংরক্ষণ : ঢাকা মহানগরীতে সরকারি বিদ্যালয় এলাকায় ওই এলাকার ৪০ শতাংশ কোটা রেখে অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা সন্তানদের ছেলে-মেয়ের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, শিক্ষার্থীদের সুবিধা/অসুবিধা বিবেচনা করে পরীক্ষা কমিটি বিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বিভক্ত করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন ফরমে পছন্দক্রম উল্লেখ করে দেবে।

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর দেয়ার সুযোগ

ডেস্ক,১৪ নভেম্বর:
এখন থেকে যেকোন সময় যেকোন স্থান থেকে বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-পেমেন্ট পোর্টালে গিয়ে বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে আয়কর পরিশোধ সেবা নিতে পারবেন গ্রাহক।

এছাড়াও বিকাশ অ্যাপ এর হোম স্ক্রিনের সাজেশন বক্সে এনবিআর লোগো থাকবে, যেখানে ক্লিক করলেই গ্রাহক সরাসরি আয়কর পেমেন্ট গেটওয়ে পেজে চলে যেতে পারবেন।

১৪ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার বেইলী রোডের অফিসার্স ক্লাবসহ সারাদেশে এনবিআর কর্তৃক আয়োজিত আয়কর মেলাতেও সহজেই বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে।

ঝামেলা এড়িয়ে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে www.nbrepayment.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অনলাইন আয়কর সেবা প্রদানে যারা নিবন্ধন করেছেন বা নিবন্ধন করেননি উভয় গ্রাহকই এখান থেকে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন। যাদের রেজিস্ট্রশন করা আছে তারা সাইন-ইন করে “পে ইনকাম ট্যাক্স” থেকে “ট্যাক্স” অপশন চেপে পরবর্তী পাতায় টিআইএন নম্বর দিলে পাশেই “ভেরিফাই টিআইএন” দেখতে পাবেন।

ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটন চাপলে “পেমেন্ট মেথড” পাওয়া যাবে।

এখানে মোবাইল পেমেন্ট অপশন থেকে বিকাশ সিলেক্ট করে একাউন্ট, ওটিপি কোড ও পিন নম্বর দিলেই আয়কর প্রদানের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং চলে আসবে কনফার্মেশন মেসেজ। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নেই, তারা “আনরেজিস্টার্ড” অপশন সিলেক্ট করে একই প্রক্রিয়ায় আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন।

বিকাশে আয়কর পরিশোধে গ্রাহকদের জন্য ১.১% চার্জ প্রযোজ্য হবে।

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ ঝামেলামুক্ত করতে এনবিআর-কে প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেড (আইটিসিএল)।



আজব কান্ড-শিক্ষা অফিসারের গলায় জুতা

পিরোজপুর প্রতিনিধি,১৪ নভেম্বর:

পিরোজপুরের কাউখালিতে শিক্ষা অফিসারকে জুতার মালা পড়ানোর মামলায় উপজেলার চার প্রাথমিক শিক্ষককে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। এদের মধ্যে একজনকে এক বছর ৬ মাস ও তিনজনকে ৬ মাসের করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বুধবার দুপুরে পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৩ এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার কাউখালী উপজেলার ১নং সয়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: উজ্জ্বল মিয়া, ৩৫ নং কেশরতা সুজাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বাদল হালদার, ১৪নং মধ্য সোনাকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শ্যামল হালদার ও ৩৭নং শংকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জলিল খান।

আদালত মো: উজ্জ্বল মিয়াকে এক বছর ৬ মাস ও অন্য ৩ জনের প্রত্যেককে ৬ মাসের করে কারাদন্ড প্রদান করেন।

এর মধ্যে সয়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: উজ্জ্বল মিয়া এক‌ই ঘটনায় বিভাগীয় মামলায় সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৪ (৩)(ঘ) মোতাবেক চাকরি হতে বরখাস্ত হয়েছেন। একই অভিযোগে বাকি তিনজনের মধ্যে বাদল হালদার ও শ্যামল হালদার চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন এবং আব্দুল জলিল খান চাকরির ৫৯ বছর পূর্তি হওয়ায় বেতন ভাতা না পেয়েই অবসরে আছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন তালুকদার স্বপন জানান, শিক্ষক মো: উজ্জ্বল মিয়ার নেতৃত্বে অপর ৩ শিক্ষক তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি জুতার মালা প্রস্তুত করে ২০০৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস কক্ষে প্রবেশ করে প্রকাশ্য দিবালোকে জোরপূর্বক সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: আমিনুল ইসলামের গলায় পরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালায়।

তারা নিজেরাই আবার এ ঘটনা নিজেদের ক্যামেরাম্যান দিয়ে ছবি করিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সরবরাহ করে। বিভাগীয় তদন্তে ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০০৯ সালে অভিযুক্ত ওই ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক বিভাগীয় মামলা দায়ের সহ তাদেরকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিভাগীয় মামলার তদন্তে চার জন শিক্ষকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককেই চাকিরী থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

পরবর্তীতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মো: আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০০৯ সালে পিরোজপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধি ৫০০/৫০১ ধারায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন তালুকদার স্বপন ও অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষকরা সাক্ষাত চান

অনলাইন ডেস্ক,১৪ নভেম্বর:

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১১তম, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১২তম এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। এটি একধরনের প্রহসন বলে মনে করছেন তারা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করতে চান । প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের সাথে এক ধরনের প্রহসন করা হয়েছে। তারা আগেও ১১তম গ্রেড পেয়েছেন আবার এখনও ১১ তম গ্রেডের সুপারিশ করেছে। যা হাস্যকর।

সুত্র জানায়,প্রধান শিক্ষকদের ১০তম ও সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নাকচ করে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রাগম অর্থ মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে । নতুনভাবে আলোচনার মাধ্যমে প্রধানদের ১১তম ও সহকারী প্রধানদের ১২তম এবং সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডের জন্য প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়। তার ভিত্তিতে প্রাগম প্রস্তাব পাঠাই। সেটি তারা লিখিতভাবে সম্মতি জানিয়েছে, এখন বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

প্রাগম সচিব বলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে আমাদের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আমরা তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সমাপনী পরীক্ষার পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

প্রাথমিকের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকরা বেতন বৈষম্য নিরসনে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। এ দাবিতে আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বয়কটের হুমকি দিয়েছিলেন তারা। পরে বেতন বৈষম্য নিরসনে গত ২৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ৭ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন) জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর ১১তম গ্রেডে (১২৫০০-৩০২৩০ টাকা) এবং সহকারী শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণবিহীন) ১৩তম গ্রেডে (১১০০০-২৬৫৯০ টাকা) বেতন পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু নতুন এ বেতন স্কেল প্রত্যাখ্যান করেন বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস। তিনি বলেন, ‘এটি একধরনের প্রহসন। আমরা আগেও ১১তম গ্রেড পেয়ে আসছি। আবার কিভাবে আমাদের ১১তম গ্রেডের সুপারিশ করা হয় তা বোধগম্য নয়। তাছারা প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/১৪ থেকে ১৪/১২/২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত টাইমস্কেল আটকিয়ে আছে। যা দ্রুত সমাধানের দাবী জানান।


ছয় মাসের প্রশিক্ষণধারী শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ নভেম্বর:

হাইকোর্টের রায় অনুসারে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক/সমমান এবং সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণধারীদের নিয়োগে এমপিওভুক্তির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এটা শুধুমাত্র ২০১৬ সালের নিয়োগপ্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুন নাহার সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি হয়। ওই পরিপত্রের মাধ্যমে দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্ব এনটিআরসিএ-কে দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) এর শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে (e-Requisition) প্রদান করা হয়।

চাহিদাকৃত পদের জন্য প্রার্থী সুপারিশ কার্যক্রম ২০১৬ সালে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও হাইকোর্টে মামলার কারণে এ কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে মামলার নিষ্পত্তি হলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ) শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন ভাতা প্রদান করা হয়। এছাড়াও জনবলকাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ এ প্রণীত, মার্চ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদের ফলাফল চূড়ান্ত করা হয়।

এমতাবস্তায় রায়ের আদেশ অনুযায়ী কেবলমাত্র ২০১৬ সালের সুপারিশপ্রাপ্তদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণের পূর্বের নীতি অনুসরণ করে অধীনস্থ অফিসসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে স্নাতক ডিগ্রিসহ ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারীদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে আবেদন বৈধ বলে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এর আগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০১৬ সালের ১৪ জুলাই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে কম্পিউটার শিক্ষক পদে তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স ও স্নাতক ডিগ্রিসহ ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারীদের কম্পিউটার শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়। একই দিনে ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে বলা হয়, স্নাতক ডিগ্রিসহ ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারীরা শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে আবেদনের সুযোগ পাবে না। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে সংক্ষুব্ধ কাজী মো. সাইফুদ্দিনসহ ১৮ জন আবেদনকারী হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন।

প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট হাইকোর্ট সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন এবং স্নাতক ডিগ্রিসহ ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারীদের শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে আবেদনের সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন। সে আলোকে ‘এনটিআরসিএ’ ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্নাতক ডিগ্রিসহ ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারীদের শিক্ষক (কম্পিউটার) পদে আবেদনের সুযোগ দেয়।


প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে হলে সন্তান পড়া বাধ্যতামূলক

ডেস্ক,১২ নভেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে সরকার। আর বিদুৎসাহী দুই সদস্যের যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস।

এসব শর্ত যুক্ত করে সোমবার সংশোধিত নীতিমালায় নতুন বিধানটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিদ্যালয়ের ১১ সদস্যের কমিটিতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধি ব্যতীত অন্য সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি ও এবং সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। পদাধিকার বলে সদস্য সচিব থাকবেন প্রধান শিক্ষক।

এতে আরও বলা হয়, এসব পদে নির্বাচন করতে হলে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি সন্তানকে অবশ্যই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে।

এর বাইরে নীতিমালায় তেমন কোনো সংশোধন নেই। কমিটি গঠন পদ্ধতি, অ্যাডহক কমিটি, কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা, কমিটি বাতিলসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালায় রাখা হয়েছে। এসব কমিটির মেয়াদ হবে ৩ বছর।

গত মে মাসে বেসরকারি হাইস্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং সদস্য নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিতর্ক হয়।

কমিটির একটি অংশ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার পক্ষে মত দেন। অন্য অংশের দাবি, যেখানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না, সেখানে পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের প্রয়োজন নেই।

তবে, আগের নীতিমালায় অনেক বিদ্যালয়ে কমিটির সভাপতি হিসেবে নিরক্ষর ব্যক্তিকে নির্বাচন করায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে আসছে বলে মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান বাড়াতে তারা কোনো ধরনের সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দিতে পারেন না। অনেক সময় শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করেন। সভাপতিরা স্থানীয় ব্যক্তি ও ক্ষমতাবান হওয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম করলেও শিক্ষকরা ভয়ে বাধা দেন না।

এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ আসায় যোগ্য ব্যক্তিদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে সভাপতির ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক পাসের শর্ত রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।

২০১৫ সালে স্নাতক (পাস) ও অনার্স-মাস্টার্স কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাস নির্ধারণ করা হয়। তবে বেসরকারি স্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ বা মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বা অন্য সদস্য হতে ন্যূনতম কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত নেই।


স্কুলের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি,১২ নভেম্বর:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকারের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন একটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি। ওই উপজেলার গোবদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমানের পক্ষে লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন।

লিগ্যাল নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোবদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রুটিন মেইনটেন্যান্সে ৪০ হাজার এবং স্লিপ প্রকল্পের ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। অর্থ বছর শেষ হওয়ার আগে প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি যথাযথ ভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহসিন আলীর সুপারিশ ও কাজের ব্যায় ভাউচার প্রদান করে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে বরাদ্ধের বিল প্রদানের আবেদন করেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকার শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে সরকারী কোষাগার থেকে সমুদয় অর্থ উত্তোলন করলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিল পরিশোধ করেননি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সেই বিলের জন্য চাপ দিলে আজ কাল বলে টালবাহনা করেন শিক্ষা অফিসার।

এদিকে অর্থ বছর শেষ হওয়ার ৫ মাস অতিবাহিত হলেও বিল না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে আদালতের আশ্রয় নেন বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান। সরকারী অর্থ আত্মসাৎ মামলা করতে বিধিমতে প্রথমে অভিযুক্তকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন তিনি।

লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের মাধ্যমে গত ৬ নভেম্বর স্বাক্ষরিত একটি লিগ্যাল নোটিশ শিক্ষা অফিসার বরাবরে পাঠানো হয়। যেখানে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে আত্মসাৎকৃত দুই প্রকল্পের ৯০ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে প্রদান করতে বলা হয়। অন্যথায় সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে কেন দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হবে না তার উপযুক্ত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় নোটিশে।

লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, বিধিমতে কাজ শেষে হলে অর্থ বছর শেষ হওয়ার আগে বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে টাকা পাঠানোর কথা। কিন্তু শিক্ষা অফিসার তা না করে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হচ্ছে। নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।

আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকার লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করলেও অর্থ আত্মসাৎ প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে ১১তম গ্রেডে, তাহলে আবার ১১তম কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন,৮ নভেম্বর : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১১তম সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রাথমিকের শিক্ষক নেতাদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সচিবের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস জানান, প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তারা এতদিন বেতন পেতেন ১১তম ও ১২তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একমাত্র সংগঠন প্রধান শিক্ষক সমিতি দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

আমরা যেহেতু ইতিমধ্যে ১১তম গ্রেডে বেতন পাই তাহলে এখন আবার ১১তম গ্রেড কেন?

তিনি আরও বলেন, আমাদের একটাই দাবী প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দিতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে হাইকোর্টের রায়ের কপি মন্ত্রনালয়ে জমা দিয়েছি। রায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড পদ মর্যাদা ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ করে প্রবেশ পদে ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন)। অথচ নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ গ্রেডে বেতন পান।

পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ঢাকার গেন্ডারিয়ার মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ,সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এসএম সাইদুল্লাহ, স্বরুপ দাস, রঞ্জিত ভট্রাচার্য,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলামসহ ৪৫ জন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকদের ১১, সহকারীদের ১৩তম গ্রেডের অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ নভেম্বর:

গ্রেড পরিবর্তনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন প্রাথমিক বিদ‌্যালয়ের শিক্ষকরা। দাবি না মানলে আসন্ন প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

তবে ইতোমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১১তম সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আর সহকারী প্রধান শিক্ষকদের পদ সৃজন করা হলে ১৩ তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রাথমিকের শিক্ষক নেতাদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। বৈঠক শেষেএমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সচিবের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে কথা হয়।

সভাশেষে শিক্ষক নেতারা জানান, প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১২তম ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন দেয়ার কথা গণশিক্ষা সচিব বলেছেন। সচিব জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে। তবে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের পদসৃজন হলে তাদের ১২ তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। পদ সৃজনের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

তবে, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও সচিব শিক্ষক নেতাদের জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক পদে আর সরাসরি নিয়োগ দেয়া হবে না।

প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা জানান, আমরা পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অর্থাৎ পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্তে অটল আছি। তবে, আগামীকাল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সাথে বসবো। বৈঠক শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে। ১৭ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে পরীক্ষা বর্জন করবেন তারা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ, শিক্ষক নেতা আনিসুর রহমান, মো. বদরুল আলম, আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, আবদুল্লাহ সরকার, আবুল কাশেম প্রমুখ।

জানা গেছে, গণশিক্ষা সচিব শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি থেকে সরে আসতে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সচিবকে জানান শিক্ষক প্রতিনিধিরা। এছাড়া প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণায়ও অটল বলে জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, আমরা সচিবের কথায় সন্তুষ্ট। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিন সময় না পেলে আন্দোলন থেকে সরবো না। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে। বৈঠকে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সব সমস্যা ও বৈষম্য তুলে ধরা হবে। তিনি আমাদের যে প্রস্তাব দেবেন সেটাই মেনে নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাপনী পরীক্ষার আগে যদি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জানানো হয় তবে পরীক্ষা বর্জনের আন্দোলন স্থগিত করা হবে। তা না হলে পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।



প্রাথমিকের বেতন বৈষম্য: সংসদীয় কমিটি যা বলল

ডেস্ক,৩১ অক্টোবর:
প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে প্রাথমিক শিক্ষকরা। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে বেতনবৈষম্য নিরসনের দাবি না মানলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জনসহ লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতারা।

বুধবার সংসদ ভবনে বৈঠকে বসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা আপাতত দশম গ্রেড পাবেন না। তাদের ১১তম গ্রেডই দেওয়া হচ্ছে। আর সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ উচ্চ পর্যায়ের পদগুলো আপগ্রেড হলে তারপর প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হবে। তবে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের বেতন আপগ্রেড হওয়ার পর সহকারীদের কত দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার প্রসঙ্গ তোলেন। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন বলেও এ সময় উল্লেখ করেন তিনি। জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সচিব এর সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, আপাতত প্রধান শিক্ষকদের ১১তম আর সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড দেওয়া হবে। আমরা নতুন নিয়োগ বিধির সুপারিশ করেছি। ওই নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন হলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের পদটি ৯ম গ্রেডে উন্নীত হবে। সেটা হলেই আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের স্কেল আপগ্রেড করে ১০ গ্রেড করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ‘নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বিধি ১৯৮৫’ সংশোধনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নতুন বিধিমালায় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নবম গ্রেড দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে পদায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ সপ্তম গ্রেড করা হয়েছে। পদটি পুরোপুরি পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। বিধিতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদও আপগ্রেড করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই বিধিমালায় প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য আলী আজম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিবেচনাধীন আছে। শিগগিরই এর একটা সুরাহা হবে।


প্রাথমিক শিক্ষকদের সব দাবি মেনে নেওয়া হবে : ডিপিই মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ অক্টোবর:
প্রাথমিক শিক্ষকদের সব দাবি যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদের। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিজি মনজুর কাদের শিক্ষক নেতাদের বলেন, আপনাদের দাবি যৌক্তিক। আমরা আবারও প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড ১০ এবং সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড ১১ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাবো। মহাসমাবেশে অংশ নেয়া হাজার হাজার শিক্ষককে যে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে শিক্ষক নেতাদের আশ্বস্ত করেন মহাপরিচালক।

মনজুর কাদের আরও বলেন, আাগামী সপ্তাহে শিক্ষক নেতাদের নিয়ে আবারও বসবো। দরকার হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রাথমিক শিক্ষকদের মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেয়ার দাবিতে গত ১৪ অক্টোবর সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরদিন ১৫ অক্টোবর পালন করা হয় তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি। ১৬ অক্টোবর এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যান শিক্ষকরা।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর শহীদ মিনারে মহাসমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষকরা জমায়েত হতে থাকলে পুলিশ তাদের ওপর দফায় দফায় লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর আগে ২১ অক্টোবর ডিপিই’র মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় সমাবেশে যোগ না দিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছুটির দিনে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। যেসব শিক্ষক মহাসমাবেশে অংশ গ্রহণ তাদের মধ্যে হাজার হাজার শিক্ষককে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়।

দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বদলির দাবিতে মানববন্ধন

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিজানুজ্জামানকে দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারী অভিযোগ তুলে বদলির দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্রলীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুলকার নাঈম বায়েজিদ।

মানববন্ধন চালাকালীন বক্তব্য দেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মতিউর রহমান মতি, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি দুলাল মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি রিংকু মাহমুদ, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সুইট মাহমুদ, শহর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সহসাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদ বকুল, জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সোহেল রানা প্রমুখ। এ সময় মানবন্ধনে ছাত্রলীগ নেতা আশিক, আলিফ, জনি, মনি, হিরা, আরিফুল ইসলাম, তানমুন ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তরা বলেন, একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ শিক্ষককে মেহেরপুরে থেকে তাকে অন্যত্র দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষক মিজানুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি অনিয়মে সেøাগান সম্বলিত ফেস্টুন বহন করছিলো।
উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুজ্জামানকে দুর্নীতির দায়ে ঝিনাইদহ থেকে মেহেরপুরে বদলি করা হয়। ঘুষ নিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ছাত্র ভর্তির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মেহেরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।


চুয়াডাঙ্গায় অটিস্টিক স্কুলে মিড ডে মিল উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন বলেন, অটিজম আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজন বাড়তি যতœ আর সহযোগিতা। পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি মানুষ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের সহযোগিতা করা।

সঠিক পরিচর্যা পেলে এই শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, জাতীয় সম্পদে পরিণত হবে। একসময় অটিজম সমস্যাকে তেমন গুরুত্বের সাথে দেখা হতো না। কিন্তু বর্তমান সরকার এ বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর চুয়াডাঙ্গা শহরের মুক্তিপাড়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অটিস্টিক স্কুলে (প্রকাশ) মিড ডে মিল উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

ছেলুন জোয়ার্দ্দার এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা হোসেন অটিজম বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে দেশ-বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা আন্দোলন অন্য উচ্চতা পেয়েছে।

এক সময় প্রতিবন্ধীদের বোঝা মনে করা হতো। কিন্তু এখন এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে প্রতিবন্ধীরাও সমাজে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, একটু সুযোগ করে দিলেই তারা সমাজের মূল স্রোতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। সঠিক পরিচর্যা পেলে অটিস্টিক শিশুরাও প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইয়াহ্ ইয়া খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদন সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা সমাজকল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি মুন্সি আলমগীর হান্নান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উজ্জ্বল কুমার কু-ু, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন’র প্রতিনিধি ডা. আওলিয়ার রহমান প্রমুখ।


মাথাভাঙ্গা

hit counter