Author Archives: chief editor

চুয়াডাঙ্গায় ৫ দিনব্যাপী ব্যাপী স্কাউট লিডার বেসিক কোর্স অনুষ্ঠিত।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:   চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ স্কাউট খুলনা অঞ্চলের ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী ৩৬৭ তম কাব স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স ২০১৯ এর সমাপনি অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ স্কাউট দামুড়হুদা উপজেলার আয়োজনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে  কুড়ুলগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রফিকুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কমছে প্রাথমিকের সময়সূচি

অনলাইন ড‌েস্কঃ

গত ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম সকাল ৯টায় শুরু করে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ করার নির্দেশনা দেয়া হয় । আগের চেয়ে নতুন সময় সূচিতে ৩০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেয়া হয় । এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ক্লাস শুরু হয়ে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ হতো । নতুন এই ঘোষণার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় । তারা সময় কমিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন ৷ অবশেষে তাদের সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে। |

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির নতুন সময় সূচি কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন । তিনি বলেন, নতুন রুটিন শিক্ষার্থীদের জন্য মানা সম্ভব নয় । দীর্ঘ সময় ধরে ছোট ছোট বাচ্চারা স্কুলে থাকতে চায় না। তেমনি শিক্ষকদের মানসিকতাও ঠিক রাখা কঠিন। তাই বিষয়টির দিকে নজর দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি গত বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একটি বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিমত প্রকাশ করেন । প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের নতুন সময় সূচি মানা অসম্ভব । ক্লাস রুটিন অনুযায়ী একটা বাচ্চাকে সকাল ৯টায় স্কুলে আসতে হবে । আর যাবে বিকাল ৩টায়। এটা অসম্ভব। যদি আমি নিজে ছাত্র হতাম তাহলে স্কুল থেকে পালিয়ে যেতাম। স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি ছোটবেলায় দুষ্টু ছিলাম । মাইন্ড কইরেন না । আমারও বিদ্রোহী ভাব ছিলো । যাই হোক, এত সময়, আমরা সময়টাকেও কমিয়ে দিতে চাই। শিক্ষকরাও তো সকাল ৯টায় টায় আসেন । তাদেরও তো ব্রেইন, তাদেরও তো মানসিকতা ঠিক থাকে না । সবার এই জিনিসগুলো লক্ষ্য করতে হবে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিনিধি দল দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরির্দশন করেন। তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী শূন্য দেখতে পান । খোঁজ-খবর নিয়ে তারা জানতে পারেন যে, শিক্ষকরা ইচ্ছামতো ক্লাস কার্যত্রম পরিচালনা করে থাকেন । মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত সিলেবাস ও শিক্ষাপঞ্জি অনুসরণ করা হচ্ছে না । নির্ধারিত সময়ের আগেই সরকারি ও বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এদিন দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এছাড়া শিশু দিবস উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অয়োজনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। 

জানা গেছে, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে সম্প্রতি শিশু একাডেমির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে এ সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করবে। মন্ত্রণালয়গুলো থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিবসটি উদযাপনের নির্দেশ প্রদান করবে। 

এছাড়া জাতীয় শিশু দিবসে সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন জেলা ও উপজেলাগুলোতে আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিশু সংগঠন ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তারা এসব কর্মসূচি আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ৫ম শ্রেণির ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিজ পাঠ্যপুস্তকের অংশ দেয়া হলেও তাদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন অঙ্ক করতে পারে। ফলে ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ব্যাংকের প্রাথমিকের ‘লার্নিং টু রিয়ালাইজ এডুকেশনস প্রমিজ-২০১৮’ শীর্ষক বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বাংলাদেশের অংশ তুলে ধরেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান এডো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের যা শেখানো হচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়। ৫ম শ্রেণিতে ১১ বছর পর্যন্ত যে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তা মূলত সাড়ে ছয় বছরে পাওয়ার কথা। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

অপরদিকে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারে। বাকি ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই বাংলা বই পড়তে পারে না। প্রাথমিক স্তরে ১১ বছর পর্যন্ত যা শেখানো হচ্ছে তা মূলত অন্যান্য দেশের বাচ্চারা সাড়ে ছয় বছরের মধ্যেই শিখছে। ফলে বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক স্তর শেষ করলেও তারা সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে।

এ সব সমস্যা সমাধানে বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে তিনটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সে সব সুপারিশের মধ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষার মান মূল্যায়ন করতে হবে, প্রাথমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষকদের মান বাড়াতে হবে, এবং প্রাক-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. রবাট জে সাম বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সব শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু ক্লাসে যা শেখানো হচ্ছে তা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে থাকছে। মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে সরকারি ব্যয় অনেক কম। এখানে মালয়েশিয়ার চেয়ে অর্ধেক জিডিপির অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শিক্ষাখাতে। বাংলাদেশের বাজেটে শিক্ষাখাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে তা দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করছে। উদাহরণ হিসেবে ভিয়েতনামের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী যে পরিমাণে জ্ঞান অর্জন করতে পারছে জামার্নির শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক পর্যায়েই তা শিখছে।’

প্রধান অতিথির ব্যক্তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে শতভাগ স্কুলে ভর্তি শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের জন্য সরকারি বিদ্যালয়গুলো আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। মেধাবিরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ৯ বছর ধরে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। গত এক বছরে ২ লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিগত আট বছরে শিক্ষাখাতে ৫ গুণ বাজেটে অর্থ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে বাজেটে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে শিক্ষাখাতে। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে বাজেটে অর্থ বাড়ানো হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- লিগো ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিস সারা বুচি, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হেলসি রোগাস্টাস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকরা কেউ ক্লাসে থাকেন না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, একজন শিক্ষক এক স্কুলে তিন বছরের বেশি সময় থাকতে পারবেন না। অনেক শিক্ষক এক জায়গায় নয় দশ বছর থাকছেন। তাই এনিয়ে বদলি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা কেউ ক্লাসে থাকেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বুধবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক টিও অফিসে কাজের কথা বলে চায়ের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেন । যখন বিদ্যালয়ের অভিভাবক থাকে না তখন ঠিকমত ক্লাস হয় না। এই অবস্থা পাল্টাতে প্রত্যেক স্কুলে একজন করে অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে করে প্রধান শিক্ষককে টিও অফিসে যেতে না হয়।

মানসম্মত শিক্ষা চালু করতে গিয়ে কি করা প্রয়োজন তার সবই সরকার করবে জানিয়ে সবার সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুর্গম চর অঞ্চলে কিভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হবে সে বিষয়টিও দেখবে সরকার।

জাকির হোসেন বলেন, ছোট বাচ্চাদের ঘাড়ে বইয়ের বোঝা দিয়ে তাদের মেধা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘কেজি, মেজি এই সেই করে সর্বনাশ করা হচ্ছে বাচ্চাদের’ । সরকার এব্যাপারে বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৃগোষ্ঠি, আদিবাসি উপজাতি বুঝিনা, বিভিন্ন ভাষাভাষি আছে তাদের নিজস্ব ভাষায় শিক্ষা দেয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে শিক্ষক নেয়া হবে। তারা নিজেদের ভাষা শেখানোর পাশপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষাও শিক্ষা দেবেন।

গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড আর শিক্ষার মেরুদন্ড প্রাথমিক শিক্ষা তাই সবাই মিলে মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা চালু করতে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করছে তাদের আর্থিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে দেখবো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবো।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের সব কিছু সম্ভব। কিন্তু সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। শিক্ষা নিয়ে যেসব এনজিও কাজ করে আমার এলাকায় ঘুষ দুর্নীতি করে তেলবাজি করে। গ্রামের মহিলাদের কাছ থেকে ৫ হাজার ১০ হাজার টাকা নিচ্ছে চাকরি দেয়ার নামে। তাদের চাকরি হচ্ছে না। এনজিওগুলো সুন্দরভাবে বাছাই করতে হবে। যারা শিক্ষা বোঝে না, তারা যেন এনজিওর সুনাম নষ্ট করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কারিতাস বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর ফাদার প্রশান্ত টি রিজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত হেড অব অপারেশনস দোরথে বোসে, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক (অর্থ প্রশাসন ও বাস্তবায়ন) একেএম মাহবুবুর রহমান সরদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফ্রান্সিস অতুল সরকার, আলোঘর প্রকল্পের পরিচিতিমূলক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান শিশির অ্যাঞ্জেলা রোজারিও। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ।

ফ্রান্সিস অতুল সরকার বলেন, ‘কারিতাসের আলোঘর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিলো ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও কারিতাস ফ্রান্সের সহযোগিতায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের মাধ্যমে হতদরিদ্র, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পৃক্ত করে দেশের ছয়টি বিভাগের (চট্টগ্রাম, রংপুর, খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট) ২৭টি জেলার ১০৪টি উপজেলায় ১০০৫টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাক্-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাদান কার্যক্রম শুরু করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশের (৪-১৪ বয়সের) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন শিশু প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করার সুযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ শিক্ষার্থী কখনও বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি এবং ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশু। এদের মধ্যে ১১ হাজার ৮১০ জন শিশু প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪২ জন চরম প্রতিবন্ধী শিশুকে বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্গম ও ভৌগলিকভাবে বিচ্ছিন্ন পার্বত্য এলাকার ৯৫৬ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে হোস্টেলে রেখে (খাবার, আবাসন ও শিক্ষা উপকরণ) প্রাথমিক শিক্ষায় অর্ন্তভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি এই সকল শিশুদের পিতামাতাদেরকে পারিবারিক জীবন দক্ষতার বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতামূলক শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে অর্থ বিভাগের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: ২০১৩ ও ১৪ সালে সরকারিকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের বেসরকারি আমলের চাকরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল দেয়ার কারণ জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কাছে কারণ জানতে চেয়ে অর্থ বিভাগ থেকে উপসচিব শরিফ মো. মাসুদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয় ও সুত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোন কর্মচারীর আর্থিক সুবিধা তথা বেতন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল ইত্যাদি প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সার্ভিসেস এক্ট ১৯৭৫ এর অধীন জারীকৃত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ প্রযোজ্য। অন্য কোন বিধিমালা প্রযোয্য নয়। তদপুরি জাতীয়করণকৃ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির ইত্যাদি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা-২০১৩ এর ৯ (১) বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের উপরে জেষ্ঠ্যতা পাবেন এবং ৯(৩) বিধি অনুযায়ী উপবিধি (১ ও ২) এর অধীন জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকগণ পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড ও প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন। এ ক্ষেত্রেও সরাসরি নিয়োগবিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল প্রাপ্ততার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে (০৮/১২/১৫ বছর পূর্তির আগে) তদাপেক্ষা কনিষ্ঠ আত্মীকৃত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির কোনো সুযোগ না থাকা সত্বেও কোন কোনন হিসাবরক্ষণ অফিস জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণকে জাতীয়করণের পূর্ববর্তী চাকরিকালের ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রদান করছে মর্মে সুত্রোক্ত পত্রে উল্লেখ্য করা হয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘কিসের ভিত্তিতে কোন কোন হিসাব অফিস থেকে কতজনকে উল্লিখিত সুবিধা প্রদান করা হয়েছে এবং এ জন্য কোনো মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়েছে কিনা না তা জানোনোর জন্য নির্দেশক্রমে জনুরোধ করা হলো।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন বছর হলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষককে তিন বছরের বেশি সময় রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক শিক্ষক একই স্থানে থেকে নিজের দায়িত্ব সর্ম্পকে সচেতন থাকছেন না। অনেকে আবার নয় বা দশ বছরও একই বিদ্যালয়ে থাকায় ঠিকমতো ক্লাসে থাকেন না বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই তিন বছর হলেই তাদের বদলি করতে হবে।’

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ আছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টিও অফিসে কাজের কথা বলে চায়ের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেন। যখন বিদ্যালয়ের অভিভাবক থাকে না তখন ঠিকমত ক্লাস হয় না। এই অবস্থা পাল্টাতে প্রত্যেক স্কুলে একজন করে অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে করে প্রধান শিক্ষককে টিও অফিসে যেতে না হয়। মানসম্মত শিক্ষা চালু করতে গিয়ে যা যা করা প্রয়োজন তার সবই সরকার করবে।

তিনি বলেন, দুর্গম চর অঞ্চলে কীভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হবে সে বিষয়টিও দেখবে সরকার।

জাকির হোসেন বলেন, ছোট বাচ্চাদের ঘাড়ে বইয়ের বোঝা দিয়ে তাদের মেধা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। কেজি স্কুল বাচ্চাদের সর্বনাশ করছে। সরকার এ ব্যাপারে বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৃগোষ্ঠী-আদিবাসী-উপজাতি বুঝি না, বিভিন্ন ভাষাভাষী আছে, তাদের নিজস্ব ভাষায় শিক্ষা দেয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে শিক্ষক নেয়া হবে। তারা নিজেদের ভাষা শেখানোর পাশপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষাও শিক্ষা দেবেন।

কারিতাস বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর ফাদার প্রশান্ত রিজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত হেড অব অপারেশনস দোরথে বোসে, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক (অর্থ প্রশাসন ও বাস্তবয়ান) একেএম মাহবুবুর রহমান সরদার প্রমুখ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফ্রান্সিস অতুল সরকার, আলোঘর প্রকল্পের পরিচিতিমূলক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান শিশির অ্যাঞ্জেলা রোজারিও।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীতের নির্দেশ

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত।

পরে সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীর হলেও তারা বেতন পান ১১ ও ১২তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণীর অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। ফলে সরকারি প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা দিলেও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে ৪৫ জন শিক্ষকের রিট আবেদনের পর আদালত রুল জারি করেন। সোমবার হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন মনে করেন, এ রায় সংক্ষুব্ধদের ক্ষেত্রেই কার্যকর হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার আইনজীবীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। ওই দিনই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করলেও পরে মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১১ ও অপ্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করে।

পরে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ,নজরুল ইসলাম,এসএম সাইদুল্লাহ,খাইরুল ইসলাম,স্বরুপ দাস সহ ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ আদালত রুল জারি করেন।

সোমবার সে রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুলে মিড ডে চালু করা হয়েছে। তারপরও প্রাথমিকেই ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পিতা-মাতার অসচেতনতা, দারিদ্রতা, শিশুশ্রমের কারণে এরা ঝরে পড়ছে। রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি)  সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় মো. ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় শুমারি-২০১৮ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি ভিত্তিক ঝরে পড়ার তালিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম শ্রেণিতে ২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, তৃতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণিতে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫ম শ্রেণিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতে প্রতিটি বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং হোম ভিজিট কার্যক্রম রয়েছে। বছরের প্রথম দিন শতভাগ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা, স্কুল ফিডিং, রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, শতভাগ বিদ্যালয়ে মি ডে মিল চালু করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারদলীয় নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৯৩টি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ জন। তারমধ্যে প্রথম শ্রেণিতে ৩২ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৮ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২১৮ জন, ৫ম শ্রেণিতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের জানুয়ারির এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের জানুয়ারি (২০১৯) মাসের এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তন করে কারিগরি শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের এমপিও চেক ছাড় হয়েছে।

এতোদিন অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে যথাক্রমের অবসরে ৪ শতাংশ ও কল্যাণে ২ শতাংশ হারে মোট ৬ শতাংশ চাঁদা কর্তন করা হতো। গত ১৪ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো: মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীর অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ১০ শতাংশ চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। এ আদেশ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের অংশ (এমপিও) থেকে প্রতিমাসে দুটি ফান্ডের জন্য এই ১০ শতাংশ টাকা কর্তন করে রাখা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুজনের জন্য ৩৩ জন শিক্ষক!

ডেস্ক ,৪ ফেব্রু:

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ দুটি কেন্দ্রে সোমবার ঐচ্ছিক বিষয় ‘শারীরিক শিক্ষায়’ পরীক্ষা দিচ্ছে মাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী। আর দু’জন পরীক্ষার্থীর জন্য দায়িত্ব পালন করছেন মোট ৩৩ জন শিক্ষক।

সোমবার সকালে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য পরীক্ষার দিনের মতোই একজন কেন্দ্র সচিব, ৫ জন সচিবের সহকারী, একজন হলসুপার, একজন ট্যাগ অফিসার, একজন কক্ষ পরিদর্শক, একজন অফিস সহকারী, ৪ জন অফিস সহায়ক এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন ২ জন পুলিশ।

অন্যদিকে বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অতিরিক্ত একজন পুলিশসহ ১৭ জন দায়িত্বপালন করছেন।

কেন্দ্র সচিব আব্দুস সালাম জানান, আজ শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলার পরীক্ষা হচ্ছে। বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও একজন আগে থেকেই অনুপস্থিত এবং বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যথা সময়ে অন্যদিনের মতোই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা জানান, দুটি কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিনের মতোই কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাভাবিক নিয়মে পরীক্ষা শুরুর পর কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা আন্দোলনের আহবায়ক মামুনের ওপর হামলা

ঢাবি প্রতিনিধি ,৪ ফেব্রু:

ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র প্রশাসনিক ভবনে স্থাপনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মামুনের উপর হামলায় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অংশ নেয় বলে জানা গেছে। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা একজন জানান, আমি লাইব্রেরিতে পড়ছিলাম। এমন সময় শুনি কেউ একজন ‘বাঁচাও’, ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সেখানে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসান আল মামুন আহত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে কি কারণে মারা হয়েছে তারা জানি না। এর ৫-১০ মিনিট পরে গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র হলের বাইরে করার দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ছিল আমাদের। সবাই মিলে একসঙ্গে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আগে চলে আসায় গ্রন্থাগারের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করেই সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা করে।

তিনি আরো বলেন, কি উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়েছে, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। আমরা যখনই ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছি, তখন থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা শুরু হয়। আমরা যেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ না নেই, সেজন্য ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতেই এ হামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমার নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মধুতে আছে। তারা হামলা করেনি। তাদের (কোটা আন্দোলনকারী) নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হতে পারে।

এদিকে হামলার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা বিষয়টি অবহিত হয়েছি। আমাদের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে গেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন সহকারীরা

ডেস্ক

দীর্ঘ আন্দোলনের পরে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনকে সংবর্ধনা দেয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল গফুর নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা, প্রধান শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে পদ ফেরত দেয়াসহ ১০ দফ দাবি জানান।

সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শিক্ষক, আপনাদের সুযোগ-সুবিধা দেখা হবে। প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হবে। আর যেসব দাবি আপনারা করেছেন, তা সবই পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন।’

অনুষ্ঠানে নতুন সরকারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ দফা দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন, এখন জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য কাজ করছেন। আগে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করেছেন, এরপর করেছেন জাতির জনকের কন্যা, আর কেউ করবে না। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আপনাদের সমস্যার সমাধান করব। সমস্যা থাকবে না।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়েরর অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি শিকদার বলেন, ‘সরকার শিক্ষকদের মান উন্নয়নে কাজ করছে।’ তিনি জানান, সরকার এরইমধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের বাইরে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল গফুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ শিক্ষক নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিংয়ের কারণে স্কুল সিলগালা

রংপুর প্রতিনিধি ,৩ ফেব্রু:

রংপুরের গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালানোর অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুলশিক্ষক কামরুল ইসলাম সাজু পরিচালিত রাফি কোচিং সেন্টার চালু রাখা হয়। শনিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে আদর্শপাড়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে ওই কোচিং সেন্টারটির পাঠদান চলছিল। খবর পেয়ে ইউএনও সেখানে অভিযান চালায়। বিষয়টি হাতে-নাতে পড়ায় গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটক সিলাগালা করে দেন। তবে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ইউএনও জানান, কোচিং সেন্টারের পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রী আটক

অনলাইন ডেস্ক :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে রাতে পুলিশ ওই শিক্ষক এবং ছাত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

|আরো খবর

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় স্থানীয় মানুষ তাদেরকে সেখানেই আটকে রাখে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে রাতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এবং ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রীকে থানা নিয়ে আসে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter