লিটন দাসের আউটের জেরে কোহলির ওয়েবসাইট হ্যাকড!

ক্রীড়া ডেস্ক,৪ অক্টোবর: এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালের স্মৃতি এখনো ভুলতে পারছেন না বাংলাদেশি ক্রিকেট সমর্থকরা। শেষ বলে হারা ওই ম্যাচে লিটন দাসকে দেয়া থার্ড আম্পায়ারের আউট মেনে নিতে পারেননি অনেকে। এবার সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ জানাতে বিরাট কোহলির অফিশিয়াল সাইট ‘হ্যাক’ করেছে ‘সিএসআই’ নামে বাংলাদেশের একটি গ্রুপ। এমন খবরই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

টানা ক্রিকেটের ধকল সামলাতে এশিয়া কাপের সময়টায় বিশ্রামে ছিলেন, তাই মাঠে থাকা হয়নি অবশ্য কোহলির। তবে তার ওয়েবসাইটকেই শিকার হতে হলো হ্যাকিংয়ের।

হ্যাকার গোষ্ঠীর এমন কাণ্ডের বিষয়ে খবর প্রচার করেছে স্বয়ং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সেই খবর অনুযায়ী, সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স (সিএসআই) নামের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখেছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বার্তা দিয়ে প্রকাশ করছে আইসিসির প্রতি নিজেদের ক্ষোভ আর হতাশা।

ওয়েবসাইটে দেখা গিয়েছে গ্যালারি বিভাগে লিটন দাসের আউট হওয়ার কিছু ছবি এবং কিছু বার্তা। তাদের দাবি এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভারতের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছিলেন আম্পায়াররা। কোহলির ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ রেখে সেখানে হ্যাকাররা লিখে দেন, ‘প্রিয় আইসিসি, ক্রিকেট তো ভদ্রলোকের খেলা? সব দলেরই কি সমান অধিকার থাকা উচিত নয়? দয়া করে ব্যাখ্যা করো, এটা কীভাবে আউট?’

আইসিসি তাদের ‘দোষ’ এর কারণে ক্ষমা না চাইলে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে হ্যাকাররা উল্লেখ করেন, ‘তোমরা যদি বিশ্বের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাও এবং আম্পায়ারদের শাস্তি না দাও, তাহলে যতবার সাইট পুনরুদ্ধার করবে ততবারই হ্যাক করা হবে। ভারতীয় ভাই-বোনদের বলছি, তোমাদের অসম্মান করছি না। অনুগ্রহ করে একটু ভেবে দেখ, তোমাদের দলের সঙ্গে এমন অবিচার হলে কেমন লাগত? ম্যাচে প্রতিটি দলকে সমান চোখে দেখা উচিত। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

নিজেদেরকে বাংলাদেশের হ্যাকার গোষ্ঠী হিসেবে দাবি করেছে সিএসআই। তাদের ফেইসবুক পাতাতে এ নিয়ে লিখেছে, “আমরা সবাই জানি, ক্রিকেট হলো জেন্টেলম্যানদের খেলা! কিন্তু বাংলাদেশ প্রতিবার এমনভাবে পক্ষপাতীত্ত্ব করার জন্য ব্যর্থ হয়! যার প্রতিবাদ হিসেবে ভিরাট কোহলির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করা হল এবং সামনে আরও অনেক কিছু হবে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*