Author Archives: chief editor

৭ বছর পর প্রধান শিক্ষক হবেন প্রাথমিকের সহকারীরা

ডেস্ক, ৯এপ্রিলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে সাত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। এমন বিধান রেখে নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রধান শিক্ষকের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৩৫ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। তবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা যাবে। সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে সাত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা এবং নিয়মানুযায়ী প্রশিক্ষণ থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। আর সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে বেতন পান। বাংলাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। এতদিন সব প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে এই শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হতে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (অনার্স) হতে হবে। আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য ২৫ থেকে ৩৫ বছর এবং সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যেত। এখন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। বিধিামালায় বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ মহিলা প্রার্থী, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (মহিলা ৬০%, পোষ্য ২০% ও অবশিষ্ট পুরুষ ২০%) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।” তবে বিজ্ঞান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দিয়ে ওই ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে তা পূরণ করা যাবে বলেও বিধিমালায় বলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পদ তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে সরকার। তখন থেকে প্রধান শিক্ষকের ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন মঙ্গলবার বলেন, “শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষ সবার যোগ্যতাই স্নাতক করা হয়েছে।” সচিব বলেন, “আগে এইচএসসি পাস যোগ্যতা (নারী সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা) চাওয়া হত, তখন স্কেল ছিল একটা, এখন যেহেতু নূন্যতম যোগ্যতা স্নাতক সুতরাং অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে স্নাতকের যে স্কেল আছে তার থেকে কম হওয়া উচিত না, আমরা সেভাবেই অর্থ বিভাগের সাথে প্রাথমিক আলোচনা করেছি এবং সেভাবেই প্রস্তাব তৈরি করছি।”

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক

ডেস্ক, ৯এপ্রিলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর

logoEnglish হোম অনলাইনজাতীয় প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক কালের কণ্ঠ অনলাইন ৯ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:০৬ পড়া যাবে: ৪ মিনিটেFacebook Share প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক অ- অ অ+ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। আর বিজ্ঞান বিষয়ের ২০ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে। এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করেছে। এতদিন এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষ সবার যোগ্যতাই স্নাতক করা হয়েছে। প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা উন্নীত হওয়ায় তাদের বেতন গ্রেড উন্নীতকরণে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সারা দেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায়। সংশোধিত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। অন্যদিকে এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবারসহ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ এপ্রিল: মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তাঁদের পরিবারকেও সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে এক ব্রিফিংয়ে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটি বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজে পরিবর্তন করার লক্ষ্যে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ব্রিফিংয়ে জানান, একনেক বৈঠকে ১৮ হাজার ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মোট ৭টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনকৃত প্রকল্প ব্যয়ের ৬ হাজার ৬২২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং অবশিষ্ট ১১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বিদেশি সাহায্য হিসেবে জোগান দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অনুমোদিত সাতটি প্রকল্পই নতুন প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথকে ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করার প্রকল্প ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এ প্রকল্পে সহায়তা হিসেবে জি টু জি–এর আওতায় ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা চীন থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ২২৫ কিলোমিটার আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের মিটার গেজ রেলপথ ২৩৯ দশমিক ১৪ কিলোমিটার ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হবে। পাশাপাশি, অপর প্রধান প্রকল্পের আওতায় ৪৯টি বড়, ২৩৭টি ছোট রেলসেতু, ২২টি স্টেশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা, ১৬ হাজার ৬৯০ বর্গমিটার আবাসিক ভবন নির্মাণ, ব্যারাক ও ডরমিটরি এবং ২০০ দশমিক ৩০ একর ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে। তিনি বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথটি অর্থনৈতিক বিবেচনায়, পর্যটন, আন্ত এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ৪৭.২৪ শতাংশ। এ সময়ে ৮৩,৪৩২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর আগের বছরে এই একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৫.৬৫ শতাংশ। এ সময়ে ৭১,৯৪০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যাতে তাঁদের কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ দিতে পারেন, এ জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবার–পরিজন নিয়ে বসবাস করেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৈঠকে পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগে পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান, বারান্দা এবং ভেন্টেলিটার সিস্টেম, ফায়ার ইস্টিংগুইশিং সিস্টেম রাখা এবং পুকুর ও জলাধার রাখার বিষয়েও নির্দেশনা দেন। তবে এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী নদীর নাব্যতা বজায় রাখতে নদীর ড্রেজিং অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

একনেক সভায় দেশে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকার ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) অধীন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়নে ভারতের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন থেকে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ভারতীয় ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করাসহ সে দেশের বিনিয়োগকারীদের সুবিধা প্রদানে ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনে অবকাঠামো উন্নয়ন করা।

পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সেখানে তাদের শিল্প ইউনিট স্থাপনে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রায় ১৫২ লাখ কিউবিক মিটার ভূমি উন্নয়ন, পানি সরবরাহ ও ড্রেজিং নিশ্চিত করতে ফেনী নদী থেকে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক স্থাপন, একটি পাম্প স্টেশন স্থাপন, একটি জলাধার, ইন্টারনাল লিংকেজ, বহির্ডেন লাইন নির্মাণ, ৫ হাজার মিটার সীমানা দেয়াল নির্মাণ, ১৬৮০ বর্গমিটার প্রশাসনিক ভবন, ২০৬০৩ বর্গফিট নিরাপত্তা শেড ও অপটিকেল ফাইবার স্থাপন।

অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে, ২৪৪.৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, মাগুরা-শ্রীপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ, ১৩৯.৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নতুন অফিস ভবন নির্মাণ এবং ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিসিএসআইআরের ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুঁটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর কৃষি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা: অনুমোদন পেল ২০ বিষয়ের সিলেবাস

ডেস্কঃ সিলেবাসে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য এনটিআরসিএ প্রণয়নকৃত ২০টি নতুন বিষয়  অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেয়ার জন্য ২০টি নতুন বিষয়ের সিলেবাস প্রণয়ন করে এনটিআরসিএ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিলেবাসগুলো পাঠানো হয়। এ বিষয়গুলোর সিলেবাসে অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এ বিষয়গুলো হলো, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং, প্রিন্ট মেকিং, কমার্সিয়াল আর্ট ও কম্পিবুটার গ্রাফিক্স, সিরামিক, স্কাল্পচার, ক্রাফটস, সভ্যতার ইতিহাস ও শিকল্পকলার ইতিহাস, চারু ও কারুকলা, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনসুরেন্স, প্রাণি চিকিৎসা ও উৎপাদন, মৎস, কৃষি প্রকৌশল, গণিত পরিমিতি ও পরিসংখ্যান, আদব, ফিকহ, হাদীস, তফসীর ও আইসিটি। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লাইফ সাপোর্টে রেখেই মাদ্রাসা ছাত্রীর অস্ত্রোপচার

ডেস্ক, ৯ এপ্রিলঃ নীর সোনাগাজীতে অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীর অস্ত্রোপচার হ‌য়ে‌ছে। আজ মঙ্গলবার এই অস্ত্রোপচার হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েটির ফুসফুসকে স‌ক্রিয় করতে এই অস্ত্রোপচার করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন চি‌কিৎস‌কেরা। তাঁরা বলছেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের পরামর্শে এই অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচার শে‌ষে দুপু‌রের দি‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক ব্রি‌গে‌ডিয়ার না‌সিরউদ্দীন এবং বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম সাংবা‌দিক‌দের স‌ঙ্গে কথা ব‌লেন। মেয়েটিকে লাইফ সাপোর্টে রেখেই অস্ত্রোপচার করা হয় বলে জানান তিনি। ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক না‌সিরউদ্দীন ব‌লেন, অগ্নিদগ্ধ ছাত্রীর শরী‌রে বেশ কিছু জ‌টিলতা দেখা দি‌য়ে‌ছে। রক্ত ও ফুসফুসে সংক্রমণ ছাড়াও তাঁর কিড‌নি‌তে কিছুটা সমস্যা দেখা দি‌য়ে‌ছে। মেয়েটিকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা কর‌ছেন তাঁরা । তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতাল জা‌নি‌য়ে‌ছে রো‌গীর এখন যে অবস্থা তাতে এই মুহূ‌র্তে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নি‌য়ে যাওয়া যা‌বে না। পরিচালক আরও ব‌লেন, ‘আমরা সবসময় প্রত্যাশা ক‌রি রো‌গী ফি‌রে আস‌বে। এক্ষে‌ত্রেও একই প্রত্যাশা ক‌রি। ‌এ রো‌গীর ক্ষে‌ত্রে বেশ কিছু জ‌টিলতা র‌য়ে‌ছে। ত‌বে অনেক কিছুই সম্ভব হয়, সৃ‌ষ্টিকর্তা সহায় থাক‌লে।’ তি‌নি দেশবাসী‌কে এই ছাত্রীর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করার অনু‌রোধ জা‌নি‌য়ে‌ছেন। বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম ব‌লেন, ফুসফুস‌কে স‌ক্রিয়তা দি‌তে যে অস্ত্রোপচার‌টি করা হ‌য়ে‌ছে, সে‌টি গতকালই করার কথা ছিল। কিন্তু রো‌গীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁরা আর অস্ত্রোপচা‌রে যান‌নি। আজ রো‌গী কিছুটা ভাল। সিঙ্গাপু‌রের চি‌কিৎসক‌দের পরাম‌র্শে তাঁরা অস্ত্রোপচার‌টি ক‌রে‌ছেন। তিন‌ি আরও জানান, পূর্ব‌নির্ধা‌রিত এক‌টি কর্মসূ‌চির অংশ হি‌সে‌বে সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের চি‌কিৎসক‌দের ঢাকায় আসার কথা র‌য়ে‌ছে ১৪ এপ্রিল। তাঁরা এসে রো‌গী দেখ‌বেন। তাছাড়া সার্বক্ষ‌ণিক যোগা‌যোগ র‌য়ে‌ছে।

সুত্র ঃ প্রথম আল‌ো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যুক্তরাজ্যের স্কুলে সমকামিতার পাঠ বর্জন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন মুসলিম শিক্ষার্থীদের

ডেস্ক,৫ এপ্রিল ২০১৯:
লন্ডন: যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম রাজ্যের পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয়ের অন্তত ৬০০ মুসলিম শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে সমকামিতা শেখানোর প্রতিবাদে তাদের ক্লাস বর্জন করেছে।

ক্লাস বর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বয়স ৪ থেকে ১১ এর মধ্যে হবে এবং তাদের অবিভাবকেরা তাদেরকে নিজেদের ঘরেই উপযুক্ত শিক্ষা দিচ্ছেন, একই সাথে তারা সমকামীদের জীবন ধারার শিক্ষা দেয়ার বিরোধিতা করেন।

আর এর ফলে বিদ্যালয়টির ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীই সেখান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে জানা গেছে।

‘The Alum Community Rock Forum’ একটি সংগঠন বার্তা সংস্থা ‘Birmingham Live’ কে জানায়, শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, কারণ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অভিভাবকদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। একই সাথে তারা বিদ্যালয়ে আগ্রাসীভাবে সমকামিতার শিক্ষা দিচ্ছে।’

তারা আরো জানায় যে, ‘অভিভাবকদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আলোচনা, আবেদন, বিক্ষোভ এর সব কিছুকেই কর্তৃপক্ষ অগ্রাহ্য করেছে।’

এদিকে সম্প্রতি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আচরণের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে অন্তত ৩০০ অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

কিছু মুসলিম বিরোধী ব্যক্তি এও বলেছেন যে, তারা প্রয়োজনে যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাক কিন্তু এরপরেও বিদ্যালয় থেকে সমকামিতার পাঠ বন্ধ করা হবে না।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া একজন শিশুর হাতে এরকম লিখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায় যে- ‘শিশুদের নিজেদের মত করে বেড়ে উঠতে দেয়া হোক।’

অবিভাবকেরা মূলত বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান এন্ড্রু মোফাতের উপর ক্ষেপে আছেন, কেননা তিনিই বিদ্যালয়ে সমকামিতার পাঠ দেয়ার পক্ষের প্রধান ব্যক্তি।

এর পূর্বে এন্ড্রু মোফাত অন্য একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন এবং তিনি সেখানে সমকামীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে এরকম একটি পাঠদান শুরু করলে সেখানকার খ্রিষ্টান অভিভাবকদের বিক্ষোভের কারণে তিনি চাকুরী ছেড়ে বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করেন।
প্রসঙ্গত, পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয়ের ৭৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৮ শতাংশই মুসলিম শিক্ষার্থী।

মারিয়াম আহমেদ নামের একজন অভিভাবক যার চার বছর বয়সী মেয়ে বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত আছে তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেয়া এই পাঠ বন্ধ করার জন্য একটি পিটিশন চালু করেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে যা শেখানো হচ্ছে তা সঠিক নয়। বাচ্চারা খুবই কম বয়সের। পাঠের মধ্যে অন্তত নয়টি অংশ রয়েছে কিন্তু বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র সমকামিতার বিষয়টির উপরেই গুরত্বারোপ করা হচ্ছে যা আসলে একটি ভুল সিদ্ধান্ত।’

‘আমরা মুসলিম এজন্যই নয় বরং সেখানে খ্রিষ্টান শিক্ষার্থী রয়েছে। সমকামিতার প্রতি আমরা ক্ষুদ্ধ নই কিন্তু আমরা বিদ্যালয়ে এর পাঠ দেয়ার বিরোধী।’

বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত ছয় বছরের একজন মেয়ে শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, তার স্ত্রী প্রয়োজনে এই দেশ ছেড়ে চলে যেতে রাজি আছে কিন্তু তার মেয়েকে সমকামিতার শিক্ষা দিতে তিনি নারাজ।

তিনি বলেন, ‘সে এধরনের পাঠে অংশ নেয়ার জন্য খুবই কম বয়সী। আমাদের কাছাকাছি বাস করা একটি পরিবার এ জন্যই ইতোমধ্যে পাকিস্তান চলে গিয়েছে।’

কিছু অভিভাবক বলেন, ইসলাম সমকামিতার অনুমোদন দেয় না। অন্যদিকে কেউ কেউ বলেন, তারা এর বিপক্ষে নন কিন্তু তারা বিদ্যালয়ে এর পাঠ দেয়ার বিপক্ষে।

এন্ড্রু মোফাত বলেন, তিনি অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তিনি তাদের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে পিছিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, ‘এতকিছুর পরেও বিদ্যালয় থেকে আমাকে যে সমর্থন দেয়া হয়েছে তা আসলেই চমৎকার।’

বর্তমানে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী যাদের বয়স নয় থেকে দশের মধ্যে তাদেরকে বয়ঃসন্ধি এবং বংশবৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা দেয়া হচ্ছে।

আর এগার বছরের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক সম্পর্ক, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি সম্পর্কিত পাঠে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য সরকার বিদ্যালয় সমূহে ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ বিষয়ক পাঠ যেখানে সমকামীদের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ পায় এমন ধারণা যুক্ত থাকে এধরনের পাঠ বাধ্যতামূলক করেছে।

পার্কফিল্ড কমিউনিটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা চান শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘যে কাউকে গ্রহণ করার এবং স্বাগত জানানোর’ মত মনোভাব গড়ে উঠে।

এক বিবৃতিতে তারা জানায়, কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের বিক্ষোভের কারণে হতাশ কিন্তু সফল সমকামিতা শিক্ষা মূলক পাঠ বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিভাবক সমিতি (PTA) পূনর্গঠন সংক্রান্ত পরিপত্র ।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ মার্চ, ২০১৯

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলির (সংশোধিত) নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই নিয়ম ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা, ২০১৮ (সংশোধিত) নামে অভিহিত হবে। নতুন নির্দেশিকায় প্রাক-প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষকরাও অন্যান্য সহকারী শিক্ষকদের ন্যায় পদশূন্য থাকা সাপেক্ষে বদলি করা যাবে। 

সোমবার (৪ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন স্বাক্ষরিত এই নির্দেশিকা জারির ফলে ইতিপূর্বে জারিকৃত শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত নির্দেশিকা, প্রজ্ঞাপন ও আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

নিচের লিংকে ক্লিক করুন

 https://mopme.portal.gov.bd/sites/default/files/files/mopme.portal.gov.bd/policies/b41ded4e_3b29_4dd5_b871_d9ecffb0ef7c/131.pdf

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক মাস‌ের মধ্য‌ে প্রধান শ‌িক্ষকদ‌ের ১০ম ও সহকারীদ‌ের ১২ তম গ্র‌েডে উন্নীত

ড‌েস্ক, ৬ মার্চঃ নতুন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও রয়েছে। ইতোমধ্যে ‘শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা’ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে গ্রেড পরিবর্তনের নির্দেশনা জারি করা হতে পারে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনস্কেল বৈষম্য দূরীকরণের সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কয়েক দফায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষক পদ ১০তম গ্রেড, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ৯ম গ্রেড ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ৭তম গ্রেডে উন্নীত করা হবে।

জানা গেছে, গত দুই মাস আগে এ প্রস্তাব জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে নতুন পদ হিসেবে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ পদ সৃষ্টি হলে সারাদেশে প্রায় ৬৫ হাজার সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এটি প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু এতদিন শিক্ষক নিয়োগের সংশোধনী নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এ কার্যক্রমের তেমন অগ্রগতি হয়নি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ বিধিমালার অনুমোদন করেন রাষ্ট্রপতি। বর্তমানে এর ভাষাগত সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বিজি প্রেসে দেয়া হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটির গেজেট প্রকাশ হবে। তাই শিক্ষক-কর্মকর্তাদের গ্রেড পরিবর্তনের কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে আর কোনো বাধা রইল না।

কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তারা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী ১০ম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই ১০ম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন ১০ম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তারা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

এছাড়া সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ১০ম গ্রেড ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ৯ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ৯ম গ্রেড ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা পাচ্ছেন ষষ্ঠ গ্রেড। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদ দুটি ষষ্ঠ গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জেলার প্রধান পদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ৫ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি কর্মকর্তাদের।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এ পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তারা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না।

তারা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তারা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিন‌িয়ার যুগ্ন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের দশম গ্রেড এবং গেজ‌েটেড মর্যাদা । আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে সহকারীদ‌ের বেতন দিল‌ে বৈষম্য কমব‌ে। তবে, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের গ্রেড পরিবর্তনের কার্যক্রমকে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নতুন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করতে জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের প্রয়োজন আছে কি?

ডেস্ক,৩মার্চ:

বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্তৃপক্ষ সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করবেন কিনা অথবা পদ সৃষ্টি করলে তাদের কততম গ্রেড দেওয়া হবে, এটা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারে অন্যতম একটি আলোচিত-সমালোচিত ইস্যু। কিছু সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক এই পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও অধিকাংশ সহকারী শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সমিতিগুলো একযোগে এই পদ সৃষ্টির বিরোধিতা করছেন।

সহকারী শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সমিতিগুলো মনে করছেন যে এই পদ সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্যকে আরো বৃদ্ধি করবে। অন্যদিকে যে অল্প কয়েকজন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক এই পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত সমর্থন করছেন তাদের যুক্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা যেহেতু ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত হচ্ছে সেহেতু এই পদ সৃষ্টি করা হোক। তারা এই পদ সৃষ্টির সমর্থনে হাইস্কুল ও কলেজের উদাহরণ দিচ্ছেন। আমি নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে এটা বলতে চাচ্ছি না যে এই পদের একেবারে দরকার নেই। এই পদের দরকার অবশ্যই আছে; তবে বর্তমানে এই পদের আসলে কোন দরকার নেই।

হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক কর্মরত থাকেন প্রায় ১৫-২০ জন, সেখানে আরো কর্মরত থাকেন একজন দপ্তরি, আয়া, নাইট গার্ড ও অফিস সহকারী। তাছাড়া হাইস্কুলে রয়েছে বিশাল অবকাঠামো। তাই হাইস্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের দরকার আছে। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতো দূরের কথা, অনেক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণি চালানোর মত শিক্ষক ও অবকাঠামো নেই। অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে ৫ জন করে শিক্ষকের পোস্ট রয়েছে। তারমধ্যে পদশূন্যতার কারণে কতগুলো স্কুলে চার জন, তিন জন, দু’জন এমনকি একজন শিক্ষকও রয়েছেন এমন স্কুলও আছে বলে পত্রিকার মাধ্যমে কিছুদিন আগে জানা গিয়েছিল। তাছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো অফিস সহকারী নেই। এমনকি কিছু স্কুলে দপ্তরি পদ থাকলেও অধিকাংশ স্কুলে দপ্তরি পর্যন্ত নেই। তাই শিক্ষকদের পাঠদান ছাড়াও নিজেদেরকে দপ্তরি ও অফিস সহকারী হিসেবে স্কুলের সব কাজ করতে হয়। তাহলে বলুনতো প্রাথমিকে বর্তমানে কোন পদ জরুরি দরকার অফিস সহকারী নাকি সহকারী প্রধান শিক্ষক?

একজন সহকারী শিক্ষককে যেখানে দৈনিক ৭-৮টা ক্লাস নেয়ার পাশাপাশি দপ্তরি ও অফিস সহকারীর কাজগুলো করতে হয় সেখানে সব স্কুলে সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধি, একজন করে দপ্তরি ও অফিস সহকারীর পদ সৃষ্টি না করে এই মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা আমার মনে হচ্ছে বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়; বিদ্যালয়ের অবকাঠামোর কথাতো বাদই দিলাম। হ্যাঁ, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের দরকার হবে এক সময়, যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত হবে, ১০-১৫ জন সহকারী শিক্ষক নিযুক্ত থাকবেন, অফিস সহকারী, দপ্তরি, আয়া, নাইট গার্ড নিযুক্ত হবেন, উন্নত অবকাঠামো হবে। তখন সহকারী প্রধান নিয়োগ দিলে কোন সমস্যা নেই।

আবার সহকারী প্রধান নিয়োগ দিলেই যে ১টা গ্রেড ব্লক রেখে সহকারী শিক্ষকদের বঞ্চিত করতে হবে তারও কোনো যুক্তি নেই। সহকারী শিক্ষকদের ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের একই গ্রেডে রেখে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করলেতো কারো কোন আপত্তি থাকার কথা নয়।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারের গ্রেড একই (৯ম), পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্টের গ্রেডতো একই (৯ম)। সেখানেতো কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাহলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক উভয়ের গ্রেড একই হলে সমস্যা কি? তাই কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের বিনীত নিবেদন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য আপাতত সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা স্থগিত রেখে সহকারী শিক্ষকদের দ্রুত ১১তম গ্রেড প্রদান করুন।

তারপরেও যদি কর্তৃপক্ষের মনে হয় যে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি প্রয়োজন তাহলে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক উভয়কে একই গ্রেডে (১১তম গ্রেডে) রাখুন। প্রয়োজনে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য মাসিক সম্মানি ভাতা/বাড়তি ২/৩টি ইনক্রিমেন্ট দেয়া যেতে পারে। তাই ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করলেও যেন সহকারী শিক্ষকদের বঞ্চিত করে ১টা গ্রেড সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য ব্লক করে না রাখা হয়। এটাই সহকারী শিক্ষকদের একান্তই চাওয়া। এতে করে ভবিষ্যতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হলেও সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক উভয়ই সন্তুষ্ট থাকবেন।

কর্তৃপক্ষের একথাও মনে রাখা উচিত যে সহকারী শিক্ষকরাই পাঠদানের মত আসল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেন। তাই তাদেরকে বঞ্চিত করে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা কখনো অর্জন করা সম্ভব নয়।

লেখক: সহকারী শিক্ষক, ভীমদামাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সন্তান পড়া মনে রাখতে পারছে না?

ডেস্ক

সন্তান পড়া মনে না রাখতে পারলে কি অমনযোগিতাই এর জন্য শুধু দায়ী? না কি মনে রাখতে না পারাটাও একটা সমস্যার কারণে হচ্ছে? আপনিও হয়তো সারা দিনের শেষে সন্তানের পড়াশোনার বিষয় নিয়ে ভাবতে বসলেই অমনযোগিতার কথাই হয়তো আপনাকে চিন্তায় ফেলছে।

তবে শাসন বা সন্তানকে তিরস্কার কিন্তু এই অমনোযোগের অসুখকে কমাতে পারবে না। তার জন্য দরকার কিছু জরুরি কৌশল। দেখে নিন কোন কোন উপায়ে এই অমনোযাগিতাকে কমানো যায় সহজেই।

সন্তান কিছুটা বড় না হওয়া পর্যন্ত পড়তে বসলে তার সামনে থাকুন। এমন একটা সময় তার পড়ার জন্য ঠিক করুন, যখন আপনি বাড়িতে থাকবেন। আপনি সামনে থাকলে সন্তানের ভুলে যাওয়ার কারণ, কোথায় সমস্যা তা সহজে বুঝতে পারবেন।

শিশুর ক্ষেত্রে ছবির সাহায্য নিন। পড়ার বিষয়টা ছবি এঁকে, প্রয়োজনে আলাদা আলাদা রং ব্যবহার করে বোঝান। পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভিজ্যুয়াল কোনো দৃশ্য খুব ভাল কাজ করে।

তাই ইতিহাস বা নাটক বোঝালে অবশ্যই সেই ঘটনার উপর নির্মাণ করা নাটক বা সিনেমার দৃশ্যও দেখাতে পারেন। তবে সাহিত্য নির্ভর হলে তবেই তা দেখাবেন। বইয়ের গল্প পরিবর্তন করা নাটক-সিনেমা দেখাবেন না।

সন্তান যা পড়ছে সেটা আপনাকে আবার বোঝাতে বলুন। এটা করতে পারলেই পড়া বুঝে মনে রাখা সহজ হবে। পড়া ভাল মত বুঝে লিখে ফেলতে বলুন। লিখে ফেললে সহজেই মনে রাখতে পারবে।

ইতিহাস বা সাহিত্যকে গল্পের ছলে বুঝিয়ে বলুন সন্তানকে। মনে রাখা যায় এমন কিছু কৌশল আছে যেমন, কোনো কোনো সাল-তারিখ বা বানান, রসায়নের বিশ্লেষণ মনে রাখার সহজ কিছু ফর্মুলা আছে। নেট থেকেও সে সব জানা যায়। নিজেই তা এক জায়গায় লিখে সন্তানকে বুঝিয়ে দিন।

শিশুর ইচ্ছা না করলে তাকে একটানা পড়াবেন না। সন্তানের তাতে বেশি ভুলে যাবে বরং পড়ার মাঝে মাঝে ওর পছন্দের কিছু করতে দিন। এতে আনন্দ পাবে ও পড়াও মনে রাখতে পারবে।

পড়া পারলে তাকে বিভিন্ন খেলনা বা কাপড় কিনে দেয়ার লোভ দেবেন না। এতে মনঃসংযোগ তো বাড়েই না বরং সে যাই করে তা পুরস্কারের লোভে করে।

পড়াশোনাকে খেলার ছলে সহজ করে তোলার পরেও যদি তার মনঃসংযোগ না বাড়ে তবে মনোবিদের সাহায্য নিন। এতে সমস্যার সমাধান হবে অনেকটাই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় ৫ দিনব্যাপী ব্যাপী স্কাউট লিডার বেসিক কোর্স অনুষ্ঠিত।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:   চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ স্কাউট খুলনা অঞ্চলের ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী ৩৬৭ তম কাব স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স ২০১৯ এর সমাপনি অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ স্কাউট দামুড়হুদা উপজেলার আয়োজনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে  কুড়ুলগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রফিকুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কমছে প্রাথমিকের সময়সূচি

অনলাইন ড‌েস্কঃ ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম সকাল ৯টায় শুরু করে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ করার নির্দেশনা দেয়া হয় । আগের চেয়ে নতুন সময় সূচিতে ৩০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেয়া হয় । এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ক্লাস শুরু হয়ে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ হতো । নতুন এই ঘোষণার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় । তারা সময় কমিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন ৷ অবশেষে তাদের সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে।শুক্রবার, ০১ মার্চ, ২০১৯ × হোম শিক্ষা কমছে প্রাথমিকের সময়সূচি প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০১৯, ১৬:৫৩ | আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৯, ১৬:৫৯ অনলাইন ডেস্ক গত ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সূচি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম সকাল ৯টায় শুরু করে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ করার নির্দেশনা দেয়া হয় । আগের চেয়ে নতুন সময় সূচিতে ৩০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেয়া হয় । এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ক্লাস শুরু হয়ে বিকাল সোয়া ৪টায় শেষ হতো । নতুন এই ঘোষণার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় । তারা সময় কমিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন ৷ অবশেষে তাদের সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে। |আরো খবর ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিতে এমপি-মন্ত্রীদের টাকা দিতে হবে কেন?’ বদলি বৈষম্য: প্রাক প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের কান্না দেখার কেউ নেই ‘অযোগ্যদের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির নতুন সময় সূচি কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন । তিনি বলেন, নতুন রুটিন শিক্ষার্থীদের জন্য মানা সম্ভব নয় । দীর্ঘ সময় ধরে ছোট ছোট বাচ্চারা স্কুলে থাকতে চায় না। তেমনি শিক্ষকদের মানসিকতাও ঠিক রাখা কঠিন। তাই বিষয়টির দিকে নজর দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনি গত বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একটি বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিমত প্রকাশ করেন । প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের নতুন সময় সূচি মানা অসম্ভব । ক্লাস রুটিন অনুযায়ী একটা বাচ্চাকে সকাল ৯টায় স্কুলে আসতে হবে । আর যাবে বিকাল ৩টায়। এটা অসম্ভব। যদি আমি নিজে ছাত্র হতাম তাহলে স্কুল থেকে পালিয়ে যেতাম। স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি ছোটবেলায় দুষ্টু ছিলাম । মাইন্ড কইরেন না । আমারও বিদ্রোহী ভাব ছিলো । যাই হোক, এত সময়, আমরা সময়টাকেও কমিয়ে দিতে চাই। শিক্ষকরাও তো সকাল ৯টায় টায় আসেন । তাদেরও তো ব্রেইন, তাদেরও তো মানসিকতা ঠিক থাকে না । সবার এই জিনিসগুলো লক্ষ্য করতে হবে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিনিধি দল দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরির্দশন করেন। তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী শূন্য দেখতে পান । খোঁজ-খবর নিয়ে তারা জানতে পারেন যে, শিক্ষকরা ইচ্ছামতো ক্লাস কার্যত্রম পরিচালনা করে থাকেন । মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত সিলেবাস ও শিক্ষাপঞ্জি অনুসরণ করা হচ্ছে না । নির্ধারিত সময়ের আগেই সরকারি ও বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এদিন দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এছাড়া শিশু দিবস উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অয়োজনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। 

জানা গেছে, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে সম্প্রতি শিশু একাডেমির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে এ সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করবে। মন্ত্রণালয়গুলো থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিবসটি উদযাপনের নির্দেশ প্রদান করবে। 

এছাড়া জাতীয় শিশু দিবসে সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন জেলা ও উপজেলাগুলোতে আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিশু সংগঠন ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তারা এসব কর্মসূচি আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ৫ম শ্রেণির ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিজ পাঠ্যপুস্তকের অংশ দেয়া হলেও তাদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন অঙ্ক করতে পারে। ফলে ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ব্যাংকের প্রাথমিকের ‘লার্নিং টু রিয়ালাইজ এডুকেশনস প্রমিজ-২০১৮’ শীর্ষক বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বাংলাদেশের অংশ তুলে ধরেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান এডো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের যা শেখানো হচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়। ৫ম শ্রেণিতে ১১ বছর পর্যন্ত যে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তা মূলত সাড়ে ছয় বছরে পাওয়ার কথা। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

অপরদিকে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারে। বাকি ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই বাংলা বই পড়তে পারে না। প্রাথমিক স্তরে ১১ বছর পর্যন্ত যা শেখানো হচ্ছে তা মূলত অন্যান্য দেশের বাচ্চারা সাড়ে ছয় বছরের মধ্যেই শিখছে। ফলে বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক স্তর শেষ করলেও তারা সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে।

এ সব সমস্যা সমাধানে বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে তিনটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সে সব সুপারিশের মধ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষার মান মূল্যায়ন করতে হবে, প্রাথমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষকদের মান বাড়াতে হবে, এবং প্রাক-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. রবাট জে সাম বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সব শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু ক্লাসে যা শেখানো হচ্ছে তা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে থাকছে। মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে সরকারি ব্যয় অনেক কম। এখানে মালয়েশিয়ার চেয়ে অর্ধেক জিডিপির অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শিক্ষাখাতে। বাংলাদেশের বাজেটে শিক্ষাখাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে তা দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করছে। উদাহরণ হিসেবে ভিয়েতনামের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী যে পরিমাণে জ্ঞান অর্জন করতে পারছে জামার্নির শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক পর্যায়েই তা শিখছে।’

প্রধান অতিথির ব্যক্তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে শতভাগ স্কুলে ভর্তি শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের জন্য সরকারি বিদ্যালয়গুলো আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। মেধাবিরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ৯ বছর ধরে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। গত এক বছরে ২ লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিগত আট বছরে শিক্ষাখাতে ৫ গুণ বাজেটে অর্থ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে বাজেটে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে শিক্ষাখাতে। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে বাজেটে অর্থ বাড়ানো হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- লিগো ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিস সারা বুচি, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হেলসি রোগাস্টাস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail