Home » Author Archives: chief editor

Author Archives: chief editor

Shikkhok Batayon | শিক্ষক বাতায়ন |teachers.gov.bd হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে কি নিবন্ধন করতে হবে?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে গেলে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট আপলোড করতে পারবে। কারো কন্টেন্টে মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য আপনাকে অবশ্যই শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে হবে। তবে কন্টেন্ট দেখা ও ডাউনলোড করার জন্য নিবন্ধন করতে হবে না। এখানে নিবন্ধনের ছকে কিছু তথ্য দিয়ে বিনামূল্যে নিবন্ধন করা যায়।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে নিবন্ধন করবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে গেলে আপনাকে প্রথমতঃ শিক্ষক বাতায়ন থেকে সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ পেতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা এই আমন্ত্রণ পাঠাতে পারবে। তাই কোন নিবন্ধিত সদস্যকে আপনার ইমেইলে আমন্ত্রণ পাঠাতে অনুরোধ করুন। আমন্ত্রণ পাঠানো হলে আপনার ইমেইল ইনবক্সে বিষয়টি সম্পর্কে একটি ইমেইল বার্তা পাবেন। ইমেইল বার্তাটি ওপেন করুন। দেখবেন শিক্ষক বাতায়ন থেকে একটি লিংক পাঠানো হয়েছে। উক্ত লিংকে ক্লিক করুন। বাতায়ন পোর্টালের ইউজার রেজিস্টার বা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার পাতা দেখা যাবে। লগইন ও নিবন্ধন পাতার ঠিকানা https://www.teachers.gov.bd/user_login।

ব্রাউজারের নতুন পাতায় লগইন করুন + নিবন্ধন করুন লেখা পাতাটি ওপেন হলে নিবন্ধন করুন লিংকটিতে ক্লিক করুন।

৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০১৯ শিক্ষক বাতায়ন এর নতুন ভার্সন চালু হয়েছে। তাই নিচের ছবির মত নিবন্ধন ফরমটি, নতুন ভার্সনে কয়েকটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। তবে ফরমের তথ্য মোটামুটি একই আছে। এই ফরমে সকল তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করে, সবার শেষে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন ট্যাবে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে পরবর্তী পাতায় আপনার নিবন্ধন হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হবে। যদি নিবন্ধন ফরমে কোন তথ্য পূরণ করতে বাদ পড়ে বা ভুল তথ্য দেন তাহলে সেখানে এরর দেখাবে। পুনরায় সঠিক তথ্যগুলো পূরণ করে নিবন্ধন ফরমটি জমা দিন।

shikkhok-batayon-user-register


বিঃ দ্রঃ- উপরের নিবন্ধন ছকে অনেক তথ্য সিলেক্ট বাটনে ক্লিক করে সিলেক্ট করতে হবে আবার অনেক তথ্য লিখে পূরণ করতে হবে। নিবন্ধন ছকের যে তথ্যগুলো আবশ্যিক তা বোঝাতে × চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে পারবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়ন হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে আগে কোন শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট ডাউনলোড করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। এর জন্য আপনাকে পোর্টালের নেভিগেশন মেনুর দিকে লক্ষ্য করতে হবে। এখানে দুইভাবে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুঁজে পাবেন। প্রথমত সার্চ এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত পুরো কন্টেন্টের মধ্য থেকে। নেভিগেশন মেন্যুর দিকে লক্ষ্য করুন। নিচের ছবিটির মত দেখতে পাবেন।

shikkhok batayon-content-download

নেভিগেশন মেন্যুর এই অংশে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুজে পেতে সার্চ বক্সের সাহায্য নিতে পারবেন। এখানে আপনার খোঁজার বিষয়বস্তু মানে আপনি কি খুঁজতে চাইছেন তা লিখুন। এরপর প্রতিষ্ঠানের ধরণ, শ্রেণী ও বিষয় নির্ধারণ করে ডানের সার্চ আইকনটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে অনেকগুলো কন্টেন্ট দেখতে পাবেন। এবার আপনার পছন্দ মত কন্টেন্টের শিরোনামের উপর ক্লিক করুন। কন্টেন্ট পাতাটি ওপেন হলে, নিচের দিকে শেয়ার বাটনের শেষে Download লেখা লিংক দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট ডাউনলোড হয়ে যাবে।
এখানে আপনি শিক্ষক বাতায়নে রক্ষিত কন্টেন্ট এর বিভিন্ন শ্রেণীভাগ দেখতে পাবেন। আপনি যে ধরণের কন্টেন্ট চান তা নির্ধারণ করে ক্লিক করুন। তারপর পূর্বের মত কাঙ্খিত কন্টেনটি ডাউনলোড করুন।
এখানে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতিটি শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট এর শ্রেণীভাগ করা আছে। এখানে আপনার কাঙ্খিত শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট খুঁজে পেতে বিষয়টির উপর ক্লিক করুন। উক্ত বিষয়ের সকল কন্টেন্ট শ্রেণী ক্রম অনুসারে আসলে সেখান থেকে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট পূর্বের নিয়মের মত ডাউনলোড করুন।

শিক্ষক বাতানের কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম জানতে, নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Shikkhok Batayon Content Upload | শিক্ষক বাতায়ন কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম।

যদি আপনি এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হন, তাহলে নিচের লেখাগুলো আপনার কাছে প্রয়োজনীয় হতে পারে-

MPO Notice | Teacher MPO: কিভাবে দেখবেন?

Madrasha MPO Notice | কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

www.dshe.gov.bd – Teacher MPO Update: কখন, কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন ও কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে কোন প্রকার অসুবিধা হলে নিচের মন্তব্যের ঘরে জানান। আর বিষয়টি অন্য সবার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করলে ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুন।


জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবিতে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।


এর আগে গতকাল অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এ কর্মবিরতি পালন করেছেন তারা।
শেষ দিনে পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি পালন শেষে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের আহŸায়ক আনিসুর রহমান বলেন, আমাদের কর্ম বিরতি আজ শেষ দিন। ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। আমরা এর মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন চাই। ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, সকল বিদ্যালয়ে কর্ম বিরতি পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবীর কথা জানিয়ে দিয়েছি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই পারেন আমাদের দাবী দ্রুত বাস্তবায়ন করতে কারণ তাঁর নির্দেশেই সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবী নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের কর্মসূচি পালনে বাধ্য করেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের জিম্মি করতে চাইনা। তাই ২৩শে অক্টোবরের আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চাই। প্রধান সমন্বয়ক আতিকুর রহমান বলেন, ২৩শে অক্টোবর মহা সমাবেশ থেকে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো। নীতি নির্ধারণী চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ সরকার বলেন, দাবী বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ শতভাগ আন্তরিক হোক আমরা এটাই চাই। তা না হলে আসন্ন প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষা হুমকির মুখে পড়বে। প্রধান মুখপাত্র বদরুল আলম বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ এর চেষ্টা করছি। সাক্ষাৎ এর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে কথা হচ্ছে। অন্যতম মুখপাত্র রবিউল হাসান বলেন, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ছাড়া আমরা কর্মসূচী প্রত্যাহার করবো না। আমাদের দাবী যৌক্তিক তাই সকল শিক্ষকই কর্মসূচি পালন করছেন।
প্রথম যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কাশেম বলেন, ২৩শে অক্টোবর ৪ লক্ষ শিক্ষকই ঢাকায় উপস্থিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার অপেক্ষায় থাকবেন। ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহŸায়ক গাজীউল হক, ছিদ্দিকুর রহমান, সাবেরা বেগম, শিবাজী বিশ্বাস, আবদুস সবুর, আবদুল হক, ইউএস খালেদা, আবদুল খালেক, মোজাম্মেল হক ও রোজেল সাজু কর্ম বিরতি পালনের জন্য শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান এবং ২৩শে অক্টোবর ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার আহবান জানান।



কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

kormobiroti_shikkha
নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও সহকারি শিক্ষকগণের ১১ তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেডে বেতন ভাতাদি ঘোষণার দাবীতে ১৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর -২০১৯ তারিখ পর্যন্ত ঘোষিত কর্মবিরতির অংশ হিসেবে অদ্য ১৪ অক্টোবর সকাল ১০.০০ -১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ২ ঘন্টা স্বতঃফূর্ত ভাবে বিদ্যালয়গুলোতে কর্মবিরতি পালন করেছেন।


প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে আজ সারাদেশের প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠনের সম্মিলিত মোর্চা ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’ গত ৬ অক্টোবর এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের (প্রাথমিক শিক্ষকদের) পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়ে আন্দোলনে যেতে হচ্ছে।’

কিস্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও বেতন বৈসম্য দূরীকরণ তো হয়ই নি বরং অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত ব্যক্ত করেছেন বেতন বৃদ্ধির সুযোগ নেই বলে। তারা আরো বলেন আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা নিরুপায় হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচীতে রয়েছি, আগামি মাসেই ৫ম শ্রেণির শিশুদের সমাপনী পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শ্রেণির শিশুদের বার্ষিক পরীক্ষা সে বিষয়েও সজাগ রয়েছি। আমাদের দাবীর যৌক্তিকতা অনুধাবন করে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সহমত প্রকাশ করলেও আশার প্রতিফলন ঘটেনি।



আন্দোলন করলে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা-অতিরিক্ত মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:

বেতন বৈষম্যে নিরসনের আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।



পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। এ পর্যায়ে কোনো ধরণের দাবি আদায়ের কর্মসূচি পালিত হলে তা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অধিকন্তু সরকারি কর্মচারীগণ এ ধরণের কর্মসূচি ঘোষণা বা অংশগ্রহণ করা সরকারি শৃংখলা ও আপীল বিধিমালা-২০১৮ এর পরিপন্থী। বণির্ত অবন্থায় এধরণের কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সোমবার কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠন সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে এ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা।

প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে সোমবার (১৪ অক্টোবর) সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়।

এছাড়া মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকল ১০টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত তিন ঘন্টার কর্মবিরতি, বুধবার (১৬ অক্টোবর) এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন , পরদিন ১৭ অক্টোবর পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি, এরপরেও দাবি আায় না হলে ২৩ অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করে সেখান থেকে দাবি আদায়না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মসুচি পালন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলো শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন।

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ গত জুলাইতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা।


শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা

ডেস্ক,১৩ অক্টোবর:
শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৯ আসামির মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিদের জবানবন্দিতে বলা হয়, মূলত শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামিদের জবানবন্দিতে হত্যার কারণ হিসেবে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুর দিকেই আবরার হত্যা মামলার তদন্ত শেষ হবে। নভেম্বর মাসেই আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ঘটনার রাতে বুয়েটে পুলিশের কোনো টহল টিম ছিল কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন রাত ৩টা পর্যন্ত বুয়েট এলাকায় পুলিশের একটি টিম টহল দেয়। কিন্তু তারা এ সময় কোনো হইচইয়ের শব্দ পাইনি।

উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আবরার হত্যা: আটক দশজন পুলিশ রিমান্ডে

ডেস্ক,৯ অক্টোবর: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দশজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ।

গোয়েন্দা পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হচ্ছে আজ মঙ্গলবার এই রিমান্ড চেয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে পাঠালে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চকবাজার থানায় দায়ের করা মামলা তদন্তের দায়িত্ব আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান চকবাজার থানার ওসি সোহরাব হোসেন।

তিনি জানান আবরার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবা সোমবার চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এর মধ্যে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই বুয়েটে ছাত্রলীগের নেতা।

ঐ ছাত্র মারা যাওয়ার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে গতকাল সোমবার বুয়েটের ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটক করা হয় বলে বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেন সোহরাব হোসেন।

“বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল এবং যুগ্ম সম্পাদক ফুয়াদকে আটক করা হয়েছে”,জানান মি. হোসেন।

এর কিছুক্ষণ পর হল থেকে বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অনিক সরকার এবং ক্রীড়া সম্পাদক মিফতাহুলইসলাম জিয়নকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেন মি. হোসেন।

মি. হোসেন জানান পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ হল থেকে আরো দু’জনকে আটক করে, কিন্তু ঐ দু’জনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে বুয়েট সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর আসছে।

আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বুয়েট শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়েছে বুয়েটের শিক্ষক সমিতি।

বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীরাও সেখানে আজ মানববন্ধন করেছেন।

আবরার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সকাল থেকে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সহ দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা একটি গায়েবানা জানাজারও আয়োজন করেন।

বরিশাল থেকে সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, শহরের টাউন হলের সামনে মানববন্ধন করেছে ছাত্র ফেডারেশন।

ময়মনসিংহেও ছাত্ররা মানববন্ধন করেছে বলে জানা গেছে।

আবরারের বাড়ি কুষ্টিয়ার যে গ্রামে সেখানে বিক্ষোভ দেখিয়েছে গ্রামবাসীরা।

কুষ্টিয়ার ছেলে আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

source: bbc.com/bangla



দূর্গা পুজোতে অংশ নেয়াতে প্রাণনাশের হুমকি পেলেন নুসরাত

ওয়েবডেস্ক : টলিউডের নায়িকা তথা সাংসদ নুসরাত জাহান গত ১৯ সে জুন বিয়ে করেন সাংসদ নিখিল জৈন কে । গত অষ্টমীতে শাড়ি ও সিঁদুর পরে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অঞ্জলি দিয়েছিলেন সুরুচি সঙ্ঘের মণ্ডপে । সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী এরূপ বিশ্বাস ও । নুসরাতের পূজা মণ্ডপের এই ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরেই তাকে পড়তে হয়েছে মৌলবাদীদের প্রকাশ্য হুমকি মুখে ,তাকে ধর্ম ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন ,কিছু মুসলিম ধর্মগুরুরা ,আর প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন ন্যাশনাল কংগ্রেসের আইটি দলের এক কর্মী ।


২৯১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাদ পড়া শিক্ষকদের জাতীয়করণ




নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ অক্টোবর:
অবশেষে ২৯১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাদ পড়া শিক্ষকদের জাতীয়করণের আওতায় আনা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান চৌধুরী বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় তৃতীয় ধাপে প্রায় সাড়ে ৫০০ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা হলেও ২৯১টি বিদ্যালয়ের এক হাজার ৩১ জন শিক্ষকদের জাতীয়করণের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদের সভায় এসব শিক্ষকদের জাতীয়করণে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে তারা জাতীয়করণের আওতাভুক্ত হয়ে যাবেন।

তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের দিনের মধ্যে যদি কারোর সরকারি চাকরির সময়সীমা বা অবসরে যাওয়ার সময় হয়, তাহলে তিনি পেনশনসহ সরকারি সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী গত চার বছরে সারাদেশে ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। তিনটি ধাপে এসব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়। তৃতীয় ধাপে সারাদেশে ৫৪৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও মামলা জটিলতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বিলম্ব, নানা অভিযোগ-আপত্তিসহ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় এ ধাপে ২৯১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারিকরণ করা সম্ভব হয়নি।

এ তালিকায় এক হাজার ৩১ জন শিক্ষকের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৪৭ জন, রংপুরে ৪৩২ জন, রাজশাহীতে ৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৬৮ জন, বরিশালে ১১৭ জন, সিলেটে ২৭ জন ও খুলনা বিভাগে ৫৬ জন শিক্ষক রয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তৃতীয় ধাপে শিক্ষকদের জাতীয়করণ করতে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই ট্রাস্কফোর্সের সভা হয়। সভায় জাতীয়করণ হওয়া ২৯১টি বিদ্যালয়ে কর্মরত এক হাজার ৩১ জন শিক্ষকের সরকারিকরণ কার্যক্রম আটকে যায়। বাদ পড়া এসব শিক্ষকদের তালিকা আগামী সপ্তাহের রোববার অথবা সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।


ওষুধ তৈরি প্রতিষ্ঠান সানোফি বাংলাদেশ ছেড়ে যাচ্ছে না




হ্যাপি আক্তার : আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ওষুধ প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি বাংলাদেশ থেকে নিজেদের শাখা প্রতিষ্ঠান গুটিয়ে নিচ্ছে না। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন সানোফির জেনারেল ম্যানেজার রামপ্রসাদ ভাট। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে সানোফি। দেশের অনৈতিক বিপণনব্যবস্থাকে দায়ী করে তাদের সকল পণ্যসহ চলে যাচ্ছে সানোফি। যা নিছক গুজব বলে জানান তিনি।

ফরাসি এ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ করছে ১৯৫৮ সাল থেকে। সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেডের মোট শেয়ারের মধ্যে ৪৫.৩৬ শতাংশ মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে পরিচালিত এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। বাকি অংশের মালিকানায় রয়েছে সানোফি। এ দেশে তাদের এক হাজার কর্মী রয়েছে। ওষুধ উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখে সানোফি, এমন স্বীকৃতি রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ঢাকার টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠানটির কারখানা রয়েছে।
সানোফির বাংলাদেশ ত্যাগের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলো কর্মীরা। দেশ ছেড়ে না যাবার সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে সানোফিতে কর্মরত কর্মীদের।


প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতি গণশিক্ষা সচিবের আহ্বান

ডেস্ক:
বেতন-বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনে যাচ্ছেন সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় পৌনে চার লাখ শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠন মিলে সম্প্রতি গঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’। এই পরিষদের মাধ্যমে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


এদিকে আগামী মাসে ১৭ নভেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা। ইংরেজি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ পরীক্ষা। ২৪ নভেম্বর গণিত পরীক্ষা আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হবে এ পরীক্ষা। পরীক্ষার আর দেড় মাস মাত্র বাকি। এ মুহূর্তে শিক্ষকরা বিদ্যালয় বন্ধ করে লাগাতার ধর্মঘটে গেলে শিশু শিক্ষার্থীদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। তাই দ্রুত সরকারকে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেয়ার দাবিতে আগামী ১৪ অক্টোবর সারাদেশের প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হবে। পরদিন ১৫ অক্টোবর পালন করা হবে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি। তার পরের দিন ১৬ অক্টোবর এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করবেন শিক্ষকরা। ১৭ অক্টোবর পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাবেন তারা। এরপরও দাবি আদায় না হলে ২৭ অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মসূচি চলবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন জানান, শিক্ষকদের বেতন-বৈষম্য কমাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তারা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা শতভাগ আন্তরিক এ বিষয়ে। তবে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়, এমন কোনো কর্মসূচি শিক্ষকদের না দেয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

শিক্ষক নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ৬ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তাদের দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আবারো চূড়ান্তভাবে জানানো হবে বলে তিনি জানান।

এর আগে গত ২৯ জুলাই এই শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর এই প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ৮ সেপ্টেম্বর তা নাকচ করে দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এরপর সারাদেশের শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে এই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৫ হাজার ৯০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এগুলোতে তিন লাখ ২৫ হাজার সহকারী শিক্ষক ও ৪২ হাজার প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে নেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বেতন নিয়ে অসন্তুষ্টি রয়েছে সহকারী শিক্ষকদের ভেতরেও।


ছাত্রীর সর্বনাশ করলেন পল্টন থানার ওসি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ সেপ্টেম্বর:
রাজধানীর পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হকের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ ‍উঠেছে। জানা যায়, চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক ছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের করেন তিনি। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে মাসের পর মাস শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিনি।


ওই তরুণীর অভিযোগ, তিনি অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে ওসি গর্ভপাতের শর্তে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলে তিনি গর্ভপাত করান। তবে এরপর মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি আর বিয়ে করেননি। একপর্যায়ে ওই তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগই বন্ধ করে দেন ওসি মাহমুদুল। শেষ পর্যন্ত ওই তরুণী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর অভিযোগ করেছেন ওসির বিরুদ্ধে। তদন্তে সে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে, জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদনও। এরপরও মাহমুদুল হক পল্টন থানার ওসি হিসেবে বহাল তবিয়তেই কাজ করে যাচ্ছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক সূত্র মতে, মাহমুদুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ভুক্তভোগী ওই তরুণীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভুক্তভোগী তরুণী গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি সরকারি একটি কলেজ থেকে পড়ালেখা শেষ করে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এর মধ্যে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওসি মাহমুদুল হক আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমাকে ঢাকায় ডেকে আনেন। আমাকে রাখার জন্য পল্টনের ক্যাপিটাল হোটেলের একটি রুমে নিয়ে যান। সেখানে হোটেল বয়কে দিয়ে আমার জন্য স্যুপ নিয়ে আসান। আমি খেতে না চাইলেও জোর করে খাওয়ান। এরপরই আমি ঘুমিয়ে পড়ি।’

ওই তরুণী বলেন, ঘুম ভাঙলে দেখি রাত ২টার মতো বাজে। ওই সময় মাহমুদুল হক আমার পাশেই শুয়ে ছিলেন। আমি বুঝতে পারি, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ধর্ষণের শিকার হয়েছি। মাহমুদুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি আমাকে ভালোবাসেন। তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় জানিয়ে তিনি আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন।

ওই তরুণীর অভিযোগ, এরপর প্রতি সপ্তাহেই ওই তরুণীকে ঢাকায় ডেকে এনে একই হোটেলে নিয়ে যেতেন মাহমুদুল হক। গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি বুঝতে পারেন, অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। এ কথা মাহমুদুল হককে জানালে তিনি ওই তরুণীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গর্ভপাত করতে বলেন এবং একপর্যায়ে তার কথায় রাজি হয়ে গর্ভপাত করান ওই তরুণী।

তিনি জানান, দু’জনের সম্মতিতে তাদের মধ্যেকার শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ও ছবিও ধারণ করা হয়েছে, যেগুলো ওই তরুণীর কাছে রয়েছে।

ওই তরুণী বলেন, মাহমুদুল হক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও আমাকে বিয়ে করেননি। সবশেষ গত ২ এপ্রিল আমার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করেন দেন। আমি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছি এসময়। পরে আমার পরিবার সবকিছু জানতে পারলে তারা মাহমুদুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে। এসময় আমার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়, পল্টন থানার ওসির অনেক ক্ষমতা, বাড়াবাড়ি করলে আমার অনেক ক্ষতি হবে। আমি ঢাকার বাইরে একটি চাকরি করছি। সেখানেও আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন মাহমুদুল হক।

ওই তরুণী বলেন, সবশেষে বাধ্য হয়ে আমি মতিঝিল জোনের এডিসি শিবলী নোমানকে বিষয়টি জানাই। তিনি বিষয়টি মীমাংসা করে দেবেন বলেও জানান। মাহমুদুলের বাবাকেও বিষয়টি জানাই। তবুও কোনো কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত আমি আইজিপি বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। মাহমুদুল হক আমাকে বিয়ে না করলে আমি আদালতে মামলা করব।

ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে ওসি মাহমুদুলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোনালিসা বেগমকে। তদন্ত শেষ করে তিনি প্রতিবেদন ডিএমপি সদর দফতরে পাঠিয়েও দিয়েছেন। সেখান থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদনটি পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিবেদনে মাহমুদুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। পল্টনের হোটেল ক্যাপিটালে নিয়ে যাওয়া বিষয়ে ওই তরুণী যেসব তথ্য দিয়েছেন, তা ঠিক। প্রতি মাসেই ওই হোটেলে ওসি পল্টনের নামে এক বা একাধিক দিন বুকিংয়ের তথ্য মিলেছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ বছরের ১৭ মার্চ ওই হোটেল থেকে চেকআউট করেন ওসি মাহমুদুল। এছাড়া কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও ওসি ওই তরুণীকে নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে প্রতিবেদনে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হক রোববার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, আমি সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট।

ওসি মাহমুদুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেছেন সবুজবাগ জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোনালিসা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল ও ভুক্তভোগী মেয়েটির ব্যাপারে তদন্ত শেষ করে ডিএমপি সদর দফতরে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। তবে প্রতিবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কেবল বলেন, তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

ডিএমপির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এডিসি মোনালিসার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার তা গত বুধবার পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর ওসি মাহমুদুলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, ওসি মাহমুদুল হক ২০০১ সালে এসআই পদে পুলিশে যোগ দেন। তার বাড়ি নওঁগা জেলায়। চাকরি জীবনে তিনি একটি গুরুদণ্ড-ব্ল্যাক মার্ক এবং ২২টি লঘুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালের ২ জুলাই পল্টন থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। তার স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে।

শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বর-ইমেইল ঠিকানা পাওয়া যাবে অ্যাপসে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ সেপ্টেম্বর:
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপসভিত্তিক ডিজিটাল টেলিফোন ডাইরেক্টরি (সাউ ডাইরেক্টরি) উদ্বোধন করা হয়েছে। অ্যাপসটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা পাওয়া যাবে।



রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপাচার্য প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ এ ডাইরেক্টরির উদ্বোধন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সেকেন্দার আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল হক বেগসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন ।

SAU-1

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মীর্জা হাছানুজ্জামান বলেন, অ্যাপসটি প্রাথমিক অবস্থায় শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যাবে। আইফোন গ্রাহকদের এই অ্যাপসটি ব্যবহার করতে কিছুটা সময় লাগবে। অন্য সব অ্যাপসের মতো গুগল প্লে স্টোর থেকে SAU Directory অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইনস্টল করে এ সেবা পাওয়া যাবে।

প্রাক-প্রাথমিকে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নভেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ সেপ্টেম্বর:
নতুন করে আরও ২৬ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে এসব শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হবে। চলতি বছর নভেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে। এ নিয়োগ থেকে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা ডিগ্রি পাস কার্যকর করা হবে।



জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ধাপে ২৬ হাজার ৩৬৬ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ফলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে শিক্ষক নিয়োগ পাবেন। এ নিয়োগ কার্যক্রম থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নারী-পুরুষ উভয়ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা ডিগ্রি পাস বাধ্যতামূলক।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মো. বদরুল হাসান বাবুল জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শেষে নভেম্বরে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার ৩৬৬ শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। নভেম্বরের মাঝামাঝি এ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই আলোকে প্রথম ধাপে এ স্তরে ২৬ হাজারের বেশি নিয়োগ দেয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পদ সৃজনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সচিব কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন হওয়ার পর তা মন্ত্রিপরিষদ সভায় পাঠানো হবে। অনুমোদন সংক্রান্ত কার্যক্রম অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে। নভেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃজন করে নিয়োগ দেয়া হবে

দ্বিতীয় বিয়ের করলেন অপু বিশ্বাস!

বিনোদন প্রতিবেদক,৩০ সেপ্টেম্বর:
হঠাৎ করেই চাউর হয়েছে বিয়ে করছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ঢালিউড কুইন খ্যাত এই নায়িকা দ্বিতীয়বারের মতো সংসার পাতবেন। মায়ের পছন্দের ছেলের গলায় মালা দেবেন তিনি।


ফেসবুক ও কিছু গণমাধ্যম নায়িকার বিয়ের গুঞ্জনে ঘি ঢেলেছে চিত্রনায়ক বাপ্পীকে জড়িয়ে। বলা হচ্ছে বাপ্পীকেই বিয়ে করতে চলেছেন অপু। কিন্তু সব খবরকেই হেসে উড়িয়ে দিলেন নায়িকা। দাবি করলেন ‌‘খুবই দুর্বল গুজব’ বলে।

অপু বিশ্বাস সোমবার সকালে জাগো নিউজকে তার বিয়ে প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এই মুহূর্তে কোনোরকম পরিকল্পনাই নেই। যা ছড়িয়েছে বা ছড়ানো হচ্ছে সবই গুজব। খুবই দুর্বল গুজব। কারণ আমি এখন ছেলে ও ক্যারিয়ার নিয়ে বেশি মনযোগী।’

বিয়ের খবরটি তবে হঠাৎ করে ছড়ালো? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘আমি নিজেও জানি না। সামনে আমার ‘শ্বশুড়বাড়ি জিন্দাবাদ’ ছবিটি মুক্তি পাবে। এখানে বাপ্পী চৌধুরীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছি আমি। হতেও পারে আমাদের ভক্তরা আলোচনা তৈরি করতেই এ ধরনেই ‘ফান পোস্ট’ দিচ্ছেন ফেসবুকে।

সেখান থেকেই বিষয়টি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বাপ্পীর সঙ্গে আমার বিয়ের খবর কিছু অখ্যাত গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। সেসব নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।

তবে কিছু প্রথমসারির গণমাধ্যমেও বিয়ের খবর প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি। সেটা নিয়ে বলবো ঘটনা ঠিক এমনটি নয় যেমনটি প্রকাশ হয়েছে। আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো লাইফ নিয়ে কী পরিকল্পনা আমার। আবারও কখনো বিয়ে করবো কী না।

উত্তরে বলেছিলাম একজন মানুষ হিসেবে জীবনটাকে তো বয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেজন্য হয়তো একটা আস্থা ও নির্ভরতার আশ্রয় আমার প্রয়োজন হতে পারে। বিয়ে হয়তো করতেও পারি কোনো একদিন। যদি করি তবে এবার মায়ের ইচ্ছেতে করবো। তার মানে এই নয় যে আমি এখনই বিয়ে করে ফেলছি বা বিয়ের জন্য পাত্র দেখা শুরু করে দিয়েছি।’

নায়িকা বলেন, আপাতত একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়কে সময় দিচ্ছেন তিনি। তাকে মানুষ করে তোলাই এখন তার জীবনের ব্রত। ছেলের দেখাশোনা, পড়াশোনা সবকিছু সামলে যেটুকু সময় পান সেটুকু শোবিজের জন্য বরাদ্দ রেখেছেন। সিনেমা-বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন রকম শো-তে অংশ নেন।

এদিকে শাকিব খানকে বিয়ের পর অপু বিশ্বাসের ধর্ম নিয়ে যে ধোঁয়াশা চলমান ছিলো তার ইতি টেনেছেন তিনি। নায়িকার ভাষ্য, ‘আমি হিন্দু ধর্মেই আছি। এবার আমি দূর্গা পূজা করবো। শাকিব তো আমাকে কাগজ-কলমে মুসলিম করেননি। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছিলাম ইসলাম ধর্ম।তবে বাবা-মার সঙ্গে থেকে তো আমি অন্য ধর্ম পালন করতে পারি না।’

অপুর দাবি, তিনি কোরআন শিখেছেন। পড়তেও পাড়েন। ধর্ম পালন নিয়ে অপু বলেন, ‘কাগজে-কলমে, মনে প্রাণে বা গরুর মাংস খেয়ে বা হজ্ব করে আমি নিজে মুসলিম হইনি। একজনকে ভালোবেসে মুসলিম ধর্মকে সম্মান দেখিয়েছি, আজও দেখাই। সব ধর্মের প্রতি আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা আছে।’

hit counter