Author Archives: chief editor

চাকরিতে ঢোকার বয়স ৩২

মেয়াদের শেষ সময়ে এসে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার।

এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন।

সোমবার তিনি বলেন, “আলোচনা হচ্ছে, প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি, খুব তাড়াতাড়ি হবে। খুব তাড়াতাড়িই জানতে পারবেন।”

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হলেও অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, “এন্ট্রিটা বাড়তে পারে আশা করছি।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।

শফিউল বলেন, “স্থায়ী কমিটি সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা শেষ করেছেন, এখন আমরা প্রস্তাব তৈরির কাজে হাত দেব।”

বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাকরিতে প্রবেশের বয়স দুই বছর বাড়তে পারে বলেও আভাস দেন ওই কর্মকর্তা।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসরের বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির কারণে তা ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

এছাড়া গত বছরের ২১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৬০ বছর করার ঘোষণা দেন।

অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানোর পর চাকরিতে প্রবেশের বয়সও বাড়ানোর দাবি ওঠে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে। এ নিয়ে আন্দোলনের পাশাপাশি সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেন তারা।

চাকরিপ্রার্থীরা যুক্তি দেখান, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়োগ দেয় না। ফল বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরির সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

সরকারের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

২০১৬ সালের মে মাসে জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা যুব বয়সের মেধাশক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। এজন্য আমরা চাই সকলে সময়মত পড়াশুনা করে চাকরিতে প্রবেশ করুক। এজন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।”

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ সাকিবের

তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে
* এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে
*তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে, ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে

ডেস্ক: বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিহতের পর দেশজুড়ে আন্দোলন করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের পক্ষ থেকে এসেছে ‘নয় দফা দাবি’। যে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে তারা। গত কয়েকদিন ধরে এতে প্রায় থমকে গেছে দেশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বড় বড় তারকারা। এবার এই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথা বললেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ খেলতে এখন বাংলাদেশ দল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। সেখান থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ফেসবুক’-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাকিব। যাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। তবে তাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে জানিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে সাকিব লিখেছেন, ‘আমি এখন ফ্লোরিডায় আছি। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমার তরুণ ফ্যানদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চাই।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী দিয়া ও আবদুল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় আমি প্রচণ্ড মর্মাহত ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম তার সহপাঠী থেকে শুরু করে সারাদেশের ছাত্রছাত্রীরা দোষীদের শাস্তি দাবি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে, তখন গর্ববোধ করেছি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে। দেশে থাকলে আমিই তোমাদের অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য চলে আসতাম।

তোমাদের সাধুবাদ জানিয়ে বলতে চাই, তোমাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ছাড়াও নিরাপদ সড়ক আইন করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অবস্থায় তোমাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো, ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে। তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে। এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে।

তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে। ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬০ বছর বয়স হলেই দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ শিক্ষাবোর্ডের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বয়স ৬০ বছর হলেই দায়িত্ব হস্তান্তর করে প্রধান শিক্ষকদের বাড়ী চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাবোর্ড। কোনও অজুহাতেই চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই। অনেক প্রধান শিক্ষক ৬০ বছর পূর্ণ হলেও দায়িত্ব হস্তান্তর করার মতো যোগ্য শিক্ষক খুঁজে না পাওয়ার অজুহাতে আরো কিছুদিন পদে আকড়ে থাকেন। তাদের জন্য রয়েছে বোর্ডের কড়া নির্দেশ।

ঢাকা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত ২৯ জুলাইয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে,“প্রধান শিক্ষকদের চাকুরীর মেয়াদ ৬০ বছর পূর্ণ হলে, সহকারি প্রধান শিক্ষক অথবা সহকারি প্রধান শিক্ষক না থাকলে জ্যেষ্ঠতম শিক্ষকের নিকট প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সেটি বিধিবর্হিভূত হিসেবে গণ্য হবে।”

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০১৮ এর আলোকে শিক্ষাবোর্ড বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে চিঠির কপি পাঠিয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাশেদের মায়ের আকুতি আমার বাবারে মুক্তি দিন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম। ছবি: সংগৃহীতনিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের মা সালেহা বেগম তাঁর ছেলেকে ফেরত পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার বাবার মুক্তি চাই। আমার বাবা রাশেদকে ফিরিয়ে দিন। সে সাধারণ ছাত্র। কত কষ্ট করে আমার বাবাকে মানুষ করেছি, তাকে মুক্তি দিন। তার জন্য পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার বিকেলে এক মানববন্ধনে এভাবেই আকুতি জানাচ্ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের গ্রেপ্তারকৃত নেতা রাশেদের মা। কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে আটক ছাত্রদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি তো মা; প্রধানমন্ত্রী, আপনি তো মায়ের জ্বালা বোঝেন। আপনার কাছে আবেদন, আমার বাবাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে দিন। আমার বাবারা তো কোনো রাজনীতি করে নাই, তারা তো কোনো অপরাধ করেনি। তারা শুধু চাকরির জন্য গেছিল। জেলে আটক সব বাবাদের মুক্তি দিন।’

মানববন্ধনে রাশেদের বাবা মো. নবাই বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আমার ছেলের মুক্তির দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি, তার পড়াশোনাটা আবার আগের মতো স্বাভাবিক করে দেওয়া হোক। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারছি না।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে গত ১ জুলাই রাজধানীর ভাষানটেক থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালত রাশেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজকের এই মানববন্ধন করে যুব ঐক্য প্রক্রিয়া। যুব ঐক্য প্রক্রিয়া জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার একটি সহযোগী সংগঠন। এক ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক নেতাদের মা-বাবারা বক্তব্য দেন। তাঁরা সন্তানের মুক্তির দাবি জানান। অভিভাবকেরা বলেন, তাঁদের সন্তানেরা কোনো অন্যায় করেননি। তাঁদের সন্তানেরা কোটা সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মশিউর রহমানের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, ‘কী দোষ করেছিল আমাদের ছেলেরা? তাদের এভাবে কেন রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে, কারাগারে পাঠানো হচ্ছে? আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি একজন রিকশাওয়ালা। আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।’

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্যসচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি ছাত্ররা তুলবেনই। এটা তাঁদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু ছাত্রদের ওপর নির্যাতন, গুম করা হচ্ছে কেন? ছাত্রদের কেন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হবে? দেশের সর্বস্তরে অব্যবস্থা। এটা চলতে দেওয়া যায় না। ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের দুঃশাসন, দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘আমাকে রাতের পোশাকে দেখতে চেয়েছিলেন পরিচালক

‘আমাদের জগতে মেয়েদের নানাভাবে অত্যাচার করা হয়। আমার কাছেও এক কুরুচিকর প্রস্তাব এসেছিল। আমি তখন বলিউডে নতুন নতুন এসেছি। চলচ্চিত্রের একজন পরিচালকের সঙ্গে ছবির ব্যাপারে কথা বলতে যাই। তিনি আমাকে রাতের শয্যার পোশাকে দেখতে চান। পরিচালক বলেন, ‘স্লিভলেস নাইটি পরে আমাকে আগে দেখাও। এই কথা শুনে আমি ওখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসি।’ বললেন বলিউড তারকা মাহি গিল। গত ২৭ জুলাই মুক্তি পেয়েছে ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’। ছবিতে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, জিমি শেরগিল, মাহি গিল, চিত্রাঙ্গদা সিং, সোহা আলী খান প্রমুখ। মুক্তির আগে এই ছবির প্রচারণা করতে গিয়ে সাংবাদিকের মুখোমুখি হন মাহি গিল। ওই সময় ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

মাহি গিলমাহি গিলবলিউডে নিজের সেই শুরুর দিনগুলো প্রসঙ্গে মাহি গিল বলেন, ‘ওই সময় প্রচুর লড়াই করেছি। তবে আমার “না” বলার ক্ষমতা ছিল। কাজ পাওয়ার জন্য ওই পরিচালকের প্রস্তাবে রাজি হইনি। অনেকের মধ্যে “না” বলার সাহস থাকে না। ওই পরিস্থিতিতে বুঝে উঠতে পারেন না, কী করবেন। বিশেষ করে যাঁরা ছোট শহর থেকে আসেন, তাঁরা খুব অসহায় বোধ করেন।’

এক সপ্তাহ পর জানা গেছে, ১০ কোটি রুপি বাজেটের ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’ ছবিটি ব্যবসায়িক দিক থেকে একেবারই সুবিধা করতে পারেনি। ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তবে ছবিতে মাহির অভিনয় খুব প্রশংসিত হয়েছে।

মাহি গিলমাহি গিলএদিকে ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’ ছবিতে মাহি গিলকে কিছু সাহসী দৃশ্যে বেশি দেখা গেছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘গোড়ার দিকে ছবিতে আমি অনেক খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করেছিলাম। তারপর আমার কাছে এ ধরনের ছবির প্রস্তাব বেশি এসেছে। তবে চিত্রনাট্যে প্রয়োজন থাকলে এ রকম দৃশ্যে নিশ্চয়ই অভিনয় করব। শুধু শরীর প্রদর্শন করার জন্য তা কখনোই করব না।’

বলিউডের কাজের পরিবেশ নিয়ে মাহি বলেন, ‘আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অনেক ভালো। এখানে কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করা হয় না। আমাদের জগতে ধর্ষণের মতো কুরুচিকর ঘটনা ঘটে না। সেদিক থেকে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি অনেক নিরাপদ। অন্য জগতের থেকে অনেক ভালো।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মোবাইল ফোনে ৫০ পয়সায় কল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: মোবাইল ফোনে কল করার একটি সর্বজনীন সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ফলে এখন থেকে ৫০ পয়সায় মোবাইল ফোনে কল করা যাবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে ফোনকলের খরচ কমবে। তবে এতে একই অপারেটরের কোনো গ্রাহককে ফোন করলে খরচ বাড়বে। মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে গ্রাহকের ফোন করার সার্বিক খরচ আগের চেয়ে কমবে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সভাপতিত্বে গত বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সর্বনিম্ন কলরেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রধান নির্বাহীসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে টেলিযোগাযোগ খাতবিষয়ক আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হার ৫ শতাংশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিটিআরসির নিজস্ব ভ্যাট নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর বদলের সুবিধা বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা দুই মাস পর চালু এবং গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের জন্য নতুন নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দেওয়া। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে একই অপারেটরে (অননেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ২৫ পয়সা আর অন্য অপারেটরে (অফনেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ পয়সা। নতুন কলরেট চালু হলে অননেট ও অফনেটের এই পার্থক্য আর থাকবে না। সব অপারেটরে কথা বলার সর্বনিম্ন মূল্য হবে ৫০ পয়সা। এর মধ্যে যে অপারেটর থেকে কল যাবে, সেই অপারেটর পাবে ৩৬ পয়সা, যে অপারেটরের নেটওয়ার্কে কল যাবে, তারা পাবে ১০ পয়সা ও ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) পাবে ৪ পয়সা।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এখন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হয় ৪০ পয়সা। আর অফনেট, অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ১০ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা।

মোবাইল ইন্টারনেটে ৫% ভ্যাট কার্যকর

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে এনবিআর একটি ব্যাখ্যা দেওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ভ্যাটও ৫ শতাংশ হবে। বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনার পর গতকাল থেকেই ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় শুরু করেছে অপারেটররা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রিকশাও চলে লাইন ধরে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: রাজধানীর কুর্মিটোলায় দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ করতে রাস্তায় নামা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের পরিবহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করছে। এর মধ্যেই রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজেও লেগে পড়েছে তারা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সারিবদ্ধভাবে রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করে ট্রাফিক পুলিশের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সরেজমিন ধানমন্ডি ১ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার ৩টি মোড়ে অবস্থান নিয়েছে কিছু শিক্ষার্থী। সাইন্স ল্যাবে পুলিশ বক্সের সামনে, ১ নম্বর সড়কের মাঝামাঝি চৌরাস্তায় এবং ১ নম্বর সড়ক থেকে বের হয়ে সাত মসজিদ রোডের মোড়ে অবস্থান নিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, নিরাপদ সড়কের পাশাপাশি রাস্তায় পরিবহন ব্যবস্থায় কীভাবে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায় তা দেখাতে চান তারা। তাদের মতে, ট্রাফিক পুলিশের পক্ষেও এ কাজ সম্ভব যদি তাদের সদিচ্ছা থাকে। একটু চেষ্টা করলেই লাইনে আনা সম্ভব।.

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) সকালে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা এক লেনে গাড়ি চালাতে বাধ্য করার পাশাপাশি গাড়ির কাগজপত্র এবং ড্রাইভারের লাইসেন্স পরীক্ষা করছে। যারা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে তাদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

রাস্তায় শৃঙ্খলা দেখে এই রাস্তায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী অনেকেই ছাত্রদের এ কাজকে স্বাগত জানিয়েছেন। নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ফারুক বলেন, ‘এই রাস্তা ধরে সপ্তাহের প্রতিদিন যাওয়া-আসা করি। মঙ্গলবার মার্কেট বন্ধ থাকে বলে এই রাস্তা একটু ফাঁকা থাকে। না হলে প্রত্যেক দিন জ্যাম লেগে থাকে। রিকশাগুলো লাইন করে ৫-৬টা। যার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িগুলো আসতে পারে না। শিক্ষার্থীরা যা করছে এটা তো পুলিশের করার কথা। তাদের একটি পুলিশ বক্স আছে মোড়ে। তারপরও তারা ব্যর্থ। শিক্ষার্থীরা শতভাগ সফল।’.

 

এই এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা রিকশাচালক মিজান জানান, ‘এই রাস্তায় সব এক লাইনে চললে তো জ্যাম থাকবো না। আমরাও সমর্থন করি। আমাদেরও জ্যামে সময় নষ্ট হয়। ভালা কাজ করসে তারা।’

অন্যদিকে ধানমন্ডি ল্যাবএইডের সামনেও একই চিত্র দেখা যায়। সেখানে এক লেনে গাড়ি, এক লেনে রিকশা, আর আরেক লেনে মোটরসাইকেল প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত সিটি কলেজের শিক্ষার্থী রাসেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চেষ্টা থাকলে সবাইকে লাইনে আনা সম্ভব। এই রাস্তায় আমরা প্রতিদিন যাওয়া আসা করি। মানুষের কী পরিমাণ দুর্ভোগ হয় আমরা জানি। তাই এই লাইনে আনার চেষ্টা। চাইলে ট্রাফিক পুলিশও করতে পারে এই কাজ। কিন্তু তাদের সদিচ্ছা নেই মনে হয়। থাকলে আমাদের উদ্যোগ নিতে হতো না।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার ও ট্রাফিক মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩আগষ্ট: প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার (গতিরোধক) নির্মাণ ও বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাস প্রদান এবং স্কুল সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের নির্দেশ দেন।

ঢাকা বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত স্কুলছাত্র দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিমের পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে এ নির্দেশনা দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

প্রেসসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব স্কুলের সামনে স্পিডব্রেকার স্থাপন, প্ল্যাকার্ডধারী বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণ এবং ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাস প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল নূর নাহার ইয়াসমিন তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানেরা পড়তে আসেন উল্লেখ করে তাদের যাতায়াতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাস দেওয়ার অনুরোধ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনভরই আসাদগেট এলাকায় ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। প্রথম আলো ফাইল ছবিডেস্ক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। প্রথম আলো ফাইল ছবিশিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনভরই আসাদগেট এলাকার রাস্তায় ছিলেন মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোহাম্মদপুর এলাকার কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব তাঁদের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। বিকেলের দিকে উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল হাসান রাস্তায় বসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

নাঈমুলের সঙ্গীরা বয়সে কিছু বড় হলেও শিক্ষার্থীদের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেয় দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগ নেতারা তাদের নানাভাবে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় জুনিয়র ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী বলে, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দাবিও প্রধানমন্ত্রী মেনে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই আন্দোলনের পরিণতি আমরা দেখেছি। ফেসবুকে দেখলাম কোটার এক নেতার লাশ পাওয়া গেছে নদীতে। আমরা চাই সুস্পষ্ট ঘোষণা আসবে।’

ছাত্রলীগের সঙ্গে আলোচনার পরে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবারের মতো কর্মসূচি মুলতবি করে চলে যায়। শুক্রবার তারা কর্মসূচি ঘোষণা করবে কি না, তা পরে জানানো হবে বলে জানায় তারা।

ছাত্রলীগ নেতা নাঈমুল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের নয় দফা দাবির কথা বলেছে। আমরা আমাদের তরফ থেকে সেই দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছি। আশ্বাস পেয়ে আপাতত তারা উঠে গেছে।’ শিক্ষার্থীরা নাঈমুলের মোবাইল নম্বর নিয়ে গেছে, নাঈমুলও শিক্ষার্থীদের কয়েকজনের ফোন নম্বর নিয়ে রেখেছেন।

ভাঙলেই বলবে বিএনপি-জামায়াত
বেলা দেড়টার দিকে আসাদগেট ক্রসিং অতিক্রম করছিল দিশারী পরিবহনের একটি মিনিবাস। চালক কাগজপত্র দেখাতে না পারলে কয়েকজন শিক্ষার্থী বাসের ভেতর উঠে পড়ে জানালার কাচ ভাঙা শুরু করে। তখন কয়েকজন ছাত্র তাদের বাস থেকে নামিয়ে শাসিয়ে বলেন, ‘খবরদার গাড়ি ভাঙবি না। ভাঙলেই বলবে বিএনপি-জামায়াত। একবার পলিটিক্যালি কালারড হয়ে গেলে খবর আছে।’

সুত্র: প্রথম আলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১০ বার লেখেন ‘আমার লাইসেন্স নাই

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: রাজধানীর আসাদগেট সিগন্যালে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা যানবাহনের লাইসেন্স পরীক্ষা করছিল। লাইসেন্স বা কাগজ না থাকলে তারা চালককে ধরে ট্রাফিক সার্জেন্টের কাছে নিয়ে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে দেখা গেল বেশির ভাগ মোটরসাইকেলচালকের লাইসেন্স নেই। কাগজ ঠিক নেই অনেক গাড়ির। মামলা দিতে দিতে ক্লান্ত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্টরা।

এবার শিক্ষার্থীরা নতুন বুদ্ধি বের করল। লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলচালকদের আটক করে তাঁদের একটি খাতায় ১০ বার লিখতে বলা হলো ‘আমার লাইসেন্স নেই’। একজন ব্যবসায়ী তাঁর নতুন কেনা মোটরসাইকেলসহ আটকা পড়েন। তাঁর মোটরসাইকেলের কাগজ, লাইসেন্স বা হেলমেট কোনোটিই নেই। ওই ব্যবসায়ীকে প্রথমে ১০ বার করে লিখতে বলা হয় ‘আমার লাইসেন্স নেই’। এরপর তাঁকে দিয়ে লেখানো হয় ‘আমার হেলমেট নেই’।

ক্ষুব্ধ ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি কেবল মোটরসাইকেল কিনে যাচ্ছিলাম। এখন তারা এভাবে আমাকে হেনস্তা করল। এই কাজ তো পুলিশের।’

শিক্ষার্থীরা বলছে, ‘আমরা চাই বড়রা নিজেদের শুধরে নেবেন। তাই তাঁদের পুলিশের কাছে দিয়ে মামলা দেওয়া চলছে। তাঁদের লজ্জা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যাতে তাঁরা পরবর্তী সময়ে ঠিক রাস্তায় চলেন। এই লোকই যদি কখনো দুর্ঘটনায় নিহত হন, তাহলে আবার আপনারাই রিপোর্ট করবেন, তাঁর লাইসেন্স ছিল না। পরে রিপোর্ট করে আর লাভ কী?’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যথেষ্ট হয়েছে, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও, বাসায় ফিরে যাও।’

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘দুই সহপাঠী হারিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে প্রতিবাদ জানিয়েছে, তা যৌক্তিক। কিন্তু এ কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। তা ছাড়া কোমলমতি এই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা (সাবোটাজ) ও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ, যথেষ্ট হয়েছে, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও, বাসায় ফিরে যাও।’

আজ বৃহস্পতিবার রাতে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ অনুরোধ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বোঝানোর জন্য মা-বাবা ও প্রতিবেশীদের প্রতিও আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে সাবোটাজ ও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আন্দোলন নিয়ে সুবিধাবাদীরা ষড়যন্ত্র করতে পারে। যদি কিছু ঘটে, তবে নিরাপত্তাবাহিনী এর দায় নিতে পারবে না। কেননা তারা দূরে দূরে থাকছে। এ কারণে কোনো একটা কিছু ঘটলে তারা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে না। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়কে যে কাজ করছে, সেটা তাদের কাজ নয়। তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে এটা করছে। তাই বলব, তোমাদের কাছে অনুরোধ করব, যথেষ্ট হয়েছে, এখন ফিরে যাও, যার যে কাজ তাকে সেই কাজ করতে দাও।’

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজধানী অচল হয়ে পড়েছে। গাড়ি চলছে না। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ভয়ে মালিকেরা গাড়ি বের করছেন না। ফলে মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। চরম দুর্ভোগ চলছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ, যেহেতু দাবি মানা হয়েছে এবং কিছু দাবি মানা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। তাই তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও। কেননা তোমাদের এ আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা হতে পারে, সাবোটাজ হতে পারে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা দেখেছেন, আন্দোলনের মধ্য রাজারবাগ পুলিশ লাইনে, কাফরুল থানায়, মিরপুরে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ২০১৩ সালের ছবি পোস্ট করে বলছে পুলিশ শিক্ষার্থীদের মারধর করছে। এর পেছনে অনেকের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও অভিলাষ রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন থাকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর। সঠিক তথ্য জানা না থাকলে বহুদিনের লালিত স্বপ্নও মাঝপথে এসে ব্যাহত হয়। স্বপ্ন বাস্তবায়ন তখন সুদূরপরাহত হয়। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা থাকলে প্রথমেই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার উচিত স্বচ্ছ ধারণা রাখা।

উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে জাপানের নাম তালিকার শীর্ষের দিকেই থাকে। সূর্যোদয়ের এ দেশটিতে বর্তমানে বহু বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। আর এর মধ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিমাণটাও নেহাত কম নয়। জাপানে এত বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট হওয়ার কারণও আছে অনেক। সে বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আসে দেশটির উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ, জাপানের বন্ধুভাবাপন্ন সংস্কৃতি আর আবহাওয়ার কথা।
এসব দিক বিবেচনা করলে জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আপনার আগ্রহ বাড়বেই। কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে গিয়ে পড়াশোনা করার ঝক্কিটাও কম নয়। জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে শিক্ষার্থীরা প্রথমেই যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সেটি হলো প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব। কীভাবে সেখানে যাবেন, কোথায় পড়বেন, কীভাবে ভর্তি হবেন, পড়াশোনার খরচ কেমন, দ্রব্যমূল্যÑ এসব জানতে গিয়ে পড়–য়াদের প্রচুর কাঠ-খড় পোড়াতে হয়।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাপান শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জাপান শিক্ষার্থী সেবা সংস্থা বাংলায় একটি সহায়িকা বই প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরা হলো আজকের এ আয়োজনে।
জাপানের শিক্ষাব্যবস্থা
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক জাপানের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে বেশকিছু উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। এগুলো হলো প্রযুক্তি কলেজ, পেশাদার প্রশিক্ষণ কলেজ, জুনিয়র কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্র্যাজুয়েট স্কুল। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা হয়Ñ জাতীয়, স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি। বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনা করতে পারবেন। জাপানে উচ্চশিক্ষা শুরু হয় ১২ বছর মেয়াদি প্রথাগত বিদ্যালয় শিক্ষা শেষ হওয়ার পর। তাই জাপানে যাওয়ার আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে বাংলাদেশ থেকে ১২ বছর মেয়াদি বিদ্যালয় শিক্ষা শেষ করেছেন কি না। সাধারণত আমাদের দেশের জন্য উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পাস করলেই আবেদন করা যাবে জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়।
বিভিন্ন কোর্সগুলোর ধারণা
জাপানে রয়েছে নানামুখী বিষয়ে পড়াশোনা করার সুবিধা। দেশটির প্রযুক্তি কলেজ, পেশাদার প্রশিক্ষণ কলেজ, জুনিয়র কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্র্যাজুয়েট স্কুলগুলো থেকে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডক্টরাল, ডিপ্লোমা, অ্যাডভান্স ডিপ্লোমাসহ বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। এসব ডিগ্রির কোর্সগুলো সাধারণত দুই থেকে ছয় বছর মেয়াদি হয়ে থাকে।
ভর্তির যোগ্যতা
জাপানে পড়াশোনা করতে হলে জাপানি ভাষা অবশ্যই জানতে হবে। এজন্য জাপানি ভাষার ওপর কমপক্ষে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। এর বাইরেও কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য টোফেল সিবিটি স্কোর ১৫০-এর বেশি অথবা টোফেল আইবিটি স্কোর ৫২-এর বেশি থাকতে হবে। ভাষাগত যোগ্যতা প্রমাণে আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসেবে জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। আপনি যদি এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে উত্তীর্ণ হন, তাহলে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। অ্যাসোসিয়েটেড ডিগ্রি, ব্যাচেলর্স ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট প্রোগ্রামে পড়াশোনা এবং গবেষণার জন্য আপনি জাপানে যেতে পারেন।
কোথায় পাবেন ভর্তির তথ্য
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদালয় থেকে প্রকাশিত ব্রোশিয়ার, আবেদনের গাইডবুক থেকেও পাওয়া যায় ভর্তির নির্দেশিকা। তবে অনলাইনের এ যুগে ওয়েবসাইটগুলো থেকেই একজন শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেতে পারেন।
একনজরে ভর্তি প্রক্রিয়া
জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তির জন্য কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ভর্তির আগেই যদি এ ব্যাপারে টুকটাক জেনে নেওয়া যায়, তাহলে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারবেন অনেকটাই।
পরিকল্পনা এবং তথ্য সংগ্রহ : প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে আপনি কোন বিষয়ে পড়বেন। এ বিষয়ে জাপানে কোন ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয়, তা-ও জেনে নিতে হবে। পাশাপাশি পছন্দের কোর্সটিতে খরচ কেমন সেটাও জেনে নেওয়া জরুরি।
স্কুল বাছাই : সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের পরই আসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের বিষয়টি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ঘেঁটে পছন্দমাফিক একটি তালিকা তৈরি করে নিতে পারেন। তারপর সেই তালিকা থেকে নিতে পারেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য জাতীয় মানের পরীক্ষা : জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে Examination for Japanese University Admission for International Students (EJU), Japanese Language Proficiency Test (JLPT), TOEFL, IELTS, TOEIC প্রভৃতি মূল্যায়ন পরীক্ষা। তবে কোনো কোনো বিষয়ে পড়ার জন্য এসব পরীক্ষার প্রয়োজন না-ও হতে পারে।
ভর্তির জন্য আবেদন করা : পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই আবেদনের নথি প্রস্তুত করে আবেদন ফি পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
আপনার আকাক্সিক্ষত এনট্রান্স পরীক্ষা : কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে একটি সাক্ষাৎকারের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া একটি একাডেমিক কৃতিত্ব পরীক্ষা দিতে হয় উত্তীর্ণদের।
ভর্তি : এই ধাপে নির্বাচিত প্রার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। ভর্তির জন্য প্রথম বছরের একাডেমিক ফি পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
জাপানে অধ্যয়নের প্রস্তুতি : ভর্তির পরপরই ভিসা, জাপানে যাওয়া ও সেখানে থাকার প্রস্তুতি নিতে হবে। ভিসা পাওয়ার পরপরই বাসস্থান, বিমানের টিকিট, বীমা প্রভৃতি বিষয়গুলো ঠিক করে নিতে হবে শিক্ষার্থীকে।
আছে বৃত্তির সুবিধা
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে বিভিন্ন বৃত্তি ও টিউশন ছাড়ের সুবিধা আছে। এ সুবিধার আওতায় সম্পূর্ণ বিনা খরচেই একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন। বিভিন্ন সরকারি বৃত্তি ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বৃত্তি দিয়ে থাকে। এছাড়া প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব বৃত্তির ব্যবস্থা আছে। একজন শিক্ষার্থী এসব বৃত্তিতে নির্বাচিত হয়ে জাপানে পড়ালেখার জন্য যেতে পারেন। আবার সেখানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরও আবেদন করা যায় বৃত্তিগুলোয়

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেলেন ববি’র তিন শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রবর্তিত “প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক” পেলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) তিন মেধাবী শিক্ষার্থী। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এ পদক প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা হলেন-সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন অর্থনীতি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সোমা রানী সরকার যার প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৬, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তন্বী দেবনাথ যার প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৯৪ এবং কলা ও মানবিক অনুষদের অধীন ইংরেজী বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার সুমনা যার প্রাপ্ত সিজিপিএ-৩.৬৩।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জন করায় এই তিন শিক্ষার্থী “প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৭” এর জন্য মনোনীত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন মেধাবী শিক্ষার্থী স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর চেয়ারম্যান, শিক্ষা সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশিষ্ট বৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকসহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কৃতি শিক্ষার্থীর “প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক” অর্জন অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের বিষয়। এ অর্জন শুধুমাত্র বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের নয়, এ অর্জন সমগ্র বরিশালবাসীর। আর এ অর্জনকে ভবিষ্যতের প্রেরণা হিসেবে নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণায় অচিরেই একটি আন্তর্জাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক দেয়ার পুরো অনুষ্ঠানটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রজেক্টরের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে গনিত বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী ফৌজিয়া শারমিন নিরা ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ গ্রহণ করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দ্বিতীয় দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষক-কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৬ জুন: এমপিওভুক্তির দাবিতে টানা দুদিন ধরে আমরণ অনশন পালন করছেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে খোলা আকাশের নিচে বসে আন্দোলকারীরা বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন। রোদ-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে এমন কঠোর কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন তারা।

গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীত পাশের রাস্তার ওপর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। টানা আন্দোলনের পরও সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না পেয়ে গত সোমবার থেকে আমরণ অনশন মতো কঠিন কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা। ‘সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে আমরণ অনশন’ লেখা টি-শার্ট গায়ে ও ‘এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরণ অনশন’ লেখা ফিতা মাথায় বেধে সহস্রাধিক শিক্ষক-কর্মচারী এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। দাবি আদায়ে তারা বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন। শিক্ষক নেতারা নানা স্লোগানে আন্দোলনকে চাঙ্গা করে তুলছেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাকতা করে বেতন-ভাতা না পেয়ে আমরা বার বার রাজপথে নেমে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমাদের শুধু আশ্বাস দিয়ে বাড়ি ফেরানো হয়েছে। নিজের ন্যায্য পাওনা আজও পাইনি। বেতন-ভাতা না পেয়ে আমরা মানবেতন জীবন যপান করছি। এমন জীবন আমরা চাই না। বাঁচলে বাঁচার মতো বাঁচবো নতুবা আন্দোলন করে রাজপথে জীবন দেব। তবুও দাবি আদায় ছাড়া রাজপথ পথ ছাড়বো না।

Teacher-Andolon-1

শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতির পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বর্তমানে নীতিমালা, কমিটিসহ নানা আইন তৈরি করে এমপিওভুক্তি না করে আমাদের মধ্যে বিভক্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। আমরা তা মেনে নেব না। কোনো নীতিমলার আওতায় আমাদের আনা যাবে না। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নতুন প্রতিষ্ঠানের ওপর এ নীতিমালা কার্যকর করার দাবি জানান তারা।

নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ বিনয় ভুষণ রায়  বলেন, আমরা টানা ১৬ দিন ধরে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেলেও এখনও আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস দেয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আমরণ অনশন পালনে নেমেছি।

Teacher-Andolon-1

তিনি বলেন, এমপিওভুক্তি থেকে বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতিদিন এ আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। তাদের উপস্থিতিতে আমাদের ন্যায্য দাবির এ আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। আমরা ক্ষুধার জ্বালায় রাজপথে নেমেছি। দাবি আদায় ছাড়া আমরা ক্লাসে ফিরে যাবো না।

তিনি আরও বলেন, রাজপথে খোলা আকাশের নিচে রোদের মধ্যে ধুলাবালি, গাড়ির ধোঁয়া আর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এতে যদি কোনো শিক্ষকের প্রাণ যায় তার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গাকে বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য ঘোষণা

ডেস্ক,৫ জুন: মঙ্গলবার (০৫জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দেশের চুয়াডাঙ্গা জেলাকে সর্বপ্রথম জেলা হিসেবে বন্যপ্রাণী ও পাখির মুক্ত অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হলো এমন এলাকা, যেখানে বন্যপ্রাণী ও পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের প্রজনন ও আবাস নিরাপদ রাখতে শিকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সাধারণত বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পরিবেশ, তাদের স্বাভাবিক কিংবা বর্ধিত প্রজনন পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক সংখ্যা এবং বৃক্ষরাজি কিংবা ঔষধি বৃক্ষরাজির নিরাপদ সংরক্ষণে সরকার কিংবা নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো এলাকাকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।

অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়, ঐ এলাকার পাখি যেন ক্রয়/বিক্রয় বা ধ্বংস না হয়। পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেন এই এলাকা মুক্ত থাকে। পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারীরা যাতে সেখানে প্রবেশ না করতে পারে।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক জনাব জিয়াউদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রশাসকের বাসভবন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ডিসি ইকো পার্ক এবং সার্কিট হাউজকে পাখির অভয়াশ্রম তৈরি ও ঘোষনা করা হয়েছে। সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রাম কয়েক বছর যাবত “পাখির গ্রাম” নামে পরিচিত, এখন পুরো গ্রামটিই পাখির অভয়ারণ্য। দামুড়হুদা উপজেলার দলকা বিল, আলমডাঙ্গা উপজেলার পাখির গ্রাম বন্ডবিল অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত। সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকা অফিস, চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা রেল স্টেশন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারেও পাখির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের ফরমান মন্ডলের বাগানবাড়িও পাখির অভয়ারণ্যের অর্ন্তভুক্ত হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ও পাখির মুক্ত অভয়ারণ্য হিসেবে প্রথম জেলা চুয়াডাঙ্গাকে ঘোষনা করে জেলাবাসীকে মঙ্গলবার (৫ জুন) থেকে এই সাফল্যের গর্বিত অংশীদার হিসেবে আইন মান্য করে সহযোগিতা করার আহবান জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail