Author Archives: editor

প্রাথমিকে দফতরি নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ আগষ্ট:
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান দফতরি কাম প্রহরী নিয়োগ স্থগিত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২১ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এই আদেশ দেন।


উল্লেখ্য, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে দফতরি কাম প্রহরী নিয়োগ চলছিলো আউটসোর্সিং ভিত্তিতে।

তবে এই নিয়োগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

এই অভিযোগের পর বুধবার নিয়োগ স্থগিতের আদেশ দেন সচিব। পাশাপাশি যেসব বিদ্যালয়ে নিয়োগ চলমান রয়েছে সেগুলোও বাতিল করা হয় আদেশে।

আদেশে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী পদে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে জনবল নিয়োগের কার্যযক্রম পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যযন্ত স্থগিত করা হলো। ইতোমধ্যে যদি কোনও উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য দফতরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকে তাহলে তা বাতিল করা হলো।

দূর্গাপুজায় ৭ দিনের ছুটি চান প্রাথমিকের শিক্ষকরা

ডেস্ক,২১ আগষ্ট:
দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতিবছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দুর্গাপূজার ছুটি ৭ থেকে ১০ দিন করা হয়। কিন্তু এ বছর ব্যতিক্রম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠী থেকে দশমি দুর্গাপুজার আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু এ বছর অষ্টমী থেকে ছুটি দেয়া হয় দশমী পর্যন্ত মোট ৩দিন ছুটি দেয়া হয়।



বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য মনি বলেন, তার চাকুরিকালের এটি প্রথম এমন ঘটনা। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দুর্গাপূজার ছুটি ৩ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন করার পুনর্নির্ধারণের দাবি জানান।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ৩ দিনের পরিবর্তে কমপক্ষে ৭ দিন ছুটি ঘোষণার দাবি জানান।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আসন্ন দুর্গাপূজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। দুর্গাপূজাই একমাত্র সার্বজনীন অনুষ্ঠান যেখানে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান পালন করেন। হিন্দুরা ধর্মীয় দিক থেকে এদেশের দ্বিতীয় সংখ্যগরিষ্ঠ জাতি। সুতরাং এই বৃহৎ অনুষ্ঠানটিতে কমপক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হোক।

ডাক বিভাগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন ডেস্ক

১৫টি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। নারী ও পুরুষ উভয়কেই নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই আবেদন করতে পারবেন।


পদের নাম: উচ্চমান সহকারী, সাট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, টেকনিশিয়ান, মেকানিক, কম্পাউন্ডার, পোস্টাল অপারেটর, মেইল অপারেটর, গ্যাস মিস্ত্রি ও মিডওয়াইফসহ মোট ১৫টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদসংখ্যা: ১৫টি পদে মোট ২৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাসসহ উচ্চমাধ্যমিক/মাধ্যমিক/সমমান/ফার্মাসিস্ট পাস প্রার্থীরা বিভিন্ন পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিছু কিছু পদের জন্য কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা ও উক্ত পদের জন্য কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

আবেদনকারীর বয়সসীমা: ন্যূনতম ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

বেতন স্কেল: বিভিন্ন পদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের (http://pmgmc.teletalk.com.bd) মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ও ফি প্রাদান শুরু হবে ২০ আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০টায় এবং শেষ হবে ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে।
বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

পাবনা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ লেনদেন, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ আগষ্ট ২০১৯:
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হেড কেরানীর (উচ্চমান সহকারী) ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ বরাদ্দ, মেরামত বাবদ অনুদান, ওয়াশ ব্লক ও রুটিন মেইনটেনেন্স বাবদ বরাদ্দকৃত টাকার ৬ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনের বিরুদ্ধে।



আলাউল হোসেন ও আরিফুল ইসলামসহ কয়েকটি ফেসবুক আইডিতে সোমবার রাত থেকে ঘুষ গ্রহণের এই ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনকে কাজীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মনি ঘুষের টাকা প্রদান করছেন। তিনি টাকা টেবিলের নিচে নিয়ে গুণে তা প্যান্টের পকেটে রাখছেন। ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর থেকে ভিডিওটি অনেকে শেয়ার করছে ও লাইক, কমন্টে বিভিন্ন মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনের নির্দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ বরাদ্দ, মেরামত বাবদ অনুদান, ওয়াশ ব্লক ও রুটিন মেইন টেনেন্স বাবদ বরাদ্দকৃত টাকার ৬ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন অফিসের উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ জানান, ১৭৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭৫টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে জোরপূর্বক বিল তৈরি বাবদ উচচমান সহকারীর মাধ্যমে শিক্ষা অফিসার বরাদ্দের ৮ থেকে ১০ ভাগ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছে।

সোনাতলা স. প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, হাটবাড়িয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেনসহ অনেকে বলেন, সরকার প্রদত্ত স্কুলের উন্নয়ন কাজের বিল গ্রহণে অগ্রিম ঘুষ প্রদানে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে। ঘুষের টাকা পরিশোধ না করলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানীর স্বীকার হতে হয়।

গত ১৮ আগস্ট উপজেলা আমোষ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের পরিচয়ে স্লিপ বরাদ্দের টাকার চেক গ্রহণে উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা খোকন। পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বিল করতে রাজি হন বলে এ প্রতিনিধিকে জানান খোকন।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে ব্যবস্থা গ্রহণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম। এছাড়াও তিনি শিক্ষা অফিসারসহ অফিসের সকল কর্মকর্তাদের ডেকে অপরাধীদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন।

উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেন বলেন, ‘ঘুষের টাকা আমি গ্রহণ করিনি। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গোলজার হোসেনের ঘুষ গ্রহণের তথ্য আমি পেয়েছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তবে ঘুষ গ্রহণে তার নিজের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম জানান, ফেসবুকে পাওয়া ভিডিও ক্লিপ দেখে আমি ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করেছি। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯ আগস্ট , ২০১৯:
সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে ভর্তিচ্ছুরা। আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার টাকা। এরমধ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ক ভর্তি কমিটি সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিটি দৈনিক শিক্ষাবার্তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
এমবিবিএস কোর্সে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর। সোমবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।



এতে আরও বলা হয়েছে, ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
অনলাইনে আবেদনের লক্ষ্যে www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে নির্দেশাবলি ভালোভাবে পড়ে সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের পরামর্শ দিয়ে এতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা ফি এক হাজার টাকা শুধু প্রিপেইড টেলিটকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের জন্য ভর্তির আবেদনের এ আহ্বান প্রযোজ্য হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৬ বা ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ইংরেজি ২০১৮ বা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন বাংলাদেশের নাগরিকরা ভর্তির আবেদন করার যোগ্য হবেন। এ ছাড়া ইংরেজি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব দেশি ও বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে।

জাতীয় স্কুল মিড ডে মিল নীতিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের একবেলা খাবার খাওয়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে একবেলা খাবার দেয়া হবে। আজ সোমবার (১৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নীতিমালার খসড়া অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া হ্রাস করতে সারা বছর পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার দিতে এ নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে পাঁচদিন গরম খাবার ও একদিন পুষ্টিকর বিস্কুট দেয়া হবে।

তিনি জানান, মিড ডে মিল অনেক জায়গায় পাইলট প্রকল্প হিসাবে চালু হয়েছে। এগুলোকে কীভাবে সমন্বিতভাবে সারাদেশে ছড়ানো যায় সেজন্য এই নীতিমালা। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যক্রমের ধরন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে গাইডলাইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ক্যালরির ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে নিশ্চিত করা হবে। যা প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩-১২ বছরের ছেলে ও মেয়ে শিশুদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অর্ধদিবস স্কুলের ক্ষেত্রে দৈনিক প্রয়োজন অনুপুষ্টিকণার চাহিদা ন্যূনতম ৫০ শতাংশ, জাতীয় খাদ্য গ্রহণ নির্দেশিকা অনুযায়ী দৈনিক প্রয়োজনীয় শক্তির ১০-১৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে এবং ১৫-৩০ শতাংশ চর্বি থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। ন্যূনতম খাদ্য তালিকার বৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ১০টি খাদ্যগোষ্ঠীর মধ্যে ন্যূনতম চারটি খাদ্যগোষ্ঠী নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
নীতিমালার আলোকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়ে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সারাদেশে কাভার করা হবে। সরকারের সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা ছাড়া এটা সফল করা যাবে না। কারণ স্কুলগুলোতে রান্নাঘর করতে হবে।

রাজশাহী বোর্ডে ৬৬ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট:
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ৬৬ পরীক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। আর ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকালে শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।



গত ১৭ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৭২৯ জন।

এরপর গত ১৮ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করে বোর্ডগুলো। ফল পুনঃনিরীক্ষণে পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা আবেদন ফি গ্রহণ করা হয়।

১৭ জুলাই প্রকাশিত ফল অনুযায়ী এবছর উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ শিক্ষার্থী। ৮টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ ভাগ। ৮ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর ৪১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়।

এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৬২ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫৬ ভাগ। আলিম পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী।

এমপিওভুক্তির তালিকা :১৪ আগস্ট পাঠানো হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট :

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সব শর্ত পূরণ করেছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে নতুন এমপিও দিতে তালিকা প্রস্তুত করা হয়।


নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্বশেষ এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল ২০১০ সালে। এরপর থেকে নতুন কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও পায়নি।

এমপিও তালিকায় চূড়ান্ত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫শ’ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এক হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬০টির বেশি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৯০টির বেশি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ৫০টির বেশি ডিগ্রি (অনার্স-মাস্টার্স) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদে বলেছিলেন, প্রায় ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।

অনলাইনে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিল। সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে প্রায় ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শর্ত পূরণ করায় তাদের বিবেচনা করা হয়েছে। দ্রুতই ওই ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ধাপে ধাপে এমপিওভুক্ত করা হবে।

মডেল শিক্ষক : গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের বিরোধিতায় শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট:
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘মডেল শিক্ষক’ নির্বাচনকে ভালোভাবে দেখছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। তারা বলছেন, মডেল শিক্ষক হওয়ার জন্য লবিং এমনকি ঘুষ লেনদেন শুরু হবে। নতুন এক গজব হিসেবে দেখা দেবে মডেল শিক্ষকের ধারণা।


জানা যায়, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মডেল শিক্ষকদের দিয়ে সংশ্নিষ্ট উপজেলার অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া বিদ্যালয়গুলোর দুর্বল শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হবে। বিশেষ করে নজর দেওয়া হবে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপরে। এ সিদ্ধান্তের ফলে উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে সরকার।
এ ছাড়া গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কাটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ জন্য দুই হাজার মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হচ্ছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে এটি করা হবে। এ জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চুক্তি সই হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য উপজেলা পর্যায়ে ফলের দিক দিয়ে সেরা স্কুলগুলোর শিক্ষকদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে ‘মডেল শিক্ষক’। এই মডেল শিক্ষকদের দিয়ে ওই উপজেলার যেসব বিদ্যালয়ের ফল ভালো নয়, সেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য সুপারিশ করেছে এই মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্রুত এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়কে তাগাদাও দেওয়া হয় বৈঠক থেকে।

এরপর মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়টি নিয়ে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) খান মোহাম্মদ নুরুল আমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাইলেও ‘মডেল শিক্ষক’ নিয়োগ করার বিষয়ে ‘ধীরে চলো নীতি’ অনুসরণ করছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অনেকে মনে করেন, এতে ভালো স্কুলগুলোর ক্ষতি হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতা হাবিবুর রহমান দৈনিক শিক্ষা বা্র্তাকে বলেন, মডেল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগটি ভালো। তবে সঠিক মানদ নির্ধারণ না করে মডেল শিক্ষক নিয়োগ দিলে তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

ঝালকাঠীর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিরীন সুলতানা বলেন, মডেল প্রাথমিক শিক্ষক তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার খুব একটা প্রয়োজন আদৌ আছে বলে আমি মনে করি না। বরং অগ্রগামী বিদ্যালয়গুলোতে অনগ্রসর বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পালাক্রমে ডেপুটেশন দিলে বাস্তবে তা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে। তারা অন্তত তিন মাস অগ্রগামী বিদ্যালয়ে কাজ করলে হাতেকলমে অনেক কাজ শিখতে পারবেন এবং নিজের বিদ্যালয়ে তা প্রয়োগ করতে পারবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মডেল স্কুলের সব ভালো শিক্ষককে ক্লাস করাতে অন্যত্র নিয়ে গেলে সেইসব স্কুল চলবে কী করে? তাই আপাতত আমরা মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলেছি, উপজেলার ভালো স্কুলগুলো ভিজিট করে তাদের ‘গুড প্র্যাকটিস’গুলো নিয়ে দুর্বল স্কুলগুলোতে কাজে লাগাতে। আর মডেল শিক্ষক না হলেও ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ নির্বাচনের প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু আছে।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ও টাইম স্কেল

এ এম জিয়াউর রহমান।।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচিত বিষয় হচ্ছে ২০১৪ সালে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়েছেন বিধায় তারা আর ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত টাইমস্কেল পাবেন না। কিন্তু যাবতীয় চিঠিপত্র, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র বিশ্লেষণ করে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তারা পদোন্নতি পায়নি এবং অর্থবিভাগের পত্র মোতাবেক দ্বিতীয় শ্রেণিও নয়। সুতরাং তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে কোন বাধা নেই।


চলতি মাসে বড় সুখবর পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা
অতিরিক্ত সচিব মহোদয় দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছেন যে, প্রধান শিক্ষকেরা পদোন্নতি পেয়েছেন। সুতরাং তারা টাইমস্কেল পাবেন না। কিন্তু আমরা জানি, কোন পদে কোন ব্যক্তি পদোন্নতি পেলে তার একটা গেজেট হয় এবং নতুন পদে তিনি যোগদান করেন। গেজেট ও যোগদান ছাড়া পদোন্নতি হয়েছে বলা যাবে না। তাছাড়া প্রধান শিক্ষকগণ ০৮/০৩/২০১৪ তারিখেও প্রধান শিক্ষক ছিলেন ১০/০৩/২০১৪ তারিখেও ছিলেন, এখনো প্রধান শিক্ষক পদে বহাল আছেন, পদোন্নতি পেয়ে এটিইও হননি। সুতরাং পদোন্নতি পাবার প্রশ্নই উঠে না। অবশেষে তিনি আমাদের সাথে একমত পোষণ করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণির প্যাঁচে ফেলতে চাচ্ছেন।

আমরা সবাই জানি দ্বিতীয় শ্রেণি বলতে ১০ম গ্রেড বুঝায়, কোনক্রমেই ১১ তম গ্রেড নয়। কিন্তু আমাদেরকে ১১তম গ্রেড দিয়ে নন গেজেটেড দ্বিতীয় শ্রেণি করা হয়েছে যেটা আমাদের সাথে সুবিচার করা হয়নি। সেই সাথে অর্থবিভাগ ১১তম গ্রেডকে দ্বিতীয় শ্রেণি বলে স্বীকার করে না। তারা ১৫/১০/২০১৬ তারিখে পত্র (স্মারক নং–২০১০–৭৫২) দ্বারা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন ১১তম গ্রেড থেকে ২০ তম গ্রেড পর্যন্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি। সুতরাং এ ক্ষেত্রে আর কোন কথা বা যুক্তির প্রয়োজন নেই। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ বা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চিঠি থেকে এটা সুস্পষ্ট যে ১১ তম গ্রেডকে ৩য় শ্রেণি হিসাবেই বিবেচনা করা হয়।

এছাড়া মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগও তাদের রায়ে ১১ তম গ্রেডের উপরে করেস্পন্ডিং স্কেল নির্ধারণের আদেশ দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে ১১ তম গ্রেড ২য় শ্রেণির আওতাভুক্ত নয়। সুতরাং যে যুক্তিতেই হোক ১৪/১২/২০১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর ন্যায় টাইমস্কেল পাবেন, বঞ্চিত করার কোন সুযোগ নেই। আর আমরা বঞ্চিতরা যদি টাইমস্কেল আদায় করতে পারি তাহলে ২০০৮ সালের পরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাপ্তিতেও আর কোন বাঁধা থাকবে না। তা না হলে ২০২৪ সালের আগে কেউ আর উচ্চতর গ্রেড পাবেন না।

তাই আসুন সকলে মিলে একতা গড়ি, ন্যায্য পাওনা আদায় করি। ইতিপূর্বে আমরা ২০০৬ সালেও দুই গ্রেড উন্নিত হয়েছি। তখন আমরা টাইমস্কেল পেয়েছিলাম এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষকদেরও গ্রেড উন্নিত হলেও তারা টাইমস্কেল পেয়েছে। বর্তমানে শ্রেণি প্রথা তুলে দেয়ার পরও বারবার আলোচনায় ‘শ্রেণি’ কে আনয়ন করার বিষয়টাও বোধগম্য নয়।

তাই, হাজার হাজার টাইমস্কেল ও উচ্চতর গ্রেড বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আবেদন, আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করবেন না। জাতির বিবেক শিক্ষকদেরকে জ্ঞানহীন ভাববেন না, আমাদের কর্মকালকে মূল্যায়ন করুণ, আমাদের পাওনা আমাদেরকে বুঝিয়ে দিন। আমরা স্কুল ছেড়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে চাইনা।

লেখক

সহ-সভাপতি (কেন্দ্রীয় কমিটি)

বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতি।

ডেঙ্গু এতিম করলো ভিকারুননিসার দুই ছাত্রীকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৫ আগস্ট ২০১৯ :
স্বপ্ন ছিল দুই মেয়েকে অনেক বড় মানুষ করে গড়ে তুলবেন। এ কারণে উচ্চশিক্ষিত হয়েও নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটেননি মা শিরিন আক্তার (৩৮)। মেয়েদের পড়ালেখা নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। দুই মেয়েকে দেশের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি করান। মায়ের প্রচেষ্টায় দুই মেয়ে ক্লাসে বরাবর প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ডেঙ্গু জ্বর সেই মাকে কেড়ে নিয়েছে বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন বড় মেয়ে রায়না জেরিন।


ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেইলি রোড প্রধান শাখার একাদশ শ্রেণির ছাত্রী রায়না জেরিন। একই শাখায় তার ছোট বোন সুমাইদা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। তাদের বাসা বনশ্রীর তিতাস রোডে। মা শিরিন আক্তার ও বাবা আনিসুল আমিন মিলে একটি সুখের সংসার ছিল তাদের।

বাবা ব্যবসা করেন। মা উচ্চশিক্ষিত হলেও নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটেননি। দুই মেয়েকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন তিনি। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সেই মা পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ায় পরিবারে অন্ধকার নেমে আসে। দিনভর বিলাপ করে দিন পার হচ্ছে দুই বোনের।

স্বজনরা জানান, দুই মেয়েকে অনেক বড় মানুষ করে গড়াই ছিল শিরিনের স্বপ্ন। এ কারণে মেয়েদের নিয়েই সবসময় ব্যস্ত থাকতেন তিনি। মেয়েরা কী খাবে, কী করবে, কোনটা তাদের জন্য ভালো হবে- এসব ছিল তার একমাত্র ভাবনা।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় গত ২৮ জুলাই শিরিন আক্তারকে পান্থপথ বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সাতদিন তার চিকিৎসা চলে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গতকাল রোববার দুপুরে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

বড় মেয়ে রায়না জেরিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মা ছাড়া আমরা অসহায় হয়ে গেছি। বাবা সারাদিন কাজে বাইরে থাকেন, মায়ের স্নেহে আমরা বড় হয়েছি। মায়ের চেষ্টায় আমরা দুই বোন শুরু থেকে ক্লাসে প্রথম স্থান অর্জন করে আসছি। সেই মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, আমাদের আর কোনো অবলম্বন রইলো না।’

মায়ের মৃত্যুতে দুই বোন এখন শোকে পাথর। স্বজনরা নানাভাবে অসহায় মেয়েদের সান্ত্বনা দেয়ার বৃথা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনোভাবেই শোকার্ত এ পরিবারকে শান্ত করা যাচ্ছে না।

এদিকে দুই শিক্ষার্থীর মা ডেঙ্গু জ্বরে মৃত্যুবরণ করায় তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করেছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকালে স্কুল শাখায় বিকেলে কলেজ শাখায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগম।

এই অভিভাবকের অকাল মৃত্যুতে পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেই প্রাথমিক শিক্ষিকার বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রীট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নারগিস সুলতানা ছবিকে ডিপিইও ঝিনাইদহ মহোদয় কর্তৃক অবৈধ বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে স্বউদ্যোগে হাইকোর্টে রীটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন গরীবের আইনজীবীখ্যাত হাইকোর্টের সম্মানিত আইনজীবী জনাব এডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।



চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা ইংরেজি পড়তে পারেনি এ কারণে সহকারী শিক্ষককে বরখাস্ত করেছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার। অথচ জেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষরিত ঐ বরখাস্তের চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে বিষয়টি নজরে এসেছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। জানা গেছে ওই শিক্ষিকার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হতে পারে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঞ্জুর কাদির গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্ররা ইংরেজি পড়তে পারে না এ কারণে শিক্ষককে বরখাস্ত করা ঠিক হয়নি। শিক্ষকের দক্ষতার অভাব থাকতে পারে। কিন্তু সেজন্য তাকে সময় দিতে হবে। জেলা শিক্ষা অফিসার যে ভুল করেছেন সেটাও তার অপরাধ এবং অদক্ষতা। বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

উল্লেখ্য গত ৩০ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আকতারুজ্জামান। তিনি চতুর্থ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বইয়ের একটি চ্যাপ্টার থেকে রিডিং পড়তে বলেন। কিন্তু ছাত্ররা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারেনি। এ কারণে জেলা শিক্ষা অফিসার ঐ শ্রেণিতে যিনি ইংরেজি পড়ান তাকে দায়ী করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার অফিসে ফিরেই সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানাকে বরখাস্ত করেন।

ঐ বরখাস্তের আদেশের অনুলিপি দেন মহাপরিচালক, বিভাগীয় উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও। আদেশ কার্যকর হয় বৃহস্পতিবার থেকেই। কিন্তু তিনি যে বরখাস্তের চিঠি দিয়েছেন তাতে রয়েছে ২২টি ভুল। যে ইংরেজি বই পড়তে না পারার কারণে শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে সেই ইংরেজি বানানেও ভুল করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার। chapter লিখতে গিয়ে লিখেছেন cahpter। ‘শ্রেণি’ বানানের ক্ষেত্রে কোথাও লিখেছেন ‘শ্রেণি’, আবার কোথাও লিখেছেন ‘শ্রেণী’। অসদাচরণ বানান লিখতে গিয়ে ভুল করেছেন। এমন অন্তত ২২টি ভুল করেছেন তিনি। সরকারি চিঠিতে এমন ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও। জেলা শিক্ষা অফিসারদের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।

জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীও যদি রিডিং পড়তে পারত আমি ক্ষমা করতে পারতাম। একটি বাচ্চাও রিডিং পড়তে পারেনি। যার রোল নম্বর ২ সেও পারল না। যার রোল নম্বর ৩ সেও পারল না। শিক্ষকও রিডিং পড়তে গিয়ে দুটি শব্দ ভুল করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরও ভুল করেছে তাহলে আমার কী করণীয়? জাতি আর কত সময় দেবে। আমি বরখাস্ত করেছি। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় মামলা রুজু করব। ভুল বানানের বিষয় তিনি বলেন, আমার বয়স ৫০-এর বেশি। আমার চশমাটা কে বা কারা নিয়ে গেছে। মুখে বলে দিয়েছি প্রধান সহকারী লিখেছেন। চশমা না থাকার কারণে ঠিকমতো দেখতে পারিনি। খেয়ালও করিনি। সরল বিশ্বাসে সই করে দিয়েছি। বানান ভুল হয়ে গেছে। পরে যখন জেনেছি তখন আবার একই স্মারকে সংশোধন করে দিয়েছি।

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু,আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের বহদ্দার হাট ফ্লাইওভারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন রাঙ্গুনিয়ার এক শিক্ষিকা। আহত হয়েছেন ২জন শিক্ষিকা।তারা তিনজনই রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দক্ষিণ নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। নিহত যিনি হলেন ওই স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা আমেনা বেগম।আহত হন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জোবেদা_খানম ও সহকারি শিক্ষিকা সোমা ঘোষ। তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন।



স্কুল শেষে চট্টগ্রাম শহরের বাসায় সিএনজি অটোরিকশায় ফিরছিলেন তারা। যাওয়ার পথে নগরীর বহদ্দার হাট ফ্লাইওভারে তাদের বহনকারী সিএনজি অটোরিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা মারে কাভার্ড ট্রাক। ট্রাকটির সামনের চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি অটোরিকশাটিকে ধাক্কা মারে বলে জানা যায়।এতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে গণিত বিষয়ের প্রশিক্ষক আমেনা বেগম এর মর্মান্তিক মৃত্যুতে এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের প্রশিক্ষক সোমা ঘোষ ও প্রধান শিক্ষক জোবেদা খানম এর জীবন মরণ সন্ধিক্ষণে আইসিউতে থাকায় বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষন। প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান

আড়াই মাসের অন্তসত্মা এখন কে বিয়ে করবে আমাকে?
প্রতিনিধি পঞ্চগড়:

পঞ্চগড় সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডুডুমারি গ্রামে কলেজ পড়–য়া ছাত্রী একই গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বিয়ে ও পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে অনশন করেছে। এ নিয়ে ঐ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঐ অন্তসত্মা প্রেমিকাকে বাড়িতে রেখে প্রেমিক ও তার পরিবার বাড়ি থেকে উধাও হয়েছে। কলেজ পড়–য়া ছাত্রী সাংবাদিকদের জানান আমি গত সাত বছর পূর্ব হতে আমার প্রতিবেশি জহিরুল ইসলাম এর ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে মিন্টু (২৫)এর সাথে প্রেমের সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়েছিলাম , গত দুই বছর হতে সে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকদফা দৈহিক মেলামেশা হয়েছে।

আমি ২০১৮ সালে এইচএসসি পাশ করে বর্তমানে অনার্স ভর্তির জন্য আবেদন করেছি। আমার পরিবার আমাকে যখনই বিয়ে দিতে চায় তখনই মিন্টু আমাকে বলে আমি একটা চাকুরি পেলে তোমাকে বিয়ে করবে। গত এক বছর হতে আমাকে বহুবার বিয়ে করার আশ্বাস দিয়েছে । এরই মধ্যে শুনতে পাই সে একটি বেসরকারি চাকুরি পেয়ে এখন অন্য মেয়ের সাথে বিবাহ করবে। একথা শুনে আমি আমার সর্ম্পকের কথা প্রতিবেশি ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম কে জানাই । কিন্তু কিছুতেই মিন্টু বিয়েতে রাজি না হওয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি মিন্টুর বাসায় এসেছি ।

মিন্টুর বাসায় আসার পরক্ষনেই তার পরিবার আমাকে বাশের লাঠি দিয়ে রক্তাক্ত করে বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার আড়াই মাসের সন্তান গর্ভে এখন আমাকে বিয়ে করবে কে? প্রেমিক মিন্টুর পিতা জহিরুল সাংবাদিকদের জানান মেয়েটির স্বাস্থ্য পরিক্ষার পর যদি প্রমান হয় আমার ছেলের কারনেই মেয়েটি অন্তসতœা তবেই আমি মিন্টুর সাথে বিয়ে দিবো। এদিকে প্রেমিকার বাবা এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমার মেয়ের যে সর্বনাশ করেছে এখন আমার সেই মেয়েকে মিন্টু বিয়ে না করলে মেয়েটিকে ফেরত নিয়ে কি করবো ? আমার মেয়ে অন্তসত্মা আমি নজরুল মেম্বারকে সব জানিয়েছি আমি ন্যায়বিচার এর জন্য আইনের আশ্রয় নিবো যদি মিন্টু বিয়ে না করে। সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নজরুল এর সাথে সাংবাদিকরা কথা বললে তিনি বলেন আমি এবং আমার ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে গতকাল ছেলে ও মেয়ের পরিবার কে নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেস্টা করেছি কিন্তু দুপক্ষই তাদের দাবীতে অনড় থাকায় সম্ভব হয়নি। পঞ্চগড় সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম এর সাথে ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি নিয়ে পরিষদে মিমাংসার চেস্টা করা হলে মিন্টু সেই মেয়েকে বিয়ে করবেনা বলে সাফ জানিয়ে দেয় এজন্য দুপক্ষকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।

hit counter