Author Archives: chief editor

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:আসন্ন ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ১৫ জনের মূল দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুপুর সাড়ে ১২টায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সম্মেলন কক্ষে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য এ স্কোয়াড ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষক হয়রানির অভিযোগ করলেন শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযোগ প্রত্যাক্ষান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:

অনিয়মতান্ত্রিক বদলি বাণিজ্যের শিকারসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানি কর্মকান্ডের অভিযোগ তুলেছেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (১২০৬৮) এর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে এসে শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনিয়ম তুলে ধরেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

এসময় ওই সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সদর উপজেলার প্রায় ২০-২৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত অর্ধশতাধিক সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

এতে সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতা কামনা করে বক্তব্য দেন সজীব হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. নূরনবী, আলতাফ হোসেন,আমির হোসেন প্রমুখ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

এসময় তারা অভিযোগ করে জানান, বদলিতে অবৈধ অর্থ আদায়ের বাণিজ্য এবং কোন কোন ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনিয়মতান্ত্রিক বদলির নির্দেশ প্রদান করে কর্মকর্তারা নিরীহ শিক্ষকদের হয়রানি করে চলছেন।

এছাড়াও বিভিন্ন ছুতোয় অভ্যন্তরীন কর্মকান্ডে অমূলকভাবে শিক্ষকদের হয়রানি করে চলছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা।

একপর্যায়ে শিক্ষকরা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জানান, শিক্ষকতার চাকরী করে তারা যে বেতন পান তা সীমিত এবং সম্পূর্ণ বৈধ উপার্জন। এই উপার্জন দিয়ে কোনমতে নিজেদের সংসার চালিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হয়। তার উপর হয়রানি এড়াতে অন্যায়ভাবে বাণিজ্যের শিকার হলে টানাপোড়নে ভুগতে হয় তাদের।

এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর হস্তক্ষেপসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষকরা।

পরে নবনির্বাচিত লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম.সালাহ্ উদ্দিন টিপু উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশ্য করে জানান, উদ্দেশ্যমূলক কিংবা অনিয়মতান্ত্রিক কোন প্রকার হয়রানি হলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়।

একই সাথে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যথার্থ হলে তিনি শিক্ষকদের কল্যাণে যথাসাধ্য সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো এসব বিষয়ে জানান, শিক্ষকদের এসব হয়রানি ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে। তবে কোন শিক্ষক এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষ অদ্যাবধি কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। যার কারণে কোন পদক্ষেপই নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু ছালেহ মোহাম্মদ শিক্ষক-শিক্ষিকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, এ সংক্রান্ত কোন প্রমাণপত্র কখনোই কেউ দেখাতে পারবেনা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল : সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ ও অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬২ করতে সংসদ অধিবেশনে সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আনা হচ্ছে। দেশের শিক্ষিত তরুণ সমাজ এ দাবী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। এটা তাদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। চাকরিতে বয়সসীমা বাড়াতে আসন্ন সংসদ অধিবেশনে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ঢাকা-৮ আসনের এমপি রাশেদ খান মেনন এ প্রস্তাব আনবেন।

তথ্যমতে, প্রস্তাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬২ বছর করার প্রস্তাব করবেন রাশেদ খান মেনন। ইতোমধ্যে সংসদের আইন শাখা-২ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি জমা দিয়েছেন। সংসদে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি গ্রহীত হলে এ বিষয়ে সরকারের কাজ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

Read More »

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ উপজেলাভিত্তিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পাঁচটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইতোমধ্যেই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।নতুন নিয়োগ বিধিমালায় শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

 

এ ছাড়া বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে বা বাংলাদেশের নাগরিক ভিন্ন কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

 

 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এতদিন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এখন থেকে নতুন নিয়োগ বিধিমালা কার্যকর হবে।

 

নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা অনার্স অথবা সমমানের ডিগ্রি হতে হবে। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে নারী প্রার্থীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকবে। ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা ও বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিষয়ে পাস করা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যদি ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হয়, তবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের এমপিও স্থগিত

ডেস্ক,১৩এপ্রিলঃ   গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করা নুসরাত জাহান রাফির সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলার এমপিও স্থগিত করা হয়েছে। ওই মাদরাসার অন্য এক শিক্ষকেরও এমপিও স্থগিত করতে বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

 

চিঠিতে অধ্যক্ষ এ এস এম সিরাজ উদদৌলা (ইনডেক্স-৩০৪১১১) এবং ইংরেজির প্রভাষক আফসার উদ্দিনের (ইনডেক্স-২০৩০৫০৮) এমপিও স্থগিত করতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ‘আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে শ্লীলতাহানী মামলা নং-২৪, তারিখ ২৭/০৩/২০১৯ এবং হত্যা মামলা নং-১০, তারিখ ০৮/০৪/২০১৯ সোনাগাজী থানার প্রেক্ষিতে  অধ্যক্ষ এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক গ্রেপ্তার হওয়ায় তাদের এমপিও স্থগিত হওয়া প্রয়োজন।’

 

নুসরাতের পরিবারের করা শ্লীলতাহানির মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন বন্দি রয়েছেন অধ্যক্ষ সিরাজ।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রনয়নের নির্দেশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ এপ্রিল: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রনয়নের নির্দেশ দিয়েছে খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুননেসা। গত ৮ এপ্রিল প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বিভাগীয় উপপরিচালকদের নিয়ে সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয।

সভায় সকল সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রনয়নের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ের এ সিদ্দান্তকে স্বাগত জানাই বিভিন্ন শিক্ষক।

জিয়াউর রহমান নামে এক শিক্ষক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিযেছে। মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছে এটা বড় ও বাস্তব সিদ্ধান্ত।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০এপ্রিলঃ এমপিওভুক্ত মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ১৪২৬ বঙ্গাব্দের ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতার চেক ছাড় হয়েছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) বৈশাখী ভাতার চারটি চেক অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১এপ্রিল) পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান শিক্ষা বার্তাকেএ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্মারক নম্বরঃ ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-১৩৪।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১০এপ্রিলঃ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৮ এপ্রিল) অধিদপ্তরগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরগুলো থেকে এদিনই জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

১৪১৭ বঙ্গাব্দ থেকে জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। গত ২৪ মার্চ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়ভাবে ১৪২৬ বঙ্গাব্দের নববর্ষ উদাপনের কর্মসূচি প্রণয়নে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভায় স্কুল, কলেজ মাদরাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুসারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

নিয়োগ বিধি ।প্রাথমিক শিক্ষা কোন পথে

ডেস্ক,১০এপ্রিলঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ প্রকাশ হবার পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধে ্য নানা মত দেখা দিয়েছে।ফেসবুকের শালিক আহমেদের পোষ্ট থেকে হুবুহ তুলে ধরা হল।

উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা কোন পথে !!!!!!!!!

প্রধান শিক্ষক পদটি যখন ৩য় শ্রেণি ছিল তখন এ পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল স্নাতকোত্তর /মাষ্টার্স পাশ। পদ ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হলো কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতা সিম্পল ডিগ্রীতে নেমে গেল !!!!!!!!!!

প্রাথমিক শিক্ষা ৫ম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণিতে উন্নীত হল কিন্তু নতুন নিয়োগ বিধি ২০১৯ এ -এ পদে প্রবেশ যোগ্যতা চাওয়া হল স্নাতক।

যখন ছিলো কেবলই শতভাগ ভর্তি আর সবার জন্য শিক্ষা,তখন ছিল সহ.শিক্ষক এসএসসি/ডিগ্রি এবং প্রশি স্নাতকোত্তর।

কিন্তু আজ যখন উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার, ঠিক তখনই সহ.শি. যোগ্যতা ডিগ্রীতে উন্নীত করলেও প্রতিষ্ঠান প্রধানের যোগ্যতা স্নাতকোত্তর (মাষ্টার্স) থেকে পিছিয়ে করা হলো স্নাতক। তাহলে ডিপার্টমেন্ট সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নাকি পিছিয়ে যাচ্ছে??? আদৌ কি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ৮ম শ্রেণিতে উন্নীত করার সদিচ্ছা আছে, নাকি ফাঁকাবুলি??? আদৌ সুষ্ঠু পরিকল্পনা কিংবা SWOT এনালাইসিসের মাধ্যমে টেকসই বিধিমালা প্রণীত হয়েছে নাকি প্রশিদের ২য় শ্রেণির পদমর্যাদা, বাইনেইম গেজেট এবং পদোন্নতিসহ ২য় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে পুর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার কোন দুরভিসন্ধিপূর্ণ উদ্দেশ্য রয়েছে???????? এই বিধিমালা সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা পাবে নাকি প্রশ্নবিদ্ধ হবে ? এর কারণ কি? তা বোধগম্য নয়!!! বাংলাদেশের অন্য কোন ডিপার্টমেন্টে নতুন নিয়োগবিধিমালা প্রণয়নের সাথে যোগ্যতা পিছিয়ে যাওয়ার ইতিহাস আছে কিনা জানা নেই! তাছাড়া, আরো ৫/৭ বছর পর সহকারী শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগ যোগ্যতা মাষ্টার্সে উন্নীত করার যেমন সম্ভাবনা রয়েছে পক্ষান্তরে, প্রধান শিক্ষক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ-মাধ্যমিকে নামিয়ে আনে কিনা, এমন ভাবনা উড়িয়ে দেওয়ার অবকাশ নেই!!!!! প্রশ্নগুলোর জবাব দেবে কে? বিজ্ঞজনের মতামত আশা করছি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

৭ বছর পর প্রধান শিক্ষক হবেন প্রাথমিকের সহকারীরা

ডেস্ক, ৯এপ্রিলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে সাত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। এমন বিধান রেখে নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রধান শিক্ষকের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৩৫ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। তবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা যাবে। সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে সাত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা এবং নিয়মানুযায়ী প্রশিক্ষণ থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। আর সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে বেতন পান। বাংলাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। এতদিন সব প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে এই শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হতে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (অনার্স) হতে হবে। আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য ২৫ থেকে ৩৫ বছর এবং সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যেত। এখন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। বিধিামালায় বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ মহিলা প্রার্থী, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (মহিলা ৬০%, পোষ্য ২০% ও অবশিষ্ট পুরুষ ২০%) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।” তবে বিজ্ঞান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দিয়ে ওই ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে তা পূরণ করা যাবে বলেও বিধিমালায় বলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পদ তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে সরকার। তখন থেকে প্রধান শিক্ষকের ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন মঙ্গলবার বলেন, “শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষ সবার যোগ্যতাই স্নাতক করা হয়েছে।” সচিব বলেন, “আগে এইচএসসি পাস যোগ্যতা (নারী সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা) চাওয়া হত, তখন স্কেল ছিল একটা, এখন যেহেতু নূন্যতম যোগ্যতা স্নাতক সুতরাং অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে স্নাতকের যে স্কেল আছে তার থেকে কম হওয়া উচিত না, আমরা সেভাবেই অর্থ বিভাগের সাথে প্রাথমিক আলোচনা করেছি এবং সেভাবেই প্রস্তাব তৈরি করছি।”

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক

ডেস্ক, ৯এপ্রিলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর

logoEnglish হোম অনলাইনজাতীয় প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক কালের কণ্ঠ অনলাইন ৯ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:০৬ পড়া যাবে: ৪ মিনিটেFacebook Share প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক অ- অ অ+ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। আর বিজ্ঞান বিষয়ের ২০ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে। এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করেছে। এতদিন এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষ সবার যোগ্যতাই স্নাতক করা হয়েছে। প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা উন্নীত হওয়ায় তাদের বেতন গ্রেড উন্নীতকরণে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সারা দেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায়। সংশোধিত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। অন্যদিকে এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবারসহ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ এপ্রিল: মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তাঁদের পরিবারকেও সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে এক ব্রিফিংয়ে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটি বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজে পরিবর্তন করার লক্ষ্যে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ব্রিফিংয়ে জানান, একনেক বৈঠকে ১৮ হাজার ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মোট ৭টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনকৃত প্রকল্প ব্যয়ের ৬ হাজার ৬২২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং অবশিষ্ট ১১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বিদেশি সাহায্য হিসেবে জোগান দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অনুমোদিত সাতটি প্রকল্পই নতুন প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথকে ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করার প্রকল্প ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এ প্রকল্পে সহায়তা হিসেবে জি টু জি–এর আওতায় ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা চীন থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ২২৫ কিলোমিটার আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের মিটার গেজ রেলপথ ২৩৯ দশমিক ১৪ কিলোমিটার ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হবে। পাশাপাশি, অপর প্রধান প্রকল্পের আওতায় ৪৯টি বড়, ২৩৭টি ছোট রেলসেতু, ২২টি স্টেশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা, ১৬ হাজার ৬৯০ বর্গমিটার আবাসিক ভবন নির্মাণ, ব্যারাক ও ডরমিটরি এবং ২০০ দশমিক ৩০ একর ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে। তিনি বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথটি অর্থনৈতিক বিবেচনায়, পর্যটন, আন্ত এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ৪৭.২৪ শতাংশ। এ সময়ে ৮৩,৪৩২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর আগের বছরে এই একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৫.৬৫ শতাংশ। এ সময়ে ৭১,৯৪০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যাতে তাঁদের কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ দিতে পারেন, এ জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবার–পরিজন নিয়ে বসবাস করেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৈঠকে পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগে পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান, বারান্দা এবং ভেন্টেলিটার সিস্টেম, ফায়ার ইস্টিংগুইশিং সিস্টেম রাখা এবং পুকুর ও জলাধার রাখার বিষয়েও নির্দেশনা দেন। তবে এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী নদীর নাব্যতা বজায় রাখতে নদীর ড্রেজিং অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

একনেক সভায় দেশে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকার ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) অধীন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়নে ভারতের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন থেকে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ভারতীয় ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করাসহ সে দেশের বিনিয়োগকারীদের সুবিধা প্রদানে ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনে অবকাঠামো উন্নয়ন করা।

পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সেখানে তাদের শিল্প ইউনিট স্থাপনে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রায় ১৫২ লাখ কিউবিক মিটার ভূমি উন্নয়ন, পানি সরবরাহ ও ড্রেজিং নিশ্চিত করতে ফেনী নদী থেকে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক স্থাপন, একটি পাম্প স্টেশন স্থাপন, একটি জলাধার, ইন্টারনাল লিংকেজ, বহির্ডেন লাইন নির্মাণ, ৫ হাজার মিটার সীমানা দেয়াল নির্মাণ, ১৬৮০ বর্গমিটার প্রশাসনিক ভবন, ২০৬০৩ বর্গফিট নিরাপত্তা শেড ও অপটিকেল ফাইবার স্থাপন।

অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে, ২৪৪.৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, মাগুরা-শ্রীপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ, ১৩৯.৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নতুন অফিস ভবন নির্মাণ এবং ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিসিএসআইআরের ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুঁটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর কৃষি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা: অনুমোদন পেল ২০ বিষয়ের সিলেবাস

ডেস্কঃ সিলেবাসে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য এনটিআরসিএ প্রণয়নকৃত ২০টি নতুন বিষয়  অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেয়ার জন্য ২০টি নতুন বিষয়ের সিলেবাস প্রণয়ন করে এনটিআরসিএ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিলেবাসগুলো পাঠানো হয়। এ বিষয়গুলোর সিলেবাসে অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এ বিষয়গুলো হলো, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং, প্রিন্ট মেকিং, কমার্সিয়াল আর্ট ও কম্পিবুটার গ্রাফিক্স, সিরামিক, স্কাল্পচার, ক্রাফটস, সভ্যতার ইতিহাস ও শিকল্পকলার ইতিহাস, চারু ও কারুকলা, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনসুরেন্স, প্রাণি চিকিৎসা ও উৎপাদন, মৎস, কৃষি প্রকৌশল, গণিত পরিমিতি ও পরিসংখ্যান, আদব, ফিকহ, হাদীস, তফসীর ও আইসিটি। 

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

লাইফ সাপোর্টে রেখেই মাদ্রাসা ছাত্রীর অস্ত্রোপচার

ডেস্ক, ৯ এপ্রিলঃ নীর সোনাগাজীতে অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীর অস্ত্রোপচার হ‌য়ে‌ছে। আজ মঙ্গলবার এই অস্ত্রোপচার হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েটির ফুসফুসকে স‌ক্রিয় করতে এই অস্ত্রোপচার করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন চি‌কিৎস‌কেরা। তাঁরা বলছেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের পরামর্শে এই অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচার শে‌ষে দুপু‌রের দি‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক ব্রি‌গে‌ডিয়ার না‌সিরউদ্দীন এবং বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম সাংবা‌দিক‌দের স‌ঙ্গে কথা ব‌লেন। মেয়েটিকে লাইফ সাপোর্টে রেখেই অস্ত্রোপচার করা হয় বলে জানান তিনি। ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক না‌সিরউদ্দীন ব‌লেন, অগ্নিদগ্ধ ছাত্রীর শরী‌রে বেশ কিছু জ‌টিলতা দেখা দি‌য়ে‌ছে। রক্ত ও ফুসফুসে সংক্রমণ ছাড়াও তাঁর কিড‌নি‌তে কিছুটা সমস্যা দেখা দি‌য়ে‌ছে। মেয়েটিকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা কর‌ছেন তাঁরা । তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতাল জা‌নি‌য়ে‌ছে রো‌গীর এখন যে অবস্থা তাতে এই মুহূ‌র্তে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নি‌য়ে যাওয়া যা‌বে না। পরিচালক আরও ব‌লেন, ‘আমরা সবসময় প্রত্যাশা ক‌রি রো‌গী ফি‌রে আস‌বে। এক্ষে‌ত্রেও একই প্রত্যাশা ক‌রি। ‌এ রো‌গীর ক্ষে‌ত্রে বেশ কিছু জ‌টিলতা র‌য়ে‌ছে। ত‌বে অনেক কিছুই সম্ভব হয়, সৃ‌ষ্টিকর্তা সহায় থাক‌লে।’ তি‌নি দেশবাসী‌কে এই ছাত্রীর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করার অনু‌রোধ জা‌নি‌য়ে‌ছেন। বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম ব‌লেন, ফুসফুস‌কে স‌ক্রিয়তা দি‌তে যে অস্ত্রোপচার‌টি করা হ‌য়ে‌ছে, সে‌টি গতকালই করার কথা ছিল। কিন্তু রো‌গীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁরা আর অস্ত্রোপচা‌রে যান‌নি। আজ রো‌গী কিছুটা ভাল। সিঙ্গাপু‌রের চি‌কিৎসক‌দের পরাম‌র্শে তাঁরা অস্ত্রোপচার‌টি ক‌রে‌ছেন। তিন‌ি আরও জানান, পূর্ব‌নির্ধা‌রিত এক‌টি কর্মসূ‌চির অংশ হি‌সে‌বে সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের চি‌কিৎসক‌দের ঢাকায় আসার কথা র‌য়ে‌ছে ১৪ এপ্রিল। তাঁরা এসে রো‌গী দেখ‌বেন। তাছাড়া সার্বক্ষ‌ণিক যোগা‌যোগ র‌য়ে‌ছে।

সুত্র ঃ প্রথম আল‌ো

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

যুক্তরাজ্যের স্কুলে সমকামিতার পাঠ বর্জন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন মুসলিম শিক্ষার্থীদের

ডেস্ক,৫ এপ্রিল ২০১৯:
লন্ডন: যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম রাজ্যের পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয়ের অন্তত ৬০০ মুসলিম শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে সমকামিতা শেখানোর প্রতিবাদে তাদের ক্লাস বর্জন করেছে।

ক্লাস বর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বয়স ৪ থেকে ১১ এর মধ্যে হবে এবং তাদের অবিভাবকেরা তাদেরকে নিজেদের ঘরেই উপযুক্ত শিক্ষা দিচ্ছেন, একই সাথে তারা সমকামীদের জীবন ধারার শিক্ষা দেয়ার বিরোধিতা করেন।

আর এর ফলে বিদ্যালয়টির ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীই সেখান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে জানা গেছে।

‘The Alum Community Rock Forum’ একটি সংগঠন বার্তা সংস্থা ‘Birmingham Live’ কে জানায়, শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, কারণ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অভিভাবকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। একই সাথে তারা বিদ্যালয়ে আগ্রাসীভাবে সমকামিতার শিক্ষা দিচ্ছে।’

তারা আরো জানায় যে, ‘অভিভাবকদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আলোচনা, আবেদন, বিক্ষোভ এর সব কিছুকেই কর্তৃপক্ষ অগ্রাহ্য করেছে।’

এদিকে সম্প্রতি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আচরণের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে অন্তত ৩০০ অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

কিছু মুসলিম বিরোধী ব্যক্তি এও বলেছেন যে, তারা প্রয়োজনে যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাক কিন্তু এরপরেও বিদ্যালয় থেকে সমকামিতার পাঠ বন্ধ করা হবে না।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া একজন শিশুর হাতে এরকম লিখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায় যে- ‘শিশুদের নিজেদের মত করে বেড়ে উঠতে দেয়া হোক।’

অবিভাবকেরা মূলত বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান এন্ড্রু মোফাতের উপর ক্ষেপে আছেন, কেননা তিনিই বিদ্যালয়ে সমকামিতার পাঠ দেয়ার পক্ষের প্রধান ব্যক্তি।

এর পূর্বে এন্ড্রু মোফাত অন্য একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন এবং তিনি সেখানে সমকামীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে এরকম একটি পাঠদান শুরু করলে সেখানকার খ্রিষ্টান অভিভাবকদের বিক্ষোভের কারণে তিনি চাকুরী ছেড়ে বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করেন।
প্রসঙ্গত, পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয়ের ৭৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৮ শতাংশই মুসলিম শিক্ষার্থী।

মারিয়াম আহমেদ নামের একজন অভিভাবক যার চার বছর বয়সী মেয়ে বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত আছে তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেয়া এই পাঠ বন্ধ করার জন্য একটি পিটিশন চালু করেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে যা শেখানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। বাচ্চারা খুবই কম বয়সের। পাঠের মধ্যে অন্তত নয়টি অংশ রয়েছে কিন্তু বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র সমকামিতার বিষয়টির উপরেই গুরত্বারোপ করা হচ্ছে যা আসলে একটি ভুল সিদ্ধান্ত।’

‘আমরা মুসলিম এজন্যই নয় বরং সেখানে খ্রিষ্টান শিক্ষার্থী রয়েছে। সমকামিতার প্রতি আমরা ক্ষুদ্ধ নই কিন্তু আমরা বিদ্যালয়ে এর পাঠ দেয়ার বিরোধী।’

বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত ছয় বছরের একজন মেয়ে শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, তার স্ত্রী প্রয়োজনে এই দেশ ছেড়ে চলে যেতে রাজি আছে কিন্তু তার মেয়েকে সমকামিতার শিক্ষা দিতে তিনি নারাজ।

তিনি বলেন, ‘সে এধরনের পাঠে অংশ নেয়ার জন্য খুবই কম বয়সী। আমাদের কাছাকাছি বাস করা একটি পরিবার এ জন্যই ইতোমধ্যে পাকিস্তান চলে গিয়েছে।’

কিছু অভিভাবক বলেন, ইসলাম সমকামিতার অনুমোদন দেয় না। অন্যদিকে কেউ কেউ বলেন, তারা এর বিপক্ষে নন কিন্তু তারা বিদ্যালয়ে এর পাঠ দেয়ার বিপক্ষে।

এন্ড্রু মোফাত বলেন, তিনি অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তিনি তাদের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে পিছিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, ‘এতকিছুর পরেও বিদ্যালয় থেকে আমাকে যে সমর্থন দেয়া হয়েছে তা আসলেই চমৎকার।’

বর্তমানে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী যাদের বয়স নয় থেকে দশের মধ্যে তাদেরকে বয়ঃসন্ধি এবং বংশবৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা দেয়া হচ্ছে।

আর এগার বছরের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক সম্পর্ক, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি সম্পর্কিত পাঠে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য সরকার বিদ্যালয় সমূহে ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ বিষয়ক পাঠ যেখানে সমকামীদের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ পায় এমন ধারণা যুক্ত থাকে এধরনের পাঠ বাধ্যতামূলক করেছে।

পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা চান শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘যে কাউকে গ্রহণ করার এবং স্বাগত জানানোর’ মত মনোভাব গড়ে উঠে।

এক বিবৃতিতে তারা জানায়, কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের বিক্ষোভের কারণে হতাশ কিন্তু সফল সমকামিতা শিক্ষা মূলক পাঠ বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail
hit counter