Author Archives: chief editor

টাইমস্কেল পাচ্ছেন ৮১ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক | :

৮১ জন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীকে টাইমস্কেল দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দৈনিকশিক্ষাকে জানান, এই ৮১ জনের সবাই নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেয়ার আগেই স্কেল প্রাপ্য হয়েছিলেন কিন্তু নানা জটিলতায় আবেদন করতে পারেননি বা আবেদন অনুমোদন না হওয়ায় তারা স্কেল পাননি। গত ২৪ মার্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো: মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এমপিও কমিটির সভায় ৮১ জনকে টাইমস্কেল সিদ্ধান্ত হয়। একই সভায় এক হাজার ৬৮ জনের এমপিও সংশোধনী ও ২৯ জনকে বকেয়া দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিবন্ধন: নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত থাকবে সনদের মেয়াদ-হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক |
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষকদের নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সনদের মেয়াদ থাকবে বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে বলা হয়েছে। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ঘোষিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল ) প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত অনুলিপিতে এ তথ্য জানা গেছে।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় ১৬৬টি রিটের ওপর দেওয়া ৪৯ পৃষ্ঠার রায়ের অনুলিপি আজ হাতে পেয়েছি।
গত ১৪ ডিসেম্বর রায়টি ঘোষণা করেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদউল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ।
ওইদিন রায়ের পর রিটকারীদের আইনজীবী জানান, মেধা তালিকার ক্ষেত্রে জেলা-উপজেলা কোটা বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি করে তা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে দেওয়া সাত দফা নির্দেশনায় বলা হয়- (১) নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সনদ দিতে হবে। নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সনদ বহাল থাকবে। (২) রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর থেকে ৯০ দিনের মধ্যে উত্তীর্ণদের নিয়ে একটি জাতীয় মেধা তালিকা করতে হবে। এ তালিকা এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
(৩) একটি জাতীয় মেধা তালিকা করতে হবে। বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা জাতীয় তালিকা নামে কোনো তালিকা করা যাবে না। (৪) এনটিআরসিএ প্রতিবছর মেধা তালিকা হালনাগাদ করবে। (৫) সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারী এবং অন্য আবেদনকারীদের নামে সনদ জারি করবে।
(৬) নিয়োগের উদ্দেশ্যে এনটিআরসিএ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরাবর যদি কোনো সুপারিশ করে তবে কপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং কমিটি বাতিল করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। এবং (৭) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করতে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ-প্রত্যায়ন বিধিমালার ২০০৬ এর বিধি ৯ এর উপ-বিধি ২(গ) বলা হয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা, জেলা এবং জাতীয়ভিত্তিক মেধাক্রম অনুসারে ফলাফলের তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হবে।
এ বিধি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন জামালপুরের সেলিম রেজাসহ ১৭২ জন নিবন্ধন সনদধারী। পরে আরও বিভিন্ন সময়ে অনেক সনদধারী রিট করেন। আইনজীবীদের মতে এর সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ হাজার সনদধারী হতে পারে।
পরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে উপজেলা, জেলা কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
এছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৪ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের মার্চের এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক: ০৪ এপ্রিল, ২০১৮
স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের মার্চের (২০১৮ খ্রি:)এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক বুধবার (৪ এপ্রিল) ছাড় হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।
————————————————————————————
—————————————————————————————
শিক্ষক-কর্মচারীরা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর মো: শামছুল হুদা দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
স্মারক নং ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০২.২০১৭/১৬১৮/৪।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারিগরি শিক্ষকদের মার্চ মাসের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | :
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ-২০১৮ মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) ছাড় হয়েছে। শিক্ষকরা নিজ নিজ এ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পরিচালক(ভোকেশনাল) ড. মো: নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। স্মারক নং – ৫৭.০৩.০০০০.০৯১.২০.০০৫.১৮-৩০২,৩০৩,৩০৪ ও ৩০৫
এছাড়াও যারা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন তুলতে পারেননি তারাও এপ্রিল মাসের মধ্যে তুলতে পারবেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আদালতে সোপর্দ হবেন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আবুল হাশেম ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। আজই তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হবে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া তিন স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এই তিন স্কুলছাত্রীর একজনের অভিভাবক গত সোমবার রাতে কর্ণফুলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, প্রতিদিন ছুটি শেষে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ছেলে মেয়েদের প্রাইভেট পড়াতেন ওই শিক্ষক। সেখানে বর্ণিত স্কুলছাত্রীটিও প্রাইভেট পড়তো। গত ১ মার্চ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন স্কুলছাত্রীটি প্রধান শিক্ষকের কাছে আর প্রাইভেট পড়তে যায়নি। প্রাইভেটে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে তার মাকে জানায়, প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্য ছেলেমেয়েরা তা দেখলে তাদেরকে মারধর করেন। একইভাবে আরো দুই শিশুকেও যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলার এজাহারে।

অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে ঢাকায় এলে মঙ্গলবার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হন। বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ বিকেলের মধ্যেই এই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে কর্ণফুলী থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম হাসান জানিয়েছেন ।

কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহেদুল আলম জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে শিশুটির অভিভাবক থানায় আসলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পরে ঢাকার মিরপুর থেকে উক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে নিপীড়নের শিকার তিন স্কুলছাত্রী ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।  মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মাসুদ পারভেজের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী জানান, নিপীড়নের শিকার তিন ছাত্রী আদালতে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পটুয়াখালীর বাউফলে শিক্ষক নেতার বানিজ্য\

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর বাউফলে এক শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষা বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৮ম ও ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ও ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার শিক্ষা বানিজ্যের কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের মধ্যে বিরাজ করছে অসন্তোষ। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার নাম মো. মঞ্জুর মোর্শেদ। তিনি ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সদস্য।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ৮ম শ্রেণির নিন্ধন ফি (স্মারক নং বশিবো/জেএসসি (০২/২০১৮/২২৮৪ তারিখ১৫-২-২০১৮ইং) ৬০টাকা। ৯ম শ্রেণির জন্য নিন্ধন ফি (স্মারক নং-বশিবো/বিনি/২০১৮/০৩ (৬ষ্ঠ খন্ড) /২২৯৫ তারিখ ৫-৩-২০১৮ইং) ১৭৫ টাকা নেওয়া বিধান রয়েছে। কিন্তু উপজেলার ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষক নেতা মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিচ্ছেন নয়’শ টাকা করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ৮৩ জন ও ৯ম শ্রেণিতে ৭৫ শিক্ষার্থী রয়েছে। মোট ১৫৮জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে লক্ষাধিক টাকা। যার সিংহভাগ টাকা পকেটেস্থ করেছেন ওই শিক্ষক।
এ দিকে সরকারে বিধিনুযায়ী প্রতি বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক-বার্ষিক নামে দুইটি পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও ওই শিক্ষক নেতা তার বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) থেকে ত্রৈ মাসিক পরীক্ষা শুরু করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারী নীতিমালাকে পাশ কাটিয়ে প্রধান শিক্ষক বানিজ্য করার জন্যই তিনি ওই পরীক্ষা শুরু করেছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে, আনুসাঙ্গিক ফিসহ ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১ হাজার একশত ৮০ টাকা। সপ্তম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ১০ টাকা। ১০ম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ৫০ টাকা। উপবৃত্তি প্রাপ্ত মেধাবি অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও কেটে রাখা হচ্ছে টাকা। তবে তাদের বেলায় ফি কিছুটা কম।
ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষায় নেওয়া হয়েছে অভিনব পন্থা। পরীক্ষার সিলেবাস শেষ না হওয়ায় ৫০ নম্বরের হাতে করা ফটোকপি প্রশ্নপত্রে ইংরেজি বিষয়ের মাধ্যমে শুরু হয়েছে পরীক্ষা। এ পরীক্ষার ফি আদায়ে আছে রঙিন ও সাদা প্রবেশ পত্রের মতো আরো অভিনব কৌশল। সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের সাদা কাগজে হাতে লেখা প্রবেশ পত্রে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সাময়িক অনুমতি দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শ্রেণি শিক্ষকদের। আর সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা শিক্ষার্থীরাই পাচ্ছে কেবল প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত রঙিন (ছাপানো অক্ষরের) প্রবেশ পত্র। কতিথ ত্রৈ মাসিক এই পরীক্ষা থেকেও আদায় হবে দুই লক্ষাধিক টাকা।
সকল অভিযোগ অস্বিকার করে প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ৮ম ও ৯ম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের নিন্ধন ফি সর্বচ্চ চারশত টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষাকে অস্বীকার করে তিনি বলেন, এটা পাঠ মূল্যায়ন। দুই একজন শিক্ষক এটাকে ভূলে ত্রৈ-মাসিক লিখতে পারে। তবে পরীক্ষার ফি এর সাথে আনুসঙ্গিক অন্যন্য চার্য রয়েছে।
##
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভূল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, ফল বিপর্যয়ের আশংকায় ৭ পরীক্ষার্থী

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

চলমান এইচ,এস,সি পরীক্ষা ভূল প্রশ্নপত্রে নেয়ায় হয়েছে বলে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন ৭জন পরীক্ষার্থী। আর এনিয়ে পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের আশঙ্কায় থাকায় তারা হতাশায় ভুগছেন বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ। তবে কেন্দ্র সচিব বলেন প্রশ্ন একই হওয়ায় কোন সমস্যা হবে না।

মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগী ৭ শিক্ষার্থীর অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য করা পরীক্ষার্থীরা পুনরায় ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন।  এর মধ্যে লালমনিরহাট সরকারী কলেজের ৪জন ও আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ৩ জন পরীক্ষার্থী শুধু বাংলা বিষয়ে অংশ নেন।

সোমবার (২ এপ্রিল) এ ৭জন পরীক্ষার্থী লালমনিরহাট মজিদা খাতুন সরকারী মহিলা কলেজ কেন্দ্র বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়।  কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হলে তাদেরকে ২০১৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন প্রদান করা হয়।  প্রথম দিকে কেন্দ্র সচিবকে বিষয়টি অবগত করলে তাদের চাপে এ প্রশ্নেই পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন পরীক্ষার্থীরা।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে অন্য কেন্দ্রের সহপাঠীদের মাধ্যমে জানতে পারেন অন্যসব কেন্দ্রে ২০১৭ সালের সিলেবাসে পরীক্ষা হয়েছে।  পরে তারা বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষ ও জেলা প্রশাসককে মোবাইলে অবগত করে প্রতিকার দাবি করেন।

মঙ্গলবার(৩ এপ্রিল) বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় এসব পরীক্ষার্থীকে ২০১৭ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন দেয়া হয়।  পরীক্ষা শেষে ৭ পরীক্ষার্থী এ ভুলের প্রতিকার চেয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ ও ২০১৭/১৮ সালের সিলেবাসে প্রশ্নের মানবন্টনে ভিন্নতা রয়েছে।  ২০১৬ সালের সিলেবাসে নৈবত্তিক ৪০ ও রচনামুলক ৬০ এবং ২০১৭/১৮ সালের সিলেবাসে নৈবক্তিক ৩০ ও রচনামুলক ৭০ নম্বর।  প্রশ্ন যাই হোক ফলাফলে প্রশ্নের মানবন্টনে তাদের সমস্যা হওয়ার সম্ববনা রয়েছে বলে পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন।

পরীক্ষার্থী আল আমিন ও হাবিবুল্লাহ জানান, খাতা মুল্যায়নের সময় প্রশ্নের মানবন্টনে তাদের ফলাফলে সমস্যা হতে পারে। তাই প্রথমেই ভুল প্রশ্নের প্রতিবাদ জানান। কিন্তু কোন কাজ হয়নি।  কেন্দ্র সচিব বলেছিলেন এটা কাউকে  বলার দরকার নাই। বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডের সাথে কথা বলে ঠিক করা হবে।  কিন্তু তা কতটু সম্ভব তা নিয়ে তাদের শ্বংসয় রয়েছে বলে দাবি করেন পরীক্ষার্থীরা।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর কেন্দ্র সচিব ও কলেজ অধ্যক্ষের সাথে কথা বলা হয়েছে। তারা বলেছেন প্রশ্ন একই তাই সমস্যা হবে না। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রনির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানায় তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান শিক্ষক হলেন মো. আবুল হাসেম। বিদ্যালয় ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়ানোর সময় গত ১ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে তিন শিক্ষার্থীকে তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রী আদালতে আজ এ বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের পতেঙ্গা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, তিন শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছে। আদালতে তারা জবানবন্দি দিয়েছে। আজ দুপুরে ঢাকা থেকে প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে এক ছাত্রীর মা বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১ মার্চ থেকে ১৫ দিন প্রাইভেট পড়ার পর তাঁর মেয়ে আর পড়তে যাচ্ছিল না। তখন মেয়ের কাছে ওই শিক্ষকের কাছে যেতে না চাওয়ার কারণ জানতে চান। ওই শিক্ষক যৌন হয়রানি করেন বলে মেয়েটি তার মাকে জানায়। একইভাবে তাঁর মেয়ের আরও দুই সহপাঠীকেও প্রধান শিক্ষক যৌন হয়রানি করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আজ বিদ্যালয় এলাকায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের শান্ত করে। সকালে কিছু শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেও বিক্ষোভের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বেলা একটার দিকে শিক্ষকেরাও বিদ্যালয় বন্ধ করে চলে যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বানান ছাড়া পাসপোর্টে অন্য কোনো সংশোধন নয়: ডিজি

অনলাইন রিপোর্টার ॥ অনেকে বয়স পরিবর্তন করে পাসপোর্ট সংশোধন করতে আসে। আবার অনেকেই রহিমের জায়গায় করিম লিখতে চান। এসব ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নয়। আবার অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে চায় সেটাও সম্ভব নয়। সংশোধনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বানানে ভুল হয়ে থাকলে তা পরিবর্তন যোগ্য। জানালেন ইমিগ্রেশন এন্ড পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল রেজওয়ান মাসুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে ইমিগ্রেশন এন্ড পাসপোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (পিআইআরএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা রাজধানীর আগারগাঁও কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু ও এটিএম আবু আসাদসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। রেজওয়ান মাসুদ বলেন, দালালদের ধরতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড হয়ে গেলে সত্যায়ন ও পুলিশ রিপোর্টের প্রয়োজন হবে না, এজন্য কাজ করা হচ্ছে।

ডিজি বলেন, পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির কারণে গত কয়েক বছরে ২১ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ৪২ জনকে বিভিন্ন শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। অপরদিকে যারা ভালো কাজ করেছে এমন ৩২ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

বগুড়ায় পাসপোর্ট কর্মকর্তার ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার ব্যাপারে ডিজি বলেন, সন্ত্রাসীরা কোনদিন শেল্টার পাবে না। তারা সমাজ ও দেশের শত্রু। নির্ভয়ে কাজ করার জন্য স্বরাস্ট্রমন্ত্রীও সকলকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি বিজয় একাত্তর হল ক্যান্টিন মালিককে অবাঞ্চিত ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ক্যান্টিনের খাবারের নিন্মমান ও পুষ্টিহীন বলে অনেক দিন ধরে অভিযোগ করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে ও মানসম্মত খাবার পরিবেশন করতে ব্যার্থ হওয়ায় ক্যান্টিন ম্যানেজারকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে হল প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হল বিজয় একাত্তর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে হল প্রশাসন থেকে একটি নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশে লেখা হয়েছে- ‘কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ০১ (এক) দিন দুই বেলা ক্যান্টিন বন্ধ রাখা, ক্যান্টিনের খাবারের মান যথার্থ না হওয়া এবং নির্ধারিত মূল্য তালিকার অধিক মূল্যে খাবার পরিবেশন করার কারণে বিজয় একাত্তর হল ক্যান্টিন ম্যানেজার ইসমাঈল হোসেনকে বিজয় একাত্তর হল প্রাঙ্গণে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর তাকে হল প্রাঙ্গণে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিন ম্যানেজার হলেন- মো. ইসমাঈল হোসেন। ক্যান্টিনে অত্যন্ত নিন্মমান ও পুষ্টিহীন খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। বিষয়টি নজরে আসার পরপর হল প্রাধ্যক্ষ ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া ওই ক্যান্টিন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহন করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি পেয়েছে ৮২ হাজার ৫০০ জন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশের কথা জানান এবং এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রাথমিক সমাপনীর ফলাফলের ভিত্তিতে এবার ৮২ হাজার ৫০০ জন বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুলে এবং ৪৯ হাজার ৫০০ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd)।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ২২৫ টাকা করে দেওয়া হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বৃত্তির টাকা পাবে।

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং মেধার স্বীকৃতি দিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হয়। এবার বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বৃত্তির অর্থের পরিমাণও বাড়িয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

গত বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। প্রাথমিকে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন এবং ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন জিপিএ-৫ পায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সমাপনীতে পুনঃনিরীক্ষার পর ২৬ হাজার ৩৮৬ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আজ মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ২৬ হাজার ৩৮৬ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। তার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে (পিইসি) ২৪ হাজার ৩৬৪ ও ইবতেদায়িতে ২ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

 

জানা গেছে, পিইসিতে ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ফলাফলে অসন্তোস হওয়ায় ৯৬ হাজার ৭১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে পিইসিতে ৯১ হাজার ৪৮৯ জন আবেদন করলে ২৪ হাজার ৩৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়। অপরদিকে, ইবতেদায়িতে ৫ হাজার ২৬ জন আবেদন করলে তাদের মধ্যে ২ হাজার ২২ জনের ফল পরিবর্তন হয়।

 

তথ্যমতে, শিক্ষার্থীদের আবেদনের মধ্যে ২২ হাজার ৯৭৭ জন ইংরেজি বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে সব চাইতে বেশি আবেদন করলে তার মধ্যে ৫ হাজার ৬৩ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। আর পরিবেশ পরিচিতি বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে ৫ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থীর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বখাটের হুমকিতে নবম শ্রেনীর ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রীকে বখাটে কর্তৃক হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধার নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাতনীকে অপহরণের হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অনিশ্চিত হয়ে পরেছে ওই শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার প্রয়াত আলাউদ্দিন খন্দকারের স্ত্রী শেফালী বেগম জানান, গত কয়েকদিন পূর্বে তার পুত্রবধুকে মোবাইলে একাধিক অশ্লীল ম্যাসেজ লিখে পাঠায় প্রতিবেশি কালাচাঁদ শীলের মাদকাসক্ত বখাটে পুত্র গোপাল শীল। বিষয়টি নিয়ে গোপালকে জিজ্ঞাসা করা হলে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী শেফালী বেগমকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় গোপালের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী সাদিয়া রহমান পাঞ্জেরী জানান, গোপালের বিরুদ্ধে থানায় জিডির ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত কয়েকদিন পূর্বে তার মামা ইতালী প্রবাসী মাসুম খন্দকারের ব্যবহৃত ঘরে থাকা মোটরসাইকেল প্রকাশ্যে ছিনিয়ে নিয়ে যায় বখাটে গোপাল। এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে বাটাজোর বাজারের একটি মোটর মেকানিকের দোকান থেকে ভাঙ্গাচুড়া অবস্থায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি কাউকে বলা হলে পাঞ্জেরীকে অপহরণের পর প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। বখাটে গোপালের অব্যাহত হুমকির মুখে স্কুলে যেতে পারছেনা ওই স্কুল ছাত্রী। কর্মের সুবাধে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার দুইপুত্র প্রবাসে থাকায় নাতনী পাঞ্জেরীকে নিয়ে শেফালী বেগম বাড়িতে বসবাস করছেন। ফলে বখাটের অব্যাহত হুমকির মুখে এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন নানী শেফালী ও তার নাতী পাঞ্জেরী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নাটোরের পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বহিষ্কার ৩ শিক্ষক f

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর ॥ নাটোরের গুরুদাসপুরের বিল চলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারী অর্নাস কলেজে চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ৩ শিক্ষককে পরীক্ষার সকল কার্যক্রম থেকে এ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তাদের বিরুদ্ধে এই বহিষ্কারাদেশ দেন পরীক্ষা কমিটি। বহিঃষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন, শামসুজ্জোহা কলেজের প্রভাষক লুৎফুল হক ও রিতা রানী এবং একই কলেজের ডেমোনষ্ট্রেটার (প্রদর্শক) আখের আলী।

কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ও পরীক্ষার্থী কাউছার আলী, দুলাল হোসেন সহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীরা জানান, গতকালের এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষায় শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজের ৩০১ নম্বর কক্ষে ৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে ২০১৬ সালের পুরাতন সিলেবাসের ১৫ জন এবং চলতি বছরের নিয়মিত ৩৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল। দায়িত্বরত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র প্রদানের সময় পুরাতন সিলেবাসের ১৫টি প্রশ্নপত্র ভুল করে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের দিয়ে দেয়। পরে পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ওই প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি ছাত্ররা পরীক্ষা কেন্দ্র উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিমকে জানায়। কেন্দ্র সচিব বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পান। এ ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই তিন শিক্ষককে এ বছরের পরীক্ষার কার্যক্রম থেকে বহিঃষ্কার করেন।

এ ব্যপারে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে সাতদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উত্তর পেলে সে অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আঙুলহীন এইস,এস,সি পরীক্ষার্থী

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

দুই হাতে আঙুল নেই, তাতে কি হয়েছে। মনের ইচ্ছাশক্তি আর আগ্রহ তো আছে। তাই চেষ্টা করলেই উপায় হয় আর উপায় পেলে জীবনে সফল হওয়া যায়। অন্য ১০০জন যা পারেন না তাই করে দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিবন্ধী মেধাবী ছাত্র রুবেল মিয়া। সে এবারে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

সোমবার (২রা এপ্রিল) লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা উত্তরবাংলা ডিগ্রী কলেজের এইচ,এস,সি পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা মেলে তার। সে ঐ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক বিএম শাখার ছাত্র।

দায়িত্ব থাকালীন কালীগঞ্জ উপজেলা (পিআইও) কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, রুবেল মিয়া অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র।
তার দুই হাতে আঙুল নেই তবুও তার হাতের লেখা চমৎকার। বাংলা পরীক্ষায় খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছে ছেলেটি।

কাকিনা মহিমা রঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে আসলে আমি কিছুক্ষণ তার পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছি ছেলেটির হাতের লেখা অত্যন্ত চমৎকার। পরীক্ষাও দিচ্ছে খুব ভালো।

উপজেলা (পিআইও) কর্মকর্তা আরও জানান, শুধু একজন মেধাবী ছাত্রই নয় রুবেল মিয়া। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি কম্পিউটার ও লন্ডির ব্যবসাও করেন।

রুবেল মিয়া জানায়, পরীক্ষা খুব ভালো হয়েছে। দুই হাতের আঙুল না থাকলেও লিখতে আমার কষ্ট হয় না। এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আশা করছি সবগুলো পরীক্ষা ভালো হবে এবং সেই সঙ্গে পরীক্ষার ফলাফলও খুব ভালো হবে।

উত্তরবাংলা ডিগ্রী কলেজের উপঅধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, রুবেল প্রতিবন্ধী হলেও তার মেধা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি। তার হাতের লেখাও ভাল। সে তার পঙ্গু হাত দিয়ে লেখার পাশাপাশি সব ধরনের খেলাধুলা, বাই সাইকেল চালানো ছাড়াও অন্যান্য কাজ নিজে করতে পারে।

রুবেলের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার পাঁচ সদস্যের পরিবারে রুবেল দ্বিতীয় ছেলে। রুবেলের বাবা সুকানদিঘী বাজারে কাপড় লন্ডি করতেন। তার বাবার মৃত্যুর পর তাকে এই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি চালাতে হয়। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালাতেই কষ্ট হয়। তার সঙ্গে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালাতে কষ্ট হয়।

রুবেলের মা আরও বলেন, আমার আরেকটি বড় মেয়ে আছে ঢাকায় থাকে। সে একটি গার্মেন্টসে চাকিরি করেন মাসে অল্প কিছু পাঠান। এ দিয়ে কোন মতো সংসার চালাতে হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail