Author Archives: chief editor

কালকিনিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে গণ-সচেতনতামূলক সভা

কালকিনি : ট্রাফিক সচেতনতা, প্রচলিত আইন কানুন ও সাইবার অপরাধসহ অন্যান্য আইন সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে গণ-সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরকে বাল্য বিয়ে ও মাদক বিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।

আজ রোববার দুপুরে কালকিনি থানা পুলিশের উদ্যোগে সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার, উপজেলা চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান শাহিন, কলেজের অধ্যক্ষ হাসানুল হক সিরাজী, ওসি কৃপা সিন্ধু বালা, আ’লীগের যুগ্ন-সম্পাদক লোকমান সরদার, সহকারী অধ্যক্ষ মোঃ বশির আহম্মেদ, কলেজ শিক্ষক মুজিবুর রহমান ও প্রধান শিক্ষক বিএম হেমায়েত হোসেন প্রমুখ।

গত ৫টি ম্যাচে দুটি সেঞ্চুরি, দুটি হাফ সেঞ্চুরি ইনজামামের ভাতিজার

স্পোর্টস ডেস্ক: অনেকে এখন বলেন পাকিস্তানের দল নির্বাচনে ইনজামাম উল হকের পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। তার আপন ভাতিজাকে জাতীয় দলে নেয়ায় এই সমালোচনা দেশি-বিদেশি সব মিডিয়ায়।

ইমাম দলে ডাক পেয়ে এই সমালোচনায় হতবাক না হয়ে পারেন নি। কেউ বাহবা দিলেও খোদ পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকে ভালো নজরে দেখেননি এটাকে। তবে জবাব দিতে মোটেই দেড়ি করেননি তিনি।

অভিষেকের প্রথম ম্যাচেই হাকান সেঞ্চুরি। এর পরেও যেন কেমন কেমন রব। এশিয়াকাপে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ২ রান করেন ইমাম। এর আগে হংকংয়ের বিপক্ষে তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেন।

ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার অনলাইনে এমপিও আবেদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | : বেসরকারি ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইনে এমপিও আবেদন  শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে এমপিও আবেদন করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভুঞা দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়,আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেসরকারি ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন এমপিওর জন্য আবেদন করতে হবে।  অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদনের লিংক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরা শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র জানায়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন কোড এবং একাডেমিক স্বীকৃতি ছাড়া এমপিও প্রদান সম্ভব হচ্ছে না। তাই একাডেমিক স্বীকৃতির যেসব আবেদন বোর্ডে জমা আছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে বলা হয়েছে। স্বীকৃতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইআইআইএন নম্বর প্রাপ্তির আবেদন করতে বলা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বের ভাতা চেয়ে আইনি নোটিস

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের কার্যভার ভাতা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৪ জনের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিস পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ব্যর্থতায় হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়েরসহ অন্যান্য আইনি লড়াই শুরু হবে।  শিক্ষকদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ডাকযোগে ওই আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমকি ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কাছে দেয়া নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিসপ্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা সুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক মো: সিদ্দিকুর রহমান খান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি সুব্রত রায়, বাগানবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলামের পক্ষে দেয়া আইনি নোটিসে অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কার্যভার ভাতা পাচ্ছেন না।

এ বিষেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে মৌখিক ও লিখিতভাবে যোগাযোগ করা হলেও চলতি দায়িত্ব বা অতিরিক্ত দায়িত্বভাতা প্রদান করা হচ্ছে না। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও তারা তাদের অনুমোদিত ভাতা পাচ্ছেন না। এ বিষয় নিয়ে একাধিক থানা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে শিক্ষকরা ব্যর্থ হন। এতে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ আবেদনে আয় ৪০ কোটিরও বেশি

চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদন কার্যক্রম চলে। এই নিয়োগ পরীক্ষাবাবদ প্রতিজনের আবেদনের জন্য ১৬৮ টাকা ফি আদায় করা হয়। এই হিসাবে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থীর আবেদনে ৪০ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৬ টাকা জমা হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এবার রেকর্ডসংখ্যাক আবেদন জমা হয়েছে। এ বাবদ যে অর্থ জমা হয়েছে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফান্ডে রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ করতে বিপুল পরিমাণে ব্যয় হয়ে থাকে। এ জন্য সারাদেশে বিপুল পরিমাণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রাখতে হয়। সব মিলে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। তবে এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন আসায় সরকারি রাজস্ব আয় কিছু হলেও হতে পারে।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএমের মধ্যমে ফি জমা নেয়া হয়। সে অনুযায়ী, টেলিটকে দুটি এসএমএস পাঠানোবাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হয়। বাকি টাকা নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে জমা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাকিল আহমেদ বলেন, বেশি আবেদন জমা হলেই টেলিটক কোম্পানির খুব বেশি লাভ হয় না। পুরো অর্থই নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে চলে যায়। তাই আবেদনকারীর কাছে দুটি এসএমএস বাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হলেও আবেদনকারীকে একাধিক এসএমএস পাঠানো হয়। এ ছাড়া নিয়োগ সংক্রান্ত সব আপডেট এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হয়।

তিনি বলেন, প্রতি আবেদনে ৪ টাকা নিলেও টেলিটক কোম্পানির আয় হয়ে থাকে মাত্র দুই শতাংশের বেশি। আবেদন প্রতি ৪ টাকা কেটে বাকি টাকা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দিতে হয়।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য একজন আবেদনকারী জান্নাত মুনিয়া বলেন, সব সরকারি প্রতিষ্ঠানেই ব্যাংকের মতো ফি নেয়া বন্ধ করা উচিত। ব্যাংক যদি পরীক্ষার ফি না নিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম চালাতে পারে তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কেন পারবে না?

তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগে পরীক্ষা ফি বন্ধ হবে কবে?

সোহেল রানা নামে আরেক চাকরিপ্রার্থী বলেন, প্রতি মাসে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য আমাকে কমপক্ষে এক থেকে দেড় হাজার টাকা গুনতে হয়। টিউশনি করে চলি। এর মধ্যে চাকরির আবেদনে মাসে মাসে এভাবে টাকা গুনতে হয়।

তিনি বলেন, ‘বলা হয়, বেকারত্ব একটি অভিশাপ। আর এই বেকারত্বকে পুঁজি করেই শতশত কোটি টাকা আয় করছে সরকার। একটি আসনের বিপরীতে শতশত প্রার্থী আবেদন করছেন। এই সুযোগই নিচ্ছে সরকারি সংস্থা বা বিভাগগুলো।’

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ আবেদনকারীর মধ্যে সর্বোচ্চ আবেদন রয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি আবেদন পড়েছে। এরপরে ময়মনসিংহে ৮৮ হাজার ২১৮টি, কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি, জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি আবেদন পড়েছে।

রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি, সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি, পাবনায় ৫১ হাজার ২৩১, কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি, মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি, ঝিনাইদহে ৩৭ হাজার ৬১৭টি, মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি, যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি, সাতক্ষীরায় ৪৫ হাজার ৬১টি, খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি, বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি, শেরপুরে ২৫ হাজার ৪৬৬টি, নেত্রকোণায় ৪২ হাজার ৭৫৩টি, কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার ৮৮৫টি, টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি, গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি, নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি, মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি, ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮, নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি, মুন্সিগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি, রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি, ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি, মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি, শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি, গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি আবেদন পড়েছে।

চাঁদপুরে ৪৬ হাজার ৯১টি, লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার ৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৩৯টি, ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি, কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি, ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরগুনায় ২১ হাজার ৭১৭টি, পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার ৮০৭টি, ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি, সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি, সিলেটে ৫০ হাজার ৩৭০টি, হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি, মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি, পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি, নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি, লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি, কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং গাইবান্ধায় ৫৫ হাজার ৫১৭টি আবেদন।

প্রাথমিকের নতুন সচিব আকরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আকরাম-আল-হোসেনকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নিত দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে মো. আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে সচিব থেকে সিনিয়র সচিব করা হয় ।

আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে একদিন আগে ভারপ্রাপ্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. মাহফুজুর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব এসএম গোলাম ফারুক, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীল বসু ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আযমকে সিনিয়র সচিব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন ছয়সহ বর্তমানে সরকারের সিনিয়র সচিবের সংখ্যা হল ১১ জন। সিনিয়র সচিবদের পদমর্যাদা মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের মাঝামাঝি। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ৯ জানুয়ারি মহাজোট সরকার প্রশাসনে প্রথমবারের মতো সিনিয়র সচিব নামে পদ চালু করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামছুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বেগম রৌনক জাহানকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে।

প্রাথমিকে ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা অক্টোবরে।

ডেস্ক,১৫ সেপ্টেম্বন: টিবিটি চাকরির খবরঃগত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।

ডিপিই সূত্র জানিয়েছে আগামী মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে ওই নিয়োগ পরীক্ষা। আগামী ২৬ অক্টোবর শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।

পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে এমএমএস করে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

চলতি ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো সম্পর্কে একটি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এতে সত্য মিথ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরটি কিভাবে লিখতে হবে তা বলা হয়েছে। সব সমাপনী পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশনা জারি করা হয়। দৈনিক শিক্ষার পাঠকদের সুবিধার্থে নির্দেশনাটি তুলে ধরা হল।

কলাপাড়ায় সন্ত্রাসীদের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত, গ্রেফতার ৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওরফে শাহআলম মাস্টারের বাম পা গোড়ালি পর্যন্ত কেটে ফেলেছে। এসময় তাকে বেধড়ক কোপানো হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব মোস্তফাপুর গ্রামে দরবেশ বাড়ির সামনের সড়কে শনিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। মুমুর্ষ অবস্থায় গ্রামের লোকজন শাহআলম মাস্টারকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নেয়।

সেখান থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শাহআলম মাস্টার জানান, নজরুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের সশস্ত্র সন্ত্রাসী তকে অনুসরন করে হত্যার জন্য এমন হামলা চালায়। কলাপাড়া থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাতক্ষণিক জড়িত সন্দেহে একই এলাকার রহিম খোকন, সাঈদুর রহমান সাইদ, মাহাদী হাসান, তাইফুল ও মোঃ হোসাইনকে গ্রেফতার করেছে। এসময় শত শত মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ জানায়। এ ঘটনার জের ধরে পাল্টা হামলার শঙ্কা করছেন স্থানীয় মানুষ। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও আহতের স্বজনেরা জানান, বরিশাল শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহ আলম হাওলাদার শনিবার সকালে শিশু ছেলে আফ্রিদিকে নিয়ে পূর্ব মোস্তফাপুর গ্রামে বোন জামাই মকবুল মাস্টারের বাড়িতে কোরবানির দাওয়াত খেতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা সশস্ত্র ১০-১২ সশস্ত্র সন্ত্রাসী অতির্কিত হামলা চালায় তার ওপর। সন্ত্রাসীরা তার শিশুসন্তানের সামনে বাম পায়ের গোড়ালির উপর দিয়ে কেটে ঝুলিয়ে দেয়। ডান পা, দুই হাত ও মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ১০-১২ মিনিট ধরে সন্ত্রাসীদের নৃশংস তান্ডব চলে। এ সময় শাহ আলম মাস্টার ও তার শিশুপুত্রের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা সটকে পড়ে। কলাপাড়া হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শংকর কুমার পাল জানান, আহত শাহ আলমের বাম পায়ের ৯০ ভাগ কেটে ফেলা হয়েছে। এ কারনে পা রক্ষা করা অসম্ভব। শরীরেও ধারালো অস্ত্রের কোপের একাধিক জখম রয়েছে।

কলাপাড়া থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, স্থানীয় বাদশা মেম্বার-আইয়ুব আলী গ্রুপের সঙ্গে শাহআলম মাস্টার গ্রুপের দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরে প্রচন্ড বিরোধ রয়েছে। ইতোপুর্বে এরা একে অপরের ওপর অন্তত ১২/১৩ বার সশস্ত্র হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনা ঘটায়। তিনি এও জানান, আহত শাহআলম মাস্টারের বিরুদ্ধে অন্তত দেড় ডজন মামলা রয়েছে।

তবে এ ঘটনায় জড়িতদের বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নাসির মাহমুদ জানান, এরা উভয়গ্রুপ বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক নেতাকর্মী। এদের বছরের পর বছর ধরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নীলগঞ্জের মানুষ রয়েছে আতঙ্কে।

 

চাকরিতে ঢোকার বয়স ৩২

মেয়াদের শেষ সময়ে এসে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার।

এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন।

সোমবার তিনি বলেন, “আলোচনা হচ্ছে, প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি, খুব তাড়াতাড়ি হবে। খুব তাড়াতাড়িই জানতে পারবেন।”

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হলেও অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, “এন্ট্রিটা বাড়তে পারে আশা করছি।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।

শফিউল বলেন, “স্থায়ী কমিটি সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা শেষ করেছেন, এখন আমরা প্রস্তাব তৈরির কাজে হাত দেব।”

বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাকরিতে প্রবেশের বয়স দুই বছর বাড়তে পারে বলেও আভাস দেন ওই কর্মকর্তা।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসরের বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির কারণে তা ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

এছাড়া গত বছরের ২১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৬০ বছর করার ঘোষণা দেন।

অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানোর পর চাকরিতে প্রবেশের বয়সও বাড়ানোর দাবি ওঠে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে। এ নিয়ে আন্দোলনের পাশাপাশি সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেন তারা।

চাকরিপ্রার্থীরা যুক্তি দেখান, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়োগ দেয় না। ফল বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরির সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

সরকারের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

২০১৬ সালের মে মাসে জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা যুব বয়সের মেধাশক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। এজন্য আমরা চাই সকলে সময়মত পড়াশুনা করে চাকরিতে প্রবেশ করুক। এজন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।”

শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ সাকিবের

তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে
* এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে
*তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে, ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে

ডেস্ক: বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিহতের পর দেশজুড়ে আন্দোলন করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের পক্ষ থেকে এসেছে ‘নয় দফা দাবি’। যে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে তারা। গত কয়েকদিন ধরে এতে প্রায় থমকে গেছে দেশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বড় বড় তারকারা। এবার এই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথা বললেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ খেলতে এখন বাংলাদেশ দল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। সেখান থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ফেসবুক’-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাকিব। যাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। তবে তাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে জানিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে সাকিব লিখেছেন, ‘আমি এখন ফ্লোরিডায় আছি। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমার তরুণ ফ্যানদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চাই।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী দিয়া ও আবদুল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় আমি প্রচণ্ড মর্মাহত ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম তার সহপাঠী থেকে শুরু করে সারাদেশের ছাত্রছাত্রীরা দোষীদের শাস্তি দাবি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে, তখন গর্ববোধ করেছি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে। দেশে থাকলে আমিই তোমাদের অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য চলে আসতাম।

তোমাদের সাধুবাদ জানিয়ে বলতে চাই, তোমাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ছাড়াও নিরাপদ সড়ক আইন করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অবস্থায় তোমাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো, ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে। তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে। এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে।

তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে। ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে।’

৬০ বছর বয়স হলেই দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ শিক্ষাবোর্ডের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বয়স ৬০ বছর হলেই দায়িত্ব হস্তান্তর করে প্রধান শিক্ষকদের বাড়ী চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাবোর্ড। কোনও অজুহাতেই চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই। অনেক প্রধান শিক্ষক ৬০ বছর পূর্ণ হলেও দায়িত্ব হস্তান্তর করার মতো যোগ্য শিক্ষক খুঁজে না পাওয়ার অজুহাতে আরো কিছুদিন পদে আকড়ে থাকেন। তাদের জন্য রয়েছে বোর্ডের কড়া নির্দেশ।

ঢাকা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত ২৯ জুলাইয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে,“প্রধান শিক্ষকদের চাকুরীর মেয়াদ ৬০ বছর পূর্ণ হলে, সহকারি প্রধান শিক্ষক অথবা সহকারি প্রধান শিক্ষক না থাকলে জ্যেষ্ঠতম শিক্ষকের নিকট প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সেটি বিধিবর্হিভূত হিসেবে গণ্য হবে।”

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০১৮ এর আলোকে শিক্ষাবোর্ড বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে চিঠির কপি পাঠিয়েছে।

রাশেদের মায়ের আকুতি আমার বাবারে মুক্তি দিন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম। ছবি: সংগৃহীতনিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের মা সালেহা বেগম তাঁর ছেলেকে ফেরত পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার বাবার মুক্তি চাই। আমার বাবা রাশেদকে ফিরিয়ে দিন। সে সাধারণ ছাত্র। কত কষ্ট করে আমার বাবাকে মানুষ করেছি, তাকে মুক্তি দিন। তার জন্য পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার বিকেলে এক মানববন্ধনে এভাবেই আকুতি জানাচ্ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের গ্রেপ্তারকৃত নেতা রাশেদের মা। কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে আটক ছাত্রদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি তো মা; প্রধানমন্ত্রী, আপনি তো মায়ের জ্বালা বোঝেন। আপনার কাছে আবেদন, আমার বাবাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে দিন। আমার বাবারা তো কোনো রাজনীতি করে নাই, তারা তো কোনো অপরাধ করেনি। তারা শুধু চাকরির জন্য গেছিল। জেলে আটক সব বাবাদের মুক্তি দিন।’

মানববন্ধনে রাশেদের বাবা মো. নবাই বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আমার ছেলের মুক্তির দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি, তার পড়াশোনাটা আবার আগের মতো স্বাভাবিক করে দেওয়া হোক। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারছি না।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে গত ১ জুলাই রাজধানীর ভাষানটেক থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালত রাশেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজকের এই মানববন্ধন করে যুব ঐক্য প্রক্রিয়া। যুব ঐক্য প্রক্রিয়া জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার একটি সহযোগী সংগঠন। এক ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক নেতাদের মা-বাবারা বক্তব্য দেন। তাঁরা সন্তানের মুক্তির দাবি জানান। অভিভাবকেরা বলেন, তাঁদের সন্তানেরা কোনো অন্যায় করেননি। তাঁদের সন্তানেরা কোটা সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মশিউর রহমানের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, ‘কী দোষ করেছিল আমাদের ছেলেরা? তাদের এভাবে কেন রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে, কারাগারে পাঠানো হচ্ছে? আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি একজন রিকশাওয়ালা। আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।’

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্যসচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি ছাত্ররা তুলবেনই। এটা তাঁদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু ছাত্রদের ওপর নির্যাতন, গুম করা হচ্ছে কেন? ছাত্রদের কেন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হবে? দেশের সর্বস্তরে অব্যবস্থা। এটা চলতে দেওয়া যায় না। ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের দুঃশাসন, দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে।

‘আমাকে রাতের পোশাকে দেখতে চেয়েছিলেন পরিচালক

‘আমাদের জগতে মেয়েদের নানাভাবে অত্যাচার করা হয়। আমার কাছেও এক কুরুচিকর প্রস্তাব এসেছিল। আমি তখন বলিউডে নতুন নতুন এসেছি। চলচ্চিত্রের একজন পরিচালকের সঙ্গে ছবির ব্যাপারে কথা বলতে যাই। তিনি আমাকে রাতের শয্যার পোশাকে দেখতে চান। পরিচালক বলেন, ‘স্লিভলেস নাইটি পরে আমাকে আগে দেখাও। এই কথা শুনে আমি ওখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসি।’ বললেন বলিউড তারকা মাহি গিল। গত ২৭ জুলাই মুক্তি পেয়েছে ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’। ছবিতে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, জিমি শেরগিল, মাহি গিল, চিত্রাঙ্গদা সিং, সোহা আলী খান প্রমুখ। মুক্তির আগে এই ছবির প্রচারণা করতে গিয়ে সাংবাদিকের মুখোমুখি হন মাহি গিল। ওই সময় ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

মাহি গিলমাহি গিলবলিউডে নিজের সেই শুরুর দিনগুলো প্রসঙ্গে মাহি গিল বলেন, ‘ওই সময় প্রচুর লড়াই করেছি। তবে আমার “না” বলার ক্ষমতা ছিল। কাজ পাওয়ার জন্য ওই পরিচালকের প্রস্তাবে রাজি হইনি। অনেকের মধ্যে “না” বলার সাহস থাকে না। ওই পরিস্থিতিতে বুঝে উঠতে পারেন না, কী করবেন। বিশেষ করে যাঁরা ছোট শহর থেকে আসেন, তাঁরা খুব অসহায় বোধ করেন।’

এক সপ্তাহ পর জানা গেছে, ১০ কোটি রুপি বাজেটের ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’ ছবিটি ব্যবসায়িক দিক থেকে একেবারই সুবিধা করতে পারেনি। ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তবে ছবিতে মাহির অভিনয় খুব প্রশংসিত হয়েছে।

মাহি গিলমাহি গিলএদিকে ‘সাহেব, বিবি ঔর গ্যাংস্টার থ্রি’ ছবিতে মাহি গিলকে কিছু সাহসী দৃশ্যে বেশি দেখা গেছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘গোড়ার দিকে ছবিতে আমি অনেক খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করেছিলাম। তারপর আমার কাছে এ ধরনের ছবির প্রস্তাব বেশি এসেছে। তবে চিত্রনাট্যে প্রয়োজন থাকলে এ রকম দৃশ্যে নিশ্চয়ই অভিনয় করব। শুধু শরীর প্রদর্শন করার জন্য তা কখনোই করব না।’

বলিউডের কাজের পরিবেশ নিয়ে মাহি বলেন, ‘আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অনেক ভালো। এখানে কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করা হয় না। আমাদের জগতে ধর্ষণের মতো কুরুচিকর ঘটনা ঘটে না। সেদিক থেকে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি অনেক নিরাপদ। অন্য জগতের থেকে অনেক ভালো।’

মোবাইল ফোনে ৫০ পয়সায় কল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: মোবাইল ফোনে কল করার একটি সর্বজনীন সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ফলে এখন থেকে ৫০ পয়সায় মোবাইল ফোনে কল করা যাবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে ফোনকলের খরচ কমবে। তবে এতে একই অপারেটরের কোনো গ্রাহককে ফোন করলে খরচ বাড়বে। মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে গ্রাহকের ফোন করার সার্বিক খরচ আগের চেয়ে কমবে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সভাপতিত্বে গত বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সর্বনিম্ন কলরেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রধান নির্বাহীসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে টেলিযোগাযোগ খাতবিষয়ক আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হার ৫ শতাংশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিটিআরসির নিজস্ব ভ্যাট নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর বদলের সুবিধা বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা দুই মাস পর চালু এবং গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের জন্য নতুন নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দেওয়া। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে একই অপারেটরে (অননেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ২৫ পয়সা আর অন্য অপারেটরে (অফনেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ পয়সা। নতুন কলরেট চালু হলে অননেট ও অফনেটের এই পার্থক্য আর থাকবে না। সব অপারেটরে কথা বলার সর্বনিম্ন মূল্য হবে ৫০ পয়সা। এর মধ্যে যে অপারেটর থেকে কল যাবে, সেই অপারেটর পাবে ৩৬ পয়সা, যে অপারেটরের নেটওয়ার্কে কল যাবে, তারা পাবে ১০ পয়সা ও ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) পাবে ৪ পয়সা।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এখন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হয় ৪০ পয়সা। আর অফনেট, অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ১০ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা।

মোবাইল ইন্টারনেটে ৫% ভ্যাট কার্যকর

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে এনবিআর একটি ব্যাখ্যা দেওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ভ্যাটও ৫ শতাংশ হবে। বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনার পর গতকাল থেকেই ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় শুরু করেছে অপারেটররা।

hit counter