Author Archives: chief editor

প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে অর্থ বিভাগের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: ২০১৩ ও ১৪ সালে সরকারিকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের বেসরকারি আমলের চাকরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল দেয়ার কারণ জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কাছে কারণ জানতে চেয়ে অর্থ বিভাগ থেকে উপসচিব শরিফ মো. মাসুদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয় ও সুত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোন কর্মচারীর আর্থিক সুবিধা তথা বেতন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল ইত্যাদি প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সার্ভিসেস এক্ট ১৯৭৫ এর অধীন জারীকৃত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ প্রযোজ্য। অন্য কোন বিধিমালা প্রযোয্য নয়। তদপুরি জাতীয়করণকৃ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির ইত্যাদি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা-২০১৩ এর ৯ (১) বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের উপরে জেষ্ঠ্যতা পাবেন এবং ৯(৩) বিধি অনুযায়ী উপবিধি (১ ও ২) এর অধীন জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকগণ পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড ও প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন। এ ক্ষেত্রেও সরাসরি নিয়োগবিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল প্রাপ্ততার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে (০৮/১২/১৫ বছর পূর্তির আগে) তদাপেক্ষা কনিষ্ঠ আত্মীকৃত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির কোনো সুযোগ না থাকা সত্বেও কোন কোনন হিসাবরক্ষণ অফিস জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণকে জাতীয়করণের পূর্ববর্তী চাকরিকালের ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রদান করছে মর্মে সুত্রোক্ত পত্রে উল্লেখ্য করা হয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘কিসের ভিত্তিতে কোন কোন হিসাব অফিস থেকে কতজনকে উল্লিখিত সুবিধা প্রদান করা হয়েছে এবং এ জন্য কোনো মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়েছে কিনা না তা জানোনোর জন্য নির্দেশক্রমে জনুরোধ করা হলো।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন বছর হলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষককে তিন বছরের বেশি সময় রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক শিক্ষক একই স্থানে থেকে নিজের দায়িত্ব সর্ম্পকে সচেতন থাকছেন না। অনেকে আবার নয় বা দশ বছরও একই বিদ্যালয়ে থাকায় ঠিকমতো ক্লাসে থাকেন না বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই তিন বছর হলেই তাদের বদলি করতে হবে।’

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ আছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টিও অফিসে কাজের কথা বলে চায়ের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেন। যখন বিদ্যালয়ের অভিভাবক থাকে না তখন ঠিকমত ক্লাস হয় না। এই অবস্থা পাল্টাতে প্রত্যেক স্কুলে একজন করে অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে করে প্রধান শিক্ষককে টিও অফিসে যেতে না হয়। মানসম্মত শিক্ষা চালু করতে গিয়ে যা যা করা প্রয়োজন তার সবই সরকার করবে।

তিনি বলেন, দুর্গম চর অঞ্চলে কীভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হবে সে বিষয়টিও দেখবে সরকার।

জাকির হোসেন বলেন, ছোট বাচ্চাদের ঘাড়ে বইয়ের বোঝা দিয়ে তাদের মেধা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। কেজি স্কুল বাচ্চাদের সর্বনাশ করছে। সরকার এ ব্যাপারে বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৃগোষ্ঠী-আদিবাসী-উপজাতি বুঝি না, বিভিন্ন ভাষাভাষী আছে, তাদের নিজস্ব ভাষায় শিক্ষা দেয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে শিক্ষক নেয়া হবে। তারা নিজেদের ভাষা শেখানোর পাশপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষাও শিক্ষা দেবেন।

কারিতাস বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর ফাদার প্রশান্ত রিজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত হেড অব অপারেশনস দোরথে বোসে, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক (অর্থ প্রশাসন ও বাস্তবয়ান) একেএম মাহবুবুর রহমান সরদার প্রমুখ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফ্রান্সিস অতুল সরকার, আলোঘর প্রকল্পের পরিচিতিমূলক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান শিশির অ্যাঞ্জেলা রোজারিও।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীতের নির্দেশ

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত।

পরে সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীর হলেও তারা বেতন পান ১১ ও ১২তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণীর অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। ফলে সরকারি প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা দিলেও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে ৪৫ জন শিক্ষকের রিট আবেদনের পর আদালত রুল জারি করেন। সোমবার হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন মনে করেন, এ রায় সংক্ষুব্ধদের ক্ষেত্রেই কার্যকর হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার আইনজীবীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। ওই দিনই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করলেও পরে মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১১ ও অপ্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করে।

পরে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ,নজরুল ইসলাম,এসএম সাইদুল্লাহ,খাইরুল ইসলাম,স্বরুপ দাস সহ ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ আদালত রুল জারি করেন।

সোমবার সে রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুলে মিড ডে চালু করা হয়েছে। তারপরও প্রাথমিকেই ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পিতা-মাতার অসচেতনতা, দারিদ্রতা, শিশুশ্রমের কারণে এরা ঝরে পড়ছে। রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি)  সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় মো. ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় শুমারি-২০১৮ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি ভিত্তিক ঝরে পড়ার তালিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম শ্রেণিতে ২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, তৃতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণিতে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫ম শ্রেণিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতে প্রতিটি বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং হোম ভিজিট কার্যক্রম রয়েছে। বছরের প্রথম দিন শতভাগ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা, স্কুল ফিডিং, রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, শতভাগ বিদ্যালয়ে মি ডে মিল চালু করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারদলীয় নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৯৩টি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ জন। তারমধ্যে প্রথম শ্রেণিতে ৩২ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৮ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২১৮ জন, ৫ম শ্রেণিতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের জানুয়ারির এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের জানুয়ারি (২০১৯) মাসের এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তন করে কারিগরি শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের এমপিও চেক ছাড় হয়েছে।

এতোদিন অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে যথাক্রমের অবসরে ৪ শতাংশ ও কল্যাণে ২ শতাংশ হারে মোট ৬ শতাংশ চাঁদা কর্তন করা হতো। গত ১৪ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো: মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীর অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ১০ শতাংশ চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। এ আদেশ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের অংশ (এমপিও) থেকে প্রতিমাসে দুটি ফান্ডের জন্য এই ১০ শতাংশ টাকা কর্তন করে রাখা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুজনের জন্য ৩৩ জন শিক্ষক!

ডেস্ক ,৪ ফেব্রু:

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ দুটি কেন্দ্রে সোমবার ঐচ্ছিক বিষয় ‘শারীরিক শিক্ষায়’ পরীক্ষা দিচ্ছে মাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী। আর দু’জন পরীক্ষার্থীর জন্য দায়িত্ব পালন করছেন মোট ৩৩ জন শিক্ষক।

সোমবার সকালে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য পরীক্ষার দিনের মতোই একজন কেন্দ্র সচিব, ৫ জন সচিবের সহকারী, একজন হলসুপার, একজন ট্যাগ অফিসার, একজন কক্ষ পরিদর্শক, একজন অফিস সহকারী, ৪ জন অফিস সহায়ক এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন ২ জন পুলিশ।

অন্যদিকে বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অতিরিক্ত একজন পুলিশসহ ১৭ জন দায়িত্বপালন করছেন।

কেন্দ্র সচিব আব্দুস সালাম জানান, আজ শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলার পরীক্ষা হচ্ছে। বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও একজন আগে থেকেই অনুপস্থিত এবং বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যথা সময়ে অন্যদিনের মতোই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা জানান, দুটি কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিনের মতোই কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাভাবিক নিয়মে পরীক্ষা শুরুর পর কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা আন্দোলনের আহবায়ক মামুনের ওপর হামলা

ঢাবি প্রতিনিধি ,৪ ফেব্রু:

ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র প্রশাসনিক ভবনে স্থাপনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মামুনের উপর হামলায় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অংশ নেয় বলে জানা গেছে। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা একজন জানান, আমি লাইব্রেরিতে পড়ছিলাম। এমন সময় শুনি কেউ একজন ‘বাঁচাও’, ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সেখানে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসান আল মামুন আহত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে কি কারণে মারা হয়েছে তারা জানি না। এর ৫-১০ মিনিট পরে গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র হলের বাইরে করার দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ছিল আমাদের। সবাই মিলে একসঙ্গে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আগে চলে আসায় গ্রন্থাগারের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করেই সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা করে।

তিনি আরো বলেন, কি উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়েছে, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। আমরা যখনই ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছি, তখন থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা শুরু হয়। আমরা যেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ না নেই, সেজন্য ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতেই এ হামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমার নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মধুতে আছে। তারা হামলা করেনি। তাদের (কোটা আন্দোলনকারী) নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হতে পারে।

এদিকে হামলার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা বিষয়টি অবহিত হয়েছি। আমাদের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে গেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন সহকারীরা

ডেস্ক

দীর্ঘ আন্দোলনের পরে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনকে সংবর্ধনা দেয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল গফুর নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা, প্রধান শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে পদ ফেরত দেয়াসহ ১০ দফ দাবি জানান।

সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শিক্ষক, আপনাদের সুযোগ-সুবিধা দেখা হবে। প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হবে। আর যেসব দাবি আপনারা করেছেন, তা সবই পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন।’

অনুষ্ঠানে নতুন সরকারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ দফা দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন, এখন জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য কাজ করছেন। আগে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করেছেন, এরপর করেছেন জাতির জনকের কন্যা, আর কেউ করবে না। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আপনাদের সমস্যার সমাধান করব। সমস্যা থাকবে না।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়েরর অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি শিকদার বলেন, ‘সরকার শিক্ষকদের মান উন্নয়নে কাজ করছে।’ তিনি জানান, সরকার এরইমধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের বাইরে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল গফুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ শিক্ষক নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিংয়ের কারণে স্কুল সিলগালা

রংপুর প্রতিনিধি ,৩ ফেব্রু:

রংপুরের গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালানোর অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুলশিক্ষক কামরুল ইসলাম সাজু পরিচালিত রাফি কোচিং সেন্টার চালু রাখা হয়। শনিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে আদর্শপাড়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে ওই কোচিং সেন্টারটির পাঠদান চলছিল। খবর পেয়ে ইউএনও সেখানে অভিযান চালায়। বিষয়টি হাতে-নাতে পড়ায় গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটক সিলাগালা করে দেন। তবে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ইউএনও জানান, কোচিং সেন্টারের পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রী আটক

অনলাইন ডেস্ক :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে রাতে পুলিশ ওই শিক্ষক এবং ছাত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

|আরো খবর

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় স্থানীয় মানুষ তাদেরকে সেখানেই আটকে রাখে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে রাতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এবং ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রীকে থানা নিয়ে আসে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

এসএসসির পরীক্ষা কেন্দ্র (ফাইল ফটো)

দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজ শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

এছাড়া, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি।

তিনি জানান, এবারের পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন।

২০১৮ সালের তুলনায় এবছর এক লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী বেশি পরীক্ষা দেবেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে ৪৭ হাজার ২২৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৫৬ হাজার ২০৫ জন।

এবার আটটি সাধারণ বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ লাখ ১০২ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং কারিগরি ভোকেশনাল ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন রয়েছে। মোটে কেন্দ্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৯৭ এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৮২টি। এছাড়া, বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪৩৪ জন্য পরীক্ষার্থী রয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধীদেরকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময়সহ শিক্ষক/অভিভাবক/ সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে সন্মেলনে জানানো হয়। এছাড়া, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে নজরদারি থাকবে মনিটরিং কমিটির।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও সকালের পরীক্ষা ১০ থেকে ১টা এবং বিকালের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সব পরীক্ষার্থীকে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএস-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত (ছবি তোলা যায় না এমন ফোন) অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।বাসস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি

ডেস্ক,৪ জানুয়ারী। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন পদ সৃজন, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: গিয়াস উদ্দিন আহমেদ হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক’ প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং বিদ্যালয়ে পাঠদান ও তদারকিতে আরো সক্রিয় করতে বিদ্যালয়ে একজন হিসাব রক্ষক প্রয়োজন। এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করে কার্যক্রম চলবে।

গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ে সব অতিরিক্ত সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়ের সব ধরনের হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনাসহ বিদ্যালয়ের দাফতরিক সব কর্মকাণ্ড এককভাবে প্রধান শিক্ষককে করতে হয়। এ ছাড়াও সরকারের নানা ধরনের নির্দেশনামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় প্রধান শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালনা-তত্ত্বাবধান-সমন্বয় সঠিকভাবে করতে পারছেন না। তাই প্রধান শিক্ষককে পাঠদানে আরো মনোনিবেশ করাতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও ডিপিই সূত্র জানান, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে শিক্ষানীতিতে। সরকারের নতুন মেয়াদে এটি শতভাগ কার্যকর করা না গেলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্ভর হিসাব সংরক্ষণ-পরিচালনা সমীচীন হবে না।

এ ছাড়া এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। এসবের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ প্রশ্নের মুখে পড়ছে। অনেক বিদ্যালয় থেকে হিসাব সংরক্ষণে নানা ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই একজন যোগ্য-মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব বিবেচনায় দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি’র কথা বিবেচনা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সহস্রাব্দের উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) শর্তানুসারে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে বিগত দিন ও বছরগুলোর চেয়ে এখন অতিমাত্রায় স্পর্শকাতর। প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড’ এবং প্রাথমিকে গণিত অলিম্পিয়ার্ড চালু অন্যতম। এসব কারণে প্রধান শিক্ষককে পাঠদান নিশ্চিত করতে আরো বেশি মনোযোগী করতেই হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারা দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংখ্যা হচ্ছে ৩৭ হাজার ৬৭২টি, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ২০৭টি, নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৬ হজার ১৫৯টি এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ৬১টি। এসব স্কুলে ১ জন করে ‘হিসাব রক্ষক’ নিয়োগ দেয়া হবে। এ হিসাবে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯ জন ‘হিসাব রক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পাবেন।

কবে নাগাদ ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদ সৃজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লাগবে। চলতি অর্থবছরে ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার চেষ্টা করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা আরো নিশ্চিত হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওপর চাপ কমবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার কারণ এবং চিকিত্সা

 ডেস্ক : অনেক পুূরুষই আছেন যারা দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা নিয়ে লজ্জার কারণে কারও সাথে কথা তো দূরের কথা ডাক্তারের কাছেও যেতে চান না। মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ার কারণে এগুলো নিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করছে এবং তারা সুস্থতা লাভ করছে।

আজকে আমোদের আলোচনা কিভাবে দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা কমানো্ যায়।

দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান

সাধারনভাবে ডায়বেটিস বা অন্য ধরনের সমস্যা যেমন মানসিক অস্থিরতা বা দূশ্চিন্তা জনিতকারণে এ সমস্যা হতে পারে।

সেরাটোজেনিক এর মাত্রা জন্মগতভাবে বা কোন কারণে কমে গেলেএ সমস্যা হতে পারে।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে ইজাকুলেশন এর মাত্রা বাড়ে কিন্তু যারা পি ই তে ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে তা নয়।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, যে সব পুরুষ মিলনের সময় লিঙ্গ ঠিকমতো ঊথিত হচ্ছে কিনা বা কতক্ষণ উথিত থাকবে তা নিয়ে চিন্তা করে তাদের বীর্য পতন তাড়াতাড়ি হয়।

এ বিষয়ে মাত্র ৭দিনে সমাধানে জন্য ডাঃ এস কে দাস, হোমিও চিকিৎসক িএর সহায়তা নিন।


ডাঃ এস কে দাস
ডিএসএম এস
01811898061

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সংসদ সদস্য হলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন মাশরাফি!

এল আর বাদল : বয়স হয়ে গেছে ৩৫। ক্রিকেট মাঠে আর কতাে। তার উপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে খেলার মাঠ আর সংসদ অধিবেশন, এই দুটাে তাে এক সঙ্গে চালানাে যাবে না।। তাই ২০১৯ বিশ্বকাপ হতে পারে মাশরাফির শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। শুধু এখানেই শেষ নয়, সংসদ সদস্য হলে ঘরােয়া ক্রিকেটও ছেড়ে দেবেন। এক কথায় সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে যাবেন মাশরাফি। এর আগে নিজ দূর্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যতীত কারো সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা নেই। ফলে ঘরের মাঠে এটিই তার শেষ সিরিজ?

রােববার মিরপুর স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ সংক্রান্ত আজ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলো মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। জবাবে তিনি বললেন, আগে নির্বাচিত হই, তারপরে ভাববাে সব কিছু। ভবিষ্যতের কথা আগে বলা যায় না। ঘরের মাঠে শেষ সিরিজ কিনা জানি না। তবে খেলার মধ্যে থাকতে চাই। পাশাপাশি জনহিতকর কাজও করে যেতে চাই। ভবিষ্যত বলবে আমি কী করতে যাবাে।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভিকারুননিসায় এক ছাত্রীকে টিসি দিলে আয় ১০ লাখ!

ডেস্ক রিপোট: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের বিরুদ্ধে রয়েছে ভর্তি বাণিজ্য, অতিরিক্ত ফি আদায়, অভিভাবকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ। শিক্ষার্থী অরিত্রির অধিকারীর মৃত্যুর পর মুখ খুলছেন অভিভাবকরাও।

অরিত্রির ঘটনায় এক নারী শিক্ষককে গ্রেফতার করা হলেও আরও দুজন পলাতক। অভিভাবকদের অভিযোগ, যে শিক্ষকরা পতালক তারাই ঘটনার সঙ্গে বেশি জড়িত।

ভিকারুননিসার অনিয়মের প্রতিবাদে শুক্রবার প্রতিবাদমুখর ছিলেন অভিভাবকরা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি ছাত্রীকে টিসি দিয়ে বের করে দিলে, আরেকটি ছাত্রী ভর্তি করা যাবে। তাহলে নগদে ১০ লাখ টাকা আয় হয়ে যাবে। প্রতিটি শিক্ষকের মাথায় এটি ঘোরে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি সেশনে ৭০ জন থাকার কথা। সেখানে ১০০-১১০ জন ভর্তি হচ্ছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এটা ভর্তি বাণিজ্য হয়েছে তা না হলে কীভাবে হলো। এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা যায়। কিন্তু ভিকারুননেসা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করা দুষ্কর।’

প্রসঙ্গত, নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রির বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগ এনেছিল। এ জন্য অরিত্রির মা-বাবাকে ডেকে নেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ।

তাদের ডেকে মেয়ের সামনেই অপমান করে বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে অরিত্রিকে নকলের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হবে। এ অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে অরিত্রি আত্মহত্যা করে।

পুলিশ ও পরিবারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে সাততলা ভবনের সপ্তমতলায় নিজ ফ্ল্যাটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অরিত্রিকে পাওয়া যায়।

এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসকরা অরিত্রিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরে। অরিত্রির বাবা দিলীপ কুমার একজন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী। সূত্র: সময় টিভি, যুগান্তরFacebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail