Home » Author Archives: chief editor

Author Archives: chief editor

ই-পাসপোর্ট পেতে কত টাকা লাগবে!

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী:
সময়ের সাথে সাথে বদলে যাচ্ছে অনেক কিছু। প্রযুক্তির কল্যাণে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও। তাই পাসপোর্টের আধুনিকতম সংস্করণ ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট। এ পাসপোর্টের রয়েছে অনেক সুবিধা। কারণ তিন ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ই-পাসপোর্ট।

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ শুরু হবে। এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন।
জানা যায়, প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সর্বত্র ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে।

তবে ই-পাসপোর্ট পেতে কত টাকা লাগবে তা অনেকেই জানেন না। এমনকি আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি সংযোজন করতে সত্যায়ন করারও দরকার হবে না। তবে পাসপোর্ট পেতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি থাকতে হবে।

সবক্ষেত্রে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে ই-পাসপোর্ট। সরকার সে অনুয়ায়ী ফি নির্ধারণ করেছে। আসুন জেনে নেই বিস্তারিত-



ভুল পথে গেলে সাবধান করবে গুগল ম্যাপ

প্রযুক্তি ডেস্ক:
নিয়মিত ভাবে গুগল ম্যাপে আসছে নানা ফিচার। বিশেষ করে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের জন্য একাধিক নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে জনপ্রিয় এই ন্যাভিগেশন অ্যাপ।

এবার ট্যাক্সিতে উঠার সময় কাজে লাগবে গুগল ম্যাপের নতুন ফিচার। নতুন ফিচার ট্যাক্সি চড়ার সময় ড্রাইভার কোন কারণে অন্য পথে চললে সতর্ক করে দেবে গুগল ম্যাপ। যে সব মানুষ নিয়মিত ট্যাক্সিতে যাতায়াত করেন তাঁদের জন্য নতুন ফিচার কাজে লাগবে।
ধরুন আপনি কোন নতুন জায়গায় পৌঁছলেন, যেখানের রাস্তাঘাট আপনি বিশেষ চেনেন না। এই পরিস্থিতিতে এবার গুগল ম্যাপের নতুন ফিচারের ফলে সুরক্ষিত থাকা যাবে। ট্যাক্সিতে উঠার সময় ড্রাইভার কোন কারণে অন্য পথ ধরলে সাথে সাথে আপনাকে সতর্ক করে দেবে গুগল ম্যাপ।

কীভাবে গুগল ম্যাপের নতুন ফিচার এনেবেল করবেন? জেনে নিন-

স্টেপ ১। গুগল ম্যাপসে গন্তব্য সার্চ করে ন্যাভিগেশন শুরু করুন।

স্টেপ ২। এবার উপরে ড্রাইভিং অপশন সিলেক্ট করুন। এই অপশন সিলেক্ট করার পরে নীচে ‘স্টে সেফার’ অপশন দেখতে পাবেন।
স্টেপ ৩। ‘স্টে সেফার’ অপশনের অধীনে ‘গেট অফ রুট অ্যালার্ট’ এনেবেল করে দিন।

এর ফলে কোন কারণে গন্তব্যের রাস্তা ছেড়ে অন্য রাস্তায় গাড়ি চলতে শুরু করলে তা জানিয়ে দেবে গুগল ম্যাপ।


নারী কোটায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে নারী কোটায় ভোলা জেলায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফলাফলে নারী কোটায় ৬০ শতাংশ নিয়োগ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ চারজনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভোলার নিয়োগবঞ্চিত ২৯ নারীর দায়ের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল হাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও অ্যাডভোকেট সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ বিধিতে বলা হয়েছে- সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলির ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়, ওই ফলাফলে নারী প্রার্থীদের তুলনায় পুরুষ প্রার্থীদের বেশি নির্বাচিত করা হয়, যা উক্ত বিধি লঙ্ঘন করেছে।

একইভাবে ভোলা জেলায় সর্বমোট ৩৪৪ প্রার্থীকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিত করা হয়। তার মধ্যে ১২৭ জন নারী ও ২১৭ জন পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত করা হয়েছে। অথচ ৬০ শতাংশ নারী কোটা সংরক্ষণের হিসাবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২০৬ জন নারী প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার কথ
নিয়োগবঞ্চিত হওয়ায় ভোলা জেলার ২৯ প্রার্থী ৬০ শতাংশ নারী কোটায় নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট দায়ের করেন। রিটকারীদের মধ্যে রয়েছেন- ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আকলিমা বেগম, মারজানা ইয়াসমিন, সুমনা দেবনাথ পূজা, নাসরিন আক্তার, রোকেয়া বেগম, রাবেয়া বেগম, আকলিমা বেগম, খাদিজা বেগম লিমা ও আছিয়া আক্তার লিজা।


আপডেট-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:

এবার পটুয়াখালী, মাদারীপুর ও সিরাজগঞ্জসহ আরও ১৪ জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এ-সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। জানা গেছে, এই ১৪ জেলার ফলাফল ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি নীলফামারী ও বরগুনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বরের নিয়োগ স্থগিত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই দিন নওগাঁ ও ভোলা জেলায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৪ জানুয়ারি দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বর নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পাঁচজন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এ পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেন।


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা নিয়ে অধিদপ্তরের ‘আসল’ ব্যাখ্যা

ডেস্ক

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ -২০১৮ এর বিভিন্ন কোটা সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।


প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম : প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

পদের নাম : সহকারী প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদনের ঠিকানা : প্রার্থীকে সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে।

সময়সীমা : সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি এবং প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২৯ ফেব্রুয়ারি।


প্রাথমিকে ৫৫ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়নি

ডেস্ক,১৭ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশের বেশি নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধি থাকলেও তা মানা হয়নি। নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ নারীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। আর ৫৩ শতাংশ নির্বাচিত হয়েছেন পুরুষ শিক্ষক। অথচ পুরুষ শিক্ষকের কোটা ২০ শতাংশ। আর পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ।

দেশের বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলায়ই নারী কোটা পূরণ হয়নি। পূরণ হয়েছে মাত্র ছয়টি জেলায়। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে নারী শিক্ষক ৮ হাজার ৫৭০ জন যা মোট প্রার্থীর ৪৭ শতাংশ। আর পুরুষ প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ৫৭৭ জন যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৩ শতাংশ। ৬০ শতাংশ নারী কোটা নিয়োগ দেয়া হলে এ সংখ্যা হতো ১০ হাজার ৮৮৮ জন। সে হিসাবে নারী কম নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ৩১৮ জন।

নারী কোটা পূরণ না হওয়ায় এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার নারী প্রার্থীদের কোটা পূরণ না হওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই রিটের শুনানি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকালও বুধবার হাইকোর্ট নীলফামারী ও বরগুনার চূড়ান্ত ফল ছয় মাসের জন্য স্থগিত এবং ফল বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেছে আদালত। এই দুটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ করা হয়নি। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেয়। ফলে এ নিয়োগ নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, নারী শিক্ষক কম নির্বাচন করা হলেও বিধিমালা ব্যত্যয় হয়নি। কারণ ওই সব জেলায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। তারা নিয়োগ নীতিমালার দ্বিতীয় অংশের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, নীতিমালায় বলা আছে- যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, রিট পিটিশন দায়ের করার পর এখন আমাদের কী করণীয় তা বসে ঠিক করা হবে। রুলের জবাব দেয়া হবে। যে উপজেলায় ফল নিয়ে রিট পিটিশন হয়েছে শুধু সেসব জেলার নিয়োগ ছাড়া অন্য কোথাও নিয়োগে বাধা আছে বলে মনে করি না।

এ ব্যাপারে রিট পিটিশনারদের আইনজীবী মো. কামাল হোসেন ও রেজাউল করিম রেজা জানান, এই নিয়োগে ৬০ শতাংশের বেশি নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু ৬০ শতাংশ পূরণ হয়নি। নারীর চেয়ে পুরুষই বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০ শতাংশ যে পোষ্য কোটা রয়েছে সেখান থেকেও নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু পোষ্য কোটা আলাদাভাবে না দেখানোয় সেখানেও নারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

আর মানবাধিকার কর্মী ও নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশি কবির বলেন, ৬০ ভাগ যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি এটা একটা খোঁড়া অজুহাত। এটা আমি মেনে নিচ্ছি না। যখন ৬০ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে তখন ৬০ শতাংশ যোগ্য নারী রয়েছেন বলেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাহলে পরীক্ষার পর যদি বলা হয়ে থাকে যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি- এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অনেক নিয়োগ হয়ে থাকে এ কারণে নারীরা পিছিয়ে থাকে। এ আর্থিক লেনদেনে নারীরা জড়িত থাকেন না, থাকতে পারেন না।

আসমা আক্তার নামে এক প্রার্থী বলেন, নারী প্রার্থীদের বঞ্চিত করার জন্য নীতিমালায় নতুন বাক্য যুক্ত করা হয়েছে। তিনি নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি জানান।

ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ১৯ জন। আর নারী ৭৪৭ জন। খুলনা বিভাগের একটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ হয়নি।

চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলায় ৩ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ৬০ শতাংশ দূরের কথা মোট উত্তীর্ণের মধ্যে নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা বেশি। পুরুষ নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ১৮৩ জন। আর নারী ১ হাজার ৬৪২ জন।

ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে মাত্র ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়েছে। বাকি ৯টি জেলায় পূরণ হয়নি। ৩ হাজার ৭১৩ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৭০৫ জন পুরুষ।

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার কোনোটিতেই নারী কোটা পূরণ হয়নি। ১ হাজার ৯৪৯ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৮৮৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৬১ জন পুরুষ।

ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলার মধ্যে ২টিতে নারী কোটা পূরণ হয়েছে। ১ হাজার নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৫০৮ জন নারী এবং ৪৯২ জন পুরুষ।

রংপুর বিভাগের ৮ জেলার একটিতেও নারী কোটা পূরণ হয়নি। ২ হাজার ৪২২ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২৯১ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ১৩১ জন নারী।

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার মধ্যে সবটিতেই নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিভাগে ১ হাজার ৯০৯ নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৭৪ এবং মহিলা ৮৩৫ জন।

আর সিলেট বিভাগের চিত্র একই। ১ হাজার ৫৩৬ শিক্ষকের মধ্যে নারী ৮১১ জন এবং পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন ৭৫২ জন।

গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকার। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেন। চার ধাপে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাশ করেন। এই পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করার কথা।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

ডেস্ক,১৭ জানুয়ারী:

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেশের সকল (মাধ্যমিক/কলেজ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসেম্বলি আয়োজন করার নির্দেশনা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিতান্ত অসম্ভব সে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে কেন্দ্রীয় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পূর্বে সকল শ্রেণি কক্ষে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।


চলতি মাসেই প্রাথমিকে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ধাপে সারাদেশে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার ৩০০ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, নতুন করে আরো ২৬৩০০ জন প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। তবে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নতুন নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা না করতে নিয়ম করা হয়েছে। তবে জানুয়ারি মাসের শেষের দিকেই এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসতে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিকে নতুন চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের নিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণদের চলতি মাসেই পদায়ন দেয়া হবে। যোগদান পাওয়া এসব শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ক্লাস করানোর দায়িত্ব দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সারাদেশে শূন্য আসনের ভিত্তিতে মোট ১৮১৪৭ জনকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচন করা হয়। জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে নিজ নিজ উপজেলায় এসব শিক্ষকদের পদায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

জানা যায়, জানুয়ারি মাসের মধ্যে পদায়ন কার্যক্রম শেষ করা হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন সিদ্ধান্ত অনূযায়ী এসব সহকারী শিক্ষকরা সরাসরি ১৩ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা পাবে। তবে যোগদানের পর তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আগে সহকারী শিক্ষকদের ১৫ গ্রেডে যোগদান করতে হত। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলে তারা ১৪ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা দেয়া হত। বর্তমানে যোগদানের পরেই প্রশিক্ষণ ছাড়াই সহকারী শিক্ষকদের ১৩ গ্রেডে বেতন-ভাতা দেয়া হবে।

এদিকে, সরকার প্রাথমিকের শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন দাবি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপে বেতন বাড়ানো হয়েছে। শিগগিরই প্রধান শিক্ষকদের আরো এক ধাপ গ্রেড উন্নীত করা হবে। ভবিষ্যতে প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড দেয়া হবে।

মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে মিড-ডে-মিল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করতে ও ঝরে পড়ার হার নির্মূলে মিড-ডে-মিল কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলার ২ হাজার ১৬৬ বিদ্যালয়ের ৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ শিক্ষার্থীকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ১৬টি জেলায় একযোগে মিড-ডে-মিল উদ্বোধন করা হয়।

এর অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ৩৩টি বিদ্যালয়ে কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড- ডে-মিল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে নানা ধরনের অসন্তোষ রয়েছে। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তারা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। আমরা তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন করছি। ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের ১১ গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩ গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড দেয়া হবে।

জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের যৌক্তিক সব দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া হবে, তবে আমরা চাই, শিক্ষকরা আমাদের সন্তানদের সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। পরবর্তী প্রজন্মকে যদি সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব না হয়, তবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

বর্তমানে শতভাগ ছেলেমেয়েরা স্কুলে ভর্তি হচ্ছে উল্লেখ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যের বই বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ ও প্রতিটি শিক্ষার্থীর মায়েদের হাতে উপবৃত্তি বাবদ অর্থ তুলে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমলমতি শিশুদের মুখে রান্না করা খাবার তুলে দিয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতি: দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পন্ডিত, প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খান, বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রতিনিধি মাহফুজ আলম, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: ইলিয়াস হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাকিব হোসেন তরফদার, পৌর মেয়র শেখ আহম্মেদ হোসেন মির্জা, কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


Shikkhok Batayon | শিক্ষক বাতায়ন |teachers.gov.bd হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে কি নিবন্ধন করতে হবে?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে গেলে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট আপলোড করতে পারবে। কারো কন্টেন্টে মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য আপনাকে অবশ্যই শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে হবে। তবে কন্টেন্ট দেখা ও ডাউনলোড করার জন্য নিবন্ধন করতে হবে না। এখানে নিবন্ধনের ছকে কিছু তথ্য দিয়ে বিনামূল্যে নিবন্ধন করা যায়।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে নিবন্ধন করবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে গেলে আপনাকে প্রথমতঃ শিক্ষক বাতায়ন থেকে সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ পেতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা এই আমন্ত্রণ পাঠাতে পারবে। তাই কোন নিবন্ধিত সদস্যকে আপনার ইমেইলে আমন্ত্রণ পাঠাতে অনুরোধ করুন। আমন্ত্রণ পাঠানো হলে আপনার ইমেইল ইনবক্সে বিষয়টি সম্পর্কে একটি ইমেইল বার্তা পাবেন। ইমেইল বার্তাটি ওপেন করুন। দেখবেন শিক্ষক বাতায়ন থেকে একটি লিংক পাঠানো হয়েছে। উক্ত লিংকে ক্লিক করুন। বাতায়ন পোর্টালের ইউজার রেজিস্টার বা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার পাতা দেখা যাবে। লগইন ও নিবন্ধন পাতার ঠিকানা https://www.teachers.gov.bd/user_login।

ব্রাউজারের নতুন পাতায় লগইন করুন + নিবন্ধন করুন লেখা পাতাটি ওপেন হলে নিবন্ধন করুন লিংকটিতে ক্লিক করুন।

৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০১৯ শিক্ষক বাতায়ন এর নতুন ভার্সন চালু হয়েছে। তাই নিচের ছবির মত নিবন্ধন ফরমটি, নতুন ভার্সনে কয়েকটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। তবে ফরমের তথ্য মোটামুটি একই আছে। এই ফরমে সকল তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করে, সবার শেষে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন ট্যাবে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে পরবর্তী পাতায় আপনার নিবন্ধন হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হবে। যদি নিবন্ধন ফরমে কোন তথ্য পূরণ করতে বাদ পড়ে বা ভুল তথ্য দেন তাহলে সেখানে এরর দেখাবে। পুনরায় সঠিক তথ্যগুলো পূরণ করে নিবন্ধন ফরমটি জমা দিন।

shikkhok-batayon-user-register


বিঃ দ্রঃ- উপরের নিবন্ধন ছকে অনেক তথ্য সিলেক্ট বাটনে ক্লিক করে সিলেক্ট করতে হবে আবার অনেক তথ্য লিখে পূরণ করতে হবে। নিবন্ধন ছকের যে তথ্যগুলো আবশ্যিক তা বোঝাতে × চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে পারবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়ন হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে আগে কোন শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট ডাউনলোড করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। এর জন্য আপনাকে পোর্টালের নেভিগেশন মেনুর দিকে লক্ষ্য করতে হবে। এখানে দুইভাবে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুঁজে পাবেন। প্রথমত সার্চ এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত পুরো কন্টেন্টের মধ্য থেকে। নেভিগেশন মেন্যুর দিকে লক্ষ্য করুন। নিচের ছবিটির মত দেখতে পাবেন।

shikkhok batayon-content-download

নেভিগেশন মেন্যুর এই অংশে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুজে পেতে সার্চ বক্সের সাহায্য নিতে পারবেন। এখানে আপনার খোঁজার বিষয়বস্তু মানে আপনি কি খুঁজতে চাইছেন তা লিখুন। এরপর প্রতিষ্ঠানের ধরণ, শ্রেণী ও বিষয় নির্ধারণ করে ডানের সার্চ আইকনটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে অনেকগুলো কন্টেন্ট দেখতে পাবেন। এবার আপনার পছন্দ মত কন্টেন্টের শিরোনামের উপর ক্লিক করুন। কন্টেন্ট পাতাটি ওপেন হলে, নিচের দিকে শেয়ার বাটনের শেষে Download লেখা লিংক দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট ডাউনলোড হয়ে যাবে।
এখানে আপনি শিক্ষক বাতায়নে রক্ষিত কন্টেন্ট এর বিভিন্ন শ্রেণীভাগ দেখতে পাবেন। আপনি যে ধরণের কন্টেন্ট চান তা নির্ধারণ করে ক্লিক করুন। তারপর পূর্বের মত কাঙ্খিত কন্টেনটি ডাউনলোড করুন।
এখানে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতিটি শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট এর শ্রেণীভাগ করা আছে। এখানে আপনার কাঙ্খিত শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট খুঁজে পেতে বিষয়টির উপর ক্লিক করুন। উক্ত বিষয়ের সকল কন্টেন্ট শ্রেণী ক্রম অনুসারে আসলে সেখান থেকে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট পূর্বের নিয়মের মত ডাউনলোড করুন।

শিক্ষক বাতানের কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম জানতে, নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Shikkhok Batayon Content Upload | শিক্ষক বাতায়ন কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম।

যদি আপনি এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হন, তাহলে নিচের লেখাগুলো আপনার কাছে প্রয়োজনীয় হতে পারে-

MPO Notice | Teacher MPO: কিভাবে দেখবেন?

Madrasha MPO Notice | কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

www.dshe.gov.bd – Teacher MPO Update: কখন, কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন ও কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে কোন প্রকার অসুবিধা হলে নিচের মন্তব্যের ঘরে জানান। আর বিষয়টি অন্য সবার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করলে ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুন।


জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবিতে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।


এর আগে গতকাল অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এ কর্মবিরতি পালন করেছেন তারা।
শেষ দিনে পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি পালন শেষে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের আহŸায়ক আনিসুর রহমান বলেন, আমাদের কর্ম বিরতি আজ শেষ দিন। ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। আমরা এর মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন চাই। ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, সকল বিদ্যালয়ে কর্ম বিরতি পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবীর কথা জানিয়ে দিয়েছি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই পারেন আমাদের দাবী দ্রুত বাস্তবায়ন করতে কারণ তাঁর নির্দেশেই সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবী নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের কর্মসূচি পালনে বাধ্য করেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের জিম্মি করতে চাইনা। তাই ২৩শে অক্টোবরের আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চাই। প্রধান সমন্বয়ক আতিকুর রহমান বলেন, ২৩শে অক্টোবর মহা সমাবেশ থেকে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো। নীতি নির্ধারণী চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ সরকার বলেন, দাবী বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ শতভাগ আন্তরিক হোক আমরা এটাই চাই। তা না হলে আসন্ন প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষা হুমকির মুখে পড়বে। প্রধান মুখপাত্র বদরুল আলম বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ এর চেষ্টা করছি। সাক্ষাৎ এর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে কথা হচ্ছে। অন্যতম মুখপাত্র রবিউল হাসান বলেন, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ছাড়া আমরা কর্মসূচী প্রত্যাহার করবো না। আমাদের দাবী যৌক্তিক তাই সকল শিক্ষকই কর্মসূচি পালন করছেন।
প্রথম যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কাশেম বলেন, ২৩শে অক্টোবর ৪ লক্ষ শিক্ষকই ঢাকায় উপস্থিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার অপেক্ষায় থাকবেন। ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহŸায়ক গাজীউল হক, ছিদ্দিকুর রহমান, সাবেরা বেগম, শিবাজী বিশ্বাস, আবদুস সবুর, আবদুল হক, ইউএস খালেদা, আবদুল খালেক, মোজাম্মেল হক ও রোজেল সাজু কর্ম বিরতি পালনের জন্য শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান এবং ২৩শে অক্টোবর ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার আহবান জানান।



কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

kormobiroti_shikkha
নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও সহকারি শিক্ষকগণের ১১ তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেডে বেতন ভাতাদি ঘোষণার দাবীতে ১৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর -২০১৯ তারিখ পর্যন্ত ঘোষিত কর্মবিরতির অংশ হিসেবে অদ্য ১৪ অক্টোবর সকাল ১০.০০ -১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ২ ঘন্টা স্বতঃফূর্ত ভাবে বিদ্যালয়গুলোতে কর্মবিরতি পালন করেছেন।


প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে আজ সারাদেশের প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠনের সম্মিলিত মোর্চা ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’ গত ৬ অক্টোবর এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের (প্রাথমিক শিক্ষকদের) পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়ে আন্দোলনে যেতে হচ্ছে।’

কিস্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও বেতন বৈসম্য দূরীকরণ তো হয়ই নি বরং অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত ব্যক্ত করেছেন বেতন বৃদ্ধির সুযোগ নেই বলে। তারা আরো বলেন আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা নিরুপায় হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচীতে রয়েছি, আগামি মাসেই ৫ম শ্রেণির শিশুদের সমাপনী পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শ্রেণির শিশুদের বার্ষিক পরীক্ষা সে বিষয়েও সজাগ রয়েছি। আমাদের দাবীর যৌক্তিকতা অনুধাবন করে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সহমত প্রকাশ করলেও আশার প্রতিফলন ঘটেনি।



আন্দোলন করলে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা-অতিরিক্ত মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:

বেতন বৈষম্যে নিরসনের আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।



পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। এ পর্যায়ে কোনো ধরণের দাবি আদায়ের কর্মসূচি পালিত হলে তা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অধিকন্তু সরকারি কর্মচারীগণ এ ধরণের কর্মসূচি ঘোষণা বা অংশগ্রহণ করা সরকারি শৃংখলা ও আপীল বিধিমালা-২০১৮ এর পরিপন্থী। বণির্ত অবন্থায় এধরণের কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সোমবার কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠন সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে এ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা।

প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে সোমবার (১৪ অক্টোবর) সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়।

এছাড়া মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকল ১০টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত তিন ঘন্টার কর্মবিরতি, বুধবার (১৬ অক্টোবর) এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন , পরদিন ১৭ অক্টোবর পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি, এরপরেও দাবি আায় না হলে ২৩ অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করে সেখান থেকে দাবি আদায়না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মসুচি পালন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলো শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন।

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ গত জুলাইতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা।


শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা

ডেস্ক,১৩ অক্টোবর:
শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৯ আসামির মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিদের জবানবন্দিতে বলা হয়, মূলত শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামিদের জবানবন্দিতে হত্যার কারণ হিসেবে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুর দিকেই আবরার হত্যা মামলার তদন্ত শেষ হবে। নভেম্বর মাসেই আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ঘটনার রাতে বুয়েটে পুলিশের কোনো টহল টিম ছিল কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন রাত ৩টা পর্যন্ত বুয়েট এলাকায় পুলিশের একটি টিম টহল দেয়। কিন্তু তারা এ সময় কোনো হইচইয়ের শব্দ পাইনি।

উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


hit counter