Home » Author Archives: editor

Author Archives: editor

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধের পরিকল্পনা নেই : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ জুলাই, ২০২০
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা বন্ধের কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই। এ পরীক্ষাকে আরও যুগোপযোগী করতে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বোর্ড গঠন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বোর্ড গঠনের বিষয়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)-এর ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সাংসদ শফিউল ইসলামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে একাদশ শ্রেণিতে (এইচএসসি) ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। তবে নীতিমালার আলোকে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শূন্য পদে নিয়োগ চান এসআই সুপারিশ বঞ্চিতরা

ডেস্ক,৯ জুলাই:

বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পরিদর্শকের (এসআই) শূন্য পদে নিয়োগ পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন ৩৮তম বহিরাগত ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) ২০১৯-এর সুপারিশ বঞ্চিতরা। প্রায় ২ হাজার ৭০০ সুপারিশ বঞ্চিত মেধার ভিত্তিতে এসব শূন্য পদে নিয়োগ চান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানান তারা।

প্রার্থীদের পক্ষে নিজাম উদ্দিন বলেন, অনেক শূন্য পদ রয়েছে। সুপারিশ প্রাপ্তদের অনেকেই পরবর্তীতে আর পুলিশে যোগ দেননি। সেখানে শূন্য পদ আছে। আমরা অনার্স, মাস্টার্স শেষ করেছি অর্থ্যাৎ দেশে প্রচলিত সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছি। এর অর্থ আমাদের মেধা আছে। সেই মেধার ভিত্তিতে আমাদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হোক। আমাদের ব্যাচ থেকে না হলেও অন্য ব্যাচ থেকে নেওয়া হোক। অন্তত বিশেষ ব্যবস্থায় এই পদ্ধতিটা যেন চালু হয়।

প্রার্থীদের পক্ষে আরেক আবেদনকারী শেখ আল আমিন বলেন, অন্যান্য পদের মতো এসআই পদের ক্ষেত্রে কখনো বলা হয় না যে, কোন সার্কুলারে কতো জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে। আমরা যদি ভাইভা থেকে আর সুপারিশ প্রাপ্ত না হই তাহলে জানানো হয় না যে, আমরা কোন পরীক্ষায় কতো নম্বর পেয়েছি। সবকিছু পুলিশ সদর দপ্তরে গোপন রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, এর আগেও আমরা দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু এই পুলিশ দিয়েই আমাদের লাঠিপেটা করা হয়েছে। সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০০ জন সুপারিশ প্রাপ্ত সারদায় প্রশিক্ষণে যোগদান করেননি। এই ৩০০ পদেও যদি আমাদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলেও অন্তত ৩০০ পরিবারের উপকার হবে।

এদিকে চলতি বছর এসআই পদে আর কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় আগামী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স সীমা পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানান মানববন্ধনকারীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিগগিরই একাদশে ভর্তি শুরু হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জুলাই:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। নীতিমালার আলোকে শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এবং ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য করোনা পরিস্থিতিতেও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। তবে করোনার কারণে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে। ভর্তির বিষয়ে বোর্ড প্রস্তত রয়েছে। শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এ কার্যক্রম শুরু হবে।’

এসময় ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে সংক্রমিত না হয় সে জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে এবং শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।’

নেয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সরকারি কোনও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নেই। বেসরকারি ১৪৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুলাই, ২০২০
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসেন৷ তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এনটিআরসিএর সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেনের অবসরে যান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরুনা বিশ্বাসকে এনবিআরসিএর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে বদলি করা হলেও তিনি যোগদান করেননি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই সংস্থাটির নিয়মিত চেয়ারম্যান পদটি খালি ছিলো। শিক্ষা বিষয়ক দেশের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষার পক্ষ থেকে নতুন চেয়ারম্যান অভিনন্দন জানাই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০ দফা দাবিতে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুলাই, ২০২০
শিক্ষা উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা দেয়াসহ ১০ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এছাড়া সারাদেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলেও জানান নেতারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষকরা বলেন, বর্তমান করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর অবস্থাও শোচনীয়। সরকার যদি প্রণোদনা না দেয় তাহলে ৭৫ ভাগ কিন্ডারগার্টের স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জানান তারা।

এসময় শিক্ষকরা আরও বলেন, এরই মধ্যে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কেউবা চাকরি হারিয়ে হকার বা কাঁচা সবজি বিক্রি করে জীবন যাপন করছেন। এছাড়া অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত হওয়ায় বাড়ি ভাড়া, শিক্ষকদের বেতন দিতে না পারায় আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই দু:সময়ে সহজ শর্তে ঋণ ও বিশেষ প্রণোদনাসহ সংকট মোকাবিলায় সব ধরণের সহায়তার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে ১০ দফা দাবি পেশ করেন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা বা সহজ শর্তে ঋণ দেয়া, করোনা সংকটে দুর্ভোগ পড়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষকদের জন্য বিশেষ অনুদান দেয়া, কর্মহীন হয়ে পড়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষক পরিবারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, ৬ লাখ শিক্ষিত বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী কিন্ডারগাটের্ন স্কুলগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা, শিক্ষকদের অর্থ কষ্ট লাঘবে সরকারি প্রণোদনা, কেজি স্কুলকে সহজ প্রক্রিয়া নিবন্ধন দেয়া, কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সমস্যাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা, প্রাথমিক শিক্ষায় অতুলনীয় অবদানের জন্য কিন্ডারগার্টেনকে গুরুত্ব দেয়া এবং যেকোন আপতকালীন সংকট মোকাবেলায় সহযোগীতা দেয়া।

অবস্থান কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এসএম শফিউর রহমান দুলু, বিশিষ্ট কবি মোহন রায়হান। এসোসিয়েশনের কো চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আব্দুল মাজেদ, ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ফারুক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুর রহমানসহ অনেকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুলাই, ২০২০

বই খাতা, কলম কিংবা চক-ডাস্টার নয় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের উপকরণ হবে মোবাইল বা ট্যাবে ও ডিজিটাল অ্যানিমেশনের মাধ্যমে তৈরি করা সফটওয়্যার। তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হয়েছে। বিটিসিএল পরিচালিত ৮টি টিএন্ডটি স্কুলে প্রাথমিকভাবে প্রি-স্কুল থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান শুরু হয়েছে। এ পদ্ধতিতে মোবাইল বা ট্যাবে ডিজিটাল অ্যানিমেশনের মাধ্যমে তৈরি করা সফটওয়্যারে নির্ধারিত পাঠ্যসূচি অনুসারে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হবে। এর ফলে খেলার ছলে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে সহজে এবং আগ্রহের সাথে পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারবে।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বিটিসিএল, হুয়ায়ুয়ে এবং বিজয় ডিজিটালের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার বনানীতে টিএন্ডটি বয়েজ হাইস্কুলে কার্যক্রমটি শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দুই বছরের মধ্যে টিন্ডটির আরও ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৯৭০ জন ছাত্র-ছাত্রী ডিজিটাল শিক্ষার আওতায় আসবে। বিটিসিএল এর ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল এডুকেশন ডিভাইড টু রিডিউস দ্যা গ্যাপ প্রকল্প এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে।

জানা গেছে, জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে উদ্ভাবিত সফটওয়্যার শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করবে বিজয় ডিজিটাল অ্যাপ। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে হুয়ায়ুয়ে ট্যাব সরবরাহ করবে। সরবরাহকৃত ট্যাবে বিজয় ডিজিটাল অ্যাপটি আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকবে। অ্যাপের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা তাদের পড়ালেখা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারের সবচেয়ে বড় দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ডিভাইস এবং কনটেন্ট। গত ১১ বছরে বিজয় ডিজিটালের সিইও জেসমিন জুই কনটেন্ট বিষয়ক চ্যালেঞ্জটি তার ২০ জন দক্ষ সহযোদ্ধাকে নিয়ে অত্যন্ত সফলভাবে মোকাবেলা করেছেন। প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকের কনটেন্ট তৈরি করে শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি তুলে দিতে পেরেছেন। বিনা টাকায় করোনাকালে শিক্ষার্থীরা এই কনটেন্টটি এখন পাচ্ছেন। অনলাইন থেকে শিক্ষক ও অভিভাবকরা ডাউনলোড করে তাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা জীবনে প্রাথমিক স্তরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর আগামী দিনটা হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির দিন। এই পদ্ধতিতে শিশুদের কম্পিউটার শিক্ষার কাজটিও যেমন এগিয়ে যাচ্ছে পড়ার প্রতি তাদের আগ্রহও তেমনি বাড়ছে। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হয়ে গেছে। বিপ্লবের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে না পারলে নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকা কঠিন হবে। প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি বিদ্যমান শিল্পযুগের উপযোগী মানব সম্পদ তৈরি করতে পারবে না। ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতিই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকার একমাত্র পথ।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. নূর-উর-রহমান, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর হেড অব অফিস বিয়্যাট্রিস কালদ্রুন, বিজয় ডিজিটালের প্রধান নির্বাহী জেসমিন জুই, হুয়ায়ুয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাং ঝেংজুন, বনানীর টিএন্ডটি বয়েজ হাইস্কুলের অধ্যক্ষ হালিমা বেগম অংশগ্রহণ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অভিযোগ প্রমাণ হলে পাপুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিল : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুলাই, ২০২০

মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে সরকার তদন্ত করছে। তিনি কুয়েতের নাগরিক বলে প্রমাণ পেলে তার আসন শূন্য হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৮ জুলাই), জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে শ্রমিকদের ফেরত না পাঠাতে অনুরোধ জানিয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানদের চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় করোনার ফলে সংকটে পড়া প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে মানবপাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিভিন্ন দেশে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের জন্য সরকার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখছে যাতে তারা পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে আবার কাজ ফিরতে পারেন।

সংসদ নেত্রী জানান, প্রবাসীদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা তহবিল গঠন করা হয়েছে ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে। তারপরও কাউকে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হলে তাদের জন্য ঋণ সহায়তার ব্যবস্থা করছে সরকার।

মেয়াদ শেষ হলে প্রবাসী শ্রমিকরা পাসপোর্ট নিয়ে যাতে হয়রানির শিকার না হন তারও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসীদের ২ শতাংশ প্রণোদনা দেবার ফলে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স আসা বেড়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আয়মান সাদিককে হত্যার হুমকির তদন্তে পুলিশ

বিবিসি নিউজ,৬ জুলাই:
বাংলাদেশের ইউটিউবার এবং অনলাইনে শিক্ষাদান কর্মসূচি পরিচালনা বিষয়ক পেইজ টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আয়মান সাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। একই সাথে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে টেন মিনিট স্কুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাকিব বিন রশীদকেও।

এ বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এক ভিডিওতে আয়মান সাদিক বলেন, “ফেসবুক, ইউটিউবসহ অনেক জায়গায় আমাকে মেরে ফেলার জন্য বলা হচ্ছে। টেন মিনিট স্কুলের অনেক মানুষকে মেরে ফেলার জন্য বলা হচ্ছে। টেন মিনিটস স্কুলকে বয়কট করার জন্য বলা হচ্ছে।”

“ইনডিরেক্টলি না ডিরেক্টলি বলা হচ্ছে এই মুরতাদকে যেখানেই আপনারা পাবেন, তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিবেন এবং শত শত না হাজার হাজার মানুষ সেটা শেয়ার করছে।”

গত জুন মাসে টেন মিনিটস স্কুলের দুটি ভিডিও যেগুলো ঋতুস্রাব ও সম্মতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে করা হয়েছিল সেই ভিডিও দুটি নিয়ে সমালোচনা করেন এক শ্রেণীর মানুষ। এই ভিডিও দুটি ইসলাম পরিপন্থী বলেও অভিযোগ তোলা হয়। সাথে বলা হয় যে, তারা সমকামিতাকে সমর্থন করেন।

“আমাকে বলা হচ্ছে আমি নব্য মিশনারি, আমি কাফিরদের এজেন্ট, আমি পশ্চিমা অপসংস্কৃতি প্রচার করার এজেন্ট,” এক ভিডিও বার্তায় জানান মি. সাদিক।
Image caption আয়মান সাদিক ও সাকিব বিন রশিদ

এর জের ধরে চলতি মাসের শুরুতে অর্থাৎ দোসরা জুলাই টেন মিনিট স্কুলের ভেরিফায়েড পেইজ থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়মান সাদিক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন।

সেখানে তিনি জানান, “ঋতুস্রাব ও সম্মতি নিয়ে করা ওই দুইটি ভিডিও অনেকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কারণে তারা দুঃখিত এবং ক্ষমা-প্রার্থী।”

সাথে ভিডিও দুটি তাদের সব প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চলতি মাসেই স্থায়ী হচ্ছেন প্রাথমিকের অস্থায়ী প্রধান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ জুলাই, ২০২০
দেশের যে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা চলতি দায়িত্বে রয়েছেন তাদের জুলাই মাসের মধ্যেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হবে। এটি বাস্তবায়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ।

মো. ফসিউল্লাহ বলেন, আমরা অনেক প্রধান শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি। চলতি মাসের মধ্যেই তাদের চূড়ান্তভাবে পদোন্নতি দিতে চাচ্ছি। চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের এসিআরসহ আরও কিছু কাগজপত্র অধিদপ্তরে চলে আসলে আমরা একটা একটা জেলা ধরে শিক্ষকদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিয়ে দিব।

জানা গেছে, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আরও ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ চলছে জানিয়ে মো. ফসিউল্লাহ বলেন, করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই সাথে আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অটোপাস দিতে পারবে স্কুল-কলেজগুলো

ডেস্ক | ০৫ জুলাই, ২০২০
প্রাণঘাতী করোনার মধ্যে স্কুল-কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নেয়ার বাধ্যবাধকতা রাখার পক্ষে নয় শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা না নিয়েও পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করতে পারবে স্কুল কলেজ। ফলে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোন পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে উন্নীত করার ক্ষেত্রেও কোন বাধা নেই। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৫ জুলাই) জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন বিভাষ বাড়ৈ।
প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনার ছোবলের কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধে সঙ্কটে পড়েই কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করেছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে একই পদক্ষেপে যাচ্ছে। ঠিক এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ‘অটোপ্রমোশন’ বা পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে পৃথক কোন আদেশ জারি না করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্ধ আছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি অভ্যন্তরীণ কোন পরীক্ষা। সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিল মাসে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণি থেকে সকল শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি’র নয় হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের সাত হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

দ্বাদশে অটোপ্রমোশন নিয়ে আপত্তি না থাকলেও ফি আদায়ের এমন আদেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। তাদের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনাকালে টিউশন ফি আদায়ে শিক্ষার্থীদের চাপ দিতে নিষেধ করেছে। সেখানে এভাবে নোটিস দিয়ে তিন মাসের বেতন ফি পরিশোধ করতে বলা আপত্তিজনক।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজও পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশে শিক্ষার্থী উন্নীত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারা একাদশের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানিয়েছেন, একাদশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের দ্বাদশে উত্তীর্ণ করার চিন্তা করছেন তারা। রাজধানীর আরও অনেক প্রতিষ্ঠানে একই প্রক্রিয়ায় চলমান এ শিক্ষা সঙ্কট উত্তরণের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। যদিও এক্ষেত্রে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অনুমতি নিতে চাচ্ছে।

এমন অবস্থার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক শনিবার বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

আর সব বিষয়ে তো শিক্ষা বোর্ড হস্তক্ষেপ করতে পারেনা। এটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। বোর্ড কোন আপত্তি করবেনা। এজন্য আলাদা আদেশ দেয়ার কোন প্রয়োজনও নেই। করোনার এই সময়ে সকল প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিতে কাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে।

এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আগামী ১৫ জুলাই দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে হঠাৎ করে আদেশ জারি করেছে সরকারী অবকাঠামোসহ নানা সুযোগ নিয়ে চলা রাজধানীর বিয়াম মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ইস্কাটনে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠান সরকারী নানা সুযোগ পেলেও মাসিক উচ্চ বেতনের এ প্রতিষ্ঠানে সকল বকেয়া একসঙ্গে দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। এখানে দফায় দফায় অভিভাবকদের নোটিস দেয়া হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণিতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস। অভিভাবকদের মোবাইলে পরীক্ষা নেয়ার নোটিস পাঠানো হলেও কিভাবে এখন পরীক্ষা নেয়া হবে তার কোন সদুত্তরও দিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ।

এক অভিভাবক বলছিলেন, সেলফোনে জানানো হয়েছে ১৫ জুলাই পরীক্ষা। কিভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে জানতে চাইলে বলা হয় ‘আমরাও এখনও জানিনা কিভাবে পরীক্ষা হবে’।

বসুন্ধরায় অবস্থিত হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল করোনাকালে বন্ধের সময়ে টিউশন ফি দিতে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন আটকে দিয়েছে। বকেয়া পরিশোধ করে সন্তানদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে যেতে অভিভাবকদের নোটিস দিয়েছে। এই নোটিসের প্রতিবাদে এবং করোনাকালীন সময়ে টিউশন ফি ৫০ শতাংশ করার দাবিতে শনিবার সকালে অভিভাবকরা স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেছেন। তারা অবিলম্বে এই নোটিস প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে অভিভাবক ফোরামের আহ্বায়ক কল্যাণ ওয়ার্দ্দার, পারভিন আখতার, সাকলায়েন, মঞ্জুর এ চৌধুরী, জাহিদুর রহমান, আশফাক চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেন।

অভিভাবকরা বলেছেন, গত ২৯ জুন এই নোটিস পাঠানো হয়েছে স্কুল থেকে। বকেয়া টিউশন ফি পরিশোধের শেষ দিন ছিল ২৫ জুন। ১ জুলাই থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও টিউশন ফি পরিশোধ না করায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন ক্লাসে এখনও প্রমোশন পায়নি। অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হলেও ফি যাদের বাকি রয়েছে সবার ফল ও রিপোর্ট কার্ড আটকে দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক প্রশিক্ষণের নামে টেসলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০

শিক্ষকদের উচ্চারণ প্রশিক্ষণের নামে টেসল নামক একটি কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল উচ্চারণ, শিক্ষকদের কটূক্তি, এটুআইয়ের নাম ভাঙ্গানোসহ নানাবিধ প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেসল নামক কোচিং সেন্টার দাবি করছে তাদের সাথে এটুআইয়ের চুক্তি হয়েছে এবং প্রতিটি ক্লাসের প্রতিজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রশিক্ষককে দেয়া হবে। তাছাড়া টেসল নামটিও চুরি করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজির অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলেছেন, টেসল কোচিং নামটি অবৈধভাবে ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়, টেসলের কথিত উচ্চারণ প্রশিক্ষক শিক্ষার্থী টানতে নানা মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। প্রশিক্ষক ইয়াছির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করার পর ভাষা ইনিস্টিউট থেকে কোর্স করেছেন। তার নিজের উচ্চারণই শুদ্ধ নয় বলে তার শিক্ষকরা বলেছেন। আর এটুআই বলেছে তাদের সাথে কোনও চুক্তি হয়নি টেসলের।

প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে নিয়ে শিক্ষক সমাজে চলছে নানা বিতর্ক। তিনি আত্মপ্রচার নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক দ্বারা প্রশিক্ষণ করানো ও শিক্ষকদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার ফ্রি করার দবি জানান শিক্ষকরা।

কয়েকজন জেলা অ্যাম্বাসেডর জানান, তাদেরকে বলা হয়েছে করোনাকালে এটুআই শিক্ষক প্রশিক্ষণের প্রতি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুম সফটওয়্যারের সাহায্যে অনলাইনে প্রথম ব্যাচ ২৯ মে থেকে শুরু হয়। প্রতিদিন ৫ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ করানো হয়। প্রথম সেশনে সারা দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের পরেই বিভিন্ন শিক্ষকদের মাঝে জনৈক প্রশিক্ষক সম্পর্কে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়। রাজধানী ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে অবস্থিত টেসল বাংলাদেশ নামের একটি ইংরেজি শেখার কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসির শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজ শিক্ষক বলেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম ইয়াসির সাহেব কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা শিক্ষক নতুবা সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের শিক্ষক। তার দাবি মতে, বাংলাদেশ পুলিশ ও আর্মিদেরও ট্রেইনার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। উনি আমাদের শেখানো শুরু করলেন আর মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিতে দুর্বল শিক্ষকদের দু’চার কথা শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। কোনো কোনো শিক্ষক না বুঝে মাইক্রোফোন অন রেখেছিলেন। এর জন্য তিনি বলে ফেললেন, “আপনাদের কি মাথায় কোনো সমস্যা আছে?” কথাটি আমাকে উদ্দেশ্য করে না বললেও, প্রতিটি কথাই আমার গায়ে এসে লাগলো। উনি উচ্চারণের যেসব পদ্ধতি শেখাচ্ছিলেন, সেসব উনার নিজের আবিষ্কৃত বলে চালিয়ে দিলেও, আমরা যারা ইংরেজি ভাষা নিয়ে লেখাপড়া করেছি, তারা ঠিকই ধরে ফেলেছিলাম। উনি মূলত ইংরেজি অ্যালফাবেট, ভাওয়েল ও কনসোনেন্ট এই তিনটি বিষয় নিয়ে লেকচার দিয়েছেন যেগুলো তিন ঘণ্টাতেই শেষ হতে পারতো। বাকি সময় তিনি উপস্থাপনা ও নিজের প্রচার করেছেন। দেশে এত নামকরা ইংরেজি ভাষার শিক্ষক থাকতে কোন স্বার্থে একজন কোচিং শিক্ষক দিয়ে কেন প্রশিক্ষণ করানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা ইনস্টিটিউট আছে। সেখান থেকেও তো ট্রেইনার নিতে পারতেন। নায়েমে এক্সপার্ট ট্রেইনার আছেন। তাদেরকে দিয়েও তো ট্রেনিংটা করানো যেত” ।

প্রশিক্ষণের নাম: EXCLUSIVE TRAINING ON PRONUNCIATION & PRESENTATION SKILLS FOR ICT4E DISTRICT AMBASSADOR TEACHERS।

এটুআইএর আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক জানান, “আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রশিক্ষণের জন্য জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে এটুআই দেবেন। অর্থাৎ একজন অ্যাম্বাসেডরের প্রশিক্ষণের জন্য এটুআই পাঁচ হাজার টাকা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, পাঁচ হাজার টাকার বিষয়ে এটুআই এর অ্যাম্বাসেডরদের মিটিং এ জানানো হয় ২৫ জুন রাতে। এখানেও অন্তত চারশো থেকে পাঁচশ শিক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। সেই হিসেবে প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকা প্রশিক্ষক পাবেন। যার একটি টাকাও শিক্ষকরা পাবেন না। এত টাকা খরচ করছেন অথচ, শিক্ষার মানোন্নয়নের চিত্র বড়ই বিচিত্র!

শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের বিষয়ে গ্রামের শিক্ষকদের মতামতও ভিন্ন। তাদের কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ বেশি প্রয়োজন, সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া দরকার। বিভাগীয় শহর অথবা রাজধানী এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মতামত শুনে গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কাজেই যে কোনো ট্রেনিং শুরু করার আগে দয়া করে একবারে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত শিক্ষকদের একটা প্যানেল করে, তাদের মতামত গ্রহণ করুন। এই কাজটি অনলাইনেই সম্ভব”।

আরেকজন শিক্ষক বলেন, “শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন। অবশ্যই প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইন ট্রেনিং বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে এটুআই এর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষকদের কোন বিষয়ের ট্রেনিং দরকার, সেটা নিয়ে তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আমাদের অজানা। এই মুহূর্তে প্রথমত, শিক্ষকদের প্রয়োজন মোটিভেশনাল ট্রেনিং।

নাম প্রকাশে আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক বলেন, আমাদের জন্য যে ৫৫০০ টাকা বরাদ্দ তা আমাদের না দিয়ে ঐ কোচিং কি কাজে লাগবে তা বোধগম্য নয়। তিনি শিক্ষকদের নামে বরাদ্দ এ টাকা সঠিক টেনিং এর মাধ্যমে ব্যয় করা উচিত বলে মনে করেন। কারন এখন সকল এম্বাসেডর শিক্ষক অনলাইন ক্লিাস নিচ্ছেন।
তাদের প্রত্যেকের একটি করে ভালো মানের এনড্রয়েড ফোন দেয়া উচিত বলে মনে করে ঐ শিক্ষক।

দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন ‘কীভাবে অনলাইনে মানসম্মত ক্লাস নেয়া যায়’ সে বিষয়ে ট্রেনিং। এই সমস্ত বিষয়গুলো তারা আমলে না নিয়ে, শুরু করলেন ইংরেজি উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখানোর ট্রেনিং। যার প্রশিক্ষক নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম নিচ্ছে। এই ট্রেনিংয়ের ইমপ্লিমেন্ট কি এখন সম্ভব হবে? স্থান কাল পাত্র ভেদে আমাদের চিন্তা করা উচিত নয় কি? গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা কেমন, তা নতুন করে কাউকে বলার প্রয়োজন নেই। ধীরগতির ইন্টারনেটে বারবার বাফারিং করা ভার্চুয়াল ট্রেনিংয়ে ইংরেজি উচ্চারণ মাত্রা কোন দিকে ছন্দিত হবে তা বলা মুশকিল। আর ইংরেজি ভাষা, উচ্চারণ ইত্যাদি ট্রেনিং দেয়ার জন্য ট্রেইনার কোচিং সেটারের শিক্ষক ছাড়া কি আর কেউ নেই”?

প্রশিক্ষক ইয়াছিরের মতামত জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০
উপবৃত্তির ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা পাচ্ছে প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে তাদের এ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। রোববার (৫ জুলাই) শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকেএসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে সারা দেশের ৪৯৯টি উপজেলার প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৩ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হচ্ছে। রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওর ক্যাশের তাদের ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ২৭৫ টাকা বিতরণ করা হবে। যদিও শিওরক্যাশের অদক্ষতায় সময়মতো টাকা তুলতে না পারা ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের কাছ থেকে এজেন্টদের কমিশন খাওয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উপবৃত্তির চাহিদা আপলোড করেছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। সে চাহিদার আজ রোরবার (৫ জুলাই) প্রেক্ষিতে টাকা ছাড়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ভ্যালিডেশন শেষ হবার পর উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া অনাপত্তিপত্র ভিত্তিতে বিতরণকারী সংস্থাকে উপবৃত্তির টাকা ছাড় করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শোক সংবাদ, শোক সংবাদ, শোক সংবাদ

ডেস্ক: চট্রগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার বারমাসিয়া চা বাগানের সাবেক টি প্ল্যান্টার শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য গত ০৩/৭/২০২০ দিবাগত রাত ১’২০ ঘটিকায় বার্ধক্যজনিত রোগে ইহধাম ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বৎসর। তার এ মৃত্যুতে প্রধান শিক্ষক সমিতি দারুনভাবে শোকাহত।

তার প্রথম পুত্র শান্তনু ভট্টাচার্য কনক চা বাগানে কর্মরত। মেজ ছেলে অনুপম ভট্টাচার্য তিলক সহকারী শিক্ষক,পাটিয়ালছড়ি সপ্রাবি,ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। ছোট ছেলে রুপম ভট্টাচার্য ঝলক একটি কেজি স্কুলে প্রিন্সিপাল হিসাবে কর্মরত।

উল্লেখ শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বাবু রনজিত ভট্টাচার্য মনি ভাইয়ের সেজ কাকা। উনার মৃত্যুতে বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিশ্ববিদ্যালয়ে শতাধিক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন তরুণের

নিউজ ডেস্ক,৪ জুলাই:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি এবং নানাভাবে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মিশরের ২২ বছর বয়সী এক তরুণের বিরুদ্ধে। মিশর সরকার এরই মধ্যে ওই তরুণের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানোর কথা জানিয়েছে।

জানা গেছে, ওই তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী। নানাভাবে তিনি নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। এইউসি কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই তরুণ ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেছেন। তারপর নানা সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি করতে থাকেন তিনি।

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কায়রোতে অবস্থিত আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে (এইউসি) শতাধিক নারীকে ওই তরুণ যৌন হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।

এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, আমাদের ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সে ওই তরুণ আমাকে এবং আমার বোনকে যৌন নিপীড়ন করেছে। এ ব্যাপারে মুখ খুললে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ করার হুমকি দিয়েছিলেন ওই তরুণ।

আরেক নারীর অভিযোগ, ওই তরুণ আমাকে বলেছিল, আমি যদি তার ব্যাপারে মুখ খুলি, তাহলে সে আমার পরিবারের কাছে বলবে যে, আমি তার সঙ্গে রাত কাটিয়েছি। এমনকি আমার কাছ থেকে দফায় দফায় সে টাকা হাতিয়েছে সব ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে।

আরেক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, আমি তখন বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ওই সময় আমার সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে যৌন হয়রানি করেছে সে। এ ব্যাপারে তরুণের বাবার সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন এইউসিতে ভর্তি হই, তখন আবারো তার খপ্পরে পড়ে যাই। এমনকি সে আমার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মতো জোর-জবরদস্তি করতো। আর নানা ঘটনার ছবি তুলে রাখতো। পরে সেগুলো ব্যবহার করে নিজের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করতো।

সূত্র: আরব নিউজ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরীক্ষা ছাড়াই দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ জুলাই:

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বন্ধ রয়েছে দেশের কলেজগুলো। এই সময়ে একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শেষ হলেও প্রথমবর্ষের পরীক্ষা নেয়া যায়নি। এদিকে সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে।

আর দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে তাদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই লেখাপড়ার গতি অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন কলেজ শিক্ষার্থীদের দ্বাদশ শ্রেণিতে ‘অটোপাস’ দিচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয়েছে, আবার কোথাও উত্তীর্ণের প্রক্রিয়া চলছে।

এতে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই বলে জানান ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার এই সময়ে সব প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিকাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে। এতে বোর্ডের আপত্তি থাকবে না।

এদিকে করোনা সংকটে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই শিক্ষার্থীদের ‘অটোপাস’ দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদান গতিশীল করার কথা জানান রাজধানীর শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রহমান। তিনি বলেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হলে অনলাইন ক্লাস শুরু করা সম্ভব। না হলে তারা লেখাপড়ার বাইরে থাকবে। তাই উত্তীর্ণ দেখানো উচিত। আমরা উত্তীর্ণ দেখিয়েই অনলাইন ক্লাস শুরু করেছি।

করোনা পরিস্থিতির কারণে নটরডেম কলেজ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে লিখিত অংশের পরীক্ষা নিয়ে একাদশ শ্রেণী থেকে সবাইকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে চলতি জুলাই মাসের ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণীতে ভর্তি ফি’র ৯ হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৭ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার এই নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাস মহামারীর এই সময়ে এতো টাকা একসাথে পরিশোধ করা কষ্টকর বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর আরেক প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছ শিক্ষার্থীদের। কলেজের সিনিয়র প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজহারুল আলম জানান, মার্চের শেষে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। সেটা সম্ভব না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

একই পথে হাঁটছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরের স্তরে উত্তীর্ণ করার চিন্তা চলছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলাপ করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, গত মার্চের শেষে কলেজগুলোর একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেটা আর সম্ভব হয়নি। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। যদিও চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা এখনো স্থগিত রয়েছে। এদিকে করোনার কারণে আগস্টের ৬ তারিখ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter