Author Archives: chief editor

ফেসবুকে কারও মন্তব্য পছন্দ না হলে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক ॥ ফেসবুকে কারও মন্তব্য পছন্দ না হলে সে মন্তব্যকে এখন ডাউনভোট দিতে পারবেন। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দিতে এ ফিচার চালু করছে ফেসবুক। ধীরে ধীরে সব ব্যবহারকারী এ ফিচার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। ডাউনভোট ফিচারটি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ডিজলাইক বাটন নয়।

কোনো মন্তব্য অপছন্দ হলে, তা ডাউনভোট বাটনে চাপ দিতে পারবেন ব্যবহারকারী। এতে ওই মন্তব্য আর তিনি প্রকাশ্যে দেখবেন না, তবে অন্যরা দেখতে পাবেন। মন্তব্যকে ডাউনভোট দিলে তা আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা বিষয়বহির্ভূত কি না, তা জানাতে হবে ফেসবুককে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এ বাটন নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছিল ফেসবুক। এবারে বাটনটি সবার জন্য উন্মুক্ত করছে।

আজ সোমবার প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য নেক্সট ওয়েবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকে মন্তব্যের মানের উন্নতি করতে এ বাটন আনা হচ্ছে।

ফেসবুকে ২০০৯ সালে ‘লাইক’ বাটন চালুর পর থেকেই অনেকেই ডিজলাইক বাটনটি চাইছিলেন। কিন্তু ফেসবুক কখনো ওই বাটন আনেনি। ফেসবুকে কোনো বিষয় পছন্দ হলে বা বন্ধুর পোস্ট করা বার্তা, ছবি বা অন্য কোনো বিষয়ের অনুমোদন প্রকাশে লাইক বাটনটি ব্যবহার করা হয়।

ফেসবুকে বর্তমানে ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সন্দেহজনক কনটেন্টগুলো কম দেখানো হচ্ছে। ভুয়া খবর ঠেকানোর নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিউজ ফিডে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী খবর দেখানোর ক্ষেত্রে সেন্সরশিপ এবং সংবেদনশীলতার একটি সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট চেকারস দিয়ে যখন কোনো খবরের সত্যতা পরীক্ষা করা হয়, তখন ওই পোস্টের আকার কমিয়ে দেয় ফেসবুক।

প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ফ্যাক্ট পরীক্ষা করে ভুয়া বলে মনে হলে তা নিউজ ফিডে দেখানো কম হয়।

নতুন প্রকাশ করা লেখাগুলো এখন ফেসবুকের মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি দিয়ে স্ক্যান করে সত্যতা নির্ণয় করা হচ্ছে। সূত্র: আইএএনএস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক পরীক্ষার খাতা নিয়ে হলে, ছাত্ররা আসেনি

জবি প্রতিনিধি: পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেই মোতাবেক পরীক্ষার হলে শিক্ষক উত্তরপত্র নিয়ে উপস্থিত হলেও শিক্ষার্থীরা প্রবেশ না করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি বিভাগে।

আজ সোমবার সকালে ওই বিভাগের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের একটি কোর্সের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। তারা একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির আহমেদকে চাকরীচ্যুত করার প্রতিবাদে এই পরীক্ষা বর্জন করেছে। তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করার খবর পাওয়া গেছে।

আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে নাসির আহমেদকে স্বপদে বহালের দাবিতে মিছিল করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এদিকে ইংরেজি বিভাগসহ বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন ও ইসলাম শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান পরীক্ষা বর্জন করে কলা ভবন চত্বরে অবস্থান নিয়েছে। এ বিক্ষোভের ফলে কলা ভবনের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একাদশ শ্রেণিতে মেধায় ভর্তির পর প্রার্থী থাকলে কোটায় ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ এপ্রিল: ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী, এবার শতভাগ আসন মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। তবে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পর যদি কোনো বিশেষ অগ্রাধিকার কোটার আবেদনকারী থাকে, তাহলে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসাবে নির্ধারিত কোটায় ভর্তি করা যাবে।

নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা তাঁদের সন্তানদের জন্য, ৩ শতাংশ বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দপ্তরগুলো ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের জন্য, শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বিকেএসপির জন্য এবং শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এবার মোট ১১ শতাংশ নির্ধারিত কোটা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায়, তবে এ আসনগুলোর কার্যকারিতা থাকবে না।

গতবার ৮৯ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত রেখে বাকি ১১ শতাংশ নির্ধারিত কোটার প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। এর ছাড়া গতবার কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে সে আসনগুলো সাধারণ কোটার প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হতো।

আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, এবারও একজন শিক্ষার্থী কমপক্ষে ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং এসএমএস উভয় পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে।

একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে ভর্তিতে আগের মতো এবারও স্কুল, কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তিতে অগ্রাধিকার পাবে।

ভর্তির জন্য অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৩ মে থেকে। আবেদনের শেষ সময় ২৪ মে। তবে ফল পুনর্নিরীক্ষণের যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের আবেদন আগামী ৫ ও ৬ জুন গ্রহণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। এরপর আরও একাধিক ধাপে ফল প্রকাশ ও মাইগ্রেশনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে ২৭ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। আগামী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৬ মে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৯ বছরে একবারও শারীরিক সম্পর্ক হয়নি, বিয়েই বাতিল করে দিল আদালত

বিয়ের পরে কেটে গিয়েছে ৯ বছর। কিন্তু একবারের জন্যও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। এই যুক্তিতেই বিয়ে বাতিল বলে ঘোষণা করল বম্বে হাইকোর্ট। একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।

মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরের বাসিন্দা এক দম্পতির বিয়ে সংক্রান্ত মামলায় এই রায়ই দিয়েছেন বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি মৃদুলা ভাটকর। কার্যত বিয়ের দিন থেকেই ওই দম্পতির আইনি লড়াই শুরু হয়েছিল। বিয়ে বাতিলের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্ত্রী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভুয়ো কাগজে সই করিয়ে তাঁকে বিয়ে করেছে তাঁর স্বামী। ফলে, তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

প্রতারণার অভিযোগকে মান্যতা না দিলেও ওই দম্পতির মধ্যে যে একদিনের জন্যও শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়নি, তা মেনে নেন বিচারপতি। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী বিচারপতি বলেন, ‘‘বিবাহিত জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে দু’পক্ষের মধ্যে স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। আর এই ধরনের সম্পর্কে তা না থাকলে, বিয়ের উদ্দেশ্যই নষ্ট হয়ে যায়। একবারের জন্য শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হলেও সেই বিয়ে পূর্ণতা পায়।

যে মহিলা বিয়ে থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, তাঁর স্বামীর অবশ্য দাবি ছিল যে দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এমনকী, তাঁর স্ত্রী অন্তসত্ত্বাও হয়েছিলেন। যদিও, এই দাবির স্বপক্ষে আদালতে চিকিৎসকের রিপোর্ট বা অন্য কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেননি ওই ব্যক্তি। আদালতও মেনে নেয় যে ওই দম্পতি একটি দিনের জন্যও একসঙ্গে থাকেননি।

আদালত অবশ্য দু’পক্ষকে বিষয়টি মিটিয়ে নিয়ে একসঙ্গে থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। যদিও, সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির দাবি, বিচারপতি রায় দিতে গিয়ে বলেন, ‘‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। পরস্পরের প্রতি দু’জনেই প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব পোষণ করছেন। এই বিয়ের ফলে দু’জনের জীবনেরই ন’টি বছর নষ্ট হয়েছে। এই বিয়ে টিকিয়ে রাখলে ভবিষ্যতেও দু’জনের জীবনের আরও অনেকগুলি বছর নষ্ট হবে। কোনও সম্পর্ক বাঁচিয়ে তোলা যাবে না— বিয়ে বাতিলের জন্য স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে এমন সংস্থান না থাকলেও, দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক না থাকাটা বিয়ে বাতিলের একটি কারণ হতে পারে।’’

জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে ওই দম্পতির রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছিল। স্ত্রীর বয়স তখন ছিল ২১, স্বামীর ২৪। মহিলার অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই সাদা কাগজে সই করিয়ে তাঁকে ম্যারেজ রেজিস্ট্রিারের কাছে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করা হয়েছিল। এর পরেই তিনি বিয়ে বাতিলের আবেদন জানিয়ে মামলা করেন।

নিম্ন আদালত প্রথমে ওই মহিলার পক্ষেই রায় দিয়ে বিয়ে বাতিল করে দেয়। কিন্তু আপিল কোর্টে জিতে যান স্বামী। এর পরে বম্বে হাইকোর্টে মামলা করেন স্ত্রী। হাইকোর্ট অবশ্য মহিলার প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে জানায়, একজন শিক্ষিত এবং স্নাতক পাশ মহিলা হয়ে তিনি বিয়ের কাগজে সই করে বুঝতে পারেননি, এই দাবি বিশ্বাসযোগ্য নয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চবি ক্যাম্পাস ও ট্রেনে স্থানীয়দের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

চবি করেসপন্ডেন্ট: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয় গ্রামবাসীদের অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলছে। ক্যাম্পাসে এসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, মারধর, ছিনতাই, শিক্ষার্থীদের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করা তাদের রুটিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।

সর্বশেষ শনিবার (২৮ এপ্রিল) রাত ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাশের একটি পুকুর ঘাট থেকে দর্শন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাজ্জাদ হোসেন শাওন নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে তার মোবাইল, মানিব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এঘটনায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে। এর জের ধরে শিক্ষার্থীরা প্রায় ২০ মিনিট বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে দেয় এবং শাটল ট্রেন অবরোধ করে রাখে। পরবর্তীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সূত্রে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, শুধু গত দুই মাসে এ ধরনের হামলা, ছিনতাই, চুরির ঘটনা অন্তত ১০টি ঘটেছে। গত ২৪ এপ্রিল কলা অনুষদের একটি টয়লেট থেকে বাংলা বিভাগের শারমিন নামের এক মেয়ে শিক্ষার্থীর মোবাইল চুরি হয়। গত ১৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টের পাশে আনিস ফটোকপি নামক একটি দোকান থেকে নাহিদা আক্তার নামের এক মেয়ে শিক্ষার্থীর মোবাইল চুরি হয়। এসময় তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বহিরাগত নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেন। ৩০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেইট এলাকায় আরাফাত কটেজ নামক একটি কটেজ থেকে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মিজানুর রহমান টিটু নামের এক শিক্ষার্থীর রুম থেকে মোবাইল, টেবিল ফ্যান, পাওয়ার ব্যাংক, মোবাইলের চার্জার, চার্জার লাইট এবং তার পাশের রুম থেকে আর পাশের রুম থেকে ক্যাশ ৩ হাজার টাকা, একটা মোবাইল সেট চুরি হয়। ওই মোবাইলের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা ছিল।

এ ঘটনার কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দোকানের সামনে সাদাফ নামের আইন বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে বেদড়ক মারধর করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা জড়িত বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘এসব ঘটনার কথা প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ে না। ফলে এসব ঘটনা বেড়েই চলছে। আমরা ক্যাম্পাসে স্থানীয় ও বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ করা বন্ধ চাই।’

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনেও স্থানীয় ও বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য বেশ লক্ষণীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ট্রেনের মধ্যে স্থানীয় এলাকাবাসীরা প্রভাব খাটিয়ে নানাভাবে শিক্ষার্থীদের অসুবিধা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী তুলনায় বগি ও আসন সংখ্যা অপ্রতুল হলেও স্থানীয় ও বহিরাগতরা শাটলের সিটে বসে যাতায়ত করে। এসময় তারা বড় বড় বস্তা, লাকড়ি, টিন ভাঙ্গাসহ বিভিন্ন ভারী জিনিসপত্রও নিয়ে ট্রেনে বহন করে।

এবিষয়ে আরবি বিভাগের ১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শাফায়েত উল্লাহ বলেন, ‘চবির শিক্ষার্থী হিসেবে এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমাদের নিজদের শাটলে বহিরাগত কর্তৃক হয়রানির শিকার হতে হয়। আমরা আমাদের নিরাপত্তার জন্য শাটলে পর্যাপ্ত পুলিশ চাই।’

এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র  বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে মোটরবাইক, বিনা প্রয়োজনে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এদের বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে থাকি। পুলিশ ফাঁড়ি, আমাদের নিরাপত্তা দপ্তরের নিরাপত্তা রক্ষীরা সব সময় থাকে, এরপরও আমরা কঠোর অবস্থানে যাবো।’

এসময় তিনি সন্ধ্যার পরে নির্জন এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সীমানা প্রাচীরের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। যার কারণে ১৭৫৪ একরের পাহাড় ও সমতলের বিশাল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফাক-ফোকর দিয়ে আশপাশের মাঠে যারা কাজ করে তারা অথবা বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ঘাপটি মেরে থাকে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাবিতে আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের ভিসি কার্যালয় ঘেরাও

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের (ভিসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবিরের অনুসারী আওয়ামী পন্থী শিক্ষকরা।

গত ১৭ এপ্রিল আওয়ামী পন্থীদের আরেক পক্ষ উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অনুসারী শিক্ষকদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় ‘লাঞ্ছনার’ বিচারসহ চারদফা দাবিতে পূর্বঘোষিত এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

শিক্ষকদের উপর হামলা, অবৈধভাবে ডিন-প্রভোস্ট অপসারণ ও নিয়োগের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে উপাচার্য প্যানেল ও জাকসু নির্বাচনসহ একাধিক দবিতে সকাল ১০টা থেকে উপাচার্য অফিস ঘেরাও করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। দুপুর একটা পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি।

কর্মসূচি চলাকালে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার বলেন, ‘আমরা বরাবর চেয়েছি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হবে অধ্যাদেশ অনুসারে গণতান্ত্রিক পন্থায়। কিন্তু ন্যায্য এ দাবি আদায়ের আন্দোলন করতে গেলে তারা আমাদের লাঞ্ছিত করেন।’

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষকরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের বিষয়টি বিবেচনায় রাখেননি। তারা থেকে থেকে শিক্ষার্থী-প্রশাসনকে জিম্মি করছেন। আমি আহ্বান জানাই তারা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য ধর্মঘট, ঘেরাও এসব কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।’

প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিল সর্বাত্মক ধর্মঘট কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবহন ডিপোতে তালা দিতে গেলে উপাচার্য সমর্থিত শিক্ষকদের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি এ ঘটনায় তাদের ৬ শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়মিত না হাঁটলে বয়স্ক নারীদের যে রোগ হয়

ডেস্ক: বয়স বাড়লে অনেক নারীই আছেন সংসারের হাল ছেড়ে দেন। ফলে তাঁদের দৈনন্দিন শারীরিক ক্রিয়া হঠাৎই অনেকটা কমে যায়।চিকিৎসকরা বলছেন, এর ফলে নানা রোগ দেখা দিতে পারে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সকালে বা বিকেলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস রাখা।

দীর্ঘকাল সংসারের চাপ সামলাতে হয় নারীদের। আবার যাঁরা চাকরিজীবী, তাঁদের ঘরে বাইরে দুই জায়গাতেই দায়িত্ব সামলাতে হয়। তাই অনেক সময়ই দেখা যায়, একটা বয়সের পর নারীরা আর সংসারের কাজকর্মের ভার সামলাতে পারেন না। আর বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে জিমে যাওয়া বা খেলাধূলার মতো শারীরিক ক্রিয়ার সুযোগও অনেক কম থাকে।

তাই নানা রোগ অচিরেই বাসা বাঁধে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক পরিণতিও হতে পারে। কারণ, হৃদযন্ত্র যত রক্ত বেশি পরিমাণে রক্ত পাম্প করতে পারবে, ততই তা ভালো থাকবে। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের মধ্যে সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে হাঁটার অভ্যাস রাখতেই হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মেনোপজ়ের পর যেসব নারীরা একটানা অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস রেখেছেন, তাঁদের হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সম্ভাবনা ২১-২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। আবার যাঁরা দ্রুত হাঁটেন, এমন নারীদের মধ্যে সেই সম্ভাবনা ২৬-৩৮ শতাংশ কমে গেছে।

অনেকেরই ধারণা, শুধু হাঁটায় শরীরের কোনও উপকার হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ধারণা একেবারেই ভুল। বরং তাঁরা বলছেন, হার্ট ভালো রাখতে যে যে এক্সারসাইজ়গুলি করতে বলা হয়, তার প্রায় সবকটিরই সমান কাজ করে হাঁটা। তাই বয়স ৫০ পেরোলেই নিয়ম করে হাঁটা অভ্যাস করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজাকারের সন্তানদের চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্বাধীনতাবিরোধী চিহিৃত রাজাকারের সন্তানদের সরকারি চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি  জানিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ নামে একটি সংগঠন। একইসঙ্গে সরকারি চাকরিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানরা থাকলে  তাদের বরখাস্তের দাবি জানানো হয়।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।

তারা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটা না কমানোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরিদের সব চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।’

একই সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখে বিসিএসের প্রিলিমিনারি থেকে তা কার্যকর করতে হবে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে জামায়াত-শিবির সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে বক্তারা দাবি করেন।

সমাবেশে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আ ক ম জামাল উদ্দিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী সাইফুদ্দিন,  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদি হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুষ্টিয়ায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাসুদ রানা (১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে।

এ ব্যপারে শনিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

মাসুদ রানা উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এবং হাটবোয়ালিয়া নতুন কুড়ি আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

নিখোঁজ হওয়া ঐ শিক্ষার্থীর ভাই সাহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল ব্যাগ নিয়ে বাইসাইকেল যোগে আমার ভাই স্কুলে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পরে সে আর বাড়ী ফিরে আসেনি।

সাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই নিখোঁজ না অপহৃত তা আমরা বুঝতে পারছি না।’

যদি কেউ তার ভাইয়ের সন্ধান পান তাহলে ০১৭৮৮৬৫৫৮৮৩ এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাঙ্গাইলে প্রাথমিককে ৮’শ শিক্ষকের পদ শূন্য

ডেস্ক: টাঙ্গাইলের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দূরাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায়ই এ জেলায় ৮৩৮ জন শিক্ষকের পদ শূন্য। চলমান এ অবস্থায় ৫৭৪ জন প্রধান শিক্ষক আর ২৬৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ শূন্যতার ফলে এ জেলা শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা জীবনের শুরুতেই যেমন মানসম্মত আর প্রয়োজনীয় শিক্ষা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ নিয়োগ আর পদোন্নতি না থাকায় এ সমস্যা হয়েছে বলে দাবি করছে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৬০৭টি। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদশূণ্য রয়েছে ২৮৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর ২৯০টি সদ্য জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদশূণ্য রয়েছে ১৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৯৪টি সদ্য জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদশূণ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৪, ঘাটাইল উপজেলায় ৬৫, সখীপুর উপজেলায় ৪৫, গোপালপুর উপজেলায় ৫১, বাসাইল উপজেলায় ৪৩, দেলদুয়ার উপজেলায় ৪৪, মির্জাপুর উপজেলায় ৬৯, কালিহাতী উপজেলায় ৬৯, মধুপুর উপজেলায় ৩৫, নাগরপুর উপজেলায় ৫৪, ভূঞাপুর উপজেলায় ৩৬ আর ধনবাড়ী উপজেলায় ২৯টি। এছাড়াও সহকারি শিক্ষকের পদশূণ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৮, ঘাটাইল উপজেলায় ৪, সখীপুর উপজেলায় ৬৬, গোপালপুর উপজেলায় ৫০, বাসাইল উপজেলায় ২৮, দেলদুয়ার উপজেলায় ৪, মির্জাপুর উপজেলায় ১৬, কালিহাতী উপজেলায় ১০, মধুপুর উপজেলায় ১০, নাগরপুর উপজেলায় ৩৫, ভূঞাপুর উপজেলায় ২৭ আর ধনবাড়ী উপজেলায় ৬টি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক সংকটের ফলে মানসম্মত শিক্ষা আর মানসিক বিকাশ থেকে পিছিয়ে পরছে বিদ্যালয়ের শিশুরা। এছাড়া এ সমস্যার কারণে শিশুদের জ্ঞানশূণ্য শিক্ষা জীবনের শুরু হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের অনেকাংশেই স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি করেছেন তারা।

গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঞ্জু আনোয়ার ময়না বলেন, ২০১৩ সাল থেকে আমাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের পদটি শূন্য রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকজন সহকারী শিক্ষককের পদও। বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে ৯ জন শিক্ষককের মধ্যে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। এতে আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমসহ শিক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি যেন গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোজাহারুল ইসলাম মাজাহার জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য অন্যতম একটি অন্তরায়। একটি জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮৩৮ শিক্ষকের পদশূন্য এটা খুবই দুঃখজনক। এতে সর্বোচ্চ সমস্যাগ্রস্ত হচ্ছে জেলার শিক্ষা কার্যক্রম।

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষককের নিয়োগ এবং পদোন্নতি না হওয়ায় প্রাথমিকে ব্যাপক শিক্ষক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। আশা করছি সরকার দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ জানান, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পদশূন্য রয়েছে অতিদ্রুত ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের পদ পূরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতও করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এ জেলার শিক্ষকের শূন্যপদতা দূর হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পদোন্নতি পেলেও ঝুঁকিভাতা আর কমবে না পুলিশের

ডেস্ক,১৩ এপ্রিল: অবশেষে চাকরির মোট মেয়াদকাল গণনা করে পুলিশকে ঝুঁকিভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জারি করেছে সরকার। ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপনও বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে পদোন্নতি পাওয়ার পরও আর ঝুঁকিভাতা কমবে না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দুই বছর ধরে ঝুলে থাকা পুলিশের ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত জটিলতার নিরসন হলো।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব লায়লা মুনতাজেরী দীনার সই করা এক প্রজ্ঞাপনে ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বুধবার (১১ এপ্রিল) সই করা প্রজ্ঞাপনটি বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুলিশ বাহিনীর এসআই, সার্জেন্ট, টিএসআই এবং এর থেকে নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীদের চাকরির বয়সভিত্তিক ঝুঁকিভাতার হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন করা হবে। এ লক্ষ্যে ঝুঁকিভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন পদ থেকে পদোন্নতি হলে মোট চাকরিকাল গণনা করে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে ঝুঁকিভাতা দেওয়া হবে। অর্থাৎ, এই আদেশের ফলে ঝুঁকিভাতার আওয়াতায় থাকা পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে প্রবেশের তারিখ থেকে ঝুঁকিভাতা পাওয়ার মেয়াদ গণনা করা হবে। পদোন্নতি পেলেও ওই উচ্চপদ থেকে নতুন মেয়াদ গণনা করা হবে না।
ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত গত বছরের ২৩ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনও বাতিল করা হয়েছে। এই আদেশ ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলেও আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একজন পুলিশ সদস্য কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে এএসআই হলে তার চাকরির মেয়াদ নতুন করে গণনা শুরু হতো। ঝুঁকিভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার পদোন্নতির আগের চাকরির বয়স গণনা করা হতো না। এতে কনস্টেবল থাকাকালীন তিনি যে ঝুঁকিভাতা পেতেন, এএসআই হওয়ার পর তা কমে আসত। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ছিল পুলিশ সদস্যদের মধ্যে। এ নিয়ে এ বছরের ৭ জানুয়ারি বাংলা ট্রিবিউনে ‘পদোন্নতির পর ঝুঁকিভাতা কমে যায় পুলিশের!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের তিন মাসের মাথায় পুলিশের ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করলো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল ছাত্রলীগ

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে তাঁর সংগঠন।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি এ কথা জানায়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ইফফাত জাহান এশা সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে আগের পদে বহাল করা হলো।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান জানান, পরিস্থিতির কারণে এশাকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে আগের পদে বহাল করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় হলের এক সাধারণ ছাত্রীকে রুমে ডেকে নিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে এশার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে এশাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং তাঁর বিচার দাবি করেন। একপর্যায়ে হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউস টিউটরদের সামনেই এশার গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন হলের ছাত্রীরা।

ওই রাতেই এশাকে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান। এ ছাড়া সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ছাত্রলীগ থেকেও এশাকে বহিষ্কার করা হয়।

সুফিয়া কামাল হলের একাধিক ছাত্রীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি এশা এর আগেও সাধারণ ছাত্রীদের নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করতেন। তবে এত দিন ভয়ে কেউ মুখ খোলেননি। সূত্র : এনটিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২৭ এপ্রিল

অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২৭ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ৬১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, প্রার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার হলে যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর ও স্মার্টওয়াচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

যারা ইতোমধ্যে প্রবেশপত্র ডাউললোড করার পর হারিয়ে ফেলেছেন কেবল তারাই আগামী ২০ এপ্রিল থেকে পুনরায় প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রার্থীদের আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে আসন বিন্যাস দেখার জন্য প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-১) নূর-উন-নাহার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৫৮ জনের চাকরি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তরে হাইকোর্টের রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ এপ্রিল: একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে কর্মরত ২৫৮ জন মাঠ সহকারীর চাকরি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তরে নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১২এপ্রিল) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তরের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের চূড়ান্ত শুনানী শেষে বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কে.এম.কামরুল কাদের এর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ রিটকারীদের চাকরি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তরের নির্দেশনা প্রদান করে রীট পিটিশনটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেন।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে মামলাটি শুনানী করেন- সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন-ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খন্দকার বশির আহমেদ ও আল আামীন সরকার।

রিটকারীদের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৯ সাল থেকে ‘‘একটি বাড়ি একটি খামার নামে প্রকল্প চালু করে। পরবর্তীতে পল্লী এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঞ্চয় ও অর্জিত অর্থ লেনদেন ও রক্ষণাবেক্ষণ, ঋণ ও অগ্রিম প্রদান এবং বিনিয়োগের জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নামে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লক্ষে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আইন, ২০১৪ পাস করা হয়।

২০১৪ ইং সালের ৮ ই জুলাই উক্ত আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এ লক্ষ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক চাকরি প্রবিধানমালা-২০১৫ চূড়ান্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। পরবর্তীতে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে কর্মরত মাঠ সহকারী দের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তর করে ২০১৬ সালের ২৮ জুন ও ৩ আগষ্ট পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে কর্মরত মাঠ সহকারীদের পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থানান্তর হওয়ার পর ২০১৬ সালের জুলাই মাসের বেতনও প্রদান করা হয় উক্ত ব্যাংক হতে।

২০১৬ সালে ৩১ ইং অক্টোবর একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প চলমান থাকবে বলে পূনরায় অফিস আদেশ জারি করেন ব্যাংক কর্তপক্ষ। উক্ত আদেশের পর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে স্থান্তারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রীট পিটিশনটি দায়ের করেন ভুক্তভুগি মাঠ সহকারীরা। উক্ত রুলের চূড়ান্ত শুনানী শেষে গগতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট তাদের পক্ষে রায় দেন।

রিটকারীগণ হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ শাহিন আলম, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসাইন, মোঃ ফরিদুল ইসলাম ও উল্লাপাড়া উপজেলার মোঃ গোলাম মোস্তফা, কৃষ্ণা চন্দ্র, মোঃ নজরুল ইসলামসহ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে কর্মরত ২৫৮ জন মাঠ সহকারী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিমেইল ইয়াহু নয়, সরকারি কাজে গভডটবিডি ব্যবহার হবে

সচিবালয় প্রতিবেদক :

‘সরকারি ই-মেইল নীতিমালা-২০১৮’এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সরকারি অফিসগুলোতে আমরা ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করে বিভিন্ন করেসপন্ডেন্ট (চিঠিপত্র পাঠানো) করি। সেটা করা যাবে না। সরকারি ডোমেইনের নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস নিয়ে করেসপন্ডেন্ট করতে হবে, যেটা গভডটবিডি (gov.bd)। গভডটবিডি অ্যাকাউন্ট অনেকেরই আছে। সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই করেসপন্ডেন্ট করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নীতিমালাটি অনুমোদন হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাপ্তরিক কাজে অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম (জিমেইল, ইয়াহু, আউটলুক ) ব্যবহার করতে পারবে না।

তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দুটি করে ই-মেইল আইডি খুলতে পারবেন। সেক্ষেত্রে একটি হবে তার পদবি দিয়ে এবং অন্যটি নাম দিয়ে। তবে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও আইডি দুটি দুই ধরনের কাজে ব্যবহার করতে হবে তাদের। সরকারি কাজে গোপনীয়তা রক্ষা ও সাইবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এই নীতিমালা করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail