Author Archives: chief editor

সোনালী ব্যাংকে ২২০১ জনকে নিয়োগে বাধা নেই

ঢাকা: সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি পদে ২ হাজার ২০১ জনকে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাধা কেটেছে। ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে দেওয়া স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীদের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে, লিভ টু আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু, কামরুল হক সিদ্দিকী, রফিকুর রহমান ও এ এ ম আমিন উদ্দিন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও অফিসার ক্যাশ পদে নিয়োগের জন্য তিনটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। যেখানে পদসংখ্যা ছিল ২ হাজার ২০১। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ৪৭৪ চাকরিপ্রত্যাশী। তাঁরা ২০১৪ সালে ৩১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৭০৭টি পদে নিয়োগের জন্য দেওয়া সার্কুলারের ভিত্তিতে আবেদনকারী। রিট আবেদনে ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া পরীক্ষায় অভ্যন্তরীণ তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাই রিটকারীরা ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগের আরজি জানান।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ জুলাই হাইকোর্ট রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীরা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ এ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আজ আদালত তা খারিজ করে আদেশ দেন।
আদেশের পর আইনজীবী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, আপিল বিভাগ পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরীক্ষাসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে আপিল বিভাগের দেওয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে ২ হাজার ২০১টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আট লাখ দরখাস্ত জমা পড়েছিল। তবে উচ্চ আদালতে মামলা করার কারণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামে ৫০ পরীক্ষার্থীর মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় মূল প্রশ্ন। একটি বাসের মধ্যে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর শিখে নিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ছিল। সেইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পটিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু শিক্ষার্থীর মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাদের প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের টিম রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

বরিশাল:

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নফাঁসে ৩০০ মোবাইল নম্বর চিহ্নিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নফাঁসে ব্যবহৃত ৩০০ মোবাইল নম্বর এ পর্যন্ত চিহ্নিত করেছে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটি। এসব নম্বর কমিটির সদস্যদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হয়েছে।

এই নম্বরধারীদের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী, যারা মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, কম্পিউটার সায়েন্সে পড়েন এবং এদের অভিভাবকরাও আছেন। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযানে নেমেছে।

প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটির আহ্বায়ক কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর এসব তথ্য জানিয়েছেন। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটির জরুরি সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। সভায় পুলিশ, র‌্যাবের সদস্যসহ কমিটির ১১ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির প্রধান বলেন, যাদের মোবাইল নম্বর পাওয়া যাবে সে অভিভাবক হোক, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরীক্ষা আইন এবং সাইবার অপরাধের আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনও হতে পারে তারা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সেখানে থেকে তাদের বহিষ্কার করাও হতে পারে। যেসব ফেসবুক লিঙ্ক, টেলিফোন নম্বরসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আদান-প্রদান হয়েছে সেগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আওতায় চলে এসেছে। দ্রুত তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সচিব বলেন, প্রশ্নফাঁস নিয়ে এ পর্যন্ত চারটি মামলা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে ১৪ জনকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী গ্রেফতার করেছে। অরো গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। শুধু গ্রেফতার নয়, এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘প্রশ্নফাঁসের তথ্য পাওয়া গেছে, পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না তা শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। কমিটির কাজ সবকিছু তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করা। আমরা সেটিই করবো’-বলেন তিনি।

আলমগীর বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কি না সে বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। মিডিয়ায় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যেসব তথ্য এসেছে সেগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে রোববার আবারো সভায় বসে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটি একটি সুপারিশ চূড়ান্ত করবে।

তিনি বলেন, আজ কমিটি গঠনের কাগজ পাওয়ার পর প্রথম সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেয়া হয়েছে। আসলেই ফাঁস হয়েছে কি না, কতক্ষণ আগে ফাঁস হয়েছে, তার প্রভাবটা কী, কতজন ছাত্র-ছাত্রী এটির মধ্য দিয়ে প্রভাবিত হয়েছে, পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না, বাতিল করা হলে কতজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

সচিব বলেন, যে প্রশ্ন পেয়েছে ৫-১০ মিনিট আগে। ওই প্রশ্ন পেয়ে তো বেশি প্রভাবের সুযোগ নেই। আবার দেখা গেছে, বেশ আগে ফাঁস হলেও ৫ বা ১০ হাজার ছেলে মেয়ে পেয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছে ২০ লাখ। এমন বিষয়গুলো হিসাব-নিকাশ করে প্রতিবেদন দেয়া হবে। আমাদের দায়িত্ব ফাঁস হওয়ার যে অভিযোগ এসেছে সেগুলো নিয়ে কাজ করা।

উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহ আগে প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ই-মেলে কমিটি গঠনের কাগজ পাঠানো হয়েছে। রোববার সে কাগজ পাওয়ায় পর এ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলম্বিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিনিস্কার্ট পরে প্রতিবাদ

ডেস্ক: কলম্বিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রীদের মিনিস্কার্ট পরতে মানা করার পর শিক্ষার্থীরা এর অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘সহপাঠী ও শিক্ষকদের মনোযোগ’ নষ্ট করার জন্যে ছাত্রীদেরকে মিনিস্কার্ট পরতে নিষেধ করেছিলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে যৌনবৈষম্যবাদী উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে আগামী মঙ্গলবার ছাত্র ছাত্রী সবাইকে মিনিস্কার্ট পরার ডাক দিয়েছে।

মেডেলিন পনটিফিসাল বলিভারিন বিশ্ববিদ্যালয় যা ইউপিবি নামে পরিচিত, তারা তাদের ওয়েবসাইটে ছাত্রীদেরকে মিনিস্কার্ট না পরার অনুরোধ করেছে।

তারপর এনিয়ে হৈচৈ শুরু হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, খুব সাধারণভাবেই তারা এই পরামর্শ দিয়েছে।

“ব্যক্তিত্ব প্রকাশের অধিকারকে সম্মান করে ইউপিবি। এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের উপর কখনো ড্রেস কোড চাপিয়ে দেয়নি,” এক বিবৃতিতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পরে ওয়েবসাইট থেকে ওই বক্তব্যটি মুছে দেওয়া হয়েছে। সেখানে শিরোনাম ছিলো: “কি ধরনের পোশাক পরে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত?”

অনেক পরামর্শ ছিলো ছাত্র-ছাত্রী উভয়ের জন্যে। কিন্তু প্রচুর পরামর্শ ছিলো শুধু ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে।

সেখানে লেখা ছিলো: “আপনার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মনোযোগ নষ্ট না করতে আমরা আপনাদেরকে নেকলাইন্স, শর্ট স্কার্টস এবং আটোসাঁটো কাপড় না পরার জন্যে পরামর্শ দিচ্ছি।”

ওয়েবসাইটে এটা প্রকাশ করা হয় ৩০শে জানুয়ারি পরে শিক্ষার্থীদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যম বলছে, অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দেয়। ভিডিওটিতে দেখা যায় একজন ছাত্র একটি মেয়ের স্কার্ট উপরে তুলতে থাকলে মেয়েটি নিচে পড়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য এই ভিডিওটির কথা উল্লেখ করেনি। পরে এক টুইট করে বলেছে, এই দুটোর মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। ছাত্রছাত্রীরা তখন মিনিস্কার্ট পরিহিত অবস্থায় নিজেদের ছবি পোস্ট করতে শুরু করে।

এক ছাত্রী বলেন, এধরনের ঘোষণা দিয়ে নারীদের যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে আমরা তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এরপর অনেকে এই ঘোষণার প্রতিবাদে মিনিস্কার্ট পরে ক্লাসে গিয়ে হাজির হন।

এর আগেও এই বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে যৌনবৈষম্যবাদী আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছিলো।

২০১৫ সালে সেখানে ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী মেয়েদের জন্যে একটি ক্লাস চালু করা হয়েছিলো যার নাম দেওয়া হয়েছিলো: ‘মেয়েদের বিষয়’।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সূচি

ডেস্ক,৮ ফেব্রুয়ারী : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষা আগামী ৫ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার সময়সূচি : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত, অনিয়মিত, গ্রেড উন্নয়ন ও সিজিপিএ উন্নয়ন) পরীক্ষা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

উভয় পরীক্ষা প্রতিদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে। এসব পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুমোদন করে তা প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ৩০ মে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যাই পরীক্ষার হলে গিয়ে আসনে বসতে হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী আটক

ফরিদপুর:

ফরিদপুর সদরপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূরবী গোলদার।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- উপজেলার চরবিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন শিকদার (১৭) ও সজীব প্রামাণিক (১৭)।

ইউএনও পূরবী শিক্ষাবার্তাকে বলেন, আটকদের থানায় পাঠানো হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে সদরপুর থানা পুলিশ।

এর আগে, প্রশ্ন সরবরাহের অভিযোগে লুৎফর রহমান (২০) নামে এক কলেজছাত্রকে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আটক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ হোসেন ফারবি।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল কুমার দে  জানান, লুৎফরের মোবাইল ফোনে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের একটি প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় যা পরীক্ষার মূল প্রশ্নের সঙ্গে হুবুহু মিলে গেছে।

পরে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব সতিন্দ্র নাথ ভৌমিক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
লুৎফরকে আদালতেরর মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি বিপুল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে একুশে পদক পাচ্ছেন হুমায়ুন ফরীদি

বিনোদন ডেস্ক: অভিনয়ের জাদুকর। মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্র- অভিনয়ের সবখানে তিনি রাজত্ব করেছেন দুর্দান্ত প্রতাপে। মুগ্ধ করে রাখা সেই অভিনেতার নাম হুমায়ুন ফরীদি।

অভিনয়ে তিনি মাতিয়ে রেখেছিলেন কয়েক দশক। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কোনো সম্মাননা না পাওয়ায় আক্ষেপ ছিলো তার ভক্ত-অনুরাগীদের। তার বন্ধুবর হুমায়ূন আহমেদও আক্ষেপ করেছিলেন ফরীদি একুশে পদক না পাওয়ায়।

ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ার দাবিতে বিভিন্ন সময় জাগো নিউজসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে নানা রকম ফিচার। গেল বছর এক দল পাগল ভক্ত ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ার দাবিতে ফেসবুকে ইভেন্টও চালু করেছিলো।

অবশেষে পূরণ হলো সবার চাওয়া। জীবন্ত ফরীদি তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্বীকৃতি নিজের হাতে না পেলেও, মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হতে যাচ্ছেন।

২০১৮ সালের একুশে পদকজয়ীদের তালিকায় তার নাম। এ খবরে আনন্দে ভাসছে ফরীদির ভক্ত-অনুরাগীরা। ফেসবুকে অনেকেই হুমায়ুন ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ায় রাষ্ট্রকে অভিনন্দিত করছেন।

আসছে ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী এবারের পদকজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে হুমায়ুন ফরীদির মেয়ে বাবার হয়ে পদক গ্রহণ করবেন।

হুমায়ুন ফরীদির জন্ম ১৯৫২ সালের ২৯ মে, ঢাকার নারিন্দায়। মঞ্চ নাটক দিয়ে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তিনি টিভি নাটকে কাজ করে জনপ্রিয়তা পান। বিটিভিতে প্রচারে হওয়া ‘সংশপ্তক’ নাটকে কানকাটা রমজান চরিত্রে অনবদ্য ফরীদি জয় করে নিয়েছিলেন সারা দেশের দর্শকের মন।

পরবর্তীতে প্রয়াত চিত্রপরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘দিনমজুর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয়ে নাম লেখান। বাকীটুকু ইতিহাস। তিনি একইসঙ্গে কমেডি ও খল চরিত্রে সাফল্য পেয়ে চলচ্চিত্রের অভিনয়ে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন।

ব্যক্তি জীবনে সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিঃসঙ্গই ছিলেন তিনি। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মারা যান হুমায়ুন ফরীদি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি পরীক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেসব মূল্যায়ণ করতে উচ্চ পর্যায়ের ১১ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমীর হোসেনকে আহ্বায়ক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, তিন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মূল্যায়ন করে প্রমাণ পেলে সারা দেশের পরীক্ষা বাতিল করতে পারবে।

‘আমরা ২০১৫ সালে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, ২০১৭ সালে নৈব্যত্তিকে আরও ১০ নম্বর কমিয়ে আনা হবে’ এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নৈব্যত্তিকের নম্বর কমানো হতে পারে। একটি সেমিনার করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষক-শিক্ষার্থী কেউই কোনো ধরনের ডিভাইজ, মোবাইল আনতে পারবে না। যদি কারো কাছে এসব পাওয়া যায় তাকে গ্রেফতার করা হবে। এছাড়াও ৩০ মিনিট আগে শুধু কেন্দ্রে প্রবেশ নয় পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন তিনি।

নাহিদ বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে কেউ কেউ এসব নোংরা কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাদের কেউই রেহাই পাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থাকে আবারো তাগাদা দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসেন, কারিগরি ও মাদসারা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, তিনি বোর্ড চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় আন্তঃ প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হযবরল। দুপুর দুটাই বিদ্যালয় বন্ধ। তদন্তের দাবী

দর্শনা অফিসঃ দামুড়হুদা দর্শনার ১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বরামনগরের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের খামখেয়ালির কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে জানান শিক্ষকরা। রোববার সকাল ১০টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনকালে পতাকা উত্তেলনকে কেন্দ্র করে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এদিকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশকে অমান্য করে দুপুর ২টায় পূর্বরামনগর সরকারী প্রাথমিক বন্ধ ঘোষনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এতে সাধারন শিক্ষকদের মধ্যে আরো ক্ষোভ দেখা যায়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার আন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ত্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আজ ছিল উদ্ভোধন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মতিয়ার রহমান। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুৃল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরু হওয়া কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের একগুয়েমির কারনে তা হয়নি। সে সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তৎক্ষনাৎ প্রতিবাদ করলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কৌশলে অনুষ্ঠান কোনরকমে শুরু করে স্থান ত্যাগ করে। এমনকি সেমময় সহকারী উপজলো শিক্ষা অফিসারকে বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি।
এদিকে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাদে বাকীদের বিদ্যালয় অবস্থান করার কথা থাকলেও পূর্বরামনগর সরকারী প্র্থামিক বিদ্যালয় তা পালন করেনি। বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের দায়িত্ব থাকলেও বাকীরা ক্লাস না চালিয়ে মাঠে অবস্থান করে। বাকী ৯টি বিদ্যালয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা বাদে সবাই বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করলেও পূর্ব রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর দুটাই বন্ধ করে দেয়।
এর পূর্বে তিনি মাইকে ঘোষনা দেন পরবর্তী দিন অথাৎ ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় চালিয়ে ১টা পর মাঠে আসতে হবে। এতেও শিক্ষকরা তীব্র প্রতিবাদ করে। পরে পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সে সময় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ স্বীকার করেন তিনি না বুঝে এরকম একটা স্ধিান্ত দিয়েছেন। আমাকে কেউ বলতে বলেনি।
এ ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, আগামীকাল কখন শিক্ষকরা মাঠে আসবে তা তার জানা নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন, বিদ্যালয় পড়াশুনার স্বার্থে বিদ্যালয় খুলে রাখতে বলা হয়েছে। তবে আগামীকাল ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় থেকে মাঠে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে শিক্ষকদের মধ্যে। সাধারন শিক্ষকদের দাবী আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। পূর্ব রামনগর বিদ্যালয়ের এক আইন আর অন্য বিদ্যালয়ের জন্য আরেক আইন এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবে না। সাধারন শিক্ষকদের দাবী হারুন অর রশিদের কারনে দর্শনায় যত সমস্যার সৃষ্টি হয়।তিনি বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ভাল হন। বিষয়টি সুস্থ তদন্তের দাবী জানিয়েছে শিক্ষকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের বদলি বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের বদলি ও তদবির বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। যথাযথ প্রক্রিয়ায় এসব কার্যক্রম করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ডিপিই’র পলিসি-২ শাখার সহকারী পরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিনের সাক্ষরিত একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বদলির জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করে থাকেন। যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি। শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুবা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী জাগো নিউজকে বলেন, অনেকে বদলির জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন না করে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এরপর তা কার্যকর হতে নানাভাবে তদবির চালায়। এতে মহাপরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টসহ নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক বদলিতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এবং প্রধান শিক্ষক বদলিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক এর ব্যত্যয় ঘটালে চাকরিবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় ১০ হাজার, বহিষ্কার ২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ ফেব্রুয়ারী : sssএসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার অনুপস্থিত ছিল প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ২৬ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে সাধারণ আট বোর্ডে বাংলা (অবশ্যিক) ১ম পত্র, -১ পত্র, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি-১ম পত্র এবং মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ জানায়, প্রথম দিনের পরীক্ষায় সারাদেশে ৯ হাজার ৭৪২ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ জন। তবে প্রথম দিনে শিক্ষক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। এদিন সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৩৩৬টি কেন্দ্রে মোট ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়াও বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে ২৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ২১২ ছাত্র এবং ২৪৬ জন ছাত্রী।

জানা যায়, সাধারণ আট বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল সব চেয়ে বেশি। এ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৪৯৩ পরীক্ষার্থী। এছাড়াও দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬৪৩ জন। তবে এ বোর্ডে কেউ বহিষ্কার হয়নি। তৃতীয় অবস্থানে যশোর বোর্ডে ৫৯৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

এছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ৫৪৩, দিনাজপুরে ৫২১, চট্রগ্রামে ৪২০, সিলেটে ৩৫৫ এবং বরিশাল বোর্ডে ৩১৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো।

অন্যদিক, অনুপস্থিতির দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাদরাসা বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৩ হাজার ১৫৭ জন, বহিষ্কার করা হয়েছে ১৭ পলক্ষার্থীকে।

কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৭২০ পরীক্ষার্থী। বহিষ্কৃত শিক্ষাথীর সংখ্যা ৭ জন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছরের চেয়ে এবার ২০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ১৭৬টি কেন্দ্র বেড়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail