Author Archives: chief editor

২৮২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

বিশেষ প্রতিবেদক :

দেশের ১৫৬টি উপজেলা সদরে স্থাপিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের আধুনিকায়নের জন্য ২৮২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩২ ধরনের অগ্নি নির্বাপনী ও উদ্ধার সাজ-সরঞ্জাম ক্রয় করছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবসহ মোট ৬টি ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বৈঠকে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের আওতায় ফায়ার সর্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১৫৬টি উপজেলা সদরে ফায়ার ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৩২ ধরনের অগ্নি নির্বাপনী ও উদ্ধার সাজ-সরঞ্জাম ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। বেশ কয়েকটি লটে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য সরবরাহ করবে।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৭৪৪৮ পিস তাঁবু কেনার একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি লটে কম্পিউটার ওয়ার্ল্ড বিডি ও জেএসএম করপোরেশন এ তাঁবু সরবরাহ করবে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  মন্ত্রণালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩০১৯ টন ডেউটিন ক্রয়ের একটি প্রস্তাবেও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এজন্য ব্যয় হবে ৪১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ৩টি লটে জয় এন্টারপ্রাইজ, ফাউন্ডি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, জেভি এন্টারপ্রাইজ এই ঢেউটিন সরবরাহ করবে।

খুলনা জোনের কুষ্টিয়া শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৬ দশমিক ৬০ কিলোমিটার কুষ্টিয়া শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ, একটি রেলওয়ে ওভারপাস একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, ২১টি আরসিসি বক্স নির্মাণ ও অন্যান্য কাজের প্যাকেজের ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্যাকেজের  ভিত্তি মূল্য ছিল ৭১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এই প্রকল্পে অতিরিক্ত কাজ হওয়ায় প্রকল্পে ব্যয় ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বেড়েছে। ফলে প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ৭৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এছাড়া সভায় ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা সেকশন পুনর্বাসন ও নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সম্পাদিত চুক্তিপত্র নম্বর-বিআর/ ডাব্লিউজেড/প্যাকেজ ডাব্লিউডি-২/এফডিপি-ভাঙ্গা, প্যাকেজে ফরিদপুর-কুকুরিয়া-ভাঙ্গা সেকশনে বিভিন্ন কাজের দ্বিতীয় ভেরিয়েশনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। কাজের মূল বরাদ্দ ছিল ১২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অতিরিক্ত ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার কাজ হওয়ায় প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৬৫ কোটি ৯ লাখ টাকা।

এছাড়া রাজউক এর পুর্বাচল প্রকল্পের মাটি ভরাট কাজের একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মোস্তাফিজুর রহমান জানান। তিনি বলেন, প্রকল্পটিতে মাটি ভরাটের জন্য ২৮৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পে ১৯ কোটি ৮ লাখ টাকার কাজ বেড়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাশিয়া, বেলারুশ ও কানাডা থেকে এমপিও এবং সৌদি আরব থেকে ডিএপি সার আমদানির লক্ষ্যে চুক্তির নবায়ন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে শ্রম অধিদপ্তরের আওতায় পিপিপির মাধ্যমে চাষাড়ায় একটি হাসপাতাল বাস্তবায়নের নিমিত্তে শ্রম অধিদপ্তর এবং এএফসি হেলথ লিমিটেড ও ফর্টিস হেলথকেয়ার লিমিটেডের মধ্যকার লিগ্যাল বেটিংপ্রাপ্ত চুক্তিপত্রটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসের তীর বিজি প্রেসের দিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ মার্চ:পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের তীর বিজি প্রেসের দিকে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত প্রশাসনিক কমিটির সদস্যরা। এ প্রতিষ্ঠানকে নতুনভাবে সংস্কারের সুপারিশের প্রস্তাব দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। প্রশ্ন ফাঁসের প্রেক্ষিতে গঠিত এ কমিটির তৃতীয় দফার বৈঠক শেষে একাধিক সদস্য এমন মন্তব্য করেন।

কমিটির প্রধান ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ জাগো নিউজকে বলেন, রোববার আমাদের তৃতীয়বারের মতো বৈঠক হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও বিজি প্রেস পরিদর্শন করে যেসব ক্রটি ধরা পড়েছে তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণে যেসব সমস্যা ধরা পড়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সার্বিক প্রচেষ্টা করছি যাতে প্রশ্ন ফাঁসের প্রধান জায়গাগুলো শনাক্ত করা যায়। এসব বিষয়ের উপর মূল্যায়ন করে আমরা কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরে যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। সেসব বিবেচনা করে তা বাস্তবায়ন করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রধান কেন্দ্র বিজি প্রেস হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করতে এ প্রতিষ্ঠানের ২৫০ জনের মতো মানুষ কাজ করেন। এটি একটি বড় সমস্যা হিসেবে আমাদের কাছে চিহ্নিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এমন গোপন কাজগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বিজি প্রেসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নাড়াচাড়া করে থাকেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিচারপতি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য হয়েও ঘুষ আদায় ও নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনিয়ম করবে না কেন? প্রশ্ন ফাঁসের জন্য অভিভাবকদের দোষ দেয়া হচ্ছে। কেউ প্রশ্নপত্র হাতে পেলে আরেকজন তা পাওয়ার চেষ্টা করতেই পারে। জিপিএ-৫ পাওয়ার আশায় অর্থ দিয়েও অনেক অভিভাবক সন্তানদের মঙ্গলের কথা ভেবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন সংগ্রহ করছেন। আগেই যদি প্রশ্ন পাওয়া যায় তবে কেন তারা তা সংগ্রহ করবেন না। তার আশপাশের অনেকে তা করছেন, তিনি কেন করবেন না প্রশ্ন তোলেন তিনি।

কায়কোবাদ বলেন, সন্তান ভালো ফলাফল না করলেও ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে না। সে কারণে অভিভাবকদের দোষারোপ করে লাভ নাই। অযাচিতভাবে এটি ঘটে যাচ্ছে বরং কেউ যাতে প্রশ্ন ফাঁস করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ২৭ মার্চ এ কমিটি শেষ বৈঠকে বসবেন। কার্যকরী পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করতে হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যেই এ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবেন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষের এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। ১২টি বিষয়ের প্রশ্ন ফাঁস হয় বলে অভিযোগ আছে। এরপর উচ্চ আদালতে এক রিটের প্রেক্ষিতে দুটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারিক এবং প্রশাসনিক নামে এ দুটি কমিটি গঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান জিয়াউল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ মার্চ:: ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন দেয়ার পর তাকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে শূন্য ছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ।

কিছুদিন আগেই জিয়াউল হকসহ সম্ভাব্য তিনজনের নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছিল বলে সূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসিতে কয় সেট প্রশ্ন হবে, তা কেউ জানবে না: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবি প্রতিনিধি ১৯ মার্চ ২০১৮: আসছে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় কয় সেট প্রশ্ন হবে, তা কেউ জানবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, আমরা এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অনেক পরিকল্পনা নিচ্ছি। পরীক্ষায় কয় সেট প্রশ্ন ছাপাব এটা কেউ বলতে পারবে না। কোন সেট পরীক্ষায় আসবে সেটিও কেউ বলতে পারবে না। এ সময় তিনি প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে প্রচার করে শিক্ষার্থীদের মনে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ করেন।

সোমাবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সিলেট জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জেলার ১৫০ জন ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি ইউসুফ উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন, জালালবাদ অ্যাসোসিয়েশন ঢাকার সভাপতি সিএম তোফায়েল সামি, বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক, পুলিশের সাবেক এআইজিপি সৈয়দ বজলুল করিম, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির এই যুগে প্রশ্নফাঁস হচ্ছে না, তা বলা কঠিন। প্রযুক্তির উন্নতি আছে ঠিকই, কিন্তু এর কুফলও আছে। তাই শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, ভালো মানুষ হতে হবে। এ সময় তিনি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের এই পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সম্মিলিত কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রশ্নফাঁসের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটছে। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে যদি আঘাত করা যায়, তাহলে শেখ হাসিনার ভোটে আঘাত করা যাবে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিকে প্রযুক্তি দিয়েই মোকাবেলা করতে হবে। সেই কাজ তো আমার না। ক্রিমিনালকে ধরার দায়িত্ব আমার না। সেটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন মন্ত্রীকে কেন দোষারোপ করা হয়? যিনি এত কষ্ট করে শিক্ষাব্যবস্থাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, আমার সৌভাগ্য আমি শিক্ষানীতি করতে পেরেছি। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য সরকার শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন এনেছে।

এ সময় তিনি অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আপনার সন্তান প্রশ্নঁফাসের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে পাস করলে মানুষ হবে না। তাই এসব বন্ধ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দিনাজপুর বোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৪১

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ ১ এপ্রিল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে ২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৮০৩ জন ও ছাত্রী ৫৭ হাজার ১৩৮ জন। গতবারের চেয়ে এবারে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১২ হাজার ১৬৯ জন।

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তোফাজ্জুর রহমান জানান, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি এবারের পরীক্ষায় রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার ৬৪৫টি কলেজের ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ৬১ হাজার ৮০৩ জন ছাত্র ও ৫৭ হাজার ১৩৮ জন ছাত্রী। এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৯০ হাজার ৫৫৬ জন, জিপিএ উন্নয়ন ৯৯৪ জন, অনিয়মিত ২৭ হাজার ৩৫৮ জন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৩৩ জন।

এক বিষয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১৭ হাজার ৭৫৩ জন, দুই বিষয়ে ৫ হাজার ৮১৪ জন ও সকল বিষয়ে ৯৫ হাজার ৩৭৪ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ১৯৬টি কেন্দ্রে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞান বিভাগে ২৬ হাজার ৮২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ হাজার ৯৩৭ জন ছাত্র ও ছাত্রী ১০ হাজার ৮৮৭ জন। মানবিক বিভাগে ৭৫ হাজার ৫৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৪ হাজার ৭৬১ জন ছাত্র ও ছাত্রী ৪০ হাজার ৭৮০ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৬ হাজার ৫৭৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ হাজার ১০৫ জন ছাত্র ও ছাত্রী ৫ হাজার ৪৭১ জন।

জেলা ভিত্তিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে রংপুর জেলার ৩৮টি কেন্দ্রে ২২ হাজার ৫৯৬ জন, গাইবান্ধায় ২৯টি কেন্দ্রে ১৬ হাজার ৪৩১ জন, নীলফমারীতে ২৪টি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৬১৪ জন, কুড়িগ্রামে ২৪টি কেন্দ্রে ১৩ হাজার ৫২৫ জন, লালমনিরহাটে ১১টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৯৮১ জন, দিনাজপুরে ৪০টি কেন্দ্রে ২২ হাজার ৬৮৯ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৮টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ৮৭৮ জন ও পঞ্চগড় জেলায় ১২টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ২২৭ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তোফাজ্জুর রহমান আরো জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে বোর্ডের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা গ্রহণের তিনি শিক্ষক-পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আমতলী সরকারী কলেজে শিক্ষকদের অভ্যন্তরিন দ্বন্ধে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা ॥ বরগুনার আমতলী সরকারী কলেজে বে-সরকারী শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান। শিক্ষকদের অভ্যন্তরিন দ্বন্ধে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত। ভেঙ্গে পরেছে প্রশাসনিক কাঠামো। শিক্ষকরা দু’ভাগে বিভক্ত। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে দু’পক্ষের সহিংস ঘটনা।

জানাগেছে, ২০১৬ সালে ৭ এপ্রিল আমতলী ডিগ্রী কলেজ জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। প্রজ্ঞাপনে কলেজ জাতীয়করণ হলেও ৫৪ শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ হয়নি। ওই বছর ৩০ জুন চাখার শের-ই বাংলা মহা বিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ রেজাকে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে প্রেষনে (সংযুক্ত) নিয়োগ দেয়। তিনি ১১ জুলাই কলেজে যোগদান করেছেন। এ অধ্যক্ষের (মাসুদ রেজা) পক্ষে দু’একজন শিক্ষক থাকলেও অধিকাংশ শিক্ষক তার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। শুরু হয় শিক্ষকদের অভ্যন্তরিন দ্বন্ধ। ওই বছর ৬ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান সংযুক্ত অধ্যক্ষ মাসুদ রেজার সংযুক্ত আদেশ বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন (১১৭৪৯/২০১৬) দায়ের করেন। আদালত সংযুক্ত অধ্যক্ষ মাসুদ রেজার নিয়োগ আদেশ স্থগিত করে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানকে বৈধ অধ্যক্ষ বলে আদেশ দেয়। এদিকে ওই বছর ৮ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ মোঃ মাসুদ রেজার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, সরকার , রাষ্ট্র বিরোধী ও ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন উস্কানিমূলক অভিযোগ এনে কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হোসেন বিশ্বাস আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে। আদালতের বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। ২১ সেপ্টম্বর অধ্যক্ষ মাসুদ রেজা আবুল হোসেন বিশ্বাসকে অধ্যক্ষের চলতি দায়িত্ব দিয়ে কলেজ ত্যাগ করেন। আবুল হোসেন বিশ্বাস কলেজের দায়িত্ব নেয়ার পরে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন কোন্দল আরো ঘনিভুত হয়। শিক্ষকরা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পরে। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেয় আবুল হোসেন বিশ্বাস এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেয় অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান। দিন দিন শিক্ষকদের দ্বন্ধ চরম আকার ধারন করে। চার মাস অধ্যক্ষের চলতি দায়িত্ব পালন শেষে সহকারী অধ্যাপক আবুল হোসেন বিশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারী মজিবুর রহমানকে কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়। এদিকে কলেজের শিক্ষক জাতীয়করনের জন্য আবুল হোসেন বিশ্বাসকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি শিক্ষক জাতীয়করন দ্রুত করার জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন। শিক্ষকদের অভিযোগ আদায়কৃত টাকা অধ্যক্ষ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় গত বছর ১২ ফেব্রুয়ারী কলেজের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী (পিয়ন) মোঃ ইউসুফ মিয়া বাদী হয়ে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জাতীয়করনের নামে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বর্তমানে অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান জেল হাজতে রয়েছেন। দীর্ঘদিন কলেজের শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধে তিন হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। ভেঙ্গে পরেছে প্রশাসনিক কাঠামো।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র আরিফুর রহমান, মিরাজ ও নাঈম জানান, শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধে ঠিকমত পাঠদান হচ্ছে না। তারা আরও জানান, শিক্ষার্থীরা কলেজে এসে যে যার মত চলে যায় কোন তদারিক নেই।

কলেজের একাদ্বশ শ্রেনীর ছাত্র আতিক, আল আমিন ও বায়েজিদ জানান, প্রকাশ্যে এক শিক্ষক অন্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে অযাচিত ও অশ্লীল মন্তব্য করছে। নিজেদের দ্বন্ধে শিক্ষকরা ঠিকমত পাঠদান করাচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের কয়েকজন শিক্ষক অভ্যন্তরীন দ্বন্ধের কথা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষকরা দু’ভাগে বিভক্ত।এক পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান, অপরপক্ষে নেতৃত্ব নিচ্ছেন আবুল হোসেন বিশ্বাস। দু’পক্ষের কেউ কাউকে ছাড়তে নারাজ। দিন দিন শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধ চরম আকার ধারন করেছে। এ অভ্যন্তরীন দ্বন্ধে কলেজের প্রশাসনিক কাঠামো ও শিক্ষা পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। কলেজের সহকারী অধ্যপক আবুল হোসেন বিশ্বাস শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধের কথা অস্বীকার করে বলেন, অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান শিক্ষক জাতীয়করনে কিছু শিক্ষকের কাগজপত্র মন্ত্রনালয়ে পাঠাতে গড়িমসি করছে। তিনি ওই শিক্ষকদের কাগজপত্র দ্রুত মন্ত্রনালয়ে পাঠালে তার (অধ্যক্ষ) সকল কাজে আমরা সহযোগীতা করবে। তিনি আরও বলেন, অধ্যক্ষ জেল হাজতে থাকায় প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙ্গে পরেছে এবং পাঠদান ব্যহত হচ্ছে।

চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম তালুকদার শিক্ষকদের অভ্যন্তরীন কোন্দলের কথা অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষক জাতীয়করনের সকল কাগজপত্র সহকারী অধ্যাপক হোসেন আহম্মেদ’র কাছে জমা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন,প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পাঠদান ঠিকমত চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শেখ হাসিনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গবেষণা সংস্থা দ্য স্ট্যাটিসটিক্স শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে। দ্য স্ট্যাটিসটিক্সের গবেষণায় এ মনোনয়ন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আর এ স্বীকৃতিকে সরকারের অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখেছে বলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে বাংলাদেশের এই অর্জন অনেক আগেই সম্ভব হতো বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট না এলে বাংলাদেশ আরো আগেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারত। এদিন জাতিসংঘের উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য পূরণ করে এগিয়ে আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে উন্নয়নের সব সূচক পূরণ করে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনে সোমবার অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভা। বলা হয়, এই ধারাবাহিকতা আরো ছ’বছর অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পার্বতীপুরে স্কুল শিক্ষকের আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ২নং মনমথপুর ইউনিয়নে বাসিন্দা তোবারক হোসেন (৩৮) একজন প্রাথমিকের শিক্ষক। পারিবারিক কলহের জেরে ৪ পাতা ঘুমের টেবলেট খেয়ে সোমবার সকাল ১১টায় আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তোবারক মুন্সিপাড়া গ্রামে মৃত ইব্রাহিম সরকারের ছেলে।

পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে তোবারক মাষ্টার দেরিতে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী লাকি বেগম সন্দেহজনকভাবে জানতে চায় এতো রাতে সে কোন বাড়ি থেকে আসছে। এরপর শুক্রবার গভীররাতে তোবারক হোসেন শারীরিক যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকলে স্বজনরা তাকে দ্রুত দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তোবারক মাষ্টারের মৃত্যু হয়।

এ ব্যপারে পার্বতীপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত দারোগা জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তারা কোন অভিযোগ পাননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাবি ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ ২০১৭ সালের ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৩০ টি অনার্স বিষয়ে ৭‘শ ৩৪ টি কলেজের ২‘শ ৫৯ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৯১ হাজার ৭‘শ ৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯৮হাজার ৭৪ জন মান্নোয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত ফল বিকাল ৪ টায় ঝগঝ এর মাধ্যমে যে কোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে nuh1 Registration No লিখে 16222 নং Send করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফয়জুল করিম সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

ডেস্ক: এখন থেকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। প্রাওগমন্ত্রনালয়ের নির্দেশে এ সিদ্ধান নেয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮মার্চ:
ঢাকা: মামলা প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কোটা সংস্কারের পক্ষের আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে ২৫ মার্চ তারা শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা।

মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অংশ নেন। পরে মিছিলটি শাহবাগ থেকে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত মোড় হয়ে ফের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেয়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা কোটাবিরোধী স্লোগান দেন এবং শাহবাগ থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। সেখানে বক্তব্য দেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ মার্চ তারা গলায়, কাঁধে বা হাতে সব শিক্ষা সনদ নিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে শহীদ মিনারে যাওয়ার রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করবেন। আন্দোলনকারীরা জানান, অহিংস প্রতিবাদ হবে। এভাবেই তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ চান।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হলো কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।

১৪ মার্চ কোটা সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে অনেকে আহত হন। সেখান থেকে পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে। পরে আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে আরও ৫০ জনকে আটক করে রমনা থানার পুলিশ।

এর প্রতিবাদে ওই দিন সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করলে একপর্যায়ে তাদের দাবির মুখে পুলিশ আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেয়।

পরদিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ৭০০ থেকে ৮০০ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করে পুলিশ।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মির্জা মো. বদরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারী প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ বিধিতে ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে

তপন বিশ্বাস ॥ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিপূর্বে মহিলা শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও নতুন বিধিমালায় পুরুষ ও মহিলা শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে। আগে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু নতুন বিধিতে সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রীধারীদের মধ্যে থেকে নেয়া হবে। নতুন এই নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা ২০১৭ নামে অভিহিত হবে।

সচিব কমিটিতে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও প্রযুক্তির প্রয়োগ ও প্রসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে গুণগতমান সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ একান্তই অপরিহার্য। বিদ্যমান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষকদের শতকরা ৩৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে ৬৫ ভাগ শিক্ষক পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়টি সরকারী কর্মকমিশনের বিবেচনাধীন বিষয়। যার কারণে নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন অপিরহার্য হয়ে পড়েছে। আগের মতোই নতুন বিধিমালার আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশ ব্যতিরেকে কমিশনের আওতাভুক্ত কোন প্রধান শিক্ষক পদে কোন ব্যক্তিকে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। সরকারীভাবে গঠিত কেন্দ্রীয় সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। ১৩ থেকে ১৬ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদে এবং ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ৯ম অথবা তদুর্ধ কোন পদে সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া যাবে। আগের বিধিতে এই শর্তগুলো ছিল না।

বিদ্যমান নিয়োগবিধির ৯ম বিশেষ বিধানে বলা ছিল নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চাকরিতে যোগদানের ৩ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ কিংবা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে ব্যর্থ হলে তার চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে যে শর্ত ছিল তা উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২৫ থেকে ৩৫ এর স্থলে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংশোধিত বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ করা হয়েছে। মোট পদের ৬৫ ভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে ৩৫ ভাগ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের শর্ত আগে ছিল এখনও থাকবে।

সুত্র : জনকন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন?

সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মূল বিষয় এটি।

চলুন জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’

গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।

যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু, যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে জয Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।

রক্তের যে সকল গ্রুপ রয়েছে তা হলো: এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, এবি নেগেটিভ, ও পজেটিভ এবং ও নেগেটিভ।

স্বামীর রক্তের গ্রুপ স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সন্তানের অবস্থান:
পজিটিভ(+) পজেটিভ(+) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) নেগেটিভ (-) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) পজেটিভ (+) সুস্থ সন্তান
পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) প্রথম সন্তান সুস্থ, দ্বিতীয় থেকে সমস্যা

উল্লেখ্য, প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হলো এবিও পদ্ধতি (এ, বি, এবি এবং ও) অন্যটা আরএইচ ফ্যাক্টর (আরএইচ পজেটিভ এবং আরএইচ নেগেটিভ)। এ রেসাস ফ্যাক্টরই ঠিক করে দেয় ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অপহরণের ছয় দিন পর স্কুল ছাত্রী উদ্ধার, আটক ১

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,১৩ মার্চ:.

চুয়াডাঙ্গা একাডেমী মোড় থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে ছয় দিন পর চট্টগ্রাম পাঁচলাইন থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী রুবেল হোসেনকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুর ১টার দিকে অপহৃতকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক

উদ্ধারকৃত স্কুল ছাত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা ও নবম শ্রেণির ছাত্রী।

অপহৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ বিকালে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে শহরের একাডেমী মোড়ে এসে পৌঁছায়। এসময় যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে রুবেলসহ চার জন তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে  তুলে নিয়ে যায়। পরের দিন ৬ মার্চ দুপুরে অপহৃতের ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার জনের নামে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ছয় দিন পর সোমবার দুপুরে সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম পাঁচ মাইল থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক বলেন, গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের (অডিও)

ডেস্ক,১৩ মার্চ : নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো-

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter