Author Archives: chief editor

প্রশ্নফাঁসে দায় কার?

নিয়োগ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও একাডেমিক সব পরীক্ষার আগেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে প্রশ্ন। এবার ফাঁস হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, প্রশ্ন ফাঁসে মূলত শিক্ষকরাই জড়িত।

আর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বলছে, শিক্ষা বোর্ড, বিজি প্রেস, ট্রেজারি ও পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্নফাঁস হচ্ছে। তবে যেখান থেকেই ফাঁস হোক জড়িতরা বরাবরই থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। একে অপরকে দোষ দেয়ার মাধ্যমেই দায় এড়াচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় সবার একটাই প্রশ্ন প্রশ্নফাঁসের শেষ কোথায়?

কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের খবর সংবাদ মাধ্যমে আসছে। তবে এবার এর ব্যাপকতা পৌঁছেছে প্রাথমিক স্তরেও। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নানা উদ্যোগের পরও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জেএসসি এবং পঞ্চমের পিইসিতে অনেক বিষয়ের প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগেই চলে এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

পিইসির শেষ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নও পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছে একটি ফেসবুক পেজে।

এ ব্যাপারে প্রশ্ন ফাঁস রোধে সরকারের পরামর্শক হিসেবে কাজ করা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, প্রশ্নফাঁস রোধে একটি সমাধানের পথ আছে, কিন্তু এতে সমস্যাও আছে। পরীক্ষার প্রশ্ন আগে না ছাপিয়ে কেন্দ্রে ছাপানো হবে পরীক্ষার আগ মুহূর্তে। সে কক্ষটিকে আমরা বলি স্ট্রং রুম। সে কক্ষে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না, আর কাউকে বাইরে যেতেও দেয়া হবে না। তারা কোনো রকম যোগাযোগ রাখতে পারবে না।

কক্ষটি সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। কতক্ষণ আগে প্রশ্ন ছাপাতে হবে, এর জন্য কী কী লাগবে সে বিষয়গুলো পরীক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ঠিক করা যেতে পারে। কোনো ধরনের মোবাইল ফোন বা ডিভাইস রাখা যাবে না সে কক্ষে। রাখলেও তার মাধ্যমে যেন যোগাযোগ করা না যায়, সে ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক কায়কোবাদ বলেন, এটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে অনেকেই বলে থাকেন, এ প্রশ্নের আশপাশে যারা থাকেন অর্থাৎ শিক্ষকরাই এটি করে থাকেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিটি পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বরাবরই এ অভিযাগ অস্বীকার করে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষাতেও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল জোরেসোরেই। উপাচার্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে যথারীতি অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

কিন্তু ১৪ ডিসেম্বর সিআইডি সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ঢাকার ইন্দিরা রোডের একটি প্রেসের এক কর্মচারীর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছিল। এই প্রেসে ছাপা হতো ভর্তির প্রশ্ন। এই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২ থেকে ৭ লাখ টাকার লেনদেন হতো বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে দুইটি কোচিং সেন্টারেরও নাম এসেছে। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নই নয়, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নও নিয়মিত ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠলে তা প্রতি বছরই ধামাচাপা দেয়া হয় বলে অভিভাবকদের দাবি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে মেয়েকে নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন নাটোরের রফিকুল হক। কিন্তু মেয়ে টেকেনি। তবে অন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়ের ভর্তির সুযোগ হয়েছে। ক্ষুব্ধ রফিকুল হক বলেন, এভাবে চললে তো হবে না। মেয়ে পরীক্ষা দিয়ে বলেছিল, ভর্তির সুযোগ পাবে। কিন্তু পরে দেখা গেল প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে তারাই তো এগিয়ে থাকবে? আমার মেয়েটা ভালো পরীক্ষা দিয়েও সুযোগ পেল না।

ফাঁস হচ্ছে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নও। চলতি বছরের ৬ অক্টোবর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার্থী আসমা আক্তার বলেন, পরীক্ষা দিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। আশা করেছিলাম টিকে যাব। কিন্তু রাতে একটি অনলাইন পত্রিকায় দেখলাম, প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। ভেবেছিলাম গুজব। কিন্তু পরদিন প্রায় সব জাতীয় পত্রিকায় যখন খবর বেরুল, তখন হতাশ হয়ে গেলাম। পরে অবশ্য পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, অসংখ্য মানুষ যে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হলো তার কী হবে? তারা বলছেন, প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষার আগে-পরেই অভিযোগ ওঠে প্রশ্নফাঁসের। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অভিযোগ আমলে না নিয়ে অস্বীকার করার মাধ্যমেই দায় শোধ দেয়।

শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁসের জন্য শিক্ষকদের দুষলেও দুদকের ‘শিক্ষা সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক টিমের’ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ সরকারি প্রেস (বিজি প্রেস), ট্রেজারি ও পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোচিং সেন্টার, প্রতারক শিক্ষক ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রও যুক্ত থাকতে পারেন বলে দুদকের তদন্তকারীদের ধারণা। প্রশ্ন ফাঁস, নোট-গাইড, কোচিংবাণিজ্য বন্ধ করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ, এমপিওভুক্তি, নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে দুর্নীতি রুখতে ৩৯ দফা সুপারিশসহ ওই প্রতিবেদন ১৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিব, শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীকে পাঠানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাড়ে ১৬ হাজার টাকায় ল্যাপটপ

ডেস্ক ,১৬ ডিসেম্বর : রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এক্সপোমেকারের আয়োজনে চলছে তিন দিনব্যাপী ল্যাপটপ মেলা। ‘শোক থেকে শক্তি, প্রযুক্তিতে মুক্তি’স্লোগানে বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এ মেলা শেষ হবে শনিবার।

মেলায় মাত্র ১৬ হাজার ৪৯৯ টাকায় ল্যাপটপ দিচ্ছে আই লাইফ ডিজিটাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এ অফারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে স্টলটিতে। ক্রেতারা সেখানে জানছেন ল্যাপটপটির কনফিগারেশন সম্পর্কে। পাশাপাশি জেনে নিচ্ছেন আর কী অফার আছে তাদের।

১৬ হাজার ৪৯৯ টাকায় ল্যাপটপ অফার সম্পর্কে কথা হয় স্টলটির দায়িত্বে থাকা বিজনেস ডেভলপমেন্ট অফিসার পারভেজ আহমেদের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ভিড় করছেন এ অফারটি সম্পর্কে জানাতে। এটা জেড এয়ার ১৪ ইঞ্চি ল্যাপটপ। ইন্টেল কোয়ার্ড কোর প্রসেসর (ইউডিপিটও) ১.৮ গিগাহার্জ, ১৪ ইঞ্চি এলইডি ডিসপ্লে, র‌্যাম ২ জিবি (ডিডিআর৩), ৮ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ। ওএস উইন্ডোজ ১০ জেনুইন। এছাড়া ১ বছরের ওয়ারেন্টিও আছে।

১৯তম বারের মতো এবারেরর ল্যাপটপ মেলায় একটি মেগা-প্যাভিলিয়ন, পাঁচটি প্যাভিলিয়ন, ১৪টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২৭ স্টলে প্রযুক্তিপণ্য পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছে। মেলায় বিভিন্ন পণ্যে রয়েছে বিশেষ ছাড় ও নানা ধরনের অফার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওজন কমানোর সহজ পথ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিন দিন দেহের ওজন ও পেটের মেদ বাড়ছে। মেদ ও ওজন কমানোর জন্য পছন্দের খাবার বাদ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তবে ওজন ও মেদ কমানের সহজ পথ বাতলে দিয়েছে জাপানের একদল গবেষক। সম্প্রতি ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে বেশি খাবার খেলেও ওজন ও মেদ বৃদ্ধি পায় না।

মেদ বাড়ে খাবার দ্রুত খাওয়ার কারণে। এতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, খাবার খেতে হবে ধীরে সুস্থে এবং ভালো করে চিবিয়ে। তা হলে পেটে মেদ তো জমবেই না, সেই সাথে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেক কমে যাবে।

গবেষণায় মানুষের অকাল বার্ধক্যের পেছনে তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করা হয়। কারণ তিনটি হলো পেটে মেদ জমা, রক্তে সুগার বৃদ্ধি পাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ হওয়া। আর এই তিনটি সমস্যা থেকেই মুক্ত থাকা যায় যদি খাওয়ার অভ্যাসটা একটু পরিবর্তন করে নেয়া যায়। অর্থাৎ খাবারটা যদি ধীরে ধীরে খাওয়া যায়।

জাপানের হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৬৪২ জন পুরুষ ও ৪৪১ জন মহিলাকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনেন। তাদের গড় বয়স ছিল ৫১.২ বছর এবং কারোরই পেটে কোনো মেদ ছিল না। পাঁচ বছর পর্যবেক্ষণের পর দেখা যায়, যারা দ্রুত খাবার খেয়েছেন তাদের অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের পেটে মেদ জমেছে এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও বেড়েছে। আর যারা ধীরে ধীরে খাবার খেয়েছেন তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়নি, পেটে মেদও জমেনি এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও ঠিক আছে।

গবেষকদলের প্রধান জানান, ‘মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। দ্রুত খাবার খেলে মনে হয় পর্যাপ্ত খাওয়া হলো না। ফলে খাওয়া বেশি পরিমাণে হয়ে যায়। এ ছাড়া দ্রুত খেলে গ্লুকোজ ফাংশনেও সমস্যা তৈরি হয় যে কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা যায় বেড়ে। ইন্টারনেট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হোসেনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নিসংযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে অফিস কক্ষে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এতে অফিস কক্ষের তিনটি আলমারিতে রক্ষিত প্রজেক্টর, স্পিকার, ইলেক্ট্রনিক্স মালামাল, শিক্ষা ও খেলাধুলা সামগ্রী, শিক্ষক সংস্করণসহ মূল্যবান বই-পুস্তক এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে।

শুক্রবার ভোর রাতের যে কোন সময়ে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি। স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার ভোর ৬টায় একজন কৃষক বিদ্যালয়ের পাশের জমিতে কাজ করতে গিয়ে প্রথমে অফিস কক্ষে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন।

এতে স্থানীয় লোকজন এসে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে অফিস কক্ষের দুটি স্টিলের আলমারিতে থাকা মালামাল, বই-পুস্তক ও কাগজপত্র এবং একটি কাঁঠের আলমারি মালামালসহ পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।

খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও একজন সহকারী শিক্ষক দ্রুত বিদ্যালয়ে আসেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজীব আহমেদ জানান, বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক আর নেই। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন তার মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তিনি গত আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগছিলেন এবং ১৩ ডিসেম্বর থেকে হাসপাতালের আইসিইউ এর ১৬ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

ছায়েদুল হক ১৯৪২ সালের ৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছেলে ডাক্তার এ এস এম রায়হানুল হক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামড়হুদায় বিজয় দিবসে র‌্যালিতে বিএনপির বিশৃঙ্খলা॥

যুবলীগ-বিএনপির সংঘর্ষ আহত শিশুসহ ১৩ জন ॥

চুয়াডাঙ্গা,১৬ডিসেম্বর॥
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার বিশ্বাস মার্কেটের কাছে বিএনপির বিশৃঙ্খলার কারনে বিজয় দিবসের র‌্যালিতে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ও বিএনপির সংঘর্ষে র‌্যালিটি পন্ড হয়ে যায়। এসময় বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন (৩৫), শফিউল্লাহ (৪০), রাসেল (২৮), আলতাফ উদ্দীন (৩০), হাসমত আলী (৩২), সাইফুল (২০), জাহিদ হোসেন (২৬), আপু (২৯) ও বাদল (২২) সহ ১০ জন এবং যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমান (৩৭) ও মিলন (২১) সহ ৩ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শনিবার সকালে দর্শনা কলেজ মাঠ থেকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় বিএনপির একটি র‌্যালি মুক্তিযোদ্ধা ও ছোট ছোট শিশুদের র‌্যালিকে থামিয়ে মাঝখানে ঢুকতে যায়। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ করলে যুবলীগের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ বাধে। এতে তৎক্ষনাত আজমপুর, লিটিল এনজেলস,জয়নগর,শান্তিনগর,কাষ্টমসসহ একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা এলাপাথারি দৌড়াতে থাকে। এতে শিশু অভিজিৎ সান্তারা,আনারুল আকমল আকিব সহ বিএনপি কর্মী জালাল উদ্দীন, শফিউল্লাহ, রাসেল, আলতাফ উদ্দীন, হাসমত আলী, সাইফুল ইসলাম ও আপু এবং যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমান ও মিলন আহত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বাড়ছে জালিয়াতি

ডেস্ক: নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই সরকারি প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগপত্র পাওয়া যাচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে হরহামেশাই নিয়োগপত্র কেনাবেচা হচ্ছে। সেই নিয়োগপত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাক্ষর রয়েছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বদলী ও পদায়নের নির্দেশপত্র। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি স্কুলে ভুয়া নিয়োগপত্র ধরা পড়েছে। এরপরই নড়েচড়ে বসেছেন অধিদপ্তরের কর্তাব্যক্তিরা। একটি প্রতারক চক্র প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের যোগসাজোশে এসব জাল-জালিয়াতি করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। তবুও মামুনুর রশিদ নামে এক ব্যক্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন! তাকে বাগমারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন করতে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিটি পেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) চমকে ওঠেন। তিনি বিষয়টি ডিপিই মহাপরিচালককে লিখিতভাবে জানান। চিঠিটি ডিপিইতে আসলেই সব গোমর ফাঁস হয়ে যায়। ডিপিই কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে নিয়োগপত্রটি তৈরি করা হয়। একইভাবে নওগাঁ ও চাঁপাইনববাগঞ্জ জেলায় আরও আট জনকে ভুয়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ডিপিইতে জাল-জালিয়াতি বেড়ে গেছে। অনেক কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিয়োগপত্র ও বদলির নির্দেশ তৈরি করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম আমাদের জন্য উদ্বেগজনক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করছি। থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ডিপিইর কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, ডিপিইর পলিসি ও অপারেশন শাখার সহকারী পরিচালক মির্জা আব্দুল্লাহ ও গবেষণা কর্মকর্তা তানভির রহমানের স্বাক্ষরে রাজশাহী প্রাথমিক জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে চারজনকে নিয়োগ দিতে বলা হয়। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় ডিপিও মহাপরিচালককে জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে ডিপিইতে তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি তদন্ত করতে মহাপরিচালক রাজশাহীর ডিপিইওকে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে অধিদপ্তর। জারি করা সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, একশ্রেণির প্রতারক চক্র প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর স্ক্যান করে জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি দেওয়ার নামে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণœ হচ্ছে। প্রতারক চক্রের কাছ থেকে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক এবং তাৎক্ষণিক আইনিব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হলো। স্বাক্ষরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিইর পলিসি ও অপারেশন শাখার সহকারী পরিচালক মির্জা আব্দুল্লাহ আমার সংবাদকে বলেন, আমার স্বাক্ষর কম্পিউটারে স্ক্যান করে চিঠি তৈরি করা হয়েছে। যেকোনো ব্যক্তির স্বাক্ষর এভাবে স্ক্যান করা যায়। প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগ দেয় ডিপিও অফিস। আমি নিয়োগের সঙ্গে জড়িত না তার পরও আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। আরও দুই জন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এটি ফৌজদারি অপরাধ। রাজশাহী জেলার সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গত গত ১৫ অক্টোবর আমার কাছে একটি নিয়োগপত্র আসে। সেখানে চারজন ব্যক্তিকে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক স্কুলে তাদের যোগদান করাতে নির্দেশ দেয়া হয়। বিষয়টি আমার সন্দেহ হয়। এরপর ডিপিইর স্যারদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আমাকে বিষটি তদন্ত করার নির্দেশ দেয়। ডিপিইর কর্মকর্তারা জানান, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া নিয়োগপত্র ও বদলির আদেশ তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এই চক্রের সঙ্গে ডিপিইর একাধিক কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে। সম্প্রতি প্রাইমারি এডুকেশনাল অর্গানাইজেশন লি. (পিইওএল) ডিপিইর কর্মকর্তাদের নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয়; প্রতিষ্ঠানটি অধিদপ্তরের ঠিকানা ব্যবহার করে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে গত ২৯ অক্টোবর মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৩০ অক্টোবর সতর্কমূলক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ডিপিই। উল্লেখ, গত বছরের ১৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার উপজেলার ৩৮নং পাঁচরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবা আক্তার ভুয়া বদলির আদেশ করান। সেই আদেশে তাকে উত্তর যাত্রাবাড়ীর ব্রাক্ষণচিরণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। ভুয়া বদলির আদেশ নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসে যোগ দিতে যান। ডিপিইওর সন্দেহ হলে তিনি অধিদপ্তরকে জানালে বিষয়টি ধরা পড়ে। গত বছর মাহবুবা আক্তারের মতো আরও কয়েকজন শিক্ষক একই প্রতারণা করে ঢাকা মহানগর ও সিটি কর্পোরেশন এলাকার স্কুলের যোগ দিতে গিয়ে ধরা পড়েন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩ তালাক প্রথাকে অপরাধ বলে গণ্য: মোদীর মন্ত্রিসভা

নয়াদিল্লি: তিন তালাক সম্পর্কিত আইনের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল সরকার৷ সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিন তালাক বিল পাশ হয়েছে৷ এরপর এই বিলকে আইনে পরিণত করতে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে৷ এই বিল অনুযায়ী, বিতর্কিত তিন তালাক প্রথাকে ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ্য করা হল।

সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজে ‘তিন তালাক’ প্রথার ব্যবহার নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ওঠে৷ মহিলারা এই প্রথার শিকার হন৷ ফলে প্রথাটি ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন মত উঠে এসেছে৷ সম্প্রতি তিন তালাক প্রথা মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, ৬ মাসের মধ্যে এই বিষয়ে আইন করতে হবে কেন্দ্রকে৷

 আদালতের নির্দেশ অনুসারে, এই ৬মাস তিন তালাক দেওয়া যাবে না৷ সরকার আইন তৈরি করার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ৷ সংসদ কি ধরনের আইন তৈরি করবে, তার ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে৷ তিন তালাক সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এই নিয়ে আলোচনা করুক এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে কি হতে চলেছে তিন তালাকের ভবিষ্যৎ তা স্পষ্ট করে দিক।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে জাতীয় পতাকা ওড়াবে ইফা

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) উপলক্ষে শনিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) সারাদেশের ৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে। এ ছাড়া ইফার উদ্যোগে দিনটিতে বিশেষ দোয়া মাহফিল এবং বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) ইফার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে পবিত্র কুরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪টি জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়, ৫৫০টি উপজেলা বা জোনে মডেল ও সাধারণ রিসোর্স সেন্টার, প্রাক্ প্রাথমিক গণশিক্ষার ৫৯ হাজার ৯৬৮টি কেন্দ্র, ৫০টি ইসলামিক মিশন, ১৯টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও ৪২৫টি মক্তব এবং ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিসহ মোট ৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে যথাযোগ্য মর্যাদায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই সঙ্গে সকল স্থানে বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভা এবং বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া শনিবার বাদ যোহর দেশের সকল মসজিদে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে পাবনায় সমাবেশ

পাবনা:

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সমাবেশ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা থেকে পাবনা শহরের পিটিআই স্কুলের মাঠে জেলার ৯টি উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকরা এ সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি না মানা হলে ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।

এতে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, একে এম শরিফুল ইসলাম, মো. তায়েজুল ইসলাম, মো. আব্দুল মান্নান, মামুনুর রশিদ, আরিফুল ইসলাম মিঠু, মৌসুমী দে প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত সেই শিক্ষক চাকরিচ্যুত

জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট : বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনায় জড়িত আইসিটি বিষয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনকে চাকরিচ্যুত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

সেই সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। বৃহষ্পতিবার গভীররাতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তবে পুলিশ ওই শিক্ষককে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের কোচিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে স্কুলের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে তাকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করে। এছাড়া টিচার্স কাউন্সিলের জরুরি সভায়ও একই দাবি ওঠে। নিয়োগ বিধি মেনে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং বাগেরহাট মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।

বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন হাওলাদার বাদী হয়ে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪ ধারায় তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। আমি মামলার তদন্ত শুরু করেছি। আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরীক্ষায় খণ্ডকালীন শিক্ষক বেল্লাল হোসেন পরিচালিত তার কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শহর জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঘটনা তদন্তে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহকারী প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তাকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। ১৪ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে জমা দেয়া হয়। তিনি নিয়ম মেনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অসামাজিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষিকা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা : স্বামীর অনুপস্থিতিতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে খুলনা সদর থানার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন এবং মহানগরীর পশ্চিম টুটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে মহনগরীর দক্ষিণ টুটপাড়াস্থ দিলখোলা রোড এলাকায় নুসরাতের বাসা থেকে খুলনা সদরথানা পুলিশ তাদের আটক করে। এ ঘটনায় শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলির স্বামী এসএম মিজানুর রহমান বাদী হয়ে দু’ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

আটক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন সাতক্ষীরা জেলা সদরের রাজনগর গ্রামের অমল কুমার বর্মনের ছেলে এবং শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলি একই জেলার তালা উপজেলার হরিনগর গ্রামের জাহাতাব উদ্দিন গোলদারের মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই তারা অবৈধ সম্পর্কে জড়িত আছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বাড়ই শুক্রবার বলেন, শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলির স্বামী এসএম মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। কিন্তু তিনি শহরের সাত রাস্তার মোড় পর্যন্ত গিয়ে আবার বাসায় ফেরেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখতে পান তার স্ত্রী এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের আটক করে তিনি পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার জানান শুক্রবার সকালে তিনি দু’জনের আটকের খবরটি শুনেছেন। কিন্তু অফিস ছুটি থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অফিস খুললে রোববার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এরপর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১২তম গ্রেডে বেতন দাবি প্রাথমিকের শিক্ষকদের

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ও কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা :

প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপে বেতন স্কেলের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোট গোপালগঞ্জ জেলা শাখা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। আজ শুক্রবার দুপুরে গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরাম প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইব্রাহিম সিকদার।

এ সময় তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হচ্ছে। আর সহকারী শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে ১৫তম গ্রেডে। যা বৈষম্যমূলক। প্রধান শিক্ষকদের যে গ্রেডে বেতন দেওয়া হোক না কেন, তার নিচের গ্রেডে সহকারী শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জেলা কমিটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান শেখ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি রসময় রত্ন ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিমউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, একই দাবিতে কুড়িগ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

শুক্রবার সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সৈয়দ শামসুল হক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোট কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ করা না হলে আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি সাইফুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি হর চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বকসী প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বরগুনায় জামিন পেলেন প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত প্রধান শিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি বরগুনা : বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়েছেন বরগুনার প্রাথমিক বিদ্যলয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম সরোয়ার ননী। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাসুদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যলয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে গোলাম সরোয়ার ননীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা, অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটে কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক বেল্লাল হোসেনকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করা হয়েছে। ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে কোচিং সেন্টারে মডেল টেস্টে নেওয়া প্রশ্নপত্রেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের দুই কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে। তারা স্কুলের সুনাম ও শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। তদন্তের সময় কমিটির সদস্যরা প্রথমে একাধিক অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে আমরা শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। অবিভাবক, শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যে অনুযায়ী ওই শিক্ষক যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা স্কুলের সুনাম, শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছি।’

প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে আগেই তদন্ত কমিটি তদন্ত শেষ করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়ে স্কুলের শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। ওই সভা থেকেও খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি তোলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের চাকরিচ্যুতির জন্য স্কুল ব্যবস্থপনা পর্ষদের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। তিনিই পরবর্তি পদক্ষেপ নেবেন।’

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে প্রভাতি শাখার খণ্ডকালীন শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইলে বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেন স্কুল শেষে নিজ বাড়িতে কোচিং সেন্টার খুলে তাতে তৃতীয় শ্রেণির বেশকিছু শিক্ষার্থীকে ব্যাচ করে পড়ান। প্রায় ১৫ দিন আগে ওই শিক্ষক তার কোচিং সেন্টারে পড়া শিক্ষার্থীদের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেন। গত ৯ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে দেওয়া বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter