Author Archives: chief editor

শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ ‘নিখোঁজ’ তিনজন ডিবিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ জানুয়ারী : গত দু’দিনে রাজধানী থেকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ নিখোঁজ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের একটি দল রাজধানীর গুলশান ও বসিলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন, মো. খালেদ হাসান মতিন, মো. নাসিরুদ্দিন ও মো. মোতালেব হোসেন।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, ২১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিসিভ ও ডেসপাস শাখার উচ্চমান সহকারী মো. নাসিরুদ্দিনকে এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকাসহ গুলশান এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রধরে মোতালেব হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

অপর এক অভিযানে লেকহেড স্কুলের মো. খালেদ হাসান মতিনকে গুলশান এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নাসির উদ্দিন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী।

এ ঘটনায় রাজধানীর বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নাসিরের শ্বশুর আব্দুল মান্নান।

শনিবার বিকেল ৪টায় গুলশান-১ এর ১৩৫ নম্বর রোডে অবস্থিত লেকহেড গ্রামার স্কুলের সামনে থেকে মতিন নিখোঁজ হন।

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশান থানায় এ জিডি করেন মতিনের অফিসের স্টাফ ইদ্রিস আলী। জিডি নম্বর-১৩৭৮।

সর্বশেষ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনকে তুলে নেয়ারর অভিযোগে হাজারীবাগ থানায় জিডি করা হয়।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর বছিলা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশ জানায়, বছিলা ব্রিজের কাছে মোতালেব হোসেনের বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে। গতকাল বিকেলে তিনি নির্মাণ কাজ দেখতে যান। এ সময় তিন-চারজন নির্মাণাধীন ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর কাছে মোতালেব সম্পর্কে জানতে চায়। মোতালেব ছাদে আছেন জানার পর তারা সেখানে যায়। বাড়ি ভাড়া নেয়ার কথা বলে তাকে নিচে নামিয়ে এনে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা। মোতালেবের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি। রাজধানীর গ্রিন রোডে সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে তিনি থাকতেন।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল মতিন জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী নাসিরের কাছে নগদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোতালেব ও নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খালেদ হাসান মতিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরাসরি খারাপ কাজের জন্য আমাকে অফার করা হয়েছে

ডেস্ক,২১ জানুয়ারী: মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্র বলছে, ২০১৭ সাল জুড়ে ধর্ষণের ঘটনার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, সেই সাথে বেড়েছে যৌন সহিংসতায় নিষ্ঠুরতা ও ভয়াবহতা। বাংলাদেশে টেলিকম কোম্পানির যেসব বিজ্ঞাপন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে তার একটি ছিল কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস নিয়ে নির্মিত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে অভিনয় করে রীতিমত তারকা হিসেবে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলেন মডেল ফারহানা শাহরিন ফারিয়া। খবর বিবিসির।

সম্প্রতি মিডিয়া জগতের কাজের ক্ষেত্রে নানারকম হয়রানির কথা উঠে এসেছে তার এক মডেল ফারহানা শাহরিন ফারিয়ার সাক্ষাতকারে। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছিলেন মিডিয়া জগতে কাজ করতে হলে তার ভাষায় ‘স্যাক্রিফাইস’ করতে হয়।

ফেসবুকে লাইভ ভিডিওতে এবং একাধিক স্ট্যাটাসে হয়রানির বিষয়টিতে কথা বলেছেন ফারহানা শাহরিন ফারিয়া। তিনি বলেন, আমি ছিলাম লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ এর সেকেন্ড রানার আপ। মূলত যখন আমি বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারের বিজ্ঞাপন করি তারপর থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বাজে প্রস্তাব পাই”, বলেন ফারিয়া।

কিন্তু এটি নিয়ে আগে মুখ খোলেননি কেন? জানতে চাইলে তিনি জানান, সবসময়ই তিনি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করে আসছেন। যার জন্য অনেক বড় বড় কাজ হারাতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন ‘সরাসরি অফার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আমাদের সাথে ‘পার্সোনাল রিলেশন’ মেইনটেইন করতে হবে। কেন আমি পার্সোনাল রিলেশন রাখবো? আমার কোয়ালিটি, বিউটি দিয়ে আমি কাজ করবো। এই অফারগুলির কারণে আমাকে অনেক কাজ ছেড়ে দিতে হয়েছে। যেখানে আমার মনে হয়েছে আমার কোয়ালিটির চেয়ে ‘স্যাক্রিফাইস’ টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

কেন আমাকে কাজের অফার দেয়া হলো তার সাথে এমন শর্ত দেয়া হলো? কিন্তু বাংলাদেশে কাজ দেয়ার নাম করে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তার মত অনেকের কাছ থেকেই সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। কিন্তু এগুলোকে কতটা গুরুত্ব দেন ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব স্থানীয় পরিচালকরা?

চলচ্চিত্র পরিচালক প্রযোজক সোহানুর রহমান সোহানের কাছে প্রশ্ন রাখা হলে তিনি বলেন, ‘এখানে ভালো খারাপ অনেক মানুষ আছে। কেউ ফিল্মকে হয়তো খারাপভাবে ব্যবহার করছে। তিনি (ফারিয়া) হয়তো এরকম কারো পাল্লায় পড়েছেন। দীর্ঘ ৪০ বছর কাজ করছি। তবে আমার ক্ষেত্রে এমন কখনো ঘটেনি। আবার অনেকসময় কেউ কেউ আমাদেরও প্রস্তাব দিয়ে সুযোগ নিতে চায়, যেটা কখনো সম্ভব না’।

তবে অভিযোগ থাকলে প্রমাণ নিয়ে প্রযোজক বা পরিচালক সমিতিতে জানালে তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য খবরই ‘নিউজ ফিডে’ দেখাবে ফেসবুক

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী: এবার থেকে বিশ্বাসযোগ্য খবর ‘বুস্ট’ (গ্রাহকদের কাছে নির্দিষ্ট খবর পৌঁছে দেয়া) করবে ফেসবুক। এ জন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে জরিপ চালাবে ফেসবুক।

জরিপে গ্রাহকদের কাছে জানতে চাওয়া হবে তারা কোন সংবাদমাধ্যমের খবর বিশ্বাস করে। সে ফলাফল থেকেই নির্ধারণ করা হবে কোন সংবাদমাধ্যম বেশি নির্ভরযোগ্য। এরপর সেসব সংবাদমাধ্যমের খবরই বেশি বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, নিউজ ফিডে ৫ শতাংশের জায়গায় এখন থেকে ৪ শতাংশ খবর দেখাবে ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেয়া ও এটিকে নেতিবাচকভাবে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, বিস্তারিত জানুন

জুমবাংলা ডেস্ক,২০ জানুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত রোববার সচিব কমিটির সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তা আপাতত হচ্ছে না। এ ধরনের পদের আপগ্রেডেশন আর বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তারা রাজপথের আন্দোলন পর্যন্ত করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। শেষপর্যন্ত সেই দাবি তাদের পূরণ হল। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে সম্মতি আর সচিব কমিটির অনুমোদনের পরও এ ব্যাপারে আদেশ জারি করতে কৌশলের আশ্রয় নিতে হচ্ছে সরকারকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা। সারা দেশে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের কেউ প্রিসাইডিং অফিসার আবার কেউ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে শিক্ষকদের দেয়া সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়ই প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিষয়টি অনুমোদন হয় বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান। তিনি এও জানান, এ ব্যাপারে তার মন্ত্রণালয় থেকে কোনও প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। কারণ এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। সেখান থেকেই প্রজ্ঞাপন বা অন্য যা-ই করা হোক হবে। তাদের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবহিত করা হবে মাত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি ঘোষণা এখন একটি আনুষ্ঠানিকতার বাকি মাত্র।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। বলেন, শিক্ষকদের দুটি দাবি মেনে নিতে সরকারকে বছরে ৫শ’ কোটির বেশি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে ওই অর্থ এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ১৩তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক পাচ্ছেন ১৪তম গ্রেডে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১০ম এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীত হলে সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর বাইরে নতুন করে জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এ সুবিধা পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বনানী থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নিখোঁজ

ডেস্ক এডিটর: রাজধানীর বনানী থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব নাসির উদ্দিন (৫৫) নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী হিসেবে কর্মরত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে বনানী এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় নিখোঁজের আত্মীয় আবদুল মান্নান খান বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি জিডি করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, নাসির উদ্দিন কনকর্ড লেক সিটির বৈকালী ভবনের বসবাস করতেন। সকালে বাসা থেকে বের হন। দুপুরে তার স্ত্রী নিশাত জাহানের সাথে মোবাইলে কথা হয়। বিকেল থেকে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের এক আত্মীয় অভিযোগ করেন, কনকর্ড লেক সিটির কামরুজ্জামান মাহবুব নামে এক ব্যক্তি তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছিলেন। নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে বলে জানা যায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনীর ফলে প্রায় ৮০ হাজার আপত্তি

ডেস্ক,১৯জানুয়ারী : প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে আপত্তি জানিয়েছে ৭৯ হাজার ৭০৯ জন শিক্ষার্থী। গত মাসে প্রকাশিত এই ফলে আপত্তি জানিয়ে তারা ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছে। এদের মধ্যে কেউ প্রাপ্ত ফল বাড়ানো, কেউ ফেল থেকে পাস করার জন্য আবদেন করেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে ফল পুনর্নিরীক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগে থানা শিক্ষা অফিসার বরাবর এ আবেদন করত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। চলতি বছর টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এ আবেদনের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষণ আগের মতোই জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সহায়তা নেবে ডিপিই।

ডিপিইর সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী অনুজ কুমার রায় বলেন, চলতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে এ পুনর্নিরীক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছি। ফল প্রকাশের পরবর্তীতে নানা ধরনের অনিয়মের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পরের দিন তথা ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ৭৯ হাজার ৭০৯ জন শিক্ষার্থী ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে। ২০দিন পর ( ৪ ফেব্রুয়ারি ) এ পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

তবে কোন বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে তা জানা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর পিইসির ফল প্রকাশিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করবো’

জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, শিশুদের প্রোগ্রামার বানানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করবো। আমার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় বেলায়েত হোসেন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মের প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষি প্রধান দেশ ছিলাম। সেই কৃষি প্রধান দেশকে শিল্প বিপ্লবে রুপান্তর করতে পারিনি। এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শিল্প বিপ্লব সম্পন্ন হয়ে গেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমরা আছি। যদি চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ধরতে না পারি তাহলে আমাদের পক্ষে জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ.টি ইমাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি খন্দকার আব্দুল বাতেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম ফেরদৌস আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেই আস্থা শিক্ষকদের

ডেস্ক,১৯ জানুয়ারী: ‘প্রধানমন্ত্রী চাইলে কিনা হয়! পদ্মাসেতুর কাজ নিজস্ব অর্থায়নে শুরু করে তিনি বিশ্বে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনায় আমাদের আস্থা রয়েছে। তিনি নজর দিলেই আমরা জাতীয়করণের আওতায় আসবো। তার আশ্বাসের অপেক্ষায় রয়েছি।’

জাতীয়করণের দাবিতে গত পাঁচদিন ধরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। শুক্রবার জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম’। যদিও দাবি পূরণে এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারে উচ্চ পর্যায়ের সবুজ সংকেত তারা পাননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি থেকে এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। গত ১৫ জানুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের ব্যানারে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষকরা। প্রচণ্ড শীতে শিক্ষক-কর্মচারীরা খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করছেন।

শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, আন্দোলনকারী অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীই ক্লান্ত। অবসন্ন শরীর-মন নিয়ে শুয়ে পড়ছেন প্রেস ক্লাবের সামনে।

অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষক নেতারা বলছেন, শুধু শিক্ষকদের জন্য নয়, ষোল কোটি মানুষের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, শিক্ষার মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ সময়ের দাবি।

শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম’ এর যুগ্ম মহাসচিব দেলোয়ার হোসেন খোকন  বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে শিক্ষার ইতিহাস উজ্জ্বল করেছেন। ৭৩ দিন আন্দোলনের পর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বেতন ৭৫ টাকা ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন ৫০ টাকা এবং রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার লক্ষ্যেই ২০১৩ সালে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘কিন্তু আমাদের দাবি এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। গত ৮ বছরে বেসরকারি শিক্ষক সমাজের কঠোর আন্দোলনেও দাবি পূরণ হয়নি। আমাদের জাতীয়করণ করা হোক।

‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী চাইলে সব সম্ভব। তিনি সুনজর দিলে, আশ্বাস দিলেই আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করবো। ফিরে যাবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করবো।

 

যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন শেখ বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষকরা ৯৭ শতাংশ দায়িত্ব পালন করেন। আর সরকারি শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করেন মাত্র ৩ শতাংশ। অথচ আমরাই জাতীয়করণের বাইরে।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী আমরা শুধু বেতন পাচ্ছি। আর সরকারি শিক্ষকরা সকল ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। তারা বেতন স্কেল অনুযায়ী পূর্ণ বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন আর আমরা পাচ্ছি নির্ধারিত মাত্র এক হাজার টাকা। আমাদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নেই। টাইম স্কেলও বন্ধ। চিকিৎসা ভাতা পাই মাত্র পাঁচশ টাকা। উৎসব ভাতা নেই। বোনাসও বেতনের মাত্র ২৫ শতাংশ। সব দিক দিয়ে আমরা পিছিয়ে।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশে শিক্ষকরা বিশেষ সুবিধা পান। আদালতে বসার চেয়ার পান, ভিআইপি সুবিধা পান, সরকারের নির্বাহী বিভাগের অনুমতি ছাড়া শিক্ষকদের হয়রানি বা গ্রেফতার করা যায় না। তবে বিপরীত চিত্র শুধু বাংলাদেশে। আশা করছি সরকার আমাদের ইজ্জত দিবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল অবৈধ। সারা দেশে সরকারী টাকা লুটপাট

শিক্ষাবার্তার সংবাদ প্রকাশের পর তোড়জোড়

দুই পদের সমষ্টিতে টাইম স্কেল নেয়া যায় না।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯জানুয়ারী : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নেবার ব্যাপারে মতামত প্রদান করেছে উপ হিসাব নিয়ন্ত্রক মজিবুল হক। গত ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ইং তারিখের এক পত্রে  জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল পাচ্ছে না বলে রংপুর ডিভিশনাল কন্টোলারকে চিঠি দিয়েছে। পত্রে বলা হয়েছে উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রাপ্য নয় বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুত্র জানায় শুধুমাত্র দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ১৪-৭-২০০৮ খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮ জি-৭/৯৮ ( অংশ) ২৫৩ এর পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়কর) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গননা করা হয় এবং সেখান থেকে সবাই পদ্দোন্নতী প্রাপ্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সমিতির নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জানুয়ারী : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে কাজ করছে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। অচিরেই সমস্যা সমাধানের পথেই হাটছেন তারা। সুবিধা বঞ্চিতদের হতাশ না হয়ে শিক্ষাদানে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। গত বছরের ১৫ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শামীম আসহান সাক্ষরিত জারিকৃত আদেশ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। ওই আদেশে গুটি কয়েকজন প্রধান শিক্ষক সুবিধা পেলেও সিংহভাগই হয়েছে সুবিধা বঞ্চিত। সূত্রমতে, আদেশের ফলে ০৯-০৩-২০১৪ থেকে ১৪-১২-২০১৫ পর্যন্ত যাদের ১ম, ২য় এবং ৩য় টাইমস্কেল ডিউ হয়েছে তারাই বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেন মাননীয় প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি। প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা রয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। সে হিসেব মতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি হচ্ছেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। এছাড়া জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা এবং বেতনস্কেল দু’ধাপ উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতনস্কেল উন্নীত করার ঘোষণাও দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার ভিত্তিতে বেতনস্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পত্র লেনদেন করা হয়েছে বেশ কয়েকবার। এছাড়া শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকের পর গত ১৫ নভেম্বর জারিকৃত আদেশে সারাদেশের প্রধান শিক্ষকদের সিংহভাগই বাদ পরেছে এ সুবিধা থেকে। কিছু সংখ্যক শিক্ষক এ সুবিধা পাওয়ায় সৃষ্টি হয় জটিলতার। তারই প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক নেতাদের কাছে বঞ্চিত শিক্ষকদের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। নেতৃবৃন্দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুনরায় তালিকা প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেছেন, প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারবো। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব আসিফ-উজ-জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দ্রুত সমাধান হবে ইনশাল্লাহ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শনিবার থেকে অনশনে যাবেন বেসরকারি শিক্ষকরা

তরিকুল ইসলাম সুমন : বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়কণের দাবিতে শিক্ষক লিয়াঁজো ফোরাম প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। আগামী শনিবার থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলন লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক। আব্দুল খালেক বলেন, ১২ জানুয়ারির মধ্যে জাতীয়করণের দাবি আদায় না হলে ১৩ জানুয়ারি থেকে তারা আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করবেন।

আব্দুল খালেক আরও জানান, সারা দেশে ২৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষক কর্মরত। জাতীয়করণের আওতায় না থাকায় তারা সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এদিকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকরদের ৪ দিনের চলমান অনশনে এ পর্যন্ত ৭৪ জন অসুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ক্বারী রুহুল আমিন চৌধুরী। রুহুল আমিন চৌধুরী আরো বলেন, আমাদের কাছে এখনো সরকারিকরণ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ আসেনি। সরকারি কোনো কর্মকর্তাও আনেনি। তবে কোনো আশ্বাস না আসা পর্যন্ত এ আমরণ অনশন চলবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাক-প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু

ডেস্ক: সারাদেশে সরকারি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষক সংকট নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, পুল ও প্যানেলভুক্ত শিক্ষকদের মামলা জটিলতায় গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত ছিল। এ ক্যাটাগরির শিক্ষকদের নিয়োগ জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে আদালত থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। ফলে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।

জানা গেছে, বর্তমানে পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হওয়ায় নতুনভাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিপিইতে সভা হয়েছে। সে সভায় ২০১৪ সালের নিয়োগ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এ নিয়োগ কার্যক্রম শেষে সহকারী শিক্ষক পদে শূন্য আসনে নতুন করে নিয়োগ দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করতে ডিপিইর নিয়োগ কমিটিকে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ কাজ শুরু করা হবে বলে ডিপিই’র নিয়োগ শাখা থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে আবেদন শুরু হয়ে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া, সেখানে ১০ হাজার আসনে প্রায় ১২ লাখ আবেদন জমা পড়ে। পরে মামলা জটিলতায় এ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। এরপর পুল ও প্যানেলের সকল শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে গত ৩০ মার্চের মধ্যে এসব শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশনার ভিত্তিতে দেশের সব জেলা থেকে শূন্য আসনের তালিকা সংগ্রহ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে প্রাথমিক ও শিক্ষা অধিদফতর।

জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি শূন্য রয়েছে। তার মধ্যে ১৭ হাজার পুল ও প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, ২০১০ সালের স্থাগিত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করা হবে। চলতি সপ্তাহে সভা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকট দূরীকরণে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেছি। বয়স উত্তীর্ণ হওয়ায় সাতজন শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি আমরা লিখিভাবে আদালতকে জানিয়েছি। ফলে এখন নতুন করে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো জটিলতা নেই।

তিনি বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক স্কুলগুলোতে সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে স্থগিত নিয়োগ কার্যক্রম শেষে শূন্য আসনগুলোতে নতুন করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করলেন বাবা!

বাবা এমনই একজন মানুষ, যে শুধু নিঃস্বার্থভাবে সন্তানদের দিয়েই যান। বিনিময়ে সন্তানদের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা করেন না। সন্তানের জন্য সর্বদা মঙ্গল কামনা করেন। এমনি একজন বাবা জলন্ধর নায়েক। ওই বাবার বাড়ি ভারতের ওড়িশায়।

জলন্ধর পেশায় সবজি বিক্রেতা। অক্ষর তার কাছে কালো কয়েকটি রেখা মাত্র। পড়াশোনা করার কোন সুযোগ তার জীবনে হয়ে উঠেনি। তাই প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল ছেলেকে পড়াশোনা করাবেন। যতদূর সে পড়তে চায় ততদূর পড়াবেন। কিন্তু গ্রামে তো স্কুল নেই। একটা কাঁচা রাস্তাও পর্যন্ত নেই। শিক্ষার আলো পৌঁছানো তো দূরের কথা দুবেলা অন্ন জুটাতেই হিমশিম খায় সেখানকার বাসিন্দারা।

চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে যায় বাবা জলন্ধরের। ছেলে পড়বে কোথায়? অনেক ভেবে উপায় বের করেন জলন্ধর। গ্রামের পাথুরে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরির পণ নেন তিনি। যেই ভাবা অমনি কাজ। গত ২ বছর ধরে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ধরে পাথর কেটে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ করেছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল হলেই ছেনি হাতুড়ি নিয়ে চলে যেতেন পাথুরে পাহাড়ের কাছে। রোদ, বৃষ্টি, শীত কোনও কিছুর পরোয়া করেননি। অদম্য জেদে তার গ্রাম থেকে নিকটবর্তী শহর ফুলবনি পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন তিনি।

জলন্ধরের এই কৃতিত্বের কথা স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে পড়েন জেলার কালেক্টর। তার পড়েই টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। তড়িঘড়ি করে জলন্ধরকে নিজের দফতরে ডেকে নিয়ে সম্মান জানান। সেই সাথে নির্দেশ দেন সেখানকার রাস্তাটি যাতে ভালো করে নির্মাণ করা হয় তার ব্যবস্থা করতে। সেই সাথে ঘোষণা করা হয় কন্ধমাল উৎসবে বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে জলন্ধরকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার ৩ দিন আগে কোচিং বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জানুয়ারী : আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষনাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমনাত্মক থাকবে। কোন শিক্ষক-কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত হলে তাকে সাথে সাথে বহিস্কারসহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথমবার নাটকে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন জেসিয়া

বিনোদন ডেস্ক: মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৭ প্রতিযোগিতার বিজয়ী জেসিয়া ইসলাম। চীনে মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। অনেকটা আশা জাগিয়ে বাদ পড়লেও দেশের মানুষের বাহবা পেয়েছেন তিনি। দেশে ফিরে মন দিয়েছিলেন পড়াশোনায়। বলেছিলেন, সুযোগ হলে কাজ করবেন সিনেমায়।

তবে এবার সিনেমায় নয়, অভিনয়ে জেসিয়ার অভিষেক হলো ধারাবাহিক নাটকে। ‘ব্যাচেলর ডটকম’ নাটকটির মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন এই তরুণী। নাটকটির নির্মাতা ইফতেখার শুভ।

ব্যাচেলর ডটকমে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জেসিয়া ইসলাম বলেন, ‘এ নাটকের গল্প বেশ মজার। তাই রাজি হয়েছি। এখানে আমার প্রবেশ ঘটবে নতুন ব্যাচেলর হিসেবে। প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছি এ নিয়ে অনেক এক্সাইটেড আমি। আপাতত পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে। এ মাসের শেষের দিকে নাটকটির শুটিংয়ে অংশ নেব।’

ভালো গল্প ও পছন্দের চরিত্র হলে নিয়মিত নাটকে কাজ করবেন বলে জানালেম জেসিয়া। এদিকে বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। চলছে যাছাই-বাছাই।

প্রসঙ্গত, ইফতেখার শুভ পরিচালিত ধারাবাহিক ব্যাচেলর ডটকমের বিভিন্ন চরিত্রে আরও রয়েছেন ছোটপর্দার এক ঝাঁক তারকা। তাদের মধ্যে তৌসিফ মাহবুব, নিলয়, জোভান, সিদ্দিক, নাদিয়া আফরিন মীম, নাদিয়া নদী, বাঁধন, আইরিন আফরোজ, তুলনা আল হারুন, তানিয়া বৃষ্টি, ফারজানা রিক্তা, ফারুখ আহমেদ, আহমেদ রুবেল, বরদা মিঠু ও কাজী উজ্জ্বল উল্লেখযোগ্য। নাটকটি প্রতি সপ্তাহের শনি থেকে সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে একুশে টিভিতে প্রচারিত হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter