Author Archives: chief editor

কাশ্মীরে স্কুল খুললেও শ্রেণিকক্ষ শূন্য

ডেস্ক | ২০ আগস্ট , ২০১৯
ভারত শাসিত কাশ্মীরে বেশ কিছু স্কুল সোমবার খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের দেখা যায়নি একেবারেই। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল নিয়ে প্রায় দু সপ্তাহ ধরে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার কিছু স্কুল খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে যেসব স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে এগুলো মূলত সরকারি স্কুল এবং বেসরকারি স্কুলগুলো বন্ধই আছে। যেসব স্কুল খুলেছে তাতে সোমবার ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে এখনো অবরুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে। কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, সবচেয়ে বড় শহর শ্রীনগরে দুইশর মতো স্কুল খুলে দিয়েছে তারা। কিন্তু সাংবাদিকরা অনেক স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাননি।

অভিভাবকরা বলছেন, নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। ব্যাপক নিরাপত্তা আয়োজন সত্ত্বেও বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রতিবাদে সেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে এবং প্রায়ই তা সহিংস রূপ নিচ্ছে। কাশ্মীর একটি বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড যার দুটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারত শাসিত অংশ জম্মু ও কাশ্মীর এতদিন বিশেষ মর্যাদা পেলেও সম্প্রতি তাকে দু ভাগ করে রাজ্যের মর্যাদায় নামিয়ে আনা হয়েছে। অংশ দুটিই এখন সরাসরি দিল্লীর শাসনে রয়েছে।
তিন দশক ধরে এই কাশ্মীরে চলছে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা, যাতে নিহত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ মর্যাদা বাতিলকে কেন্দ্র করে মূলত কাশ্মীরকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী ধরে এবং সব ধরণের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি টেলিফোন লাইন কিছুটা চালু হলেও বিক্ষোভ বেড়ে যাওয়ার পটভূমিতে মোবাইল ফোন সেবা ও ইন্টারনেট এখনো বন্ধ আছে। সংবাদদাতারা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে দেয়ার পরিবর্তে বাসায় রাখতেই স্বস্তি পাচ্ছেন, বিশেষ করে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু না হওয়া পর্যন্ত। একজন স্কুল শিক্ষককে উদ্ধৃত করেছে, যিনি বলেছেন – এ ধরণের ‘অনিশ্চিত অবস্থায়’ তারা শিক্ষার্থীদের স্কুলে আশা করেন না। তিনি আরও বলেন যে, অনেক স্কুল এখনো বন্ধ বা শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী খুবই কম এসেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বোঝার চেষ্টা করছেন যে কত সংখ্যক শিক্ষার্থী স্কুলে এসেছে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে খবর সংগ্রহ করাও কঠিন। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিনিয়তই কাশ্মীর নিয়ে তার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেই চলেছেন। তার মতে, এটা দরকার ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তার স্বার্থে। কিন্তু কাশ্মীরের জনগণ ও নেতাদের মতে, এটা বিশ্বাসঘাতকতা এবং এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের সাথে কোন আলোচনাই হয়নি। বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা থেকেই বন্দী আছেন সেখানকার সুপরিচিত রাজনৈতিক নেতারা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রতিষ্ঠানে ‘মুক্তা পানি’ ব্যবহারের নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ আগস্ট , ২০১৯:
সরকারি সব প্রতিষ্ঠানে বোতলজাত ‘মুক্তা পানি’ ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে সোমবার।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (প্রশাসন) সহকারী সচিব মো. সামীম আহসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের পরিচালিত শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট, মৈত্রী শিল্প, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিবেশিত ও বোতলজাত মুক্তা পানি পরিবেশন ও ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।


গত ৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সব সরকারি দপ্তরে ‘মুক্তা পানি’ ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য একটি নির্দেশনা আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

‘মুক্তা পানি’ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। এর গাজীপুরের কারখানাটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিবন্ধীরা পরিচালনা করেন। এখান থেকে যে লাভ হয় তার পুরো অংশ প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে ব্যয় হয়।

এর আগে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের তৈরি ‘মুক্তা পানি’ সবাইকে কিনতে বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘মুক্তা পানি’ মিনারেল ওয়াটারের বোতল হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি কিন্তু আমাদের প্রতিবন্ধীরাই তৈরি করছে। এত সুন্দর পানি, এত সুন্দর বোতল।”

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

১৮ পদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ অাগষ্ট,২০১৯:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৮টি পদে মোট ১৪৩ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।



পদের নাম ও সংখ্যা : প্রভাষক (ইউনানী)- ১০টি, প্রভাষক (আয়ুর্বেদিক)- ০৩টি, প্রভাষক (হোমিওপ্যাথিক)- ০২টি, ইনডোর মেডিকেল অফিসার (ইউনানী)- ০১টি, ইনডোর মেডিকেল অফিসার (আয়ুর্বেদিক)- ০২টি, রেসিডেনসিয়াল ফিজিসিয়ান (আরপি) (ইউনানী)- ০১টি, রেজিস্ট্রার (ইউনানী)- ০১টি, সহকারী রেজিস্ট্রার (ইউনানী)- ০১টি, সহকারী রেজিস্ট্রার (আয়ুর্বেদিক)- ০১টি, সহকারী রেজিস্ট্রার (হোমিওপ্যাথিক)- ০১টি, প্রোডাকশন/রিসার্চ/কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার- (ইউনানী)- ০১টি, মেডিকেল অফিসার (ইউনানী)- ৪০টি, মেডিকেল অফিসার (হোমিওপ্যাথিক)- ৩৫টি, মেডিকেল অফিসার (আয়ুর্বেদিক)- ৩৮টি, ড্রাগ সুপারিনটেনডেন্ট (ইউনানী)- ০১টি, ড্রাগ সুপারিনটেনডেন্ট (আয়ুর্বেদিক)- ০১টি, ড্রাগ সুপারিনটেনডেন্ট (হোমিওপ্যাথিক)- ০১টি, ফার্মাসিস্ট- ০৩টি।

আবেদনের শেষ সময় : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদনের নিয়ম : আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://ldamc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
১৮ পদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন প্রতিষ্ঠান নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ অাগষ্ট:
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পাশে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন গড়ে না উঠতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) খান মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত আদেশে সোমবার (১৯ আগস্ট) থানা/উপজেলা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


একাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৪ জুলাই বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পাশে যাতে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য থানা বা উপজেলা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারেদের নজরদারি বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়’।

বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি করতে হবে চর এলাকায়, আসছে চর ভাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ অাগষ্ট:
সরকারি প্রাইমারি স্কুলে নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সবাইকে কমপক্ষে দু’বছর দেশের চরাঞ্চল অথবা দুর্গম এলাকায় চাকরি করতে হবে। দুর্গম এলাকার শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে। নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার অসুবিধার কারণে শিক্ষার আলো থেকে দুর্গম এলাকাগুলো ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে দেশের সব এলাকায় সুষম উন্নয়ন ঘটানো দরকার। একই সঙ্গে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) অর্জনের জন্যও এটি দরকার।


নতুন এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের মতো নদীর চর এলাকার প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ‘চর’ ভাতা চালুর প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ কমিটির চাওয়া অনুসারে এরই মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের চর ভাতা চালুর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় এখনও এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে জানায়, শুধু চর এলাকার শিক্ষকদের জন্য চর ভাতা চালু করা হলে তাতে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হবে। একই ধরনের ভাতা চেয়ে বসতে পারে হাওর, চা-বাগান, টিলাসহ দুর্গম এলাকার শিক্ষকরা। যদিও এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দশম সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চরাঞ্চলে অবস্থিত স্কুলগুলোতে নিয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য ‘চর ভাতা’ চালুর সুপারিশ করেছিল। বর্তমান একাদশ সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, চর ভাতা চালুর বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় বিবেচনাধীন। তবে মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তারা এ বিষয়ে অর্থ বরাদ্দ দিতে আগ্রহ দেখায়নি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদির সাংবাদিকদের বলেন, চর ভাতা চালু বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় রাজি হয় না। এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে আরও কথা হবে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এ ভাতা চালুর পক্ষে।

ভোলার চর মোন্তাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিব উল্লাহ বলেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চরাঞ্চলে ২ বছরের জন্য বাধ্যতামূলক নিয়োগ একটি ভালো উদ্যোগ। তবে মেয়াদ শেষেই যেন তাদের আপনাআপনি বদলি করা হয়। তদবির করতে হলে ভোগান্তি কমবে। বদলির আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তি যেন অনলাইনেই হয়

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

মা-বাবাকে পিটিয়ে মাদরাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,১৯ আগষ্ট:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নতিডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মা-বাবাকে পিটিয়ে আহত করে এক মাদরাসাছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে।



এ ঘটনায় রোববার দুপুরে লাল্টু ওরফে মন্টু (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লাল্টু উপজেলার একই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শেখ মাহবুবুর রহমান জানান, গতকাল শনিবার গভীর রাতে উপজেলার নতিডাঙ্গা আবাসিক এলাকার লাল্টু ওরফে মন্টু, মধু ওরফে শরিফুল এবং রাজু প্রতিবেশী ওই মাদরাসাছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে তার বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী আমবাগানে গণধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায় তারা। এরপর এলাকাবাসী মেয়েটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রোববার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা আলমডাঙ্গা থানায় লাল্টু ওরফে মন্টুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে দুপুর ১টার দিকে মামলার প্রধান আসামি লাল্টু ওরফে মন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সী আসাদুজ্জামান জানান, ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা চলছে। প্রধান আসামি লাল্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

আগস্টে ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,আগস্ট, ১৯, ২০১৯:
আগস্ট মাসের মধ্যে ই৪১তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পিএসসি)।

২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চাহিদাপত্র পেয়েছে পিএসসি। আগামী সপ্তাহে ৪১তম বিসিএসএর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে পিএসসি সূত্র জানিয়েছে।


সূত্র জানায়, গত ৯ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পিএসসির কাছে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

৪১তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ৩২৩ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন এবং পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন নিয়োগ পাবেন। উল্লেখযোগ্য অন্যান্য শূন্য পদের মধ্যে রয়েছে শুল্ক ও আবগারিতে ২৩টি, কর ক্যাডারে ৬০টি, আনসারে ২৩টি, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৫টি, সমবায় ক্যাডারে ৮টি, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পদে ১২টি, তথ্য ক্যাডারে ৪৭টি, কৃষি ক্যাডারে ১৮৯টি, বাণিজ্য ক্যাডারে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪টি, সহকারী সার্জন ও ডেন্টাল সার্জন ১৪০টি এবং সাধারণ শিক্ষায় ৮৯২টি।

এদিকে, ৪১তম বিসিএসকে বিশেষ বিসিএস হিসেবে নিয়ে শিক্ষক নিয়োগের চিন্তা করছে সরকার। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের অনেক সরকারি কলেজে প্রভাষক পদে শিক্ষক সংকট আছে। এ সংকট নিরসন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার আয়োজন করে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এক এমপিওভুক্ত শিক্ষকের চার প্রতিষ্ঠানে চাকরি!

ডেস্ক।
বিধি-বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে জামালপুরের ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হিসেবে এমপিও ভোগ করছেন মুহাম্মদ আনোয়ার কবীর। এক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রধান নিরীক্ষকও হয়েছেন তিনি। কিন্তু দুদকে আসা একটি অভিযোগের জের ধরে ফেঁসে গেছেন শিক্ষক আনোয়ার। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা একসাথে চারটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে এমপিও ভোগের সত্যতা পেয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। তাই, তার এমপিও বাতিল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।


জানা গেছে, গত জুন মাসে জামালপুর থেকে ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর মুহাম্মদ আনোয়ার কবীরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আসে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক আনোয়ার একই সাথে চারটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। নিয়ম ভেঙে জামালপুরের ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হিসেবে এমপিও ভোগ করলেও ইসলামপুর আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান, ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং পপুলার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি।

কারিগরি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজসহ আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন মুহাম্মদ আনোয়ার কবীর। তদন্তে তা প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষক আনোয়ার কবীর ইসলামপুর আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান, ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং পপুলার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। এমনকি ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একাধিক পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে গত ১৭ জুন তা তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে বলে দুদক। সে প্রেক্ষিতে গত ২৬ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালককে অভিযোগটি তদন্ত করতে বলা হয়। গত ১৮ জুলাই অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ পাঠিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষক আনোয়ার কবীরের এমপিও বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। সে প্রেক্ষিতে বিধি অনুযায়ী শিক্ষক আনোয়ারুল কবীরকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজ নোটিশে, একই সাথে চার প্রতিষ্ঠানের চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন তার এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না তার কারণ লিখিতভাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে তাকে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১২ শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি

নিউজ ডেস্ক,১৯ আগষ্ট।।

প্রাথমিকের ১২ জন শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলিকৃতদের মধ্যে সাতজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পাঁচজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এসব কর্মকর্তার পৃথক বদলির আদেশ জারি করা হয়।
তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ডিস মালিক-লাইনম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ আগষ্ট:
চাঁদপুরে চাঞ্চল্যকর স্কুলশিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। বাসায় একা পেয়ে ডিস লাইনের মালিক জামাল হোসেন এবং লাইনম্যান আনিছুর রহমান তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে।


রোববার বিকেলে চাঁদপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল।

তিনি বলেন, গত ২১ জুলাই ঘটনার দিন শহরের ষোলঘর পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তী তার বাসায় একা ছিলেন। এ সময় ওই এলাকার ডিসের লাইনম্যান জামাল হোসেন ও ডিস লাইনের মালিক আনিছুর রহমান মাদক সেবন করে কৌশলে ডিসের তার ঠিক করার কথা বলে জয়ন্তীর রুমে ঢোকে। তারা দু’জনে জয়ন্তীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সুপার মো. ইকবাল বলেন, ঘটনার তদন্তে নেমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধীদের আটক করতে সক্ষম হয় পিবিআই। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। এরই মধ্যে জামাল হোসেন পুলিশের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সেখানে তার সহযোগী হিসেবে আনিছুর রহমানের নামও জানিয়েছে সে।

চাঁদপুর শহরের ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন জয়ন্তী চক্রবর্তী। গত ২১ জুলাই নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন তিনি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

স্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে কুমেক হাসপাতালে যান ইমদাদুল হক।


হাসপাতালের কর্তব্যরত কর্মী ও চিকিৎসকদের কাছে নিজের পরিচয় সে সময় প্রকাশ করেননি তিনি।

এ নিয়ে ভুক্তভোগী ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুক্রবার সকালে ও বিকালে তার ফেসবুক আইডিতে দুটি স্ট্যাটাস দেন, যেখানে কুমেক হাসপাতালে তার বিড়ম্বনার নানা তথ্য তুলে ধরেন।

তার সেই স্ট্যাটাস নেট দুনিয়ায় গতকাল থেকে ভাইরাল।

ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদারের সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল,

‘রাত ৩:৩০। আমার স্ত্রীর হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা। ও চিৎকার করছিল। খুব ঘাবড়ে গেলাম। ইমার্জেন্সি অ্যাম্বুলেন্সের অনেকগুলো নম্বর নিয়ে কল করতে থাকলাম। কেউ কল ধরল না।

বড় বড় হাসপাতালের নম্বরে কল দিলাম। কেউ ধরল না। একজন দয়া করে অ্যাম্বুলেন্সের কল ধরে জানালেন তার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়। পাওয়া গেল না।

আমার মোটামুটি সব ড্রাইভারকে কল দিলাম। ধরল না। অসহায় অবস্থায় বাচ্চাকে ঘুম থেকে তুলে আমার স্ত্রীকে নিয়ে হাঁটা দিলাম ফাঁকা রাস্তায়। কিছুদূর গিয়ে একটা সিএনজি পেলাম। উনি যেতে রাজি হলেন। গেলাম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ইমার্জেন্সি তখন ঘুমাচ্ছে।

অনেক কষ্ট করে ডিউটি ডাক্তার সাহেবের ঘুম ভাঙানো হল। উনি কাগজে লিখে দিয়ে ৪তলায় ৪১৭ নম্বর ওয়ার্ডে যেতে বললেন। গেলাম।

ওখানে ১৫ মিনিট কাউকে পেলাম না। অবশেষে এক সিস্টার বা আয়া এমন কেউ এলেন। জানলাম ডাক্তার সাহেব ঘুমাচ্ছেন।

পাক্কা আধা ঘণ্টা ধরে দরজা নক করার পর উনি এলেন। দেখলেন। তার পর ব্যবস্থাপত্র লিখতে গিয়ে দুটো কলমই কালিশূন্য পেলেন।

আবার গেলেন তার কক্ষে। গিয়ে ফিরলেন আরও ১০-১২ মিনিট পর।

এ দিকে বেশ কয়েকজন রোগী জমে গেছে।

অবশেষে আমার স্ত্রীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধ লিখলেন- এলজিন ইঞ্জেকশন, নরমাল স্যালাইন আর খাবার স্যালাইন।

মজার বিষয় হল ডাক্তার সাহেব সঙ্গে অতিরিক্ত দুটো স্লিপ ধরিয়ে দিলেন।


স্লিপ-১ : ৭টি টেস্টের নাম স্লিপ-২ : বাদুরতলার শেফা ও আজাদ ক্লিনিকের নাম।

মুখে বলে দিলেন এই টেস্টগুলো যেন ওখান থেকেই করাই। অনেকটা আদেশের মতো।

আমি ভেজা বিড়ালের মতো বললাম, জি আচ্ছা। এর মাঝে কথা হল দেবিদ্বার থেকে আসা এক ডেঙ্গু রোগীর স্বজনের সঙ্গে। তার মহিলা রোগীর প্লাটিলেট কমেই চলেছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

কিন্তু মজার বিষয় হল রোগীর ওয়ার্ডে কোনো ডাক্তার নেই। ডাক্তার আসবেন সকালে অথবা আরও পরে। পরে আমার স্ত্রীকে নিয়ে চলে এলাম।

ইঞ্জেকশনটা একটা বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে পুশ করালাম।

উপলব্ধি-০১ : গরিবের জন্য কোনো চিকিৎসা নেই

উপলব্ধি-০২ : ডেঙ্গু নিয়ে প্রান্তিক লেভেলে সরকারের নির্দেশনা কতটা ফলো করা হচ্ছে তা ভেবে দেখার আছে।

উপলব্ধি-০৩ : আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ২৪ ঘণ্টার নয় বরং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের (সরকারি/ বেসরকারি) দায়িত্বশীলদের মর্জি মোতাবেক নির্ধারিত সময়ে।

উপলব্ধি-০৪ : অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক কেবল সকাল-সন্ধ্যা দোকান খোলে। ব্যবসা শেষে দোকান বন্ধ। রোগী জাহান্নামে যাক।

যা আইনত দণ্ডনীয়। ক্লিনিকে অবশ্যই ইমার্জেন্সি ডাক্তার থাকা বাধ্যতামূলক।

উপলব্ধি-০৫ : যত দায় আমাদের।

# রমজানে ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ করো সকাল-সন্ধ্যা

# রাত জেগে পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা করো

# ঘুম হারাম করে দুর্যোগ মোকাবিলা করো

# ইলেকশনে টানা রাত জেগে কাজ করো

# ঈদে নির্বিঘ্নে জনসাধারণের বাড়ি যাওয়া নিশ্চিত করো

# জাতীয় দিবসের প্রস্তুতিতে অঘুম রাত কাটাও

# বিশেষ সংকটে জেগে থাকো রাতের পর রাত আর খেটে যাও সংকট মোকাবিলায়।

মেডিকেল সেক্টরের জন্য করুণা। স্রোষ্টা হেদায়েত দান করুণ। আমিন।’

শুক্রবার দিনব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলে নির্বাহী মেজিস্ট্রেটের সেই স্ট্যাটাসটি।

দেশের চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে চিকিৎসকদের কটাক্ষ করা শুরু হয় মন্তব্যের ঘরে।

এ সব মন্তব্যের মধ্যেই শুক্রবার রাতে স্ট্যাটাস দুটি ফেসবুক থেকে মুছে দেন ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

তবে ইতিমধ্যে তার সেই স্ট্যাটাসটি স্ক্রিনশট আকারে নানাজনের টাইমলাইনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, ‘কোনো হাসপাতাল বা কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করিনি আমি। স্ত্রীর অসুস্থতার কারণে কুমেকে গিয়ে যে ভোগান্তির শিকার হয়েছি তা প্রকাশ করেছিলাম মাত্র।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওই স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী বলেন, হ্যাঁ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের বিষয়টি শুনেছি। শনিবার এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্ক।।
গণিত ও মানসিক দক্ষতা অংশে ৬০ নম্বর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বলা যেতে পারে, এ ৬০ নম্বরের মধ্যে ৫০ বা এর অধিক নম্বর অর্জনকারীদের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকবে।


চাইলে এ অংশে ৬০ এর মধ্যে ৬০ পাওয়াই সম্ভব। তবে ক্যালকুলেটর ছাড়া সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। পাটিগণিত থেকে পরিমাপ ও একক, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত ও সমানুপাত, শতকরা, সুদকষা/মুনাফা, লাভ-ক্ষতি, বাস্তব সংখ্যা, ল.সা.গু-গ.সা.গু এবং ভগ্নাংশ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।

বীজগণিত থেকে বিভিন্ন সূত্র ও অনুসিদ্ধান্ত, উত্পাদক, সমীকরণ, অসমতা, সূচক ও লগারিদম, ধারা ও অনুক্রম সংক্রান্ত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়াও প্রশ্ন থাকতে পারে জ্যামিতি (রেখা, কোণ, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য), পরিমিতি (সরল ক্ষেত্র ও ঘনবস্তু সংক্রান্ত সমস্যা ও সূত্র) এবং সম্ভাব্যতা থেকে। তবে গণিতের তুলনায় মানসিক দক্ষতা থেকে প্রশ্ন কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

১৫-২০টির বেশি প্রশ্ন মানসিক দক্ষতা থেকে হওয়ার কথা নয়। ভাষাগত যৌক্তিক বিচার, চাক্ষুস যৌক্তিক বিচার, গাণিতিক সমস্যা সমাধান, বানান ও ভাষা, যান্ত্রিক দক্ষতা, স্থানাঙ্ক সম্পর্ক, সংখ্যাগত ক্ষমতা, রক্ত ও সময় সংক্রান্ত সম্পর্ক এবং দিক নির্ণয় জাতীয় মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন থাকবে। গণিতের জন্য ৭ম, ৮ম ও ৯ম-১০ম শ্রেণির সর্বশেষ হালনাগাদকৃত বোর্ড বইগুলোর পাশাপাশি বাজারে প্রচলিত যে কোনো একটি বই এবং মানসিক দক্ষতার জন্য বিসিএস-এর মানসিক দক্ষতা বিষয়ের যে কোনো একটি বই কার্যকর হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করছে ফেসবুক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে চার-পাঁচজন কিংবা তার চেয়ে বেশি মানুষ মিলে গ্রুপ চ্যাটও করে থাকেন। এভাবে গ্রুপ স্টাডিও চলে। আড্ডা কিংবা অফিসিয়াল কাজেও ব্যবহার করা হয় এই গ্রুপ চ্যাট।


ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ হলো, আগামী ২২ আগস্ট থেকে এ সেবা বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর পরও গ্রুপের আগের চ্যাটগুলো দেখা যাবে।

শনিবার ‘কমিউনিটি লিডারশিপ সার্কেল ফ্রম ফেসবুক’ এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করে। এতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে অবকাঠামো মেনে তৈরি করা হয়েছে, তার সঙ্গে ফেসবুকের গ্রুপ চ্যাট ফিচারটি মানানসই নয়। তাই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তা বন্ধ হলেও ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় (ফ্রেন্ডলিস্টে) থাকা বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ চ্যাট করা যাবে। বন্ধু তালিকায় নেই এমন বন্ধুরা গ্রুপে যুক্ত হতে পারবে না।

কমিউনিটি লিডারশিপ সার্কেল ফ্রম ফেসবুকের পেজে লেখা হয়েছে, তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য গ্রুপ চ্যাটে আগামীতে নতুন কিছু করা যায় কি-না সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। তবে তা কী ধরনের হবে এ নিয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না।

ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ২০০৮ সালে চালু করা হয়। ২০১০ সালে এটা সংস্কার করে ফের চালু করা হয়। স্কাইপকে তাদের প্রযুক্তি অংশীদার করে ২০১১ সালের ৬ জুলাই ফেসবুকের ভিডিও কল সেবা চালু করা হয়। এরপর ২০১১ সালের ৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অ্যাপে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার চালু করা হয়। আর ফেসবুকে গ্রুপ চ্যাট চালু হয় ২০১৩ সালে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সবাই মিড ডে মিল পাবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
প্রাথমিক শিক্ষার হার বাড়ানো এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন খাবার দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।



দেশের মোট এক কোটি ৭৩ লাখ শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়ার বিষয়ে ‘ন্যাশনাল স্কুল মিল পলিসি ২০১৯’ শিরোনামের এই কর্মকৌশল তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুব শিগগির এই কর্মকৌশল অনুমোদনের জন্যে মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘আমরা খসড়াটি চূড়ান্ত করেছি। এটি অনুমোদনের জন্যে শিগগির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।’

ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশনের উপ-পরিচালক কেএম এনামুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘যেহেতু অনেক শিক্ষার্থী খালি পেটে স্কুলে যায় সেহেতু স্কুলে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থাটি খুবই প্রয়োজন। পেটে ক্ষুধা নিয়ে পড়ায় মনোযোগ দেওয়া কষ্টকর। বিদ্যালয়ে খাবার দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পাবে। এর ফলে পরিবার থেকে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্যে আগ্রহও তৈরি হবে। এতে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে, অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ছাড়ার প্রবণতাও কমবে।’

আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মকৌশলটি বাস্তবায়ন করা হবে জানা গেছে। এছাড়া আরো জানা গেছে, দারিদ্রপীড়িত এলাকাগুলোতে এই কার্যক্রম আগে শুরু করা হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

‘গরু রচনা বাদ দিয়ে স্কুলে ডেঙ্গু বিষয়ে পড়াতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
স্কুলের শিশুদের পাঠ্যবইয়ে গরুর রচনা না পড়িয়ে ডেঙ্গু বিষয়ে পড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ডেঙ্গুবিষয়ক মোবাইল অ্যাপস ‘স্টপ ডেঙ্গু’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। এই অ্যাপসের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে সরকারের পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং চারটি সংস্থা।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজুল ইসলাম বলেন, কারিকুলামে গরুর রচনা পড়িয়ে আমার কতটুকু লাভ হবে। তার চেয়ে বরং ট্রাফিক সিগন্যাল পড়ানো, এডিস মশা কী জিনিস শেখানো, কোথায় জন্ম হয়, ছোটবেলা থেকে শিখলে, লাইফে অ্যাপলিকেশন আছে এমন যদি সিলেবাসে থাকে তবে অসুবিধা কোথায়? কোন রচনা পড়াব, কোন গল্প পড়াব এ সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail
hit counter