Home » Author Archives: chief editor (page 29)

Author Archives: chief editor

জাবি ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ ২০১৭ সালের ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৩০ টি অনার্স বিষয়ে ৭‘শ ৩৪ টি কলেজের ২‘শ ৫৯ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৯১ হাজার ৭‘শ ৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯৮হাজার ৭৪ জন মান্নোয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত ফল বিকাল ৪ টায় ঝগঝ এর মাধ্যমে যে কোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে nuh1 Registration No লিখে 16222 নং Send করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফয়জুল করিম সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

ডেস্ক: এখন থেকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। প্রাওগমন্ত্রনালয়ের নির্দেশে এ সিদ্ধান নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮মার্চ:
ঢাকা: মামলা প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কোটা সংস্কারের পক্ষের আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে ২৫ মার্চ তারা শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা।

মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অংশ নেন। পরে মিছিলটি শাহবাগ থেকে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত মোড় হয়ে ফের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেয়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা কোটাবিরোধী স্লোগান দেন এবং শাহবাগ থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। সেখানে বক্তব্য দেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ মার্চ তারা গলায়, কাঁধে বা হাতে সব শিক্ষা সনদ নিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে শহীদ মিনারে যাওয়ার রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করবেন। আন্দোলনকারীরা জানান, অহিংস প্রতিবাদ হবে। এভাবেই তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ চান।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হলো কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।

১৪ মার্চ কোটা সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে অনেকে আহত হন। সেখান থেকে পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে। পরে আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে আরও ৫০ জনকে আটক করে রমনা থানার পুলিশ।

এর প্রতিবাদে ওই দিন সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করলে একপর্যায়ে তাদের দাবির মুখে পুলিশ আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেয়।

পরদিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ৭০০ থেকে ৮০০ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করে পুলিশ।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মির্জা মো. বদরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারী প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ বিধিতে ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে

তপন বিশ্বাস ॥ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিপূর্বে মহিলা শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও নতুন বিধিমালায় পুরুষ ও মহিলা শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে। আগে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু নতুন বিধিতে সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রীধারীদের মধ্যে থেকে নেয়া হবে। নতুন এই নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা ২০১৭ নামে অভিহিত হবে।

সচিব কমিটিতে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও প্রযুক্তির প্রয়োগ ও প্রসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে গুণগতমান সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ একান্তই অপরিহার্য। বিদ্যমান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষকদের শতকরা ৩৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে ৬৫ ভাগ শিক্ষক পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়টি সরকারী কর্মকমিশনের বিবেচনাধীন বিষয়। যার কারণে নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন অপিরহার্য হয়ে পড়েছে। আগের মতোই নতুন বিধিমালার আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশ ব্যতিরেকে কমিশনের আওতাভুক্ত কোন প্রধান শিক্ষক পদে কোন ব্যক্তিকে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। সরকারীভাবে গঠিত কেন্দ্রীয় সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। ১৩ থেকে ১৬ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদে এবং ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ৯ম অথবা তদুর্ধ কোন পদে সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া যাবে। আগের বিধিতে এই শর্তগুলো ছিল না।

বিদ্যমান নিয়োগবিধির ৯ম বিশেষ বিধানে বলা ছিল নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চাকরিতে যোগদানের ৩ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ কিংবা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে ব্যর্থ হলে তার চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে যে শর্ত ছিল তা উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২৫ থেকে ৩৫ এর স্থলে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংশোধিত বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ করা হয়েছে। মোট পদের ৬৫ ভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে ৩৫ ভাগ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের শর্ত আগে ছিল এখনও থাকবে।

সুত্র : জনকন্ঠ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন?

সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মূল বিষয় এটি।

চলুন জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’

গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।

যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু, যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে জয Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।

রক্তের যে সকল গ্রুপ রয়েছে তা হলো: এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, এবি নেগেটিভ, ও পজেটিভ এবং ও নেগেটিভ।

স্বামীর রক্তের গ্রুপ স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সন্তানের অবস্থান:
পজিটিভ(+) পজেটিভ(+) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) নেগেটিভ (-) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) পজেটিভ (+) সুস্থ সন্তান
পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) প্রথম সন্তান সুস্থ, দ্বিতীয় থেকে সমস্যা

উল্লেখ্য, প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হলো এবিও পদ্ধতি (এ, বি, এবি এবং ও) অন্যটা আরএইচ ফ্যাক্টর (আরএইচ পজেটিভ এবং আরএইচ নেগেটিভ)। এ রেসাস ফ্যাক্টরই ঠিক করে দেয় ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অপহরণের ছয় দিন পর স্কুল ছাত্রী উদ্ধার, আটক ১

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,১৩ মার্চ:.

চুয়াডাঙ্গা একাডেমী মোড় থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে ছয় দিন পর চট্টগ্রাম পাঁচলাইন থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী রুবেল হোসেনকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুর ১টার দিকে অপহৃতকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক

উদ্ধারকৃত স্কুল ছাত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা ও নবম শ্রেণির ছাত্রী।

অপহৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ বিকালে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে শহরের একাডেমী মোড়ে এসে পৌঁছায়। এসময় যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে রুবেলসহ চার জন তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে  তুলে নিয়ে যায়। পরের দিন ৬ মার্চ দুপুরে অপহৃতের ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার জনের নামে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ছয় দিন পর সোমবার দুপুরে সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম পাঁচ মাইল থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক বলেন, গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের (অডিও)

ডেস্ক,১৩ মার্চ : নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো-

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বেঁচে আছেন রাগীব রাবেয়ার ২ শিক্ষার্থী

ডেস্ক: নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থী নিহতের খবর পাওয়া গেলেও তাদের মধ্যে দুজন বেঁচে আছেন। তারা হলেন- প্রিন্সি দাম ও সামিরা বায়জানকার।

রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের উপ-পরিচালক ডা. আরমান আহমদ শিপলু সিলেটে অবস্থানরত নেপালি শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিপলু বলেন, নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলার বিমানে সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১১ ছাত্রী, দুই ছাত্র ছিল। তাদের সবাই মারা গেছেন এমন আশংকা করা হয়। তবে পরে খবর আসে এদের মধ্যে দুজন বেঁচে আছেন।

হতাহতরা সবাই নেপালি বংশোদ্ভূত। রবিবার পরীক্ষা শেষ হওয়ায় ওই ফ্লাইটে ১৩ শিক্ষার্থী ছুটিতে নিজ দেশে বাড়ি ফিরছিলেন।

১৩ শিক্ষার্থী হলেন- সঞ্জয় পাউডাল, সঞ্জয়া মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লুনানি, শ্বেতা থাপা, মিলি মেহেরজান, সারুনা শ্রেষ্ঠ, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আশনা সাকিয়া, প্রিন্সি ধামি ও সামিরা বায়ানজানকর।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একবছরে শিক্ষা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছে প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী

ডেস্ক,১৩ মার্চ : প্রশ্নপত্র ফাঁস, ফাঁসের প্রচার ও শিক্ষক স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারণে গত একবছরে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ২৫২ জন শিশু শিক্ষার্থী শিক্ষা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছে। বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার (১২ মার্চ) বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত ‘শিশু পরিস্থিতি ২০১৭’ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ছয়টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বেসরকারি এ সংস্থা।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সংবাদ সম্মেলনমানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘২০১৭ সালে প্রশ্নপত্র ফাঁস, প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রচার, শিক্ষক স্বল্পতা, শ্রেণিকক্ষের স্বল্পতা, বিদ্যালয় ভবন ভাঙা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন কারণে শিশুরা শিক্ষা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা ২০১৬ সালের তুলনায় পাঁচ লাখ ৩২ হাজার ৯৫২ জন বেশি। এসব শিশুদের মধ্যে অনেকেই ঝরে পড়েছে।’

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৬ সালে ৫২ হাজার ৩০০ শিশু শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শিক্ষা সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ২৫২ জনে। গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি।

ফাউন্ডেশনের তথ্যে বলা হয়, অপরাধে যুক্ত হয়ে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস, মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদে যুক্ত হওয়া, নকল টাকা বিতরণ, চকলেট বোমা বহন, ধর্ষণ, নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড, মারামারি ও ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিশুরা। এর মধ্যে হত্যা ও হত্যা চেষ্টায় যুক্ত হয়েছে ২১ জন, উত্ত্যক্ত করায় যুক্ত হয়েছে ১৬ জন। ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা ও ধর্ষণের পর হত্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আট জন। এছাড়া কিশোর দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধ, খেলতে গিয়ে ঝগড়া ও গ্যাং সংস্কৃতিতেও যুক্ত হয়েছে অনেক শিক্ষার্থী।

ফাউন্ডেশনের তথ্যে আরও বলা হয়, ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হয় তিন হাজার ৮৫৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২১ জন। আর স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে একহাজার ৫৩৬ জন শিশু। শিশুরা যেসব রোগে আক্রান্ত হয়েছে- তার মধ্যে রয়েছে, বিরল রোগ, পেটে ভ্রুণ, হাড়ভাঙা রোগ, নিউমোনিয়া, হাম, ডায়রিয়া, এনথ্রাক্স, চর্মরোগ, থ্যালাসেমিয়া, ক্যান্সার, রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিসহ অন্যান্য রোগ।

২০১৭ সালে শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১২৩টি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের এবং আহত হয়েছে ১০৯ জন শিশু। দায়িত্বে অবহেলার কারণে আক্রান্ত হয়েছে ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন শিশু। এসব শিশুদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের এবং আহত হয়েছে ৩২২ জন। দায়িত্বে অবহেলার মধ্যে রয়েছে- চিকিৎসকের অবহেলা, পূর্ণ বয়স্ক দেখিয়ে আদালতে উপস্থাপন, খেলার মাঠ দখল, স্কুলে অতিরিক্ত ফি আদায়, কিশোর লেগুনাচালক ও পরিবহন শ্রমিক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত করা। এছাড়া ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া, পাহাড় ধস ও বন্যা ইত্যাদি কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিশুরা।

এতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যত অনিশ্চয়তায় রয়েছে দেশের এক কোটি শিশু। এসব শিশুদের একটি অংশকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অন্যান্য দুর্যোগ, ঘর-বাড়ি নেই, জঙ্গিবাদে যুক্ত হয়ে জেলে বন্দি থাকা, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ও মাদকাসক্ত হয়ে পড়া এই অনিশ্চয়তার কারণ। এ সংখ্যা বিগত সময়ের তুলনায় বেড়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় যুক্ত হয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৫৪ জন শিশু। এর মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৫২ জন। এছাড়া পাচার ও এসিড নিক্ষেপসহ নানা কারণে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের মধ্যে অনেকের শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি ঘটেছে। বিঘ্ন ঘটেছে অনেকের। অনেকে শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন চালিয়ে নিলেও গুণগত শিক্ষার অধিকার বঞ্চিত হবে

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিমান বিধ্বস্তে সিরাজগঞ্জের প্রকৌশলী-শিক্ষক দম্পতির মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ :নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা বিমানের যাত্রীদের মধ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সহকারী অধ্যাপক ইমরানা কবির হাসি ও তার স্বামী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী প্রকৌশলী রকিবুল হাসানের মৃত্যু হয়েছে।

এ খবর প্রকৌশলী রকিবুল হাসানের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত রকিবুল হাসান সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়ার ইউনিয়নের বিনানই গ্রামের মৃত রবিউল করিমের ছেলে। রকিবুল হাসান ঢাকায় একটি বেসরকারি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ইমরানা কবির হাসি রুয়েটের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।

নিহতের চাচাতো ভাই বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে রকিবুল ও হাসি নেপালে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগেই তাদের বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ খবর জানাজানি হলে সোমবার সন্ধ্যায় চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম রকিবুলের গ্রামের বাড়িতে যান এবং রকিবুলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। রকিবুলের স্ত্রী হাসি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান।

উল্লেখ্য, সোমবার ইউএস-বাংলার বিমানটি ঢাকা থেকে ৭১ জন আরোহী নিয়ে নেপালের উদ্দেশে যাত্রা করে। ওইদিন নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ৪ ক্রু ও ৬৭ আরোহী নিয়ে বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এতে অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সিটিসেলকে বিটিআরসির বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ

ডেস্ক,৫ মার্চ: দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল অপারেটর সিটিসেলকে বিটিআরসির প্রাপ্ত বকেয়া ১২৮ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে সিটিসেলের পক্ষে করা মানহানি মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি শেষে সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।

বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, কামরুল হক সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও খন্দকার রেজা-ই রাকিব।

খন্দকার রেজা-ই রাকিব পরে  বলেন, আদালতের নির্দেশের পর সিটিসেলকে বিটিআরসির পাওনা ১২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পদোন্নতি পাচ্ছেন ১৭০ সহকারী শিক্ষক

শেরপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের (চলতি দায়িত্ব) পদে ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে পদায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে এ তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ জারি হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন শেরপুর জেলার প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, শেরপুর জেলার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। এ জেলায় মোট ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। পদোন্নতি প্রাপ্তদের প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা থাকা স্কুলগুলোতে পদায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে চলতি দায়িত্বে বসানোর কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে পদায়ন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চাকরিতে কোটা প্রথা সংস্কারের রিট খারিজ

ডেস্ক,৫ মার্চ: সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার সংস্কার চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার (৫ই মার্চ) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূইয়া এ রিট দায়ের করেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইন সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১ম ও ২য় শ্রেণির সরকারি নিয়োগে কোটা যেমন, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নাতি নাতনি ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ কোটা। সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান রয়েছে। এই কোটা প্রথা সংবিধানের ১৯, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রিট আবেদনটি দায়ের করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মির, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব এডিটর আব্দুল ওদুদ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পেলেন ১৯৪ জন

ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে (চলতি দায়িত্ব) আরও ১৯৪ জন সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এ তালিকায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্কুলে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা রয়েছেন। রোববার(৪ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন কিশোরগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক শূন্যপদে বসানো হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের তালিকভুক্ত শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়। এ জেলার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত মোট ১৯৪ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।

তিনি বলেন, জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে পদায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চাকরির নিয়‌োগে ক‌োটার আধ‌িপত্য

নাসিরুল ইসলাম:সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে চালু হয়েছিল চাকরিতে কোটা পদ্ধতি। তবে চাকরির নিয়োগে এখন কোটারই আধিপত্য। সম্প্রতি কোটা পদ্ধতির পক্ষে ও বিপক্ষে আন্দোলন চলছে রাজপথে। কয়েক বছর ধরেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত, কোট বাদ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। তার ওপর কোটা পদ্ধতিতেই রয়েছে বৈষম্য। বৈষম্য দূর করতে ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতেই যে কোটা, তাতে যদি বৈষম্য থাকে তাহলে সংস্কার ছাড়া কোনও সমাধান হবে না। আর এ সংস্কার হতে হবে তথ্যভিত্তিক।

কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারী নেতারাও বলছেন, যে কোটা পদ্ধতি প্রচলিত আছে তাতে মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই বৈষম্য দূর করতে সংস্কার জরুরি।

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,  সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান/নাতি-নাতনি কোটা ৩০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা পাঁচ শতাংশ। এই ৫৫ শতাংশ কোটায় পূরণযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সেক্ষেত্রে ১ শতাংশ পদে প্রতিবন্ধী নিয়োগের বিধান রয়েছে। তবে সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, বিভিন্ন করপোরেশন ও দফতরে সরাসরি নিয়োগে জেলার জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা কোটা পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১৯৭২ সালে কোটা চালু করেছিলেন উপহার হিসেবে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে হত্যার পর এই কোটা বাতিল করা হয়। পরবর্তী ২৪ বছর মুক্তিযোদ্ধাদের এই কোটা দেওয়া হয়নি। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য আবার কোটা চালু করেন। এছাড়া সমাজের পিছিয়ে পড়াদের জন্য কোটা পদ্ধতি চালু আছে। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর জেলাওয়ারি কোটা নির্ধারণ করা হয়।

সব দেশে কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘কোটা পদ্ধতি তুলে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনও হয়নি। সমাজে বৈষম্য কমাতেই কোটা পদ্ধতি। তা যদি বৈষম্য তৈরি করে, তাহলে তা সংস্কার জরুরি। বর্তমানে তথ্যভিত্তিক একটি রিভিউ হতে পারে। কোন গোষ্ঠী কতটা এগিয়ে গেছে, কোন গোষ্ঠী কতটা পিছিয়ে রয়েছে এসব বিবেচনা করে কোটার অনুপাত কমিয়ে আনা যেতে পারে।’

কোটার অপব্যবহারের বিষয়ে আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘কোটার কতটা অপব্যবহার হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কত জনের সার্টিফিকেট ভুয়া তা দেখে একটা রিভিউ করা প্রয়োজন। এসব কারণে কোটা সংস্কার দরকার। প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটা থাকতেই হবে। তা না হলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না। নারীরা পিছিয়ে আছে, তাদের কোটা থাকতে হবে। তবে কত শতাংশ পাবে তা রিভিউ করতে হবে। কোটা পদ্ধতি থাকায় কিছু কর্মকর্তা, কিছু মানুষ অসৎভাবে এটির ব্যবহার করছে। তার জন্য কোটা পদ্ধতি দায়ী নয়। তবে সেটি দেখা উচিত।  তাই তথ্যভিত্তিক সংস্কার করতে হবে।’

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহেদুল আনোয়ার লিয়ন  বলেন, ‘কোটা পদ্ধতি সংস্কার না করায় আমরা নিষ্পেষিত হচ্ছি। কোটার অপব্যবহার হচ্ছে। বিগত সময়ে কোটা সংরক্ষণের কারণে ২৮তম বিসিএসে ৮১৩টি, ২৯তম বিসিএসে ৭৯২টি, ৩০তম বিসিএসে ৭৮৪টি, ৩১তম বিসিএসে ৭৭৩টি আর  ৩৫তম বিসিএসে ৩৩৮টি পদ খালিই থেকেছে। অথচ মেধাবী ছিল না তাতো নয়। আমি মনে করি, কোটা সংস্কার না হওয়ায় জনপ্রশাসন যোগ্য ও মেধাবী অনেক প্রার্থী থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

শাহেদুল আনোয়ার লিয়ন আরও  বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কোটা রাখার পক্ষে সরকারের কাছে দাবি করেছি। সরকার যৌক্তিকভাবে এটি নিরূপণ করে সংস্কার করবে, আমরা সেই অপেক্ষায় রয়েছি।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ পাস করা চাকরিপ্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘কোটা পদ্ধতি সংস্কার প্রয়োজন, কারণ এটার অপব্যবহার হচ্ছে। তাছাড়া ৫৫ শতাংশ কোটার প্রয়োজন নেই। কোটার কারণে কিছু পদ ফাঁকা থাকলেও মেধাবীরা চাকরি পাচ্ছে না। এটি সংস্কার করে কোন কোটা কতটা থাকা প্রয়োজন তা বের করতে হবে। কোটা পদ্ধতিতে কোনও অনিয়ম করার সুযোগ থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।’

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা  বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর মুক্তিযোদ্ধাদের এই কোটা বন্ধ করে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter